Blog

  • বিরল রোগের যন্ত্রণায় ঢাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

    বিরল রোগের যন্ত্রণায় ঢাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

    ডেস্ক নিউজঃ

    কুষ্টিয়ার মিরপুরে নিজ ঘর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী সুমি আক্তারের (২৬) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    সোমবার (২৪ নভেম্বর) ভোরে উপজেলার আমবাড়িয়া গ্রামের নিজ ঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    মিরপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    সুমি আক্তার আমবাড়িয়া গ্রামের কৃষক গোলাপ রহমানের মেয়ে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের ক্ষার্থী ছিলেন।

    জানা গেছে, আত্মহত্যার আগে সুমি একটি ফেসবুক পোস্ট দিয়েছিলেন। সে পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, `SORRY 2 ME….’ যার মানে হল- ‘আমি নিজের কাছে নিজেই দুঃখ প্রকাশ করছি অর্থাৎ আসলে আমার কিছুই করার ছিলনা’।

    সুমির সহপাঠীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিরল রোগ ফাইব্রাস ডিসপ্লেশিয়াসহ গুরুতর শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন সুমি। এ রোগের কারণে তার হাঁড় ক্ষয় গিয়েছিল এবং একাধিকবার অস্ত্রোপচার করলেও অবস্থার উন্নতি হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে তীব্র ব্যথা, চলাফেরায় সীমাবদ্ধতা ও শারীরিক দুর্বলতার কারণে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। অসুস্থতা সত্ত্বেও সুমি সবসময় চেষ্টা করতেন স্বাভাবিক জীবনযাপন ও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে। বিভিন্ন ডাক্তার ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেও স্থায়ী সমাধান মিল ছিল না।

    তারা আরও জানান, পরিবারের জন্য কিছু করতে না পারার আক্ষেপ এবং ক্রমাগত যন্ত্রণায় ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন তিনি। একা একাই লড়াই করলেও শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি সামলাতে পারেননি বলে তাদের ধারণা।

    সুমির ছোট খালা মোসা. কাঞ্চনী জানান, আজ ভোর রাতে (ফজরের নামাজের আগে) সুমির বাবা ও মা তার রুমে মধ্যে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পেয়ে পরে রশি কেটে নামায়। সকালে পুলিশ এসে তার রোগের রিপোর্টগুলো দেখে যায় এবং তার বাবাকে সঙ্গে করে থানায় নিয়ে যায় এবং তাকে দাফন করতে বলা হয়। আজ বাদ যোহর তার জানাযা অনুষ্ঠিত হবে।

    সুমি বেশ মেধাবী ও শান্ত স্বভাবের ছাত্রী ছিলেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. অসীম সরকার। মেয়েটি খুব ভালো ও মেধাবী ছিল। অসুস্থতার কারণে এক বছর পড়াশোনায় বিরতিও দিতে হয়। তার ‍এভাবে চলে যাওয়ার বিষয়টি আমরা মেনে নিতে পারছি না। আমরা বিভাগের সবাই শোকাহত। আর কোনো শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে যেন এমন না হয়।

    এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, সুমি নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। তার মরদেহটি ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

    আর আই খান

  • উপদেষ্টা পরিষদে গণভোট অধ্যাদেশ অনুমোদন

    উপদেষ্টা পরিষদে গণভোট অধ্যাদেশ অনুমোদন

    ডেস্ক নিউজঃ

    উপদেষ্টা পরিষদে গণভোট অধ্যাদেশ আকারে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫ এর খসড়ার নীতিগত ও চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

    প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে সকাল ১১টায় এই বৈঠক শুরু হয়।

    এর আগে গত ২০ নভেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা গণভোট আইন অনুমোদন করেন। রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।

    তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় পৃথক সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনও দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। এ সচিবালয়ে নিম্ন আদালতের বিচারকদের সব কিছুর দায়িত্বে থাকবে। ফলে নিম্ন আদালতের বিচারকদের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। সচিবালয় গঠনের পর এটি কার্যকর হবে।

    আর আই খান

  • ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে নির্বাচনের তফশিল

    ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে নির্বাচনের তফশিল

    ডেস্ক নিউজঃ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ডিসেম্বর মাসের প্রথমার্ধে ঘোষণা করা হবে। তফশিল ঘোষণার ১০ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে পর্যবেক্ষকদের তালিকা দাখিল করতে হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

    নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে দিনব্যাপী সংলাপে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় নির্বাচন ভবনে এই সংলাপ শুরু হয়। সংলাপের বক্তব্যে নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ এ কথা বলেন।

    এছাড়া নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য যাদের নিয়োগ দেওয়া হবে, তারা যেন রাজনীতি ও কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত না থাকেন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

    মো. সানাউল্লাহ বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে স্বচ্ছ নির্বাচন হবে ২০২৬ সালে। এর ব্যত্যয় যে করতে চাইবে, তাকে ন্যূনতম ছাড় দেওয়া হবে না। আগামী সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে। ভোটার উপস্থিতি বেশি হবে।

    পর্যবেক্ষকদের প্রতি কঠোর বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, কোনো পর্যবেক্ষক ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করতে পারবে না। পর্যবেক্ষকদের তালিকা তফশিল ঘোষণার ১০ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হবে।

    পর্যবেক্ষকদের দায়িত্বের সময়সীমা নির্ধারণ করে নির্বাচন কমিশনার জানান, নির্বাচনের আগের দিন, নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচনের পরের দিন— এই তিনদিন পর্যবেক্ষকরা তাদের দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া, ভুয়া পর্যবেক্ষকদের চিহ্নিত ও ঠেকানোর জন্য নির্বাচন কমিশন এবার কঠোর পদক্ষেপ নিতে চলেছে। পর্যবেক্ষকদের পরিচয়পত্রে কিউআর কোড (QR Code) ব্যবহার করা হবে, যা জালিয়াতি প্রতিরোধে সহায়তা করবে জানান তিনি।

    আর আই খান

  • ঝুঁকিতে বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ

    ঝুঁকিতে বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ

    ডেস্ক নিউজঃ

    ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ জলবায়ু পরিবর্তন ও অতিরিক্ত লবণাক্ততার কারণে দ্রুত ক্ষয়ের মুখে পড়েছে। মসজিদের দেয়াল, গম্বুজ, স্তম্ভ ও বিশেষ করে মিহরাবে ফাটল, চুন খসে পড়া এবং সাদা লবণের স্তর স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। নিচ থেকে উঠে আসা নোনা পানি ইটের ভেতরে লবণ ক্রিস্টাল তৈরি করে স্থাপনার মূল গঠন দুর্বল করে দিচ্ছে।

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি এবং আইকমসের যৌথ গবেষণায় উঠে এসেছে—তাপমাত্রা বৃদ্ধি, শিল্প দূষণ, বর্ষাকালের আর্দ্রতা এবং ভূগর্ভস্থ লবণাক্ততা ক্ষয়কে আরও ত্বরান্বিত করছে।ঐতিহাসিক স্থাপনাটির জরুরি সংরক্ষণের জন্য প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর সাবেক ডিজি ড. মো. শফিকুল আলমের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে। তদন্তে দেখা গেছে, মিহরাব যেকোনো সময় ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। পাথর খণ্ড যুক্ত রাখতে ব্যবহৃত লোহার ক্ল্যাম্পে জং ধরায় ভার বহনক্ষমতাও কমে গেছে।আঞ্চলিক পরিচালক লাভলী ইয়াসমিন বলেন, ইউনেস্কোর সহায়তায় মসজিদের পূর্ণ ক্ষয়-মানচিত্র তৈরি করা হবে এবং আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করে দ্রুত সংরক্ষণ-কাজ শুরু করা হবে। ইউনেস্কো ঢাকার পরামর্শ অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে সাময়িক সংরক্ষণ কাজেরও সুপারিশ করা হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ষাটগম্বুজ মসজিদকে ‘বিপন্ন বিশ্ব ঐতিহ্য’ ঘোষণা করার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে—যা দেশের জন্য বড় ধাক্কা হবে।

    এম কে

  • পর্যবেক্ষকদের রাজনীতিতে না জড়ানোর আহ্বান -সিইসির

    পর্যবেক্ষকদের রাজনীতিতে না জড়ানোর আহ্বান -সিইসির

    ডেস্ক নিউজঃ

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, আগামী নির্বাচনে পর্যবেক্ষক সংস্থাকে সহযোগী হিসেবে চায় কমিশন। পর্যবেক্ষক সংস্থার দায়িত্ব নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করা। নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের রাজনীতিতে না জড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে দেশি ৮১টি নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ আহ্বান জানান।

    সিইসি বলেন, ইসির এজেন্ডা একটাই জাতিকে সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেয়া। পর্যবেক্ষক সংস্থার দায়িত্ব ভোটের অনিয়ম তুলে ধরা। রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়া নয়।তিনি আরও বলেন, আমরা জাতিকে একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে চাই। অতীতের ভুল-ভ্রান্তি ভুলে, সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। এজন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

  • নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে সুখবর

    নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে সুখবর

    ডেস্ক নিউজ:

    জাতীয় পে কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান বলেছেন, ‘আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। তবে সব সচিব সভায় উপস্থিত হননি।’

    সোমবার নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করে পে কমিশন। বিকাল ৩টায় জাতীয় বেতন কমিশনের সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়। চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

    সুপারিশ কবে হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আলোচনা শেষে দ্রুত সময়ের মধ্যেই রিপোর্ট জমা দিতে পারব বলে আশা করছি।

    গত ২৭ জুলাই জাতীয় বেতন স্কেলের আওতাধীন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সময়োপযোগী ও যথোপযুক্ত বেতন কাঠামো নির্ধারণের জন্য বেতন কমিশন গঠন করে সরকার।

    রোববার (২৩ নভেম্বর) এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবির বলেন, আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে পে কমিশনের সুপারিশ জমা দেওয়া সম্ভব। এ সময়ের মধ্যে দাবি মানা না হলে আগামী ৫ ডিসেম্বরের মহাসমাবেশ থেকে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

    কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও অর্থলয়ী প্রতিষ্ঠান, সরকারি মঞ্জুরিপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পর্যালোচনার ভিত্তিতে নতুন সুপারিশ তৈরি করা হবে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫-এর সভাপতি জাকির আহমেদ খান।

    বাদিউল কবির বলেন, নতুন পে স্কেলের জন্য অপেক্ষা করছে কর্মচারীরা। কমিশন ইচ্ছে করলে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সুপারিশ জমা করতে পারবেন। অন্ততপক্ষে সারসংক্ষেপ হলেও বেধে দেওয়া সময়ের মধ্যে জমা দেওয়া উচিত। অন্যথায় কর্মচারীরা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়বেন।

    কর্মচারীরা এখন একজোট হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, তারা যেকোনো সময় যেকোনো ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমরা কমিশনকে সময় দিচ্ছি, অবশ্যই এই সময়ের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। বেধে দেওয়া সময়ের মধ্যে দাবি আদায় না হলে এমন কর্মসূচি দেওয়া হবে কমিশন তখন এক বছরের কাজ এক সপ্তাহে করতে বাধ্য হবে।

    এই সময়ের মধ্যে দাবি মানা না হলে আগামী ৫ ডিসেম্বরের মহাসমাবেশ থেকে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি।

    জানা গেছে, নতুন পে স্কেল প্রণয়নে গঠিত পে কমিশন চলতি বছরের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দিতে পারে। কমিশন ইতিমধ্যে সুপারিশ তৈরির ৫০ শতাংশের মতো কাজ শেষ করেছে। আগামী সপ্তাহে সচিবদের মতামত গ্রহণ করা হবে। এর পর কমিশন রিপোর্ট চূড়ান্তকরণের দিকে এগোবে।

    বি/এ

  • রাঙ্গুনিয়ায় শ্রমিক দল নেতাকে রাস্তায় গুলি করে হত্যা

    রাঙ্গুনিয়ায় শ্রমিক দল নেতাকে রাস্তায় গুলি করে হত্যা

    ডে স্ক নিউজ:

    চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে শ্রমিক দলের এক নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর নাম আবদুল মান্নান (৪০)। তিনি উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সহসভাপতি।

    গতকাল  রাত ১১টার দিকে উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড মধ্যম সরফভাটা বুলইন্যা বাপেরবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, রাতে রাস্তার পাশে নির্জন এলাকায় গুলিবিদ্ধ আবদুল মান্নানকে পথচারীরা দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা এসে লাশ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও ছিল। তবে কারা, কী কারণে তাঁকে গুলি করেছে, তা জানা যায়নি।

    প্রবাসফেরত আবদুল মান্নান বালুসহ বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে। রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা পুলিশের।

    নিহত আবদুল মান্নানের শরীরে চারটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি তাঁর বাঁ চোখের কাছে, একটি বাঁ হাতে ও দুটি পেটের ডান পাশে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

    দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম  বলেন, কেন, কী কারণে মান্নানকে গুলি করা হয়েছে, তা তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

    বি/এ

  • মেসির নতুন ইতিহাস

    মেসির নতুন ইতিহাস

    ক্রীড়া ডেস্ক:

    লিওনেল মেসি ও মিয়ামি যেন একসুঁতোয় গাথা। একটা টানলে আরেকটার সাড়া দেবার মতো। আরও একবার মেসি প্রমাণ করলেন, তিনিই মিয়ামির ইতিহাস গড়ার কারিগর। আর্জেন্টাইন তারকার গোল-অ্যাসিস্টে প্রথমবারের মতো এমএলএস (মেজর লিগ সকার) কাপের ফাইনালে উঠল মিয়ামি। ইস্টার্ন কনফারেন্স সেমিফাইনালে এফসি সিনসিনাটিকে ৪-০ গোল হারিয়েছে মিয়ামি।

    এই ম্যাচকে আর্জেন্টিনাময় বলেও আখ্যা দেওয়া যেতে পারে। কেননা, ম্যাচের সবক’টি গোল-অ্যাসিস্ট এসেছে আর্জেন্টাইনদের সৌজন্যে। একটি গোলের সঙ্গে হ্যাটট্রিক অ্যাসিস্ট করেছেন মেসি। জোড়া গোল করেছেন আর্জেন্টাইন উইঙ্গার তাদিও আলেন্দে। আরেক উইঙ্গার মাতেও সিলভেত্তির কাছ থেকে এসেছে একটি গোল ও অ্যাসিস্ট।প্রতিপক্ষের মাঠে ১৯তম মিনিটে এগিয়ে যায় মিয়ামিৃ হেডে দলকে এগিয়ে নেন মেসি। এই গোলে এমএলএসে এই মৌসুমে মেসির গোল হলো ৩৫টি, সবশেষ আট ম্যাচে ১১টি। এই গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায়।হাভিয়ার মাসচেরানোর দল।

    দ্বিতীয়ার্ধের ৫৭তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সিলভেত্তি। ৬২তম মিনিটে দলের জয় প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেন আলেন্দে। দ্রুত পাল্টা আক্রমণে মেসির নিখুঁত থ্রু-পাস ধরে আলেন্দে নিচের বাম কোণে বল পাঠান। এরপর ৭৪ মিনিটে ফের স্কোরশিটে নাম লিখিয়ে ব্যবধান ৪-০ করেন ২৬ বছর বয়সী এই আর্জেন্টাইন উইঙ্গার।এই ম্যাচে তিন অ্যাসিস্টে ফুটবল ইতিহাসে যৌথভাবে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের মালিক হলেন মেসি। মেসির মোট অ্যাসিস্টের সংখ্যা ৪০৪। তার সমান অ্যাসিস্ট আছে ফেরেঞ্চ পুসকাসের। আর ১টি অ্যাসিস্ট করলেই ছাড়িয়ে যাবেন পুসকাসকে। আর লিগে এ নিয়ে রেকর্ড আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ীর অ্যাসিস্ট এখন ২৫টি।

    বি/এ

  • ৪১% রোগীর শরীরে কাজ করছে না অ্যান্টিবায়োটিক

    ৪১% রোগীর শরীরে কাজ করছে না অ্যান্টিবায়োটিক

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

    দেশের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি রোগীদের ৪১ শতাংশের ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর হয়নি বলে জানিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)।

    সোমবার আইইডিসিআর আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ন্যাশনাল এএমআর সার্ভেলেন্স রিপোর্ট-২০২৫’ প্রকাশ করে।

    এ প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে অ্যান্টিবায়োটিকের অপপ্রয়োগ, অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার ও জীবাণুর শক্তিশালী হয়ে ওঠার কারণে অনেক ক্ষেত্রে ওষুধ কার্যকারিতা হারাচ্ছে। দিন দিন বাড়ছে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স—যেখানে জীবাণু কোনো অ্যান্টিবায়োটিকেই সাড়া দেয় না।

    প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালের ৯৬ হাজার ৪৭৭ রোগীর নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পাঁচটি আইসিইউতে ৭১ ধরনের অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা যাচাই করে দেখা যায়, অনেক ক্ষেত্রে কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    প্রতিবেদন অনুসারে, সব নমুনার ৭ শতাংশে প্যান-ড্রাগ-রেজিস্ট্যান্ট (পিডিআর) জীবাণু পাওয়া গেছে। আইসিইউতে এই হার ৪১ শতাংশ। মাল্টি-ড্রাগ-রেজিস্ট্যান্ট (এমডিআর) জীবাণু সব নমুনার ৪৬ শতাংশ হলেও আইসিইউতে তা ৮৯ শতাংশ।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) শ্রেণি বিভাগ অনুযায়ী, ওয়াচ গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বেড়ে ৭৭ শতাংশ থেকে দাঁড়িয়েছে ৯০ দশমিক ৯ শতাংশে। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক ছিল সেফট্রিয়াক্সোন (৩৩ শতাংশ) ও মেরোপেনেম (১৬ শতাংশ)।

    প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক তাহমিনা শিরিন ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (ভাইরোলজি) অধ্যাপক জাকির হোসেন হাবিব।

    এ সময় তাহমিনা শিরিন বলেন, ‘ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধ করতে হবে। জনগণের সচেতনতা জরুরি। কোনো ব্যক্তি নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করবেন না। অনেক রোগী দোকানের কর্মী বা অবৈধ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক নেন, যা রেজিস্ট্যান্সের প্রধান কারণ। মানুষ প্রায়শই ফার্মেসি বা হাতুড়ে ডাক্তারের কাছ থেকে অ্যান্টিবায়োটিক নেন, চিকিৎসা পরামর্শ ছাড়াই এবং এর ফলে অনেক ক্ষেত্রে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। আমি সবাইকে জোর দিয়ে বলছি, নিবন্ধিত নয় এমন কারও পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করবেন না।’

    জাকির হোসেন হাবিব বলেন, যথেচ্ছভাবে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়াই জীবাণুর প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াচ্ছে। এই এএমআর এখন জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় সংকট।

    সবাইকে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে সতর্ক হতে আহ্বান জানিয়ে হাবিব বলেন, সেভ অ্যান্টিবায়োটিক, সেভ ইয়োরসেলফ।

    জরিপ অনুযায়ী, দেশে ব্যবহৃত মোট অ্যান্টিবায়োটিকের ৫৭ শতাংশ ব্যবহৃত হয় ঢাকায়। চিকিৎসা সুবিধা, বিশেষায়িত হাসপাতাল ও রোগীর চাপ বেশি হওয়ায় রাজধানীতে এই হার তুলনামূলক বেশি। এরপর রয়েছে রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও সিলেট। ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনে (ইউটিআই) আক্রান্ত রোগীদের মধ্যেও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের উচ্চ প্রবণতা দেখা গেছে।

    সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১০টি অ্যান্টিবায়োটিক হলো সেফট্রিয়াক্সোন, সেফিক্সিম, মেরোপেনেম, সিপ্রোফ্লক্সাসিন, আজিথ্রোমাইসিন, অ্যামোক্সিসিলিন, মেট্রোনিডাজল, ক্লক্সাসিলিন, পিপেরাসিলিন-ট্যাজোব্যাকটাম ও ভ্যানকোমাইসিন।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রড-স্পেকট্রাম অ্যান্টিবায়োটিকের অতিরিক্ত ব্যবহার ভবিষ্যতে পরিস্থিতিকে আরও সংকটজনক করবে।

    সুত্র: আমার  দেশ

    বি/এ

  • ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ৭০৫

    ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ৭০৫

    বিডিনিউজ ডেস্ক: সোমবার (২৪ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে এডিস মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭০৫ জন।

    সোমবার (২৪ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১১৬ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৩৭ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৭১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৭৭ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫৩ জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৪ জন, রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫ জন এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৬ জন রয়েছেন।

    চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৩৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯০ হাজার ৯৬৯ জন। এর মধ্যে ৬২ দশমিক তিন শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭ দশমিক সাত শতাংশ নারী রয়েছেন।

    M