Blog

  • ভোলা-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মোটরসাইকেল শোডাউন

    ভোলা-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মোটরসাইকেল শোডাউন

    ডেস্ক নিউজঃ

    বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখান আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও দলটির ভোলা জেলা শাখার নায়েবে আমির মুফতি মাওলানা ফয়জুল করিম দুই হাজার মোটরসাইকেল নিয়ে র‍্যালি করেছেন। শনিবার সকাল ১০ টায় বোরহান উদ্দিন হেলিপোর্ট ভোলা টু চরফ্যাশন মহাসড়ক থেকে এ মোটরসাইকেল শোডাউন শুরু হয়। এ সময় দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট চাওয়া হয়। এছাড়া জামায়াতের সমর্থনে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। কর্মসূচিতে দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন। তাদের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

    জামায়াতের নেতারা জানিয়েছেন, দুপুর ১টায় দৌলতখান পৌরসভার বিভিন্ন রোড হয়ে দৌলতখান ঈদগাহ প্রাঙ্গণে গিয়ে বক্তব্যের মাধ্যমে র‌্যালিটি শেষ হয়।

    এ সময় ছাদখোলা গাড়ি থেকে সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষদের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান মুফতি মাওলানা ফয়জুল করিম।

    তিনি বলেন, “এই আসনের প্রকৃত সমস্যা চিহ্নিত করে সেগুলোর সমাধানে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ইশতেহার প্রস্তুত করা হচ্ছে।

    আগামী নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লার বিজয়ের মাধ্যমে বিগত সময়ের অসম্পূর্ণ কাজগুলো সম্পন্ন করে বোরহানউদ্দিন–দৌলতখান দেশের একটি মডেল আসন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে।”

    শোভাযাত্রায় প্রার্থীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের বোরহানউদ্দিন উপজেলা সেক্রেটারি মাকসুদুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা অলিউল্লাহ সহ কয়েক হাজার নেতাকর্মী।

    আর আই খান

  • ধানের শীষের বাইরে কেন্দ্রে কেউ এজেন্ট দিতে পারবে না, বললেন বিএনপি নেতা

    ধানের শীষের বাইরে কেন্দ্রে কেউ এজেন্ট দিতে পারবে না, বললেন বিএনপি নেতা

    ডেস্ক নিউজঃ

    আমরা ধানের শীষের বাইরের কেউ না। ধানের শীষের বাইরে যদি কেউ নির্বাচন করার চিন্তা করে তাহলে ভাঙ্গুড়ার কোনো কেন্দ্রে তারা কেউ এজেন্ট দিতে পারবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নূর-মুজাহিদ স্বপন।

    শনিবার সন্ধ্যায় পাবনা- ৩ আসনের (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে বিশাল গণমিছিল শেষে চাটমোহর বালুচর খেলার মাঠে সমাবেশ থেকে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।ভাঙ্গুড়ার বিএনপির আহ্বায়ক স্বপনের এমন বক্তব্যের পর চাটমোহর উপজেলাসহ পাবনা- ৩ এলাকার বিএনপি নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। মুহূর্তে তার এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।গণমিছিলে হাসান জাফির তুহিন ছাড়াও কেন্দ্রীয় বিএনপি, কৃষক দল, জেলা বিএনপি, চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    প্রসঙ্গত, পাবনা-৩ আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি হাসান জাফির তুহিনকে। তবে তাকে ‘বহিরাগত’ উল্লেখ করে স্থানীয় প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে আন্দোলন করছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কেএম আনারুল ইসলাম এবং চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. হাসাদুল ইসলাম হীরার নেতৃত্বে বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা।

    তুহিনের মনোনয়ন বাতিল করে স্থানীয় প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া না হলে সাবেক এমপি কে এম আনোয়ারুল ইসলাম ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হাসাদুল ইসলাম হীরা তাদের মধ্যে থেকে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হবেন বলে শুক্রবার এক মশাল মিছিল থেকে ঘোষণা দিয়েছেন। এ নিয়ে দলের মধ্যে ও বাইরে চলছে চাপা উত্তেজনা। চলছে পাল্টাপাল্টি সভা সমাবেশসহ নানা কর্মসূচি।

    এম কে

  • বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত পাঁচ শহরের ৩টিই ভারতের

    বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত পাঁচ শহরের ৩টিই ভারতের

    ডেস্ক নিউজঃ

    ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। সবচেয়ে দূষিত পাঁচ শহরের তিনটিই ভারতের। পিছিয়ে নেই ঢাকাও। আইকিউএয়ারের বাতাসের মানসূচকে (এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স-একিউআই) ২৩২ স্কোর নিয়ে তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ঢাকা। অর্থাৎ, রাজধানীর বাতাস আজ খুবই অস্বাস্থ্যকর।

    রোববার সকাল সোয়া ৯টায় সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান নির্ধারণ সংস্থা ‘আইকিউএয়ার’ থেকে এ তথ্য নেওয়া হয়েছে।আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, দূষিত শহরের তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি, স্কোর ৪৫০। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতেরই আরেক শহর কলকাতা, স্কোর ২৪৮। চতুর্থ স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের করাচি, স্কোর ২০৯। ১৯৮ স্কোর নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাই।আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘ভালো’ বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা ‘সহনীয়’ ধরা হয় বায়ুর মান।১০১ থেকে ১৫০ স্কোরকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর (অসুস্থ বা শিশু-বৃদ্ধ) জন্য অস্বাস্থ্যকর ধরা হয়। আর স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত থাকলে সে বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়।স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয় এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।

    এম কে

  • সোনালি আমনে ভরে গেছে সন্দ্বীপের ডুবোচর

    সোনালি আমনে ভরে গেছে সন্দ্বীপের ডুবোচর

    ডেস্ক নিউজ:

    ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ আর ৩ কিলোমিটার চওড়া চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের উত্তর-পশ্চিম উপকূলের নতুন চরটির নাম ডুবোচর। স্থানীয় মানুষেরা একে ডোবাচর বা ডুবাগা বলে। ডুবাগা শব্দের অর্থ—যে চর প্রবল জোয়ারে ডুবে যায়। চরটিতে এর আগে মাছ চাষের জন্যই কৃষকেরা ধানের আবাদ করতেন। এবার প্রথমবারের মতো ধানের ফলন কৃষকের প্রত্যাশাকেও ছাপিয়ে গেছে। মাছের পাশাপাশি ধান থেকেও ভালো আয়ের আশা করছেন তাঁরা।

    ডুবোচর ঘুরে দেখা গেছে, সোনালি রঙের পাকা ধানের ভারে নুয়ে পড়েছে গাছ। মাঠে কৃষকেরা ব্যস্ত ধান কাটতে। কেউ মাঠ থেকে ধান তুলে এনে স্তূপ সাজাচ্ছেন। কেউ কেউ ট্রাক্টরে ধান বোঝাইয়ে ব্যস্ত। কৃষকদের মতে, চরের প্রায় ৫০০ কানি (১৬০ শতকে ১ কানি) আবাদি জমিতে এ বছর ধান উঠবে অন্তত ৩০ হাজার মণ বা ১ হাজার ২০০ টন। কৃষকেরা যেটিকে বাম্পার ফলন বলে উল্লেখ করেছেন।

    কৃষকেরা জানিয়েছেন, ডোবাচরে এ বছরই প্রথম এত বেশি পরিমাণে চাষ হলো। গত মৌসুমে পরীক্ষামূলক চাষে বাজিমাত হয়েছে বলেই এবার চাষ বেড়েছে বহুগুণে। আগামী মৌসুমগুলোতে চাষ উত্তরোত্তর বাড়বে বলেই তাঁদের ধারণা। আমনের বাম্পার ফলন হলেও কৃষি বিভাগের কোনো মাঠ

    কর্মকর্তার দেখা পাননি বলে অভিযোগ রয়েছে কৃষকের। সন্দ্বীপের কৃষি কর্মকর্তা মো. মারুফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেছেন, ডুবোচরে তাঁর যাওয়া হয়নি, তবে সেখানকার আমনের ফলন সম্পর্কে তিনি জানেন।

    বাড়ছে ধানের চাষ

    কৃষকেরা জানিয়েছেন, গত মৌসুমে তাঁরা ধানের ফলন যাচাই করেছেন। জোয়ারের নোনাজলে ডুবে যায় বলে তাঁরা আমনের শতবর্ষী জাত ‘রাজাশাইল’ আবাদ করেছিলেন। খুব ভালো ফলন হওয়ায় এবার চাষ হয়েছে অন্তত ৫০০ কানি জমিতে, যা গতবারের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। চরের মধ্যভাগে নিজের জমিতে ধান কাটছিলেন মো. নুরুল ইসলাম (৫৫)। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এই চরের চাষ এক হাজার কানি ছাড়িয়ে যাবে।

    কৃষকেরা জানিয়েছেন, গত মৌসুমে তাঁরা ধানের ফলন যাচাই করেছেন। জোয়ারের নোনাজলে ডুবে যায় বলে তাঁরা আমনের শতবর্ষী জাত ‘রাজাশাইল’ আবাদ করেছিলেন। খুব ভালো ফলন হওয়ায় এবার চাষ হয়েছে অন্তত ৫০০ কানি জমিতে, যা গতবারের চেয়ে ১০ গুণ বেশি।

    জমিতে বিছিয়ে রাখা ধানের ছড়া স্তূপ করছিলেন মো. নুর উদ্দিন (৫০)। নুর উদ্দিন এ বছর ১২ কানি জমিতে চাষ করে ভালো লাভের আশা করছেন। ভবিষ্যতে তিনি ২০ কানি জমিতে আমন লাগানোর স্বপ্ন দেখছেন। নুর উদ্দিন, নুরুল ইসলামদের মতো প্রায় সব চাষির আশা, তাঁরা ভবিষ্যতে আরও বেশি আমনের চাষ করবেন।

    ধানে আর মাছে সাফল্য

    ডুবোচরে গিয়ে দেখা গেল, মাঠজুড়ে সোনালি ধান নিয়ে কৃষকের তৎপরতা। তবে কেবল ধান নিয়েই এখানে কৃষকের কারবার থেমে নেই। ধানের জমিতে মাছও চাষ করছেন। অনেক কৃষক মাছ চাষ করবেন বলে ধান লাগিয়েছিলেন। দুটিতেই এসেছে সাফল্য।

    তালিম হোসেন পূর্বপুরুষের জমিতে ফিরে চাষ শুরু করেছেন। ১২ কানি জমিতে ধান চাষ করেছেন তিনি। একই জমিতে মাছও ছেড়েছিলেন। এবার তিনি মাছ বিক্রি করেছেন প্রায় ২২ লাখ টাকার মতো। ভবিষ্যতে চাষ আরও বাড়াবেন। মাছের বিক্রিও বাড়বে বলে আশা তাঁর।

    ডুবোচরে ফলন বেশি

    জোয়ারের সঙ্গে ডুবোচরে পলি জমা হয় প্রতিবছর। আর এ কারণেই এখানকার জমি উর্বর। পাশের সবুজচর ও স্বর্ণদ্বীপের জমিতে এখন আর নতুন পলি জমে না। যত দিন পলি জমার সুযোগ পাবে, তত দিন উর্বরতা থাকবে অক্ষুণ্ন। ধানের ফলন যেমনি বেশি হবে, তেমনি মাছের আনাগোনাও থাকবে বেশি। এমন তথ্যই দিয়েছেন কৃষকেরা। তালিম হোসেন স্নাতক শেষ করে এখানে চাষে নেমে উপার্জন করছেন লাখ লাখ টাকা। তিনি বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, পলি জমতে পারে বলেই বাম্পার ফলন হচ্ছে আমনের। ক্রমে চর উঁচু হয়ে জোয়ারে ডুবে যাওয়া বন্ধ হবে। তখন মাছ আহরণ আর ধানের ফলনে ভাটা পড়বে।

    বি / এ

  • কলাপাড়ায় শীতকালীন সবজির বীজ পেলো ২৫০ পরিবার

    কলাপাড়ায় শীতকালীন সবজির বীজ পেলো ২৫০ পরিবার

    ডেস্ক নিউজঃ

    পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় শীতকালীন শাকসবজি চাষে উৎসাহ দিতে ২৫০ উপকারভোগী পরিবারের মাঝে বিভিন্ন প্রকার শাকসবজির বীজ বিতরণ করা হয়েছে। রোববার সকাল ১১টায় নেদারল্যান্ডসভিত্তিক দাতা সংস্থা কার্ক ইন এক্টি (কিয়া)–এর সহায়তায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সেন্টার ফর রুরাল সার্ভিস সোসাইটি (সিআরএসএস)–এর নিরাপদ জীবন জীবিকা প্রকল্প থেকে এসব পরিবারের মাঝে লাল শাক, পালং শাক, ঢেঁড়স, টমেটো, ধনিয়া, করোলা ও মুলার বীজ বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. নাহিদ হাসানের সভাপতিত্বে এবং নিরাপদ জীবন জীবিকা প্রকল্পের অর্গানাইজার এ্যালবাট সবুলান বিশ্বাসের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিয়া বাংলাদেশ-এর পোর্ট ফলিও কো-অর্ডিনেটর মিসেস ম্যাটিল্ডা টিনা বৈদ্য।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন নীলগঞ্জ ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম, সাংবাদিক মাইনুদ্দিন আল আতিক এবং ইউপি উদ্যোক্তা মো. সগীর মাতুব্বর।

    এছাড়াও প্রকল্পের ব্যবস্থাপক বাসুদেব গুহ, কো-অর্ডিনেটর (ফাইন্যান্স) খোকন চন্দ্র দে, কো-অর্ডিনেটর (প্রোগ্রাম) রিগবী সেতু গোমেজ ও কৃষি অফিসার উত্তম কুমার কর উপস্থিত ছিলেন।

    আলোচনায় বক্তারা শাকসবজির বীজ বপন, পরিচর্যা, সার ও কীটনাশক প্রয়োগের সঠিক নিয়মসহ স্বাবলম্বী হতে সবজি চাষের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। বীজ হাতে পেয়ে উপকারভোগী পরিবারগুলো সন্তোষ ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। নিরাপদ জীবন জীবিকা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

    আর আই খান

  • ফটিকছড়িতে গুলি করে টাকা ছিনতাই

    ফটিকছড়িতে গুলি করে টাকা ছিনতাই

    ডেস্ক নিউজ:

    চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার ভূজপুর ইউনিয়নের রাবার ড্যামের পশ্চিম পাশে রঈপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ব্যবসায়ীর অভিযোগ, মোটরসাইকেল আরোহী দুই দুর্বৃত্ত এ ঘটনায় জড়িত ।

    গুলিবিদ্ধ ওই ব্যবসায়ীর নাম মো. রমজান আলী (৪২)। তিনি মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশের এজেন্ট। পাশাপাশি বাজারে তাঁর কুলিং কর্নার রয়েছে। তাঁর পায়ে গুলি লেগেছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতিদিনের মতো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন রমজান আলী। তবে মাঝপথে তাঁর মোটরসাইকেলের গতিরোধ করেন দুজন মোটরসাইকেল আরোহী। এরপর ওই মোটরসাইকেলে থাকা একজন রমজান আলীকে অতর্কিত গুলি করে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেন। পরে তাঁরা পালিয়ে যান। গুলির শব্দ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা এসে রমজান আলীকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন।

    জানতে চাইলে ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুল হক বলেন, ‘ওই বিকাশ ব্যবসায়ী দোকান থেকে বের হলে তাঁর পিছু নেন মোটরসাইকেল আরোহী দুই ছিনতাইকারী। আমরা ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি।’

    বি/ এ

  • মিরসরাইয়ে খেজুরগাছ থেকে পড়ে শিবির নেতার মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজ:

     

    চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে খেজুরগাছ থেকে পড়ে সাইফুল্লাহ মনোয়ার হোসেন (১৯) নামে এক ছাত্রশিবির নেতার মৃত্যু হয়েছে। আজ দুপুরে উপজেলার কাটাছড়া ইউনিয়নের বামনসুন্দর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    উপজেলার কাটাছড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ জকি উদ্দিন মিজিবাড়ি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা নুরের সালামের ছেলে।

    সুফিয়া নূরিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবদুল হক সিরাজী জানান, সাইফুল্লাহ মনোয়ার হোসেন সুফিয়া মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। আজ খেজুরগাছে উঠতে গিয়ে পুকুরের পানিতে পড়ে যান তিনি। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    ছাত্রশিবির মিরসরাই উত্তরের সভাপতি জাহিদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, সাইফুল্লাহ মনোয়ার হোসেন ছাত্রশিবিরের কাটাছড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। আজ বিকেলে রসের জন্য খেজুরগাছ কাটতে উঠলে নিচে পুকুরের পানিতে পড়ে যান তিনি। সেখান থেকে এক ঘণ্টা পর তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।

    এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হালিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    বি / এ

  • ধর্ম থেকে রাজনীতি বিচ্ছিন্ন করলে চেঙ্গিস খানের বর্বরতা বিরাজ করবে: ধর্ম উপদেষ্টা

    ধর্ম থেকে রাজনীতি বিচ্ছিন্ন করলে চেঙ্গিস খানের বর্বরতা বিরাজ করবে: ধর্ম উপদেষ্টা

    ডেস্ক নিউজঃ

    ধর্ম থেকে রাজনীতি বিচ্ছিন্ন করলে চেঙ্গিস খানের বর্বরতা বিরাজ করবে এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ ছাড়া রাষ্ট্র ও সমাজ টিকে থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। রোববার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে শানে সাহাবা জাতীয় খতিব ফাউন্ডেশন জেলা ও মহানগর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত ইমাম খতিব সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, আমরা রাজনীতিকে সমাজ ব্যবস্থাপনায় যুক্ত করতে চাই। আমাদের রাজনীতি, সমাজ, কূটনীতি সব জায়গায় আমরা একটা ধর্মীয় আবেগ জাগ্রত করতে চাই। ধর্ম বাদ দিলে আমরা যেকোনো সময় বিপদে পড়তে পারি।

    ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, গণতন্ত্র হোক, রাজতন্ত্র হোক, ধর্ম থেকে রাজনীতি, সমাজ ব্যবস্থা যদি আলাদা হয় এবং ধর্ম থেকে বিশ্লেষণ যদি আলাদা হয় তাহলে চেঙ্গিস খানের বর্বরতা বিরাজ করবে।তিনি বলেন, দায়িত্বশীলদের অনুরোধ করব ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব ও খাদেমদের জাতীয় পে-স্কেলের আওতায় সম্মানজনক বেতন এবং উৎসব ভাতা প্রদান করবেন। সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন- শানে সাহাবা জাতীয় খতিব ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ মুফতি শামীম মজুমদার, মহাসচিব মুফতি শরীফ উল্লাহ তারেকী ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক আশেকুর রহমান প্রমুখ।

    আর আই খান

  • যে গোনাহের কারণে ভূমিকম্পে ধ্বংস হয় কোরআনে বর্ণিত সেই জাতিটি

    যে গোনাহের কারণে ভূমিকম্পে ধ্বংস হয় কোরআনে বর্ণিত সেই জাতিটি

    ডেস্ক নিউজঃ

    শহিদুল ইসলাম কবির
    ইতিহাসের পাতা এবং কোরআনের আদ্যোপান্ত বিবরণে মানবজাতির সামনে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে বহু জাতির উত্থান-পতনের গল্প। এসব ঘটনার উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে সঠিক পথের প্রতি আহ্বান করা এবং অবাধ্যতার পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করা। এমনই একটি জাতি হলো কওমে সামূদ, যাদেরকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ভয়াবহ ভূমিকম্প ও প্রচণ্ড ধ্বনির মাধ্যমে ধ্বংস করেছিলেন। কওমে সামূদ ছিল অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী একটি জাতি। পাহাড় কেটে তারা ঘরবাড়ি নির্মাণ করত, উন্নত নির্মাণশৈলী ও স্থাপত্যের জন্য তারা প্রসিদ্ধ ছিল। আল্লাহ তাদের কাছে হযরত সালেহ আ:-কে নবী হিসেবে প্রেরণ করেন। তিনি তাদেরকে আল্লাহর একত্ববাদে ডেকে আনলেন, অন্যায়-অবিচার পরিহার করতে বললেন এবং আল্লাহর নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানালেন। কিন্তু এই জাতির অধিকাংশ মানুষ নবীর ডাকে সাড়া না দিয়ে উল্টো তাকে মিথ্যাবাদী বলে অপবাদ দেয়।

    আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের জন্য একটি স্পষ্ট নিদর্শন প্রদান করা হয়—মিরাকল উষ্ট্রী। এটিকে কষ্ট দেয়া বা হত্যা করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু বিদ্রোহী সম্প্রদায় নবীর সতর্কতা অমান্য করে ওই উষ্ট্রীকে হত্যা করে। এটাই ছিল তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নাজিল হওয়ার কারণ।

    পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে, তাদের ওপর নেমে আসে ভয়াবহ ভূমিকম্প (আর-রজফাহ) এবং আকাশবিদারী প্রচণ্ড ধ্বনি (আস-সাইহাহ)। মুহূর্তের মধ্যেই তারা ধ্বংস হয়ে যায় এবং তাদের বিলাসী জনপদ এক ভয়াল নিস্তব্ধতায় পরিণত হয়। কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে এ ঘটনার বিস্তারিত উঠে এসেছে—

    ‘অতঃপর তাদেরকে ভূমিকম্প গ্রাস করল; ফলে তারা তাদের ঘরে উপুড় হয়ে পড়ে রইল।’ (সূরা আল আ’রাফ, আয়াত : ৭৮)

    ‘ভয়াবহ শব্দ তাদেরকে গ্রাস করল; তারা তাদের ঘরে মুখ থুবড়ে পড়ে রইল।’ (সূরা হুদ, আয়াত : ৬৭)

    কওমে সামূদের এই পরিণতি মানবইতিহাসে সতর্কবার্তা হিসেবে চিরস্মরণীয়। উন্নয়ন, শক্তি কিংবা সম্পদ কাউকে রক্ষা করতে পারে না, যদি ন্যায়-নীতি, সত্য এবং আল্লাহর নির্দেশনার প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে যায়।আজকের পৃথিবীতেও ভূমিকম্পসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—মানুষ যত শক্তিশালীই হোক, আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের ইচ্ছার কাছে সে সর্বদাই অসহায়। কওমে সামূদের ঘটনা তাই শুধু একটি ঐতিহাসিক দলিল নয়; বরং মানুষের জন্য নৈতিক ও আধ্যাত্মিক শিক্ষা।

    সাম্প্রতিক সময়ে ৩১ ঘণ্টার ব্যবধানে ৪টি ভূমিকম্পের ঘটনা আমাদেরকে সতর্ক করিয়ে দিয়েছে। তাই আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হচ্ছে মহান আল্লাহর হুকুম-আহকাম মেনে চলতে হবে এবং রাসূলে কারীম সা:-এর দেখানো পথে বাকি জীবন পরিচালনা করতে আবারো অঙ্গীকারবদ্ধ হতে হবে। অতীতের গুনাহের থেকে পরিত্রাণ পেতে অধিক পরিমাণে তাওবা ইস্তেগফার পড়ার অভ্যাস করতে হবে।

    লেখক : সম্পাদক, মাসিক মদীনার পয়গাম

  • হামাসের পাঁচ শীর্ষ সদস্যকে হত্যা ইসরাইলের

    হামাসের পাঁচ শীর্ষ সদস্যকে হত্যা ইসরাইলের

    ডেস্ক নিউজঃ

    ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় শনিবার গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য হামাসকে দায়ী করেছে। কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, হামাসের হামলার জবাবে ইসরাইলি বাহিনী তাদের পাঁচজন ‘শীর্ষ সদস্যকে’ হত্যা করেছে।

    এক্সে প্রকাশিত পোস্টে জানানো হয়েছে, গাজায় যেসব এলাকা থেকে ইসরাইলি সেনারা পিছু হটে ‘ইয়েলো লাইন’ নামে পরিচিত নিরাপত্তা সীমার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেছে, হামাসের হামলাটি ঘটেছে সেই অঞ্চলের মধ্যেই। ইসরাইল দাবি করছে, যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুসারে এসব এলাকা শান্ত থাকার কথা ছিল, কিন্তু হামাসের আক্রমণ পরিস্থিতিকে আবারও অস্থির করে তুলেছে। ইসরাইলের বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ হামাস আবারও যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করেছে, ইসরাইলের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে একজন সন্ত্রাসী পাঠিয়ে আইডিএফ সেনাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। জবাবে ইসরাইল পাঁচজন শীর্ষ হামাস সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে।”

    নেতানিয়াহুর কার্যালয় আরো দাবি করে, ইসরাইল এখন পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি মেনে চলেছে, তবে হামাস তা করেনি। তারা মধ্যস্থতাকারীদের প্রতি আহ্বান জানায় যেন হামাসকে যুদ্ধবিরতির শর্ত মানতে বাধ্য করা হয়।

    আর আই খান