ট্যাগ জাতীয়

  • খাগড়াছড়িতে, দুই চীনা নাগরিক আটক

    ডেস্ক নিউজ:

    খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় বিনা অনুমতিতে প্রবেশের অভিযোগে দুই চীনা নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ। ১৪ ডিসেম্বর সোমবার সন্ধ্যায় রামগড় পৌরসভার বাজার এলাকার ইলিয়াছ হোসেনের মালিকানাধীন চারতলা ভবনের শীর্ষ তলা থেকে তাদের আটক করা হয়।

    আটক ব্যক্তিরা চীনা পাসপোর্টধারী জিয়াং ছেংথং ও টেং তংগু। তাদের কাছ থেকে ল্যাপটপসহ বেশ কয়েকটি প্রযুক্তিগত ডিভাইস জব্দ করেছে পুলিশ।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার চট্টগ্রামের কুমিরায় অবস্থিত অবর্না ক্ল্যাসিক নামের একটি অ্যালুমিনিয়াম কোম্পানির ফোরম্যান মো. রোকন উদ্দিনের মাধ্যমে তারা রামগড়ে আসেন। পরে কোনো বৈধ নথিপত্র ছাড়াই ৩০ হাজার টাকা অগ্রিম দিয়ে ইলিয়াছ হোসেনের ভবনটি ভাড়া নেন। বাড়ির মালিককে তারা জানান, সেখানে ইলেকট্রনিক সামগ্রীর গোডাউন করা হবে।

    রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাঈন উদ্দিন জানান, দুই চীনা নাগরিক পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রবেশের নীতি অমান্য করে রামগড় প্রবেশ করেছেন।

    চট্টগ্রাম থেকে আসা বিটিআরসির প্রতিনিধি এবং পুলিশ যৌথভাবে তাদের ভাড়া বাসায় অভিযান পরিচালনা করছে। তাদের কাছে থাকা ডিভাইস সম্পর্কে তদন্ত করা হবে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    ওসি আরও বলেন, চীনা নাগরিকরা দেড় মাস আগে বাংলাদেশে এসেছেন এবং চট্টগ্রামের খুলশী এলাকায় ছিলেন।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রবেশের আগে বিদেশি নাগরিকদের অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু চীনা নাগরিকদের কোনো অনুমতি ছিল না।

  • পানছড়িতে অস্ত্র ও গুলিসহ ইউপিডিএফ সদস্য গ্রেপ্তার

    পানছড়িতে অস্ত্র ও গুলিসহ ইউপিডিএফ সদস্য গ্রেপ্তার

    ডেস্ক নিউজ:

    খাগড়াছড়ির মরাটিলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিলন ত্রিপুরা (৩০) নামে ইউপিডিএফ (প্রসিত) গ্রুপের এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী। সোমবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    গ্রেপ্তার মিলন ত্রিপুরা মাটিরাঙ্গা উপজেলার ময়দা ছাড়া এলাকার হরিপূর্ণ ত্রিপুরার ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মরাটিলা এলাকায় ইউপিডিএফের (প্রসিত গ্রুপ) কালেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী মরাটিলা এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় মিলনের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, ৫ রাউন্ড গুলি, চাঁদা আদায়ের খাতা এবং নগদ ১০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।

    উল্লেখ্য, খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে ইউপিডিএফ (প্রসিত) গ্রুপের প্রভাব বিস্তার করেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী, বাজার ও পরিবহন খাতসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করছে সংগঠনটি এমন অভিযোগ বহুদিনের।

  • খাগড়াছড়িতে ট্রাক উল্টে ১ জন নিহত, আহত ৩

    খাগড়াছড়িতে ট্রাক উল্টে ১ জন নিহত, আহত ৩

    ডেস্ক নিউজ:

    খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় একটি ট্রাক উল্টে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ট্রাকটির চালকসহ তিনজন। গতকাল রোববার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার বড়াদম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত ব্যক্তির নাম খোকন চন্দ্র দাস (৫০)। তিনি দীঘিনালা উপজেলার থানাপাড়া এলাকার সুকুমার দাসের ছেলে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় থাকা নিজের বাগান থেকে ট্রাকটিতে কাঠ বোঝাই করে দীঘিনালা সদরে নিয়ে যাচ্ছিলেন খোকন চন্দ্র দাস। ট্রাকটিতে তিনি ছাড়াও চালক ও দুজন গাছ কাটার শ্রমিক ছিলেন। উপজেলার বড়াদম এলাকায় এলে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এ সময় ট্রাকে থাকা চারজনই আহত হন।

    দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা আহত চারজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে গুরুতর আহত খোকন চন্দ্র দাসকে সেখান থেকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে দুজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। একজনের অবস্থা শঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

    দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া দুর্ঘটনায় হতাহত হওয়ার বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

  • পিকআপ ভ্যান উল্টে দুজন নিহত

    পিকআপ ভ্যান উল্টে দুজন নিহত

    ডেস্ক নিউজ:

    চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া এলাকায় পানবোঝাই একটি পিকআপ ভ্যান উল্টে দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও একজন। গতকাল শনিবার রাত ১০টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত ব্যক্তিরা হলেন কমল চৌধুরী (৫৩) ও সমীর চৌধুরী (৫৪)। আহত হয়েছেন উজ্জ্বল চৌধুরী (৪৯)। এর মধ্যে সমীর চৌধুরীর বাড়ি চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার পশ্চিম দেওয়াননগর এলাকায়। কমল চৌধুরী ও উজ্জ্বল চৌধুরীর বাড়ি পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও এলাকায়।

    হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, হতাহত ব্যক্তিরা পান ব্যবসায়ী। তাঁরা চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও এলাকা থেকে একটি পিকআপ ভ্যানে পান বোঝাই করে মিরসরাই উপজেলার মিঠাছড়া বাজারে যাচ্ছিলেন। রাত ১০টার দিকে তাঁদের পিকআপ ভ্যানটি সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর বাঁশবাড়িয়া এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিকআপটি উল্টে খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর তিনজনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে দুজনের মৃত্যু হয়। পিকআপ ভ্যানের চালক দুর্ঘটনার পর গাড়ি রেখে পালিয়ে গেছেন।

    বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল মোমিন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি প্রথম আ

    লোকে বলেন, নিহত ব্যক্তিদের লাশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। গতকাল দিবাগত রাত ১২টার দিকে দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইনে সীতাকুণ্ড থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

  • গাছ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু

    গাছ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজ:

    রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় নারিকেল গাছ থেকে পড়ে  কাজল (২৭) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার ঝলমলিয়া পুরাতন ডাকবাংলো এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

    নিহত কাজল উপজেলার ঝলমলিয়া এলাকার মো. কামালের ছেলে।

    স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, নিহত কাজল সব সময় নেশা করেন। নেশার টাকার জন্য মানুষের গাছ থেকে বিভিন্ন ফল চুরি করে বিক্রি করে তিনি। তারই ধারাবাহিকতায় রাতে বা ভোরের কোনো এক সময় ডাকবাংলোর ডাব গাছে উঠেন তিনি। এ সময় হঠাৎ ডাব গাছ থেকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    এ বিষয়ে পুঠিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, ধারণা করা হচ্ছে ডাব গাছ থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

  • পদ্মার চরে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৬৭, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার

    পদ্মার চরে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৬৭, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার

    ডেস্ক নিউজ:

    চারঘাটসহ পদ্মা নদীর চারটি চরে ‘অপারেশন ফাস্ট লাইট’ চালিয়ে ৬৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রাজশাহী জেলার পদ্মার চর থেকে ১৪ জন, নাটোর থেকে ২০ জন, পাবনা থেকে ২৪ জন এবং কুষ্টিয়া থেকে ৯ জনকে আটক করা হয়েছে।

    রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজির কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে এই গ্রেপ্তার ও অস্ত্র উদ্ধার সম্পর্কে গণমাধ্যমকে জানানো হয়। এর আগে শনিবার (৮ নভেম্বর) রাত থেকে রোববার (৯ নভেম্বর) সকাল পর্যন্ত পুলিশ, র‍্যাব ও এপিবিএনের প্রায় ১ হাজার ২০০ জন সদস্য কুষ্টিয়া, পাবনা, নাটোর ও রাজশাহী পদ্মার চরে অভিযান পরিচালনা করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, অভিযানে মোট ৫৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসময় উদ্ধার করা হয়েছে ১০টি অস্ত্র, চার রাউন্ড গুলি, দুইটি গুলির খোসা, ২৪টি হাসুয়া, ৬টি ডেসার, ২টি ছোরা, ৪টি চাকু, ৩টি রামদা, ২টি চাইনিজ কুড়াল, ২০ বোতল ফেসনিডিল, ৫০ পিস ইয়াবা, ৮০০ গ্রাম গাঁজা, ৫টি মোটরসাইকেল ও একটি লোহার পাইপ।

    রাজশাহী জেলার পদ্মার চর থেকে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে চারজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, ছয়জন মাদক কারবারি, দুইজন ডেভিল হান্ট এবং দুইজন সর্বহারা। এ সময় উদ্ধার হয় তিনটি ওয়ান শুটারগান, একটি গুলি, একটি খোসা, ২০ বোতল ফেসনিডিল, ৫০ পিস ইয়াবা, ৮০০ গ্রাম গাঁজা, ৫টি মোটরসাইকেল, একটি হাসুয়া ও একটি ছোরা।নাটোর জেলার পদ্মার চর থেকে ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে চারজন হ্যাকার, ছয়জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, একজন সাজাপ্রাপ্ত, একজন হত্যা মামলার আসামি, দুইজন মাদক কারবারি এবং ছয়জন সন্দিগ্ধ। উদ্ধার হয় দুটি শুটারগান, একটি রিভলবার, ২২টি হাসুয়া, ৬টি ডেগার, চারটি চাকু, চারটি চাপাতি, একটি রামদা ও একটি পাইপ।

    পাবনা জেলার পদ্মার চর থেকে ২৪ জনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে একজন সর্বহারা, দুইজন মামলার আসামি, সাতজন ওয়ারেন্টভুক্ত, দুইজন ডেভিল হান্ট, চারজন মাদক এবং ৮ জন নিয়মিত মামলার আসামি। এসময় উদ্ধার করা হয় দুটি শুটারগান, তিনটি গুলি, একটি খোসা, দুটি পাইপগান, দুটি চাইনিজ কুড়াল, দুটি রামদা, একটি হাসুয়া ও একটি ছোরা।

    কুষ্টিয়ার পদ্মার চর থেকে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে আটজন ওয়ারেন্টভুক্ত এবং একজন নিয়মিত মামলার আসামি। এই অভিযানে বাঘা থানার ডাবল মার্ডার ও ডাকাতিতে ব্যবহৃত একটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা, একটি স্পিডবোড, অস্ত্র রাখার একটি সিলিন্ডার, দুটি তাবু এবং পাঁচটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    পুলিশ জানায়, রাজশাহী, নাটোর, পাবনা ও কুষ্টিয়ার পদ্মার চরে কাঁকন বাহিনীসহ ১১টি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে। রোকনুজ্জামান কাঁকন ইঞ্জিনিয়ার কাঁকন নামে পরিচিত। তার বাহিনীর নৃশংসতার কারণে চরাঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন উদ্বিগ্ন। অন্যান্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছে মন্ডল বাহিনী, টুকু বাহিনী, সাঈদ বাহিনী, লালচাঁদ বাহিনী, রাখি বাহিনী, শরীফ কাইগি বাহিনী, রাজ্জাক বা

    বাহিনী, বাহান্ন বাহিনী, সুখচাঁদ বাহিনী ও নাহারুল বাহিনী। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এসব বাহিনীকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    প্রসঙ্গত, ২৭ অক্টোবর কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের হবিরচরে কাঁকন বাহিনীর গোলাগুলিতে বাঘা উপজেলার নিচখানপুরের আমান মন্ডল ও নাজমুল মন্ডলের মৃত্যু হয়। পরের দিন ২৮ অক্টোবর হবিরচর থেকে লিটন নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ধারণা করছে, নিহত লিটন কাঁকন বাহিনীর সদস্য ছিলেন।

  • জেলের জালে ৭৬ কেজির বাঘাইড়!

    জেলের জালে ৭৬ কেজির বাঘাইড়!

    ডেস্ক নিউজ

    রাজশাহীর পদ্মায় জেলের জালে ধরা পড়েছে ৭৬ কেজি ওজনের বাঘাইড় মাছ। শুক্রবার (১০ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার হরিশংকরপুর এলাকায় পদ্মা নদীতে জেলে মো. মাসুমের জালে মাছটি ধরা পড়ে।

    শনিবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জেলে মো. মাসুম উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, প্রতিদিনের ন্যায় শুক্রবার সন্ধ্যায় মাছ ধরতে পদ্মা নদীতে যাই। আমরা ৪ জন ছিলাম। কয়েক ঘণ্টা চেষ্টার পর গভীর রাতে মাছটি আমাদের জালে উঠে।

    পরে ওজন দিয়ে দেখি মাছটি ৭৬ কেজি। আমি ১৮ বছর ধরে মাছ ধরছি। কিন্তু আগে কখনো এতবড় মাছ পাইনি। এবারই প্রথম এতবড় মাছ আমার জালে উঠেছে। মাছটি ৮০০ টাকা কেজি দরে স্থানীয় বাজারে কেটে বিক্রি করেছি। মাছটি বিক্রি করে মোট ৮০ হাজার টাকা পেয়েছি।

    জেলে মো. মাসুম বলেন, বিশাল মাছটি পেয়ে আমরা খুবই খুশি। শনিবার দুপুরে মাছটি বিক্রি শেষ হয়। বড় পাটি না পাওয়ায় কেটে বিক্রি করতে হয়েছে। দামও পেয়েছি তুলনামূলক কম। অন্য সময়ে ১২০০-১৩০০ টাকা কেজি দাম হত, কিন্তু এখন মাত্র ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে হলো। তবুও আমি অনেক খুশি।

    এদিকে, বিশাল আকৃতির বাঘাইড় মাছটি দেখতে হরিশংকরপুর বাজার এলাকায় ভীড় জমান আশপাশের এলাকার শত শত মানুষ। উৎসুক জনতার অনেকে মাছটির সাথে সেলফিও তোলেন।

     

  • সোনাগাজীতে শিশুর হাতে বন্দুক—ফেসবুকে ছবি

    সোনাগাজীতে শিশুর হাতে বন্দুক—ফেসবুকে ছবি

    ডেস্ক নিউজ

    ফেনীর সোনাগাজীতে এক শিশুর হাতে বন্দুক নিয়ে নাড়াচাড়ার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধমে ছড়িয়ে পড়েছে। শিশুটির সৌদিপ্রবাসী মামা তাঁর ফেসবুক আইডিতে বন্দুক হাতে ভাগনের ছবি পোস্ট করেন। তিনি ক্যাপশনে লেখেন—‘এটা আমার বড় বাগিনা (ভাগনে), ওর হাতে…এ বয়সে খেলনার পিস্তল থাকার কথা, আর অথচ ওর হাতে এখন অরজিনিয়াল পিস্তল’।

    সামাজিক মাধ্যমে বন্দুক হাতে শিশুর ছবি প্রকাশ হলে শুরু হয় তোলপাড়। কয়েক ঘণ্টা পর ফেসবুকের ওই পোস্ট আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে অনেকে ছবি ও স্ক্রিনশট রেখে দেন।

    ঘটনা জানতে শিশুর বাবাকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমার সন্তান তার নানার বাড়ি থাকতে কে বা কারা তার হাতে বন্দুক দিয়ে ছবি ধারণ করলেও সেটি জানা ছিল না। তার মামা পোস্ট করার পর বিষয়টি জানতে পারি। আমার শ্যালকের কাছে ফোন করলেও সে ধরেনি।’

    শিশুটির বাবা আরও বলেন, ‘আমার সন্তানের হাতে বন্দুক তুলে দিয়ে সেটি ফেসবুকে প্রচার করে তার স্বাভাবিক জীবন হুমকির মধ্যে ফেলেছে।’

  • সহজ শর্তে ঋণের প্রলোভন, সর্বস্ব হারাল শতাধিক গ্রাহক

    সহজ শর্তে ঋণের প্রলোভন, সর্বস্ব হারাল শতাধিক গ্রাহক

    ডেস্ক নিউজ

    ফেনীর ছাগলনাইয়ায় সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অন্তত শতাধিক মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে একটি প্রতারক চক্র। রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঋণ বিতরণের কথা থাকলেও দুপুর গড়াতেই এনজিওটির কর্মীদের আর খুঁজে পাওয়া যায় না। ফলে প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে উপস্থিত অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন।

    প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল ‘সমাজ কল্যাণ উন্নয়ন সংস্থা’। তবে এ ধরনের কোনো সংস্থার বৈধ অনুমোদন বা রেজিস্ট্রেশনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সংস্থাটি সাধারণ মানুষের হাতে যে সঞ্চয় বইগুলো দিয়েছেন তাতে প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা রয়েছে প্রধান কার্যালয় ঢাকার ডি-ব্লক মিরপুর-২, ১২১৬ ।

    ভুক্তভোগীরা জানান, গত দুই দিন ধরে একদল লোক এনজিও পরিচয়ে এলাকায় ঘুরে ঘুরে সদস্য সংগ্রহ করছিল। মাত্র ২০০ টাকার বিনিময়ে, পাশাপাশি ১১ হাজার টাকা জমা দিলে ১ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হচ্ছিল। শর্ত ছিল এই ঋণ দুই বছরের মধ্যে সহজ কিস্তিতে পরিশোধ করা যাবে।

    ভুক্তভোগী পৌরসভার বাঁশপাড়া গ্রামের রত্না বেগম বলেন, ১৬ লাখ টাকা ঋণ দেবে বলে ৫৩ হাজার টাকা নিয়ে যায় আমার কাছ থেকে। রাধানগর ইউনিয়নের মো. টিপু বলেন, আমার কাছ থেকে ২২ হাজার, জেসমিন জাহানের থেকে ২২ হাজার, হিছাছরার আনজুম আরার ৬০ হাজার টাকাসহ আরও শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকা নিয়ে থানা পাড়া সামছুল হক ম্যানশনে তাদের অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। বিকেল ৪টার সময় শতাধিক জনকে ঋণ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গিয়ে দেখি অফিস তালাবদ্ধ, কেউ নেই।

    একই এলাকার সুমন বলেন, এ প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে আমি এখন দিশাহারা। এদিকে গ্রাহকরা এনজিওটির ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরগুলোতে একাধিকবার ফোন দিলেও সব নম্বরই বন্ধ পাওয়া গেছে। ফলে ভুক্তভোগীদের পক্ষে আনজুম আরা বেগম বাদী হয়ে ছাগলনাইয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

    ছাগলনাইয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবুল বাশার বলেন, ভুয়া এনজিও খুলে অনেক মানুষ থেকে টাকা হাতে নিয়েছে বলে এক ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। আমরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছি।

  • অভয়নগরে ফেনসিডিলসহ নারী আটক

    অভয়নগরে ফেনসিডিলসহ নারী আটক

    ডেস্ক নিউজ

    যশোরের অভয়নগর উপজেলায় সেনা ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ২২ বোতল ফেনসিডিলসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের বিভাগদী গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
    আটককৃতের নাম তরি বেগম ওরফে নাজমা বেগম (৩৫)। তিনি ওই এলাকার হাবিবুর শেখের স্ত্রী। অভিযান শেষে সেনা ও পুলিশ সদস্যরা তাকে ফেনসিডিলসহ অভয়নগর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
    অভয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম রবিউল ইসলাম জানান, “বাঘুটিয়ার বিভাগদী এলাকা থেকে নাজমা বেগম নামে এক নারীকে ২২ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।”