ট্যাগ জাতীয়

  • রাঙ্গামাটিতে দুই ভারতীয় নাগরিকসহ আটক ৬

    রাঙ্গামাটিতে দুই ভারতীয় নাগরিকসহ আটক ৬

    ডেস্ক নিউজ

    রাঙ্গামাটিতে অবৈধভাবে নদী পথে বাংলাদেশে প্রবেশের দায়ে দুই ভারতীয় নাগরিকসহ ছয়জনকে আটক করেছে বিজিবি। দুই ভারতীয় নাগরিক হলেন— সুরেশ চাকমা (৩৯) ও অরংখান চাকমা (৩০)। তাদের দুজনের বাড়ি ভারতের লুংলে জেলার দিমাগরী থানার ত্রিপুরাঘাটে। তবে তাদের সহায়তাকারী চার বাংলাদেশি নাগরিকের নাম জানা যায়নি।

    শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাঙ্গামাটির বরকলে তাদেরকে আটক করা হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙ্গামাটি বরকলের ৪৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাসুদ আল ফেরদৌস। তিনি ঢাকা মেইলকে জানান, বিকেলে সাড়ে পাঁচটার দিকে ভারতের মিজোরাম রাজ্যের টিপরাঘাট থেকে দুজন ভারতীয় নাগরিক অবৈধভাবে বাংলাদেশ সীমান্তের ছোট হরিণা দিয়ে অনুপ্রবেশ করে। পরে চারজন বাংলাদেশি নাগরিকের সহযোগিতায় একটি স্পীড বোট ভাড়া করেন তারা। স্পীড বোট ৮০০ টাকায় ভাড়া করে নদী পথে রাঙামাটির দিকে আসছিল।

  • একটি সড়কের অপেক্ষায়

    একটি সড়কের অপেক্ষায়

    ডেস্ক নিউজঃ

     

    গ্রামের নাম কাঠালিয়া। চাঁদপুরের কচুয়া ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় গ্রামটির অবস্থান। কচুয়া উপজেলার ৫ নম্বর পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এ গ্রামে প্রায় এক হাজার ২শ জনসংখ্যা। অধিকাংশ মানুষ মৎস্যজীবী ও কৃষি শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।

    কাঠালিয়া গ্রামের বাসিন্দা মৎস্য ব্যবসায়ী মাধব সরকার বলেন, আমার বয়স ৫৮। সেই শৈশব কাল থেকে দেখে আসা যাতায়াতের কষ্ট যেন শেষ হয়নি আজও। শেষ বয়সে এসেও আধুনিক যুগে এমন দুর্বিষহ কষ্ট আমাদের গ্রামের মানুষের নিত্যদিনের সঙ্গী।

    দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও যাতায়াতের জন্য একটি রাস্তা পায়নি কাঠালিয়া গ্রামের মানুষজন। গ্রামটিতে রাস্তা না থাকার কারণে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদেরকে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও রোগীদের যাতায়াতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট ভোগ করতে হচ্ছে। গ্রামবাসী বর্ষা মৌসুমে কখনও নৌকায়, আবার কখনও হাঁটু বা কোমর পানিতে এবং গ্রীষ্ম মৌসুমে ইরি ক্ষেতের কর্দমাক্ত আইল দিয়ে যাতায়াত করছে।

    ওই গ্রামের কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের গ্রামে যাতায়াতের জন্য কোনও রাস্তা না থাকায় সময়মতো স্কুল-কলেজে যেতে পারছি না। এতে পড়ালেখায় আমরা অনেক পিছিয়ে যাচ্ছি। বর্ষা মৌসুমে নৌকা দিয়ে পারাপার হতে হয়।
    দ্রুত রাস্তা নির্মাণের দাবি জানান তারা।

    কাঠালিয়া গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, আমাদের গ্রামটি দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী হওয়ায় আমরা অবহেলিত। দুই উপজেলার মধ্য দিয়ে চলাচলে পথ। একটি পক্ষ আদালতে মামলা করলে সেখানে রাস্তার নির্মাণ কাজ থমকে যায়। আধুনিক যুগেও একরকম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন জনপদের নাম কাঠালিয়া গ্রাম। অনেকেই জনপ্রতিনিধি হয়ে আসেন কিন্তু আমাদের দুঃখ ও দুর্ভোগ দেখার কেউ নেই।

    স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন বলেন, অনেক বছর ধরে ওই গ্রামে রাস্তা নেই। কিছুদিন আগে আমি ওই গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে যাতায়াতের রাস্তা নির্মাণের জন্য পরিদর্শন করি। কিন্তু যে স্থানে রাস্তা নির্মাণ করা হবে তার দু পাশে কৃষকের মালিকানা জমি থাকায় এবং মামলা থাকায় রাস্তা নির্মাণে সমস্যা হচ্ছে। তবে মতলব ও কচুয়া জনপ্রতিনিধির সমন্বয়ে দ্রুত রাস্তাটি নির্মাণে চেষ্টা চলছে।

    উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল আলিম লিটন বলেন, সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্ন স্থানের রাস্তা নির্মাণ কাজের বরাদ্দের বিষয়ে যাবতীয় তথ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। কাঠালিয়া গ্রামের রাস্তাটি বরাদ্দের আওতায় বাদ পড়লে তালিকা তৈরি করে পুনরায় পাঠানো হবে।

    উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাজাহান শিশির বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পরে আমি দুবার কাঠালিয়া গ্রাম পরিদর্শন করি। রাস্তা না থাকায় আমি ও আমার সঙ্গের লোকজনকে ওই গ্রামে যেতে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়। রাতে গ্রামবাসীর চলাচলের সুবিধার জন্য আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ৪টি সৌর বিদ্যুতের ব্যবস্থা করেছি। কাঠালিয়া গ্রামের মানুষ অনেক কষ্টে যাতায়াত করেন এবং দুর্ভোগ নিরসনের জন্য আমরা জোরালো চেষ্টা করছি।

  • উপদেষ্টা পরিষদে গণভোট অধ্যাদেশ অনুমোদন

    উপদেষ্টা পরিষদে গণভোট অধ্যাদেশ অনুমোদন

    ডেস্ক নিউজঃ

    উপদেষ্টা পরিষদে গণভোট অধ্যাদেশ আকারে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫ এর খসড়ার নীতিগত ও চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

    প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে সকাল ১১টায় এই বৈঠক শুরু হয়।

    এর আগে গত ২০ নভেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা গণভোট আইন অনুমোদন করেন। রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।

    তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় পৃথক সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনও দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। এ সচিবালয়ে নিম্ন আদালতের বিচারকদের সব কিছুর দায়িত্বে থাকবে। ফলে নিম্ন আদালতের বিচারকদের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। সচিবালয় গঠনের পর এটি কার্যকর হবে।

    আর আই খান

  • হঠাৎ বন্ধ এনআইডি সংশোধন

    হঠাৎ বন্ধ এনআইডি সংশোধন

    ডেস্ক নিউজঃ

    ঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে গেল জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি সংশোধন। সোমবার (২৪ নভেম্বর) বিকাল ৪টা পর্যন্ত জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করা যাবে- মর্মে ঘোষণা থাকলেও এদিন দুপুরের আগেই বন্ধ হয়ে গেছে সংশোধন কার্যক্রম।

    এর আগে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এক ঘোষণায় জানিয়েছিল, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটার তালিকা প্রস্তুতের জন্য ২৪ নভেম্বর বিকাল ৪টার পর সব ধরনের সংশোধনের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। সেই সঙ্গে মাইগ্রেশনের কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। পরবর্তীতে এ বিষয়ে বিস্তারিত চিঠির মাধ্যমে জানানো হবে।
    আর আই খান
  • মিরসরাইয়ে খেজুরগাছ থেকে পড়ে শিবির নেতার মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজ:

     

    চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে খেজুরগাছ থেকে পড়ে সাইফুল্লাহ মনোয়ার হোসেন (১৯) নামে এক ছাত্রশিবির নেতার মৃত্যু হয়েছে। আজ দুপুরে উপজেলার কাটাছড়া ইউনিয়নের বামনসুন্দর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    উপজেলার কাটাছড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ জকি উদ্দিন মিজিবাড়ি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা নুরের সালামের ছেলে।

    সুফিয়া নূরিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবদুল হক সিরাজী জানান, সাইফুল্লাহ মনোয়ার হোসেন সুফিয়া মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। আজ খেজুরগাছে উঠতে গিয়ে পুকুরের পানিতে পড়ে যান তিনি। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    ছাত্রশিবির মিরসরাই উত্তরের সভাপতি জাহিদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, সাইফুল্লাহ মনোয়ার হোসেন ছাত্রশিবিরের কাটাছড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। আজ বিকেলে রসের জন্য খেজুরগাছ কাটতে উঠলে নিচে পুকুরের পানিতে পড়ে যান তিনি। সেখান থেকে এক ঘণ্টা পর তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।

    এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হালিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    বি / এ

  • ২৮ জেলেসহ ট্রলার নিয়ে গেছে ভারতীয় কোস্টগার্ড

    ২৮ জেলেসহ ট্রলার নিয়ে গেছে ভারতীয় কোস্টগার্ড

    ডেস্ক নিউজ:

    বঙ্গোপসাগর থেকে কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার ২৮ জেলে-মাঝিসহ একটি মাছ ধরার ফিশিং ট্রলার ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ভারতীয় কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে।

    বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) রাতে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা আটকের বিষয়টি জানতে পারেন।

    এর আগে, গত ১৩ নভেম্বর রাতে ২৮ মাঝি-মাল্লাসহ ফিশিং ট্রলারটি কুতুবদিয়া উপজেলার মলমচর এলাকা থেকে বঙ্গোপসাগরে রওনা দিলে ঘন কুয়াশায় ফিশিং ট্রলারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভারতের জলসীমায় প্রবেশ করে। এ সময় তাদেরকে আটক করা হয় বলে জানান ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

    কুতুবদিয়ার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের নজরআলী মাতবর পাড়া এলাকার এফ.বি আদিব-২ ফিশিং ট্রলারের মালিক নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    ভারতে আটক জেলেরা হলেন— দক্ষিণ ধূরুং ইউনিয়নের জসিম উদ্দিন, নুরুল বশর, মোহাম্মদ শাহিন, তারেক মুহাম্মদ নওশাদ, আতিকুর রহমান, শাহাব উদ্দিন, মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, মামুনুর রশিদ, মোহাম্মদ রাকিব, মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ, নুরুল ইসলাম, জোবাইদুল হক, আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের জকির আলম, জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ তুহিন আলম, মোহাম্মদ মোজাহেদ, শাহেদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, উত্তর ধূরুং ইউনিয়নের হাফিজুর রহমান, লেমশীখালী আবুল বশর, মোহাম্মদ নাজেম উদ্দিন, এনামুল হক, মোহাম্মদ শরীফ, রবিউল হাছান, কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ওমর ফারুক, মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম, আকতার হোছাইন ও নজরুল ইসলাম।

    আটক মাঝি-মাল্লা পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আটকরা বর্তমানে ভারতের নারায়নপুর কান্দিব থানা হেফাজতে রয়েছেন।

    ট্রলারটির মালিক নজরুল ইসলাম বলেন, ২৮ মাঝি-মাল্লাকে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় কোস্টগার্ড। এ বিষয়ে লিখিতভাবে কুতুবদিয়া থানায় অবহিত করা হয়েছে।

    কুতুবদিয়া উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন জানান, গত বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকালে কুতুবদিয়া উপজেলার মলমচর এলাকা থেকে ট্রলারটি যাত্রা করে। বৃহস্পতিবার রাতে ২৮ মাঝি-মাল্লাসহ ভারতীয় কোস্টগার্ডের হাতে আটকের বিষয়টি জানতে পারে তাদের পরিবারের সদস্যরা। আটক জেলে ও ট্রলার উদ্ধারে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

    এ বিষয়ে কুতুবদিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আরমান হোসেন বলেন, বিষয়টি থানায় একটি অবহিতকরণ ডায়েরি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
    বি/এ

  • বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে

    বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে

    ডেস্ক নিউজ:

    যেকোনো বহিঃশত্রুর আগ্রাসী আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষায় আমাদের সদা প্রস্তুত থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনাকুঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    বক্তব্যের শুরুতে ভূমিকম্পে হতাহতের ঘটনায় শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন প্রধান উপদেষ্টা। পরে স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ এবং ২৪-এর অভ্যুত্থানে শহিদদের স্মরণ করেন তিনি।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি জুলাই অভ্যুত্থান ও চলমান রাষ্ট্র সংস্কারে সেনাবাহিনী জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের আস্থার প্রতি সম্মান জানিয়ে যাচ্ছে। শান্তিপ্রিয় জাতি হিসেবে বন্ধু রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্মানজনক ও বৈশ্বিক সহবস্থানে বিশ্বাসী। তবে যেকোনো বহিঃশত্রুর আগ্রাসী আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষায় আমাদের সদা প্রস্তুত থাকতে হবে।

    নির্বাচন আনন্দ ও উৎসবমুখর করতে সবাইকে মিলিতভাবে চেষ্টা চালানোর আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে আগামী নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ, এই নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা নতুন বাংলাদেশের পথে যাত্রা করবো।

    এক্ষেত্রে সশস্ত্রবাহিনীর উন্নয়ন ও দক্ষতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, সশস্ত্রবাহিনীর উন্নয়ন দরকার। ফ্যাসিস্ট আমলে দক্ষতা উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের পদক্ষেপ দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়িয়েছে।

    জাতিসংঘে বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যদের অবদানের প্রশংসা করে তিনি বলেন, বর্তমানে ১০টি মিশনে সেনা সদস্যরা কাজ করছেন। বৃহৎ নারী শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশও আমরা, কাতার আমাদের থেকে জনবল নেবে, এসব আমাদের গৌরবের স্বীকৃতি।

    ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই দিনে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা এবং বাঙালি জনগণ সম্মিলিতভাবে দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সমন্বিত আক্রমণ পরিচালনা করেছিলেন।

    তিনি বলেন, এই ঐতিহাসিক সমন্বিত অভিযান আমাদের বিজয়কে ত্বরান্বিত করেছিল। স্বশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও সাধারণ মানুষের অতুলনীয় ত্যাগের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ।

    ড. ইউনূস শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারবর্গের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। এ সময় তিনি ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের শহিদদেরও স্মরণ করেন।

    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা হলো মহান মুক্তিযুদ্ধ। এই যুদ্ধে অর্জিত বিজয়ের মাধ্যমে পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

    তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত থেকে বাঙালি সেনারা সেনানিবাস ত্যাগ করে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। একই সঙ্গে আমাদের কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র-জনতা-সাধারণ মানুষ যার যা ছিল তাই নিয়ে যুদ্ধে অংশ নেন। এভাবে যুদ্ধটি একটি সর্বাত্মক জনযুদ্ধে রূপ নেয়।

    প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধকে সাংগঠনিক রূপ দেয়ার জন্য একপর্যায়ে যুদ্ধরত সব বাহিনীকে ‘বাংলাদেশ ফোর্সেস’ নামে একীভূত করা হয় এবং সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে অসামান্য সাহসিকতার সঙ্গে যুদ্ধ পরিচালিত হয়।

    তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, তৎকালীন পাকিস্তান নৌবাহিনীতে কর্মরত বাংলাদেশি সাবমেরিনার ও নাবিকদের সমন্বয়ে গঠিত নৌকমান্ডো দল ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে দুঃসাহসী অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন নদীবন্দরে খাদ্য ও রসদবাহী জাহাজ ডুবিয়ে দেয়। বিমানবাহিনীর সদস্যদের নিয়ে গঠিত ‘কিলোফ্লাইট’ চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সফল হামলা চালায়। এসব দুঃসাহসী অভিযান আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে চিরকাল উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।

    নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। তরুণ সমাজকে সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও মেধাভিত্তিক সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটিয়ে দেশগঠনে অবদান রাখতে সক্ষম করতে হবে। জুলাই ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার সাহস ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আমাদের সুন্দর ও সমৃদ্ধশালী ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হবে।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ, আহত ও জীবিত ছাত্র-জনতার প্রতি আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকব যেন তাদের দেয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্বের সামনে গণতান্ত্রিক উত্তরণের এক দৃষ্টান্ত হিসেবে উপস্থাপন করতে পারি।
    বি/এ

  • ভূমিকম্পে নরসিংদী জেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

    ভূমিকম্পে নরসিংদী জেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

    ডেস্ক নিউজ:

    ভয়াবহ ভূমিকম্পে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে নরসিংদী জেলা সদর ও পলাশ উপজেলায় ৪ জন নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছেন। এছাড়া আরো ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে জানিয়েছে নরসিংদী জেলা প্রশাসন। শুক্রবার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে নরসিংদী জেলার সদর ও পলাশ উপজেলার মধ্যবর্তী অঞ্চলে ভূমিকম্প আঘাত হানে। প্রাথমিক তথ্যমতে ভূমিকম্পে আতংকিত হয়ে হুড়োহুড়ি করে উঁচু ভবন থেকে নামতে গিয়ে জেলার বিভিন্ন স্থানে শতাধিক লোকজন আহত হয়েছেন এবং এখন পর্যন্ত ৪ জন নিহত হয়েছেন।

    সদর উপজেলার চিনিশপুর ইউনিয়নের গাবতলি নামক স্থানে নির্মাণাধীন ভবনের মালামাল নিচে পড়ে ৪ জন আহত হন। তন্মধ্যে মারাত্মকভাবে মাথায় আহত ২ (দুই) জনকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করা হয়। প্রেরিত দুই জনের মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশু হাফেজ ওমরকে (৮ বছর) মৃত ঘোষণা করেন এবং তার বাবা দেলোয়ার হোসেন উজ্জ্বলের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানানো হয়।

    অন্যদিকে নরসিংদীর পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়নের মালিতা পশ্চিমপাড়া গ্রামের কাজেম আলী ভূঁইয়া (৭৫) নামক এক বৃদ্ধ মাটির ঘরের নিচে চাপা পড়েন এবং পরবর্তীতে তাকে জেলা হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যুবরণ করেন।
    বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, পলাশ উপজেলার ডাংগা ইউনিয়নের ইসলামপাড়া নয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা নাসিরউদ্দিন (৬০), পিতা: সিরু মিয়া, ভূমিকম্পের সময় ফসলি জমি থেকে আতঙ্কিত হয়ে দৌড়ে আসার পথে রাস্তা থেকে নিচে লাফ দিয়ে পড়ে মারা যান বলে স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে। তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে মৃত্যুবরণ করায় নিকটাত্মীয়গণ তার মরদেহ হাসপাতালে নেননি।

    এদিকে শিবপুর উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের আজকিতলা (পূর্বপাড়া) গ্রামে ফোরকান (আনুমানিক ৪০) ভূমিকম্পের সময় গাছ থেকে পড়ে যান। এরপর তাকে তাৎক্ষণিক নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিলে ঢাকা মেডিকেলে রেফার্ড করে। সেখানে নেওয়ার পথে রাস্তায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    হতাহত ছাড়াও ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সাবস্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এছাড়াও সাবস্টেশনের বিপুল পরিমাণ পিটি (প্রডাকশন ট্রান্সফরমার) ভূ-কম্পনের ফলে ভেঙে পড়ে।

    এদিকে ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার কারখানার ইউরিয়া প্রডাকশন ভূমিকম্পের কারণে সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। ভূ-কম্পনের সময় ইঞ্জিন মেশিনারিজ ভাইব্রেশনের মাধ্যমে বন্ধ হয়ে যায় এবং মেশিনারিজ চেকিং অপারেশনে আছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

    এছাড়াও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও সার্কিট হাউসহ শতাধিক ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। ভূমিকম্প সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি ও দুর্যোগ সংশ্লিষ্ট তথ্যের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে কন্ট্রোল রুম খুলে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে খোজ খবর রাখা হচ্ছে বলেও জানানো হয়।
    বি/এ

  • বড় ভূমিকম্পের আগাম বার্তা

    বড় ভূমিকম্পের আগাম বার্তা

    ডেস্ক নিউজ

    বড় ভূমিকম্পের আগাম বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পূরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও ভূমিকম্প গবেষক মেহেদি আহমেদ আনসারী। তিনি বলেছেন, ‘বড় ভূমিকম্প আসার আগে ছোট ছোট ভূমিকম্প হয়। এটি তার আগাম বার্তা।’

    শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বিবিসি বাংলাকে তিনি এসব কথা বলেন

    মেহেদি আহমেদ আনসারী বলেন, ‘সাধারণত একশ থেকে দেড়শ বছর পরপর একটি অঞ্চলে বড় মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার শঙ্কা থাকে। বাংলাদেশ ও এর আশপাশের কাছাকাছি এলাকায় গত দেড়শ বছরে একটি বড় ও প্রায় পাঁচটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে।’

    তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের আশপাশে সবশেষ বড় ভূমিকম্প সংগঠিত হয়েছিল প্রায় একশ বছর আগে। তাই আরেকটি বড় ভূমিকম্প কাছাকাছি সময়ে হতে পারে এমন শঙ্কা রয়েছে।’

    সচেতনার বিষয়ে তুলে ধরে মেহেদি আহমেদ আনসারী বলছেন, ‘বিল্ডিং কোড না মেনে ভবন তৈরি করলে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হবে, এটিই স্বাভাবিক। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বড় শহরগুলোতে অপরিকল্পিতভাবে যে ভবনগুলো গড়ে তোলা হচ্ছে, তাতে ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা বেড়েই চলেছে।’

    এদিকে রাজধানীতে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার আকস্মিক একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনায় দুর্ঘটনা সম্পর্কিত তথ্য আদান-প্রদান ও যোগাযোগের জন্য ঢাকা জেলা প্রশাসন থেকে জরুরি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করা হয়েছে।

    শুক্রবার সকালে এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৭ জন নিহত এবং ২ শতাধিক আহত হওয়ার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া নগরীর বেশ কিছু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরপরই দুর্ঘটনা সম্পর্কিত সার্বিক তথ্য আদান-প্রদানের জন্য জরুরি এ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছে ঢাকা জেলা প্রশাসন।

    জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখা থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের পরপরই ক্ষয়ক্ষতির সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনার জন্য ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জরুরি ভিত্তিতে একটি ‘নিয়ন্ত্রণ কক্ষ’ বা কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

    ঢাকার জেলা প্রশাসক মো. রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে, দুর্ঘটনা সম্পর্কিত যে কোনো তথ্য আদান-প্রদান ও জরুরি প্রয়োজনে নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য সর্বসাধারণকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

    নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নম্বরগুলো

    মোবাইল : ০১৭০০-৭১৬৬৭৮
    ফোন : ০২-৪১০৫১০৬৫

    বি/এ

  • প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানদের সাক্ষাৎ

    প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানদের সাক্ষাৎ

    ডেস্ক নিউজ :

    প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানান, আজ সকালে ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার‑উজ‑জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নজমুল হাসান ও বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।

    সাক্ষাতের আগে অধ্যাপক ইউনূস ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করা বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

    তিনি শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    সূত্র: বাসস