ট্যাগ জামায়াত

  • ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার পথেই হাঁটছে সরকার: বুলবুল

    ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার পথেই হাঁটছে সরকার: বুলবুল

    ডেস্ক নিউজ:

     

     

    জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি বলেছেন, জনগণকে বিভ্রান্ত করতে সরকার জুলাই সনদ অক্ষরে-অক্ষরে পালন করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।

    তিনি বলেন, জনগণ সংস্কার চায়, জনগণ পরিবর্তন চায়, কিন্তু সরকার সংস্কার ও পরিবর্তন না করে পুরোনো ফ্যাসিবাদ পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথেই হাঁটছে।

    শুক্রবার দুপুরে জামায়াতে ইসলামী মতিঝিল-শাহজাহানপুর জোনের ‘নন রুকন সাথী ও সদস্য শিক্ষাশিবির’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, যারা নির্বাচনের আগে গণভোটে হ্যাঁ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ক্ষমতায় বসে গণভোটের জনরায়কে মেনে নিচ্ছে না তাদের মাধ্যমে রাষ্ট্র সংস্কার হবে না, তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে না। সরকার যদি জুলাই সনদ অক্ষরে-অক্ষরে পালনই করে তবে কেন সরকার দলীয় সংসদ সদস্যরা গণভোটের রায় মেনে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ করেনি প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, জনগণের মতামতের ভিত্তিতে সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে না বলেই সরকার গণভোটের রায় মেনে নিচ্ছে না।

    তিনি সংঘাত বা সংঘর্ষ সৃষ্টি না করে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করলে সরকারকে সব ধরনের সহযোগিতা জামায়াতে ইসলামী করতে প্রস্তুত রয়েছে।

    জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি, মতিঝিল-শাহজাহানপুর জোন পরিচালক মুহাম্মদ শামছুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং শাহজাহানপুর পূর্ব থানা আমির মুহাম্মদ শরিফুল ইসলামের পরিচালনায় মহানগরীর হলরুমে অনুষ্ঠিত শিক্ষাশিবিরে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

    বি/ এ

  • সংরক্ষিত আসনের ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ

    সংরক্ষিত আসনের ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ

    ডেস্ক নিউজ:

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    সোমবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জোটের পক্ষ থেকে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

    চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের ১৩ জন প্রার্থীর মধ্যে জামায়াতে ইসলামী থেকে ৮ জন এবং অন্যান্য শরিক দল ও বিশেষ ক্যাটাগরি থেকে ৫ জন মনোনয়ন পেয়েছেন।

    মনোনীত প্রার্থীরা হলেন- জামায়াত ইসলাম থেকে নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন নাহার মুন্নি, মারদিয়া মমতাজ, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা সিদ্দিকা, সাজেদা সামাদ ও সামসুন নাহার; জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপি থেকে মনিরা শারমিন ও মাহমুদা আলম মিতু; জাগপার চেয়ারম্যান তাসমিয়া প্রধান; বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নারী মজলিসের সদস্য মাহবুবা হাকিম এবং জুলাই শহীদ শিশু জাবির ইব্রাহিমের মা রোকেয়া বেগম।

    গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্য মোট ৭৭টি আসনে বিজয়ী হয়। সংসদীয় বিধান অনুযায়ী, এ আসনের ওপর ভিত্তি করে জোটটি সংরক্ষিত নারী আসনে ১৩টি আসন লাভ করছে। অপরদিকে, মোট ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে ৩৬টি আসন পেয়েছে বিএনপি।

  • ফুলতলায় জামায়াত সমর্থকের বাড়িতে আগুন

    ডেস্ক নিউজ:

    খুলনা-৫ আসনের ফুলতলায় এক জামায়াত সমর্থকের বাড়িতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। জামায়াতে ইসলামীর অভিযোগ, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের লোকজন ঘরটিতে আগুন লাগিয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে আজ রোববার বিকেলে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী।

    গতকাল দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার ১ নম্বর আটরা-গিলাতলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মশিয়ালী গ্রামের আকুঞ্জিপাড়ার বাসিন্দা শোকর আকুঞ্জির বাড়িতে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগুন দেখতে পেয়ে তাঁরা ছুটে যান। সকলে মিলে পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুনে শোকর আকুঞ্জির একটি কাঠের জ্বালানি রাখার ঘর পুড়ে গেছে।

    খানজাহান আলী থানা জামায়াতে ইসলামীর আমির সৈয়দ হাসান মাহামুদ টিটো বলেন, খুলনা-৫ আসনে বিএনপি-আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এলাকার দাঁড়িপাল্লার সমর্থকদের হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল। তারাই মূলত এই আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছে।

    এদিকে খবর পেয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল খুলনা-৫ আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনীয় ঐক্য সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার  ঘটনাস্থলে যান। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে খানজাহান আলী থানার এসআই রুবেল বলেন, ক্ষতিগ্রস্তরা মামলা করলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জামায়াত প্রার্থী

    নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জামায়াত প্রার্থী

    ডেস্ক নিউজ:

    চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-মতলব দক্ষিণ) আসনে ১০ দলীয় জোটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ডা. আব্দুল মোবিন তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।

    বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. আব্দুল মোবিন।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) তার নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    ডা. আব্দুল মোবিন মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মী, সহযোদ্ধা ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, মাঠে নেতাকর্মী, সহযোদ্ধা ও শুভানুধ্যায়ী যাদের ভাবনায় আমি শান্তি ও নিরাপত্তার প্রতীক তাদের সবার জন্য সশ্রদ্ধ সালাম, কৃতজ্ঞতা, ভালোবাসা। মতলবের মাটি ও মানুষ তার সন্তানের প্রতি যা কিছু উজাড় করে দিল তা জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি।’

    তিনি বলেন, নমিনেশন প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয়ভাবে জানিয়েছে। আমি শপথের কর্মী। আমার কাছে দ্বিতীয় কিছু নেই। মতলব তথা দেশকে দেওয়ার ক্ষুধা আছে। যখনই যে পরিসরে যতটুকু সুযোগ আল্লাহ দান করেন মতলববাসীর সঙ্গে থাকব।

    জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর সরে দাঁড়ানোর পর চাঁদপুর-২ আসনে ১০ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে এলডিপির (ছাতা প্রতীক) মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজীকে মনোনীত করা হয়েছে।

    ডা. আব্দুল মোবিন বলেন, কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী আমি আমার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছি।

    জোটের মনোনীত প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী (এলডিপি) বলেন, ১০ দলীয় জোট থেকে আমাকে চাঁদপুর-২ আসনে মনোনীত করছেন। সবার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।

  • হারলেও ফুলের তোড়া নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীর বাসায় যাব : শিশির মনির

    হারলেও ফুলের তোড়া নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীর বাসায় যাব : শিশির মনির

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জ–২ (দিরাই–শাল্লা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শিশির মনির বলেছেন, নির্বাচনে তিনি হারলেও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বাসায় একটি বড় ফুলের তোড়া নিয়ে যাবেন। একইভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হারলে যেন তার বাড়িতেও ফুলের তোড়া নিয়ে আসেন, সেই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

    বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানের পর গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে শিশির মনির বলেন, একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে যিনি বিজয়ী হবেন, তাকেই তিনি অভিনন্দন জানাবেন। বর্তমান বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে না পারলে পুরোনো পথেই হাঁটা হবে, এতে কোনো উপকার হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, আমি হেরে গেলেও বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানাতে আমার কোনো আপত্তি নেই। আবার আমি জিতলেও অন্য প্রার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে আমার কোনো আপত্তি নেই। জনগণ যে রায় দেবে, আমরা তা সাদরে গ্রহণ করবো।

    নির্বাচনে গালিগালাজ ও বকাবকির রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার ওপর গুরুত্বারোপ করে শিশির মনির বলেন, যারা দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন, তাদের আত্মার শান্তির জন্যও একটি সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি জরুরি।

    এদিকে,  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনের মোট ২৩ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টা থেকে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার সুনামগঞ্জের সম্মেলন কক্ষে প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম শুরু হয়। পাঁচটি আসনে ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা, ঈগল, হাতপাখাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতীক বরাদ্দের সময় আচরণবিধি প্রতিপালন ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে কয়েকজন প্রার্থী অভিযোগ তুললেও রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, নির্বাচনে সমান সুযোগ বজায় রাখা হচ্ছে।

    বি/এ

  • প্রার্থিতা প্রত্যাহারে কর্মীদের বাধা

    প্রার্থিতা প্রত্যাহারে কর্মীদের বাধা

    ডেস্ক নিউজ:

    কর্মীদের বাধায় প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারেননি সুনামগঞ্জ-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির তোফায়েল আহমেদ খান। জামায়াতের কার্যালয়ে তালা দিয়ে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। ৬ ঘণ্টা পর তাকে মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন অবরুদ্ধ প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ খান।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর ২টায়  সুনামগঞ্জ শহরের হাছননগরে জামায়াতে ইসলামীর জেলা কার্যালয়ের ভেতরে সুনামগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ খানকে ভেতরে রেখে কার্যালয়ের প্রধান ফটক ও ভেতরে তালা দেন তার সর্মথক ও কর্মীরা। রাত ৮টা পর্যন্ত সেখানে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।

    এ সময় জামায়াতের কর্মীরা জানান, এই আসনের জামায়েতের কর্মীরা কেবল নয়, সাধারণ ভোটারও তোফায়েল খানকেই প্রার্থী চায়। জোটের পক্ষ থেকে যাকে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে, তাকে চেনেন না কেউ।

    জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল্লাহ্ বললেন, সুনামগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমির তোফায়েল আহমদকে নিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য রওয়ানা দেওয়ার সময় সাধারণ কর্মী-সমর্থকরা ঘিরে রাখে, তারা দরজা বাইরে থেকে তালা দিয়ে রাখে তোফায়েল আহমদসহ নেতৃবৃন্দকে। এ কারণে ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করা হয়নি।

    ১০ দলীয় জোট এই আসনে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব মাওলানা মুজাম্মিল হক তালুকদারকে (বই প্রতীক) প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে। তার বাড়ি সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের স্বরস্বতীপুর গ্রামে।

    সুনামগঞ্জ-১ আসনে নেজামে ইসলাম পার্টির মাওলানা প্রার্থী মুজাম্মিল হক তালুকদার  জানান, তিনি নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা, সিলেট মহানগরের আমির, সুনামগঞ্জেরও আহ্বায়ক। তাকে এই আসনে ১০ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী করা হয়েছে। জামায়েতের জেলা আমির মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন না কেন- এটা তার সিদ্ধান্ত।

    তিনি আরও বলেন, আমরা যেহেতু জামায়াতে ইসলামীর সাথে জোটে আছি তাই এই বিষয়ে তোফায়েল আহমেদ খান ও তার কেন্দ্রীয় নেতারা বুঝবেন। আমার এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য নেই।

     

  • বরগুনায় জামায়াতসহ ২ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার

    বরগুনায় জামায়াতসহ ২ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার

    ডেস্ক নিউজ :

    বরগুনার দুটি আসন থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং খেলাফত মজলিসের দুই প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। ১০ দলীয় জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রার্থীরা।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তারের কাছে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন জমা দেন তারা। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট শজল চন্দ্র শীল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    মনোনয়ন প্রত্যাহার করা প্রার্থীরা হলেন: বরগুনা-১ (বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মহিব্বুল্যাহ এবং বরগুনা-২ (পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী) আসনের খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম।
    মনোনয়ন প্রত্যাহার করা বরগুনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মো. মহিব্বুল্যাহ বলেন, ‘১০ দলীয় জোট হওয়ায় এ আসনে খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন নির্বাচনে অংশ নিতে জোর দাবি জানিয়েছেন। এ কারণে দল আমাকে প্রত্যাহার করে তাকে এই আসনে প্রার্থী দিয়েছে। জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আগামীর ইনসাফ পূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।’
    বরগুনা-২ আসনের খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের জোটের পক্ষ থেকে খেলাফত মজলিসকে বরগুনা-১ আসন দেয়া হয়েছে। এবং বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সমর্থন দেয়া হয়েছে। এ কারণেই ১০ দলীয় জেটের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বরগুনা-২ আসন থেকে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।’

    এ বিষয়ে বরগুনা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শজল চন্দ্র শীল বলেন, ‘বরগুনা ১ ও ২ আসন থেকে দু’জন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছে। বরগুনার এ দুটি আসনে মোট ১৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। এখন মনোনয়ন প্রত্যাহারের পর বরগুনা-১ আস থেকে ৪ জন এবং বরগুনা-২ আসন থেকে ৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।’
  • দখলদারদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়-মিয়া গোলাম পরওয়ার

    দখলদারদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়-মিয়া গোলাম পরওয়ার

    ডেস্ক নিউজঃ

    শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে খুলনা-৫ আসনের ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, জেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লা, ডুমুরিয়া উপজেলা আমীর মাওলানা মোক্তার হোসেন, উপজেলা নায়েবে আমীর গাজী সাইফুল্লাহ ও মাওলানা হাবিবুর রহমান, জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম আল ফয়সাল, সরদার আবদুল ওয়াদুদ, উপজেলা হিন্দু কমিটির সেক্রেটারি অধ্যক্ষ দেব প্রসাদ মণ্ডল, আটলিয়া ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা মতিয়ার রহমান, ইউনিয়ন সেক্রেটারি হাফেজ মঈন উদ্দিন, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী গবেষণা সম্পাদক ওবায়দুর রহমান, ডুমুরিয়া পশ্চিম ছাত্রশিবিরের সভাপতি হামিদুল হাসান লিমন, শোভনা ইউনিয়ন সভাপতি মোসলেম উদ্দিন, মাগুরখালী ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা আব্দুস সোবাহান, মাগুরখালী ইউনিয়ন সেক্রেটারি সোহরাব হোসেন, মাগুরখালী হিন্দু কমিটির সেক্রেটারি বিকানন্দ বৈরাগী, ইউনিয়ন আমীর শেখ আবুল হোসেন, ইউনিয়ন সেক্রেটারি মাওলানা মজিবুর রহমান, আটলিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আলাউদ্দিন আলা, মাওলানা বাহারুল ইসলাম, মাওলানা বেলাল হোসেন, হাফেজ বেলাল হোসেন প্রমুখ।

    তিনি বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটের কারণে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া খর্ণিয়া ইউনিয়নের আঙ্গারদহা গ্রামের কৃষ্ণ কুন্ডু, রাজু কুন্ডু ও গপি কুন্ডুর বসতবাড়িতে যান। এ সময় তিনি তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং সান্ত্বনা দেন।

    সেক্রেটারি জেনারেল আরও বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাস টেনে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, লাঙ্গল, নৌকা, ধানের শীষ—সব প্রতীকের দলই রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে, এমনকি সামরিক শাসনও এসেছে। কিন্তু কোনো দলের কোনো নেতা বা সরকার প্রধান বুক চিতিয়ে বলতে পারেননি যে, তারা দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও জুলুমমুক্ত শাসন দিয়েছেন। প্রত্যেক আমলেই এ দেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে—কঠোর মন্তব্য করেন তিনি।

    নিজের সংসদ সদস্য থাকার সময়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি এমপি নির্বাচিত হওয়ার সময় ডুমুরিয়াকে ভয়াবহ সন্ত্রাসকবলিত এলাকা হিসেবে পেয়েছিলাম। সন্ধ্যার আগে মানুষ ঘরে ঢুকে পড়ত। প্রতিদিন লাশ, গুম, হাত-পা কাটার আতঙ্কে মানুষ রাত কাটাত। আল-হামদুলিল্লাহ আমার ৫ বছরে সন্ত্রাসকবলিত সেই ডুমুরিয়াকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে পেরেছিলাম। নির্বাচনের আগে দেওয়া দুটি অঙ্গীকারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, একটি ছিল সন্ত্রাস দমন, অন্যটি ছিল শতভাগ স্বচ্ছ উন্নয়ন।

    তিনি দাবি করেন, এমপি থাকাকালে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করেছেন এবং কোনো কাজের বিনিময়ে কারও কাছ থেকে এক টাকাও নেননি। এক কাপ চাও নয়—এ দাবি করে তিনি বলেন, উন্নয়নকাজের পূর্ণ হিসাব ইউনিয়ন ও খাতভিত্তিকভাবে বই আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মন্দির, রাস্তা, বিদ্যুৎ, টিউবওয়েল, শ্মশান—সব কাজেই স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    বর্তমান নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে তিনি অভিযোগ করেন, আবারও দুর্নীতিবাজদের ক্ষমতায় ফেরানোর ষড়যন্ত্র চলছে। এমপি বানানো হবে একজনকে, কিন্তু তিনি থাকবেন ঢাকা বা লন্ডনে। আর এলাকায় তার সাগরেদরা চাঁদাবাজি, মাস্তানি ও ঘের দখল চালাবে—বলেন তিনি। এক প্রার্থীর বিরুদ্ধে হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ, আদালতে ১৩ বছরের সাজা এবং হাওয়া ভবনের সংশ্লিষ্টতার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

    সন্ত্রাস দমনে নিজের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, যৌথ বাহিনী গঠন করে বহু সন্ত্রাসীকে জেলে পাঠানো হয়েছে; কেউ পালিয়েছে, কেউ এলাকা ছেড়েছে। এ সময় কিছু নিরীহ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাদের রক্ষায় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করার কথাও তিনি জানান।

    তিনি বলেন, সাড়ে সাত বছর কারাবন্দি থাকার কারণে তিনি একাধিক নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি, এমনকি ভোট দেওয়ার সুযোগও পাননি। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে আসন্ন নির্বাচন নিরপেক্ষ হলে জনগণ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    শেষে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “বিবেক দিয়ে বিচার করুন—কে দুর্নীতিমুক্ত, কে মানুষের ক্ষতি করেনি, কে সন্ত্রাস দমন করেছে। চাঁদাবাজ ও দখলদারদের হাতে আর ক্ষমতা দেওয়া যাবে না। ভোটের আমানত সৎ মানুষের হাতেই তুলে দিন।

  • ছিনতাইকারীর লাঠির আঘাতে জামায়াত নেতার মৃত্যু

    ছিনতাইকারীর লাঠির আঘাতে জামায়াত নেতার মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজ:

    নওগাঁর সাপাহারে ছিনতাইকারীর লাঠির আঘাতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাপাহার উপজেলা শাখার সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ হিল কাফির মৃত্যু হয়েছে।

    শনিবার  দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    নিহত জামায়াত নেতা সাপাহার উপজেলার কাওয়াভাসা গ্রামের মাওলানা আব্দুর রহিমের ছেলে।

    সাপাহার থানার ওসি পলাশ চন্দ্র দেব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    ওসি জানান, শুক্রবার রাতে দলীয় কার্যালয় থেকে মিটিং শেষে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফিরছিলেন নিহত আব্দুল্লাহ হিল কাফি। পথে উপজেলার সাপাহার-জবই বিল সড়কের সৈয়দপুর ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে একদল দুর্বৃত্ত তার গাড়ি থামিয়ে দেয়। এরপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারপিট শুরু করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। কিছু পরে দলীয় কিছু লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ তার মৃত্যু হয়।

  • শিরোনামহীন পোস্ট 1100

    চুয়াডাঙ্গা -১ ও ২ আসনে জামায়াত প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

     

    জেলা প্রতিনিধি,চুয়াডাঙ্গা

    চুয়াডাঙ্গা-১ ও ২  আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

    ২৪ ডিসেম্বর বুধবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকও  জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেলের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি ও যুগ্ম নির্বাচন পরিচালক কাইমু উদ্দিন হিরোক।

    এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের অর্থ সম্পাদক কামাল উদ্দিন, নির্বাচন পরিচালক নূর মোহাম্মদ হোসেন টিপু, আইন বিষয়ক সম্পাদক দারুস সালাম, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সরকারি কলেজ সভাপতি পারভেজ আলম, আলমডাঙ্গা পৌর জামায়াতের আমীর মাহের আলী, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা আমীর হাসিবুল ইসলাম আলমডাঙ্গা উপজেলা সেক্রেটারী মামুন রেজা, সদর উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী শাহেন উজ্জামান ও পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর মাহবুব আশিক প্রমুখ।

    অন্যদিকে বেলা ১১টায় চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমীর আমিনের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও চুয়াডাঙ্গা -২ আসনের নির্বাচন পরিচালক মাওলানা আজিজুর রহমান।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা সেক্রেটারী আসাদুজ্জামান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি সাগর আহমেদ,দর্শনা থানা আমীর মাওলানা রেজাউল করিম, জীবননগর উপজেলা সেক্রেটারী মাহফুজুর রহমান ও জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মহিউদ্দিন প্রমুখ। এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন অফিসার মশিউর রহমান জানান, চুয়াডাঙ্গা-১ ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে ইতোমধ্যে একাধিক প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অন্যান্য আগ্রহী প্রার্থীরাও মনোনয়নপত্র উত্তোলন করতে পারবেন।