ট্যাগ জামায়াত

  • চৌগাছা প্রেসক্লাবের উন্নয়নে  জামায়াতের অনুদান 

    চৌগাছা প্রেসক্লাবের উন্নয়নে  জামায়াতের অনুদান 

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছা প্রেসক্লাবের সংস্কার ও  উন্নয়নের জন্য নগদ অর্থ  প্রদান করেছে উপজেলা জামায়াত। এ উপলক্ষে ক্লাবের অস্থায়ী অফিসে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

    সভায় প্রেসক্লাব চৌগাছার সভাপতি অধ্যক্ষ আবু জাফরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাও গোলাম মোরশেদ।

    প্রেসক্লাব চৌগাছার সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান এর পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন,  উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাও নুরুজ্জামান,  সহকারী সেক্রেটারি মাষ্টার কামাল আহমেদ, বায়তুল মাল সম্পাদক মাষ্টার ইমদাদুল হক, উপজেলা জামায়াতের শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য সামছুর রহমান, প্রেসক্লাব চৌগাছার সিনিয়র সহ সভাপতি রহিদুল ইসলাম খান প্রমুখ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক এম এ রহিম, আসাদুজ্জামান মুক্ত, বাবুল আক্তার,  শফিকুল ইসলাম,  রায়হান হোসেন,  কালিমুল্লাহ সিদ্দিকী,  শ্যামল কুমার দত্ত, আবু হানিফ, আব্দুল মান্নান, আজম আশরাফুল,  ফয়সাল হোসেন মাও : ফখরুল ইসলামসহ প্রেসক্লাব চৌগাছার সদস্যরা। আলোচনা শেষে জামায়াত নেতৃবৃন্দ প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের হাতে চৌগাছার নেতৃবৃন্দের হাতে নগদ ২০ হাজার টাকা তুলে দেন।

  • জুলাই অভ্যাত্থান স্মরনে চৌগাছায় জামায়াতের গণসমাবেশ

    জুলাই অভ্যাত্থান স্মরনে চৌগাছায় জামায়াতের গণসমাবেশ

    চৌগাছা প্রতিনিধি
    যশোরের চৌগাছায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সোমবার বিকেলে শহরের প্রেসক্লাব চত্ত¡রে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
    সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাও. গোলাম মোরশেদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াত মনোনীত চৌগাছা-ঝিকরগাছা আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ।
    উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাও. নুরুজ্জামানের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাও নুরুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা আমীর হাফেজ আমিন উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলনের উপজেলা আমির মুফতি আনিছুর রহমান, সেক্রেটারি মুফতি শিহাব উদ্দিন, পৌর জামায়াতের আমির মাও আব্দুল খালেক, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাষ্টার কামাল আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন, রহিদুল ইসলাম খান, জগদিসপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাও. আব্দুর রহমান, ফুলসারা ইউনিয়নের সভাপতি মাও. শরিফুল ইসলাম, সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল আলিম, পাশাপোল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাও. আব্দুল কাদের, হাকিমপুর ইউনিয়নের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, স্বরুপদাহ ইউনিয়নের সভাপতি মাও. আবু বক্কর সিদ্দিক, ইসলামী ছাত্র শিবিরের উপজেলা সভাপতি হাফেজ আবু সাঈদ প্রমুখ।
    প্রধান অতিথি ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ বলেন, শহীদ হওয়া ব্যক্তিদের ৭০ শতাংশই ছিলেন নিম্ন আয়ের মানুষ। তবু জাতির জন্য জীবন দিতে তাঁরা দ্বিধাবোধ করেননি। এখন তাঁদের পরিবারের দায়িত্ব দেশবাসীকে বিশেষ করে সরকারকে নিতে হবে। তিনি বলেন, শহীদ পরিবারের সদস্যরা কারও কাছে ভিক্ষা চান না। তাঁরা সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে চান।
    তিনি আরো বলেন, আমি একজন চিকিৎসক হিসেবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছি। চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির একশ শয্যা কার্যক্রম আগামি এক মাসের মধ্যে চালু হবে।
    রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশ্যে করে বলেন, কারো পিছনে না লেগে চৌগাছা- ঝিকরগাছা উন্নয়নে ভোটের আগে ও পরে সকলেই এক সাথে কাজ করতে হবে।
    সমাবেশ শেষে প্রেসক্লাব চত্ত¡র থেকে একটি মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

     

  • জুলাইয়ের বিশ্বাসঘাতকদের প্রতিহত করতে হবে: ডা. তাহের

    জুলাইয়ের বিশ্বাসঘাতকদের প্রতিহত করতে হবে: ডা. তাহের

    নিউজ ডেস্ক:

    জুলাইয়ের চেতনাকে নস্যাৎ করার জন্য চক্রান্ত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি বলেন, জুলাইয়ের ফসল ভোগকারীদের মাঝে বিশ্বাসঘাতকতার গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। এই বিশ্বাসঘাতকদেরকে চিনে প্রতিরোধ ও প্রতিহত করতে হবে। ক্ষমতার মসনদ থেকে তাদেরকে চিহ্নিত করে বের করে দিতে হবে।

    রোববার বিকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইসলামী ছাত্রশিবির ঘোষিত ‘ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান–২০২৪’ শীর্ষক স্মৃতি লিখন প্রতিযোগিতার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ডা. তাহের বলেন, দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করা, সুষ্ঠু রাজনৈতিক কালচার তৈরি, সুষ্ঠু নির্বাচন এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন করার জন্য যা কিছু সংস্কার করার প্রয়োজন এ সরকারকে করতে হবে। না হলে জনগণ ও শহীদদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে ইতিহাস তাদেরকে চিহ্নিত করবে।

    তিনি বলেন, যারা সংস্কারে বাধা দিচ্ছে তারা সংস্কারকে গ্রহণ করতে চায় না, যারা সংস্কারের আইনি ভিত্তি অনুভব করে না, তারাই নির্বাচন বিরোধী। তারা নির্বাচনকে বানচাল করতে চায়। তারা যেনতেন নির্বাচন করে বাংলাদেশকে আবার পিছিয়ে সেই ১৫ বছরের জঞ্জালে নিয়ে যেতে চায়।

    সরকারকে বলব, যেখানে যেখানে সংস্কার প্রয়োজন-নির্দ্বিধায় করতে হবে। কোন দল মানে আর কোন দল মানে না-বাংলার জনগণ এটা শুনতে চায় না। একথা বাংলাদেশের মানুষ মানে না।

    তিনি বলেন, আমরা বড় ধরনের চক্রান্তের কথা শুনছি। আমাদের চেতনাকে আবার মুছে ফেলার জন্য, রাষ্ট্র কাঠামোকে আবার পূর্ণভাবে উল্টে ফেলার জন্য এবং জুলাইয়ের চেতনাকে নস্যাৎ করার জন্য চক্রান্ত হচ্ছে। এই ষড়যন্ত্রকারীরা সবসময় ছিল, থাকবে। এ বিষয়ে সতর্ক হওয়ার আহ্বান করব, তবে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তবে ষড়যন্ত্রকারী নয়, বিশ্বাসঘাতকদের নিয়ে একটু আতঙ্কিত হই। কারণ কাজের মানুষ বিশ্বাসঘাতকতা করলে তা মোকাবেলা করা কঠিন হয়ে যায়।

    ডা. তাহের বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে তিনটি কথা বলেছিলাম। সংস্কার ও খুনি-দোষীদের দৃশ্যমান বিচার সুস্পষ্টভাবে অর্জনের পর নির্বাচনের কথা বলেছিলাম। আমরা নির্বাচন চাই। কিন্তু যেনতেন নির্বাচন চাই না। আমরা হাসিনা মার্কা লুটপাট, কেন্দ্র দখলের নির্বাচন চাই না। দিনের নির্বাচন রাতে অনুষ্ঠিত হওয়া চাই না। তিনি শহীদ পরিবার ও আহতদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি সরকারসহ সকল পক্ষকে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আন্দোলনে ত্যাগ ও অবদান রাখা সকল শ্রেণির মানুষ যাতে বৈষম্যহীনভাবে যেন যার যার প্রাপ্যতা সঠিকভাবে পেতে পারে।

    অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে শিবির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, জুলাইকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধারণ করতে হবে। কেউ যেন এটাকে বিকৃত করতে না পারে। তিনি একবছরের গণহত্যার বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিচারে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। বিচার দ্রুত করতে হবে। তিনি বলেন, জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে রাষ্ট্রকে যেভাবে পরিচালনার দরকার ছিল তা দেখা যাচ্ছে না। রাজনৈতিক দলগুলোতে জুলাইয়ের চেতনা ধারণে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে।

    অনুষ্ঠানে শিবির সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, শহিদ পরিবারের সদস্য, জুলাই যোদ্ধা সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন। এসময় জুলাই স্মৃতি লেখা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৫০ জনকে পুরস্কৃত করা হয়।

  • জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি না দিলে মামলা করবে জামায়াত

    জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি না দিলে মামলা করবে জামায়াত

    নিউজ ডেস্ক:

    জুলাই সনদের বিষয়ে জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, বিএনপি বলছে, জুলাই সনদের কোনো আইনি ভিত্তি নেই। কিন্তু আমরা মনে করি, শুধু প্রতিশ্রুতির ওপর নির্ভর করলে হবে না। আইনি ভিত্তি না থাকলে এই চার্টার মূল্যহীন হয়ে পড়বে। সে জন্য আমরা কমিশন এবং সরকারের বিরুদ্ধে কমপেনসেট (ক্ষতিপূরণ) মামলা করব। আইনগত ভিত্তি ছাড়া জুলাই সনদে জামায়াত স্বাক্ষর করবে না বলেও জানান তিনি।

    বৃহস্পতিবার জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের সঙ্গে চলমান সংলাপের বিরতির সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় এসব কথা বলেন তিনি।

    নায়েবে আমির আরও বলেন, গত ৫৪ বছরের নির্বাচনী পদ্ধতিতে বাংলাদেশে দলীয়করণ, দখল, দূষণ, ভুয়া নির্বাচন, ভোটারবিহীন ঘোষণা ও রাতের নির্বাচনসহ নানা অপসংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। ফলে আমরা মনে করি, এখন সারা বিশ্বে প্রায় ৯০টি দেশে যেভাবে পিয়ার পদ্ধতি আছে, বাংলাদেশেও তা প্রয়োজন।

    তিনি বলেন, পিয়ার পদ্ধতি এখন আফ্রিকা, ইউরোপ, আমেরিকা, এশিয়া প্রতিটি মহাদেশেই আছে। গরিব-ধনী বা কালো-সাদার ভেদে নয়, এটি একটি বৈশ্বিক বাস্তবতা। এমনকি অনেক দেশ প্রতি বছর নতুনভাবে এই পদ্ধতি গ্রহণ করছে।

    ডা. তাহের বলেন, গত ২৩ দিনে আমরা যে সংখ্যক ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দেখেছি, তা আগের ২২ দিনে দেখিনি। তবুও এটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ। একজন ‘না’ বলতেই পারেন। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠ পক্ষে থাকলে সেটা গ্রহণযোগ্যতা পায়। আইনি ভিত্তি দেওয়া এখনই সম্ভব। অলটারনেটিভ আছে, উদাহরণ আছে। যারা বলছেন এটা এখন দেওয়া যাবে না, তারা জাতিকে বিভ্রান্ত করছেন।

    তাহের বলেন, আইনি ভিত্তি না দিলে আমরা এই সংস্কার প্রক্রিয়াকে অসমাপ্ত মনে করব। সই করলেই যদি বাস্তবায়ন না হয়, তাহলে এটা এক ধরনের প্রহসন। সুতরাং আমরা সরকার ও কমিশনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি — তারা যেন নিজেদের ওয়াদা বাস্তবায়নের জন্য এখনই উদ্যোগ গ্রহণ করে।

    তিনি হুঁশিয়ার করে বলেন, আমরা জাতির সঙ্গে আর কোনো তামাশা হতে দেব না।

  • ডা. শফিকুর রহমানের সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা

    ডা. শফিকুর রহমানের সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা

    নিউজ ডেস্ক:

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন দলের নায়েবে আমির সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।

    বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বুধবার অসুস্থ হয়ে রাজধানী ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি দেশের বিরাজমান পরিস্থিতিতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছিলেন। এই মুহূর্তে দেশ ও জাতির সার্বিক পরিস্থিতিতে তার অবদান খুবই প্রয়োজন।

    তিনি আরো বলেন, জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে দ্রুত সুস্থতার নিয়ামত দান করার জন্য আমরা দেশের সকল নাগরিক, সংগঠনের সর্বস্তরের জনশক্তি এবং দেশে-বিদেশে অবস্থানরত শুভাকাঙ্ক্ষী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি মহান রবের নিকট কায়মনোবাক্যে দোয়া করার আহ্বান জানাচ্ছি।

    আল্লাহ তাআলা যেন জামায়াত আমিরকে দ্রুত সুস্থতার নিয়ামত দান করে দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখার তাওফিক দান করেন, আমীন।

  • জামায়াত আমিরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন ড. ইউনূস

    জামায়াত আমিরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন ড. ইউনূস

    নিউজ ডেস্ক:

     

    হার্টে একাধিক ব্লক ধরাপড়ার পর বাইপাস সার্জারির জন্য বুধবার থেকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি আছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার তার স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার খোঁজ নিয়েছেন অর্ন্তরবর্তীকাইলক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহামম্দ ইউনূস।

    জামায়াত আমিরের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে অ্যাডমিনের পক্ষ থেকে পোস্ট করা ওই স্ট্যাটাসে বলা হয়, বাইপাস সার্জারির জন্য হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর পেয়ে, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফোন করে জামায়াত আমিরের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার সামগ্রিক খোঁজখবর নিয়েছেন। তিনি জামায়াতের আমিরের আশু রোগমুক্তি কামনা করেছেন। এজন্য প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ প্রধান উপদেষ্টাকে উত্তম জাযা দান করুন।

  • জামায়াত আমিরের হার্টে একাধিক ব্লক! দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

    জামায়াত আমিরের হার্টে একাধিক ব্লক! দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

      নিউজ ডেস্ক:

    বাংলাদশে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের হার্টে একাধিক ব্লক ধরা পড়েছে। জরুরি ভিত্তিতে তার বাইপাস সার্জারীর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসকরা। জামায়াত আমিরের পিএস মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    গত ১৯ জুলাই রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় দুইবার মঞ্চে পড়ে গিয়েছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। পরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ইবনে সিনা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ওইদিন রাতেই বাসায় ফেরেন তিনি।

    নজরুল ইসলাম জানান, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে বুধবার সকাল ১১ টায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন জামায়াত আমির। সেখানে বিকাল চারটার দিকে  এনজিওগ্রাম করা হয়। কার্ডিওলজিস্ট ডা. মমিনুজ্জামানের অধীনে সম্পন্ন হওয়া এনজিওগ্রামে হার্টে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। চিকিৎসকরা বাইপাস সার্জারির পরামর্শ দিয়েছেন। সেই প্রস্তুতি চলছে।

    জানা গেছে, জামায়াত আমিরের হার্টে ব্লক ধরা পড়ার খবরে তার পরিবার ও দলীয় নেতাদের মাঝে উদ্বেগ দেখা দেয়। তাকে বিদেশে চিকিৎসার জন্যও পরামর্শ দেয়া হয় দলের পক্ষ থেকে। তবে জামায়াত আমির দেশেই চিকিৎসার নেয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। দ্রুত সুস্থতায় জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং তার পরিবার দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

    বিডি/বিএ

  • চৌগাছায় জামায়াতের মেয়র ও চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা

    চৌগাছায় জামায়াতের মেয়র ও চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা

    চৌগাছা প্রতিনিধি :

    যশোরের চৌগাছা উপজেলার চৌগাছা পৌরসভা ও দশটি ইউনিয়ন পরিষদের জামায়াত মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে । কেন্দ্র ও জেলা সংগঠনের অনুমোদনের পর বুধবার প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা গোলাম মোরশেদ।

    যাদেরকে প্রার্থী করা হয়েছে তারা হলেন, চৌগাছা পৌরসভার মেয়র পদে সাবেক প্যানেল মেয়র ও উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাষ্টার কামাল আহমেদ। ফুলসারা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী করা হয়েছে ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা শরিফুল ইসলাম কে। পাশাপোল ইউনিয়নে প্রার্থী করা হয়েছে ঐ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল কাদেরকে। সিংহঝুলি ইউনিয়নে প্রার্থী করা হয়েছে উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী সাংবাদিক রহিদুল ইসলাম খান কে। ধুলিয়ানী ইউনিয়নে প্রার্থী করা হয়েছে ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি রোকনুজ্জামানকে। জগদীশপুর ইউনিয়নে প্রার্থী করা হয়েছে ঐ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুর রহমানকে। পাতিবিলা ইউনিয়নে প্রার্থী করা হয়েছে উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা নুরুল ইসলাম কে। হাকিমপুর ইউনিয়নের প্রার্থী করা হয়েছে ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হাফেজ মাওলানা আমিন উদ্দিন খানকে। স্বরুপদাহ ইউনিয়নের প্রার্থী করা হয়েছে উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা গিয়াস উদ্দিনকে। নারায়ণপুর ইউনিয়নের প্রার্থী করা হয়েছে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপজেলা সভাপতি তুহিনুর রহমানকে এবং সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের প্রার্থী করা হয়েছে ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি আব্দুল আলিম কে।

    কেবলমাত্র চৌগাছা ইউনিয়নে প্রার্থী হিসেবে কারো নাম ঘোষণা করা হয়নি।

    প্রার্থী ঘোষণার ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা গোলাম মোরশেদ বলেন, আগামী স্থানীয় নির্বাচনে আমরা সকল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ও মেম্বার পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাই। একটা ইউনিয়ন বাদে বাকি ১০ টা ইউনিয়ন ও চৌগাছা পৌরসভার মেয়র পদে আমরা প্রার্থী ঘোষণা করেছি। পরবর্তীতে চৌগাছা ইউনিয়নসহ সকল ইউনিয়নের মেম্মার প্রার্থীদের নাম আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করা হবে।

    এদিকে প্রার্থীদের নাম ঘোষণার সাথে সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন করে উদ্দীপনা জেগে উঠেছে বলে জামায়াতের একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।

    বিডি/বিএ

  • চৌগাছা প্রেসক্লাবের উন্নয়নে  জামায়াতের অনুদান 

    চৌগাছা প্রেসক্লাবের উন্নয়নে  জামায়াতের অনুদান 

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছা প্রেসক্লাবের সংস্কার ও  উন্নয়নের জন্য নগদ অর্থ  প্রদান করেছে উপজেলা জামায়াত। এ উপলক্ষে ক্লাবের অস্থায়ী অফিসে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

    সভায় প্রেসক্লাব চৌগাছার সভাপতি অধ্যক্ষ আবু জাফরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাও গোলাম মোরশেদ।

    প্রেসক্লাব চৌগাছার সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান এর পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন,  উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাও নুরুজ্জামান,  সহকারী সেক্রেটারি মাষ্টার কামাল আহমেদ, বায়তুল মাল সম্পাদক মাষ্টার ইমদাদুল হক, উপজেলা জামায়াতের শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য সামছুর রহমান, প্রেসক্লাব চৌগাছার সিনিয়র সহ সভাপতি রহিদুল ইসলাম খান প্রমুখ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক এম এ রহিম, আসাদুজ্জামান মুক্ত, বাবুল আক্তার,  শফিকুল ইসলাম,  রায়হান হোসেন,  কালিমুল্লাহ সিদ্দিকী,  শ্যামল কুমার দত্ত, আবু হানিফ, আব্দুল মান্নান, আজম আশরাফুল,  ফয়সাল হোসেন মাও : ফখরুল ইসলামসহ প্রেসক্লাব চৌগাছার সদস্যরা। আলোচনা শেষে জামায়াত নেতৃবৃন্দ প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের হাতে চৌগাছার নেতৃবৃন্দের হাতে নগদ ২০ হাজার টাকা তুলে দেন।