ট্যাগ রাজনৈতিক

  • মনজুর আলমকে টানতে পারল না এনসিপি, দুদিন ধরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

    ডেক্স নিউজ : চট্টগ্রামে সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এম মনজুর আলমকে শেষপর্যন্ত  টানতে পারল না জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তাকে নগর শাখার আহ্বায়ক করা এবং পরবর্তীতে দলের পক্ষ থেকে মেয়র হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

    এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি স্বয়ং চট্টগ্রাম এসে তার বাসভবনে গিয়ে এ প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তার ওপর ভরসা করে এনসিপি চট্টগ্রামে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের যোগদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বৃহস্পতিবার।

    চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি ও দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি উপস্থিত ছিলেন।

    এদিকে সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, অনুষ্ঠানের দুই দিন আগে থেকেই মনজুর আলমের সঙ্গে এনসিপির পক্ষ থেকে নানাভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তাদের বিরক্তির যন্ত্রণায় মনজুর আলম প্রথমে নিজের মোবাইল ফোন বন্ধ করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকেন। একপর্যায়ে উত্তর কাট্টলীর বাসা থেকেই তিনি সরে যান। পরে পুলিশ ও বিভিন্ন সংস্থার লোকজন বাসায় গিয়েও মনজুর আলমকে খুঁজে পাননি এবং তার অবস্থান শনাক্ত করতে পারেননি।

    শেষপর্যন্ত মনজুর আলমকে ছাড়াই এনসিপির যোগদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। কেবল মনজুর আলমই নন; ওই অনুষ্ঠানে বিএনপি-জামায়াত বা অন্য কোনো দলের উল্লেখযোগ্য কোনো নেতাকর্মীকেও যোগ দিতে দেখা যায়নি।

    বেশ কিছু লোককে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করা হলেও এদের কেউই পরিচিত মুখ নন। ফলে চট্টগ্রামে এনসিপির এই যোগদান অনুষ্ঠানটিই এক ধরনের হতাশায় ভরা ও ফ্লপ ছিল বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

    শুক্রবার বিকালেও মনজুর আলমের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে ফোন করেন এই প্রতিবেদক। তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে তার পরিবারের একজন সদস্য জানান, মনজুর আলম এনসিপির বিরক্তির যন্ত্রণায় ফোন বন্ধ রেখেছেন। বাসা থেকেও সরেছিলেন। ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে তো কেউ কাউকে কোনো দলে ভেড়াতে পারেন না।

    আরেকটি পক্ষ মনজুর আলমকে এনসিপিতে ঠেলে দিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চান বলেও দাবি করেন মনজুর পরিবারের ওই সদস্য।

    এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি গত পহেলা বৈশাখে (১৪ এপ্রিল) এম মনজুর আলমের উত্তর কাট্টলীর বাসভবনে এসেছিলেন। তাকে এনসিপির নগর কমিটির আহ্বায়ক হওয়া এবং সিটি করপোরেশনে নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে তাকে মেয়র পদে মনোনয়নের প্রস্তাব দেওয়া হয়; কিন্তু ওই প্রস্তাবে তিনি তখনও রাজি হননি। যদিও দুইপক্ষই হাসনাত আবদুল্লাহর ওই সফরকে ব্যক্তিগত সফর এবং কোনো ধরনের রাজনৈতিক আলাপ-আলোচনা হয়নি বলে দাবি করেন তখন; কিন্তু সেই সফরটি যে রাজনৈতিক এবং মনজুরকে দলে টানা সংক্রান্ত ছিল- সেটি এখন এসে অনেকটাই স্পষ্ট হয়েছে।

    ওই সময় মনজুর আলমের বাসায় এসে বিএনপি নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পড়েন হাসনাত আবদুল্লাহ। ‘আওয়ামী লীগ নেতা’ ও ‘ফ্যাসিস্টের পৃষ্ঠপোষক’ মনজুর আলমের বাসায় এসে হাসনাত আবদুল্লাহ জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি করছেন বলে অভিযোগ তোলেন তারা।

    পরে বিএনপির অপর একটি পক্ষ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে বিমানবন্দরে পৌঁছার ব্যবস্থা করে দেন। স্বয়ং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনও মনজুর আলমের বাসায় হাসনাত আবদুল্লাহর গমন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ‘সংসদে বড় বড় কথা বললেও হাসনাতরা ফ্যাসিস্টদেরই পৃষ্ঠপোষকতা করছেন’ বলে মন্তব্য করেন মেয়র শাহাদাত।

    সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে ‘বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও নাগরিকদের জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপিতে যোগদান অনুষ্ঠান’ এর আয়োজন করে সংগঠনের চট্টগ্রাম মহানগর শাখা। এ অনুষ্ঠানের কয়েক দিন আগে থেকেই মনজুর আলমের সঙ্গে এনসিপির পক্ষ থেকে নানাভাবে যোগাযোগ করা হয়। মনজুর আলম ফোন বন্ধ করে দিলে তার আত্মীয়-স্বজন ও ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

    কেবল এনসিপি নয়; যোগদান অনুষ্ঠানের একদিন আগে পুলিশ এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজনও তাকে হন্যে হয়ে বাসা-বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খুঁজতে থাকেন। মূলত তাকে এনসিপির অনুষ্ঠানে উপস্থিত করানো এবং এনসিপিতে যোগ দেওয়ানোর জন্যই এমন তৎপরতা ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

    মনজুর আলম চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আওয়ামী লীগের এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর শিষ্য ও অনুসারী ছিলেন। তিনি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড থেকে তিনবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। মহিউদ্দিন চৌধুরীর আনুকূল্যে বহুবার প্যানেল মেয়র ছিলেন। ভারপ্রাপ্ত মেয়র ছিলেন ওয়ান ইলেভেনের প্রায় দুই বছর। ওয়ান ইলেভেনে মহিউদ্দিন চৌধুরী গ্রেফতার হওয়ার পর তার পরিবারের সঙ্গে মনজুর আলমের দূরত্ব তৈরি হয়। সেই দূরত্বের সুযোগ নেয় বিএনপি।

    ২০১০ সালে বিএনপির দুঃসময়ে প্রার্থী সংকটের মুহূর্তে মনজুর আলমকে বেছে নেওয়া হয়। বিএনিপর প্রয়াত মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান ও বর্তমান অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী তাকে টেনে নেন এবং বিএনপি থেকে মেয়র পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

    বিএনপির মনোনয়নে মনজুর আলম তার গুরু মহিউদ্দিন চৌধুরীকে বিপুল ভোটে হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। এর পর স্বতন্ত্র থেকে ২০১৮ ও ২০২৪ সালে  দুইবার এমপি নির্বাচন করেন মনজুর আলম। তবে দুটি নির্বাচনেই তিনি হেরে যান।

    ৫ আগস্টের পর এনসিপির ইফতার মাহফিলসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে স্পন্সর করেন মনজুর আলম। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে সীতাকুণ্ডে বিএনপি প্রার্থী লায়ন আসলাম চৌধুরীসহ বিএনপির বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে সরব ছিলেন।  ক্ষমতা বা কোনো পদ-পদবিতে না থাকলেও সবসময় আলোচনায় ছিলেন মনজুর আলম।

    চট্টগ্রামের আদি ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান হিসেবে রাজনৈতিক প্লাটফর্ম না থাকলেও পারিবারিক বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন তিনি। তার মতো একজন আলোচিত ও ধনাঢ্য ব্যক্তিকে দলে টেনে নিয়ে চমক দেখাবে এনসিপি- এমন ইচ্ছা বা আশা ছিল। সেই লক্ষ্যে তাকে অনুষ্ঠানে হাজির করাতে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা করেছে এনসিপি।

    কিন্তু সেই ‘আশায় গুঁড়েবালি’ দিয়ে মনজুর আলম যোগদান অনুষ্ঠানের দুই দিন আগে থেকে নিজেকেই আড়াল করে ফেলেন। তার এই অঘোষিত প্রস্থান আবারও আলোচনার জন্ম দেয়।

    তবে এনসিপি চট্টগ্রাম মহানগর সমন্বয়কারী ও মিডিয়া সেলের প্রধান রিদুয়ান হৃদয় বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মনজুর আলম এনসিপিতে যোগদান করবেন বা করার কথা ছিল- এমন কোনো খবর আমার জানা নেই। তিনি যোগদান না করায় আমরা হতাশও নই।তবে তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এনসিপিতে যোগদান করেছেন। এদের মধ্যে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. ইউনূসের একজন কাজিনও রয়েছেন। ড. মালেকা আফরোজ নামে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকও যোগ দিয়েছেন। এছাড়া লাভ বাংলাদেশ নামে একটি সংগঠনের বেশ কিছু নেতাকর্মী যোগদান করেছেন। আমাদের অনুষ্ঠান সফল হয়েছে।

    A M

  • বিএনপির এমপি হচ্ছেন ‘আওয়ামী লীগ নেত্রী’ সুবর্ণা

    ডেক্স নিউজ : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের এক নেত্রীকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

    আলোচিত সুবর্ণা ঠাকুর গোপালঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক। বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার পর তিনি দাবি করছেন, আওয়ামী লীগের কমিটিতে অনুমতি না নিয়েই তার নাম রাখা হয়েছিল।

    কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পরের বছর ১ জানুয়ারি কমিটির পূর্ণাজ্ঞ তালিকা প্রকাশ করা হয়। গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবুদ্দিন আজম স্বাক্ষরিত ওই তালিকার ২৭ নম্বরে বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আছে সুবর্ণা ঠাকুরের নাম।

    আজ সোমবার সংরক্ষিত নারী আসনের ৩৬ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে বিএনপি।

    এই তালিকার ২০ নম্বরে রয়েছে সুবর্ণা শিকদারের (ঠাকুর) নাম। 

    বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুবর্ণা ঠাকুর বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কমিটিতে আমার স্বইচ্ছায় নাম ছিল না। অনুমতি ছাড়াই কমিটিতে পদ দেওয়া হয়েছিল।

    আওয়ামী লীগের কোনো রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলাম না।’ 

    তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কর্মসূচিতে সুবর্ণা ঠাকুরের উপস্থিতি দেখা গেছে।গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে  বলেন, ‘সুবর্ণা ঠাকুর উপজেলা আওয়ামী লীগের পদে ছিলেন। এখন তিনি অস্বীকার করে থাকলে ঠিক করছেন না। নতুন পদ-পদবি পাওয়ার জন্য তিনি দলের সঙ্গে প্রতারণা করছেন।সুবর্ণা ঠাকুর মতুয়া সম্প্রদায়ের একজন নারী। তিনি ওড়াকান্দি হরিচাঁদ ঠাকুর পরিবারের সদস্য ও পেশায় শিক্ষক।

    M

  • ‘সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, যুদ্ধের চিরস্থায়ী অবসান চায় ইরান’

    ডেক্স নিউজ : ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইদ খাতিবজাদেহ জানিয়েছেন, তেহরান কোনো ধরনের সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব গ্রহণ করবে না। আন্টালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামের এক পার্শ্ববৈঠকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ইরান বর্তমানে সমগ্র অঞ্চলজুড়ে চলমান যুদ্ধের একটি স্থায়ী ও পূর্ণাঙ্গ অবসান চাইছে।

    খাতিবজাদেহ জোর দিয়ে বলেন, যেকোনো সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে লেবানন থেকে শুরু করে লোহিত সাগর পর্যন্ত সমস্ত সংঘাতপূর্ণ এলাকা অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। ইরানের কাছে এটি একটি ‘রেড লাইন’ বা অলঙ্ঘনীয় শর্ত।

    তিনি আরও যোগ করেন, ইরান কোনো খণ্ডিত বা সাময়িক সমাধানে বিশ্বাসী নয় এবং এই সংঘাতের চক্র এখনই চিরতরে বন্ধ হওয়া উচিত।

    হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও অবস্থান প্রসঙ্গে উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এই জলপথটি ঐতিহাসিকভাবেই উন্মুক্ত ছিল। যদিও এটি ইরানের জলসীমার মধ্যে অবস্থিত, তবুও দীর্ঘকাল ধরে এটি আন্তর্জাতিক চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

    এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে অভিযুক্ত করে তিনি বলেন, তাদের কর্মকাণ্ড এই অঞ্চলে অস্থিরতা উসকে দিচ্ছে। খাতিবজাদেহর মতে, এই দুই দেশের নেতিবাচক তৎপরতা বর্তমানে বিশ্ব বাণিজ্য এবং সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

    সূত্র: আলজাজিরা।

  • পাবনা জেলা পরিষদের প্রশাসক যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল ইসলাম

    ডেক্স নিউজ : দেশের ১৪ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে পাবনা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন পাবনা পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মাদ জহুরুল ইসলাম বিশু।

    মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

    রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপসচিব খোন্দকার ফরহাদ আহমদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসকরা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট জেলা পরিষদের পূর্ণকালীন দায়িত্ব পালন করবেন।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নবনিযুক্ত প্রশাসক মোহাম্মাদ জহুরুল ইসলাম বিশু একজন অভিজ্ঞ জনপ্রতিনিধি ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ১৯৮৯ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত পাবনা পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা গেছে, জহুরুল ইসলাম বিশু এরশাদের ক্ষমতা হস্তান্তর পরবর্তী ১৯৯১ নির্বাচনের পর গঠিত বিএনপির আমলে জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি, কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা দলের সদস্য এবং পাবনা কমিটির সভাপতি ছিলেন। জহুরুল ইসলাম বিশু পাবনা পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে পাবনা পৌরসভা প্রথম শ্রেণির পৌরসভার মর্যাদায় উন্নীত হয়।

    এদিকে জহুরুল ইসলাম বিশু জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ পাওয়ায় পাবনার বিভিন্ন মহল অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    পাবনা-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস জহুরুল ইসলাম বিশুকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বিশু ভাইসহ সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জেলা পরিষদ এবং জেলার সার্বিক উন্নয়ন হবে।

    m

  • পূর্বধলায় শহীদ মিনারে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগ

    পূর্বধলায় শহীদ মিনারে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগ

    ডেক্স নিউজ :নেত্রকোনার পূর্বধলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।অন্যান্য রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পাশাপাশি কার্যক্রম নিষিদ্ধ পূর্বধলা উপজেলা আওয়ামী লীগ রাত ১২টা ১ মিনিটে জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় পূর্বধলা উপজেলার তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা অমানুর রশিদ খান জুয়েল সমর্থিত আওয়ামী লীগ (একাংশ) ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা পূর্বধলা জগত পানি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারকে বেছে নেয় এবং পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হওয়ার কারণে আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকর্মীকে প্রকাশ্যে দলীয় ব্যানার নিয়ে আসতে দেখা না গেলেও, রাতের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারের বেদীতে দলটির নামে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে দেখা যায়। এটি নিয়ে উপস্থিত সাধারণ মানুষ এবং অন্যান্য রাজনৈতিক কর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

    এ ঘটনার পর পূর্বধলা সদরের প্রধান সড়কগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে।

    m

  • ছাত্রলীগ করায় ছেলেকে ‘ত্যাজ্য’ করলেন বাবা!

    ছাত্রলীগ করায় ছেলেকে ‘ত্যাজ্য’ করলেন বাবা!

    ডেক্স নিউজ : নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতি করায় অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে ছেলেকে ‘ত্যাজ্য’ ঘোষণা করেছেন মীর মো. আব্দুল মালেক নামে এক ব্যক্তি। তার বাড়ি নেত্রকোনা সদর উপজেলার সাতপাই এলাকায়। ছেলে মীর মো. সাজেদুর রহমান ছোটন কৈশোর থেকে পারিবারিক নীতি বিচ্যুত হয়ে ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। সর্বশেষ তিনি জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

    গত ৬ মার্চ নেত্রকোনা জেলা নোটারি পাবলিকের কার্যালয়ে ছোটনকে ত্যাজ্য করে আব্দুল মালেক একটি অ্যাফিডেভিট করেন; যার নাম্বার ৩১০।

    পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের অধিকাংশ বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। রাজনৈতিক মতবিরোধ এবং বিভিন্ন সময়ে তার দাবি- দাওয়া আদায়ে অসদাচারণের কারণে তার সঙ্গে দীর্ঘকাল ধরে তিক্ততার সম্পর্ক চলমান রয়েছে। এসব কারণে ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা করেছেন বলে অ্যাফিডেভিটে উল্লেখ করেছেন আব্দুল মালেক।

    নেত্রকোনা জেলা জজ আদালতের আইনজীবী মো. আজিজুল হকের মাধ্যমে এ অ্যাফিডেভিট করেন মীর মো. আব্দুল মালেক।

    অ্যাফিডেভিটে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সরকার ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও ছেলে ছোটন তার নিষেধ উপেক্ষা করে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকেছেন। এ ঘটনা জানার পর তিনি তাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। ভবিষ্যতে ছেলে কোনো বেআইনি কাজে জড়িত থাকলে তার দায়-দায়িত্ব তিনি নেবেন না।

    m

  • নিজ এলাকায় ঈদ করবেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

    নিজ এলাকায় ঈদ করবেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

    ডেক্স নিউজ :জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নিজ নির্বাচনি এলাকায় ঈদ উদযাপন করবেন। তিনি কলমাকান্দা উপজেলা সদরের চত্রংপুরে নিজ গ্রামে অবস্থান করছেন।আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরে তার আগমনকে ঘিরে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২১ মার্চ) পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। এ দিন সকালে চত্রংপুর ঈদগাহ ময়দানে সর্বস্তরের মুসল্লিদের সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করবেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। নামাজ শেষে তিনি স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করবেন এবং শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করবেন।

    ঈদের দিনই তার ব্যস্ত কর্মসূচি রয়েছে। দুপুরে দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি এলাকায় জিবিসি উইমেন্স সোসাইটির বার্ষিক মহিলা ক্যাম্পের ‘সুবর্ণ জয়ন্তী’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তিনি। এ সময় হিন্দু-মুসলিম, গারো ও হাজংসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

    পরে বিকালে কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুরা ও খারনৈ ইউনিয়নে গিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

    এদিকে ঈদকে সামনে রেখে বুধবার থেকে তিনি কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের অসহায়, দরিদ্র ও দুস্থ মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে ইফতার মাহফিল, দোয়া অনুষ্ঠান এবং সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে অংশ নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন।

    স্থানীয় লোকজন জানান, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের নিজ এলাকায় ঈদ উদযাপনের সিদ্ধান্তে তারা আনন্দিত। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে তার এমন সরাসরি সম্পৃক্ততা জনগণের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে।

    উল্লেখ্য, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নিয়মিতভাবে তার নির্বাচনি এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক, সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে আসছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বজায় রাখা এবং তাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে

    m

  • জামালপুরের ইসলামপুরে ইউপি সদস্যকে হত্যা

    জামালপুরের ইসলামপুরে ইউপি সদস্যকে হত্যা

    বিডিনিউজ ডেক্স :

    জামালপুরের ইসলামপুরে প্রশাসনের লোক পরিচয় দিয়ে ইউপি সদস্যকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার দিবাগত রাতে ইসলামপুর উপজেলার কুলকান্দি ইউনিয়নের যমুনার দুর্গমচর জিগাতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত আব্দুর রহিম (৫০) ওই এলাকার মৃত তয়বুর খন্দকারের ছেলে ও ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত ইউপি সদস্য (মেম্বার) ছিলেন।

    কুলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনিসুর রহমান জানান, রাত দেড়টার দিকে আমার কাছে ফোন আসে- রহিম মেম্বারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এরপর আমি থানায় যোগাযোগ করি এবং পুলিশ যমুনা নদী পাড়ি দিয়ে ভোর ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

    স্থানীয় ও পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, প্রায় ২০-২৫ জন দুর্বৃত্ত প্রথমে প্রশাসনের লোক পরিচয় দিয়ে রহিম মেম্বারকে ঘরের বাহিরে আসতে বলে। পরে রহিম মেম্বার ঘর থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে দুর্বৃত্তরা। এ সময় পরিবারের বাধা উপেক্ষা করে রহিম মেম্বারকে হত্যা করে বাড়ির উঠানেই ফেলে রেখে যায়।

    তিনি আরও বলেন, জিগাতলা যেহেতু নদীবেষ্টিত এলাকা, সেহেতু দুর্বৃত্তরা ইঞ্জিনচালিত নৌকাযোগে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ও রহিম মেম্বারকে হত্যা করে খুব দ্রুতই ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

    ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ ফ ম আতিকুর রহমান জানান, স্থানীয় বিএনপি নেতার ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং ইউপি সদস্য আব্দুর রহিমের মরদেহ উঠানে পড়ে থাকতে দেখে। পরে সুরতহাল শেষে রোববার সকালে মরদেহ ইসলামপুর থানায় আনা হয় এবং পরবর্তীতে তা ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান আছে।

    m

  • আ.লীগ অফিস থেকে পাবলিক টয়লেট লেখা সাইন বোর্ড উধাও

    আ.লীগ অফিস থেকে পাবলিক টয়লেট লেখা সাইন বোর্ড উধাও

    বিডিনিউজ ডেক্স :

    জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ অফিস থেকে পাবলিক টয়লেট লেখা সাইন বোর্ড উধাও হয়ে গেছে। বকশীগঞ্জ উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের লাগানো পাবলিক টয়লেটের সাইন বোর্ডটি সরিয়ে ফেলেছে। তবে কে বা কারা সাইন বোর্ডটি সরিয়ে ফেলেছে, তা তথ্য কেউ জানাতে পারেনি।

    জানা গেছে, ২১ ফেব্রুয়ারি উপজেলার বগারচর ইউনিয়নে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ অফিসে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়ে। ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন স্থানীয় কতিপয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী।

    জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন ও ভাষা শহীদদের দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বগারচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ কাদির সাজু, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য রেজাউল করিম, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আইয়ুব আলী, তাঁতী লীগের যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল করিম ও বগারচর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নিয়ামত উল্লাহসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী।

    এরপর থেকে বিষয়টি সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়।

    এমন ঘটনা ছড়িয়ে পড়ায় বকশীগঞ্জ উপজেলা গণঅধিকার পরিষদ সভাপতি শাহরিয়ার সুমন আওয়ামী লীগ অফিসকে পাবলিক টয়লেট ঘোষণা করেন। শনিবার বিকালে উপজেলা গণঅধিকার পরিষদ বগারচর আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা। বিক্ষোভকারীরা আওয়ামী লীগের দলীয় ও জাতীয় পতাকা অপসারণ করে আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে আগুন ধরিয়ে দেয়।

    বিক্ষোভকারীরা আওয়ামী লীগের সাইন বোর্ড অপসারণ করে আওয়ামী লীগ অফিসকে পাবলিক টয়লেট ঘোষণা দিয়ে পাবলিক টয়লেটের সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে দেন।

    ২২ ফেব্রুয়ারি রোববার সকালে সরেজমিন দেখা গেছে, বগারচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভাঙাচোরা পরিত্যক্ত অফিসে পাবলিক টয়লেট লেখা সাইন বোর্ডটির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

    এ ব্যাপারে স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গণঅধিকার পরিষদের কর্মীরা বিকালে সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার পরই কতিপয় লোকজন সরিয়ে ফেলেছেন।

    m
  • আচরণবিধি লঙ্ঘনে টাঙ্গাইল-২ আসনের হাতপাখার প্রার্থীকে দণ্ড

    আচরণবিধি লঙ্ঘনে টাঙ্গাইল-২ আসনের হাতপাখার প্রার্থীকে দণ্ড

    বিডিনিউজ ডেক্স : টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের (হাতপাখা) এমপি প্রার্থী হাফেজ মাওলানা মনোয়ার হোসেন সাগরকে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে উপজেলা বাসস্ট্যান্ড চত্বরে হাতপাখা প্রতীকের নির্বাচনি সমাবেশ চলাকালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে এ জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাজিব হোসেন।

    এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাজিব হোসেন বলেন- নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে সরকারি স্থাপনায় হাতপাখা প্রতীকের নির্বাচনি প্রচারণার কার্যালয় স্থাপন করায় তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে কার্যালয়টিতে নির্বাচনি প্রচারণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কোনো প্রার্থী যদি নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    M