ট্যাগ শিক্ষা

  • সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি

    নিউজ ডেস্ক:

    ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বৃত্তি পরীক্ষা’ বৈষম্যমূলক, এমন অভিযোগ সঠিক নয়। কারণ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা, বাংলাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গমনোপযোগী সকল শিশুর জন্যই উন্মুক্ত বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    শনিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র ইনফরমেশন অফিসার আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক সাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়। এতে বলা হয়, সম্প্রতি ‘বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন ঐক্য পরিষদ’ কর্তৃক আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত বক্তব্যের প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বৃত্তি পরীক্ষা’ প্রসঙ্গে উত্থাপিত এই বক্তব্যের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের অবস্থান স্পষ্ট করার জন্যই এ বিবৃতি।

    এতে আরও বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এরই একটি, শুধুমাত্র ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বৃত্তি পরীক্ষা’। বাংলাদেশের শিক্ষা জরিপগুলিতে দেখা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বেশিরভাগ শিক্ষার্থী নিম্নবিত্ত পরিবারের। পক্ষান্তরে, কিন্ডারগার্টেনে অধ্যয়নরত বেশিরভাগ শিক্ষার্থী তুলনামূলকভাবে স্বচ্ছল পরিবারের। ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বৃত্তি পরীক্ষা’ এই নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর সন্তানদের শিক্ষার ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন রাখতে একটি আর্থিক প্রণোদনা হিসেবে কাজ করবে

    মন্ত্রণালয় বলছে, কিন্ডারগার্টেনসমূহ তাদের এসোসিয়েশনের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় শুধুমাত্র কিন্ডারগার্টেনসমূহের শিক্ষার্থীদের জন্য ২য় থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত ‘কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন বৃত্তি পরীক্ষা’ চালু রেখেছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা সে বৃত্তি পরীক্ষাতে অংশগ্রহণ করতে পারে না। এজন্য সেসব শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের পক্ষ থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃত্তি পরীক্ষা চালু করার দাবি উত্থাপিত হয়েছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭(ক) অনুচ্ছেদ এবং বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন, ১৯৯০ অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গমনোপযোগী সকল শিশুর অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এক্ষেত্রে কোন ‘পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশীপ’ নীতি কার্যকর নেই। যারা নিজেদের সন্তানদের বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে পড়ান, তারা স্বেচ্ছায় তা করেন। এসব বিবেচনায় ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বৃত্তি পরীক্ষা’ বৈষম্যমূলক, এমন অভিযোগ সঠিক নয়। কারণ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা, বাংলাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গমনোপযোগী সকল শিশুর জন্যই উন্মুক্ত।

  • কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পরীক্ষায় সুযোগ না পেলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পরীক্ষায় সুযোগ না পেলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    নিউজ ডেস্ক:

    প্রাথমিক পর্যায়ে পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের বাদ দিয়ে শুধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ‘ষড়যন্ত্র ও বৈষম্যমূলক’ আখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন ঐক্য পরিষদ।

    সংগঠনটি অবিলম্বে এই প্রজ্ঞাপন বাতিল করে আগের মতো সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বৃত্তি পরীক্ষা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছে। এই দাবি মানা না হলে সারা দেশে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার  বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান বেসরকারি ও কিন্ডারগার্টেন ঐক্য পরিষদের চেয়ারম্যান ইসকান্দর আলী হাওলাদার।

    লিখিত বক্তব্য সংগঠনের মহাসচিব রেজাউল হক বলেন, দেশে ৫০ হাজারেরও বেশি কিন্ডারগার্টেন প্রায় এক কোটির বেশি শিক্ষার্থীকে পাঠদান করছে। দেশের একটি বড় অংশের শিক্ষার্থীদের বাদ দিয়ে শুধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই যুক্তিসংগত নয়। এটি অন্য শিক্ষার্থীদের হতাশ করা ও তাদের সঙ্গে প্রতারণা ছাড়া আর কিছু নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন লায়ন তাজুল ইসলাম নজরুল, আবুল কালাম আজাদ, শারফুল ইসলাম, ডা. মো. হাসান আলী, তোফায়েল আহাম্মদ তানজীর, মো. হাসানুজ্জামান খসরু, মো. ইশ্রাফিল হোসেন, আব্দুল মতিন এবং খলিলুর রহমান।

  • যুক্তরাষ্ট্রে ভর্তিচ্ছু লাদেশি শিক্ষার্থীদের দ্রুত আবেদনের পরামর্শ

    যুক্তরাষ্ট্রে ভর্তিচ্ছু লাদেশি শিক্ষার্থীদের দ্রুত আবেদনের পরামর্শ

    নিউজ ডেস্ক:

    শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস।

    বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) মার্কিন দূতাবাসের ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট শেয়ার করে এ নির্দেশনার কথা তুলে ধরা হয়।

    এতে বলা হয়েছে, যোগ্যতাসম্পন্ন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা দ্রুত তাদের ‍স্টুডেন্ট ভিসার জন্য অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন করুন। যাতে ভিসা প্রক্রিয়াকরণের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়।

    মূলত, সময়মতো ভিসার জন্য আবেদন করলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে অপ্রত্যাশিত বিলম্ব এড়ানোর জন্য দূতাবাস থেকে এমন বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য প্রতি বছর বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী আবেদন করেন। যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস নিয়মিতভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করতে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করে থাকে।

    শিক্ষার্থীদের যেকোনো তথ্যের জন্য মার্কিন দূতাবাসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবিষয়ক সেবাদানকারী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গেই থাকুন। ভিডিয়োগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিওগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।

    দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেল করতে ক্লিক করুন।