ট্যাগ শিক্ষা

  • সোনাতলায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

    সোনাতলায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

    বিডিনিউজ ডেক্স : “শিক্ষা, চরিত্র ও দেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে আজকের তরুণ প্রজন্ম”এই মূল প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির উদ্যোগে সরকারি নাজির আকতার কলেজ শাখার বুধবার দুপুর ১২টায় কলেজ মিলনায়তনে এক বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠান।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও বগুড়া-১ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন। তিনি বলেন, “আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক। নৈতিক মূল্যবোধ, আদর্শিক চেতনা ও যোগ্যতার সমন্বয় ঘটাতে পারলেই তারা সমাজ ও দেশের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।”।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সোনাতলা উপজেলা শিবিরের সভাপতি লাবিবুল হাসান।
    প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক ডা. রেজওয়ানুল ইসলাম। তিনি বলেন, “সঠিক ক্যারিয়ার বেছে নিতে হলে নিজের আগ্রহ, দক্ষতা ও সামাজিক প্রয়োজনের সমন্বয় ঘটাতে হবে। প্রযুক্তি, চিকিৎসা, কৃষি, উদ্যোক্তা উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে তরুণদের ভূমিকা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করবে।”অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা বায়তুলমাল সম্পাদক হাফেজ মেহেদী হাসান।এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা পূর্ব শিবিরের সভাপতি জোবায়ের আহম্মেদ, শহীদ সৈকতের পিতা নজরুল ইসলাম, কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও সমাজসেবক সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়। শেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

    • অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা বলেন, এই আয়োজন শুধু সংবর্ধনা নয় বরং শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা ও দিকনির্দেশনার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
  • মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের জরুরি নির্দেশনা

    মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের জরুরি নির্দেশনা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    এইচএসসি পরীক্ষার জন্য নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত টেস্ট পরীক্ষা না নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

    বোর্ড থেকে জানানো হয়, নির্বাচনি পরীক্ষার তারিখ পরবর্তী সময় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। আপাতত নিয়মিত ক্লাশ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    রোববার ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    নির্দেশনায় বলা হয়, ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাশ চলমান থাকবে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত নির্বাচনি পরীক্ষা গ্রহণ না করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

    নির্বাচনি পরীক্ষার তারিখ পরবর্তী সময় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি অতীব জরুরি বলে উল্লেখ করেছে বোর্ড।
    বি/এ

  • প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে আবেদন শুরু

    প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে আবেদন শুরু

    শিক্ষা ডেস্ক:
    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। প্রথম ধাপে যাদের ছয় বিভাগ থেকে বেছে নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগের জন্য ১০ হাজার ২১৯টি সহকারী শিক্ষক পদে আবেদন আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

    আজ শনিবার (৮ নভেম্বর) থেকে আগ্রহীরা আবেদন করতে পারবেন, যা চলবে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এজন্য ফরম পূরণের নির্দেশনা পাওয়া যাবে টেলিটকের ওয়েবসাইটে (http://dpe.teletalk.com.bd)। সেখানে থাকা নির্দেশনা অনুসরণ করে প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

    সহকারী শিক্ষকের এসব পদে বেতন হবে ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেলের ত্রয়োদশ গ্রেডে। এসব পদে নিয়োগের জন্য প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা হবে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ (৪ স্কেলে ন্যূনতম ২ দশমিক ২৫ ও ৫ স্কেলে ন্যূনতম ২ দশমিক ৮) স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি।

    তবে শিক্ষা জীবনে কোনো স্তরে তৃতীয় বিভাগ অথবা সমমানের জিপিএ অথবা তৃতীয় শ্রেণি অথবা সমমানের সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য হবে না।

  • ছাত্রী হলের সাংগঠনিক দায়িত্বে ছাত্র নেতা!

    ছাত্রী হলের সাংগঠনিক দায়িত্বে ছাত্র নেতা!

    ডেস্ক নিউজ:

     

    জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবিপ্রবি) ছাত্রী হলের সাংগঠনিক দায়িত্ব পুরুষ সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়ায় ক্যাম্পাসে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় এমন সিদ্ধান্তে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় বইছে।

    বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাকিল আহমেদ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে একটি সাংগঠনিক নোটিশ প্রকাশ করেন। এতে ছাত্র ও ছাত্রী হলের সাংগঠনিক কার্যক্রম তদারকির জন্য কয়েকজন নেতার নাম ঘোষণা করা হয়।

    নোটিশে দেখা যায়, ছাত্র হলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যুগ্ম আহ্বায়ক আমির হামজা, সদস্য মোহাম্মদ আমানউল্লাহ ও রবিউল ইসলাম রিমনকে। তবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে ছাত্রী হলের কমিটি।ছাত্রী হলের দায়িত্বে দেওয়া হয়েছে—যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইকরাম হোসেন, সদস্য সাদ ইবনে ওয়াহিদ এবং যুগ্ম আহ্বায়ক আদিবা হক মিলাকে। এই তালিকায় দুজন পুরুষ সদস্যের নাম থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—‘ছাত্রী হলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ছেলেদের সম্পৃক্ততা কতটা যৌক্তিক?’

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্রী বলেন, ‘আমরা হলে রাজনৈতিক কার্যক্রম চাই না। তাছাড়া ছাত্রী হলের দায়িত্বে ছাত্রদের রাখা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।’

    বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এ ধরনের সাংগঠনিক ঘোষণা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালার পরিপন্থি এবং প্রশাসনের পূর্বঘোষণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. নুর হোসেন চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে স্পষ্টভাবে জানানো হয়— ক্যাম্পাস এলাকায় কোনো ধরনের রাজনৈতিক সভা, সমাবেশ, প্রচার বা সংগঠন পরিচালনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম, লোগো ও প্রতীক রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

    সুত্র: আমার দেশ

    বি/এ

  • ৮ শিক্ষার্থীর ১১ শিক্ষক, তবুও পাশ করেনি কেউ!

    ৮ শিক্ষার্থীর ১১ শিক্ষক, তবুও পাশ করেনি কেউ!

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    তেরখাদা উপজেলার আদর্শ শিক্ষা নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আট শিক্ষার্থী এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তবে তারা কেউ পাস করেনি। আদর্শ শিক্ষা নিকেতন স্কুল এন্ড কলেজটি ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমতি প্রাপ্ত হয়। প্রতিষ্ঠানটি ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ১১ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করে। ওই ১১ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৮ জন শিক্ষার্থী ২০২৫ সালের এইচ এস সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৮ জনই অকৃতকার্য হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ১৩ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন।

    তেরখাদা সদর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে আদর্শ শিক্ষা নিকেতন স্কুল এন্ড কলেজটি। অবকাঠামোর দিক থেকে ভালো থাকলেও শিক্ষার্থী ভর্তির আগ্রহ একেবারে নাজুক।

    আদর্শ শিক্ষা নিকেতন স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক উদ্ধব কুমার মোহান্ত বলেন, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত কলেজে না আসা ও আগ্রহ কম থাকায় ফলাফলের এমন বিপর্যয় হয়েছে।

  • দিঘলিয়ায় কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা

    দিঘলিয়ায় কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা

    বিডি নিউজ ডেস্ক

    খুলনার দিঘলিয়া কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছ। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর ব্যানারে এ আয়োজন করা হয়।

    গতকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ দিঘলিয়া থানার সভাপতি মীর সালমান ফার্সি।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা জেলা শাখার সভাপতি ছাত্রনেতা ফরহাদ মোল্লা, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  খুলনা জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মাদ মহিবুল্লাহ।

    অনুষ্ঠানে  এইস এস সি ও আলিম পরীক্ষায় বিশেষ কৃতিত্বের অবদান রাখার জন্য ২০ শিক্ষার্থীকে সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।

     

     

  • বাঁশের সাঁকো যাতায়াতের ভরসা

    বাঁশের সাঁকো যাতায়াতের ভরসা

    বিডি নিউজ ডেস্ক

    যশোরের কেশবপুরের মনোহরনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি দীর্ঘ মাস ধরে জলাবদ্ধ। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাওয়ার একমাত্র ভরসা এখন বাঁশের সাঁকো।

    কেশবপুর উপজেলার পাঁজিয়া ইউনিয়নের পূর্বাংশের শেষ প্রান্তের অবহেলিত জনপদের নাম বাগডাঙ্গা মনোহরনগর। উপজেলা সদর থেকে যার দূরত্ব প্রায় ৯ কিলোমিটার। দীর্ঘদিন এই গ্রামে উন্নয়নের কোনো ছোঁয়া লাগেনি। গ্রামের শেষ প্রান্তে ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল মনোহরনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি।

    মনোহরনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি পরিদর্শনকালে দেখা গেছে, বিদ্যালয়টির খেলার মাঠ প্লাবিত হয়ে আছে। বিদ্যালয়টির ১৯০ জন শিক্ষার্থীসহ শিক্ষক-কর্মচারীদের বিদ্যালয়ে প্রবেশের জন্য বাঁশের সাঁকো পার হয়ে যেতে হয়।

    বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তন্বী সরকার বলেন, আমাদের বিদ্যালয়টি প্লাবিত হয়ে আছে। যাতায়াতের জন্য আমাদের খুব সমস্যা হয়।

    পাঁজিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মকবুল হোসেন মুকুল জানান, বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন প্লাবিত থাকার শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসতে খুব সমস্যা হয়। তাদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য বিদ্যালয়ে প্রবেশের মুখ হতে বিদ্যালয়ের ভবন পর্যন্ত যাতায়াতের জন্য বাঁশের সাঁকো তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। এই সমস্যা খুব তাড়াতাড়ি সমাধান হয়ে যাবে বলে তিনি জানান।

    মনোহরনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অমিয় চক্রবর্তী বলেন, বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন প্লাবিত থাকায় শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসতে খুব সমস্যা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে তাদের জন্য বাঁশের সাঁকো তৈরি করে দেওয়া হয়েছে।

    বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি গৌতম রায় বলেন, বিদ্যালয়টি বছরের ৬/৭ মাস জলাবদ্ধ থাকে। ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতের জন্য বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য মাঠ ভরাট করার প্রয়োজন।

  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য অপসারণের দাবি

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য অপসারণের দাবি

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    খুলনার পাইকগাছায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে নির্মাণাধীন একটি ভাস্কর্য অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে। পাইকগাছা–কয়রার তৌহিদী জনতার ব্যানারে এই মানববন্ধন করা হয়।

    আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলা সদরে এই মানববন্ধন হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নির্মাণাধীন ভাস্কর্যটি ধর্মপ্রাণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে। তাঁরা আরও বলেন, ৫ আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানের মাধ্যমে এ দেশে ভাস্কর্যের রাজনীতির অবসান ঘটেছে। এখন থেকে আর কোনো ভাস্কর্যের রাজনীতি এই দেশে স্থান পাবে না।

    বক্তারা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি জানিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অপসারণ না হলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার বিকল্প থাকবে না। তখন সব দায়দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে।

    মানববন্ধন কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আবদুল আজিজ। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন হাফেজ মাওলানা আবদুর রব, মুফতি ওয়াইস কুরনী, মাওলানা মনিরুল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা শামসুদ্দিন, মাওলানা রইসুল ইসলাম, মাওলানা সাঈদুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, আসাদুল্লাহ, আতাউল গণি, ইলিয়াস আমিন, ফরহাদ হুসাইন প্রমুখ।

    উল্লেখ্য, পাইকগাছা–কয়রা সড়কের পাশে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণের অংশ হিসেবে একটি ভাস্কর্য নির্মাণ করা হচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে আপত্তি ওঠার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর আলোচনা করে নির্মাণকাজ স্থগিত রাখে। বর্তমানে ভাস্কর্যটি পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।

  • দীর্ঘ আন্দোলনে বিজয় বেসরকারি শিক্ষকরা

    দীর্ঘ আন্দোলনে বিজয় বেসরকারি শিক্ষকরা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বৈশ্বিক মানদণ্ডে বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধায় অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশের শিক্ষক সমাজ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। সরকারি শিক্ষকদের তুলনায় দীর্ঘদিন ধরে তারা বৈষম্যের শিকার। ২০১৫ সালের অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেলের পর সেই বৈষম্য আরও প্রকট হয়ে ওঠে। এরপর শিক্ষকরা চার দফায় আন্দোলনে নামলেও প্রতিবারই রাজনৈতিক রং লাগার কারণে দাবিগুলো পূরণ হয়নি।

    তবে টানা দেড় দশকের লড়াইয়ের পর প্রথমবারের মতো আংশিক সাফল্যের মুখ দেখেছেন তারা। তাদের ভাষ্য, এটি শুধু বেতন-ভাতার সাফল্য নয়, বরং শিক্ষক মর্যাদা পুনরুদ্ধারের প্রাথমিক বিজয়। তাদের পরবর্তী লক্ষ্য জাতীয়করণের আন্দোলন।

    শিক্ষক নেতাদের মতে, আগের সব আন্দোলন ব্যর্থ হওয়ার পেছনে অন্যতম কারণ ছিল সরকারপন্থি শিক্ষকদের বিরোধিতা। কখনো ভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছাপ লাগিয়ে আন্দোলন ভিন্ন খাতে নেওয়া হয়। এবারও একটি রাজনৈতিক দলের শিক্ষক সংগঠন বিরোধিতা করলেও আন্দোলনে রাজনৈতিক রং লাগেনি, ফলে সাফল্য এসেছে।

    তারা জানান, আন্দোলনের শুরু থেকেই জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, ডাকসুর সাবেক ভিপি, ছাত্রশিবিরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল একাত্মতা প্রকাশ করে। শেষদিকে বিএনপির প্রকাশ্য সমর্থনে সরকার চাপের মুখে পড়ে এবং শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া ভাতা দুই ধাপে ১৫ শতাংশে উন্নীত করে।

    শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শিক্ষা জাতীয়করণের জন্য প্রথম বড় আন্দোলন শুরু হয় ২০১৩ সালে। তখন শিক্ষকরা ঢাকায় টানা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। তবে সরকার পতনের আন্দোলন হিসেবে প্রচার করে পুলিশ লাঠিচার্জ করে আন্দোলনটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে টানা ১১ দিন অবস্থান ধর্মঘট চালিয়েও একই পরিণতি হয়।

    ২০২৩ সালের জুলাইয়ে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় এবং দীর্ঘস্থায়ী শিক্ষক আন্দোলন হয়। বাংলাদেশ টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ) ও অন্যান্য সংগঠনের আয়োজনে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে টানা ১৭ দিন চলা এই আন্দোলনের সময় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি নানা মাধ্যমে চাপ প্রয়োগ করেন। একপর্যায়ে শিক্ষক নেতা কাওসার আলীকে একটি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা তুলে নিয়ে যান। পরে শিক্ষক সমাজের চাপে তাকে ফেরত দেওয়া হলেও, পরবর্তী সময়ে তার এমপিও স্থগিত করা হয় এবং তাকে স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

    এ প্রসঙ্গে কাওসার আলী বলেন, ‘আমাদের সেই আন্দোলনেরই ফসল এবার পেয়েছেন শিক্ষকরা। তখন আমাকে যে পরিমাণ হয়রানি করা হয়েছে, তা বলে শেষ করা যাবে না। সরকারের চেয়ে বেশি দোষী ছিলেন সরকারপন্থি শিক্ষকরা। তাদের বিরোধিতার কারণেই আগের বড় বড় আন্দোলন সফল হয়নি।’

    চলমান আন্দোলনে ১১ দিন কর্মসূচি পালনের পর সরকার বাড়ি ভাড়া ভাতা ১৫ শতাংশে উন্নীত করার ঘোষণা দেয়। আন্দোলনের শুরু থেকেই একটি বড় রাজনৈতিক দলের শিক্ষক সংগঠন এর বিরোধিতা করে। তারা আন্দোলনকারীদের আওয়ামী লীগ ও জামায়াতপন্থি হিসেবে আখ্যা দেয়। ১৬ অক্টোবর এক সংবাদ সম্মেলনে সেলিম ভূঁইয়া বলেন, ‘রাজপথে যারা কর্মসূচি পালন করছেন তারা শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় ব্যাঘাত ঘটাচ্ছেন। তাদের নেতা একজন আওয়ামী দোসর, তার প্রমাণ রয়েছে।’ তিনি আরও দাবি করেন, ‘আন্দোলনকারীরা আওয়ামী লীগের কাছ থেকে টাকা নিয়ে মাঠে নেমেছে।’

    বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া বলেন, ‘আমি আন্দোলনের বিরোধিতা করিনি। আমরা বলেছি, ১৫ শতাংশ নয়, আমরা জাতীয়করণের পক্ষে। যারা খুচরা দাবি নিয়ে আন্দোলন করছেন তারা আওয়ামী লীগ-জামায়াতের হয়ে মাঠে নেমেছেন।’ তবে তার এমন বক্তব্যের পর অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজী তাকে দল থেকে অব্যাহতির দাবি জানান।

    আন্দোলনের সার্বিক দিক নিয়ে দেলোয়ার হোসেন আজিজী বলেন, ‘সরকার এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন আমাদের পাশে ছিল, তাই আমরা সফল হয়েছি। বিএনপিপন্থি শিক্ষক সংগঠনগুলোর বিরোধিতা দুঃখজনক। অতীতেও তাদের বিরোধিতার কারণে অনেক আন্দোলন সফলতার দ্বারপ্রান্তে গিয়েও ব্যর্থ হয়েছে।’

    টানা আন্দোলনের মুখে সরকার বাড়ি ভাড়া ভাতা ১৫ শতাংশে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে সুবিধাটি দুই ধাপে কার্যকর হবে। শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার ও আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকের পর অর্থ মন্ত্রণালয় ছয় শর্তে সম্মতিপত্র জারি করে।

    সম্মতিপত্র অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৭.৫ শতাংশ (ন্যূনতম ২ হাজার টাকা) হারে বাড়ি ভাড়া পাবেন। দ্বিতীয় ধাপে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে আরও ৭.৫ শতাংশ বাড়িয়ে মোট ১৫ শতাংশ করা হবে। সরকারের এমন ঘোষণায় শিক্ষকরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং আন্দোলন স্থগিত করে শ্রেণিকক্ষে ফেরার ঘোষণা দেন শিক্ষক নেতা দেলোয়ার হোসেন আজিজী।

    প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘তাদের দাবি যৌক্তিক হলেও দেশের অর্থনীতি এখনই ২০ শতাংশ ভাড়া ভাতা দেওয়ার অবস্থায় নেই। তাই সরকার বাস্তবতার নিরিখে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ তিনি সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাদের ধন্যবাদ জানান এবং আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষকরা নবউদ্যমে শিক্ষাদানে ফিরে যাবেন।

    শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এটি শিক্ষা খাতের জন্য ঐতিহাসিক অর্জন। শিক্ষকরা তাদের ন্যায্য পাওনা পেয়েছেন। আমরা জানি, তারা আরও বেশি পাওয়ার যোগ্য।’ তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টা ও অন্য উপদেষ্টাদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

  • আমরণ অনশনে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন ৬ শিক্ষক

    আমরণ অনশনে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন ৬ শিক্ষক

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়াসহ তিন দাবিতে অনশন করছেন এমপিওভুক্ত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। অনশনে এরইমধ্যে ছয়জন শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

    মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আদনান হাবিবুর রহমান এ তথ্য জানান। এরআগে, সোমবার চারজনের অসুস্থ হওয়ার খবর জানান এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের সভাপতি এবং বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসাইন আজিজী।

    ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া, ১৫০০ টাকা মেডিকেল ভাতা এবং কর্মচারীদের জন্য ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতার প্রজ্ঞাপনের দাবিতে গত কয়েকদিন ধরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান করছেন শিক্ষকরা। টানা কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোববার শিক্ষা ভবন অভিমুখে শিক্ষকরা থালা-বাটি নিয়ে ভুখা মিছিল করেন।

    অন্যদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া ভাতা মূল বেতনের ৫ শতাংশ হারে (সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রোববার অর্থ মন্ত্রণালয় এই সম্মতি দিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে।

    এদিকে, দাবি আদায়ে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় মুখে কালো কাপড় বেঁধে শিক্ষকরা শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন বলে সোমবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে ঘোষণা দেওয়া হয়।