ট্যাগ শিক্ষা

  • কারিমার মেডিকেল জয়

    কারিমার মেডিকেল জয়

    হতদরিদ্র পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থী কারিমা খাতুন। এবার মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় (এমবিবিএস) বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। হতদরিদ্র বাবার একমাত্র মেয়ে কারিমার এমন সাফল্যে খুশির জোয়ারে ভাসছে এলাকাবাসী।

    কারিমা রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামের আব্দুল করিম মন্ডলের মেয়ে। ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় ৭৮ নম্বর নিয়ে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন তিনি। এর আগে ২০২১ সালে দুর্গাপুর উপজেলার বেলঘরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ২০২৩ সালে রাজশাহী শাহ মখদুম কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তিনি। এসএসসি ও এইচএসসি দুই পরীক্ষাতেই জিপিএ- ৫ পান তিনি।

    কারিমার বাবা আব্দুল করিম মন্ডল বলেন, আমার দুটি সন্তান এক মেয়ে ও এক ছেলে। ছেলেটি শারীরিক প্রতিবন্ধী। সে হুইলচেয়ার ছাড়া চলতে পারে না। ছেলেটিও এইচএসসি পাস করেছে। আমি একজন দরিদ্র মানুষ, দিন এনে দিন খাই। পরের জমিতে কামলা দিই। খুব কষ্ট করে আমার সংসার চালাতে হয়। তারপরও আমার দুই সন্তানকে লেখাপড়া করাতে কমতি রাখিনি।

    করিম মন্ডল আরও বলেন, মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানি এবং আমার সন্তানদের শিক্ষকদের কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা। আমার মেয়েটা অনেক কষ্ট করে এ পর্যন্ত এসেছে। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। মেয়ে যেন বড় ডাক্তার হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে।

    কারিমা খাতুন বলেন, বাবা পেশায় দিনমজুর হলেও কখনো লজ্জাবোধ করি না। নিজেকে ছোট ভাবি না। কারণ বাবা সৎভাবে কাজ করে টাকা উপার্জন করে। আমরা দুই ভাই-বোন। আমি ছোট ভাই বড়। ভাই ডিএমডি রোগে আক্রান্ত, হুইলচেয়ার ছাড়া চলতে পারে না। এই রোগের চিকিৎসা এখনো আসেনি। তারপরও ভাই লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছেন।

    কারিমা বলেন, আমি একজন ভালো ডাক্তার হতে চাই। সবার পাশে থাকতে চাই। বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে চাই। প্রতিবন্ধী ভাইয়ের চিকিৎসা করাতে চাই।

    নওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আজাদ রেজাইল করিম বলেন, কারিমা মেডিকেলে চান্স পাওয়ার কারণে আমরা অনেক খুশি। সে অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া করেছে। তার বাবা একজন দিনমজুর। মানুষের কাজ করে তার বাবা সংসার চালান এবং ছেলে মেয়েকে লেখাপড়া করান। আমরা এলাকাবাসী হিসেবে দোয়া করি কারিমা যেন বড় ডাক্তার হতে পারে এবং এলাকাবাসীসহ দেশবাসীর সেবা করতে পারে।

    বি/এ

  • থানচি সীমান্তে বিজিবির উদ্যোগে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা

    থানচি সীমান্তে বিজিবির উদ্যোগে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা

    ডেস্ক নিউজঃ

    বান্দরবানের থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নের দুর্গম বুলুপাড়ায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    আলীকদম ব্যাটালিয়ন (৫৭ বিজিবি) কর্তৃক নির্মিত বিদ্যালয়টি উদ্বোধন করেন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মেহেদী।উদ্বোধন শেষে তিনি বিদ্যালয়ের প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থীর হাতে বই, খাতা, কলম, পেনসিল, রাবারসহ শিক্ষা সহায়ক উপকরণ এবং চকলেট-বিস্কুট তুলে দেন।অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মেহেদী বলেন, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের দুর্গম পার্বত্য সীমান্ত এলাকায় দায়িত্ব পালনকারী আলীকদম ব্যাটালিয়ন সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি নৃ-গোষ্ঠী ও পাহাড়ি-বাঙালি জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। ‘অপারেশন উত্তরণ।’ কর্মসূচির আওতায় এই ব্যাটালিয়ন চিকিৎসাসেবা, খাদ্য ও পোশাক বিতরণ, শীতবস্ত্র প্রদান, অগ্নিকাণ্ড ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ সহায়তাসহ নানা মানবিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে, যা পাহাড়ে শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে ভূমিকা রাখছে।তিনি আরও বলেন, সীমান্তবর্তী প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশুরা যাতে শিক্ষার আলো পায়— সেই লক্ষ্যেই বুলুপাড়ায় বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও আমাদের মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই বিদ্যালয়টি বুলুপাড়া এলাকার তিনটি পাড়ার প্রায় ৫০টি পরিবারের ৭০-৮০ জন শিক্ষাবঞ্চিত শিশুকে শিক্ষার সুযোগ এনে দেবে। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে থাকা এসব শিশুর জন্য বিদ্যালয়টি নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে।বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার এ উদ্যোগকে ‘মহতী ও সময়োপযোগী’ উল্লেখ করে স্থানীয় জনগোষ্ঠী, জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক, কারবারি ও হেডম্যানরা বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাঁদের ভাষ্যে— দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে বিজিবি শুধু একটি নিরাপত্তা বাহিনী নয়, বরং মানবিক সহায়তা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের নির্ভরযোগ্য অংশীদার।উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিজিবির বিভিন্ন পদবির সদস্য, স্থানীয় কারবারি, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

    এম কে

  • রাঙ্গামাটিতে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

    রাঙ্গামাটিতে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

    ডেস্ক নিউজ

    হরতালের কারণে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের পর কোটাবিরোধী ঐক্য জোট তাদের ডাকা ৩৬ ঘণ্টার হরতাল প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দুপুর ২টার পর জোট এই ঘোষণা দেয়।

    সংগঠনের অন্যতম নেতা নুরুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। আমাদের ছয় দফা দাবির বিষয়ে জেলা পরিষদ শনিবারের মধ্যে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত জানাবে বলে আমরা আশা করছি। তাই দুপুর ২টা থেকে হরতাল প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছি।

    জানা গেছে, হরতালকে কেন্দ্র করে পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আগামীকালের (শুক্রবার) নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় জেলা পরিষদ। এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো একই পরীক্ষা স্থগিত হলো। এর আগে ২০২২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ সালের ২১ মে এবং ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল।

    বুধবার দুপুরে কোটাবিরোধী ঐক্যজোট বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ৩৬ ঘণ্টার হরতালের ডাক দিলে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই হরতালের সমর্থনে শহরের বিভিন্ন স্থানে পিকেটিং করে সংগঠনের নেতাকর্মীরা। দুপুর ১টায় পরিস্থিতি পর্যালোচনা শেষে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার নিরাপত্তা বিবেচনায় পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেন।

    কাজল তালুকদার বলেন, পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে আসা-যাওয়া ও সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই আগামীকালের পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    অপরদিকে কোটাবিরোধী ঐক্যজোটের নেতারা অভিযোগ করেন, সরকারি নিয়োগে ৯৩ শতাংশ মেধা ও ৭ শতাংশ কোটা নীতিমালা অনুসরণ করার পরিবর্তে জেলা পরিষদ ৭০ শতাংশ পাহাড়ি ও ৩০ শতাংশ বাঙালি কোটা মেনে নিয়োগ দিতে চাইছে, যা তারা ‘চরম বৈষম্য’ বলে দাবি করেন। পরীক্ষা স্থগিতের পর আলোচনার ভিত্তিতে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানায় সংগঠনটি।
  • ১৭ ডিসেম্বর শাকসু নির্বাচন

    ১৭ ডিসেম্বর শাকসু নির্বাচন

    ডেস্ক নিউজঃ

    শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই ক্যাম্পাসে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা চলছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ভোট গ্রহণের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর নির্ধারিত হলেও শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ বলছে, ওই সময় ক্যাম্পাস কার্যত শিক্ষার্থীশূন্য থাকবে।

    শিক্ষার্থীরা জানায়, ১১ ও ১২ ডিসেম্বর সাপ্তাহিক ছুটি, ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস এবং ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস মিলিয়ে পাঁচ দিনের বিরতির পরপরই শুরু হবে দীর্ঘ শীতকালীন ছুটি। ফলে অধিকাংশ শিক্ষার্থীই বাড়ি চলে যাবে, আর এতে ভোটার উপস্থিতি নেমে আসবে ন্যূনতম পর্যায়ে।

    এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা ১০ ডিসেম্বর ভোট আয়োজনের দাবি জানালেও নির্বাচন কমিশন তারিখ পরিবর্তন না করে ১৭ ডিসেম্বরই বহাল রাখে। এতে অসন্তোষ প্রকাশ করে অনেকে বয়কটের ঘোষণা দেন।

    অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী আবরার বিন সেলিম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, “১৭ ডিসেম্বর শিক্ষার্থীশূন্য ক্যাম্পাসে নির্বাচন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের ডামি নির্বাচন বর্জন করছি।” যৌক্তিক তারিখ ঘোষণা হলে তারা অংশ নিতে রাজি বলেও জানান তিনি।

    গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার কথা বলা হলেও নির্বাচনের তারিখ এমন সময় দেওয়া হয়েছে যখন শিক্ষার্থীরা ছুটিতে থাকবে। আমাদের অনুরোধ সত্ত্বেও প্রথম সপ্তাহের বাইরে তারিখ দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট মহলের চাপে।”

    সি এস ই বিভাগের শিক্ষার্থী মুস্তাকিম বিল্লাহ বলেন, “প্রায় তিন দশক পর এ নির্বাচনের আয়োজন হতে যাচ্ছে। অথচ ১৭ ডিসেম্বর ক্যাম্পাসে ১০–১৫ শতাংশ শিক্ষার্থীও থাকবে না। এ অবস্থায় নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা থাকবে না।” তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায়, এমন সময়ে পুনঃতফসিলের আবেদন করা হয়েছে।

    এদিকে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাঈম সরকার বলেন, মনোনয়ন বিতরণ থেকে শুরু করে যাচাই-বাছাই ও প্রচার, সব মিলিয়ে স্বল্প সময়ে নির্বাচন প্রস্তুতি নেওয়া অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য আরও কঠিন। তাই তার মতে ১০ ডিসেম্বর নির্বাচন করাও অযৌক্তিক।

    এ বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক আবুল মুকিত মোহাম্মদ মোকাদ্দেছ বলেন, “আমরা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চাই। যদি দেখা যায় ১৭ ডিসেম্বর শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম হবে, তবে পুনঃতফসিল বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করেই শেষ সিদ্ধান্ত হবে।”

    আর আই খান

  • ‘শিক্ষককে অস্ত্র ঠেকিয়ে ব্যালটে সিল মারতে বাধ্য করা হয়েছিল’

    ‘শিক্ষককে অস্ত্র ঠেকিয়ে ব্যালটে সিল মারতে বাধ্য করা হয়েছিল’

    ডেস্ক নিউজঃ

    বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ ও গবেষক অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, ‘শিক্ষা শুধু সনদ বা ডিগ্রি নয়, এটি জাতি গঠনের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। শিক্ষিত জনগোষ্ঠীই রাষ্ট্রের উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যায়। তারা গণতন্ত্রকে সুসংহত করে এবং সমাজে মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করে।’

    জাতি গঠনে মানসম্মত শিক্ষার বিকল্প নেই। এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও বর্তমান প্রেক্ষাপট বিষয়ে বিশেষ শিক্ষক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শনিবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে মোরেলগঞ্জ রওশ-আরা স্মৃতি মহিলা ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘যে দেশ যত বেশি শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ করবে, সেই দেশ তত বেশি অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী এবং সচেতন নাগরিক তৈরি করতে সক্ষম হবে। সুশিক্ষিত মানুষই প্রকৃত জাতির সম্পদ। শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক-অভিভাবক ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই।’তিনি আরও বলেন, ‘গত ১৭ বছরে শিক্ষকদের মূল্যায়ন করা হয়নি। শিক্ষককে অস্ত্র ঠেকিয়ে ব্যালটে সিল মারতে বাধ্য করা হয়েছিল। দিনের ভোট রাতে নিয়ে ব্যালট বক্স ভর্তি করতে বাধ্য করা হয়েছিল শিক্ষকদের। সেই দিন আর বাংলাদেশে ফিরে আসবে না।’অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, সৃজনশীল চিন্তা এবং মূল্যবোধ নির্ভর শিক্ষার ওপর জোর দিতে হবে। অফিস ও সমাজে নয়, চরিত্র নির্মাণেই শিক্ষার আসল লক্ষ্য হওয়া উচিত।সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন – কলেজের অধ্যক্ষ মো. জাহাঙ্গীর আলম আজাদ। তিনি বলেন, ‘শিক্ষকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সচেতন উদ্যোগের মাধ্যমেই শিক্ষার গুণগত পরিবর্তন সম্ভব।’সমাবেশে রওশ-আরা স্মৃতি মহিলা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষকবৃন্দ, উপজেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা, স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

    এম কে

  • রাবিতে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু কাল

    রাবিতে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু কাল

    ডেস্ক নিউজ:

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক ও স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন আগামীকাল (২০ নভেম্বর) বেলা ১২টা থেকে শুরু হবে। যা চলবে ৭ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। বুধবার (১৯ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক মো. ছাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, আগামীকাল থেকে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু হবে।

    ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী জানা গেছে, এ বছর ১৬ জানুয়ারি ‘সি’ (বিজ্ঞান) ইউনিট, ১৭ জানুয়ারি ‘এ’ (মানবিক) ইউনিট ও ২৪ জানুয়ারি ‘বি’ (বাণিজ্য) ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১১টা থেকে ১২টা ও বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত দুই শিফটে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর ও বরিশাল অঞ্চলে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।

    আরও জানা যায়, ‘এ’ (মানবিক) ইউনিটে আছে কলা, আইন, সামাজিক বিজ্ঞান ও চারুকলা অনুষদ এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট। ‘বি’ (বাণিজ্য) ইউনিটে আছে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ ও ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট এবং ‘সি’ (বিজ্ঞান) ইউনিটে আছে বিজ্ঞান, কৃষি, প্রকৌশল, জীববিজ্ঞান, ভূ-বিজ্ঞান, ফিশারিজ এবং ভেটেরিনারি এ অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সেস অনুষদ।

    ২০২৪ ও ২০২৫ সালের এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা যোগ্যতা অনুযায়ী তিন ইউনিটেই আবেদন করতে পারবে। ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থী যে ইউনিটেই আবেদন করুক না কেন সে যে শাখা থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে সেই শাখার জন্য নির্ধারিত যোগ্যতা তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এইচএসসি বা সমমান, ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স, বিএফএ (প্রাক), বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের আওতায় এইচএসসি ভোকেশনাল এবং A লেভেল সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবে।

    আবেদনের যোগ্যতা বিষয়ে বলা হয়েছে, ভর্তির জন্য মানবিক ও বাণিজ্য শাখা থেকে উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় পৃথকভাবে চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ সহ মোট জিপিএ ৭.০০ এবং বিজ্ঞান শাখায় ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ সহ মোট জিপিএ ৮.০০ থাকতে হবে। ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং পাস শিক্ষার্থীদের প্রাপ্ত জিপিএ ৫.০০ স্কেলে নির্ধারিত হবে। জিসিই O লেভেল পরীক্ষায় ৫টি বিষয়ে এবং A লেভেল পরীক্ষায় অন্তত ২টি বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। উভয় লেভেলে মোট ৭টি বিষয়ের মধ্যে ৪টি বিষয়ে কমপক্ষে Bও ৩টি বিষয়ে কমপক্ষে C গ্রেড পেতে হবে। ইংরেজি প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিতে ইচ্ছুক প্রার্থীকে চূড়ান্ত আবেদন-কালে অবশ্যই ইংরেজি প্রশ্নপত্রের জন্য অতিরিক্ত ফরম পূরণ করতে হবে। এছাড়া ইউনিট/বিভাগ/ইনস্টিটিউট কর্তৃক আরোপিত শর্তও প্রযোজ্য হবে। প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ-সাপেক্ষে আবেদনকারী সকল শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

    আবেদন ফি নিয়ে বলা হয়েছে, ‘এ’ (মানবিক) ইউনিটের আবেদন ফি ১,৩২০ টাকা, ‘বি’ (বাণিজ্য) ইউনিটের আবেদন ফি ১,১০০ টাকা ও ‘সি’ (বিজ্ঞান) ইউনিটের আবেদন ফি ১,৩২০ টাকা। সকল ফি ১০% সার্ভিস চার্জসহ।

    MCQ পদ্ধতিতে ১০০ নম্বরের এক ঘন্টাব্যাপী ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষায় প্রতি ইউনিটে ৮০টি প্রশ্ন থাকবে। প্রতি চারটি ভুলের জন্য এক নম্বর কাটা যাবে। ভর্তি পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৪০। অনলাইনে প্রদত্ত নির্দেশনা অনুযায়ী কোটায় (মুক্তিযোদ্ধার পুত্র/কন্যা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, শারীরিক প্রতিবন্ধী, খেলোয়াড় ও বিকেএসপি) ভর্তিচ্ছু প্রার্থীদের আবেদন করতে হবে।

    ভর্তিসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ও প্রযোজ্য শর্ত পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট http://admission.ru.ac.bd থেকে জানা যাবে।
    সূত্র: আমার দেশ
    বি/এ

  • যশোর শিক্ষাবোর্ডে পঞ্চাশ কলেজের স্বীকৃতি স্থগিত

    যশোর শিক্ষাবোর্ডে পঞ্চাশ কলেজের স্বীকৃতি স্থগিত

    ডেস্ক নিউজ:

    শর্ত অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করতে না পারায় ৫০ কলেজের একাডেমিক স্বীকৃতি স্থগিত করেছে যশোর শিক্ষা বোর্ড। কলেজের অধ্যক্ষরা অনলাইনে একাডেমিক স্বীকৃতি নবায়ন করার আবেদন করলে এটি স্থগিত করা হয়। বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর এসএস তৌহিদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    যশোর শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা যায়, বোর্ডের আওতাধীন ৫৮৬ কলেজের একাদশ শ্রেণিতে আসন ২ লাখ ২১ হাজার ৯৪। এই আসনে ভর্তি হয় ১ লাখ ২৮ হাজার ১৪৪ শিক্ষার্থী। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে বোর্ডের ভর্তির শর্ত ছিলো প্রত্যেকটি কলেজে সর্বনিম্ন ১০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হতে হবে। কিন্তু ৫০টি কলেজে ২ থেকে সর্বোচ্চ ৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে। যে কারণে তাদের একাডেমিক স্বীকৃতি স্থগিত করা হয়েছে।

    বোর্ডের উপ-কলেজ পরিদর্শক মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি ওই ৫০টি কলেজ কর্তৃপক্ষ একাডেমিক স্বীকৃতি নবায়ন করতে বোর্ডে অনলাইন আবেদন করেন। নবায়ন করার আগে ভর্তির তথ্য যাচাইকালে জানানো হয়, কলেজগুলো আমাদের শর্ত অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারেনি। এ কারণে তাদের একাডেমিক স্বীকৃতি স্থগিত করা হয়েছে। পরর্তীতে তাদের একাডেমিক কার্যক্রম বাতিল হবে কীনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

    এ ব্যাপারে বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর এসএম তৌহিদুজ্জামান জানান, বোর্ডে শর্ত অনুযায়ী যেসব কলেজ শিক্ষার্থী ভর্তি করতে ব্যর্থ হচ্ছে, সেসব কলেজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ৫০টি কলেজ বোর্ডের শর্ত অনুযায়ী কম শিক্ষার্থী ভর্তি করায় একাডেমিক স্বীকৃতি স্থগিত করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির কার্যক্রম শেষ হলে একই পদক্ষেপ নেয়া হবে। যেসব কলেজে শর্ত অনুযায়ী কম শিক্ষার্থী ভর্তি হবে, ওইসব কলেজের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে শিক্ষকদের সম্মানের স্বার্থে কলেজের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না।

    আর খান

  • ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্তদের জন্য সুখবর

    ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্তদের জন্য সুখবর

    ডেস্ক নিউজ:

    ৬ষ্ঠ নিয়োগ সুপারিশে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) থেকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও প্রতিষ্ঠানের ভুল চাহিদা ও কারিগরি জটিলতার কারণে যোগদান করতে পারেননি কিছু সংখ্যক প্রার্থী। এই প্রার্থীদের একটি অংশ দ্রুত অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক পদে প্রতিস্থাপনের দাবি জানিয়েছিলেন। তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবার প্রতিস্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে এনটিআরসিএ। বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির আগেই এদের প্রতিস্থাপন করা হবে।

    সূত্র জানায়, ভুল চাহিদায় ৪০০টির বেশি আবেদন জমা পড়লেও প্রতিস্থাপনের জন্য ৩২০টি আবেদন চূড়ান্ত বাছাই করা হয়েছে। এই প্রার্থীদের বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির আগেই প্রতিস্থাপন করা হবে।

    এর আগে বিষয়ে এনটিআরসিএর একজন কর্মকর্তা বলেন, ভুল চাহিদায় যারা সুপারিশ পেয়েছেন তাদের আবেদন জমা পড়েছে। তাদেরকে কীভাবে প্রতিস্থাপন করা যায় সে বিষয়ে এনটিআরসিএ কাজ করে যাচ্ছে।

    অপরদিকে প্রার্থীরা দাবি জানিয়ে আসছিলেন, তারা ৬ষ্ঠ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও প্রতিষ্ঠানের ভুল চাহিদা, প্যাটার্নজনিত সমস্যা, নন-এমপিও পদে বা বিষয়ভিত্তিক অসামঞ্জস্যের কারণে যোগদান করতে পারেননি। ফলে তারা দীর্ঘদিন ধরে মানসিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে ভুগছেন।

    এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান বরাবর দেয়া এক স্মারকলিপিতে তারা বলেছিলেন হয়, ৬ষ্ঠ নিয়োগ সপারিশ বিজ্ঞপ্তি-সুপারিশকৃত বিষয়ে কোনো শূন্যপদ নেই বা ২০২৬-২০২৭ খ্রিষ্টাব্দে পদশূন্য হবে, আবার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জনবল কাঠামো বা আমাদের সুপারিশপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানে যোগদান করতে পারিনি। আমাদের মধ্যে কেউ এমন প্রতিষ্ঠানে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছে যেখানে প্যাটার্ন জনিত সমস্যার কারণে যোগদান করতে পারিনি, কেউ আবার নন এমপিও পদে, আবার কেউ জেনারেল থেকে টেকনিক্যাল এ সপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি।প্রার্থীদের অন্যান্য দাবিগুলো ছিলো: ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্ত সবাইকে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহের মধ্যে প্রতিস্থাপনের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আমাদের নভেম্বরের মধ্যেই প্রতিস্থাপন নিশ্চিত করার অনুরোধ করছি। নতুন যে প্রতিষ্ঠানে প্রতিস্থাপন করা হবে সেসব প্রতিষ্ঠানের শূন্যপদগুলো যথপোযুক্ত যাচাই বাছাই করে নির্ভুল পদে সুপারিশ করার অনুরোধ করছি। আমাদের নিজ উপজেলায়-জেলায় প্রতিস্থাপন করার অনুরোধ করছি।
    বি/এ

  • আজ শেষ হচ্ছে ঢাবির ভর্তির সময়; নতুন নির্দেশনা

    আজ শেষ হচ্ছে ঢাবির ভর্তির সময়; নতুন নির্দেশনা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষার আবেদনের সময় আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) শেষ হচ্ছে। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণ ফলাফলে জিপিএ পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীদের স্বার্থে তিনদিন সময় বাড়ানোর পর আজ মধ্যরাত পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। আবেদনের পর ফি রশিদ বুঝে নেওয়ার জন্য নতুন নির্দেশনা দিয়েছে ভর্তি কমিটি।

    ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সব শিক্ষার্থীকে আবেদনকৃত ইউনিট-এর আবেদন ফি প্রাপ্তি রশিদ বুঝে পেয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত হতে অনুরোধ করা হচ্ছে। আবেদনের নির্দিষ্ট সময় শেষ হওয়ার পর, আর কোনোভাবেই পেমেন্ট করার সুযোগ থাকবে না।

    এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে এক বিজ্ঞপ্তিতে সময় বৃদ্ধির তথ্য জানানো হয়। ভর্তি পরীক্ষার জন্য অনলাইনে আবেদন গত ২৯ অক্টোবর দুপুর ১২টা থেকে শুরু হয়। রবিবার (১৬ নভেম্বর) রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯ নভেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

    ওয়েবসাইটের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ১৬ নভেম্বর উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশ করা হবে। এ অবস্থায়, ফলাফল পরিবর্তনের ফলে নতুনভাবে আবেদনের যোগ্যতা অর্জনকারী শিক্ষার্থীরা যেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের সুযোগ হতে বঞ্চিত না হয়, সেই প্রেক্ষিতে ভর্তিসংক্রান্ত অন্যান্য সকল তারিখ অপরিবর্তিত রেখে অনলাইনে আবেদনের সময়সীমা তিন দিন বৃদ্ধি করা হয়েছে।

    আগামী ১৯ নভেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত করা হয়েছে ভর্তিচ্ছুরা আবেদন করতে পারবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে পাঁচটি ইউনিটের মাধ্যমে ‘আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রাম’-এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিটগুলো হচ্ছে ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট’, ‘বিজ্ঞান ইউনিট’, ‘ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট’ ‘চারুকলাভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি অনুযায়ী কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৩ ডিসেম্বর, বিজ্ঞান ইউনিটের পরীক্ষা আগামী ২০ ডিসেম্বর, ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৬ ডিসেম্বর, চারুকলা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান ও অঙ্কন) ২৯ নভেম্বর এবং আইবিএ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

    বি/এ

  • গঠিত হচ্ছে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’

    গঠিত হচ্ছে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’

    ডেস্ক নিউজ:

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি বাতিলসহ রাজধানীর সাত সরকারি কলেজকে একীভূত করে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে নতুন একটি স্বতন্ত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, মানসম্মত শিক্ষা, সময়মতো পরীক্ষা গ্রহণ, দ্রুত ফল প্রকাশ ও প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নেওয়া এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।  ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ভর্তি, রেজিস্ট্রেশন ও পাঠদানের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের অপারেশন ম্যানুয়েলও অনুমোদন করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করে আগামী ২৩ নভেম্বর ক্লাস শুরুর তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ ২০২৫-এর খসড়া প্রণয়ন করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে পাঠানো হয়। খসড়া অধ্যাদেশটি গত ২৪ সেপ্টেম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সুধীজনের কাছ থেকে পাঁচ হাজারেরও বেশি মতামত সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাপ্ত প্রতিটি মতামত আইনগত ও বাস্তবতার নিরীখে পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং খসড়াটি পুনর্মূল্যায়ন ও পরিমার্জন কাজ শুরু হয়েছে। মন্ত্রণালয় বিশ্বাস করে, এই বিধিবদ্ধ পদ্ধতি অনুসরণের মাধ্যমে সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য ও সমন্বিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অধ্যাদেশ চূড়ান্তকরণসহ সামগ্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সময় লাগলেও, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম যেন ব্যাহত না হয় সে বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সচেতন। প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পূর্ব পর্যন্ত শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যাবলী পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে একজন অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    শিক্ষামন্ত্রণালয় এই কার্যক্রমকে দেশের উচ্চ শিক্ষার মানোন্নয়নের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচনা করছে এবং সকল অংশীজনের ন্যায্য স্বার্থ রক্ষা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছে। মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত ধারণা বা গুজবের ভিত্তিতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

    খান