শুক্রবার সকালে হাওরপারের বাড়িগুলো তখনো ঘুমিয়ে। হাওরপারের সেই স্থান থেকে পথের দুই পাশে গড়ে উঠেছে অনেকগুলো মাছের খামার। এখন বোরোখেত চাষের সময়। বিভিন্ন স্থানে বোরো ফসলের চারা রোপণ শুরু হয়েছে। অনেক স্থানেই হালিচারার জমিকে মনে হয় সবুজ চাদরের মতো, যেন কেউ বিছিয়ে রেখেছে।
একটি খেতে কয়েকজন কৃষক রোপণের জন্য হালি চারা উত্তোলন করছেন। কোথাও চারা রোপণ করছেন কৃষক। কিছু খেতে এরই মধ্যে চারা রোপণ শেষ হয়ে গেছে। ধূসর কুয়াশায় সেই খেতগুলো ডুবে আছে।
একটি স্থানে মাছ ধরতে কয়েকজন সেচযন্ত্র লাগিয়ে ডোবার পানি শুকিয়ে নিচ্ছেন। পানি শুকানো হলে তাঁরা মাছ ধরবেন, চলছে সেই প্রস্তুতি। কেউ রাতের বেলা, নয়তো ভোরে হাওরের বিভিন্ন খাল-বিলে মাছ ধরে একা একা বাড়ি ফিরছেন।
কেউ সেঁউতি (পানি সেচার বাঁশ-বেতের যন্ত্র), কাকরাইন (বাঁশ-বেতের তৈরি মাছ রাখার পাত্র) কাঁধে ঝুলিয়ে হাওরের দিকে ছুটছেন। তাঁরা ‘খাইনজা (ছোট ছোট ডোবা)’ সেচ দিয়ে মাছ ধরবেন। নিজেদের খাওয়ার জন্য মাছ রেখে বাকিগুলো বিক্রি করতে পারেন।