নিউজ ডেস্ক:
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে ভোটদানের হারে সমস্ত নজিরকে ছাপিয়ে গিয়েছে এ বারের ভোট। বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটে ১৪২টি আসনে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ৮৯.৯৯ শতাংশ। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজ্যে প্রথম দফায় পড়েছিল ৮৯.৯৩ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমানে। সবচেয়ে কম পড়েছে কলকাতা দক্ষিণে। ভোটগ্রহণ শেষ হতে এখনও এক ঘণ্টা বাকি। সন্ধ্যা ৬টায় শেষ হবে ভোটগ্রহণ। ফলে এই হার নিঃসন্দেহে আরও বাড়বে।
বুধবার সকাল থেকে মানুষ বৃষ্টি মাথা নিয়ে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে উৎসাহের সঙ্গে ভোট দিয়েছেন। নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল সমানে সমানে। বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র থেকে ইভিএমে ত্রুটি থাকায় ভোট দেরিতে শুরু হয়। প্রথম দফার মতো দ্বিতীয় দফাতেও মোটের উপর নির্বিঘ্নেই ভোট হচ্ছে। বিকেল ৫টে পর্যন্ত ১৪২টি আসনের কোথাও কোনও বড় রকমের অশান্তির খবর মেলেনি। বিক্ষিপ্ত যে সব অশান্তি, গোলমাল হয়েছে তা কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশের চেষ্টায় কিছু ক্ষণের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিকও হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের দিনটিকে গণতন্ত্রের উৎসবের এক গুরুত্বপূর্ণ দিন বলে ব্যাখ্যা করেন । বুধবারের ভোটপর্ব নিয়ে মোদী বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিপুল ভোটদানের খবর আসছে। প্রথম দফার মতোই বহু সংখ্যক জনতা ভোটদানের জন্য বাড়ি থেকে বেরোচ্ছেন। লম্বা লম্বা লাইনের ছবি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। গত ছয়-সাত দশকে যা হয়নি, যা কল্পনাও করা যেত না— এ বার সেটাই হচ্ছে। ভয়মুক্ত বাতাবরণে পশ্চিমবঙ্গে ভোট হচ্ছে। সাধারণ মানুষ ভয়মুক্ত হয়ে ভোট দিচ্ছেন।
তবে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় সকাল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অথ্যাচার নিয়ে সরব হয়েছেন। এদিন দুপুরে ভোট দিয়ে বেরিয়ে এসে মমতা বলেন, অবাধ ভোটের নামে দিনভর অত্যাচার চলেছে। তার অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তৃণমূলের এজেন্টদের বার করে দেওয়া হয়েছে। মারধর করা হয়েছে মহিলা এবং শিশুদের। নির্বাচন কমিশনের নাম না-করে মমতা বলেন, এটা কি অবাধ শন্তিপূর্ণ নির্বাচন ? তার কথায়, জীবনে এমন দেখিনি। তা সত্ত্বেও বলছি তৃণমূলই জিতবে। দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জিতব

মন্তব্য করুন