লেখক: Daily BD Times

  • চৌগাছায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

    চৌগাছায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

    চৌগাছা প্রতিনিধি:
    যশোরের চৌগাছায় বজ্রপাতে আবু তাহের (৪২) নামে একজন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার আন্দুলিয়া গ্রামের মাঠের একটি ধানক্ষেত থেকে তার ঝলসানো মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    নিহত আবু তাহের আন্দুলিয়া গ্রামের  আবুল খায়েরের ছেলে। তিনি পেশায় কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    নিহতের চাচা ও মাদ্রাসা শিক্ষক বিল্লাল হুসাইন জানান, দুপুরে ঝড়-বৃষ্টির পর তাহের ধানক্ষেত দেখতে বাড়ি থেকে বের হন। কিছুক্ষণ পর আবারও বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হলে তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। পরে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করে। একপর্যায়ে সন্ধ্যায় ধানক্ষেতের আইল থেকে তার ঝলসানো মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    সুখপুকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হবিবুর রহমান হবি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

  • মাসদার হোসেনের আইনজীবী সনদ স্থগিত

    মাসদার হোসেনের আইনজীবী সনদ স্থগিত

    বিডি নিউজ:

    সাবেক জেলা জজ ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাসদার হোসেনের আইন পেশার সনদ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। সেই সঙ্গে তার সনদ কেন স্থায়ীভাবে বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। বার কাউন্সিলের এক জরুরি সভায় ‘সর্বসম্মতিক্রমে’ এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

    মাসদার হোসেন মামলার জন্য খ্যাত এই সাবেক বিচারকের বিরুদ্ধে এক মক্কেলের সোয়া কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ নিয়ে সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। বার কাউন্সিলের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১২ এপ্রিল একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের মাধ্যমে আইনজীবী মাসদার হোসেন কর্তৃক মক্কেলের সোয়া কোটি টাকা আত্মসাতের বিষয়টি বার কাউন্সিলের নজরে আসে। প্রকাশিত ওই সংবাদে উল্লেখ করা হয়, আইনজীবী মাসদার হোসেন টাকা আত্মসাতের এই বিষয়টি ইতোমধ্যে স্বীকারও করে নিয়েছেন। ‘পেশাগত অসদাচরণ ও নৈতিক স্খলনের’ এই অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা এবং পেশাগত নৈতিকতার প্রশ্নটি’ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে বার কাউন্সিল জরুরি সভায় বসে। সভায় অভিযোগের প্রাথমিক উপাদান ও প্রামাণিক ভিত্তি বিদ্যমান থাকায় সর্বসম্মতিক্রমে মাসদার হোসেনের সনদ সাময়িকভাবে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিষয়টি চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মাসদার হোসেনের আইনজীবী সনদ সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।

    তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মাসদার হোসেন এক লিখিত বক্তব্যে বলেছেন, আমার দৃঢ় বিশ্বাস, একটি মহল বিশেষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর ও অতিরঞ্জিত সংবাদ প্রকাশ করেছে।

    অবসরপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ মাসদার হোসেন ১৯৯৫ সালে বিসিএস বিচার অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ছিলেন। তিনি এবং তার সহকর্মী বিচারকরা নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে আলাদা করার বিষয়ে মামলাটি দায়ের করেছিলেন, যা ‘মাসদার হোসেন মামলা’ নামে পরিচিতি পায়। বিচার বিভাগের চাকরি থেকে অবসরের পর আইন পেশায় ফেরেন মাসদার হোসেন। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গঠিত বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

  • ৬ কোটি রুপি: ইরানের জন্য কাশ্মীরিরা কেন স্বর্ণ, জমানো অর্থ দান করছে

    ৬ কোটি রুপি: ইরানের জন্য কাশ্মীরিরা কেন স্বর্ণ, জমানো অর্থ দান করছে

    আর্ন্তজাদিক ডেস্ক:

    নিজের জন্মদিনে বাবার কাছে থেকে স্বর্ণের দুল উপহার পেয়েছিলেন ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের বাসিন্দা মাসরাত মুখতার (৫৫)। গত মাসে ঈদুল ফিতরের দিনে তিনি সেটি ত্রাণ তহবিলে দান করেছেন। উদ্দেশ্য- যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে বিপর্যস্ত ইরানের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো।

    মাসরাতের মতো কাশ্মীরের অনেক বাসিন্দাই তাদের নগদ অর্থ, গৃহস্থালি সামগ্রী এবং ব্যক্তিগত সম্পদ দান করেছেন হাজার মাইল দূরের একটি দেশে বসবাসকারীদের জন্য। অনেক পরিবার তাদের তামার বাসনপত্র, গবাদি পশু, বাইসাইকেল এবং সঞ্চিত অর্থের বড় একটি অংশ দান করেছে। এমনকি শিশুরাও তাদের মাটির ব্যাংক ভেঙে জমানো অর্থ দান করছে। দোকানদার ও ব্যবসায়ীরাও পিছিয়ে নেই। তারা দান করেছেন উপার্জনের একটি অংশ।

    কাশ্মীরের বুদগাম এলাকার বাসিন্দা মাসরাত মুখতার বলেন, ‘আমরা যা সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি, তাই দান করি। এটি আমাদেরকে তাদের (ইরানিদের) কাছাকাছি নিয়ে যায়।’ ঐতিহাসিকভাবে কাশ্মীরের ‘লিটল ইরান’ পরিচিতির কথা উল্লেখ করে মাসরাত বলেন, ‘এই পরিচিতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে যা করার তাই করা হচ্ছে। এই বন্ধন সময় আর সংঘাতের ঊর্ধ্বে।’

    ছয় শতাব্দীরও বেশি পুরনো এই ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন বর্তমান যুদ্ধের সময় আরও বেশি প্রকাশ্যে এসেছে। একদিকে এটি ইরানি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, অন্যদিকে অর্থ সংগ্রহের কিছু পদ্ধতি নিয়ে ভারতীয় কর্মকর্তাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

    কয়েক কোটির অনুদান
    কাশ্মীরে ওঠা এই অনুদানের পরিমাণ রীতিমতো বিস্ময়কর। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, নগদ অর্থ, স্বর্ণ, গয়না, গৃহস্থালি সামগ্রী, গবাদি পশু এবং যানবাহন মিলিয়ে সাহায্যের পরিমাণ প্রায় ৬০০ কোটি রুপি বা ৬৪ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

    শ্রীনগর, বুদগাম, বারামুল্লা এবং কাশ্মীরের উত্তরের জেলাগুলোতে তহবিল সংগ্রহের কেন্দ্রগুলোতে স্বেচ্ছাসেবীরা দিনরাত কাজ করছেন। অনুদানের বড় একটি অংশ জুড়ে আছে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অবদান। যেমন- খুচরা পয়সা, শিশুদের মাটির ব্যাংক এবং সাধারণ থালাবাসন। শ্রীনগরের একটি সংগ্রহ কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা স্বেচ্ছাসেবী সৈয়দ আসিফি জানান, অতি সাধারণ আয়ের মানুষও সাধ্যমতো যা পেরেছেন তাই দান করেছেন।

    নয়াদিল্লিতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এক্সে এক বার্তায় কাশ্মীরিদের অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। লিখেছে, ‘এই মহানুভবতা চিরকাল মনে রাখা হবে।’

    তবে অনুদানের ব্যাপকতা নিয়ে ভিন্ন এক আশঙ্কায় আছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ এবং স্টেট ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এসআইএ) জানিয়েছে, কিছু লোক বাড়ি বাড়ি গিয়ে যেসব অর্থ সংগ্রহ করছে তার একটি অংশ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হাতে যেতে পারে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মতে, সংগৃহীত তহবিল যথাযথ স্থানে পৌঁছাতে না পারলে তা অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে।

  • যুদ্ধের খেসারতে খাদের কিনারে ইসরাইলের অর্থনীতি

    যুদ্ধের খেসারতে খাদের কিনারে ইসরাইলের অর্থনীতি

    আর্ন্তজাদিক ডেস্ক:

    ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর গত তিন বছরের যুদ্ধংদেহী নীতির কারণে ইসরাইল এখন এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়েছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত চলমান এই যুদ্ধের আর্থিক ক্ষতি প্রায় ৩৫০ বিলিয়ন শেকেল বা ১১ হাজার ২০০ কোটি ডলারে পৌঁছাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    ইরানের সাথে সাম্প্রতিক ৪০ দিনের লড়াইয়ে ইসরাইলের অর্থনীতিতে যে ক্ষত তৈরি করেছে, তার প্রভাব এখন স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী তাদের সামরিক বাজেট বাড়িয়ে ৪৬ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি করার প্রস্তাব দিয়েছে। এই বাজেট মূলত ইরানের সাথে সম্ভাব্য পরবর্তী সংঘাতের প্রস্তুতি এবং বিগত যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি সামাল দিতে ব্যয় করা হবে।

     ইরানের সংবাদ মাধ্যম তাসনিম নিউজ অ্যাজেন্সির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরানের বিনা উসকানিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্মিলিত এই আগ্রাসীযুদ্ধ অভিযানে শুধু সামরিক খাতই নয়, বরং দেশটির বেসামরিক অর্থনীতিও পঙ্গু হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

    ইসরাইলের কর প্রশাসনের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ২৬ হাজারেরও বেশি ক্ষয়ক্ষতির দাবিনামা জমা পড়েছে। এসব দাবিনামার আর্থিক মূল্য প্রায় ৫০ কোটি ডলার।

    ইহুদিবাদী ইসরাইলের অর্থনৈতিক ওয়েবসাইট ‘ক্যালক্লিস্ট’ বলছে, সব বেসামরিক খরচ মেলালে এই অঙ্ক ২৫০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে। যা তেল আবিবের বর্তমান বাজেটের ওপর এক প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করছে।

    ইসরাইলি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ খোদ প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে লেখা এক চিঠিতে সতর্ক করেছেন, ইরানের সাথে যুদ্ধের সময় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ থাকায় প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৩২০ কোটি ডলারের ক্ষতি হয়েছে। তেল আবিবের অর্থনীতিকে অসহনীয় দশার দিকে ঠেলে দিয়েছে।

    বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসরাইলের ঋণের বোঝা জিডিপির ৭২ শতাংশে গিয়ে ঠেকতে পারে, ধারণা করছে সংবাদ ইহুদিবাদী মাধ্যম ‘মাআরিভ’।

    তেল আবিকের অর্থ মন্ত্রণালয়ের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে জিডিপি ২.৫ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে।

    ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম ‘ওয়াইনেট’ তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, ইরান ও হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক অভিযানের সামরিক ও বেসামরিক খরচ অন্তত ২ হাজার ১০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এর বাইরেও ইরানের নজিরবিহীন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে যুদ্ধের প্রথম দুই সপ্তাহে ইসরাইলের দৈনিক খরচ হয়েছিল প্রায় ৬০ কোটি ডলার।

    এমন এক সঙ্কটময় মুহূর্তেও সামরিক বাহিনী অতিরিক্ত ৪৮০ কোটি ডলারের বাজেট বরাদ্দের দাবি তুলেছে। এই বিশাল ঘাটতি মেটাতে ইসরাইলি মন্ত্রিসভাকে হয় সাধারণ জনগণের ওপর করের বোঝা চাপাতে হবে, নয়তো মেট্রোরেল ও নতুন প্রশাসনিক ভবন নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পগুলো স্থগিত করতে হবে।

    ইসরাইলের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইতোমধ্যে আভাস দিয়েছে, ২০২৭ সাল নাগাদ করের পরিমাণ ব্যাপকভাবে না বাড়ালে এই বিপুল ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব হবে না। ফলে নেতানিয়াহুর যুদ্ধের খেসারত হিসেবে আগামী বছরগুলোতে ইসরাইলিদের উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি ও সেবা খাতের বাজেট কমানোর মতো ভয়াবহ ভোগান্তির মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
  • চৌগাছায় পরিত্যক্ত মর্টারশেল উদ্ধার

    বিডি ডেস্ক নিউজ

    • উদ্ধার হওয়া মর্টারশেলটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় শত্রুদের ব্যবহার করা একটি শক্তিশালী মর্টারশেল। তবে বহুকাল মাটির মধ্যে থাকায় সেটি জং ধরে নষ্ট হয়ে গেছে।’

      যশোরের চৌগাছায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়কার একটি পরিত্যক্ত মর্টারশেল উদ্ধার করেছে চৌগাছা থানা পুলিশ।

      ধবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে পৌর শহরের কপোতাক্ষ ব্রিজঘাট এলাকা থেকে থেকে পরিত্যক্ত মর্টারশেলটি উদ্ধার করা হয়
    • পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রচণ্ড গরমে কয়েকজন ব্রিজের নিচে গাছের ছায়ায় বসেছিলেন। এ সময় লোহার একটি বস্তু তাদের চোখে পড়ে। পরে তারা সেটি মাটির ভেতর থেকে বের করেন। বস্তুটি মর্টারশেল বুঝতে পেরে তারা থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মর্টারশেলটি উদ্ধার করে এবং নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়।

      স্থানীয় ব্যবসায়ী কান্ত সরকার বলেন, ‘আমি ব্রিজঘাট এলাকায় পারবাজারে মাটির হাঁড়ি-পাতিল বিক্রি করি। দুপুরের দিকে আমরা কয়েকজন বসে কথা বলছিলাম। হঠাৎ লোহার এই জিনিসটি আমাদের চোখে পড়ে। আমরা সেটি মাটির ভেতর থেকে বের করি। পুলিশ খবর পেয়ে সেটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।’

    • উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার রুহুল আমিন বলেন, ‘উদ্ধার হওয়া মর্টারশেলটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় শত্রুদের ব্যবহার করা একটি শক্তিশালী মর্টারশেল। তবে বহুকাল মাটির মধ্যে থাকায় সেটি জং ধরে নষ্ট হয়ে গেছে।’

      চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল আমিন শিকদার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ সেটি উদ্ধার করেছে। এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় শত্রুদের ব্যবহার করা একটি শক্তিশালী মর্টারশেল বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মাটির ভেতরে থাকায় সেটি নষ্ট হয়ে গেছে।

    • এ/ আর

  • ৫ দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ চেয়ে জাতিসংঘে চিঠি ইরানের

    ৫ দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ চেয়ে জাতিসংঘে চিঠি ইরানের

    আর্ন্তজাদিক ডেস্ক:

     

    ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের চালানো হামলায় সহায়তা করার অভিযোগ তুলে মধ্যপ্রাচ্যের পাঁচটি দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে ইরান। এই দেশগুলোর বিরুদ্ধে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া এবং বেআইনি আগ্রাসনে অংশ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

    দেশগুলো হলো- সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার এবং জর্ডান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি এই বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়েছেন। সোমবার স্থানীয় সময়ে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির কাছে এই পত্র পাঠানো হয়।

    চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রমাণ রয়েছে যে উল্লিখিত দেশগুলোর ভূখণ্ড ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছে। এসব তথ্য আগেই জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে জমা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

    আমির সাঈদ ইরাভানি তার চিঠিতে বলেন, ইরান পূর্ববর্তী প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে আগ্রাসীরা (যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল) ওই দেশগুলোর ভূখণ্ড ব্যবহার করেছে এবং কিছু বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে অবৈধ হামলায় সরাসরি অংশগ্রহণ করেছে।

    চিঠিতে আরও অভিযোগ করা হয়, এই পাঁচটি দেশ তাদের আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা লঙ্ঘন করেছে। তাই ইরানের ওপর সংঘটিত সব ধরনের বস্তুগত ও নৈতিক ক্ষতির জন্য তাদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

    চিঠিতে জানানো হয়, ওই পাঁচটি দেশ আগ্রাসনকারীদের সামরিক সুবিধা দিয়ে অবৈধ কার্যকলাপে যুক্ত হয়েছে। ১৯৭৪ সালের ১৪ ডিসেম্বরের সাধারণ পরিষদের ৩৩১৪ নম্বর প্রস্তাব অনুযায়ী এই ধরনের পদক্ষেপ সম্পূর্ণ বেআইনি। পাশাপাশি তারা ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি সশস্ত্র হামলায় ইন্ধন যুগিয়েছে বলে দাবি করা হয়।

    এই ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশগুলো আন্তর্জাতিক নিয়ম ও বাধ্যবাধকতা চরমভাবে লঙ্ঘন করেছে বলে জানান ইরানের এই কর্মকর্তা। এর ফলে ইরানের যে ব্যাপক বস্তুগত ও নৈতিক ক্ষতি সাধিত হয়েছে, তার সম্পূর্ণ দায়ভার তাদের নিতে হবে।

    একইসঙ্গে এই ধরনের অন্যায় তৎপরতা অবিলম্বে বন্ধ করার জোরালো আহ্বানও জানানো হয়েছে ওই চিঠিতে।

  • আবারও বৈঠকে বসবে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

    আবারও বৈঠকে বসবে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

    আর্ন্তজাদিক ডেস্ক:

     

    পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর নতুন আশা দেখা যাচ্ছে। আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছে দুই দেশের প্রতিনিধিরা। আর সেটি বৃহস্পতিবারের মধ্যেই হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

    মার্কিন কর্মকর্তা এবং মধ্যস্থতাকারী একটি দেশের এক কূটনীতিকের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এপি এ তথ্য জানিয়েছে। তবে বৈঠকের স্থান এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

    কর্মকর্তারা বলছেন, দুই পক্ষই আলোচনা আবার শুরু করার ব্যাপারে নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। ইসলামাবাদ বৈঠকের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। পাকিস্তান এক্ষেত্রে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে বার্তার আদান-প্রদান করছে।

    সূত্র বলছে, সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বিকল্প স্থান নির্ধারণের কথা ভাবা হচ্ছে। নয়তো পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদেই ফের বৈঠক হতে পারে।

    এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স বলেছেন, ইরানের সঙ্গে পরবর্তী সংলাপ হবে কি না, তা এখন পুরোপুরি তেহরানের ওপর নির্ভর করছে। তিনি বলেন, ‘বল এখন ইরানের কোর্টে।’

    ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছ থেকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার বিষয়ে চূড়ান্ত প্রতিশ্রুতি চায়।

    তিনি বলেন, ইরান যদি এ বিষয়ে সম্মত হয়, তাহলে দুই দেশের জন্যই একটি ভালো চুক্তি সম্ভব।

  • ইসরাইলের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি

    ইসরাইলের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি

    আর্ন্তজাদিক ডেস্ক:

    ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের মধ্যেই একটি ব্রেকিং নিউজ জানাচ্ছে ইতালির সংবাদ মাধ্যমগুলো।

    সেখানে বলা হয়েছে, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ইসরাইলের সাথে দেশটির প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছেন।

    মঙ্গলবার ভেরোনায় সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি আরো বলেন, হরমুজ প্রণালী আবার চালু করতে সব ধরনের চেষ্টা চালানো উচিত।

    ইসরাইলের সাথে ইতালির চুক্তিটি ২০০৩ সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং ইতালির রাজনৈতিক সরকারগুলো প্রতি পাঁচ বছর পরপর এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়ন করে আসছিল

  • চৌগাছায় নির্ধারিত মূল্যের চেয়েও ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি

    1. বিডি ডেস্ক নিউজ

    যশোরের চৌগাছায় ব্যবসায়ীরা ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার নির্ধারিত মূল্যের চেয়েও ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি করছেন। ভোক্তা ও সাধারণ পর্যায়ে যার মূল্য দাঁড়ায় দুই হাজার ১০০ থেকে দুই হাজার ২০০ টাকা।

    যশোরের চৌগাছায় ব্যবসায়ীরা ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার নির্ধারিত মূল্যের চেয়েও ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি করছেন। ভোক্তা ও সাধারণ পর্যায়ে যার মূল্য দাঁড়ায় দুই হাজার ১০০ থেকে দুই হাজার ২০০ টাকা।

    এক হাজার ৩৪১ টাকার সিলিন্ডার বেড়ে এক হাজার ৭২৮ টাকা হয়েছে এবং বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ২০০ টাকায়। উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ছোট-বড় ৩০টি হাট-বাজারে নির্ধারিত নতুন দামের চেয়েও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।

    ক্রেতাদের অভিযোগ, এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বেশি দামে বিক্রি করছেন স্থানীয় খুচরা ব্যবসায়ীরা।

    রোববার (১২ এপ্রিল) উপজেলার সলুয়া, সিংহঝুলী, পাশাপোল, ধুলিয়ানী, চৌগাছা, পাতিবিলিা, হাকিমপুর, নারায়নপুর, পুড়াপাড়া, মাশিলা ও চাদপাড়া বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে জানা গেছে, অতি সম্প্রতি ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়ায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় এক হাজার ৭২৮ টাকা। গত মাসে এর দাম ছিল এক হাজার ৩৪১ টাকা। তার মানে ১২ কেজিতে দাম বেড়েছিল ৩৮৭ টাকা। অর্থাৎ নির্ধারিত দাম অনুযায়ী ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৭২৮ টাকায় বিক্রির কথা ছিল।

    Oil & Gas

    তবে ভোক্তা ও খুচরা বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সিলিন্ডারের কৃত্রিম সঙ্কটের অজুহাতে বেশি দাম রাখা হচ্ছে। এতে প্রতিটি সিলিন্ডারের দাম সর্বোচ্চ ৮১৩ টাকা পর্যন্ত বেশি রাখা হচ্ছে।

    রোববার বিকেলে উপজেলার চৌগাছা বাজারে খুচরা এক বিক্রেতা বলেন, ‘ডিলারদের কাছ থেকে বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। আমি প্রতি সিলিন্ডারে ৫০ টাকা লাভ রেখে বিক্রি করছি।’

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরো এক খুচরা ব্যবসায়ী বলেন, ‘আগে ডিলাররা ১০ থেকে ১২টি করে সিলিন্ডার দিতেন। এখন তিন থেকে চারটি সিলিন্ডার দেন। দাম সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি নেন। আমরা খুচরা ব্যবসায়ী অল্প লাভে ব্যবসা করি।’

    বাংলাদেশ ভ্রমণ গাইড

    চৌগাছা বাজারের আম্রকানন পাড়ার বাসিন্দা সাংবাদিক এম এ মান্নান বলেন, ‘ক্রেতাদের জিম্মি করে অবৈধভাবে এই গ্যাসের দাম বেশি নিচ্ছেন স্থানীয় খুচরা ব্যবসায়ীরা।’

    যশোর জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান বলেন, ‘ভোক্তাদের একাধিক অভিযোগ পেয়েছি। আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দোষীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

    চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম বলেন, ‘যেকোনো ধরনের মজুতদারি ও কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। কেউ যদি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি রাখে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

    এ/ আর

  • দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার বন্ধ ঘোষ

    ডেক্স নিউজ : অপরিশোধিত তেল সংকটের কারণে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি লিমিটেড (ইআরএল) বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকালে কারখানাটিতে শেষ পরিশোধন কার্যক্রম হয়েছিল বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির দুজন কর্মকর্তা। এদিকে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো প্রভাব পড়বে না বলে আশস্ত করেছে জ্বালানি বিভাগ।

    ইআরএল কর্মকর্তাদের তথ্য মতে, কক্সবাজারের মহেশখালীর সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিংয়ের (এসপিএম) পাইপলাইনে জমে থাকা ৫ হাজার টন এবং অপরিশোধিত তেলের চারটি ট্যাংকের ডেড স্টক (মজুত ট্যাংকের তলানিতে জমে থাকা অপরিশোধিত তেল) তুলেও পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছিল।

    কর্মকর্তারা আরও জানায়, ইআরএল সাধারণত দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করে থাকে। তবে ক্রুড সংকটের কারণে গত মাস থেকেই পরিশোধন কমিয়ে দৈনিক ৩ হাজার ৫০০ টন করা হয়েছিল। গত ৪ মার্চ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির কাছে ব্যবহারযোগ্য তেলের মজুত ২ হাজার টনের নিচে নেমে এসেছে।

    এ ব্যাপারে ইআরএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. শরীফ হাসনাত, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

    বিপিসির তথ্য মতে, দেশে প্রতি বছর ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়। এর মধ্যে ডিজেল ও অপরিশোধিত তেলের পরিমাণ বেশি। প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে, যা ইআরএলে পরিশোধন করা হয়।

    প্রসঙ্গত, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট সংকটে প্রায় দুই মাস ধরে অপরিশোধিত তেল আমদানি বন্ধ রয়েছে। আগামী মে মাসের প্রথম সপ্তাহে পরবর্তী আমদানি চালান দেশে আসার কথা রয়েছে। সে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে ইআরএল কর্তৃপক্ষকে।

    m