ক্যাটাগরি কৃষি

  • সোনাতলায় বালু উত্তোলনে হুমকির মুখে ৫০ কোটি টাকার সেতু

    সোনাতলায় বালু উত্তোলনে হুমকির মুখে ৫০ কোটি টাকার সেতু

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    বগুড়ার সোনাতলায় বাঙালি নদী থেকে শ্যালো মেশিন দিয়ে অবাধে চলছে বালু উত্তোলন। এতে ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আড়িয়ারঘাট সেতুটি হুমকির মুখে পড়েছে।

    নদীপাড়ের বাড়িঘর বর্ষা মৌসুমে হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। খরস্রোতা বাঙালি নদীর ভাঙন দেখা দিতে পারে।

    প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে একশ্রেণির বালু ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে বলে জানান স্থানীয়রা।

    স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে একশ্রেণির বালু ব্যবসায়ী উপজেলার আড়িয়ারঘাট থেকে পোড়াপাইকর (ছলুরঘাট) পর্যন্ত অর্ধশতাধিক স্থানে শ্যালো মেশিন দিয়ে অবাধে বালু উত্তোলন করে আসছে। ২০২০ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) প্রায় দেড়শ কোটি টাকা ব্যয়ে উপজেলার নামাজখালী, রানীরপাড়া, রংরারপাড়া, নিশ্চিন্তপুর, হলিদাবগা, পোড়াপাইকর এলাকায় নদীর ডান তীর সংরক্ষণ কাজ করে।

    নদীর তীর সংরক্ষণের এ প্রকল্প হুমকির মুখে রয়েছে। নদীতে অবাধে বালু উত্তোলন করায় বাড়িঘর, ফসলি জমি, গাছপালাও হুমকির মুখে পড়েছে। এ ছাড়াও পরিবেশের ভারসাম্য হারাতে বসেছে।

    এআর/নিই
  • বগুড়ার শিবগঞ্জে ফুলকপির কেজি দেড় টাকা

    বগুড়ার শিবগঞ্জে ফুলকপির কেজি দেড় টাকা

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    প্রচন্ড শীত আর ঘন কুয়াশায় কারণে বগুড়ার মহাস্থানে হাটে ফুলকপির দরপতন হয়েছে। প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে দেড় টাকায়। শীতের প্রকোপে হাটে এ সবজির আমদানি বাড়লেও পাইকার কম থাকায় এই মূল্য পতন হয়েছে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

    রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহৎ সবজির মোকাম মহাস্থানহাট ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।

    সরেজমিনে দেখা গেছে, কুয়াশার চাঁদর ভেদে করে কৃষকরা ভোর থেকেই ভ্যানে করে ফুলকপি মহাস্থান মোকামে আনতে শুরু করেন। প্রথম দিকে ক্রেতা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমদানি বেশি হওয়ায় ব্যাপারিরা হারিয়ে যায়।

    সেই সময় ১০০ থেকে ১৩০ টাকা মণ দরে ফুলকপি বিক্রি কলেও পরে তা নেমে যায় ৪৫ থেকে ৫০ টাকা মণ দরে।

    ঘন কুয়াশার কারণে দুপুর ২টা পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলেনি। আর এ কারণে মোকামে পাইকারদের আগমন কম হয়েছে। এতে করেই দরপতন হয়েছে।

    রোববার সকালে জেলায় সর্বনিম্ন ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর, যা চলতি মৌসুমে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এর আগে, শনিবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সামনে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে।

    মহাস্থান হাটে দেখা গেছে, এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত সবখানেই সবজিতে ঠাসা। সকাল থেকে দূরদূরান্তের কৃষকরা অটোভ্যান, ইজিবাইক, ভটভটি, সিএনজি যোগে তাদের জমিতে উৎপাদিত সবজি হাটে আনেন ভাল দাম পাওয়ার আশায়। ক্রেতা-বিক্রেতা আর আড়তদারদের ভিড় ছিল নিত্যদিনের মতো। কিন্তু ছিল না কপির কাঙ্ক্ষিত দাম। শীতকালীন সবজির ভরা মৌসুমে প্রতিদিনই বাজার নিন্মমুখী হওয়ায় লোকসানে পড়ছেন কৃষকরা।

    চাহিদার তুলনায় আমদানি বেশি, স্টক সুবিধা না থাকা ও ক্রেতা সংকট হওয়ায় জমিতে চাষ করা টাটকা সবজি বাধ্য হয়ে কম দামে বিক্রি করছেন তারা। যার ফলে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষক, উৎপাদন খরচ নিয়ে কপালে চিন্তার ভাঁজ।

    মহাস্থান মোকামে ফুলকপি বিক্রি করতে আসা শিবগঞ্জ উপজেলার বালুয়া গ্রামের ফারুক ইসলাম বলেন, ১০ মণ ফুলকপি এনেছিলাম বিক্রির জন্য। কিন্তু আমদানি বেশি। ক্রেতা নেই। তাই বাধ্য হয়ে ৪৫০ টাকায় ১০ মণ কপি বিক্রি করে ভ্যান ভাড়া তুলেছি। প্রতি কেজির দাম পড়েছে ১ টাকা ১৫ পয়সা।

    একই কথা জানালেন উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের কৃষক হেলাল প্রামাণিক। তিনি ১৭ মণ ফুলকপি বিক্রি করেছেন ৫০ টাকা মণ দরে। অর্থাৎ প্রতি কেজির দাম পড়েছে এক টাকা পঁচিশ পয়সা।

    নারায়ণগঞ্জ থেকে সবজি কিনতে আসা ব্যাপারি এমদাদদুল হক জানান, তিনি মহাস্থানের গিয়াস উদ্দিনের আড়ত থেকে সবজি কিনেন। রোববার ফুলকপির দাম কমে যাওয়ায় তিনি ৫০ টাকা মণ দরে এক টন কিনেছেন। আরও কিনবেন।

    ঢাকার মিরপুরের ব্যবসায়ী মিলন রহমান কামাল হাাজর আড়তে সবজি কিনেন। কপির দাম কম পাওয়ায় তিনি তিন টন কপি কিনেছেন। যার মণ ছিল গড়ে ৫০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত।

    মহাস্থানের ব্যবসায়ী বিশাল ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী তাহেরুল ইসলাম বলেন, মহাস্থানে ছোটবড় আড়ত প্রায় ৪০টি। এখন প্রতিদিন মাল ডেলিভারি হচ্ছে প্রায় ৪০ ট্রাক। বাজারে আমদানি বেশি, বাহির থেকে ব্যাপারি না আসায় সবজির দাম প্রতিদিন নিম্নমুখী। আমরা কৃষকের কষ্টের কথা চিন্তা করে ঝুঁকি নিয়ে মালামাল ক্রয় করছি, এতে কৃষকরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমরা ব্যবসায়ীরাও হচ্ছি।

    শিবগঞ্জ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান জানান, আবহাওয়াজনিত কারণে হঠাৎ করেই ফুলকপি দাম কমে গেছে। দুই-একদিনের মধ্যে দাম আবার বাড়বে বলে মনে করেন তিনি।

    বগুড়া জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম জানান, আবহাওয়া অনুকূলে এবং রোগবালাই না থাকায় এবার প্রচুর সবজি উৎপাদন হয়েছে। তাছাড়া একই সময় সব শীতকালীন সবজি বাজারে আসায় দাম ক্রেতাদের হাতের নাগালে এসেছে। নেমে গেছে কিছু সবজির দাম। কদিনে মধ্যে বাজার স্বাভাবিক হবে। সূত্রঃ কালবেলা

    বিডি/এআর/এনই

  • পুকুরে বিষ দিয়ে ৩৫ লাখ টাকার মাছ নিধন

    পুকুরে বিষ দিয়ে ৩৫ লাখ টাকার মাছ নিধন

    ডেস্ক নিউজ:

    নাটোরের সিংড়ায় একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ৩৫ লাখ টাকার মাছ নিধন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) রাতের কোনো এক সময় উপজেলার চৌগ্রাম ইউনিয়নের গোয়ালবাড়িয়া গ্রামে ১২ বিঘা আয়তনের ওই পুকুরে এই ঘটনা ঘটে।

    মাছগুলো বিক্রির উপযুক্ত হয়ে ওঠার ঠিক আগমুহূর্তে এমন ঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ভুক্তভোগী। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকালে পুকুরে মরা মাছ ভেসে থাকতে দেখে বিষ প্রয়োগের বিষয়টি জানাজানি হয়।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গোয়ালবাড়িয়া গ্রামের মসজিদ ও কবরস্থান সংলগ্ন পুকুরটি গ্রামবাসীদের কাছ থেকে ইজারা নিয়ে মাছ চাষ শুরু করেন পাড়েরা গ্রামের মৎস্যচাষি সিদ্দিক প্রামাণিক। গত ছয় মাস ধরে তিনি সেখানে পাবদা, ট্যাংরা, রুই, মৃগেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করে ছিলেন।

    ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষি সিদ্দিক প্রামাণিক জানান, পুকুরটিতে দেড় লাখ পাবদা, ২ লাখ ট্যাংরা, ২ হাজার রুই, ১ হাজার মৃগেল, ২২০টি বিগহেড ও ৩৮০টি সিলভার কার্পসহ বিপুল পরিমাণ মাছ ছেড়েছিলেন তিনি। মাছের পোনা, খাবার ও পরিচর্যা বাবদ তাঁর প্রায় ৩০ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। আশা ছিল, ৩৫ লাখ টাকার মাছ বিক্রি করতে পারবেন। কিন্তু শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) রাতে কে বা কারা শত্রুতা করে পুকুরে গ্যাস ট্যাবলেট (বিষ) প্রয়োগ করায় সব মাছ মরে ভেসে উঠেছে।

    সিদ্দিক প্রামাণিক আক্ষেপ করে বলেন, ‘শত্রুতা করে আমার সব শেষ করে দিলো। আমি তো পথে বসে গেলাম। প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’

  • নাটোরে নজর কাড়ছে ধানগাছে আঁকা জাতীয় পতাকা

    নাটোরে নজর কাড়ছে ধানগাছে আঁকা জাতীয় পতাকা

    ডেস্ক নিউজ

    নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার রশিদপুর গ্রামের তরুণ কৃষক ইমরান হোসাইন ধানখেতে তৈরি করেছেন জাতীয় পতাকার আকৃতি। ধান গাছ দিয়ে সবুজ জমির মাঝে লাল বৃত্ত তৈরি করে তিনি ফুটিয়ে তুলেছেন দেশের পতাকার রূপ। তার এই উদ্যোগ এখন এলাকাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

    ইমরান হোসাইন জানান, দেশপ্রেম আর কৃষির প্রতি ভালোবাসা থেকেই তার এই উদ্যোগ। প্রায় ৪৫ শতক জমিতে দুই জাতের ধান রোপণ করে তিনি তৈরি করেছেন এই অনন্য চিত্র। সবুজ অংশে ব্যবহার করেছেন পাকিস্তানি লং বাসমতী ধান, আর মাঝের লাল বৃত্তের স্থানে লাগিয়েছেন বেগুনি রঙের পারপোল রাইস। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, ধানের শীষে আঁকা পতাকাটি যেন বাতাসে দুলছে।

    ইমরান বলেন, দেশকে ভালোবাসা শুধু মুখের কথা নয়। কাজের মাধ্যমেই দেশপ্রেম প্রকাশ পেতে পারে। এই খেত আমার কাছে দেশের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার প্রতীক।

    তার এই ব্যতিক্রমী কাজ দেখতে প্রতিদিনই নানা বয়সী মানুষ ভিড় করছেন। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ ভিডিও করছেন, আবার অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করছেন ইমরানের সৃজনশীল এই প্রচেষ্টা।

    জামাল উদ্দিন নামের একজন বলেন, ইমরানের ব্যতিক্রমী উদ্যোগের কথা শুনে দেখতে এসেছি। জীবন্ত ধান গাছের পতাকা আগে কখনো দেখেনি। দেখে সত্যিই ভালো লাগছে।

    গুরুদাসপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে এম রাফিউল ইসলাম বলেন, ইমরানের এই উদ্যোগ শুধু দেশপ্রেম নয়, কৃষিক্ষেত্রে সৃজনশীলতারও এক সুন্দর উদাহরণ। এমন উদ্যোগ তরুণদের কৃষির প্রতি উৎসাহিত করবে।

  • নিম্নমানের আলুর বীজে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক

    নিম্নমানের আলুর বীজে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক

    ডেস্ক নিউজ:

    নিম্ন মানের আলুর বীজ বপন করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মানিকছড়ি উপজেলার কয়েকজন কৃষক। ক্ষতিগ্রস্ত এক কৃষকের লিখিত অভিযোগ পেয়ে সরব হয়েছে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ। কারণ চিহ্নিত করতে গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটি।

    ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানিয়েছেন, মানিকছড়ি বাজারের বীজ ডিলার প্রকাশ বীজ ভাণ্ডার থেকে এসিআই কোম্পানির উন্নত জাতের আলুর বীজ কিনে জমিতে বপন করেছেন। বপন করা বীজের কিছু চারা গজালেও অধিকাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। বিষয়টি বীজের ডিলার দুলাল চন্দ্র মজুমদারকে জানালে বিষয়টি সুরাহা না করে উলটো কৃষককে শাসাচ্ছেন। নিরুপায় হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা।

    আলু চাষ করে ক্ষতিগ্রস্ত পূর্ব চেঙ্গু ছড়া এলাকার কৃষক আব্দুল সোবহান জানান, প্রকাশ বীজ ভাণ্ডার থেকে ৬শ কেজি আলুর বীজ কিনে জমিতে লাগিয়েছেন তিনি। কিছু বীজ থেকে চারা গজালেও অধিকাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। বীজ ডিলার দুলাল চন্দ্র মজুমদারকে অভিযোগ জানালে তিনি উলটো হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন। কোনো উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।

    একই এলাকার আরেক চাষি মো. সুমন মিয়া জানান, তিনি এক কানি (৪০ শতক) জমিতে আলু চাষ করেছেন। প্রকাশ বীজ ভাণ্ডার থেকে তিন মন আলুর বীজ ক্রয় করেছিলেন। জমিতে রোপণের পর অনেক বীজ না গজানোয় এখন খরচের টাকা উঠানো নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

    একই উপজেলার এয়াতলং পাড়া এলাকার কৃষক আলী আহম্মদ জানান, তিনিও দুলালের কাছ থেকে আলুর বীজ নিয়ে রোপণ করেছেন। পাশাপাশি কুমিল্লা থেকেও কিছু বীজ এনে রোপণ করেছেন। দুলালের কাছ থেকে নেওয়া বীজগুলো তেমন না গজালেও কুমিল্লা থেকে এনে লাগানো অন্য জাতের আলুর সব বীজ গজিয়েছে।

    উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা তামিম আজিজ জানান, কৃষক সোবহানের অভিযোগের ভিত্তিতে জমি পরিদর্শন করতে আসেন। আলুর বীজ শতভাগ না গজানোর কারণেই প্রতিটি সারিতেই কমবেশি ফাঁকা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    মানিকছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ জহির রায়হান জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর কৃষকের জমি পরিদর্শন করেছেন। প্রকাশ বীজ ভাণ্ডারের মালিক এবং সংশ্লিষ্টকোম্পানির প্রতিনিধিকে আগামী বৃহস্পতিবার তার কার্যালয়ে ডেকেছেন। তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত জেনে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

    মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাহমিনা আফরোজ ভুঁইয়া বলেন, নিম্ন মানের আলুর বীজে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কৃষক—এমন একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। অভিযোগ তদন্তে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগকে দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • এ কেমন শত্রুতা!

    এ কেমন শত্রুতা!

    ডেস্ক নিউজ:

    মতলব দিক্ষন উপজেলার  নলুয়া গ্রামে মোজাম্মেলের একবিঘা জমির কুমড়ার গাছ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাতে কুমড়ার গাছ কেটে দিয়েছে দূবিত্তরা।

    এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের ছেলে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তার দাবি, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে একই বাড়ির মৃত জমির হোসেন প্রধানের ছেলে বিপুল প্রধান এই কাজ করেছে।

    খবর পেয়ে মতলব দক্ষিণ থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হাই শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) কৃষক মোজাম্মেল প্রধানের ক্ষতিগ্রস্ত কুমড়ার ক্ষেতটি পরিদর্শন করেন।

    কৃষক মোজাম্মেল প্রধান বলেন, ধার দেনা করে ২৫ হাজার টাকার বিনিময় এক বছরের চুক্তিতে একই এলাকার মৃত জুনাব আলী প্রধানের ছেলে সোলায়মান প্রধানের কাছ থেকে ৩৬ শতাংশ জমি লিজ নেন। ওই জমিতে কুমড়ার আবাদ করা হয়। ইতিমধ্যে সকল গাছে ফুল এসেছে এবং কিছু কিছু গাছে ছোট ছোট কুমড়াও ধরেছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে তার। আগামী জানুয়ারিতে এই ফসল বাজারে বিক্রি করতে পারতেন।। এ অবস্থায় শুক্রবার রাতে শিকড়সহ কুমড়া গাছগুলো উঠিয়ে ফেলেছে।

    মোজাম্মেলের ছেলে রাকিব প্রধান বলেন, একই বাড়ীর মৃত জমির হোসেন প্রধানের ছেলে বিপুল প্রধানদের সাথে জমি জমা নিয়ে আমাদের বিরোধ চলছিল। গত বুধবার উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় এবং একপর্যায়ে আমাকে মারধর করার চেষ্টা করে। শুক্রবার রাতে আমাদের জমির আশে পাশে তাকে ( বিপুল) ঘুরতে দেখা যায়। আমাদের ধারনা সেই আমার চাষকৃত মিষ্টি কোমড়া গাছগুলো উঠিয়ে ফেলেছে।

    মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাফিজুর রহমান মানিক বলেন,‘এ সংক্রান্ত বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়েছে। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

     

  • মোহনপুর কোল্ড ইনজুরিতে নষ্ট হচ্ছে কৃষকের পান

    মোহনপুর কোল্ড ইনজুরিতে নষ্ট হচ্ছে কৃষকের পান

    ডেস্ক নিউজ:

    শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার কারণে কৃষকের পানের বরজে কোল্ড ইনজুরিসহ শীতজনিত বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। ফলে পানপাতা লালচে, হলুদবর্ণ ছাড়াও শুকিয়ে মারা যাচ্ছে। এ অবস্থায় রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় পানের বরজগুলোতে। 

    জানা গেছে, রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় এবছর পান চাষ হয়েছে ১ হাজার ৩১৭ হেক্টর জমিতে। অর্থকরী এই ফসলটি কেনাবেচায় স্থানীয়ভাবে গড়ে উঠেছে হাট-বাজার। ফলে চাষিদের পান কেনাবেচায় দূরের কোথাও যেতে হয় না।

    মোহনপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার কারণে পানপাতায় কোল্ড ইনজুরি দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে কোনো কোনো পানের বরজে কোল্ড ইনজুরিতে গোড়া পচন রোগ দেখা দিয়েছে। ফলে পানপাতা লালচে, হলুদবর্ণ ধারণ করছে। আবার কিছু কিছু পানের পাতা শুকিয়ে যাচ্ছে।

    চাষিরা জানান, প্রথম পান লালচে ও হলুদবর্ণের হয়ে যাচ্ছে। এরপরে পাতার নিচের অংশে শুকাতে শুরু করছে। একপর্যায়ে পুরো পানপাতা শুকিয়ে ঝড়ে যাচ্ছে। এতে করে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা। তারা বলছেন, বছরের এই সময়ে তুলনামূলক পানের দাম বেশি থাকে। তাই তাদের লোকসানটাও বেশি হচ্ছে।

    কেশরহাটের কীটনাশক দোকানি কোবাদ আলী বলেন, ঠান্ডায় পান ঝরেপড়া বন্ধের জন্য সঠিকভাবে কোনো কীটনাশক কাজে আসে না। তবে কৃষকরা রিপকর্ড কনফিডর, সালকক্স, চিলেটেড জিংক ও রুট শক্তি এই জাতীয় কীটনাশক ব্যবহার করে থাকেন।

    এ বিষয়ে মোহনপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মোসা. মোস্তাকিমা খাতুন বলেন, কোল্ড ইনজুরি থেকে রক্ষার জন্য চাষিদের পলিথিন ব্যবহারের কথা বলা হচ্ছে। এছাড়া কীটনাশক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

    বি/এ

  • ৩৬ বিঘা পানের বরজ পুড়ে ছাই

    ৩৬ বিঘা পানের বরজ পুড়ে ছাই

    ডেস্ক নিউজ:

    মাত্র আধাঘণ্টায় ৩৬ বিঘা জমির পানের বরজ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার খোদাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ৬০ জন পানচাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

    ফায়ার সার্ভিস বলছে, ধারণা করা হচ্ছে- বিড়ি বা সিগারেট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুনে কৃষকের ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    স্থানীয়রা জানান, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খোদাপুর সরদারপাড়া বিলের পান বরজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। জুমার নামাজের সময় হওয়ায় পানের বরজে কোনো লোকজন ছিল না। ওই বিলের পান বরজের দক্ষিণ পাশে আগুন জ্বলতে দেখে পান বরজের কয়েকজন কৃষক। তারা চিৎকার শুরু করলে গ্রামের আশপাশের লোকজন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। পরে  ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের সঙ্গে স্থানীয় লোকজন মিলে আগুন নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করে। অবশেষে দুটি ইউনিটের দীর্ঘ সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

    খোদাপুর গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ইমান আলী জানান, তখন জুমার নামাজের সময়। হঠাৎ বিলের পান বরজের দক্ষিণ পাশে আগুন দেখা যায়। মুহূর্তেই বড় আকার ধারণ করে ভয়াবহ রূপ নেয়। স্থানীয় কৃষক ও ফায়ার সার্ভিসের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু তার আগেই আমাদের ২০ বিঘা জমির পান বরজ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

    এ বিষয়ে বাগমারা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ৬০ জন পানচাষির ৩৬ বিঘা জমির পানের বরজ পুড়েছে। আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

    তবে বাগমারা ফায়ার সার্ভিসের সাব অফিসার মিজানুর রহমান বলেন,  ধারণা করা হচ্ছে- বিড়ি-সিগারেটের আগুন থেকে ঘটনার সূত্রপাত।

    এ বিষয়ে বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুবুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি  মর্মান্তিক। কৃষি অফিসারের মাধ্যমে ভিজিট করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহযোগিতার ব্যবস্থা করা হবে।

    বি/এ

  • রাজশাহীতে অসময়ের বৃষ্টিতে ফসলের ক্ষতি

    রাজশাহীতে অসময়ের বৃষ্টিতে ফসলের ক্ষতি

    ‘বাজারে মুলা তোলার আগেই সব শেষ হইয়া গেল—এই যে জমি, এখন শুধু পানি আর পানি।’ গতকাল শুক্রবার সকালে জমির সামনে দাঁড়িয়ে কথাগুলো বলছিলেন রাজশাহীর পবা উপজেলার শিয়ালবেড় গ্রামের কৃষক রাব্বানী মন্ডল। রাব্বানীর চোখের কোণে পানি, পায়ের নিচেও হাঁটুসমান পানি। একসময় যে জমি ভরে উঠেছিল মুলার গাছে, এখন সে জমি ডুবে রয়েছে বৃষ্টির পানিতে।

    নভেম্বরের শুরুতেই অপ্রত্যাশিত বৃষ্টিতে এখনো এমন দৃশ্য দেখা যাচ্ছে রাজশাহীর পবা, মোহনপুর, বাগমারা, তানোর ও গোদাগাড়ী উপজেলার ফসলের মাঠজুড়ে। টানা দুই দিনের বৃষ্টিতে জেলার হাজারো কৃষক এখন বড় ক্ষতির মুখে। শাক থেকে শুরু করে ঢ্যাঁড়স, মুলা, পেঁয়াজ; এমনকি আমন ধান—সব ফসলই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    কৃষি বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০ কোটি ২৭ লাখ টাকা, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ৪ হাজার ২০০ জন। দুই দিনের বৃষ্টিতে জেলার ২ হাজার ১৫০ বিঘা ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    তবে বাস্তবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। কৃষকেরা বলছেন, ১৯৮৬ সালের পর এই সময়ে এমন বৃষ্টি আর কখনো দেখেননি তাঁরা। গতকাল সকালে পবা উপজেলার শিয়ালবেড় গ্রামে গিয়ে কথা হয় কৃষক রাব্বানী মন্ডলের সঙ্গে। মুখে বিষণ্ণতা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আষাঢ় মাসেও এমন বৃষ্টি হয় না, যে বৃষ্টি এবার হইছে। এখনো পানি নামেনি। ৫ বিঘা জমি পানির নিচে। চারপাশে পুকুর, পানি নামারও পথ নাই।’

    রাব্বানী আরও বলেন, ‘সরকার যদি পাশে থাকে, তাহলে আমরা আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারব। তা না হলে কঠিন হবে।’

    পবা উপজেলার শিয়ালবেড়, পাইকপাড়া, দাদপুর ও মুরারীপুর গ্রামের মাঠজুড়ে একই চিত্র। যেদিকে চোখ যায়, এখনো চোখে পড়ে কেবল পানি। কোথাও ধান হেলে পড়েছে, কোথাও শাকসবজি ডুবে রয়েছে পানির নিচে। পাইকপাড়া গ্রামের কৃষক শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘১২ কাঠা জমিতে শাকসবজি করেছিলাম, বৃষ্টিতে সব শেষ হয়ে গেছে। এমন সময় তো বৃষ্টি হয় না।’

    একই এলাকার কৃষক আব্দুর রাজ্জাক ১ বিঘা জমিতে বি৮৭ জাতের ধান চাষ করেছিলেন। ধান কাটার আগেই নভেম্বরে অসময়ের বৃষ্টিতে জমিতে পানি উঠেছে, বাতাসে ধানের গাছ হেলে পড়েছে। মাঠে দেখা গেল, কৃষকেরা কাদামাটি মাড়িয়ে হেলে পড়া ধান কেটে নিচ্ছেন। সেখানে তাঁর ছেলে সোহানুর রহমান বলেন, ‘অর্ধেক ধান নষ্ট হয়ে যাবে। শ্রমিক খরচও বেশি হবে। মনে হচ্ছে খরচের টাকাও উঠবে না। তিন দিন পর বৃষ্টি হইলে এই সর্বনাশ হতো না।’

    পবা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এম এ মান্নান বলেন, নভেম্বরের শুরুতেই যে বৃষ্টি হয়েছে, সেটি মূলত নিম্নচাপের কারণে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিনা মূল্যে সার ও বীজ বিতরণ করা হচ্ছে।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি যেন জমি শুকিয়ে দ্রুত নতুন ফসল লাগাতে পারেন।’

    জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন জানান, বৃষ্টিতে জেলার ২ হাজার ১৫০ বিঘা জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০ কোটি ২৭ লাখ টাকা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তথ্য ঢাকায় মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রণোদনা এলে তা বিতরণ করা হবে।

    বি/এ

  • ঔষধি গুণের ফাঁদ!  বরুড়ায় প্রকাশ্যে শিয়ালের মাংস বিক্রি!

    ঔষধি গুণের ফাঁদ! বরুড়ায় প্রকাশ্যে শিয়ালের মাংস বিক্রি!

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুমিল্লার বরুড়ায় প্রকাশ্যে শিয়াল জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। সর্বশেষ গত শনিবার (৩১ মার্চ) দুপুরে শামীম হোসেন (২৮) নামের এক ব্যক্তি উপজেলার আড্ডা বাজারে শিয়ালের মাংস বিক্রি করেন। এ সময় বিক্রেতারা শিয়ালের মাংসের নানা উপকারিতার কথা উল্লেখ করে প্রতি কেজি ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি করেন।

    মাংস বিক্রেতা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজঘাট ব্রিজ সংলগ্ন আড্ডা বাজারে শিয়ালটি জবাই করে নিজেরাই। জবাই করার পর এই বাজারে নিয়ে এলে ২ কেজির মতো বিক্রি করতে পারেন। বাকি মাংস পাশের বাগমারা বাজারে নিয়ে যান।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাংস ক্রয় করা ব্যক্তিরা জানান, মাংস বিক্রেতারা বলেছিলেন বাত-ব্যথা কিংবা কঠিন রোগের প্রতিষেধক হিসেবে শিয়ালের মাংস রান্না করে খাওয়ার বিকল্প নেই। এ সব ক্ষেত্রে শিয়ালের মাংসই অব্যর্থ ওষুধ। তাদের এসব কথা বিশ্বাস করে মাংস ক্রয় করেন তারা।

    স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, এখানে প্রায়ই শিয়ালের মাংস বিক্রি করা হয়। বিক্রেতা নির্দিষ্ট থাকে না। একেক সময় একেকজন এসে বিক্রি করছে।

    আড্ডা ইউপি চেয়ারম্যান জাকের হোসেন বাদল বলেন, ইউপি অফিস বাজারের সঙ্গেই। কিন্তু কখনোই আমার চোখে পড়েনি শিয়ালের মাংস বিক্রি করছে। আমার কাছে কেউ কোনো দিন অভিযোগ করেনি।

    এআর/এনই