ক্যাটাগরি চট্টগ্রাম বিভাগ

  • রাঙ্গুনিয়ায় শ্রমিক দল নেতাকে রাস্তায় গুলি করে হত্যা

    রাঙ্গুনিয়ায় শ্রমিক দল নেতাকে রাস্তায় গুলি করে হত্যা

    ডে স্ক নিউজ:

    চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে শ্রমিক দলের এক নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর নাম আবদুল মান্নান (৪০)। তিনি উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সহসভাপতি।

    গতকাল  রাত ১১টার দিকে উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড মধ্যম সরফভাটা বুলইন্যা বাপেরবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, রাতে রাস্তার পাশে নির্জন এলাকায় গুলিবিদ্ধ আবদুল মান্নানকে পথচারীরা দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা এসে লাশ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও ছিল। তবে কারা, কী কারণে তাঁকে গুলি করেছে, তা জানা যায়নি।

    প্রবাসফেরত আবদুল মান্নান বালুসহ বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে। রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা পুলিশের।

    নিহত আবদুল মান্নানের শরীরে চারটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি তাঁর বাঁ চোখের কাছে, একটি বাঁ হাতে ও দুটি পেটের ডান পাশে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

    দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম  বলেন, কেন, কী কারণে মান্নানকে গুলি করা হয়েছে, তা তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

    বি/এ

  • ৪১% রোগীর শরীরে কাজ করছে না অ্যান্টিবায়োটিক

    ৪১% রোগীর শরীরে কাজ করছে না অ্যান্টিবায়োটিক

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

    দেশের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি রোগীদের ৪১ শতাংশের ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর হয়নি বলে জানিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)।

    সোমবার আইইডিসিআর আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ন্যাশনাল এএমআর সার্ভেলেন্স রিপোর্ট-২০২৫’ প্রকাশ করে।

    এ প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে অ্যান্টিবায়োটিকের অপপ্রয়োগ, অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার ও জীবাণুর শক্তিশালী হয়ে ওঠার কারণে অনেক ক্ষেত্রে ওষুধ কার্যকারিতা হারাচ্ছে। দিন দিন বাড়ছে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স—যেখানে জীবাণু কোনো অ্যান্টিবায়োটিকেই সাড়া দেয় না।

    প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালের ৯৬ হাজার ৪৭৭ রোগীর নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পাঁচটি আইসিইউতে ৭১ ধরনের অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা যাচাই করে দেখা যায়, অনেক ক্ষেত্রে কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    প্রতিবেদন অনুসারে, সব নমুনার ৭ শতাংশে প্যান-ড্রাগ-রেজিস্ট্যান্ট (পিডিআর) জীবাণু পাওয়া গেছে। আইসিইউতে এই হার ৪১ শতাংশ। মাল্টি-ড্রাগ-রেজিস্ট্যান্ট (এমডিআর) জীবাণু সব নমুনার ৪৬ শতাংশ হলেও আইসিইউতে তা ৮৯ শতাংশ।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) শ্রেণি বিভাগ অনুযায়ী, ওয়াচ গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বেড়ে ৭৭ শতাংশ থেকে দাঁড়িয়েছে ৯০ দশমিক ৯ শতাংশে। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক ছিল সেফট্রিয়াক্সোন (৩৩ শতাংশ) ও মেরোপেনেম (১৬ শতাংশ)।

    প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক তাহমিনা শিরিন ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (ভাইরোলজি) অধ্যাপক জাকির হোসেন হাবিব।

    এ সময় তাহমিনা শিরিন বলেন, ‘ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধ করতে হবে। জনগণের সচেতনতা জরুরি। কোনো ব্যক্তি নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করবেন না। অনেক রোগী দোকানের কর্মী বা অবৈধ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক নেন, যা রেজিস্ট্যান্সের প্রধান কারণ। মানুষ প্রায়শই ফার্মেসি বা হাতুড়ে ডাক্তারের কাছ থেকে অ্যান্টিবায়োটিক নেন, চিকিৎসা পরামর্শ ছাড়াই এবং এর ফলে অনেক ক্ষেত্রে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। আমি সবাইকে জোর দিয়ে বলছি, নিবন্ধিত নয় এমন কারও পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করবেন না।’

    জাকির হোসেন হাবিব বলেন, যথেচ্ছভাবে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়াই জীবাণুর প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াচ্ছে। এই এএমআর এখন জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় সংকট।

    সবাইকে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে সতর্ক হতে আহ্বান জানিয়ে হাবিব বলেন, সেভ অ্যান্টিবায়োটিক, সেভ ইয়োরসেলফ।

    জরিপ অনুযায়ী, দেশে ব্যবহৃত মোট অ্যান্টিবায়োটিকের ৫৭ শতাংশ ব্যবহৃত হয় ঢাকায়। চিকিৎসা সুবিধা, বিশেষায়িত হাসপাতাল ও রোগীর চাপ বেশি হওয়ায় রাজধানীতে এই হার তুলনামূলক বেশি। এরপর রয়েছে রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও সিলেট। ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনে (ইউটিআই) আক্রান্ত রোগীদের মধ্যেও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের উচ্চ প্রবণতা দেখা গেছে।

    সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১০টি অ্যান্টিবায়োটিক হলো সেফট্রিয়াক্সোন, সেফিক্সিম, মেরোপেনেম, সিপ্রোফ্লক্সাসিন, আজিথ্রোমাইসিন, অ্যামোক্সিসিলিন, মেট্রোনিডাজল, ক্লক্সাসিলিন, পিপেরাসিলিন-ট্যাজোব্যাকটাম ও ভ্যানকোমাইসিন।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রড-স্পেকট্রাম অ্যান্টিবায়োটিকের অতিরিক্ত ব্যবহার ভবিষ্যতে পরিস্থিতিকে আরও সংকটজনক করবে।

    সুত্র: আমার  দেশ

    বি/এ

  • ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ৭০৫

    ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ৭০৫

    বিডিনিউজ ডেস্ক: সোমবার (২৪ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে এডিস মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭০৫ জন।

    সোমবার (২৪ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১১৬ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৩৭ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৭১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৭৭ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫৩ জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৪ জন, রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫ জন এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৬ জন রয়েছেন।

    চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৩৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯০ হাজার ৯৬৯ জন। এর মধ্যে ৬২ দশমিক তিন শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭ দশমিক সাত শতাংশ নারী রয়েছেন।

    M

  • চট্টগ্রামে কম্বলের গোডাউনে আগুন ৩ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে

    চট্টগ্রামে কম্বলের গোডাউনে আগুন ৩ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে

    ডেস্ক নিউজঃ

    চট্টগ্রাম নগরের কদমতলী এলাকার একটি পাঁচতলা বাণিজ্যিক ভবনের চতুর্থ তলায় কম্বল ও শীতবস্ত্রের গুদামে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। পরপর ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা চালায়। ৩ ঘণ্টার চেষ্টায়, বিকেল চারটার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

    ঘটনাস্থলের সামনে কথা হয় নিচতলার দোকানকর্মী জামাল উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি বলেন, দুপুর দেড়টার দিকে হঠাৎ উপরের দিক থেকে ধোঁয়া নামতে দেখি। কিছু বুঝে ওঠার আগেই চারতলার জানালায় আগুনের লেলিহান শিখা। তখন সবাই দৌড়ে নিচে নেমে আসে।খবর পেয়ে প্রথমে নন্দনকানন স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। আগুনের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পরে আরও ছয়টি ইউনিট যোগ দেয়। আগুন নেভাতে অংশ নেন ফায়ার সার্ভিসের ৬০ জনের বেশি কর্মী।চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, দাহ্য কাপড় ও কেমিক্যাল থাকায় আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়েছে। প্রায় আড়াই ঘণ্টা চেষ্টা করে আমাদের আটটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। উপপরিচালক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ধারণা করছি, ক্ষয়ক্ষতি অনেক বেশি হবে। তবে তদন্ত শেষে আমরা সঠিক কারণ ও ক্ষতির পরিমাণ জানাতে পারব।

    এম কে

  • সোনালি আমনে ভরে গেছে সন্দ্বীপের ডুবোচর

    সোনালি আমনে ভরে গেছে সন্দ্বীপের ডুবোচর

    ডেস্ক নিউজ:

    ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ আর ৩ কিলোমিটার চওড়া চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের উত্তর-পশ্চিম উপকূলের নতুন চরটির নাম ডুবোচর। স্থানীয় মানুষেরা একে ডোবাচর বা ডুবাগা বলে। ডুবাগা শব্দের অর্থ—যে চর প্রবল জোয়ারে ডুবে যায়। চরটিতে এর আগে মাছ চাষের জন্যই কৃষকেরা ধানের আবাদ করতেন। এবার প্রথমবারের মতো ধানের ফলন কৃষকের প্রত্যাশাকেও ছাপিয়ে গেছে। মাছের পাশাপাশি ধান থেকেও ভালো আয়ের আশা করছেন তাঁরা।

    ডুবোচর ঘুরে দেখা গেছে, সোনালি রঙের পাকা ধানের ভারে নুয়ে পড়েছে গাছ। মাঠে কৃষকেরা ব্যস্ত ধান কাটতে। কেউ মাঠ থেকে ধান তুলে এনে স্তূপ সাজাচ্ছেন। কেউ কেউ ট্রাক্টরে ধান বোঝাইয়ে ব্যস্ত। কৃষকদের মতে, চরের প্রায় ৫০০ কানি (১৬০ শতকে ১ কানি) আবাদি জমিতে এ বছর ধান উঠবে অন্তত ৩০ হাজার মণ বা ১ হাজার ২০০ টন। কৃষকেরা যেটিকে বাম্পার ফলন বলে উল্লেখ করেছেন।

    কৃষকেরা জানিয়েছেন, ডোবাচরে এ বছরই প্রথম এত বেশি পরিমাণে চাষ হলো। গত মৌসুমে পরীক্ষামূলক চাষে বাজিমাত হয়েছে বলেই এবার চাষ বেড়েছে বহুগুণে। আগামী মৌসুমগুলোতে চাষ উত্তরোত্তর বাড়বে বলেই তাঁদের ধারণা। আমনের বাম্পার ফলন হলেও কৃষি বিভাগের কোনো মাঠ

    কর্মকর্তার দেখা পাননি বলে অভিযোগ রয়েছে কৃষকের। সন্দ্বীপের কৃষি কর্মকর্তা মো. মারুফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেছেন, ডুবোচরে তাঁর যাওয়া হয়নি, তবে সেখানকার আমনের ফলন সম্পর্কে তিনি জানেন।

    বাড়ছে ধানের চাষ

    কৃষকেরা জানিয়েছেন, গত মৌসুমে তাঁরা ধানের ফলন যাচাই করেছেন। জোয়ারের নোনাজলে ডুবে যায় বলে তাঁরা আমনের শতবর্ষী জাত ‘রাজাশাইল’ আবাদ করেছিলেন। খুব ভালো ফলন হওয়ায় এবার চাষ হয়েছে অন্তত ৫০০ কানি জমিতে, যা গতবারের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। চরের মধ্যভাগে নিজের জমিতে ধান কাটছিলেন মো. নুরুল ইসলাম (৫৫)। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এই চরের চাষ এক হাজার কানি ছাড়িয়ে যাবে।

    কৃষকেরা জানিয়েছেন, গত মৌসুমে তাঁরা ধানের ফলন যাচাই করেছেন। জোয়ারের নোনাজলে ডুবে যায় বলে তাঁরা আমনের শতবর্ষী জাত ‘রাজাশাইল’ আবাদ করেছিলেন। খুব ভালো ফলন হওয়ায় এবার চাষ হয়েছে অন্তত ৫০০ কানি জমিতে, যা গতবারের চেয়ে ১০ গুণ বেশি।

    জমিতে বিছিয়ে রাখা ধানের ছড়া স্তূপ করছিলেন মো. নুর উদ্দিন (৫০)। নুর উদ্দিন এ বছর ১২ কানি জমিতে চাষ করে ভালো লাভের আশা করছেন। ভবিষ্যতে তিনি ২০ কানি জমিতে আমন লাগানোর স্বপ্ন দেখছেন। নুর উদ্দিন, নুরুল ইসলামদের মতো প্রায় সব চাষির আশা, তাঁরা ভবিষ্যতে আরও বেশি আমনের চাষ করবেন।

    ধানে আর মাছে সাফল্য

    ডুবোচরে গিয়ে দেখা গেল, মাঠজুড়ে সোনালি ধান নিয়ে কৃষকের তৎপরতা। তবে কেবল ধান নিয়েই এখানে কৃষকের কারবার থেমে নেই। ধানের জমিতে মাছও চাষ করছেন। অনেক কৃষক মাছ চাষ করবেন বলে ধান লাগিয়েছিলেন। দুটিতেই এসেছে সাফল্য।

    তালিম হোসেন পূর্বপুরুষের জমিতে ফিরে চাষ শুরু করেছেন। ১২ কানি জমিতে ধান চাষ করেছেন তিনি। একই জমিতে মাছও ছেড়েছিলেন। এবার তিনি মাছ বিক্রি করেছেন প্রায় ২২ লাখ টাকার মতো। ভবিষ্যতে চাষ আরও বাড়াবেন। মাছের বিক্রিও বাড়বে বলে আশা তাঁর।

    ডুবোচরে ফলন বেশি

    জোয়ারের সঙ্গে ডুবোচরে পলি জমা হয় প্রতিবছর। আর এ কারণেই এখানকার জমি উর্বর। পাশের সবুজচর ও স্বর্ণদ্বীপের জমিতে এখন আর নতুন পলি জমে না। যত দিন পলি জমার সুযোগ পাবে, তত দিন উর্বরতা থাকবে অক্ষুণ্ন। ধানের ফলন যেমনি বেশি হবে, তেমনি মাছের আনাগোনাও থাকবে বেশি। এমন তথ্যই দিয়েছেন কৃষকেরা। তালিম হোসেন স্নাতক শেষ করে এখানে চাষে নেমে উপার্জন করছেন লাখ লাখ টাকা। তিনি বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, পলি জমতে পারে বলেই বাম্পার ফলন হচ্ছে আমনের। ক্রমে চর উঁচু হয়ে জোয়ারে ডুবে যাওয়া বন্ধ হবে। তখন মাছ আহরণ আর ধানের ফলনে ভাটা পড়বে।

    বি / এ

  • ফটিকছড়িতে গুলি করে টাকা ছিনতাই

    ফটিকছড়িতে গুলি করে টাকা ছিনতাই

    ডেস্ক নিউজ:

    চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার ভূজপুর ইউনিয়নের রাবার ড্যামের পশ্চিম পাশে রঈপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ব্যবসায়ীর অভিযোগ, মোটরসাইকেল আরোহী দুই দুর্বৃত্ত এ ঘটনায় জড়িত ।

    গুলিবিদ্ধ ওই ব্যবসায়ীর নাম মো. রমজান আলী (৪২)। তিনি মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশের এজেন্ট। পাশাপাশি বাজারে তাঁর কুলিং কর্নার রয়েছে। তাঁর পায়ে গুলি লেগেছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতিদিনের মতো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন রমজান আলী। তবে মাঝপথে তাঁর মোটরসাইকেলের গতিরোধ করেন দুজন মোটরসাইকেল আরোহী। এরপর ওই মোটরসাইকেলে থাকা একজন রমজান আলীকে অতর্কিত গুলি করে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেন। পরে তাঁরা পালিয়ে যান। গুলির শব্দ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা এসে রমজান আলীকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন।

    জানতে চাইলে ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুল হক বলেন, ‘ওই বিকাশ ব্যবসায়ী দোকান থেকে বের হলে তাঁর পিছু নেন মোটরসাইকেল আরোহী দুই ছিনতাইকারী। আমরা ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি।’

    বি/ এ

  • মিরসরাইয়ে খেজুরগাছ থেকে পড়ে শিবির নেতার মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজ:

     

    চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে খেজুরগাছ থেকে পড়ে সাইফুল্লাহ মনোয়ার হোসেন (১৯) নামে এক ছাত্রশিবির নেতার মৃত্যু হয়েছে। আজ দুপুরে উপজেলার কাটাছড়া ইউনিয়নের বামনসুন্দর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    উপজেলার কাটাছড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ জকি উদ্দিন মিজিবাড়ি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা নুরের সালামের ছেলে।

    সুফিয়া নূরিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবদুল হক সিরাজী জানান, সাইফুল্লাহ মনোয়ার হোসেন সুফিয়া মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। আজ খেজুরগাছে উঠতে গিয়ে পুকুরের পানিতে পড়ে যান তিনি। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    ছাত্রশিবির মিরসরাই উত্তরের সভাপতি জাহিদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, সাইফুল্লাহ মনোয়ার হোসেন ছাত্রশিবিরের কাটাছড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। আজ বিকেলে রসের জন্য খেজুরগাছ কাটতে উঠলে নিচে পুকুরের পানিতে পড়ে যান তিনি। সেখান থেকে এক ঘণ্টা পর তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।

    এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হালিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    বি / এ

  • ধর্ম থেকে রাজনীতি বিচ্ছিন্ন করলে চেঙ্গিস খানের বর্বরতা বিরাজ করবে: ধর্ম উপদেষ্টা

    ধর্ম থেকে রাজনীতি বিচ্ছিন্ন করলে চেঙ্গিস খানের বর্বরতা বিরাজ করবে: ধর্ম উপদেষ্টা

    ডেস্ক নিউজঃ

    ধর্ম থেকে রাজনীতি বিচ্ছিন্ন করলে চেঙ্গিস খানের বর্বরতা বিরাজ করবে এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ ছাড়া রাষ্ট্র ও সমাজ টিকে থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। রোববার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে শানে সাহাবা জাতীয় খতিব ফাউন্ডেশন জেলা ও মহানগর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত ইমাম খতিব সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, আমরা রাজনীতিকে সমাজ ব্যবস্থাপনায় যুক্ত করতে চাই। আমাদের রাজনীতি, সমাজ, কূটনীতি সব জায়গায় আমরা একটা ধর্মীয় আবেগ জাগ্রত করতে চাই। ধর্ম বাদ দিলে আমরা যেকোনো সময় বিপদে পড়তে পারি।

    ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, গণতন্ত্র হোক, রাজতন্ত্র হোক, ধর্ম থেকে রাজনীতি, সমাজ ব্যবস্থা যদি আলাদা হয় এবং ধর্ম থেকে বিশ্লেষণ যদি আলাদা হয় তাহলে চেঙ্গিস খানের বর্বরতা বিরাজ করবে।তিনি বলেন, দায়িত্বশীলদের অনুরোধ করব ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব ও খাদেমদের জাতীয় পে-স্কেলের আওতায় সম্মানজনক বেতন এবং উৎসব ভাতা প্রদান করবেন। সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন- শানে সাহাবা জাতীয় খতিব ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ মুফতি শামীম মজুমদার, মহাসচিব মুফতি শরীফ উল্লাহ তারেকী ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক আশেকুর রহমান প্রমুখ।

    আর আই খান

  • ডেঙ্গুতে একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭৭৮

    ডেঙ্গুতে একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭৭৮

    ডেস্ক নিউজ:

     

    সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ৮ জন মারা গেছেন। একই সময় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৭৮ জন।

    রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, মারা যাওয়া ৮ জনের মধ্যে সিটি করপোরেশনের বাইরে ময়মনসিংহ বিভাগে ৩ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২ জন এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে ১ জন করে রয়েছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় যারা ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তাদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৮৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৩৪ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১২১ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১২৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৮১ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১১২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৪ জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৮ জন, রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৯ জন ও সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৭ জন রয়েছেন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১১১১ জন ডেঙ্গুরোগী। এ নিয়ে চলতি বছর আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৪২ জন।

    ২০২৪ সালে দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের। এর আগের বছর ২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে মারা যান সর্বোচ্চ এক হাজার ৭০৫ জন এবং আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।

    বি / এ

  • ভূমিকম্প মধ্যেই এবার ঘূর্ণিঝড়ের আভাস

    ভূমিকম্প মধ্যেই এবার ঘূর্ণিঝড়ের আভাস

    বিডিনিউজ ডেস্ক: ভূমিকম্প নিয়ে সারাদেশে মানুষের আতঙ্কের মধ্যেই এবার ঘূর্ণিঝড়ের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
    পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সুস্পষ্ট লঘুচাপ অবস্থান করছে। এটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আরও ঘনীভূত হতে পারে এবং আগামীকাল সোমবার নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এরপর সেটি গভীর নিম্নচাপে রূপ নিয়ে পরিণত হতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে।
    রোববার সন্ধ্যায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. ওমর ফারুক এক গণমাধ্যমকে বলেন, এখন যে সুস্পষ্ট লঘুচাপটি রয়েছে, এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। আগামীকাল নিম্নচাপে রূপ নেবে। এর প্রভাবে মাসের শেষ দিকে সারাদেশে বৃষ্টিও হতে পারে।
    সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি কোথায় আঘাত হানবে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে এটি ভারতের ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ কিংবা আমাদের চট্টগ্রাম দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে। সেক্ষেত্রে ভারত ও বাংলাদেশ দুদেশের ওপরই প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গভীর নিম্নচাপ হলে আরও নিশ্চিত করে বলা যাবে।
    আবহাওয়া নিয়ে গবেষণা করা মোস্তফা কামাল পলাশ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে লিখেছেন, বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির প্রবল আশঙ্কা করা যাচ্ছে। লঘুচাপটি পর্যায়ক্রমে নিম্নচাপ, গভীর নিম্নচাপ ও সর্বশেষে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। সর্বশেষ আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে শুরু করে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম উপকূলের মধ্যবর্তী যেকোনো স্থানের ওপর দিয়ে উপকূলে আঘাত হানতে পারে।
    সম্ভাব্য এ ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ৩০ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হতে পারে
    M