ক্যাটাগরি চট্টগ্রাম বিভাগ

  • পিকআপ ভ্যান উল্টে দুজন নিহত

    পিকআপ ভ্যান উল্টে দুজন নিহত

    ডেস্ক নিউজ:

    চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া এলাকায় পানবোঝাই একটি পিকআপ ভ্যান উল্টে দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও একজন। গতকাল শনিবার রাত ১০টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত ব্যক্তিরা হলেন কমল চৌধুরী (৫৩) ও সমীর চৌধুরী (৫৪)। আহত হয়েছেন উজ্জ্বল চৌধুরী (৪৯)। এর মধ্যে সমীর চৌধুরীর বাড়ি চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার পশ্চিম দেওয়াননগর এলাকায়। কমল চৌধুরী ও উজ্জ্বল চৌধুরীর বাড়ি পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও এলাকায়।

    হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, হতাহত ব্যক্তিরা পান ব্যবসায়ী। তাঁরা চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও এলাকা থেকে একটি পিকআপ ভ্যানে পান বোঝাই করে মিরসরাই উপজেলার মিঠাছড়া বাজারে যাচ্ছিলেন। রাত ১০টার দিকে তাঁদের পিকআপ ভ্যানটি সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর বাঁশবাড়িয়া এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিকআপটি উল্টে খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর তিনজনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে দুজনের মৃত্যু হয়। পিকআপ ভ্যানের চালক দুর্ঘটনার পর গাড়ি রেখে পালিয়ে গেছেন।

    বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল মোমিন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি প্রথম আ

    লোকে বলেন, নিহত ব্যক্তিদের লাশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। গতকাল দিবাগত রাত ১২টার দিকে দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইনে সীতাকুণ্ড থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

  • এ কেমন শত্রুতা!

    এ কেমন শত্রুতা!

    ডেস্ক নিউজ:

    মতলব দিক্ষন উপজেলার  নলুয়া গ্রামে মোজাম্মেলের একবিঘা জমির কুমড়ার গাছ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাতে কুমড়ার গাছ কেটে দিয়েছে দূবিত্তরা।

    এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের ছেলে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তার দাবি, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে একই বাড়ির মৃত জমির হোসেন প্রধানের ছেলে বিপুল প্রধান এই কাজ করেছে।

    খবর পেয়ে মতলব দক্ষিণ থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হাই শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) কৃষক মোজাম্মেল প্রধানের ক্ষতিগ্রস্ত কুমড়ার ক্ষেতটি পরিদর্শন করেন।

    কৃষক মোজাম্মেল প্রধান বলেন, ধার দেনা করে ২৫ হাজার টাকার বিনিময় এক বছরের চুক্তিতে একই এলাকার মৃত জুনাব আলী প্রধানের ছেলে সোলায়মান প্রধানের কাছ থেকে ৩৬ শতাংশ জমি লিজ নেন। ওই জমিতে কুমড়ার আবাদ করা হয়। ইতিমধ্যে সকল গাছে ফুল এসেছে এবং কিছু কিছু গাছে ছোট ছোট কুমড়াও ধরেছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে তার। আগামী জানুয়ারিতে এই ফসল বাজারে বিক্রি করতে পারতেন।। এ অবস্থায় শুক্রবার রাতে শিকড়সহ কুমড়া গাছগুলো উঠিয়ে ফেলেছে।

    মোজাম্মেলের ছেলে রাকিব প্রধান বলেন, একই বাড়ীর মৃত জমির হোসেন প্রধানের ছেলে বিপুল প্রধানদের সাথে জমি জমা নিয়ে আমাদের বিরোধ চলছিল। গত বুধবার উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় এবং একপর্যায়ে আমাকে মারধর করার চেষ্টা করে। শুক্রবার রাতে আমাদের জমির আশে পাশে তাকে ( বিপুল) ঘুরতে দেখা যায়। আমাদের ধারনা সেই আমার চাষকৃত মিষ্টি কোমড়া গাছগুলো উঠিয়ে ফেলেছে।

    মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাফিজুর রহমান মানিক বলেন,‘এ সংক্রান্ত বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়েছে। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

     

  • কুরুকপাতা বৌদ্ধ বিহার উদ্বোধন উপলক্ষে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

    কুরুকপাতা বৌদ্ধ বিহার উদ্বোধন উপলক্ষে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

    ডেস্ক নিউজঃ

    আলীকদমের দুর্গম এলাকায় কুরুকপাতা বৌদ্ধ বিহার উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্ট/২০২৫-এর ফাইনাল খেলা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আলীকদম সেনা জোনের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত এ টুর্নামেন্টে বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৪টি দল অংশগ্রহণ করে।

    শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

    রোমাঞ্চকর ফাইনাল খেলায় কুরুকপাড়া যুব একাদশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে এবং কালিয়ারছড়া একাদশ রানার্সআপ হিসেবে নির্বাচিত হয়। ফাইনাল শেষে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেনদনপাড়া আর্মি ক্যাম্পের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ মুরতাসিম ফুয়াদ।

    আলীকদম সেনা জোনের পক্ষ থেকে চ্যাম্পিয়ন দলকে ৫ হাজার টাকা ও একটি ফুটবল এবং রানার্সআপ দলকে ৩ হাজার টাকা ও একটি ফুটবল পুরস্কার হিসেবে প্রদান করা হয়। টুর্নামেন্টটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে স্থানীয় জনগণের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল।

    এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজনের মাধ্যমে পার্বত্য এলাকায় সামাজিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য আরও জোরদার হবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন।

    এম কে

     

  • অবৈধ ভাবে পাহাড় কাটার দায়ে প্রশাসনের অভিযানে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

    অবৈধ ভাবে পাহাড় কাটার দায়ে প্রশাসনের অভিযানে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

    ডেস্ক নিউজঃ

    পরিবেশ সংরক্ষণ ও পাহাড় ধস প্রতিরোধে আলীকদম উপজেলায় অবৈধ পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সেনাজোন ও উপজেলা প্রশাসন। এ অভিযানে পাহাড় কাটার দায়ে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে আলীকদম সেনা জোনের আওতাধীন জোন সদর থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে পাহাড়তলী পাড়া এলাকায় ক্যাপ্টেন মো. হিরবল উম্মা হামিমের নেতৃত্বে রাত ১২টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত এ অভিযান চলে।অভিযানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মমনজুর আলম নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

    এই সময় স্কেভেটর দিয়ে অবৈধভাবে পাহাড় কেটে মাটি উত্তোলনের দায়ে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৪(ঙ) ধারায় দুইজনকে মোট ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া পাহাড় কাটায় ব্যবহৃত তিনটি ছোট ট্রাক ও একটি স্কেভেটরের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে প্রতিটি যানবাহনের জন্য ১ লাখ টাকা করে মোট ৪ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়।

    অভিযুক্ত ব্যক্তি ও আটক যানবাহনগুলো আলীকদম থানা পুলিশের সহায়তায় থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানা পরিশোধ না করলে যানবাহনগুলো জব্দ করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

    আলীকদম জোন কমান্ডার জানান, পাহাড়ের নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। সেনা জোন ও প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্থানীয় জনগণ ও বিভিন্ন মহল সাধুবাদ জানিয়েছে।

    এম কে

  • নাইক্ষ্যংছড়িতে প্রায় ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

    নাইক্ষ্যংছড়িতে প্রায় ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

    ডেস্ক নিউজঃ

    বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনস্থ নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) সীমান্ত নাফনদী ঘেঁষা দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান দমন, মাদক প্রতিরোধ এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে দীর্ঘদিন ধরে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে আসছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুর আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের দিকে ব্যাটালিয়ন সদরের একটি বিশেষ টহলদল বড় জামছড়ি এলাকার পাহাড়ি পথ থেকে মালিকবিহীন পড়ে থাকা ৯ হাজার ৮৫০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার সিজার মূল্য ধরা হয়েছে ২৯ লাখ ৫৫ হাজার টাকা।বিজিবি সূত্রে জানা যায়, টহলদল সীমান্তবর্তী বড় জামছড়ি এলাকায় সন্দেহজনক নড়াচড়া লক্ষ্য করে অভিযান চালায়। টহলের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারীরা ইয়াবার ব্যাগটি ফেলে পাহাড়ি ঝোপঝাড়ের ভেতর পালিয়ে যায়। পরে এলাকাটি তল্লাশি করে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস কে এম কফিল উদ্দিন কায়েস বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার রোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আমাদের টহলদল নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারি ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া প্রণয়নের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।

    এম কে

     

  • বান্দরবানে ৯৫ শতাংশ হোটেল আগাম বুকড

    বান্দরবানে ৯৫ শতাংশ হোটেল আগাম বুকড

    ডেস্ক নিউজঃ

    বান্দরবানের প্রায় ৯৫ শতাংশ হোটেলের আগাম বুকিং হয়ে গেছে। ১৬-২৫ ডিসেম্বর জেলায় ব্যাপক পর্যটক সমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) জেলা সদরের হোটেল মালিকদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়।

    পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, বছরজুড়ে কম-বেশি প্রকৃতিপ্রেমী ভ্রমণ পিপাসু পর্যটকরা ভিড় জমান পাহাড়কন্যা খ্যাত এ অপরূপা বান্দরবানে। বিশেষ ছুটির দিন ও শীত মৌসুমে তা বাড়ে কয়েকগুণ। অদ্ভুত কারণে গত কয়েক বছর জেলার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার কারণে পর্যটক সমাগম কমে গিয়েছিল। তবে বর্তমানে সব পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণে কোনো প্রকার বিধিনিষেধ না থাকায় জেলায় পর্যটকের সমাগম বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে ভ্রমণে এসে আবাসন নিশ্চিত করতে ১৬-২৫ ডিসেম্বরের জন্য ৯৫ শতাংশ আগাম হোটেল বুকড করে নিয়েছে ভ্রমণ প্রত্যাশীরা।হোটেল গ্র্যান্ড ভ্যালির ম্যানেজার আক্কাছ উদ্দিন বলেন, ‘হোটেলে ৪৫টি কক্ষ রয়েছে। এরমধ্যে আগামী ১৬-২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত কক্ষগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশ আগাম বুকিং নিয়ে রেখেছে ভ্রমণ প্রত্যাশীরা।’হোটেল হিল্টনের ম্যানেজার তপন বড়ুয়া বলেন, ‘তাদের হোটেলেও ওই দিনগুলোতে প্রায় ৮০ শতাংশ বুকিং হয়ে গেছে।’হিলভিউ হোটেলের ম্যানেজার মাসুদ পারভেজ বলেন, ‘বর্তমানেও তাদের হোটেলের ৪০ শতাংশ কক্ষে পর্যটক রয়েছে। তবে ১৬-২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ আগাম বুকিং নিয়ে রেখেছে ভ্রমণ প্রত্যাশীরা।’হোটেল গার্ডেন সিটির মালিক মো. জাফর বলেন, চলতি মাসজুড়ে তাদের হোটেলে ভাল পর্যটকের সাড়া পেয়েছিলেন। মাসের আগামী দিনগুলোতেও গড়ে ৭০-৮০ শতাংশ কক্ষ আগাম বুকিং নিয়ে রেখেছে ভ্রমণ প্রত্যাশীরা।বান্দরবান হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দিন বলেন, চলতি ডিসেম্বরে পর্যটন খাত নতুন করে গতি পেয়েছে। তিনি আশা করছেন, আগাম বুকিংয়ের এ প্রবণতা স্থানীয় পর্যটন ও আবাসন খাতের পূর্বের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    এম কে

  • টেকনাফে সুখবর পেলেন মহিলাদল নেত্রী

    টেকনাফে সুখবর পেলেন মহিলাদল নেত্রী

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কক্সবাজারের টেকনাফে এক মহিলাদল নেত্রীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়া ‎মরজিনা আক্তার সিদ্দিকী কক্সবাজার জেলা মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন।

    ‎সম্প্রতি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

    ‎এ বিষয়ে মর্জিনা আক্তার সিদ্দিকী বলেন, ২০২৪ সালের শুরুতে আওয়ামী লীগ আমলে দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে উপজেলা পরিষদের নির্বাচন করি, তখন দল থেকে আমাকে বহিষ্কার করে। সে সময় থেকেই দলের কার্যক্রমের বাহিরে ছিলাম। তবে বেশ কিছুদিন দিন ধরে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। একপর্যায়ে আমি ঢাকায় গিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভুল স্বীকার করলে দল ক্ষমা করে বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করেছে।

    তিনি আরও বলেন, আমি বেশ খুশি। এখন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে কাজ করে যাব।

    এআর/নিই

  • চকরিয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থীর বাড়িতে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ

    চকরিয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থীর বাড়িতে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুকের বাড়িতে গিয়েছেন একই আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলটির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। ফারুকের পিতা নুরুল কবিরে (৭০) মৃত্যুতে শোক ও সমবেদনা জানাতে তার চকরিয়ার হারবাংস্থ বাড়িতে যান তিনি।

    গত মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে সালাহউদ্দিন আহমদ এবং তার স্ত্রী বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, সাবেক সাংসদ এডভোকেট হাসিনা আহমেদ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুকের বাড়িতে উপস্থিত হন।

    এর আগে এদিন তিনি কক্সবাজারের চকরিয়ার খুটাখালী, ডুলাহাজারা ও ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দীর্ঘ ১৭ বছর পর ধানের শীষের পক্ষে নিজ এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগে করেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

    উল্লেখ্য, সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে আব্দুল্লাহ আল ফারুকের পিতা নুরুল কবির মৃত্যুবরণ করেন। একই দিন বাদে মাগরিব হারবাং উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মরহুমের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।

    এআর/নিই

  • নতুন শহরের জন্ম হবে মহেশখালী ও মাতারবাড়ীতে

    নতুন শহরের জন্ম হবে মহেশখালী ও মাতারবাড়ীতে

    প্রধান উপদেষ্টাকে মিডা

    নতুন শহরের জন্ম হবে মহেশখালী ও মাতারবাড়ীতে

    সিঙ্গাপুর ও সাংহাইয়ের মতো বন্দরকেন্দ্রিক টাউনশিপে রূপান্তরের পরিকল্পনা।

    প্রকল্প সম্পন্ন হবে তিন ধাপে, ২০২৫ থেকে ২০৫৫ সালের মধ্যে।

    প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান হবে প্রায় ২৫ লাখ মানুষের।

    বিডিটাইম ডেস্কঃ

    কক্সবাজারের মহেশখালী-মাতারবাড়ীকে সিঙ্গাপুর ও সাংহাইয়ের মতো উন্নত আধুনিক বন্দরকেন্দ্রিক টাউনশিপে রূপান্তরের পরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (মিডা) নামে আলাদা একটি কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত মিডা মহেশখালী-মাতারবাড়ীর সমন্বিত উন্নয়ন নিয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করতে যাচ্ছে।

    বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন (আশিক চৌধুরী) মিডার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মহেশখালী- মাতারবাড়ী প্রকল্পের ওপর একটি প্রেজেন্টেশন দেন। প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠক আরও উপস্থিত ছিলেন মিডার সদস্য কমোডর তানজিম ফারুক ও মো. সারোয়ার আলম এবং প্রধান উপদেষ্টার এসডিজি-বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ ও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব মো. সাইফুল্লাহ পান্না।

    আশিক চৌধুরী তাঁর প্রেজেন্টেশনে মিডার চার মাসের কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, প্রকল্পটি তিন ধাপে সম্পন্ন হবে—প্রথম ধাপ ২০২৫ থেকে ২০৩০, দ্বিতীয় ধাপ ২০৩০ থেকে ২০৪৫ এবং তৃতীয় ধাপ ২০৪৫ থেকে ২০৫৫ পর্যন্ত। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রায় ২৫ লাখ লোকের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান হবে এবং জিডিপিতে ১৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যুক্ত হবে বলে জানান তিনি।

    এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘শুধু গভীর সমুদ্রবন্দর নয়, আমাদের একটা ব্লু ইকোনমি গড়ে তোলার ভিশন নিয়ে কাজ করতে হবে। ওই এলাকা শুধু একটা ফ্যাসিলেটিং জোন হিসেবে না, বরং সেখানে একটা নতুন শহরের জন্ম হবে। সেখান থেকে আমাদের আন্তর্জাতিকভাবে কানেক্টিভিটি তৈরি হবে। সমুদ্রই হবে বিশ্বের পথে আমাদের মহাসড়ক।’

    গভীর সমুদ্র নিয়ে গবেষণার ওপর বিশেষভাবে জোর দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। মহেশখালী অঞ্চলে একটি আন্তর্জাতিক মানের ট্রেনিং ফ্যাসিলিটি গড়ে তোলার ওপরেও জোর দেন তিনি। এ ক্ষেত্রে বিশ্বে যাঁরা বিশেষজ্ঞ আছেন, প্রয়োজনে তাঁদের কাছ থেকে সহযোগিতা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

    ড. ইউনূস বলেন, ‘আমরা সমুদ্র জগতে কখনো প্রবেশ করিনি। ওটা নিয়ে চিন্তাও করিনি। এ বিষয়ে গবেষণা, ফাইন্ডিংস নেই। এ সম্পর্কিত কী কী গবেষণা রয়েছে, অন্য দেশের গবেষণাপত্র, যেটা আমাদের সাথেও মিলবে ভালো, সেগুলো খুঁজে বের করতে হবে এবং নিজস্বভাবে গবেষণা করতে হবে। এ জন্য প্রতিষ্ঠান দরকার। একাডেমিয়া গড়ে তুলতে হবে, ওশান ইকোনমি নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স আয়োজন করতে হবে।’

    এর পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণের ওপরও জোর দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। বৈঠকে ইকো ট্যুরিজম পার্ক করার বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সেখানের বনভূমি এখন কী অবস্থায় আছে, ভবিষ্যতে আমরা বনভূমিগুলোকে কী অবস্থায় দেখতে চাই, সেই পরিকল্পনাও করতে হবে।’

    সম্প্রতি আশিক চৌধুরী রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মাতারবাড়ী ও মহেশখালীকে নিয়ে মিডার পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

    আশিক চৌধুরী বলেন, ‘আমরা এটাকে টাউনশিপ হিসেবে দেখতে চাই। পৃথিবীর সবচেয়ে সাকসেসফুল ডিপ সি পোর্টসহ টাউনশিপ হচ্ছে সিঙ্গাপুর। আরেকটা পোর্টের কথা প্রায়ই উঠে আসে, সেটা হচ্ছে সাংহাই। মনে করেন, আমরা বাংলাদেশের একটা সিঙ্গাপুর করতে চাই বা বাংলাদেশের ভেতরে একটা সাংহাই পোর্ট করতে চাই।’

    মিডার চেয়ারম্যান বলেন, ‘৩০ বছর পরে আমরা এই মহেশখালী-মাতারবাড়ী এলাকাটাকে সিঙ্গাপুর বা সাংহাইয়ের মতো করে দেখতে চাই। এটা কোনো নৌযানের শহর না, এটা একটা স্যাটেলাইট শহর না। এটা হবে শহরতলি, চট্টগ্রামের মতো আরেকটা সম্প্রসারিত শহর; যেটা সংস্কারকৃত এবং নতুন ধরনের।’

    চারটি পিলারের ওপর ভিত্তি করে প্রকল্প পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে বলে জানান আশিক চৌধুরী। পিলারগুলো হলো—গভীর সমুদ্রবন্দর ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা; সুবিধা প্রদান কেন্দ্র, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং সামুদ্রিক মাছ ধরার কেন্দ্র। এ প্রকল্প ৩টি ধাপে ২০২৫ থেকে ২০৫৫ সাল পর্যন্ত কাজ করবে বলে জানান তিনি।

    আশিক চৌধুরী বলেন, ‘তিনটা পিরিয়ডে এই প্রকল্পকে ২০২৫ থেকে ২০৫৫ সাল পর্যন্ত সাজাতে পারেন। প্রথম পাঁচ বছরকে আমরা বলছি বিকাশকাল; এই সময়ে ফাউন্ডেশনের কাজ, সড়ক সংযোগের কাজ করা হবে। এরপরের সময়টা হচ্ছে পরিবেশ উন্নয়নকাল; সেখানে আমরা বন্দর উন্নয়নের কাজগুলো শেষ করব। সঙ্গে সঙ্গে কিছু শিল্পকারখানা দাঁড়িয়ে যাবে। এটা ২০৪৩-৪৪ সাল পর্যন্ত হবে বলে আমরা আশা করছি। চূড়ান্ত পর্যায়ে আমরা শেষ ১০ বছর একটি পর্যটনের কথা চিন্তা করতে পারি।’

    আশিক চৌধুরী উল্লেখ করেন, মাতারবাড়ী-মহেশখালী অঞ্চলকে এমন বহুমাত্রিক প্রকল্পের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে কয়েকটি প্রতিযোগিতামূলক কারণে। এর মধ্যে রয়েছে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় খসড়া (ড্রাফট); বিদ্যুৎ, জ্বালানি, উৎপাদন ও ভারী শিল্প এবং সামুদ্রিক ও মৎস্যশিল্পের জন্য সমন্বিত একটি পরিবেশ গড়ে তোলার উপযোগী নিকটবর্তী ভূমি।

    আশিক চৌধুরী বলেন, এই পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। জাইকার এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, আগামী ২০ থেকে ৩০ বছরে এ প্রকল্পে ৬০ থেকে ৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ হতে পারে। সূত্রঃ দৈনিক আজকের পত্রিকা

    এআর/নিই

  • কক্সবাজারে ডেঙ্গু আক্রান্তের ৭৪ শতাংশের বেশি রোহিঙ্গা

    কক্সবাজারে ডেঙ্গু আক্রান্তের ৭৪ শতাংশের বেশি রোহিঙ্গা

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কক্সবাজার জেলায় ডেঙ্গু রোগে মোট আক্রান্তের ৭৪ শতাংশের বেশি রোহিঙ্গা বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিভাগ। একই সঙ্গে মোট মৃত্যুর ৯০ শতাংশের বেশি রোহিঙ্গা নাগরিক বলেও উল্লেখ করা হয়। কক্সবাজার জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত পরিসংখ্যানে এমন তথ্য উঠেছে।

    প্রাপ্ত তথ্য মতে, চলতি বছর কক্সবাজার জেলায় ৭ হাজার ৭১৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ৭২০ জন রোহিঙ্গা নাগরিক। আক্রান্তের হার ৭৪ দশমিক ১২ শতাংশ। এ সময়ের মধ্যে জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। যেখানে ১০ জন রোহিঙ্গা ও একজন স্থানীয় বাংলাদেশি। ফলে মৃত্যু হারে রোহিঙ্গার হার ৯০ দশমিক ৯০ শতাংশ।

    কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদুল হক জানান, ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ফিল্ড হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়েছে। চিকিৎসক ও নার্সদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে কক্সবাজার শহর, রোহিঙ্গা শিবির ও আশপাশের এলাকায় এডিস মশার প্রজনন ঠেকাতে ময়লা-আবর্জনা, প্লাস্টিক পণ্য, নালা-নর্দমা, খাল-বিল পরিষ্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি আগের চেয়ে উন্নতি হয়েছে বলে জানান তিনি।

    তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় ঘনবসতি, বর্জ্য, জমে থাকা আবর্জনা এবং বিভিন্ন নালায় পানি জমে থাকায় মশার উপদ্রব বাড়াতে সাহায্য করছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উষ্ণ তাপমাত্রা মশা এবং অন্যান্য রোগ বহনকারী জীবের প্রজনন ও বেঁচে থাকার জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে, যা মশার উপদ্রব বাড়াতে ভূমিকা রাখছে। ফলে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর হার উভয়ই বেশি। সূত্রঃকালবেলা

    এআর/এনই