ক্যাটাগরি চট্টগ্রাম বিভাগ

  • জামায়াতের রূপকল্পে অগ্রাধিকার তরুণ ও নারীদের প্রত্যাশা

    জামায়াতের রূপকল্পে অগ্রাধিকার তরুণ ও নারীদের প্রত্যাশা

    ডেস্ক নিউজঃ

    আসন্ন সংসদ নির্বাচনের জন্য দলীয় ইশতেহার প্রস্তুত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ‘জনতার ইশতেহার’ শিরোনামে এ ইশতেহারে থাকছে জনগুরুত্বপূর্ণ ২৫ বিষয়ে সুস্পষ্ট অঙ্গীকার। এতে শিক্ষার উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার ও দুর্নীতিবিরোধী পরিকল্পনার পাশাপাশি তরুণ ও নারীসমাজের আকাঙ্ক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। গতানুগতিকতার বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে প্রস্তুত করা ইশতেহারটি ম্যানুয়ালি এবং ডিজিটাল মাধ্যমে তুলে ধরা হবে। এটি ভোটারদের মাঝে চমকপ্রদভাবে উপস্থাপনের জন্য অত্যাধুনিক ডিজাইনের কাজ চলছে। নির্বাচন কমিশন নির্দেশিত সময়ে অথবা দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০ জানুয়ারির পর এটি প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।

    দলীয় সূত্রমতে, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের নির্দেশনা এবং সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের তত্ত্বাবধানে গঠিত দলীয় কমিটির মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী এরই মধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে নির্বাচনি ইশতেহার। একই সঙ্গে ‘জনতার ইশতেহার’ অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মতামত গ্রহণ করা হয়। এসব মাধ্যমে অডিও-ভিডিওসহ প্রায় সাড়ে চার হাজার মতামত আসে। এসব মতামতের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ইশতেহারে তুলে ধরা হচ্ছে। অন্যান্য মতামত সংশ্লিষ্ট আর্কাইভে সংরক্ষিত থাকবে। যে কেউ সেটা দেখতে পারবেন।

    নির্বাচনি ইশতেহার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, সর্বশেষ ২০০৮ সালের নির্বাচনে ইশতেহার ঘোষণা করেছিল জামায়াত। এরপর দীর্ঘ সময় পার হয়েছে। তাই এবারের ইশতেহার হবে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে। বিভিন্ন চমকে ভরা ইশতেহারে তরুণ ও নারীদের চাওয়া-পাওয়াকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে

    তিনি বলেন, তিনভাবে প্রস্তুত করা হচ্ছে ‘জনতার ইশতেহার’। জনসাধারণের সহজে বোঝার সুবিধার্থে প্রথম পর্যায়ে থাকবে বুলেট পয়েন্ট। দ্বিতীয় পর্যায়ে ৪০-৫০ পৃষ্ঠার বই থাকবে। বিস্তারিত তথ্য থাকবে ডিজিটাল আর্কাইভে। পরে যে কেউ সেসব তথ্য দেখতে পারবেন। ইশতেহারে উপস্থাপন করা অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়নের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট টাইমলাইন দেওয়া হবে। এতে প্রথম ১০০ দিনের কর্মসূচি, ছয় মাস, এক বছর—ইত্যাদি পর্যায় উল্লেখ করা হবে।

    এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আরো বলেন, আমরা ইশতেহারটি ঘোষণার প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি। সব দলের ইশতেহার একই দিনে ঘোষণার জন্য সরকারকে প্রস্তাব দেওয়া আছে। তাদের সিদ্ধান্ত পেলে সেভাবে ঘোষণা দেওয়া হবে। অন্যথায় নিজেদের মতো করে তা প্রকাশ করা হবে।

    সূত্রমতে, নির্বাচনি ইশতেহার তৈরি করতে দলীয় গণ্ডির বাইরে দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ইঞ্জিনিয়ার, সাংবাদিক, চিকিৎসক, অর্থনীতিবিদসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের কাজে লাগানো হয়েছে। তাদের দেওয়া মতামতের ভিত্তিতেই এটি প্রস্তুত করা হয়েছে। অতীতের যেকোনো ইশতেহারের চেয়ে এটি ভিন্ন প্যাটার্নের। সব মতের লোকদের নিয়ে বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় জানানো হবে ইশতেহারে।

    দলীয় সূত্র জানায়, কেন্দ্রীয়ভাবে নির্বাচনি ইশতেহার প্রকাশ করা হলেও এর সঙ্গে সব আসনের প্রার্থীর পক্ষ থেকে আলাদাভাবে আঞ্চলিক ও তৃণমূলের পরিকল্পনাও তুলে ধরা হবে। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের মতামতের ভিত্তিতে পরিকল্পনাগুলো চূড়ান্ত করেছেন প্রার্থীরা।

    এ বিষয়ে কুমিল্লা-১০ আসনের প্রার্থী ইয়াসিন আরাফাত বলেন, আমার নির্বাচনি এলাকার বিভিন্ন সমস্যার আলোকে উন্নয়নমূলক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। যেমন আমার এলাকায় ফায়ার সার্ভিস নেই। উপজেলা পর্যায়ে ১০টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা করা হবে। রাস্তাঘাটের উন্নয়নে যেসব বরাদ্দ হবে, তার সব হিসাবের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। এভাবে শিক্ষা-স্বাস্থ্যের উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলছি।

    তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় বিষয় হলো—এ এলাকা থেকে সবচেয়ে বেশি মানুষ কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে যান। তাই প্রবাসে কর্মসংস্থানে আগ্রহীদের যথাযথ প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া সামাজিক বিচারব্যবস্থা এবং মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করব।

    ইশতেহারের বিষয়বস্তু সম্পর্কে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, এতে মৌলিক কিছু বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এর মধ্যে শিক্ষার উন্নয়নের ক্ষেত্রে নৈতিক ও কর্মমুখী শিক্ষার কথা বলা হবে। সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিতের বিষয় তুলে ধরা হবে। নারীদের সম্মান ও মর্যাদার অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। জুলাই বিপ্লবের পরিপ্রেক্ষিতে তরুণদের আকাঙ্ক্ষাকে প্রাধান্য দেওয়া হবে ইশতেহারে। সর্বোপরি এতে বিভাজনের রাজনীতিমুক্ত হয়ে সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার অঙ্গীকার থাকবে।

    সুত্রঃ আমারদেশ

  • লক্ষ্মীপুরে জামায়াত প্রার্থীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

    লক্ষ্মীপুরে জামায়াত প্রার্থীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

    ডেস্ক নিউজঃ লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের আমির ও লক্ষ্মীপুর-২  আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী এসইউএম রুহুল আমিন ভুঁইয়ার পক্ষে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন করা হয়েছে। এতে দিনব্যাপী ৫ শতাধিক মেডিসিন, শিশু, চর্ম ও যৌন, চক্ষু ও ডায়াবেটিক রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হবে।

    শনিবার  সকালে সদর উপজেলার রসুলগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চররুহিতা ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে দিনব্যাপী এ আয়োজন করা হয়েছে।

    চররুহিতা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ওমর ফারুকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের জামায়াতের প্রার্থী রুহুল আমিন ভুঁইয়া।

    রুহুল আমিন ভূঁইয়া বলেন, জামায়াত ইসলাম মানবিক সেবায় নিয়োজিত একটি আদর্শ ইসলামী সংগঠন। আমাদের ভিশনের শুরুর লাইনটি হলো মানবতার সেবা। মানবতার সেবা, দেশ পরিচালনায় যোগ্যতা অর্জন এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এই তিনটি কথা নিয়েই জামায়াত ইসলামীর ভিশন। এরমধ্যে শুরুটাই হলো মানবতার সেবা।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন রায়পুর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল আউয়াল রাসেল, আলিফ মীম হাসপাতালের চেয়ারম্যান আমির হোসেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন জেলা কমিটির সহ সেক্রেটারি আবুল বাশার, চররুহিতা ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আলী আহমেদ, রসুলগঞ্জ বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি শামছুল আলম রিটু প্রমুখ।

  • কবরস্থানে মিললো নতুন ৬ আগ্নেয়াস্ত্র

    কবরস্থানে মিললো নতুন ৬ আগ্নেয়াস্ত্র

    ডেস্ক নিউজঃ

    নোয়াখালীর একটি কবরস্থান থেকে নতুন ৫টি রাইফেল ও একটি এলজি উদ্ধার করেছে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ। রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাইয়াপুর ইউনিয়নের চন্দ্রগঞ্জ পূর্ব বাজারে এলাকায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়।

    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল অভিযান চালায় চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ। এসময় একটি কবরস্থান থেকে কাগজে মোড়ানো ৬টি প্যাকেটে উদ্ধার করা হয়। প্যাকেটে ৫টি রাইফেল ও ১টি এলজি ছিল।
    চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়জুল আজিম নোমান বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুরের সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়। অভিযানের সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। অস্ত্রগুলো জব্দ দেখানো হয়েছে। এই অস্ত্র কার তা জানা যায়নি। জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।গত ১ ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুরের পশ্চিম চন্দ্রগঞ্জ বাজারে একটি ওয়ার্কসপে অস্ত্র তৈরির সন্ধান মিলে। পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে একটি পিস্তল ও অস্ত্র তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম উদ্ধার করে।

  • ওয়ার্কশপের আড়ালে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি, যুবক গ্রেফতার

    ওয়ার্কশপের আড়ালে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি, যুবক গ্রেফতার

    ডেস্ক নিউজঃ লক্ষ্মীপুরে ওয়ার্কশপ ব্যবসার আড়ালে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করার ঘটনায় নুর উদ্দিন জিকু নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাঙ্গামাটির চন্দ্রঘোনা থানাধীন গহীন অঞ্চল থেকে লক্ষ্মীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাকে গ্রেফতার করে।

    জানা গেছে, গ্রেফতার জিকু নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাইয়ারপুর ইউনিয়নে জগদীশপুর গ্রামের আব্দুল গোফরানের ছেলে ও লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ পশ্চিম বাজারের নোহা অটো ট্রেডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের মালিক।

    জেলা পুলিশ জানায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমীর দিক নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাহাদাত হোসেন টিটোর নেতৃত্বে রাঙ্গমাটির চন্দ্রঘোনা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরিকারক নুরউদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি চন্দ্রগঞ্জ থানায় অস্ত্র আইনে দায়েরকৃত মামলার পলাতক আসামি ছিল। ১ ডিসেম্বর দুপুরে তার ওয়ার্কশপ থেকে ১টি দেশীয় অস্ত্র ও বিপুল অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। ওয়ার্কশপের আড়ালে তিনি সেখানে অস্ত্র তৈরি করতো। ওইদিন তার বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়। তবে তিনি পালিয়ে থাকায় তখন তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। ৬ দিন পর ৭ ডিসেম্বর সকালে গোয়েন্দা তথ্যেরভিত্তিতে নোয়াখালীর জগদীশপুর গ্রামের নুর উদ্দিনের বাড়ির কবরস্থান থেকে ৫টি দেশীয় ১ নলা বন্দুক ও একটি এলজি উদ্ধার করা হয়। অস্ত্রগুলো তার ওয়ার্কশপে প্রস্তুতকৃত। অস্ত্রগুলো নতুন ছিল।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, ওয়ার্কশপের আড়ালে নুরউদ্দিন আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করতো। তার দোকান ও বাড়ির কবরস্থান থেকে অস্ত্র, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে। ওই মামলায় অভিযান চালিয়ে তাকে রাঙ্গামাটি থেকে গ্রেফতার করা হয়।

  • মাছ-মুরগি-তরকারি রান্নায় গরুর চর্বি, জরিমানা ৫০ হাজার

    মাছ-মুরগি-তরকারি রান্নায় গরুর চর্বি, জরিমানা ৫০ হাজার

    ডেস্ক নিউজঃ লক্ষ্মীপুরে হোটলে মুরগি-মাছসহ তরকারি রান্নায় জমিয়ে রাখা গরুর চর্বি ব্যবহার করায় হোটেল মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। হোটেলে পচা ও বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগেরও সত্যতা মিলেছে।

    বুধবার  বিকেলে বিসমিল্লাহ হোটেলে এ অভিযান পরিচালনা করে ভোক্তা অধিকার ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।এদিকে একই মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার দায়ে একতা ফার্মেসি নামে এক দোকানিকে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    অভিযানে জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমুধু চক্রবর্তী ও জেলা ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক নুর হোসেন উপস্থিত ছিলেন। ভোক্তা অধিকার ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, হাসপাতালের সামনে বিসমিল্লাহ্ হোটেলে গরুর জমানো চর্বির তেল দিয়ে মাছ, মুরগির মাংসসহ বিভিন্ন তরকারি রান্নায় ব্যবহার করা হতো। এছাড়াও হোটেল থেকে মেয়াদ উত্তীর্ণ পাউরুটিসহ ফ্রিজ থেকে বাসি মাছ ও মাংস জব্দ করা হয়। এসব ঘটনায় হোটেল মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এসময় পচা ও বাসি খাবারসব বিভিন্ন মালামাল জব্দ করে বিনষ্ট করা হয়েছে।নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমুধু চক্রবর্তী বলেন, হাসপাতালে থাকা রোগী ও তাদের স্বজনরা এ হোটেলে খাবার খায়। কিন্তু হোটেলটির পরিবেশ নোংরা, ফ্রিজে বাসি খাবার সংরক্ষণ করা হয়েছিল। তাছাড়া গরুর চর্বির জমানো তেল দিয়ে রান্না করা হয়। এছাড়া একটি ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়া গেছে। দুই দোকানিকে জরিমানাসহ ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

  • সংকটে হাবুডুবু খাচ্ছে লক্ষ্মীপুর বিসিক শিল্পনগরীর সম্ভাবনা

    সংকটে হাবুডুবু খাচ্ছে লক্ষ্মীপুর বিসিক শিল্পনগরীর সম্ভাবনা

    ডেস্ক নিউজঃ

    লক্ষ্মীপুরে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনে (বিসিক) গড়ে ওঠেনি আশানুরূপ শিল্প-কারখানা। বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠার ২৮ বছর পরও বিভিন্ন সংকটে হাবুডুবু খাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। প্লট বরাদ্দ নিলেও অর্ধেক প্রতিষ্ঠানই উৎপাদনে যেতে পারেনি। অথচ মেঘনাপাড়ের এ জনপদে সস্তা শ্রম, দেশের ২১ জেলার সঙ্গে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ব্যাপক কৃষিপণ্য উৎপাদন হয়। বিসিকে পরিকল্পিত উন্নয়ন হলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে বদলে যাবে এ এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান, এমনটাই আশা স্থানীয়দের।এদিকে বিসিক এলাকায় গ্যাস-পানি সংকট, ভেতরের অংশে সড়ক খানাখন্দে ভরপুর, অপরিকল্পিত ড্রেনেজে ব্যবস্থা, লোডশেডিং, বাতিহীন ল্যাম্পপোস্ট ও নিরাপত্তা প্রাচীর না থাকা উদ্যোক্তাদের সমস্যার অন্যতম কারণ। এসব বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেও কার্যকর সুফল আসছে না বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, লক্ষ্মীপুর শহরে বাঞ্ছানগর এলাকায় ১৬ একর জমিতে ১৯৯৭ সালে শিল্পায়নের মাধ্যমে বেকার সমস্যা সমাধান ও অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলা হয়। ২০০০ সাল থেকে প্লট বরাদ্দ হয়। এরমধ্যে তিন স্তরে ৫৪টি শিল্প ইউনিটের জন্য ৯৯টি প্লট বরাদ্দ হয়। বর্তমানে ৩০টি ইউনিট চালু রয়েছে।

    লক্ষ্মীপুর-রায়পুর আঞ্চলিক মহাসড়ক থেকে বিসিকের দিকে একটু এগুলেই দেখা যায় বেশ কয়েকটি বড় গর্তে পানি জমে আছে। ভেতরে রাস্তা, ড্রেনেজ সমস্যা প্রকট। সড়কে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত; মালামাল পরিবহনে ট্রাক-পিকআপ ভ্যানসহ যানবাহন চলছে হেলেদুলে। ধুলাবালিতে একাকার। ড্রেনে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ জমে মশা-মাছির দাপট চলছে। বর্ষা এবং সামান্য বৃষ্টি হলে ভেতরে হাঁটু পানি জমে থাকে। ভেতরে ২০-২৫টি প্লট খালি রয়েছে। সেখানে আশপাশের লোকজন গরু-ছাগল চরায়। এছাড়া সীমানা প্রাচীর না থাকায় চুরি-ছিনতাইসহ অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। এখানে উল্লেখযোগ্য অয়েল মিল, বেকারি, চকলেট তৈরি, সয়াবিন প্রক্রিয়াকরণ, অটোরাইস মিল ও মবিল রিপ্যাকিং মিল রয়েছে।

    পশ্চিম লক্ষ্মীপুর এলাকার নারী শ্রমিক ফাতেমা বেগম জানান, বিসিকে তিনি প্রতিদিন হেঁটে আসেন। মাঝেমধ্যে রিকশা নিলেও ভেতরে আসতে চান না রিকশাচালক। একটু বৃষ্টি হলে হাঁটুপানি মাড়িয়ে আসা-যাওয়া করতে হয়।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক তরুণ উদ্যোক্তা জানান, এখানে পরিবেশ অনুকূলে রয়েছে। তবে সহজে আশানুরূপ ব্যাংকঋণ পাওয়া যায় না। অনেক সময় শ্রমিকের বেতন দিতেও হিমশিম খেতে হয়। এ অবস্থায় লোকসানের কারণে ফ্যাক্টরি বন্ধ রেখেছেন।

  • সরাইলে আন্তর্জাতিক অভিবাসী ও জাতীয় প্রবাসী দিবস পালন

    সরাইলে আন্তর্জাতিক অভিবাসী ও জাতীয় প্রবাসী দিবস পালন

    ডেস্ক নিউজ

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইলে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালন করা হয়েছে।

    ১৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ১১ টায় সরাইল উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে অনাড়ম্বর পরিবেশে দিবসটি পালন কর হয়।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়। র‍্যালী শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় যোগ দেয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমীন আক্তার।

    (বিস্তারিত…)

  • বাঞ্চারামপুরে সুন্নী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    বাঞ্চারামপুরে সুন্নী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    ডেস্ক নিউজ

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দরিয়াদৌলত দক্ষিণ কান্দাপাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘৬ষ্ঠ ঐতিহাসিক সুন্নী মহা সম্মেলন’।
    বুধবার (১৭ ডিসেম্বর ২০২৫) দরিয়াদৌলতের বালুর মাঠে এই বিশাল ধর্মীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কৃষকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ বলেন, “বিগত ১৫-১৬ বছর দেশে ধর্মীয় আলোচনা বা ইসলামী সম্মেলন করার ক্ষেত্রে নানা বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু গত ৫ আগস্টের পর ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতার নতুন সূর্য উদিত হয়েছে। আজ আমরা উন্মুক্ত পরিবেশে যে ধর্মীয় আলোচনা শুনতে পারছি, তা সম্ভব হয়েছে আলেম-ওলামাদের চোখের পানি ও ত্যাগের বিনিময়ে।”
    তিনি অভিযোগ করে বলেন, “বিগত ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার দেশের প্রতিটি গ্রামে-গঞ্জে আলেমদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে। মসজিদের মিম্বরে দাঁড়িয়ে আলেমরা কী খুতবা দেবেন, তা লিখিত আকারে ধরিয়ে দেওয়া হতো। কিন্তু আজ আলেমরা স্বাধীনভাবে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে কথা বলতে পারছেন।”
    যুব সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এই মাহফিলে তিনি তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে কঠোর হুঁশিয়ারি ও নসিহত পেশ করেন। তিনি বলেন, “ওয়াজ মাহফিল থেকে শিক্ষা নিয়ে বাড়ি ফিরতে হবে। আমাদের শপথ নিতে হবে—আমরা মাদকমুক্ত থাকব, মাদককে প্রশ্রয় দেব না, নিজেও খাব না এবং কাউকে বিক্রি করতেও দেব না। যেখানেই মাদক, সেখানেই যুব সমাজকে রুখে দাঁড়াতে হবে।”
    সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির আইন বিষয়ক সহ-সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মহসিন এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এইচ জেড শুকরী সেলিম চিসতি। এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সহ-সম্পাদক আবুল কালাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মাহমুদুল হাসান নাসির এবং এ,বি,এম আলী কাউসার (জামান)।
  • দেশ কাজী নাজমুল হোসেন তাপসের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

    দেশ কাজী নাজমুল হোসেন তাপসের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

    ডেস্ক নিউজ

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক কাজী নাজমুল হোসেন তাপস।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে তার পক্ষে নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. মাহমুদুল হাসানের কাছ থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন স্থানীয় বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীরা।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবীনগর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা স্বপন কুমার ভৌমিকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। মনোনয়নপত্র সংগ্রহকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। নেতাকর্মীরা জানান, জনসম্পৃক্ততা ও জনপ্রিয়তার দিক থেকে কাজী নাজমুল হোসেন তাপস এই আসনে একজন শক্তিশালী প্রার্থী।

    কাজী নাজমুল হোসেন তাপস সাবেক ৪ বারের এমপি আলহাজ্ব কাজী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের ছেলে। কাজী নাজমুল হোসেন তাপস বলেন, আমি আশাবাদী দলের জন্য যেই শ্রম দিয়েছি ইনশাআল্লাহ দল আমাকে বিবেচনা করবে।

    উল্লেখ্য: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগর আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আইনজীবী এম এ মান্নানকে।

  • নাসিরনগরে তালাবদ্ধ গুদামে আগুন, মালামাল পুড়ে ছাই

    নাসিরনগরে তালাবদ্ধ গুদামে আগুন, মালামাল পুড়ে ছাই

    ডেস্ক নিউজ

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা সদরের গার্লস স্কুল রোডে অবস্থিত নাজিফা এন্টারপ্রাইজ নামের পারটেক্স স্টার গ্রুপের একটি গুদামে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। সোমবার দিবাগত রাতে তালাবদ্ধ ওই গুদামে আগুনের ঘটনা ঘটে।

    এতে গুদামে থাকা সব মালপত্র, আসবাবপত্র ও অটোরিকশাসহ প্রায় সাড়ে ৬ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায় বলে জানান নাজিফা এন্টারপ্রাইজের পরিচালক। খবর পেয়ে নাসিরনগর ফায়ার সার্ভিসের ১টি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

    নাজিফা এন্টারপ্রাইজের পরিচালক শেখ সাইফুর ইসলাম জানান, আনুমানিক ভোররাত সাড়ে ৪টার সময় প্রতিবেশী এক দোকানি ফোন দিয়ে জানান, প্রতিষ্ঠানে আগুন লেগেছে। আগুনে ড‍্যানিশ কনডেন্সড মিল্ক, নুডুলস, পারটেক্স টিস্যু, জুসসহ এই গ্রুপের বিভিন্ন পণ্যের প্রায় সাড়ে ৬ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে।

    ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের টিম লিডার মোতাহার হোসেন বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের ঘটনা ঘটতে পারে।