ক্যাটাগরি কান্ট্রি সাইড

  • খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু

    খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু

    বিডি ডেস্ক নিউজ:

    খুলনার রূপসা উপজেলায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের খান মোহাম্মাদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযুক্ত ছেলেকে আটক করলেও তাকে ছিনিয়ে নিতে বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। নিহত নারী মিম্মি বেগম (৪৪) খান মোহাম্মাদপুর গ্রামের বাসিন্দা হামিদুল ইসলামের স্ত্রী। অভিযুক্ত ছেলে নাদিম ইসলামকে পুলিশ আটক করেছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে পারিবারিক কলহের জেরে নাদিম ইসলামের সঙ্গে তার মা মিম্মি বেগমের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে নাদিম বাড়ির পাশে থাকা গাছের একটি ডাল ভেঙে মায়ের মাথায় আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় মিম্মি বেগম ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করার আগেই তার মৃত্যু হয়।

    রূপসা উপজেলার আইচগাতি ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. উজ্জ্বল হোসেন জানান, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গিয়ে অভিযুক্ত নাদিম ইসলামকে আটক করা হয়। তবে তাকে ক্যাম্পে নিয়ে আসার সময় স্থানীয় কিছু লোকজন বাধা দেয় এবং একপর্যায়ে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। স্থানীয়রা জানান, নাদিম কিছুদিন ধরে অস্বাভাবিক আচরণ করছিল। ঘটনার পেছনে পারিবারিক বিরোধ নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

  • প্রাণ গেল দুই কর্মচারীর

    সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে প্রাইভেট কারে মোটরসাইকেলের ধাক্কা লেগে দুজন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার জয়কলস এলাকায় সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত ব্যক্তিরা হলেন দোয়ারাবাজার উপজেলার সাউদেরগাঁও আমবাড়ি গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়াহিদের ছেলে ছমিরুল হক জুয়েল (৩৮) ও সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার হাছননগর এলাকার মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে ছব্দর আলী (৩৭)। তাঁরা সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জারিকারক পদে কর্মরত ছিলেন। সরকারি ডাকপত্র নিয়ে জগন্নাথপুর যাওয়ার পথে এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।

    জানা গেছে, সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের চালক জুয়েল ঘটনাস্থলেই মারা যান। তাঁর সঙ্গে থাকা ছব্দর আলী গুরুতর আহত হন। আহত ব্যক্তিকে প্রথমে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্মরত চিকিৎসক তাঁকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। কিন্তু সিলেটে নেওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়।

    সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম বলেন, একজন ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন, অপরজনকে গুরুতর অবস্থায় সিলেটে পাঠানো হলে তিনিও পথিমধ্যে মারা যান।

    জয়কলস হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার চৌধুরী বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

    সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শাহীনুর রহমান বলেন, নিহত দুজনই জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জারিকারক পদে কর্মরত ছিলেন। তাঁরা সরকারি ডাকপত্র নিয়ে জগন্নাথপুর যাওয়ার পথে এ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। পরিবারের লোকদের খবর পাঠানো হয়েছে।

  • ফুলতলায় জামায়াত সমর্থকের বাড়িতে আগুন

    ডেস্ক নিউজ:

    খুলনা-৫ আসনের ফুলতলায় এক জামায়াত সমর্থকের বাড়িতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। জামায়াতে ইসলামীর অভিযোগ, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের লোকজন ঘরটিতে আগুন লাগিয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে আজ রোববার বিকেলে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী।

    গতকাল দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার ১ নম্বর আটরা-গিলাতলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মশিয়ালী গ্রামের আকুঞ্জিপাড়ার বাসিন্দা শোকর আকুঞ্জির বাড়িতে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগুন দেখতে পেয়ে তাঁরা ছুটে যান। সকলে মিলে পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুনে শোকর আকুঞ্জির একটি কাঠের জ্বালানি রাখার ঘর পুড়ে গেছে।

    খানজাহান আলী থানা জামায়াতে ইসলামীর আমির সৈয়দ হাসান মাহামুদ টিটো বলেন, খুলনা-৫ আসনে বিএনপি-আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এলাকার দাঁড়িপাল্লার সমর্থকদের হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল। তারাই মূলত এই আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছে।

    এদিকে খবর পেয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল খুলনা-৫ আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনীয় ঐক্য সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার  ঘটনাস্থলে যান। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে খানজাহান আলী থানার এসআই রুবেল বলেন, ক্ষতিগ্রস্তরা মামলা করলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ফোর্স কমান্ডার হলেন লে. জেনারেল মিনহাজ

    জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ফোর্স কমান্ডার হলেন লে. জেনারেল মিনহাজ

    বিডি ডেস্ক নিউজ: সাইপ্রাসে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের (ইউএনএফআইসিওয়াইপি) নতুন ফোর্স কমান্ডার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম। তিনি এ পদে মঙ্গোলিয়ার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এরদেনেবাত বাতসুরির স্থলাভিষিক্ত হবেন।

    জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বুধবার (৮ এপ্রিল) এ নিয়োগের ঘোষণা দেন।

    মিনহাজুল আলম তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। ফোর্স কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে সর্বশেষ তিনি আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডে দায়িত্বে ছিলেন। এর আগে তিনি ১০ম পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং কক্সবাজারে বিভিন্ন অপারেশন তদারকি করেছেন।

    তার বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে সন্ত্রাস দমন, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে।

    জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাও এই প্রথম নয় লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিনহাজের। এর আগে তিনি সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পূর্ব তিমুরেও কাজ করেছেন সামরিক পর্যবেক্ষক হিসেবে।

    সামরিক দক্ষতার পাশাপাশি শিক্ষা ক্ষেত্রেও অসামান্য মেধার পরিচয় দিয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিনহাজুল আলম। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ওপর পিএইচডি ডিগ্রি ও যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি.সি.-র ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটি থেকে ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজিতে স্নাতকোত্তর করেছেন। পাশাপাশি ডিফেন্স স্টাডিজে মাস্টার্স এবং এমবিএ ডিগ্রিও অর্জন করেছেন তিনি।

  • শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর ভোট বর্জন

    শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর ভোট বর্জন

    বিডি ডেস্ক নিউজ:
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শেরপুর-৩ আসনে (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) চলমান নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ভোটগ্রহণ চলাকালে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

     শেরপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।তিনি বলেন, বিভিন্ন অনিয়ম ও পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রার্থী ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করা হবে। এর আগে, শেরপুর-৩ আসনে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এ আসনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনের ভোট হয়। আর তফসিল ঘোষণার পর জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের ভোট স্থগিত হয়েছিল।
  • আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় বৃহস্পতিবার

    আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় বৃহস্পতিবার

    চব্বিশের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ঘোষণা করা হবে। গত ৫ মার্চ বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ রায়ের এ দিন ধার্য করেন। এ মামলায় বেরোবির তৎকালীন ভিসি হাসিবুর রশীদসহ ৩০ জন আসামির বিরুদ্ধে গত ৩০ জুন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

    বিচারিক প্রক্রিয়ায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। মামলায় ৩০ জন আসামির মধ্যে ছয়জন গ্রেফতার রয়েছেন। তারা হলেন– সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক সাবেক কর্মচারী মো: আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের সাবেক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ।

    ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই দুপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদ। দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে বুক পেতে দেয়া সাঈদের সেই ভিডিওটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং একপর্যায়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ দেয়।

  • সংসদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা আইন’ পাস

    সংসদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা আইন’ পাস

    ডেস্ক নিউজঃ     জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ বিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ। পরে তা সর্বসম্মত কণ্ঠভোটে পাস হয়। সংসদে পাস হওয়া ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ বিলের মাধ্যমে অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে করা সব ধরনের দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা এবং আইনি কার্যধারা প্রত্যাহারের পথ প্রশস্ত হলো। আইন অনুযায়ী, নির্ধারিত বিধান অনুসরণ করে এসব অভিযোগ বাতিল করা হবে। এ ছাড়া এই অভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িত কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে নতুন করে কোনো মামলা বা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ আইনত বাধা (বারিত) হিসেবে গণ্য হবে। এর আগে, জাতীয় সংসদে ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী অধ্যাদেশ বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে। এর ফলে ক্ষমতাচ্যুত দল আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার আইনি ভিত্তি নিশ্চিত হলো। এই সংশোধনী অনুযায়ী, এখন থেকে কোনো ব্যক্তি বা সত্তার পাশাপাশি কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনকেও সন্ত্রাসে জড়িত থাকার অভিযোগে নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা পাবে সরকার।

  • শান্তিগঞ্জে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে যাত্রী ছাউনি দখল-ভাঙচুরের অভিযোগ

    শান্তিগঞ্জে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে যাত্রী ছাউনি দখল-ভাঙচুরের অভিযোগ

    বিডি ডেস্ক নিউজ

    সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাথারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল মমিনের বিরুদ্ধে যাত্রী ছাউনি দখল ও ছাউনি ভেঙে ব্যক্তিগত মার্কেটের রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন পাথারিয়া এলাকার পথচারী, যাত্রীসহ স্থানীয় সুরমা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা।

    এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন পাথারিয়া বাজারের ব্যবসায়ী আঙ্গুর মিয়া।

    অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন,পাথারিয়া এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি আব্দুল মমিন তার বাড়ির সামনের পূর্বদিকে বড় মার্কেটে যাতায়াতের রাস্তার জন্য পাথারিয়া বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকার পথচারী ও শিক্ষার্থীদের একমাত্র আশ্রয়স্থল যাত্রী ছাউনি গত ডিসেম্বর থেকে দখলে নিয়েছেন। ছাউনি দখলের পর পর্যায়ক্রমে ছাউনি  ভেঙে তার ব্যক্তিগত মার্কেটের রাস্তা নির্মাণ করেন। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পাথারিয়া এলাকার শিক্ষার্থী, পথচারী ও যাত্রীরা। এই ঘটনায় পাথারিয়া বাজারের অনেকেই বাধা আপত্তি দিলেও তার তোয়াক্কা করেননি আব্দুল মমিন। ফলে রোদ-বৃষ্টির সময় আশ্রয় নেওয়া এবং গাড়ীতে উঠার জন্য অপেক্ষা করা যাত্রী ও শিক্ষার্থীদের বসার জায়গার সংকট দেখা দিয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন পথচারী, যাত্রী ও শিক্ষার্থীরা।

    এই অবস্থায় ঘটনাস্থল সরজমিন পরিদর্শন করে যাত্রী ছাউনি পুনরুদ্ধার করে সেটি জনগণের জন্য পুনরায় স্থাপনের অনুরোধ জানান অভিযোগকারী আঙ্গুর মিয়া।

    স্থানীয় পাথারিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য নুর মিয়া বলেন, ‘পাথারিয়া বাসস্ট্যান্ডে সরকারী যাত্রী ছাউনি ছিল। সেখানে এলাকার শিক্ষার্থী, পথচারী, দুরপথের যাত্রী বসে সেখানে বসতেন। কিন্তু মমিন মিয়া সেটি দখল করে ভেঙ্গে শেষ করে দিয়েছেন।

    গাজীনগর গ্রামের জিয়াউদ্দিন তুহিন বলেন, ‘পাথারিয়া বাজারের একমাত্র যাত্রী ছাউনি বাজারের যাত্রী, পথচারী ও সুরমা স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। জনগুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনা দখলমুক্ত করে পুনরায় নির্মান করা জরুরী।

    তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আব্দুল মমিন। তিনি বলেন, ‘যাত্রী ছাউনি ভাঙার বিষয়ে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। যাত্রী ছাউনি সরকারীভাবে স্থাপন করা হলেও জায়গাটি আমার নিজের। কে বা কারা ছাউনিটি ভেঙেছে তা আমি জানি না। দীর্ঘদিন ধরে এটি পরিত্যক্ত ছিল।’

    এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর এসিল্যান্ডের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এ/আর

  • রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধ করতে হবে

    রাষ্ট্রীয় সম্পদ বলতে আমরা সচরাচর যেটা বুঝি তা হলো সরকার কর্তৃক সরাসরি নিয়ন্ত্রিত এবং মালিকানাধীন সম্পদ। যেমন বিভিন্ন সরকারি অফিস, রাস্তাঘাট, কালভার্ট, ব্রিজ, নদী, খাল, জলাশয়, সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রতিরক্ষাবাহিনী, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, কোর্ট-কাচারীসহ এ ধরনের প্রতিষ্ঠান এবং তাদের স্থাপনাসমূহ।

    একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন কাজ সম্পাদন করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ কর নেয়া হয়, যা তাদের আয়ের ওপর নির্ভর করে। সেই করের অর্থ দেশের উন্নয়নের জন্যই সরকার বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ প্রদান করেন। কিন্তু সেই অর্থের যথাযথ ব্যবহার না হওয়ার ফলে উন্নয়ন প্রতিনিয়তই বাধাগ্রস্ত হয়। অনেক সময় দেখা যায় বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজে বিপুল পরিমাণ অপচয় হয়।

    প্রতিটি দেশ ও জাতির সামগ্রিক উন্নয়ন নির্ভর করে রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন ও যথাযথ ব্যবহারের ওপর। তাই রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করা দেশের প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। কেননা এটি মানুষের কাছে আমানত স্বরূপ। প্রতিটি নাগরিকের এ আমানত রক্ষা করা উচিৎ। রাষ্ট্রীয় সম্পদের ভিতর সবথেকে বেশি অপচয় হয় বিদ্যুৎ। লোডশেডিংয়ের অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে বিদ্যুতের অপচয়। বিশেষ করে অতিমাত্রায় বিদ্যুতের অপচয় লক্ষ্য করা যায় বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে। যেখানে অযথা লাইট, ফ্যান, এসিসহ বিভিন্ন ভারী বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি প্রয়োজনের অতিরিক্ত ব্যবহার হয়ে থাকে।

    বর্তমানে দেখা যায় বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে জাঁকজমকপূর্ণভাবে বিভিন্ন আলোকসজ্জা করা হয়, যেটা অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ অপচয়ের জন্য দায়ী। তাছাড়া অবৈধ বৈদ্যুতিক সংযোগের কারণে প্রতিবছর সরকার কোটিকোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়। বিদ্যুতের পরেই আসে গ্যাসের অপচয়।  শহর এলকার একশ্রেণির মানুষ প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় চুলা জ্বালিয়ে রাখে, এতে করে গ্যাসের অনেক বড়ো একটি অংশ অপচয় হয়ে যায়।

    রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্ট করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। রাষ্ট্র যেমন নাগরিক হিসেবে আমাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয়, তেমনি নাগরিক হিসেবে আমাদেরও দায়িত্ব রাষ্ট্রের সম্পদের সুরক্ষা করা। সরকারের একার পক্ষে জাতীয় সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব নয়। তাই জাতীয় সম্পদ ব্যবহারে প্রত্যেকের সচেতন হতে হবে। সবাইকে পাওয়ার সেভিং বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার, দিনের বেলায় লাইট, ফ্যান কিংবা এসি কম ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনের অধিক জ্বালানি গ্যাস ব্যবহার করা থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যাবহারে সবাইকে মিতব্যয়ী হতে হবে। যার যার অবস্থান থেকে সবার দায়িত্ব পালন করতে হবে। আর তাহলেই জাতীয় সম্পদের অপচয় রোধ করা সম্ভব হবে।

    বি/এ

  • ভারত মহাসাগরে মার্কিন উভচর যুদ্ধজাহাজে হামলা

    ভারত মহাসাগরে মার্কিন উভচর যুদ্ধজাহাজে হামলা

    আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

    ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সোমবার (৬ এপ্রিল) জানিয়েছে, তারা একটি ইসরাইলি মালিকানাধীন কনটেইনার জাহাজ এবং একটি মার্কিন আক্রমণাত্মক যুদ্ধজাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।

    ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম সেপাহ নিউজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, দিনের শুরুতে চালানো ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যবস্তুগুলোর বিরুদ্ধে তাদের ৯৮তম দফার হামলার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।

    আইআরজিসি কনটেইনার জাহাজটির নাম ‘এসডিএন৭’ বলে উল্লেখ করে জানায়, এটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নিখুঁতভাবে আঘাত করা হয়েছে এবং এতে আগুন ধরে যায়।

    তারা আরও জানায়, ৫ হাজারের বেশি সেনা বহনকারী মার্কিন উভচর আক্রমণ জাহাজ ইউএসএস ত্রিপোলি (এলএইচএ-৭) লক্ষ্যবস্তু হওয়ার পর দক্ষিণ ভারত মহাসাগরের দিকে সরে যেতে বাধ্য হয়।

    আইআরজিসি আরও দাবি করে, তাদের বাহিনী ইসরাইলের হাইফা শহরের কৌশলগত কেন্দ্রগুলোতে, পাশাপাশি বেয়ার শেভার পেট্রোকেমিক্যাল কোম্পানি ও স্থাপনাগুলোতে নির্ভুল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এছাড়া মধ্য ইসরাইলের পেতাহ টিকভায় ইসরাইলি বাহিনীর একটি সমাবেশস্থলেও হামলা করা হয়েছে।

    আইআরজিসির মতে, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরাইলের যৌথভাবে ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্র এবং ওই আরব দেশের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটিতে থাকা কয়েকটি বিমান।
    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র তেহরানসহ ইরানের কয়েকটি শহরে যৌথ হামলা চালায়, যাতে ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও বেসামরিক মানুষ নিহত হন। এর জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি ও সম্পদের ওপর ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়।পাশপাশি হরমুজ প্রণালির ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে।