ক্যাটাগরি শিক্ষা ও সাহিত্য

  • বরিশালে শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক বেতাগীর জুয়েলী

    বরিশালে শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক বেতাগীর জুয়েলী

    ডেস্ক নিউজ:

    জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষ্যে বরিশাল বিভাগীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বরগুনার ‘বেতাগী গা‍র্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এর সহকারী শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার মনিকা।

    সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকায় জাতীয় প‍‍র্যায়ে দেশ সেরা বিভিন্ন বিভাগের শ্রেণি শিক্ষকদের সঙ্গে প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন বেতাগী উপজেলার ওই শিক্ষক।

    এর আগে, গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কা‍র্যালয়ে (সম্মেলন কক্ষে) বিভাগের সকল জেলা প‍‍র্যায়ে বিজয়ী শ্রেণি শিক্ষকদের অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণ করা শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান, শিক্ষাগত একাডেমিক অ‍‍র্জন, প্রাতিষ্ঠানিক মনোভাব ও মূল্যায়ন পারদ‍‍র্শিতাসহ ১২টি গুণাবলি বিবেচনায় সৈয়দা জুয়েলীকে বিভাগের ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে প্রথম হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

    শ্রেণি শিক্ষক ক্যাটাগরিতে বিজয়ী শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার ইডেন মহিলা কলেজ থেকে গণিত বিষয়ে স্নাতকোত্তর শেষে ২০১৩ সালে বরগুনা জেলার ‘বেতাগী গা‍র্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে’ সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তার এমন অর্জনে সহক‍‍র্মী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহল তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    এ বিষয়ে শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার বলেন, একজন শিক্ষকের অ‍‍র্জিত সাফল্যের মূল্যায়ন তার ক‍‍র্মযজ্ঞকে গতিশীল করে, যার সুফল ক‍‍র্মস্থলসহ দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখে বলে আমি মনে করি। এছাড়াও সরকারের জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-এর মতো আয়োজনকে ‘গতিশীল উদ্যোগ’ হিসেবেও বলেন তিনি।

  • বাইসাইকেল উপহার পেল ২৮ শিশু

    বাইসাইকেল উপহার পেল ২৮ শিশু

    ডেস্ক নিউজঃ

    পটুয়াখালীর গলাচিপায় টানা ৪১ দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে বাইসাইকেল উপহার পেয়েছে ২৮ জন শিশু। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় পৌর এলাকার উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের হাতে এ উপহার তুলে দেওয়া হয়।

    এর আগে গলাচিপা পৌর বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক দল এবং গলাচিপা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো মসজিদভিত্তিক এ নামাজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

    আয়োজকরা জানায়, মসজিদভিত্তিক প্রজন্ম গঠনের লক্ষ্যে শিশুদের নামাজের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা ও ধর্মীয় চর্চায় আগ্রহ বাড়াতেই এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।প্রতিযোগিতায় ৮ থেকে ১২ বছর বয়সী মোট ৪৬ জন শিশু অংশগ্রহণ করে। ৪১ দিন ধরে তাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হয়। এর মধ্যে নিয়মিত নামাজ আদায়কারী ২৮ জন শিশুকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।বিজয়ীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন।

    এম কে

     

     

  • এক বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে দুই বিষয়ে ফেল!

    এক বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে দুই বিষয়ে ফেল!

    ডেস্ক নিউজ:

    নাটোরের বড়াইগ্রামে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এক বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে দুই বিষয়ে ফেল করেছেন  দুই শিক্ষার্থী। এতে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার। 

    ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা হলেন, উপজেলার বড়াইগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের আইটি সাপোর্ট অ্যান্ড আইওটি বেসিকস ট্রেডের পরীক্ষার্থী আরাফাত সরদার এবং আহমেদপুর ডিগ্রি কলেজের ফুড প্রসেসিং ট্রেডের পরীক্ষার্থী সাব্বির আহমেদ।

    সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, আরাফাত সরদার ২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বড়াইগ্রাম পাইলট উচ্চবিদ্যালয় থেকে ‘আইটি সাপোর্ট এন্ড আইওটি বেসিকস’ ট্রেডে অংশ নেয়। সে বছর ১৫টি বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে রসায়ন বিষয়ে অকৃতকার্য হন। এরপর ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় শুধু রসায়ন বিষয়ে পুনরায় পরীক্ষা দেন। তার প্রবেশপত্রেও শুধু রসায়ন বিষয় উল্লেখ ছিল। কিন্তু ২০২৫ সালের ১০ জুলাই প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, তিনি রসায়ন ছাড়াও কৃষি বিষয়েও ফেল করেছেন। অথচ কৃষি বিষয়টি তার পরীক্ষার অন্তর্ভুক্তই ছিল না।

    একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে আহমেদপুর ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী সাব্বির আহমেদের ক্ষেত্রেও। তিনি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ‘ফুড প্রসেসিং’ ট্রেডে ২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে আত্মকর্মসংস্থান বিষয়ে অকৃতকার্য হন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের পরীক্ষায় শুধু আত্মকর্মসংস্থান বিষয়েই অংশ নেন। তার প্রবেশপত্রেও শুধু ওই একটি বিষয় উল্লেখ ছিল। কিন্তু ফলাফলে দেখা যায়, আত্মকর্মসংস্থান ছাড়া তাকেও কৃষি বিষয়ে ফেল দেখানো হয়েছে।

    সাব্বির আহমেদ বলেন, আমি এক বিষয়ে ফেল করেছিলাম, সে বিষয়ে আবার পরীক্ষা দিয়েছি। এখন ফলাফলে দেখি কৃষি বিষয়েও ফেল। অথচ কৃষি আমার প্রবেশপত্রেই ছিল না।

  • এক মাদ্রাসার ৬০ শিক্ষার্থী ডায়রিয়ায় আক্রান্ত

    এক মাদ্রাসার ৬০ শিক্ষার্থী ডায়রিয়ায় আক্রান্ত

    ডেস্ক নিউজ:

    নওগাঁর পোরশা উপজেলার আল-জামিয়া-আল আরাবিয়া দারুল হিদায়াহ (পোরশা বড় মাদ্রাসা) মাদ্রাসার ৬০ শিক্ষার্থী ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    গুরুতর অসুস্থ ১২ জন শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ডায়রিয়ায় আক্রান্তদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    খাবারের মধ্যে কোনো জীবাণুর সংক্রমণের কারণে শিক্ষার্থীরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে বলে চিকিৎসকরা ধারণা করছেন। এ ঘটনার পর মাদ্রাসা ১০ দিনের জন্য ছুটি দেওয়া হয়েছে।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে ৩ জন শিক্ষার্থী হঠাৎ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়। দুপুরে আরও ২৮ জন, বিকালে ১২ জন ও বুধবার ১৭ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের পর্যায়ক্রমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

    মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা মুফতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আমাদের মাদ্রাসায় প্রায় ১ হাজার ৬শ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারী প্রায় ১০০ জন। সবাই আমরা মাদ্রাসার খাবার খাই; কিন্তু কী কারণে এই ৬০ জন শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ল বিষয়টি আমরা বুঝতে পারছি না। বুধবার দুপুরে মাদ্রাসা ১০ দিনের জন্য ছুটি দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

    ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  যান উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাকিবুল ইসলাম। তিনি অসুস্থ শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।

  • ধামইরহাটে ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

    ধামইরহাটে ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

    ডেস্ক  নিউজ:

    নওগাঁর ধামইরহাটে মজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের আয়োজনে মাধ্যমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় ধামইরহাট সফিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ট থেকে ৮ম শ্রেণির মোট ২৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১২২৯ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করে।

    সুশৃঙ্খল পরিবেশে সকাল থেকে শুরু হওয়া পরীক্ষাটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করেন সফিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, দায়িত্বপ্রাপ্ত কক্ষ পরিদর্শক, সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধানগণ এবং স্থানীয় প্রশাসন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন— মজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও বাপার সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর কবির।

    তিনি বলেন, এই অঞ্চলের মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে মজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন নিয়মিত এই বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজন করে থাকে। ভবিষ্যতেও আমরা আরও বিস্তৃত পরিসরে এই কার্যক্রম চালিয়ে যেতে চাই।

    মজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলমগীর কবির আরও জানান, ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে উপজেলার ১টি পৌরসভা এবং ৮টি ইউনিয়ন থেকে মোট ৩৬ জনকে বৃত্তি প্রদান করা হবে। পাশাপাশি থানা ট্যালেন্টপুলে আরও ৬ জনকে বৃত্তি প্রদান করা হবে।

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন—অ্যাকাডেমিক সুপার ভাইজার কাজল কুমার সরকার, চকময়রাম সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও মাধ্যমিক বৃত্তি পরীক্ষার সমন্বয়ক খেলাল ই রব্বানী, সফিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহমান, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম লিটন, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাবিহা ইয়াসমিন প্রমুখ।

  • কারিমার মেডিকেল জয়

    কারিমার মেডিকেল জয়

    হতদরিদ্র পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থী কারিমা খাতুন। এবার মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় (এমবিবিএস) বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। হতদরিদ্র বাবার একমাত্র মেয়ে কারিমার এমন সাফল্যে খুশির জোয়ারে ভাসছে এলাকাবাসী।

    কারিমা রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামের আব্দুল করিম মন্ডলের মেয়ে। ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় ৭৮ নম্বর নিয়ে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন তিনি। এর আগে ২০২১ সালে দুর্গাপুর উপজেলার বেলঘরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ২০২৩ সালে রাজশাহী শাহ মখদুম কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তিনি। এসএসসি ও এইচএসসি দুই পরীক্ষাতেই জিপিএ- ৫ পান তিনি।

    কারিমার বাবা আব্দুল করিম মন্ডল বলেন, আমার দুটি সন্তান এক মেয়ে ও এক ছেলে। ছেলেটি শারীরিক প্রতিবন্ধী। সে হুইলচেয়ার ছাড়া চলতে পারে না। ছেলেটিও এইচএসসি পাস করেছে। আমি একজন দরিদ্র মানুষ, দিন এনে দিন খাই। পরের জমিতে কামলা দিই। খুব কষ্ট করে আমার সংসার চালাতে হয়। তারপরও আমার দুই সন্তানকে লেখাপড়া করাতে কমতি রাখিনি।

    করিম মন্ডল আরও বলেন, মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানি এবং আমার সন্তানদের শিক্ষকদের কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা। আমার মেয়েটা অনেক কষ্ট করে এ পর্যন্ত এসেছে। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। মেয়ে যেন বড় ডাক্তার হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে।

    কারিমা খাতুন বলেন, বাবা পেশায় দিনমজুর হলেও কখনো লজ্জাবোধ করি না। নিজেকে ছোট ভাবি না। কারণ বাবা সৎভাবে কাজ করে টাকা উপার্জন করে। আমরা দুই ভাই-বোন। আমি ছোট ভাই বড়। ভাই ডিএমডি রোগে আক্রান্ত, হুইলচেয়ার ছাড়া চলতে পারে না। এই রোগের চিকিৎসা এখনো আসেনি। তারপরও ভাই লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছেন।

    কারিমা বলেন, আমি একজন ভালো ডাক্তার হতে চাই। সবার পাশে থাকতে চাই। বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে চাই। প্রতিবন্ধী ভাইয়ের চিকিৎসা করাতে চাই।

    নওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আজাদ রেজাইল করিম বলেন, কারিমা মেডিকেলে চান্স পাওয়ার কারণে আমরা অনেক খুশি। সে অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া করেছে। তার বাবা একজন দিনমজুর। মানুষের কাজ করে তার বাবা সংসার চালান এবং ছেলে মেয়েকে লেখাপড়া করান। আমরা এলাকাবাসী হিসেবে দোয়া করি কারিমা যেন বড় ডাক্তার হতে পারে এবং এলাকাবাসীসহ দেশবাসীর সেবা করতে পারে।

    বি/এ

  • থানচি সীমান্তে বিজিবির উদ্যোগে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা

    থানচি সীমান্তে বিজিবির উদ্যোগে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা

    ডেস্ক নিউজঃ

    বান্দরবানের থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নের দুর্গম বুলুপাড়ায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    আলীকদম ব্যাটালিয়ন (৫৭ বিজিবি) কর্তৃক নির্মিত বিদ্যালয়টি উদ্বোধন করেন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মেহেদী।উদ্বোধন শেষে তিনি বিদ্যালয়ের প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থীর হাতে বই, খাতা, কলম, পেনসিল, রাবারসহ শিক্ষা সহায়ক উপকরণ এবং চকলেট-বিস্কুট তুলে দেন।অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মেহেদী বলেন, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের দুর্গম পার্বত্য সীমান্ত এলাকায় দায়িত্ব পালনকারী আলীকদম ব্যাটালিয়ন সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি নৃ-গোষ্ঠী ও পাহাড়ি-বাঙালি জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। ‘অপারেশন উত্তরণ।’ কর্মসূচির আওতায় এই ব্যাটালিয়ন চিকিৎসাসেবা, খাদ্য ও পোশাক বিতরণ, শীতবস্ত্র প্রদান, অগ্নিকাণ্ড ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ সহায়তাসহ নানা মানবিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে, যা পাহাড়ে শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে ভূমিকা রাখছে।তিনি আরও বলেন, সীমান্তবর্তী প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশুরা যাতে শিক্ষার আলো পায়— সেই লক্ষ্যেই বুলুপাড়ায় বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও আমাদের মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই বিদ্যালয়টি বুলুপাড়া এলাকার তিনটি পাড়ার প্রায় ৫০টি পরিবারের ৭০-৮০ জন শিক্ষাবঞ্চিত শিশুকে শিক্ষার সুযোগ এনে দেবে। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে থাকা এসব শিশুর জন্য বিদ্যালয়টি নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে।বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার এ উদ্যোগকে ‘মহতী ও সময়োপযোগী’ উল্লেখ করে স্থানীয় জনগোষ্ঠী, জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক, কারবারি ও হেডম্যানরা বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাঁদের ভাষ্যে— দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে বিজিবি শুধু একটি নিরাপত্তা বাহিনী নয়, বরং মানবিক সহায়তা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের নির্ভরযোগ্য অংশীদার।উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিজিবির বিভিন্ন পদবির সদস্য, স্থানীয় কারবারি, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

    এম কে

  • ১১ মাসে কোরআনের হাফেজ নাঙ্গলকোটের দশ বছরের শিশু মুনতাসির

    ১১ মাসে কোরআনের হাফেজ নাঙ্গলকোটের দশ বছরের শিশু মুনতাসির

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে মাত্র ১১ মাসে পবিত্র কোরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করে হাফেজ হয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে আবদুল্লাহ আল মুনতাসির নামে দশ বছর বয়সী এক শিশু। এ বয়সে অনেকেরই ত্রিশ পারা কোরআন মুখস্থ করা অসম্ভব হলেও মুনতাসিরের পক্ষে তা সম্ভব হয়েছে।

    এতে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাকে ফুলের মালা ও পাগড়ি পরিয়ে দেয়। এছাড়াও তার হিফজ বিভাগের প্রধান শিক্ষক হাফেজ ক্বারি ফয়সাল মাহমুদকে পুরস্কৃত করা হয়।

    শিশু হাফেজ আবদুল্লাহ আল মুনতাসির উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের পিপড্ডা গ্রামের বাহরাইন প্রবাসী মুহাম্মদ খুরশীদ আলমের ছেলে। খুরশীদ আলমের দুই ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে মুনতাসির সবার ছোট।

    দেড় বছর আগে নাঙ্গলকোট উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের চারিজানিয়া নেছারিয়া হামীদীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসায় নাজেরা শুরু করে মুনতাসির। ৭৫ জনের মধ্যে নাজেরা শেষ করে ১১ মাসে পুরো ৩০ পারা কোরআন শরিফ মুখস্থ করে হাফেজ হয় সে।

    শিশু হাফেজ আবদুল্লাহ আল মুনতাসির জানায়, বিশ্ব বিখ্যাত আলেম হয়ে ইসলামের খেদমত করা, মা-বাবা ও প্রিয় শিক্ষকদের নাম যেন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়া যায় এটা এখন তার স্বপ্ন। সবার কাছে দোয়া চায় এই শিশু হাফেজ।

    হাফেজ মুনতাসিরের মা কামরুজ্জাহান রুমি জানান, তার ছোট সন্তান আবদুল্লাহ আল মুনতাসির মাত্র ১১ মাসে ৩০ পারা কোরআন মুখস্থ করে হাফেজ হয়েছে। ভবিষ্যতে তার স্বপ্ন সন্তানকে অনেক বড় আলেম বানানোর। তাই দেশবাসীসহ সবার কাছে দোয়া চান মা।

    চারিজানিয়া নেছারিয়া হামীদীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের প্রধান শিক্ষক হাফেজ ক্বারি ফয়সাল মাহমুদ কালবেলাকে বলেন, আবদুল্লাহ আল মুনতাসির কোরআনে হাফেজ হওয়ার পেছনে তার অনেক চেষ্টা ও মেহনত থাকায় হাফেজ হওয়া সম্ভব হয়েছে। এতে শিক্ষকদেরও মেহনত রয়েছে। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কবুল করায় ১১ মাসে হাফেজ হতে পেরেছে মুনতাসির। সূত্রঃকালবেলা

    এআর/এনই

  • রাঙ্গামাটিতে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

    রাঙ্গামাটিতে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

    ডেস্ক নিউজ

    হরতালের কারণে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের পর কোটাবিরোধী ঐক্য জোট তাদের ডাকা ৩৬ ঘণ্টার হরতাল প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দুপুর ২টার পর জোট এই ঘোষণা দেয়।

    সংগঠনের অন্যতম নেতা নুরুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। আমাদের ছয় দফা দাবির বিষয়ে জেলা পরিষদ শনিবারের মধ্যে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত জানাবে বলে আমরা আশা করছি। তাই দুপুর ২টা থেকে হরতাল প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছি।

    জানা গেছে, হরতালকে কেন্দ্র করে পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আগামীকালের (শুক্রবার) নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় জেলা পরিষদ। এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো একই পরীক্ষা স্থগিত হলো। এর আগে ২০২২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ সালের ২১ মে এবং ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল।

    বুধবার দুপুরে কোটাবিরোধী ঐক্যজোট বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ৩৬ ঘণ্টার হরতালের ডাক দিলে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই হরতালের সমর্থনে শহরের বিভিন্ন স্থানে পিকেটিং করে সংগঠনের নেতাকর্মীরা। দুপুর ১টায় পরিস্থিতি পর্যালোচনা শেষে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার নিরাপত্তা বিবেচনায় পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেন।

    কাজল তালুকদার বলেন, পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে আসা-যাওয়া ও সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই আগামীকালের পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    অপরদিকে কোটাবিরোধী ঐক্যজোটের নেতারা অভিযোগ করেন, সরকারি নিয়োগে ৯৩ শতাংশ মেধা ও ৭ শতাংশ কোটা নীতিমালা অনুসরণ করার পরিবর্তে জেলা পরিষদ ৭০ শতাংশ পাহাড়ি ও ৩০ শতাংশ বাঙালি কোটা মেনে নিয়োগ দিতে চাইছে, যা তারা ‘চরম বৈষম্য’ বলে দাবি করেন। পরীক্ষা স্থগিতের পর আলোচনার ভিত্তিতে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানায় সংগঠনটি।
  • ১৭ ডিসেম্বর শাকসু নির্বাচন

    ১৭ ডিসেম্বর শাকসু নির্বাচন

    ডেস্ক নিউজঃ

    শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই ক্যাম্পাসে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা চলছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ভোট গ্রহণের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর নির্ধারিত হলেও শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ বলছে, ওই সময় ক্যাম্পাস কার্যত শিক্ষার্থীশূন্য থাকবে।

    শিক্ষার্থীরা জানায়, ১১ ও ১২ ডিসেম্বর সাপ্তাহিক ছুটি, ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস এবং ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস মিলিয়ে পাঁচ দিনের বিরতির পরপরই শুরু হবে দীর্ঘ শীতকালীন ছুটি। ফলে অধিকাংশ শিক্ষার্থীই বাড়ি চলে যাবে, আর এতে ভোটার উপস্থিতি নেমে আসবে ন্যূনতম পর্যায়ে।

    এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা ১০ ডিসেম্বর ভোট আয়োজনের দাবি জানালেও নির্বাচন কমিশন তারিখ পরিবর্তন না করে ১৭ ডিসেম্বরই বহাল রাখে। এতে অসন্তোষ প্রকাশ করে অনেকে বয়কটের ঘোষণা দেন।

    অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী আবরার বিন সেলিম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, “১৭ ডিসেম্বর শিক্ষার্থীশূন্য ক্যাম্পাসে নির্বাচন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের ডামি নির্বাচন বর্জন করছি।” যৌক্তিক তারিখ ঘোষণা হলে তারা অংশ নিতে রাজি বলেও জানান তিনি।

    গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার কথা বলা হলেও নির্বাচনের তারিখ এমন সময় দেওয়া হয়েছে যখন শিক্ষার্থীরা ছুটিতে থাকবে। আমাদের অনুরোধ সত্ত্বেও প্রথম সপ্তাহের বাইরে তারিখ দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট মহলের চাপে।”

    সি এস ই বিভাগের শিক্ষার্থী মুস্তাকিম বিল্লাহ বলেন, “প্রায় তিন দশক পর এ নির্বাচনের আয়োজন হতে যাচ্ছে। অথচ ১৭ ডিসেম্বর ক্যাম্পাসে ১০–১৫ শতাংশ শিক্ষার্থীও থাকবে না। এ অবস্থায় নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা থাকবে না।” তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায়, এমন সময়ে পুনঃতফসিলের আবেদন করা হয়েছে।

    এদিকে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাঈম সরকার বলেন, মনোনয়ন বিতরণ থেকে শুরু করে যাচাই-বাছাই ও প্রচার, সব মিলিয়ে স্বল্প সময়ে নির্বাচন প্রস্তুতি নেওয়া অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য আরও কঠিন। তাই তার মতে ১০ ডিসেম্বর নির্বাচন করাও অযৌক্তিক।

    এ বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক আবুল মুকিত মোহাম্মদ মোকাদ্দেছ বলেন, “আমরা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চাই। যদি দেখা যায় ১৭ ডিসেম্বর শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম হবে, তবে পুনঃতফসিল বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করেই শেষ সিদ্ধান্ত হবে।”

    আর আই খান