ক্যাটাগরি শিক্ষা ও সাহিত্য

  • দিঘলিয়ায় কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা

    দিঘলিয়ায় কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা

    বিডি নিউজ ডেস্ক

    খুলনার দিঘলিয়া কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছ। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর ব্যানারে এ আয়োজন করা হয়।

    গতকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ দিঘলিয়া থানার সভাপতি মীর সালমান ফার্সি।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা জেলা শাখার সভাপতি ছাত্রনেতা ফরহাদ মোল্লা, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  খুলনা জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মাদ মহিবুল্লাহ।

    অনুষ্ঠানে  এইস এস সি ও আলিম পরীক্ষায় বিশেষ কৃতিত্বের অবদান রাখার জন্য ২০ শিক্ষার্থীকে সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।

     

     

  • বাঁশের সাঁকো যাতায়াতের ভরসা

    বাঁশের সাঁকো যাতায়াতের ভরসা

    বিডি নিউজ ডেস্ক

    যশোরের কেশবপুরের মনোহরনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি দীর্ঘ মাস ধরে জলাবদ্ধ। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাওয়ার একমাত্র ভরসা এখন বাঁশের সাঁকো।

    কেশবপুর উপজেলার পাঁজিয়া ইউনিয়নের পূর্বাংশের শেষ প্রান্তের অবহেলিত জনপদের নাম বাগডাঙ্গা মনোহরনগর। উপজেলা সদর থেকে যার দূরত্ব প্রায় ৯ কিলোমিটার। দীর্ঘদিন এই গ্রামে উন্নয়নের কোনো ছোঁয়া লাগেনি। গ্রামের শেষ প্রান্তে ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল মনোহরনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি।

    মনোহরনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি পরিদর্শনকালে দেখা গেছে, বিদ্যালয়টির খেলার মাঠ প্লাবিত হয়ে আছে। বিদ্যালয়টির ১৯০ জন শিক্ষার্থীসহ শিক্ষক-কর্মচারীদের বিদ্যালয়ে প্রবেশের জন্য বাঁশের সাঁকো পার হয়ে যেতে হয়।

    বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তন্বী সরকার বলেন, আমাদের বিদ্যালয়টি প্লাবিত হয়ে আছে। যাতায়াতের জন্য আমাদের খুব সমস্যা হয়।

    পাঁজিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মকবুল হোসেন মুকুল জানান, বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন প্লাবিত থাকার শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসতে খুব সমস্যা হয়। তাদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য বিদ্যালয়ে প্রবেশের মুখ হতে বিদ্যালয়ের ভবন পর্যন্ত যাতায়াতের জন্য বাঁশের সাঁকো তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। এই সমস্যা খুব তাড়াতাড়ি সমাধান হয়ে যাবে বলে তিনি জানান।

    মনোহরনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অমিয় চক্রবর্তী বলেন, বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন প্লাবিত থাকায় শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসতে খুব সমস্যা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে তাদের জন্য বাঁশের সাঁকো তৈরি করে দেওয়া হয়েছে।

    বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি গৌতম রায় বলেন, বিদ্যালয়টি বছরের ৬/৭ মাস জলাবদ্ধ থাকে। ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতের জন্য বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য মাঠ ভরাট করার প্রয়োজন।

  • চৌগাছায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২০০মিটারের মধ্যে থাকবেনা বিড়ি-সিগারেটের দোকান, বিদ্যালয়ে মোবাইল ফোন আনতে পারবেনা শিক্ষার্থীরা

    চৌগাছা প্রতিনিধি
    যশোরের চৌগাছায় উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউএনও শাহিনুর আক্তার।
    সভায় সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে উপজেলার কোন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মদরাসার শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোবাইল ফোন আনতে পারবে না। এছাড়া উপজেলার সকল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০০ মিটারের মধ্যে কোন বিড়ি সিগারেটের দোকান থাকবে না বলেও সিদ্ধান্ত হয়েছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পত্র দিয়ে সকল প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বিষয়টি জানিয়ে দেবেন। এছাড়াও প্রতিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ছয়মাসে কমপক্ষে একবার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে মতবিনিময় সভার আয়োজন করার সিদ্ধান্ত হয়।
    সভায় বক্তব্য রাখেন চৌগাছা পৌর প্রশাসক সহকারী কমিশনার (ভূমি), প্রকৌশলী তাসমিন জাহান, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা গোলাম মোর্শেদ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও হাকিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুল হাসান, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও পাতিবিলা ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান লাল, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক ওয়াজেদ আলী, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও সাবেক প্যানেল মেয়র মাষ্টার কামাল আহমেদ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার রুহুল আমিন, প্রেসক্লাব চৌগাছার সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান, বিজিবি শাহাজাদপুর ক্যাম্পের কমান্ডার মাহবুবুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান হবি, এসএম মোমিনুর রহমান, মাস্টার সিরাজুল ইসলাম, নূরুল কদর, চৌগাছা সদর ইউপির প্রশাসক ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম বজলুর রশিদ, চৌগাছা সরকারি কলেজের প্রভাষক আব্দুল হামিদ কেনেডি, তরিকুল ইসলাম পৌর কলেজের প্রভাষক শামিমুর রহমান প্রমুখ।
    উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাব চৌগাছার সহসভাপতি রহিদুল ইসলাম খান, চৌগাছা ছারা পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা, হাজী মর্ত্তুজ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম রাব্বানী, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি কামরুজ্জামান, মৃধাপাড়া মহিলা কলেজের প্রভাষক এনামুল কাদির টুল্লুসহ উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্যবৃন্দ।
    ডেইলি বিডিটি/এআর/নিইআর/
  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য অপসারণের দাবি

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য অপসারণের দাবি

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    খুলনার পাইকগাছায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে নির্মাণাধীন একটি ভাস্কর্য অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে। পাইকগাছা–কয়রার তৌহিদী জনতার ব্যানারে এই মানববন্ধন করা হয়।

    আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলা সদরে এই মানববন্ধন হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নির্মাণাধীন ভাস্কর্যটি ধর্মপ্রাণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে। তাঁরা আরও বলেন, ৫ আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানের মাধ্যমে এ দেশে ভাস্কর্যের রাজনীতির অবসান ঘটেছে। এখন থেকে আর কোনো ভাস্কর্যের রাজনীতি এই দেশে স্থান পাবে না।

    বক্তারা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি জানিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অপসারণ না হলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার বিকল্প থাকবে না। তখন সব দায়দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে।

    মানববন্ধন কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আবদুল আজিজ। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন হাফেজ মাওলানা আবদুর রব, মুফতি ওয়াইস কুরনী, মাওলানা মনিরুল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা শামসুদ্দিন, মাওলানা রইসুল ইসলাম, মাওলানা সাঈদুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, আসাদুল্লাহ, আতাউল গণি, ইলিয়াস আমিন, ফরহাদ হুসাইন প্রমুখ।

    উল্লেখ্য, পাইকগাছা–কয়রা সড়কের পাশে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণের অংশ হিসেবে একটি ভাস্কর্য নির্মাণ করা হচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে আপত্তি ওঠার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর আলোচনা করে নির্মাণকাজ স্থগিত রাখে। বর্তমানে ভাস্কর্যটি পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।

  • দীর্ঘ আন্দোলনে বিজয় বেসরকারি শিক্ষকরা

    দীর্ঘ আন্দোলনে বিজয় বেসরকারি শিক্ষকরা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বৈশ্বিক মানদণ্ডে বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধায় অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশের শিক্ষক সমাজ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। সরকারি শিক্ষকদের তুলনায় দীর্ঘদিন ধরে তারা বৈষম্যের শিকার। ২০১৫ সালের অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেলের পর সেই বৈষম্য আরও প্রকট হয়ে ওঠে। এরপর শিক্ষকরা চার দফায় আন্দোলনে নামলেও প্রতিবারই রাজনৈতিক রং লাগার কারণে দাবিগুলো পূরণ হয়নি।

    তবে টানা দেড় দশকের লড়াইয়ের পর প্রথমবারের মতো আংশিক সাফল্যের মুখ দেখেছেন তারা। তাদের ভাষ্য, এটি শুধু বেতন-ভাতার সাফল্য নয়, বরং শিক্ষক মর্যাদা পুনরুদ্ধারের প্রাথমিক বিজয়। তাদের পরবর্তী লক্ষ্য জাতীয়করণের আন্দোলন।

    শিক্ষক নেতাদের মতে, আগের সব আন্দোলন ব্যর্থ হওয়ার পেছনে অন্যতম কারণ ছিল সরকারপন্থি শিক্ষকদের বিরোধিতা। কখনো ভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছাপ লাগিয়ে আন্দোলন ভিন্ন খাতে নেওয়া হয়। এবারও একটি রাজনৈতিক দলের শিক্ষক সংগঠন বিরোধিতা করলেও আন্দোলনে রাজনৈতিক রং লাগেনি, ফলে সাফল্য এসেছে।

    তারা জানান, আন্দোলনের শুরু থেকেই জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, ডাকসুর সাবেক ভিপি, ছাত্রশিবিরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল একাত্মতা প্রকাশ করে। শেষদিকে বিএনপির প্রকাশ্য সমর্থনে সরকার চাপের মুখে পড়ে এবং শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া ভাতা দুই ধাপে ১৫ শতাংশে উন্নীত করে।

    শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শিক্ষা জাতীয়করণের জন্য প্রথম বড় আন্দোলন শুরু হয় ২০১৩ সালে। তখন শিক্ষকরা ঢাকায় টানা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। তবে সরকার পতনের আন্দোলন হিসেবে প্রচার করে পুলিশ লাঠিচার্জ করে আন্দোলনটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে টানা ১১ দিন অবস্থান ধর্মঘট চালিয়েও একই পরিণতি হয়।

    ২০২৩ সালের জুলাইয়ে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় এবং দীর্ঘস্থায়ী শিক্ষক আন্দোলন হয়। বাংলাদেশ টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ) ও অন্যান্য সংগঠনের আয়োজনে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে টানা ১৭ দিন চলা এই আন্দোলনের সময় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি নানা মাধ্যমে চাপ প্রয়োগ করেন। একপর্যায়ে শিক্ষক নেতা কাওসার আলীকে একটি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা তুলে নিয়ে যান। পরে শিক্ষক সমাজের চাপে তাকে ফেরত দেওয়া হলেও, পরবর্তী সময়ে তার এমপিও স্থগিত করা হয় এবং তাকে স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

    এ প্রসঙ্গে কাওসার আলী বলেন, ‘আমাদের সেই আন্দোলনেরই ফসল এবার পেয়েছেন শিক্ষকরা। তখন আমাকে যে পরিমাণ হয়রানি করা হয়েছে, তা বলে শেষ করা যাবে না। সরকারের চেয়ে বেশি দোষী ছিলেন সরকারপন্থি শিক্ষকরা। তাদের বিরোধিতার কারণেই আগের বড় বড় আন্দোলন সফল হয়নি।’

    চলমান আন্দোলনে ১১ দিন কর্মসূচি পালনের পর সরকার বাড়ি ভাড়া ভাতা ১৫ শতাংশে উন্নীত করার ঘোষণা দেয়। আন্দোলনের শুরু থেকেই একটি বড় রাজনৈতিক দলের শিক্ষক সংগঠন এর বিরোধিতা করে। তারা আন্দোলনকারীদের আওয়ামী লীগ ও জামায়াতপন্থি হিসেবে আখ্যা দেয়। ১৬ অক্টোবর এক সংবাদ সম্মেলনে সেলিম ভূঁইয়া বলেন, ‘রাজপথে যারা কর্মসূচি পালন করছেন তারা শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় ব্যাঘাত ঘটাচ্ছেন। তাদের নেতা একজন আওয়ামী দোসর, তার প্রমাণ রয়েছে।’ তিনি আরও দাবি করেন, ‘আন্দোলনকারীরা আওয়ামী লীগের কাছ থেকে টাকা নিয়ে মাঠে নেমেছে।’

    বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া বলেন, ‘আমি আন্দোলনের বিরোধিতা করিনি। আমরা বলেছি, ১৫ শতাংশ নয়, আমরা জাতীয়করণের পক্ষে। যারা খুচরা দাবি নিয়ে আন্দোলন করছেন তারা আওয়ামী লীগ-জামায়াতের হয়ে মাঠে নেমেছেন।’ তবে তার এমন বক্তব্যের পর অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজী তাকে দল থেকে অব্যাহতির দাবি জানান।

    আন্দোলনের সার্বিক দিক নিয়ে দেলোয়ার হোসেন আজিজী বলেন, ‘সরকার এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন আমাদের পাশে ছিল, তাই আমরা সফল হয়েছি। বিএনপিপন্থি শিক্ষক সংগঠনগুলোর বিরোধিতা দুঃখজনক। অতীতেও তাদের বিরোধিতার কারণে অনেক আন্দোলন সফলতার দ্বারপ্রান্তে গিয়েও ব্যর্থ হয়েছে।’

    টানা আন্দোলনের মুখে সরকার বাড়ি ভাড়া ভাতা ১৫ শতাংশে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে সুবিধাটি দুই ধাপে কার্যকর হবে। শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার ও আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকের পর অর্থ মন্ত্রণালয় ছয় শর্তে সম্মতিপত্র জারি করে।

    সম্মতিপত্র অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৭.৫ শতাংশ (ন্যূনতম ২ হাজার টাকা) হারে বাড়ি ভাড়া পাবেন। দ্বিতীয় ধাপে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে আরও ৭.৫ শতাংশ বাড়িয়ে মোট ১৫ শতাংশ করা হবে। সরকারের এমন ঘোষণায় শিক্ষকরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং আন্দোলন স্থগিত করে শ্রেণিকক্ষে ফেরার ঘোষণা দেন শিক্ষক নেতা দেলোয়ার হোসেন আজিজী।

    প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘তাদের দাবি যৌক্তিক হলেও দেশের অর্থনীতি এখনই ২০ শতাংশ ভাড়া ভাতা দেওয়ার অবস্থায় নেই। তাই সরকার বাস্তবতার নিরিখে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ তিনি সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাদের ধন্যবাদ জানান এবং আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষকরা নবউদ্যমে শিক্ষাদানে ফিরে যাবেন।

    শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এটি শিক্ষা খাতের জন্য ঐতিহাসিক অর্জন। শিক্ষকরা তাদের ন্যায্য পাওনা পেয়েছেন। আমরা জানি, তারা আরও বেশি পাওয়ার যোগ্য।’ তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টা ও অন্য উপদেষ্টাদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

  • আমরণ অনশনে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন ৬ শিক্ষক

    আমরণ অনশনে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন ৬ শিক্ষক

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়াসহ তিন দাবিতে অনশন করছেন এমপিওভুক্ত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। অনশনে এরইমধ্যে ছয়জন শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

    মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আদনান হাবিবুর রহমান এ তথ্য জানান। এরআগে, সোমবার চারজনের অসুস্থ হওয়ার খবর জানান এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের সভাপতি এবং বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসাইন আজিজী।

    ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া, ১৫০০ টাকা মেডিকেল ভাতা এবং কর্মচারীদের জন্য ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতার প্রজ্ঞাপনের দাবিতে গত কয়েকদিন ধরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান করছেন শিক্ষকরা। টানা কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোববার শিক্ষা ভবন অভিমুখে শিক্ষকরা থালা-বাটি নিয়ে ভুখা মিছিল করেন।

    অন্যদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া ভাতা মূল বেতনের ৫ শতাংশ হারে (সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রোববার অর্থ মন্ত্রণালয় এই সম্মতি দিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে।

    এদিকে, দাবি আদায়ে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় মুখে কালো কাপড় বেঁধে শিক্ষকরা শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন বলে সোমবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে ঘোষণা দেওয়া হয়।

  • শাহবাগসহ সারা দেশে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা শিক্ষকদের

    শাহবাগসহ সারা দেশে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা শিক্ষকদের

    স্টাফ রিপোর্টার

    বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধিসহ নানা দাবি আদায়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন আন্দোলনরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় মাথায় কালো কাপড় বেঁধে শাহবাগে অবস্থান করে মৌন মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেন তারা। জেলা সদর ও উপজেলা সদরে শিক্ষকরাও এই কর্মসূচি পালন করবেন।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এসময় শিক্ষকরা প্রশিক্ষণ থেকে সকল শিক্ষককে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন।

    বক্তারা জানান, বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধির ৩ দফা দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত শ্রেণিকক্ষে ফেরত যাবেন না তারা।

    এর আগে রোববার (১৯ অক্টোবর) অষ্টম দিনের কর্মসূচি হিসেবে শিক্ষা ভবন অভিমুখে শিক্ষকদের ভুখা মিছিল কর্মসূচিটি পুলিশি বাধার মুখোমুখি পড়লে শিক্ষক নেতাদের পক্ষ থেকে আমরণ অনশন ও সর্বাত্মক কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়।

    এদিন সকালে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের ৫ শতাংশ বাড়ি ভাড়ায় সম্মতি দেয় অর্থ বিভাগ। কিন্তু সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে দাবি আদায়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

    বাড়ি ভাড়া ২০ শতাংশ, মেডিকেল ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা ও উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে প্রজ্ঞাপন জারি না করা পর্যন্ত আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষকরা।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এসময় শিক্ষকরা প্রশিক্ষণ থেকে সকল শিক্ষককে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন।

  • আরমানিটোলা থেকে জাবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

    আরমানিটোলা থেকে জাবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

    বিডি নিউজ ডেস্ক :

    পুরান ঢাকার আরমানিটোলার পানির পাম্প গলিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ১৫ তম ব্যাচের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য জুবায়েদ হোসাইনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

    রোববার সন্ধ্যার দিকে টিউশনিতে যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা লাশটি দেখে পুলিশকে খবর দেন।

    মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, জুবায়েদ হোসাইন ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। ওইখানে তার টিউশনের বাসা ছিল। এখনো মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আমরা তদন্ত করছি।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, ঘটনা শোনামাত্রই আমি সেখানে গিয়েছি। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ছুরিকাঘাতে মৃত্যু হয়েছে। আশপাশের সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলেছি। তারা সেটি সংগ্রহ করার চেষ্টা করছেন

  • সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ

    সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে নরসিংদীর আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় প্রকাশিত ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলে প্রতিষ্ঠানটি থেকে অংশ নেওয়া ১ হাজার ৬৬৩ পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছেন ১ হাজার ৬৫৮ জন। তাঁদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬৯৬ জন। শতকরা পাসের হার ৯৯ দশমিক ৭০।

    কলেজের প্রশাসনিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ ২০১২ সাল থেকে টানা তিন বছর ঢাকা বোর্ডে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। ২০১৫ সাল থেকে বোর্ড কর্তৃক সেরাদের তালিকায় না হলেও নিজেদের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রেখেছে।

    এ বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় মোট ১ হাজার ৬৬৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৫ জন অকৃতকার্য হয়েছেন। জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৬৯৬ জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১ হাজার ১৪১ জন অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৮০ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৩ জন। ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে ১৮৩ জন অংশ নিয়ে জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৪৩ জন, অকৃতকার্য হয়েছেন ২ জন। মানবিক শাখা থেকে ৩৩৪ জন অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৭৩ জন।

    কলেজের অধ্যক্ষ হেরেম উল্লাহ আহসান বলেন, ‘আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। আমাদের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আবদুল কাদির মোল্লার সরাসরি নির্দেশনায় নিয়মিত ক্লাস, বিশেষ ক্লাস, হোম ভিজিট, টিউটেরিয়াল, মাসিক পরীক্ষা, গাইড টিচারের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানসহ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি। এই প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে কখনো এমন ফলাফল হয়নি। এবারের ঘাটতিগুলোয় গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যতে পূর্বের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ফিরব ইনশা আল্লাহ।’

  • এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ‘কালো পতাকা মিছিল’

    এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ‘কালো পতাকা মিছিল’

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    মূল বেতনের ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া ভাতা, চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধি এবং সব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা ‘কালো পতাকা মিছিল’ করেছে।

    শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১২টায় জাতীয় শহীদ মিনার থেকে মিছিল শুরু হয়ে হাইকোর্টের সামনে কদম ফোয়ারা সংলগ্ন সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে।

    গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন মিছিলে সংহতি প্রকাশ করেছেন। আন্দোলনকারীদের মধ্যে একটি অংশ শহীদ মিনারে ‘আমরণ অনশন’ চালিয়ে যাচ্ছেন।

    শিক্ষক-কর্মচারীরা দাবি, বাড়ি ভাড়া ভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশ, চিকিৎসা ভাতা ৫০০

    টাকা থেকে ১,৫০০ টাকা করা হোক এবং উৎসব ভাতা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হোক। এছাড়া তারা সব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিও জানিয়েছেন।

    আগামী রোববার তারা ‘মার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচি পালন করবেন। এ পর্যন্ত আন্দোলন চলাকালীন তারা কর্মবিরতি, লংমার্চ এবং সড়ক অবরোধের মতো কর্মসূচি পালন করেছেন।