ক্যাটাগরি আন্তর্জাতিক সংবাদ

  • কীভাবে ১১ টন সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত করল ইরান

    কীভাবে ১১ টন সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত করল ইরান

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    আট বছর আগে তেহরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি থেকে সরে আসেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর থেকে ২২ হাজার পাউন্ড বা ১১ টন সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত করেছে ইরান। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে পারমাণবিক বোমা তৈরি থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে যুদ্ধ শুরু করার দুই মাস পরেও, ইরানের এই মজুত কোন অবস্থায় আছে, তা নিয়ে রহস্য রয়েই গেছে।

    ইউরেনিয়াম শহর আলোকিত বা ধ্বংস দুটোই করতে পারে। স্বল্প ঘনত্বের ইউরেনিয়াম পারমাণবিক চুল্লি চালাতে পারে। সমৃদ্ধকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উচ্চ ঘনত্বের ইউরেনিয়াম দিয়ে পারমাণবিক বোমা তৈরি করা যায়।

    ইউরেনিয়ামের ঘনত্ব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর সমৃদ্ধকরণ ক্রমশ সহজ ও দ্রুত হয়ে ওঠে। ০ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে পৌঁছানো যতটা কঠিন, ২০ শতাংশ থেকে ৬০ শতাংশে বা এমনকি ৯০ শতাংশে পৌঁছানো ততটা কঠিন নয়—যা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য কাঙ্ক্ষিত মাত্রা।

    ইরান ২০০৬ সালে শিল্প পর্যায়ে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু করে এবং এর উদ্দেশ্যকে শান্তিপূর্ণ বলে দাবি করে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রতিবেদন থেকে দেখা যায় যে, পরবর্তী কয়েক বছরে এই মজুদ বাড়তে থাকে।

    ২০১০ সালে, ইরান ঘোষণা করে যে তারা ২০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু করবে, যার উদ্দেশ্য গবেষণা চুল্লির জন্য জ্বালানি তৈরি করা। বেসামরিক এবং সামরিক ব্যবহারের মধ্যে এই স্তরটিই হলো সরকারি বিভাজন রেখা। এই ২০ শতাংশ স্তরটি উদ্বেগজনক।

    মজুত ক্রমাগত বাড়তে থাকায়, তৎকালীন ওবামা প্রশাসন তা নিয়ন্ত্রণের জন্য আলোচনা শুরু করে।

    ২০১৫ সালে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ছয়টি দেশ একটি চুক্তিতে পৌঁছায়। এই চুক্তি ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বিশুদ্ধতা ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশে এবং মজুদের পরিমাণ ১৫ বছরের জন্য সীমিত করে।

    এই চুক্তির অধীনে, তেহরান তাদের মজুতের পরিমাণ ৬৬০ পাউন্ডের নিচে সীমাবদ্ধ করে।

    ২০১৮ সালে ইরানের কাছে পারমাণবিক বোমা তৈরির উপযোগী একটি ইউরেনিয়ামও ছিল না, যখন ট্রাম্প চুক্তিটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন এবং পুনরায় একাধিক কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।

    এরপর ইরান চুক্তির নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি পরিমাণে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে শুরু করে; প্রথমে পশ্চিমা বিশ্বকে চাপে রাখার জন্য স্বল্প মাত্রায় এবং তারপর ২০২১ সালের শুরুতে ট্রাম্পের ক্ষমতা ছাড়ার ঠিক আগে, ২০ শতাংশ পর্যন্ত।

    এরপর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের প্রশাসন পরিত্যক্ত চুক্তিটির কিছু দিক পুনরুদ্ধার করার ব্যর্থ চেষ্টা করেছিল। আলোচনা চলাকালীন, ইরান ৬০ শতাংশ পর্যন্ত মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করে—যা পারমাণবিক বোমার জন্য কাঙ্ক্ষিত গ্রেড থেকে সামান্যই দূরে ছিল।

    ২০২৫ সালে ট্রাম্প পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত দ্রুততম হারে বৃদ্ধি পায়।

    ২০২৫ সালের জুন মাসে ১২ দিনের যুদ্ধ চলাকালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নাতাঞ্জ ও ফোরদোতে অবস্থিত ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র এবং ইস্পাহানে থাকা ইউরেনিয়াম মজুতের সুড়ঙ্গগুলোতে বোমা হামলা চালায়। এর এক মাস পর, ইরান আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা স্থগিত করে, যার ফলে দেশটির সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রগুলোর ওপর নজরদারি বন্ধ হয়ে যায়।

    সরাসরি পরিদর্শন না হওয়ায় স্যাটেলাইট পর্যবেক্ষণ সত্ত্বেও, ১১ টন ইউরেনিয়ামের মজুতের অবস্থান এখনো অনিশ্চিত।

    তেজস্ক্রিয় এবং রাসায়নিকভাবে বিপজ্জনক এই মজুতের কিছু অংশ যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপের নিচে লুকানো বা চাপা পড়ে আছে, যার ফলে সেগুলোকে নাগালের বাইরে রাখা বা ধ্বংস করা কঠিন লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। এমনকি সেগুলোর অস্তিত্ব নিশ্চিত করাও একটি চ্যালেঞ্জ।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান যদি এই ইউরেনিয়াম খনন করে বেরও করে, তবে তা থেকে যুদ্ধাস্ত্র তৈরি করতে অনেক মাস—সম্ভবত এক বছরেরও বেশি সময় লাগবে। তারা আরো বলেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার সময় ইরান কোনো আসন্ন পারমাণবিক হুমকি ছিল না।

    ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তি দেখিয়েছে যে মার্কিন স্যাটেলাইটগুলো মাটির গভীরে পুঁতে রাখা ইউরেনিয়ামের ওপর নজর রাখছে। সেইসঙ্গে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ও প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় এই মজুত তাদের জন্য প্রায় কোনো কাজেই আসবে না।

    তবে বিশ্লেষকরা এই দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তারা বলছেন, ইরান গত বছর তার ইস্পাহান কেন্দ্রের সংলগ্ন পাহাড়ি সুড়ঙ্গগুলোতে একটি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র স্থাপন করে থাকতে পারে। ধারণা করা হয়, তেহরান সেখানে তার ইউরেনিয়াম মজুতের সিংহভাগ মজুত করে রেখেছে। তাদের মতে, যদি এটা সত্যি হয়, তাহলে ইরানের একটি গোপন কেন্দ্র থাকার সম্ভাবনা বাড়ে, যেখানে তারা পারমাণবিক বোমা তৈরির জন্য নতুন করে জ্বালানি সমৃদ্ধকরণ প্রক্রিয়া চালাতে পারে।

  • বাংলাদেশে ভারী বৃষ্টিতে হুমকির মুখে ধানের ফলন

    বাংলাদেশে ভারী বৃষ্টিতে হুমকির মুখে ধানের ফলন

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    গ্রীষ্মকাল ধান কাটার মৌসুম৷ এ সময়ে অতি বর্ষণ ও ভারত থেকে আসা পানি বিস্তীর্ণ এলাকাকে বন্যার ঝুঁকিতে ফেলেছে৷

    অবিরাম বৃষ্টি, প্রবল বাতাস এবং বজ্রসহ ঝড় ও বৃষ্টি সত্ত্বেও কৃষকরা তাই ফসল রক্ষার জন্য ছুটে যাচ্ছেন ক্ষেতে৷ হাঁটু-সমান পানিতে হেঁটে আংশিকভাবে ডুবে যাওয়া ফসল কাটছেন তারা৷

    সুনামগঞ্জের এক কৃষক মোহাম্মদ আল আমিন ফসল রক্ষার এ লড়াইয়ের বর্ণনা দিয়ে বলেন, ‘‘এখনও যতটুকু দাঁড়িয়ে আছে, সেইটুকুই বাঁচানোর চেষ্টা করছি আমরা৷”

    দক্ষিণ এশিয়ার দেশ বাংলাদেশের প্রধান ফসল ধান৷ হাওর অববাহিকায় বোরো ধান পাকতে শুরু করেছে৷ বন্যা পরিস্থিতি হাওরসহ আরো কিছু এলাকার গ্রামীণ জীবনযাত্রা এবং জাতীয় খাদ্য সরবরাহকে প্রভাবিত করতে পারে৷

    কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির সঙ্গে ভারতের মেঘালয় ও আসাম অঞ্চল থেকে আসা পানির প্রবাহ বাংলাদেশের ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোতে আকস্মিকভাবে বন্যার ঝুঁকি বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ৷

    স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, সুনামগঞ্জ, সিলেট, কিশোরগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের অনেক এলাকার ফসলের ক্ষেত পানির নীচে তলিয়ে গেছে৷ বেশ কিছু জায়গায় পানির স্রোতে বাঁধ দুর্বল হয়ে গেছে বা বাঁধ উপচে বন্যার পানি ফসলের জমিতে ঢুকে পড়েছে৷ শাকসবজিসহ অনেক ধরনের ফসলের ক্ষতি করেছে ভারী বৃষ্টি৷ এতে খাদ্যের সরবরাহে ঘাটতির আশঙ্কা বেড়েছে৷

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, আগামী কয়েক দিন আরো বৃষ্টি হতে পারে৷ কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, উজানের অতিরিক্ত পানির প্রবাহ হাওর অববাহিকা জুড়ে আরো ব্যাপক বন্যার শঙ্কা বাড়াতে পারে৷ কৃষি কর্মকর্তারা মনে করেন, এই পর্যায়ে অল্প সময়ের জন্য জলমগ্ন থাকলেও ধানের ফলন অনেক কমতে পারে৷

    ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে রাজধানী ঢাকা ও বন্দর নগরী চট্টগ্রামসহ দেশের প্রধান শহরগুলোতে ব্যাপক জলাবদ্ধতা ও বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে৷ রাস্তাঘাট জলমগ্ন হওয়ায় যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে, দৈনন্দিন জীবনযাত্রাও ব্যাহত হয়েছে৷

    বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ প্রায় নিয়মিতই বন্যার ঝুঁকিতে থাকে৷ ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ইনস্টিটিউটের ২০১৫ সালের এক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এ দেশে বছরে প্রায় ৩৫ লক্ষ মানুষ নদীর পানি বাড়ায় বন্যার ঝুঁকিতে পড়ে৷

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম চাল উৎপাদনকারী দেশটিতে উৎপাদিত চালের বেশিরভাগই অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটায়৷ বন্যা বা খরার কারণে ঘাটতি দেখা দিলে সেই ঘাটতি ধান আমদানিও করে বাংলাদেশ৷

     

  • পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে নতুন অধ্যায় রচিত হচ্ছে- মোজতবা খামেনির বার্তা

    পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে নতুন অধ্যায় রচিত হচ্ছে- মোজতবা খামেনির বার্তা

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    ইরানের সঙ্গে গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে একটি নতুন অধ্যায় রচিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।

    পার্সিয়ান গাল্ফ ডে বা পারস্য উপসাগরীয় দিবস উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক লিখিত বার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেছেন, তেহরান ‘নৌপথের শত্রু’কে নির্মূল করবে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলকে সুরক্ষিত করবে। হরমুজ প্রণালিতে নতুন বিধি-বিধান ও ব্যবস্থাপনা ‘শান্তি ও অগ্রগতির’ পাশাপাশি সকল উপসাগরীয় রাষ্ট্রের জন্য ‘অর্থনৈতিক সুবিধাও’ বয়ে আনবে বলে মোজতবা খামেনির বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আর বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি বিবৃতিতে।

  • মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তির জন্য মার্কিন পুতুল ঘাঁটি দায়ী: মোজতবা খামেনি

    মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তির জন্য মার্কিন পুতুল ঘাঁটি দায়ী: মোজতবা খামেনি

    নিউজ ডেস্ক:

    মধ্যপ্রাচ্যে বিরাজমান অস্থিরতার জন্য ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর উপস্থিতিকে দায়ী করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।

    ইরান ও ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলার প্রেক্ষাপটে তিনি এই মন্তব্য করেন।

    ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ‘এটি প্রমাণিত যে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন বিদেশিদের উপস্থিতি এবং তাদের আস্তানা গেড়ে থাকাই এই অঞ্চলের নিরাপত্তাহীনতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ।’

    মোজতবা খামেনি বলেন, ‘আমেরিকার এই পুতুল ঘাঁটিগুলোর নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো শক্তি বা সামর্থ্য নেই। সেখানে তারা এই অঞ্চলের তাদের ওপর নির্ভরশীল বা আমেরিকাপন্থীদের নিরাপত্তা দেবে-এমন আশা করা বৃথা।’

    তিনি মনে করেন, মধ্যপ্রাচ্যে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপই মূলত আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতাকে উসকে দিচ্ছে। মূলত আঞ্চলিক দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমানোর বার্তা দিতেই তিনি এই বক্তব্য দিয়েছেন।

  • ইরানে ব্যাপক হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

    ইরানে ব্যাপক হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

     

    ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য নতুন সামরিক অভিযানের পরিকল্পনার বিষয়ে বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে ব্রিফ করবেন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ব্র্যাড কুপার। বুধবার (২৯ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    অজ্ঞাত সূত্রের বরাতে অ্যাক্সিওস এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। এ নিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স হোয়াইট হাউজ ও মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের কাছে জানতে চাইলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া পায়নি।

    সূত্রের বরাতে অ্যাক্সিওস বলছে, সেন্টকম ইরানের ওপর ‘স্বল্প ও শক্তিশালী’ দফায় দফায় হামলার একটি পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছে। এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের নতুন লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ইরানের অবকাঠামোও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
    রিপোর্টে বলা হয়েছে, নতুন অভিযানের পরিকল্পনায় হরমুজ প্রণালির একটি অংশ দখল করে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য তা পুনরায় খুলে দেয়ার ওপর কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযানে স্থলবাহিনীও জড়িত থাকতে পারে।

    এ ছাড়া ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ সুরক্ষিত করতে যুক্তরাষ্ট্র একটি বিশেষ বাহিনীর অভিযানও চালাতে পারে।

    টানা এক মাসের বেশি সময় ধরে যুদ্ধের পর গত ৮ এপ্রিল থেকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে অতর্কিত হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। এর জবাবে ইসরাইল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে আক্রমণ শুরু করে তেহরান।

    ইরানে মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় এবং লেবাননেও ইসরাইলের ব্যাপক হামলায় হাজার হাজার হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। সেই সঙ্গে ঘরছাড়া হয়েছে লাখ লাখ বাসিন্দা।

  • হরমুজ প্রণালী নিজের নামে করে নিলেন ট্রাম্প!

    হরমুজ প্রণালী নিজের নামে করে নিলেন ট্রাম্প!

    নিউজ ডেস্ক:

    বহুল আলোচিত হরমুজ প্রণালীকে এবার নিজের নামে নামকরণ করে নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    বৃহস্পতিবার সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি মানচিত্র শেয়ার করেছেন, যেখানে হরমুজ প্রণালীর নাম ‘স্ট্রেইট অফ ট্রাম্প’ বা ‘ট্রাম্প প্রণালী’ লেখা রয়েছে।

    এর আগে এক বক্তৃতায়ও ‘ট্রাম্প স্ট্রেইট’ শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন তিনি। সেখানে উপস্থিত লোকজন তার কথা শুনে হেসে উঠলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, “গণমাধ্যম হয়তো প্রথমে এটিকে একটি ‘ভুল’ বলে মনে করতে পারে, কিন্তু সবাই জানে, আমি খুব কমই ভুল করি।” যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ ‘ব্যর্থ হতে বাধ্য’ : ইরানের প্রেসিডেন্ট

    ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বৃহস্পতিবার বলেছেন, ‘ইরানি বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ উপসাগরীয় অঞ্চলে অস্থিরতা আরো বাড়াবে এবং এটি তার লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হবে।’ এক বিবৃতিতে পেজেশকিয়ান বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী কোনো নৌ-অবরোধ বা বিধিনিষেধ আরোপের চেষ্টা… ব্যর্থ হতে বাধ্য।’

     তিনি আরো বলেন, ‘এ ধরনের পদক্ষেপ শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদারে ব্যর্থই হবে না, বরং বাস্তবে উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনার উৎস হয়ে উঠবে এবং স্থায়ী স্থিতিশীলতাকে ব্যাহত করবে।’

  • আমিরাত ওপেক ছাড়ায় তেলের দাম কেন কমতে পারে

    আমিরাত ওপেক ছাড়ায় তেলের দাম কেন কমতে পারে

    নিউজ ডেস্ক:

    সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এরপর থেকেই ওপেক নিয়ে আলোচনা বাড়ছে।

    পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশের সংস্থা (ওপেক) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬০ সালে। এর লক্ষ্য ছিল সদস্য দেশগুলোর তেল নীতি সমন্বয় করা এবং বাজার স্থিতিশীল রাখা। যাতে ভোক্তারা নিয়মিত, সাশ্রয়ী ও নিরবচ্ছিন্নভাবে তেল পায়।

    শুরুর দিকে সদস্য ছিল মাত্র পাঁচটি দেশ- ইরান, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব ও ভেনেজুয়েলা। পরে সদস্য সংখ্যা বেড়ে ১২ টিতে দাঁড়ায়। বর্তমানে বিশ্বে উৎপাদিত অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৩৬ দশমিক ১৭ শতাংশ সরবরাহ করে এই দেশগুলো। আর বৈশ্বিক তেল মজুতের প্রায় ৭৯ দশমিক ২২ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে ওপেক সদস্যরা। ইউএই ১৯৬৭ সালে এই জোটে যোগ দেয়।

    ওপেকের পাশাপাশি আরেকটি নাম নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। সেটি হলো ওপেক প্লাস। এটি আরও বড় একটি জোট। এতে ওপেক সদস্যদের পাশাপাশি রাশিয়াসহ অন্যান্য তেল উৎপাদনকারী দেশও আছে।

    ওপেকের কাজ কী
    সদস্য দেশগুলো নিয়মিত বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। এরপর তারা যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নেয়- তেলের উৎপাদন বাড়ানো হবে, না কমানো হবে। এর মাধ্যমে তারা সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে এবং দাম স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করে।

    তেলের উৎপাদন কমালে বাজারে সরবরাহ কমে যায়, ফলে দাম বাড়ে। আবার উৎপাদন বাড়ালে সরবরাহ বেড়ে যায়, তখন দাম কমার প্রবণতা দেখা যায়। এই সিদ্ধান্তগুলো সাধারণত সর্বসম্মতভাবে নিতে হয়। ফলে ওপেকের সিদ্ধান্ত বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ও দামের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।

    আমিরাতের জোট ছাড়ার প্রভাব
    ইউএই চায় ওপেকের উৎপাদন কোটা বাড়ানো হোক। কারণ, বর্তমানে যতটা তেল উৎপাদনের অনুমতি আছে, তার চেয়ে তাদের উৎপাদনের সক্ষমতা অনেক বেশি। ইউএই জানিয়েছে, তারা জোট থেকে বেরিয়ে আগামী ১ মে থেকে নিজেদের মতো করে উৎপাদনের মাত্রা নির্ধারণ করবে।

    ওপেক সদস্য দেশগুলোর তেল ও জ্বালানিমন্ত্রীরা সাধারণত বছরে দুইবার বৈঠক করেন। সেখানে জোটের মোট উৎপাদনমাত্রা ঠিক করা হয়। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত জরুরি বৈঠকও হয়।

    আমিরাতের ওপেক ছাড়ার খবরে তেলের দামে বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি। বরং দামের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, আমিরাতের এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্ববাজারে সরবরাহ বাড়বে, ফলে দাম কিছুটা কমার সম্ভাবনা আছে।

    এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেছিলেন, বাজারে সরবরাহ সীমিত রেখে ওপেক তেলের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়াচ্ছে।

    বাণিজ্যের ধরনে বদল
    সংযুক্ত আরব আমিরাত ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের তেলের দাম কৃত্রিমভাবে বেশি রাখার সক্ষমতায় বড় ধাক্কা লেগেছে। ওপেকের প্রভাব কমে যাওয়া দীর্ঘমেয়াদে ভোক্তাদের জন্য ভালো হতে পারে। ইউএই অঞ্চলটির দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদক। ফলে তারা বাজারে নতুন বড় প্রতিযোগী হিসেবে আসবে এবং ওপেকের নির্ধারিত সীমাবদ্ধতা ছাড়াই তেল উৎপাদন করতে পারবে।

    এ ঘটনায় আরও বোঝা যাচ্ছে, ইরান যুদ্ধ বিশ্ব বাণিজ্যের ধরনে স্থায়ী পরিবর্তন আনছে এবং নতুন সরবরাহ শৃঙ্খল তৈরি করছে। তবে বাজারে যে পরিবর্তনগুলো আসছে, সেটির প্রভাব এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। এটি কেবল শুরু।

    আমিরাতের সিদ্ধান্তের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের তেল উৎপাদকদের জন্য অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও পুরোপুরি নয়। তারা যতটা তেল ব্যবহার করে, তার চেয়ে বেশি উৎপাদন করে ঠিকই, কিন্তু চাহিদার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এখনো আমদানি করতে হয়। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রে যে হালকা ও নিম্ন-সালফারযুক্ত অপরিশোধিত তেল উৎপাদিত হয়, তা ভারী জ্বালানি ও অন্যান্য পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য তৈরিতে কম উপযোগী। ফলে কিছু তেলের জন্য এখনো মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভর করে ওয়াশিংটন

  • যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশগুলোর জন্য ওপেকের ১৫০০ কোটি ডলার সহায়তা ঘোষণা

    যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশগুলোর জন্য ওপেকের ১৫০০ কোটি ডলার সহায়তা ঘোষণা

    নিউজ ডেস্ক:

    ইরান যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি ও বাণিজ্যিক সংকট মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ১৫০ কোটি মার্কিন ডলারের (প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা) সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ।

    ভিয়েনাভিত্তিক এই সংস্থাটি জানিয়েছে, এই বিশাল অংকের অর্থ এখন থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে বিতরণ করা হবে। মূলত উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চাপ সামাল দিতে এই ‘চাহিদা-ভিত্তিক’ তহবিল গঠন করা হয়েছে।

    ওপেক ফান্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুদ্ধের ফলে খাদ্য, জ্বালানি এবং সারের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে এবং দাম কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। এই তহবিল উন্নয়নশীল দেশগুলোর সরকারকে বাড়তি খরচ মেটাতে এবং নিরবচ্ছিন্ন পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।

    সংস্থাটি আরো জানায়, বিশ্ববাজারে যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব ও বাণিজ্যে স্থবিরতা কাটিয়ে উঠতে এই প্যাকেজটি দেশগুলোকে বিশেষ সুরক্ষা দেবে। এর আগেও বিভিন্ন বৈশ্বিক সংকটে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা দিয়ে এসেছে এই আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাটি।

  • ৩ দিনে মার্কিন অবরোধ ভেঙে হরমুজ পাড়ি দিল ৫২টি ইরানি জাহাজ

    ৩ দিনে মার্কিন অবরোধ ভেঙে হরমুজ পাড়ি দিল ৫২টি ইরানি জাহাজ

    নিউজ ডেস্ক:

    গত ৩ দিনে ইরানের ৫২টি জাহাজ মার্কিন অবরোধ ভেঙ্গে হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি। স্থানীয় সময় গত সোমবার রাত ১০টা পর্যন্ত আগের তিন দিনের স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং তথ্যের বরাত দিয়ে এ খবর জানানো হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, পাড়ি দেওয়া জাহাজগুলোর মধ্যে ৩১টি তেলবাহী ট্যাংকার ও ২১টি পণ্যবাহী জাহাজ ছিল। এসব জাহাজ কোনো রকম বাঁধা না পেয়েই প্রণালি পাড়ি দেয়। যদিও এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ বাহিনী কোনো মন্তব্য করেনি।

    প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হয়। এরপর ২ মার্চ ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ঘোষণা দেয়, হরমুজ প্রণালি জাহাজ চলাচলের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনায় কোনো চুক্তি হয়নি। এরপরই ১৩ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজে পাল্টা নৌ অবরোধ দেয়। যদিও ২১ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের অনুরোধে যুদ্ধবিরতি বাড়ানো হয়েছে। তবে যুদ্ধবিরতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ অব্যাহত রয়েছে।

  • পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে প্রথম ৮ ঘন্টায় ৭৮.৬৮ শতাংশ ভোট পড়েছে

    পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে প্রথম ৮ ঘন্টায় ৭৮.৬৮ শতাংশ ভোট পড়েছে

    নিউজ ডেস্ক:

    পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে ভোটদানের হারে সমস্ত নজিরকে ছাপিয়ে গিয়েছে এ বারের ভোট। বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটে ১৪২টি আসনে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ৮৯.৯৯ শতাংশ। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজ্যে প্রথম দফায় পড়েছিল ৮৯.৯৩ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমানে। সবচেয়ে কম পড়েছে কলকাতা দক্ষিণে। ভোটগ্রহণ শেষ হতে এখনও এক ঘণ্টা বাকি। সন্ধ্যা ৬টায় শেষ হবে ভোটগ্রহণ। ফলে এই হার নিঃসন্দেহে আরও বাড়বে।

    বুধবার সকাল থেকে মানুষ বৃষ্টি মাথা নিয়ে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে উৎসাহের সঙ্গে ভোট দিয়েছেন। নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল সমানে সমানে। বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র থেকে ইভিএমে ত্রুটি থাকায় ভোট দেরিতে শুরু হয়। প্রথম দফার মতো দ্বিতীয় দফাতেও মোটের উপর নির্বিঘ্নেই ভোট হচ্ছে। বিকেল ৫টে পর্যন্ত ১৪২টি আসনের কোথাও কোনও বড় রকমের অশান্তির খবর মেলেনি। বিক্ষিপ্ত যে সব অশান্তি, গোলমাল হয়েছে তা কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশের চেষ্টায় কিছু ক্ষণের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিকও হয়েছে।

    পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের দিনটিকে গণতন্ত্রের উৎসবের এক গুরুত্বপূর্ণ দিন বলে ব্যাখ্যা করেন । বুধবারের ভোটপর্ব নিয়ে মোদী বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিপুল ভোটদানের খবর আসছে। প্রথম দফার মতোই বহু সংখ্যক জনতা ভোটদানের জন্য বাড়ি থেকে বেরোচ্ছেন। লম্বা লম্বা লাইনের ছবি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। গত ছয়-সাত দশকে যা হয়নি, যা কল্পনাও করা যেত না— এ বার সেটাই হচ্ছে। ভয়মুক্ত বাতাবরণে পশ্চিমবঙ্গে ভোট হচ্ছে। সাধারণ মানুষ ভয়মুক্ত হয়ে ভোট দিচ্ছেন।

    তবে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় সকাল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অথ্যাচার নিয়ে সরব হয়েছেন। এদিন দুপুরে ভোট দিয়ে বেরিয়ে এসে মমতা বলেন, অবাধ ভোটের নামে দিনভর অত্যাচার চলেছে। তার অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তৃণমূলের এজেন্টদের বার করে দেওয়া হয়েছে। মারধর করা হয়েছে মহিলা এবং শিশুদের। নির্বাচন কমিশনের নাম না-করে মমতা বলেন, এটা কি অবাধ শন্তিপূর্ণ নির্বাচন ? তার কথায়, জীবনে এমন দেখিনি। তা সত্ত্বেও বলছি তৃণমূলই জিতবে। দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জিতব