ক্যাটাগরি ন্যায়বিচার

  • আইফোনের জন্য বন্ধুকে খুন!

    আইফোনের জন্য বন্ধুকে খুন!

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    সিলেটের বিয়ানীবাজারে নিখোঁজের তিন দিন পর ডোবা থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার শেওলা ইউনিয়নের শালেস্বর গ্রামের একটি ডোবা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    নিহত ইমন আহমদ (২২) কুড়ারবাজার ইউনিয়নের খশির নামনগর গ্রামের মুতলিব মিয়ার ছেলে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে নিহতের ঘনিষ্ঠ বন্ধু আশরাফুল করিমকে (২৩) আটক করেছে পুলিশ। তিনি একই গ্রামের আব্দুল করিম মনাইর ছেলে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত ইমন আহমদ আইফোন ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি করত। ওই মোবাইলের প্রতি দুর্বলতা ছিল বন্ধু আশরাফুল করিমের। তিন দিন ধরে নিখোঁজ ছিল ইমন। অনেক খোঁজাঁখুজি করেও তাকে কোথাও পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার রাতে এ বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পুলিশ ডায়েরির সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করে। একপর্যায়ে ইমন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় আশরাফুলের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়। তখন অন্যত্র পালিয়ে যাওয়া অবস্থায় তাকে আটক করে পুলিশ। তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

  • কানাইঘাটে ভারতীয় খাসিয়ার গুলিতে যুবক নিহত

    কানাইঘাটে ভারতীয় খাসিয়ার গুলিতে যুবক নিহত

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    সিলেটের কানাইঘাটের দনা সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে শাকিল আহমদ (২৫) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।

    রোববার (২৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে দনা সীমান্তবর্তী ১৩৩৪নং মেইন পিলারের ভারতের অভ্যন্তরে ৩’শ গজ ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয়রা জানান, সীমান্তবর্তী দনা পাতিছড়া গ্রামের আব্দুর রউফের ছেলে শাকিল আহমদসহ আরও দুজন রোববার দুপুরে দনা সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের দনা খাসিয়া পুঞ্জিতে প্রবেশ করে সুপারি সংগৃহ করতে যায়। এ সময় অস্ত্রধারী খাসিয়ারা তাদের ওপর গুলি চালালে শাকিল আহমদ গুলিবিদ্ধ হয়।

    পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শাকিল আহমদকে তার সহযোগীরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নিয়ে আসেন। একপর্যায়ে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে পথিমধ্যে মারা যায়।

  • জকিগঞ্জে সাড়ে তিন বছর পর শপথ নিলেন ইউপি চেয়ারম্যান

    জকিগঞ্জে সাড়ে তিন বছর পর শপথ নিলেন ইউপি চেয়ারম্যান

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    সিলেটের জকিগঞ্জে দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে শপথ নিলেন এক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান। হাসান আহমদ নামের ওই চেয়ারম্যান জকিগঞ্জ উপজেলার ৫ নম্বর জকিগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

    আদালতের রায়ে তাকে নির্বাচিত ঘোষণার পর ০৩ আগস্ট বিকেল ৪টায় সিলেট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। শপথবাক্য পাঠ করান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদ।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আশিক উদ্দিন চৌধুরী, জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সহসভাপতি ইকবাল আহমদ, সিলেট মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ভিপি মাহবুবুল হক চৌধুরী, জকিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন সেলিম ও জকিগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি রহমত আলী হেলালীসহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিপুল নেতারা ও জকিগঞ্জ ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ।

    জানা গেছে, ২০২২ সালের ০৫ জানুয়ারি উপজেলার জকিগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ফলাফলে ৩ হাজার ১৩৭ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আফতাব আহমদকে চেয়ারম্যান ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা হাসান আহমদ চশমা প্রতীকে পান ২ হাজার ৯৭৮ ভোট।

    বিজয়ী ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে ১৫৯টি ভোটের ব্যবধান দেখানো হলে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে পুনঃগণনার জন্য সিলেট নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা করেন হাসান আহমদ। দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর পর গণনা শেষে ৭৮ ভোট বেশি পাওয়ায় তার পক্ষে রায় ঘোষণা করেন সিলেটের সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের বিচারক।

    আদালতের রায় পেয়ে গত ১৩ জুলাই বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় সংশোধনী বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে। সেই ধারাবাহিকতায় হাসান আহমদকে চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ পড়ান সিলেট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদ।

    এ বিষয়ে হাসান আহমদ বলেন, ‘আদালতের রায়ে নির্বাচিত হয়ে শপথ গ্রহণ করায় আমি অত্যন্ত খুশি। জকিগঞ্জ ইউনিয়নের জনগণের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। তারা তাদের প্রত্যক্ষ ভোটে আমাকে নির্বাচিত করলেও বিগত আওয়ামী সরকারের অনুগত নির্বাচন কমিশন নৌকার প্রার্থীকে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করে। পরে আমি নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করলে দীর্ঘ তিন বছর আট মাস পর আজ শপথ গ্রহণ করলাম। আগামী দিনের সুন্দর পথচলায় আমার প্রিয় ইউনিয়নবাসীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।’

  • সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে সাবেক ইউপি সদস্য নিহত

    সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে সাবেক ইউপি সদস্য নিহত

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    সিলেটের ওসমানীনগরে দুপক্ষের সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে আতিক মিয়া (৪২) নামে সাবেক এক ইউপি সদস্য নিহত হয়েছেন। বুধবার রাতে সংঘর্ষে গুরুতর আহত হবার পর সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই আতিক মিয়া মারা যান।

    নিহত আতিক উপজেলার বুরুঙ্গা ইউপির পশ্চিম সিরাজনগর গ্রামের মাহমদ আলীর ছেলে ও ৯নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য। এ ঘটনায় ওসমানীনগর থানা পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ১২ জনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বুরুঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম সিরাজনগর গ্রামের আকলিছ মিয়া ও আব্দুল ওহাব পাছুর মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রায়ই উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে আসছে। গত বুধবার দুপুরে দুইপক্ষ সংঘর্ষে জড়ালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ ফিরে যাওয়ার পর স্থানীয়দের উদ্যোগে বিষয়টি আপস-মীমাংসা করার জন্য সমবেত হন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

    ওই রাতে উভয়পক্ষকে নিয়ে বসে আপস-মীমাংসার সিদ্ধান্ত হয়।  সালিশ বৈঠক থেকে ফেরার পথে সাবেক ইউপি সদস্য আতিক মিয়ার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় আব্দুল ওয়াহাবের পক্ষের লোকজন। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে উপর্যুপরি মাথায় এবং বুকে জখম করলে গুরুতর অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতেই আতিক মিয়া হাসপাতালে মারা যান।

    নিহত আতিক মিয়ার পিতা মাহমদ আলী বলেন, দুইপক্ষের লোকের সমস্যা সমাধান করার উদ্যোগ নেওয়ায় আব্দুল ওয়াহাব ওরফে পাছু ও তার ছেলে এবং আত্তর আলী, মঞ্জু মিয়া, মিজান মিয়া, মুকিদগংরা ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে। আমি আমার ছেলের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেখতে চাই।

    এ ব্যাপারে ওসমানীনগর থানার ওসি মো. মোরশেদুল হাসান ভূঁইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১২ জনকে আটক করে আদালতে পাঠিয়েছে।

  • চোর সন্দেহে ২ জনকে পিটিয়ে হত্যা

    চোর সন্দেহে ২ জনকে পিটিয়ে হত্যা

    ডেস্ক নিউজ:

    মানিকগঞ্জের সিংগাইরে গরু চুরি করতে এসে এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে দুই চোর নিহত হয়েছেন।

    রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাত ১টার দিকে সিংগাইর উপজেলার জয়মন্টপ ইউনিয়নের সজের মোড়া তিন রাস্তার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন—পার্শ্ববর্তী দশানী গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে মজনু (২৭) এবং ছয়আনি গ্রামের বান্ধু মিয়ার ছেলে দীন ইসলাম (২২)।

    স্থানীয়রা জানান, রাতে পাশের ইমামনগর গ্রামের ইউনুস মিয়ার বাড়িতে গরু চুরির উদ্দেশ্যে তালা ভাঙার চেষ্টা করে পাঁচজনের একটি চোরচক্র। এ সময় বাড়ির লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে এলাকাবাসী সংঘবদ্ধ হয়ে পাঁচজন চোরের মধ্যে দুজনকে ধরে গণধোলাই দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশ তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

    থানা সূত্রে জানা গেছে, নিহত মজনু ও দীন ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক চুরির মামলা রয়েছে। তারা দুজনই পুলিশের তালিকাভুক্ত চোর ছিলেন। ঘটনার খবর পেয়ে সিংগাইর থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম এবং সহকারী পুলিশ সুপার (সিংগাইর সার্কেল) ফাহিম আসজাদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

    এলাকাবাসীর দাবি, গত তিন বছর ধরে এই চক্র এলাকায় একাধিক চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে। এর আগেও কয়েকবার তাদের আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছিল।

    স্থানীয়রা আরও জানান, ধরা পড়ার পর নিহত দুই চোর তাদের সঙ্গে থাকা আরও তিনজন সহযোগীর নাম প্রকাশ করেছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।

    এ বিষয়ে সিংগাইর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার বলেন, নিহতদের মরদেহ বর্তমানে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে রয়েছে। সেখানে ময়নাতদন্ত শেষে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

     

  • বিষ প্রয়োগে ৬ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ

    বিষ প্রয়োগে ৬ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ

    পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মনোয়ারা বেগম (৫০) নামের এক নারী কৃষকের মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ৬ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি কলাপাড়া থানায় অজ্ঞাতনামা দুই থেকে তিনজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
    শনিবার  সকালে কলাপাড়া উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের কাংকুনি পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে ওই এলাকার ‘শিশু পল্লী একাডেমি’ নামের একটি বিদ্যালয় থেকে ঘের লিজ নিয়ে মাছ চাষ শুরু করেন মনোয়ারা বেগম। শুক্রবার রাত ১২টা থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত কোনো এক সময় পূর্বশত্রুতার জেরে দুর্বৃত্তরা তার মাছের ঘেরে অনধিকার প্রবেশ করে বিষ প্রয়োগ করে।
    ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, বিষ প্রয়োগের ফলে প্রায় ৪ লাখ টাকার রুই, কাতল, গ্রাসকার্প ও মৃগেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ তুলে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এছাড়া আরও প্রায় ২ লাখ টাকার মাছ ঘেরে মরে ভেসে ওঠে। এতে তিনি চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
    মনোয়ারা বেগম বলেন, “আমার স্বামী পাঁচ বছর আগে মারা গেছেন। স্বামীর রেখে যাওয়া কিছু জমি ও এই মাছের ঘের পরিচালনা করেই সংসার চালাতাম। দুর্বৃত্তরা এমন বড় ক্ষতি করবে কখনো ভাবিনি। এখন আমি প্রায় নিঃস্ব। দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।”
    কলাপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন বলেন, “মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে নিধনের অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

    এম কে

  • ধুনটে বিএনপির অফিস ভাঙচুর মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

    ধুনটে বিএনপির অফিস ভাঙচুর মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    বগুড়ার ধুনটে দোয়া মাহফিলে হামলা, বিএনপি নেতাকর্মীদের মারধর, দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর ও ব্যানারে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মাহমুদুল হাসান মিথু (৩২) নামে এক যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

    মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মাহমুদুল হাসান মিথু ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য এবং নারায়ণপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ৩০ মে ধুনট বাজারে হোটেল আরাফাত ভবনের দোতলায় অবস্থিত বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হচ্ছিল।

    এ সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কার্যালয়ে প্রবেশ করে দোয়া মাহফিলে হামলা চালায়। এতে বিএনপি নেতাকর্মীদের মারধর করা হয় এবং কার্যালয় ভাঙচুর ও ব্যানারে অগ্নিসংযোগ করা হয়।

    এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ১২ নভেম্বর যুবদল নেতা ইমদাদুল হক রনি বাদী হয়ে আওয়ামী লীগের ৬১ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৬০ জনের বিরুদ্ধে ধুনট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার অজ্ঞাত আসামি হিসেবে মাহমুদুল হাসান মিথুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    ধুনট থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মোস্তাফিজ আলম জানান, মামলার এজাহারে গ্রেপ্তারকৃত আসামির নাম উল্লেখ না থাকলেও তদন্তে তার সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার তাকে বগুড়া আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

    এআর/নিই

  • স্বাক্ষর জাল করে ঋণ পুনঃতফশিলের চেষ্টা  শেরপুরে মান্নাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা

    স্বাক্ষর জাল করে ঋণ পুনঃতফশিলের চেষ্টা শেরপুরে মান্নাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা

    বিডটাইমস ডেস্কঃ

    বগুড়ায় একটি হিমাগারের পলাতক ব্যবস্থাপনা পরিচালকের স্বাক্ষর জাল করে ঋণ পুনঃতফশিলের চেষ্টার অভিযোগে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

    বগুড়ার শেরপুরের খানপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের ব্যবসায়ী মিল্লাত হোসেন সম্প্রতি বগুড়ার অবকাশকালীন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে এ মামলা করেন।

    বিচারক সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির মামলাটি আমলে নিয়ে নথিপত্র ও প্রাথমিক তথ্য পর্যালোচনা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়কে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবদুল ওহাব ও দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মাহফুজ ইকবাল মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    মামলার আসামিরা হলেন- ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি প্রধান কার্যালয়ের চেয়ারম্যান ড. এম জুবায়দুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খান, প্রধান কার্যালয়ের ইনচার্জ মাহমুদ হোসেন খান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ সৈয়দ উল্লাহ, বগুড়ার জোনাল শাখার ইনচার্জ সিকদার শাহাবুদ্দিন, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক (বিআরপিডি) ও সদস্য সচিব, নীতি সহায়তা প্রদান বাছাই কমিটি বায়েজিদ সরকার এবং বগুড়ার শিবগঞ্জের কিচক বাজারে আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মান্না (সভাপতি নাগরিক ঐক্য)।

    মামলায় কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা এবিএম নাজমুল কাদির শাহজাহান চৌধুরী ও পরিচালক তার স্ত্রী ইসমত আরা লাইজুসহ পাঁচজনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

    বাদী এজাহারে উল্লেখ করেছেন, আসামিরা জালিয়াতি ও প্রতারণাকারী এবং আইন পরিপন্থি কাজের সঙ্গে জড়িত। তার সঙ্গে ২নং সাক্ষী এবিএম নাজমুল কাদির চৌধুরী ও ৩নং সাক্ষী ইসমত আরা লাইজুর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তিনামা সম্পাদক হয়। চুক্তিনামা অনুযায়ী এরা দুজন ও ৭নং আসামি মাহমুদুর রহমান মান্নার প্রতিষ্ঠান আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ২৫ কোটি টাকা নির্ধারণ করে তা বিক্রির জন্য চুক্তি হয়। চুক্তির দিন সাক্ষী ১০ কোটি টাকা বুঝিয়ে দেন এবং অবশিষ্ট ১৫ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধের সময় পরিশোধ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। সম্পত্তি হস্তান্তরের বিষয়েও সম্মতি প্রকাশ করেন।

    পরে দেখা যায়, সাক্ষী এবিএম নাজমুল১ কাদির শাহজাহান চৌধুরী ও তার স্ত্রী ইসমত আরা লাইজু গত বছরের ১৯ আগস্ট আমেরিকা চলে যান। পলাতক অবস্থায় তাদের অনুপস্থিতিতে আসামি মাহমুদুর রহমান মান্না ওই দম্পতির স্বাক্ষর জাল করে ১ ডিসেম্বর বোর্ড সভার ভুয়া রেজুলেশন তৈরি করেন। যেখানে ৩৮ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ পুনঃতফশিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

    আসামিরা এই জাল রেজুলেশনকে বৈধ রূপ দিয়ে তা বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংকে দাখিল করে ঋণ পুনঃতফশিলের আবেদন করেন। পরে তারা পরস্পর যোগসাজশে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা লঙ্ঘন করে, নিয়ম বহির্ভূতভাবে মিথ্যা কাগজপত্রের মাধ্যমে ঋণ পুনঃতফশিলের অনুমোদন আদায়ের চেষ্টা করেন।

    গত ১১ ডিসেম্বর দাখিল করা ওই মামলায় আরও বলা হয়, ইসলামী ব্যাংক বগুড়ার বড়গোলা শাখা থেকে খেলাপি ৩৮ কোটি চার লাখ ৭৬ হাজার টাকা ঋণ পরিশোধের জন্য আসামিদের ‘কল ব্যাক নোটিশ’ দেওয়া হয়।

    ওই নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়। এরপরও আসামিরা জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে পুনঃতফশিলের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবদুল ওহাব বলেন, ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শিবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শিবগঞ্জের কিচক বাজারে আফাকু কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবিএম নাজমুল কাদির শাহজাহান চৌধুরী, তার স্ত্রী ইসমত আরা লাইজুকে নিয়ে পালিয়ে গেছেন। এরপরও তাদের উপস্থিত দেখিয়ে ভুয়া স্বাক্ষরের মাধ্যমে ৩৮ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ পুনঃতফশিলের চেষ্টা করায় এ মামলা হয়েছে।

    দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মাহফুজ ইকবাল জানান, আদালতের আদেশের কপি বুধবার হাতে এসে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার আদেশের অনুলিপিসহ নথিপত্র দুদক ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। সূত্রঃ যুগান্তর

    এআর/নিই

  • সোনাতলায় বালু উত্তোলনে হুমকির মুখে ৫০ কোটি টাকার সেতু

    সোনাতলায় বালু উত্তোলনে হুমকির মুখে ৫০ কোটি টাকার সেতু

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    বগুড়ার সোনাতলায় বাঙালি নদী থেকে শ্যালো মেশিন দিয়ে অবাধে চলছে বালু উত্তোলন। এতে ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আড়িয়ারঘাট সেতুটি হুমকির মুখে পড়েছে।

    নদীপাড়ের বাড়িঘর বর্ষা মৌসুমে হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। খরস্রোতা বাঙালি নদীর ভাঙন দেখা দিতে পারে।

    প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে একশ্রেণির বালু ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে বলে জানান স্থানীয়রা।

    স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে একশ্রেণির বালু ব্যবসায়ী উপজেলার আড়িয়ারঘাট থেকে পোড়াপাইকর (ছলুরঘাট) পর্যন্ত অর্ধশতাধিক স্থানে শ্যালো মেশিন দিয়ে অবাধে বালু উত্তোলন করে আসছে। ২০২০ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) প্রায় দেড়শ কোটি টাকা ব্যয়ে উপজেলার নামাজখালী, রানীরপাড়া, রংরারপাড়া, নিশ্চিন্তপুর, হলিদাবগা, পোড়াপাইকর এলাকায় নদীর ডান তীর সংরক্ষণ কাজ করে।

    নদীর তীর সংরক্ষণের এ প্রকল্প হুমকির মুখে রয়েছে। নদীতে অবাধে বালু উত্তোলন করায় বাড়িঘর, ফসলি জমি, গাছপালাও হুমকির মুখে পড়েছে। এ ছাড়াও পরিবেশের ভারসাম্য হারাতে বসেছে।

    এআর/নিই
  • দুপচাঁচিয়ায় আ.লীগ নেতা জিল্লুর গ্রেপ্তার

    দুপচাঁচিয়ায় আ.লীগ নেতা জিল্লুর গ্রেপ্তার

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় নাশকতা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা জিল্লুর রহমানকে (৪৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    তিনি দুপচাঁচিয়া উপজেলার পশ্চিম আলোহালী গ্রামের মৃত হাসেন আলী আকন্দের ছেলে।

    মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জিল্লুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।

    তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণসহ জুলাই যোদ্ধা শহীদ মনির হত্যার মামলার আসামি হিসেবে অভিযোগ রয়েছে।

    দুপচাঁচিয়া থানার ওসি আফজাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত জিল্লুর রহমানকে বগুড়া বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

    এআর/নিই