ক্যাটাগরি ন্যায়বিচার

  • যশোরে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নেতা-কর্মীদের শোডাউন, বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ

    যশোরে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নেতা-কর্মীদের শোডাউন, বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ

    ডেস্ক নিউজ

    আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নেতা-কর্মীরা শোডাউন করায় যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর ও বসুন্দিয়া ইউনিয়ন) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার টি এস আইয়ুবকে শোকজ করেছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা।

    সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ভুপালী সরকার তাঁকে শোকজ করেন। এতে দুই দিনের মধ্যে লিখিতভাবে শোকজদের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার টি এস আইয়ুব কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক।

    উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে বাঘারপাড়া উপজেলার রায়পুর বাজারে মিছিল ও শোডাউন করেন ইউনিয়ন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। রায়পুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম সৌদি ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুসের নেতৃত্বে নেতা-কর্মীরা মিছিল করেন। মিছিলটি বাজার প্রদক্ষিণ শেষে সংক্ষিপ্ত পথসভার মধ্যে দিয়ে শেষ হয়। এ সময় নেতা-কর্মীরা ধানের শীষ ও টি এস আইয়ুবের নামে স্লোগান দেন। মিছিল ও শোডাউনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি ভিডিওটি বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার টি এস আইয়ুব নিজেও তাঁর ব্যবহৃত ফেসবুকে শেয়ার করেছেন।

    বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ভুপালী সরকারের স্বাক্ষরিত শোকজে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যে ইসির তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৮ অনুযায়ী— ‘কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা কোনো প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি ভোট গ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনের পূর্ববর্তী তিন (৩) সপ্তাহ সময়ের পূর্বে কোনো প্রকার নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে পারবেন না।

    ‘কিন্তু জানা যায় যে, আপনি বা আপনার দলের সমর্থকগণ দ্বারা ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকেলে অনুমোদন ব্যতীত বাঘারপাড়া উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচারের উদ্দেশ্যে মিছিল করেছেন। যা আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

    ‘এমতাবস্থায়, আপনি যেহেতু ৮৮-যশোর-৪ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের সম্ভাব্য প্রার্থী; সুতরাং কেন আপনার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না—তার ব্যাখ্যা আগামী দুই (২) দিনের মধ্যে লিখিতভাবে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।’

    এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ভুপালী সরকার  বলেন, ‘স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা অভিযানে যাই। কিন্তু তার আগেই কর্মসূচি শেষ করে নেতা-কর্মীরা। নির্বাচনী আচরণবিধিতে রয়েছে ভোট গ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনের পূর্ববর্তী তিন সপ্তাহের পূর্ব সময়ের কোনো প্রকার নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে পারবেন না প্রার্থীরা। বিএনপির প্রার্থী শোডাউনে না থাকলেও তার নেতা-কর্মীরা শোডাউন করেছে। প্রার্থীর পক্ষে শোডাউন করায় আচরণবিধি ভঙ্গ হয়েছে; তাই প্রার্থীকে প্রাথমিক শোকজ করা হয়েছে। শোকজের জবাব সন্তোষজনক না হলেও নিয়ম অনুযায়ী শান্তির আওতায় আনা হবে।’

    বি/এ

  • কুতুবদিয়ায় জেলা পরিষদের জায়গায় আ.লীগ নেতার দোকান

    কুতুবদিয়ায় জেলা পরিষদের জায়গায় আ.লীগ নেতার দোকান

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় কৈয়ারবিল ইউনিয়নের বিন্দাপাড়া কমিউনিটি সেন্টার এলাকায় জেলা পরিষদের কোটি টাকা মূল্যের জায়গা জবরদখল করে দোকান নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে কুতবদিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আহমদ উল্লাহ এবং তার ছেলে আজিজুল হক সাগরের বিরুদ্ধে।

    আ. লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর এ সরকারি সম্পত্তি জবর দখল করেন তারা। পরে ওই জায়গায় দোকান নির্মাণ করে ভাড়া দেন। এ কারণে গত ১৮ বছর ধরে ওই সরকারি সম্পত্তি থেকে রাজস্ব আদায় করতে পারেননি কক্সবাজার জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ।

    ইতোমধ্যে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে এ জায়গা জবরদখল ছেড়ে দেওয়ার জন্য বারবার তাগাদা দিলেও উল্টো জেলা পরিষদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছেন তারা।

    কক্সবাজার জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, কুতুবদিয়া উপজেলার উত্তর ধুরুং মৌজার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের বি.এস ৮ নম্বর খতিয়ানের বি.এস ৭১১০,৭২১১,৭২১২ এবং ৭২১৪ দাগাদিতে কক্সবাজার জেলা পরিষদের মালিকানাধীন ৩ একর ৮০ শতক জায়গা রয়েছে। সম্পূর্ণ জায়গা থেকে কিছু অংশ জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ইজারা দিয়ে সরকারি কোষাগারে রাজস্ব জমা দেওয়া হয়েছে।

    অধিকাংশ জায়গা গত ১৮ বছর দখলে রেখেছেন কুতুবদিয়া উপজেলা আ. লীগের সাবেক সভাপতি আহমদ উল্লাহ। বর্তমানে ওই জায়গা দেখাশোনা করছেন তার ছেলে আজিজুল হক সাগর।

    সরজমিনে দেখা যায়, কুতুবদিয়া উপজেলা থেকে চার কিলোমিটার দূরে কৈয়ারবিল ইউনিয়নের বিন্দাপাড়া কমিউনিটি সেন্টার সংলগ্ন সড়কের পাশে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন জায়গায় টিনসেটের ছয়টি পাকা দেয়ালের দোকান নির্মাণ করেছেন। দোকানগুলো মোটা অংকের সেলামী নিয়ে ভাড়া দিয়েছেন। তাদের কাছ থেকে প্রতি মাসে ভাড়া আদায় করেন আহমদ উল্লাহর ছেলে আজিজুল হক সাগর। এছাড়া জবরদখলকৃত জায়গার পেছনে রয়েছে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন বড় একটি পুকুর। ওই পুকুরটিও তাদের দখল করে রেখেছেন তারা।

    স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরকারি জায়গা ক্ষমতার জোরে জবর দখল করে রেখেছেন উপজেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি আহমদ উল্লাহ এবং তার ছেলে আজিজুল হক সাগর। আ. লীগ সরকার পতনের পর পুকুরটি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ইজারা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনও তাদের ক্ষমতার প্রভাবে ইজারাদার ওই পুকুরে মাছ চাষ করতে পারছেন না। ইজারাদারকেও তারা মারধরের হুমকি প্রদান করেন।

    কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল মারুফ যুগান্তরকে বলেন, জেলা পরিষদের এ জায়গা জবরদখল মুক্ত করতে আমরা ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছি। আশা করি দ্রুত সময়ে জেলা প্রশাসন ও কুতুবদিয়া উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এ জায়গা উচ্ছেদপূর্বক জবরদখল মুক্ত করা হবে।

    এআর/নিই
  • ‘হাসিনার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দিন খুশি হবো’- জুলাই শহীদ ওয়াসিমের পিতা

    ‘হাসিনার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দিন খুশি হবো’- জুলাই শহীদ ওয়াসিমের পিতা

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়কে স্বাগত জানিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রামে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদ ওয়াসিম আকরামের পরিবার।

    ‎শহীদ ওয়াসিম আকরামের পিতা শফিউল আলম সরকারের প্রতি এই রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন। তিনি জানান, যেদিন রায় কার্যকর হবে সেদিন আনন্দিত হবেন। ‎ ‎শহীদ ওয়াসিম আকরামের বাবা বলেন, ‘আমি সকাল থেকে এই রায়ের অপেক্ষায় ছিলাম। অবশেষে ট্রাইব্যুনাল কাঙ্ক্ষিত রায় দিয়েছে। সকল নাগরিকের মতো আমিও আনন্দিত ও সন্তুষ্ট।’

    ‎তিনি আরও বলেন, ‘আমি ওই দিনই খুশি হবো যেদিন এ রায় কার্যকর হবে। আমার ছেলে রাস্তায় নেমেছিল বৈষম্য দূর করতে। সুতরাং এ রায়ে কার্যকর করে বৈষম্য দূর করে।’ তিনি চিহ্নিত সকল খুনি, হামলাকারী এবং যারা নির্দেশ দিয়েছে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

    তিনি বলেন, ‘শহীদ ওয়াসিমের আত্মা শান্তি পেতে হলে এ বিচারের রায় কার্যকর নিশ্চিত করতে হবে। রায় দিয়ে আমরা কি করবো, রায় যদি রায়ের জায়গায় আদালতে পড়ে থাকে তাহলে হবে না।’

    ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই চট্টগ্রামের মুরাদপুর এলাকায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও তাদের সহযোগীদের হামলায় নিহত হন ওয়াসিম। শহীদ ওয়াসিম আকরাম পেকুয়া উপজেলা সদর ইউনিয়নের মেহেরনামা এলাকার শফিউল আলম ছেলে। তিনি চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক ছিলেন।

    এআর/নিই
  • মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্টবোঝাই দুটি ট্রলারসহ আটক ২২

    মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্টবোঝাই দুটি ট্রলারসহ আটক ২২

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্টবোঝাই ২টি ট্রলারসহ ২২ জনকে আটক করেছে নৌবাহিনী। বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিন অংশ থেকে তাদের আটক করা হয়।

    গত বুধবার সন্ধ্যায় এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে নৌবাহিনী।

    নৌবাহিনী জানায়, পাচারকারী চক্র ইঞ্জিনচালিত ট্রলারযোগে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে মিয়ানমারের সিমেন্ট পাচার করছে এমন তথ্য পায় নৌবাহিনী। যার প্রেক্ষিতে বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিন ও তার আশপাশের এলাকায় টহল জোরদার করে। এ সময় নৌবাহিনী টহলে নিয়োজিত জাহাজ প্রত্যাশা সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে ৩৬ দশমিক ৫ মাইল পশ্চিমে গভীর সমুদ্রে ইঞ্জিনচালিত দুটি ট্রলার দেখতে পায়। দ্রুত নৌবাহিনীর জাহাজ ট্রলার দুটিকে সংকেত দিলে তারা পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু ধাওয়া দিয়ে ট্রলার দুটিকে থামানো হয়।

    খাজা গরিব-ই-নেওয়াজ-৬ এবং মা-বাবার দোয়া-১০ নামক ট্রলার দুটি তল্লাশি করে ১ হাজার ৫০০ বস্তা বাংলাদেশি সিমেন্ট জব্দ করা হয়। আর চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ২২ জনকে আটক করা হয়। জব্দকৃত মালামাল ও আটক ব্যক্তিদের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়। সূত্রঃকালবেলা

    এআর/নিই

  • ঔষধি গুণের ফাঁদ!  বরুড়ায় প্রকাশ্যে শিয়ালের মাংস বিক্রি!

    ঔষধি গুণের ফাঁদ! বরুড়ায় প্রকাশ্যে শিয়ালের মাংস বিক্রি!

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুমিল্লার বরুড়ায় প্রকাশ্যে শিয়াল জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। সর্বশেষ গত শনিবার (৩১ মার্চ) দুপুরে শামীম হোসেন (২৮) নামের এক ব্যক্তি উপজেলার আড্ডা বাজারে শিয়ালের মাংস বিক্রি করেন। এ সময় বিক্রেতারা শিয়ালের মাংসের নানা উপকারিতার কথা উল্লেখ করে প্রতি কেজি ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি করেন।

    মাংস বিক্রেতা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজঘাট ব্রিজ সংলগ্ন আড্ডা বাজারে শিয়ালটি জবাই করে নিজেরাই। জবাই করার পর এই বাজারে নিয়ে এলে ২ কেজির মতো বিক্রি করতে পারেন। বাকি মাংস পাশের বাগমারা বাজারে নিয়ে যান।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাংস ক্রয় করা ব্যক্তিরা জানান, মাংস বিক্রেতারা বলেছিলেন বাত-ব্যথা কিংবা কঠিন রোগের প্রতিষেধক হিসেবে শিয়ালের মাংস রান্না করে খাওয়ার বিকল্প নেই। এ সব ক্ষেত্রে শিয়ালের মাংসই অব্যর্থ ওষুধ। তাদের এসব কথা বিশ্বাস করে মাংস ক্রয় করেন তারা।

    স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, এখানে প্রায়ই শিয়ালের মাংস বিক্রি করা হয়। বিক্রেতা নির্দিষ্ট থাকে না। একেক সময় একেকজন এসে বিক্রি করছে।

    আড্ডা ইউপি চেয়ারম্যান জাকের হোসেন বাদল বলেন, ইউপি অফিস বাজারের সঙ্গেই। কিন্তু কখনোই আমার চোখে পড়েনি শিয়ালের মাংস বিক্রি করছে। আমার কাছে কেউ কোনো দিন অভিযোগ করেনি।

    এআর/এনই

  • চট্টগ্রামে সড়ক থেকে নৌবাহিনী সদস্যের লাশ উদ্ধার

    চট্টগ্রামে সড়ক থেকে নৌবাহিনী সদস্যের লাশ উদ্ধার

    ডেস্ক নিউজ

    চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে সড়কের ওপর থেকে মোটরসাইকেল আরোহী এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।  সোমবার সকালে চট্টগ্রাম-হাটহাজারী সড়কের চিকনদন্ডী ইউনিয়নের বড়দিঘির পাড় এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা, সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি নিহত হয়েছেন।

    নিহত ব্যক্তির নাম দেলোয়ার হোসেন (২৯)। তিনি ফটিকছড়ির বাগানবাজার ইউনিয়নের মতিননগর চিকনছড়া এলাকার মোহাম্মদ মিরাজ মিয়ার ছেলে। নিহত দেলোয়ার বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, সকালে হাটহাজারীর বড়দিঘির পাড় এলাকায় মোটরসাইকেলসহ দেলোয়ার অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন। তাঁকে উদ্ধার করে পথচারীরা একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    রাউজান হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাফর আহমদ বলেন, নিহত ব্যক্তির মাথা, বুক ও শরীরের বিভিন্ন অংশ থেঁতলানো ছিল। তাঁর একটি পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে। পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী, নিহত ব্যক্তি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সেইলর পদে কর্মরত ছিলেন।

    রাউজান হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ উল্লাহ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সড়ক দুর্ঘটনায় ওই মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। তবে কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে তা নিশ্চিত নয়। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

  • গাছের ডাল ভেঙে পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু

    গাছের ডাল ভেঙে পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজ:

    চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে মাথায় গাছের শুকনো ডাল পড়ে উত্তম দাস (৪২) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার  দুপুর একটার দিকে পৌরসভার ৩ নাম্বার ওয়ার্ডের পূর্ব গোমদণ্ডী কৈবর্ত্যপাড়ায় এ ঘটনা ঘটেছে।

    উত্তম একুশে পদকপ্রাপ্ত ঢোলবাদক বিনয় বাঁশি জলদাসের বাড়ির গোপাল দাসের ছেলে। উত্তম ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। তিনি মঙ্গলবার বাড়িতে এসেছিলেন।

    স্থানীয় বাসিন্দা ব্রজেন্দ্র লাল দাস জানান, উত্তম দুপুরে গোসল করার জন্য ছন্দারিয়া খালে গিয়েছিলেন। এসময় খাল পাড়ের একটি বড় শুকনো আম গাছের ডাল বাতাসে তার মাথায় পড়ে। এতে উত্তম গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেছেন।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রাজর্ষি নাগ বলেন, দুপুর দেড়টার দিকে স্থানীয় লোকজন উত্তম নামের এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে।

  • হবিগঞ্জে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫০

    হবিগঞ্জে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫০

    ডেস্ক নিউজঃ

    হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার কাকাইলছেও ইউনিয়নের চানপুর ও আনন্দপুরে ডেমিকান্দি গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে রাসেল মিয়া (৪৮) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৫০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    আহতদের মধ্যে রাব্বি মিয়া (১৮), ছাব্বির (২১), ইন্তাজ আলী (১৬), সেলিম (২৫), বাবলু (৩৫), জিয়াউর (৫০), তকদির(২৮), আলতু মিয়া (১৮), রায়হান (২৮), আশরাফ উদ্দিন( ২৪), মাসুম (২৬), জীবন (২৮), আমেনা খাতুন (২৫)। তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে আনন্দপুর গ্রামের আলকুরান সওদাগর গোষ্ঠী এবং কুমেদপুর গ্রামের হান্নান মিয়া গোষ্ঠীর মধ্যে আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি কাকাইলছেও পঞ্চায়েত কমিটি গঠন ও স্থানীয় বাজারে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে সেই বিরোধ আরও তীব্র আকার ধারণ করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দুই পক্ষ থেকে নানা উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়া হচ্ছিল।এর জের ধরেই সোমবার রাতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আজ সকালে দুই পক্ষই দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে রাসেল মিয়া নিহত হন এবং অন্তত ৫০ জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ দুই ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।এ বিষয়ে উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মেডিকেল অফিসার অভিজিৎ পাল বলেন, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর পরীক্ষা নিরীক্ষা করে রাসেল মিয়াকে মৃত্যু অবস্থায় পাই। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।আজমিরীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আকবর হোসেন বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। একজন হাসপাতালে নিহত হয়েছেন।

  • চাঁদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যসহ আটক ৫১

    চাঁদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যসহ আটক ৫১

    ডেস্ক নিউজঃ

    চাঁদপুরে পৃথক অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যসহ ৫১ জনকে আটক করা হয়েছে। আজ সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাহার মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    গতকাল রোববার (৩০ নভেম্বর) সন্ধ্যা থেকে শুরু করে মধ্য রাত পর্যন্ত চাঁদপুর শহরের মুখার্জিঘাট, চৌধুরীঘাট, লন্ডনঘাট, ছায়াবানী মোড় ও পৌর সিএনজি স্ট্যান্ড (পুরান আদালতপাড়া), কালীবাড়ি প্ল্যাটফর্মসহ বেশ কিছু এলাকায় অভিযান চালায় সদর মডেল থানার পুলিশ। এতে ৪৫ জন কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কিশোর অপরাধী সন্দেহে ছয়জনকে আটক করে।

    সদর মডেল থানার ওসি বলেন, যাদের আটক করা হয়েছে, প্রাথমিকেভাবে যাচাই-বাছাই শেষে কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকলে বা যাদের বিরুদ্ধে অপরাধ-সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যাবে, তাদের ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বি/ এ

  • খুলনায় আদালত চত্বরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত ২

    খুলনায় আদালত চত্বরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত ২

    ডেস্ক নিউজঃ

    সন্ত্রাস ও খুনের জনপদ হিসেবে পরিচিত খুলনায় আবারো রক্ত ঝরেছে। দুর্বৃত্তরা দিনদুপুরে আদালতপাড়ায় গুলি করে ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই যুবককে। নিহতরা হলেন, নতুন বাজার চর মসজিদ গলির বাসিন্দা মো. মান্নাফ হাওলাদারের ছেলে মো. হাসিব হাওলাদার। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক সম্পৃক্তার অভিযোগ আছে। আরেকজন হলেন রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামের ইজাজ শেখের ছেলে মো. রাজন।

    রোববার (৩০ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে খুলনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের মেইন গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।খুলনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সামনে খুলনা সার্কিট হাউজের অবস্থান। জনাকীর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সদস্যের উপস্থিতিতে এমন ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনায় জনমনে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রাজন ও হাসিব মহানগর দায়রা জজ আদালতে একটি মামলায় হাজিরা দিতে এসেছিলেন। হাজিরা শেষে বের হয়ে মেইন রোডে আসামাত্রা আগে থেকে অবস্থান নেয়া ৩/৪ জন তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে একজন মাথায় গুলি লাগলে রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে। তার মাথা থেকে মগজ বের হয়ে যায়। এরপরও দুর্বৃত্তরা তাদের চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।ঘটনার সময় আদালত ভবনের তৃতীয় তলা থেকে একজন দেখতে পান, গুলি ও কুপিয়ে দুইজনকে জখম করার পর ৩/৪ জন দৌড়ে ফরেস্ট অফিসের দিকে চলে যাচ্ছেন।অপর এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, একটি মামলায় হাজিরা দিতে ৬ জন এসেছিলেন। এর মধ্যে চারজনের জামিন না-মঞ্জুর হয়। এই দুইজন জামিন নিয়ে বেরিয়ে আসামাত্র মেইন রোডে হামলার শিকার হন।খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (মিডিয়া) ত.ম. রোকনুজ্জামান আমার দেশকে বলেন, দুর্বৃত্তরা আদালত এলাকায় গুলি করে দুইজনকে হত্যা করেছে। কী কারণে এই হামলা এবং কারা জড়িত তা খুঁজে বের করতে পুলিশ কাজ করছে।

    এম কে