ক্যাটাগরি যশোর

Jashore district

  • যশোরের শার্শায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশু খাদ্য বিক্রি, এক লাখ টাকা জরিমানা

    যশোরের শার্শায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশু খাদ্য বিক্রি, এক লাখ টাকা জরিমানা

    বিডিডেস্ক নিউজ,

    যশোরের শার্শার নাভারণ এলাকায় মেয়াদোত্তীর্ণ, উৎপাদনের তারিখবিহীন ও অনুমোদনহীন রং ব্যবহার করে তৈরি শিশুখাদ্য বিক্রির অভিযোগে বিসমিল্লাহ স্টোরকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    যশোরের শার্শার নাভারণ এলাকায় মেয়াদোত্তীর্ণ, উৎপাদনের তারিখবিহীন ও অনুমোদনহীন রং ব্যবহার করে তৈরি শিশুখাদ্য বিক্রির অভিযোগে বিসমিল্লাহ স্টোরকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে এ অভিযান পরিচালনা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর যশোরের সদস্যরা।

    ঠিকানা বিহীন একটি ফ্যাক্টরিতে তৈরি করা এসব শিশু খাদ্য দীর্ঘদিন ধরে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছিল। অভিযানে বিপুল পরিমাণ অনিরাপদ শিশুখাদ্য জব্দ করা হয়।

    ভোক্তা অধিকার কর্মকর্তারা জানান, এসব খাদ্য গ্রহণের ফলে শিশুরা বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এমনকি কিডনি বিকল হওয়ার মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিও রয়েছে।

    পরে প্রতিষ্ঠানটির মালিক বিল্লাল হোসেনকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৩৭ ধারায় ৫০ হাজার টাকা এবং ৪৫ ধারায় আরো ৫০ হাজার টাকাসহ মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

    অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর যশোর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান।

    এ সময় শার্শা থানা পুলিশ ও যশোর জেলা পুলিশের একটি টিম অভিযানে সহযোগিতা করে।

    এ,আর

  • চৌগাছায় একীভূত শিক্ষা বিষয়ে প্রশিণ

    চৌগাছায় একীভূত শিক্ষা বিষয়ে প্রশিণ

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় একীভূত শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষক ও স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আশরাফ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে বুধবার সকালে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ভবনে এ কর্মশালা হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন চৌগাছা কামিল মাদ্রাসার সিনিয়র সহকারী শিক্ষক রহিদুল ইসলাম খান।

    কর্মশালা সঞ্চালনা করেন আশরাফ ফাউন্ডেশনের প্রকল্প সমন্বয়কারী আশিষ কুমার চ্যার্টাজি।

    আলোচনা করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম বজলুর রশিদ , মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল আহমেদ, ফাউন্ডেশনের ফিল্ড ট্রেইনার নজরুল ইসলাম, জোহরা খাতুন প্রমুখ।

    কর্মশালায় উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার প্রধানগণ অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় মৌলিক আলোচ্য বিষয় ছিল দেশে সকল পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শারিরিক প্রতিবন্ধী, মানসিক প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গ,মেধাবী, কম মেধাবী ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ সকল স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য একই রকম শিক্ষা পদ্ধতি চালু করা। কর্মশালা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেন লিলিয়েন্স ফনডস ও সেন্টার ফর ডিসএবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্ট নামে দুটি সংস্থা।

    বি/ এ

  • চৌগাছায় আওয়ামীলীগ নেতাসহ ৫ জন আটক

    চৌগাছায় আওয়ামীলীগ নেতাসহ ৫ জন আটক

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় আওয়ামী লীগ নেতাসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।

    আটককৃতরা হলেন উপজেলার স্বরুপদাহ ইউনিয়নের মাশিলা গ্রামের মৃত নুর ইসলামের ছেলে ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আলাউদ্দিন (৬২)। নারায়ণপুর ইউনিয়নের হাজরাখানা খাল পাড়ার শওকত আলীর ছেলে গাঁজা ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন (৫৮)। সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের আড়সিংড়ি পুকুরিয়া গ্রামের মৃত লুৎফর মন্ডলের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী রোকন উদ্দিন (৩৮)। হাকিমপুর ইউনিয়নের যাত্রাপুর গ্রামের তোরাপ হোসেনের ছেলে সাজাপ্রাপ্ত আসামী জালাল উদ্দিন (৫৭)এবং ধুলিয়ানী ইউনিয়নের ভাদড়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে দুখুকে (২৭) চোর সন্দেহে আটক করেছে পুলিশ।

    চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মামুনুর রশিদ আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    বি/ এ

  • চৌগাছায় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্য দিবস পালন

    চৌগাছায় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্য দিবস পালন

    চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি
    যশোরের চৌগাছায় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালন করা হয়েছে।
    দিবসটি উপলক্ষে ৩ মার্চ রোববার বিকেলে প্রেসক্লাব চৌগাছার উদ্যোগে শহরের প্রেসক্লাব ভবনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
    আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাব চৌগাছার সভাপতি অধ্যক্ষ আবুজাফর।
    ক্লাবের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বাবুল আক্তারের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন চৌগাছা পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র মাষ্টার কামাল আহমেদ, প্রেসক্লাব চৌগাছার সিনিয়র সহ সভাপতি রহিদুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ রহিম,  কবি ও সাংবাদিক আবুজাফর সাংবাদিক   প্রভাষক আজিজুর রহমান,  শ্যামল দত্ত, এম এ মান্নান প্রমুখ।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক আসাদুজ্জামান, রায়হান হোসেন,  আবু হানিফ, কালিমুল্লাহ সিদ্দিক, ফখরুল ইসলাম, আজম আশরাফুলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
     আলোচনা সভায় সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধ, বিনা বিচারে কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি এবং পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তুলে ধরেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
    বক্তারা বলেন, সাংবাদিকদের সুরক্ষায় কার্যকর কোনো আইন এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। দেশজুড়ে হলুদ সাংবাদিকতা ও অপসংবাদিকতার ভিড়ে প্রকৃত সাংবাদিকরা নানা ধরনের আক্রমণ ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
    সাংবাদিকতা পেশার মানোন্নয়নে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বক্তারা প্রকৃত সাংবাদিকদের সুরক্ষায় আইন প্রণয়ন ও একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানান।
    বি/ এ
  • চৌগাছায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

    চৌগাছায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

    চৌগাছা প্রতিনিধি
    যশোরের চৌগাছা উপজেলা পর্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক ও বালিকা) ২০২৬-এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার চৌগাছা সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এই খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
    উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের যৌথ উদ্যোগে এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। টুর্নামেন্টে উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (বালক-বালিকা) ফুটবল টিম অংশগ্রহণ করে। খেলা শেষে বিজয়ী ও রানারআপ দলের মাঝে ট্রফি ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
    টুর্নামেন্টে বালিকা দলে সলুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ১-০ গোলে হারিয়ে পুড়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়। বালক দলে পাতিবিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ১-০ গোলে হারিয়ে ইছাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়।
    বালিকা দলের মধ্যে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পেয়েছে পুড়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বালিকা ফুটবল টিমের লাইমা খাতুন। বালক দলের মধ্যে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পেয়েছে ইছাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বালক ফুটবল টিমের দলের রাফিন হাসান।
    পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্তে¡ প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম বলেন, প্রাথমিক পর্যায় থেকেই শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এতে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি নেতৃত্বগুণাবলী বৃদ্ধি পায়।
    অন্যান্যেদর মধ্যে বক্তৃতা করেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম, সহ-সভাপতি ও পাতিবিলা ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান লাল, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী অধ্যাপক নুরুজ্জামান, সহকারি সেক্রেটারী কামাল আহমেদ, পৌর বিএনপির সভাপতি সেলিম রেজা আওলিয়র, উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার আজাহারুল ইসলাম প্রমুখ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

    বি/ এ

  • জুলাই সনদ ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

    জুলাই সনদ ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    দেশের অগ্রগতি যেন কেউ বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে জনগণকেই দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ ধাপে ধাপে এবং সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।তিনি বলেছেন, কিছু ব্যক্তি ও রাজনৈতিক দল এখন গণভোটকে ভিন্ন পথে পরিচালিত এবং দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

    আজ সোমবার দুপুরে যশোরের শার্শা উপজেলার ঐতিহাসিক উলসী খালের পাড়ে পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা গণভোটের রায়কে ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টা করছে এবং নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে জুলাই সনদকে ভুলভাবে উপস্থাপন করছে, তাদের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’

    তিনি বলেন, যারা নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়, যদি তারা এটা করতে না পারে, তবে জনগণের জন্য নেয়া সমস্ত কর্মসূচি যেমন- নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য বন্ধ মিল কারখানা চালুর যে কর্মসূচি, স্বাস্থ্য সেবা গ্রামে গ্রামে পৌঁছে দেয়ার কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণের যে কর্মসূচিগুলো রয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে তারা ব্যাঘাত সৃষ্টি করবে।

    তারেক রহমান বলেন, দেশের অগ্রগতি যেন কেউ বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে জনগণকেই দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

    প্রধানমন্ত্রী ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘জনগণ ইতোমধ্যেই প্রমাণ করেছে- তারা তাদের ইচ্ছাকে উপেক্ষা করার চেষ্টা মেনে নেয় না। যেভাবে জনগণ ৫ আগস্ট উপযুক্ত জবাব দিয়েছে, ভবিষ্যতেও কেউ তাদের ভাগ্য নিয়ে খেলতে চাইলে তারা একইভাবে জবাব দেবে।’

    সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এসব কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ আমাদেরকে শপথ নিতে হবে। ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত আজ বসে থাকলে চলবে না। ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে দেশ গঠনের কাজে লাগাতে হবে, ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত আজকে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের কাজে লাগাতে হবে, তাহলেই এই দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।’

    তিনি বলেন, ‘আমাদের চোখের সামনে দিয়ে গত ৫০ বছর পৃথিবীর অনেক দেশ তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন করেছে, পৃথিবীর অনেক দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে, যেই সিঙ্গাপুরকে নিয়ে আমরা মাঝে মাঝে গল্প করি, সেই সিঙ্গাপুরের অবস্থা ১৯৭১ সালে আমাদের চেয়েও খারাপ ছিল। আজ ৫০ বছরে তারা কোথায় চলে গিয়েছে! তারা যদি পারে আমরা কেন পারব না? ইনশা আল্লাহ আমরাও পারব। এই দেশের মানুষ পারবে।’

    বিএনপি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের রাজনীতি করে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেখেছি, বিগত স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময় তারা দেশে অশান্তির চেষ্টা করেছে, বিভ্রান্তির চেষ্টা করেছে, বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করেছে।’

    তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি আন্দোলনের নামে কিভাবে ১৭৩ দিন হরতাল করা হয়েছিল। মনে আছে আপনাদের ১৭৩ দিন কিভাবে দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। এখনো আবার সেই ভূত আরেকজনের কাঁধে গিয়ে আছর করেছে, আপনাদের এই ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যদি সতর্ক থাকি এবং আমাদের কর্মসূচি বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকি, তাহলে বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেলতে পারবে না।’

    তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে কেউ যদি ছিনিমিনি খেলতে চায়, ইনশা আল্লাহ চব্বিশের আগস্টের ৫ তারিখে যেভাবে বাংলাদেশের মানুষ জবাব দিয়েছে, ভবিষ্যতেও এ দেশের মানুষ সেভাবেই জবাব দেবে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘আমরা যারা শহীদ জিয়ার দল করি, আমরা যারা দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সৈনিক, আমরা বিশ্বাস করি, এই দেশই হচ্ছে আমাদের প্রথম, এই দেশই হচ্ছে আমাদের শেষ ঠিকানা। সেজন্যই আমরা বলি, প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ।’

    উলসী খাল দেখিয়ে দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘এই খালে পানি নাই। কারণ, এই খালগুলো আজকে রুদ্ধ হয়ে গেছে, ভরাট হয়ে গেছে। বিভিন্ন জায়গায় খাল দখলও হয়ে গেছে। এই যে খাল ভরাট হয়ে গেছে, খাল বন্ধ হয়ে গেছে, খাল দখল হয়ে গেছে, তাতে কি সাধারণ মানুষ বা কৃষকদের কোনো উপকার হয়েছে? কোনো উপকার হয়নি।’

    তিনি বলেন, ‘এখন আজকে আমরা এসেছি এ খালটি আবার পুনঃখনন করতে। গত প্রায় ৫০ বছর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই খালটিকে খনন করেছিলেন। প্রায় চার কিলোমিটারের এই খাল আমরা যদি পুনঃখনন করতে পারি, তাহলে এই এলাকার মানুষ পানি পাবে। পানি পেলে কী হবে? আমরা দেখেছি প্রায় ২০ হাজারের মতো কৃষক সরাসরি উপকৃত হবে, প্রায় ১৪ শ’ টন বাড়তি খাদ্যশস্য উৎপাদন হবে। প্রায় ৭২ হাজার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে।’

    তিনি বলেন, ‘এই খালে পানি থাকলে উপকারটা কাদের হবে ভাই? এই এলাকার মানুষের হবে। শুধু তাই নয়, এই খাল পুনঃখনন যখন শেষ হয়ে যাবে আমরা এর দু’পাশ দিয়ে প্রায় তিন হাজার বৃক্ষরোপণ করব।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই এলাকার মা-বোনরা যারা ঘরে হাঁস পালতেন আগে, খালে পানি না থাকার কারণে অনেকের পক্ষে সেটা আর সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু খালে পানি এলে মা-বোনদের জন্য বাড়তি রোজগারের সুবিধা হবে, হাঁস পালনের মাধ্যমে। আমরা যদি সবাই মিলে পরিশ্রম করি তাহলে অবশ্যই ভাগ্যের পরিবর্তন করা সম্ভব। অবশ্যই দেশের অবস্থার পরিবর্তন করা সম্ভব। আর তাহলেই দেশের মানুষ ভালো থাকতে পারবে।

    তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রায় ২০ কোটি জনসংখ্যার অর্ধেক হচ্ছে নারী। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই নারীদের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থাকে ফ্রি করে দিয়েছেন ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত। প্রথমবার করেছেন স্কুল পর্যায় পর্যন্ত, দ্বিতীয়বার করেছেন ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত। খালেদা জিয়ার সেই কর্মসূচিকে আমরা আরো সামনে নিয়ে যেতে চাই।’

    তিনি আরো বলেন, ‘এজন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি- মেয়েদের পড়ালেখার ব্যবস্থা ডিগ্রী পর্যন্ত বিনামূল্যে করব। শুধু মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা আমরা ডিগ্রী পর্যন্ত ফ্রি করব না। একই সাথে আমাদের যে মেয়েরা ভালো রেজাল্ট করবে, তাদের জন্য আমরা উপবৃত্তিরও ব্যবস্থা করব।’

    প্রধানমন্ত্রী এর আগে বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে শার্শায় বাবার স্মৃতি বিজড়িত উলসী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মাটি কাটেন। পরে খালের পাড়ে বৃক্ষ রোপণও করেন।

    বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সভাপতিত্বে সমাবেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

    প্রধানমন্ত্রী এর আগে বেলা ১১ টা ৪২ মিনিটে খাল খনন স্থলে আসেন। এসেই খালের উপরের অংশে নির্মিত ফলক উন্মোচন করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী আল্লাহর দরবারে দোয়া ও মোনাজাত করেন।

    উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর যশোরের শার্শার উলসী থেকে যদুনাথপুর পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার দীর্ঘ খালটি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বেচ্ছাশ্রমে খনন করেছিলেন, যা ‘জিয়ার খাল’ নামে পরিচিত। খালটি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে পুনঃখনন করা হচ্ছে।

    এ,আর

  • ছাগলের সাথে শত্রুতা!

    ছাগলের সাথে শত্রুতা!

    চৌগাছা প্রতিনিধি

     

    যশোরের চৌগাছায় ঘাস খাওয়ায় অপরাধে একটি বকরীর চোখ তুলে নিয়েছে আরজ আলী মন্ডল নামে এক পাষন্ড।
    সে উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের চাঁদপাড়া গ্রামের উসমান মন্ডলের ছেলে। রবিবার বিকেলে এঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ছাগলের মালিক চৌগাছা থানায় একটি লিখিত আভিযোগ দায়ের করেছেন।

    অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, এদিন বিকেলে গ্রামের রিংকু খানের একটি ছাগল আরজ আলীর ড্রাগন ক্ষেতের ভিতরে ঢুকে ঘাস খায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আরজ আলী ছাগলটির ডান চোখ তুলে ফেলে। খবর পেয়ে ছাগলের মালিক স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় ছাগলটি উদ্ধার করে চৌগাছা পশু হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। চিকিৎসা শেষে চৌগাছা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তকারী এসআই গোলাম কিবরিয়া বলেন, অভিযোগ সত্য হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    চৌগাছা থানার ওসি মামুনুর রশিদ বলেন, বিষয়টি অমানবিক অপরাধী কোন ছাড় পাবেনা

  • দেশের অন্যতম বৃহৎ তুলা খামারে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি

    দেশের অন্যতম বৃহৎ তুলা খামারে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি

    চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছা উপজেলার জগদীশপুরে অবস্থিত দেশের অন্যতম বৃহৎ তুলা গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও বীজ বর্ধন খামারটি একসময় ছিল সম্ভাবনার প্রতীক। তবে বর্তমানে জনবল সংকট, অব্যবস্থাপনা ও দীর্ঘদিনের অবহেলায় খামারটির কার্যক্রম অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে। বিশাল এই খামারের অব্যবহৃত জায়গা কাজে লাগিয়ে এখানে একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি উঠেছে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে।
    এ বিষয়ে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে দাবি তুলেছেন সংসদ সদস্য ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ। তিনি খামারটির বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে বলেন, এখানে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করলে অব্যবহৃত সম্পদ কাজে লাগানো সম্ভব হবে এবং দেশের কৃষি শিক্ষায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
    ১৯৮০ সালের ১৯ নভেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান র খামারটির উদ্বোধন করেন। বাংলাদেশ সরকার ও তৎকালীন ইউরোপীয় অর্থনৈতিক স¤প্রদায়ের (ইইসি) আর্থিক সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত এই খামারটির মোট আয়তন ৬৩ দশমিক ৭০ হেক্টর (প্রায় ১৫৭ একর)। এর মধ্যে গবেষণা, বীজ উৎপাদন, বিভিন্ন ফসল চাষ, বাগান, পুকুর, রাস্তা ও অবকাঠামোসহ নানা কাজে জমি ব্যবহার করা হলেও প্রায় ১৪ দশমিক ৭২ হেক্টর জমি বর্তমানে অব্যবহৃত পড়ে রয়েছে।
    খামারটিতে প্রজনন, কৃষিত্বত্ত¡, কীটতত্ব, মৃত্তিকা ও রোগতত্ব এই পাঁচটি ডিসিপ্লিনের আওতায় গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। পাশাপাশি রয়েছে আবাসিক সুবিধাসহ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যেখানে একসঙ্গে প্রায় ১২০ জনকে থাকা-খাওয়া ও প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করেই সহজেই একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা সম্ভব।
    খামারের পাশেই অবস্থিত চৌগাছার মর্জেদ বাওড়, যা মৎস্য গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এছাড়া খামারের পতিত জমিতে গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগি বিষয়ক গবেষণাও চালানো যেতে পারে বলে মত সংশ্লিষ্টদের।
    চৌগাছার সিনিয়র সাংবাদিক রহিদুল খান বলেন, যশোর একটি উন্মুক্ত কৃষি উৎপাদন এলাকা, যেখানে সারা বছর বিভিন্ন প্রজাতির ফসল উৎপাদন সম্ভব। প্রাকৃতিক দুর্যোগ তুলনামূলক কম হওয়ায় কৃষি গবেষণা ও শিক্ষার জন্য এটি একটি আদর্শ স্থান। তার মতে, জগদীশপুর তুলা খামারেই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন হলে সরকারের ব্যয় কম হবে এবং বিদ্যমান অবকাঠামো সর্বোত্তমভাবে ব্যবহার করা যাবে।
    খামারের ব্যবস্থাপক কর্টন এগ্রোনোমিস্ট যোবায়ের ইসলাম তালকদার বলেন, এখানে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ হবে।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোসাব্বিন হুসাইনও একই মত পোষণ করে জানান, যশোর অঞ্চলের মাটি সব ধরনের ফসল উৎপাদনের উপযোগী হওয়ায় এই এলাকায় কৃষি শিক্ষা ও গবেষণার বিস্তর সম্ভাবনা রয়েছে।

  • দেশের অন্যতম বৃহৎ তুলা খামারে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি

    দেশের অন্যতম বৃহৎ তুলা খামারে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি

    চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছা উপজেলার জগদীশপুরে অবস্থিত দেশের অন্যতম বৃহৎ তুলা গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও বীজ বর্ধন খামারটি একসময় ছিল সম্ভাবনার প্রতীক। তবে বর্তমানে জনবল সংকট, অব্যবস্থাপনা ও দীর্ঘদিনের অবহেলায় খামারটির কার্যক্রম অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে। বিশাল এই খামারের অব্যবহৃত জায়গা কাজে লাগিয়ে এখানে একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি করেছেন স্থানীয় সংসদসদস্য ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ।

    এ বিষয়ে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কৃষি বিশ^বিদ্যালয় স্থাপনের দাবি তুলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তৃতা করেন। তিনি খামারটির বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে বলেন, এখানে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করলে অব্যবহৃত সম্পদ কাজে লাগানো সম্ভব হবে এবং দেশের কৃষি শিক্ষায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

    ১৯৮০ সালের ১৯ নভেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান র খামারটির উদ্বোধন করেন। বাংলাদেশ সরকার ও তৎকালীন ইউরোপীয় অর্থনৈতিক স¤প্রদায়ের (ইইসি) আর্থিক সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত এই খামারটির মোট আয়তন ৬৩ দশমিক ৭০ হেক্টর (প্রায় ১৫৭ একর)। এর মধ্যে গবেষণা, বীজ উৎপাদন, বিভিন্ন ফসল চাষ, বাগান, পুকুর, রাস্তা ও অবকাঠামোসহ নানা কাজে জমি ব্যবহার করা হলেও প্রায় ১৪ দশমিক ৭২ হেক্টর জমি বর্তমানে অব্যবহৃত পড়ে রয়েছে।

    খামারটিতে প্রজনন, কৃষিত্বত্ত¡, কীটতত্ব, মৃত্তিকা ও রোগতত্ব এই পাঁচটি ডিসিপ্লিনের আওতায় গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। পাশাপাশি রয়েছে আবাসিক সুবিধাসহ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যেখানে একসঙ্গে প্রায় ১২০ জনকে থাকা-খাওয়া ও প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করেই সহজেই একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা সম্ভব।
    খামারের পাশেই অবস্থিত চৌগাছার মর্জেদ বাওড়, যা মৎস্য গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এছাড়া খামারের পতিত জমিতে গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগি বিষয়ক গবেষণাও চালানো যেতে পারে বলে মত সংশ্লিষ্টদের।

    চৌগাছার সিনিয়র সাংবাদিক রহিদুল খান বলেন, যশোর একটি উন্মুক্ত কৃষি উৎপাদন এলাকা, যেখানে সারা বছর বিভিন্ন প্রজাতির ফসল উৎপাদন সম্ভব। প্রাকৃতিক দুর্যোগ তুলনামূলক কম হওয়ায় কৃষি গবেষণা ও শিক্ষার জন্য এটি একটি আদর্শ স্থান। তার মতে, জগদীশপুর তুলা খামারেই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন হলে সরকারের ব্যয় কম হবে এবং বিদ্যমান অবকাঠামো সর্বোত্তমভাবে ব্যবহার করা যাবে।

    খামারের ব্যবস্থাপক কর্টন এগ্রোনোমিস্ট যোবায়ের ইসলাম তালকদার বলেন, এখানে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ হবে।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোসাব্বিন হুসাইনও একই মত পোষণ করে জানান, যশোর অঞ্চলের মাটি সব ধরনের ফসল উৎপাদনের উপযোগী হওয়ায় এই এলাকায় কৃষি শিক্ষা ও গবেষণার বিস্তর সম্ভাবনা রয়েছে।

    বি/এ

  • চৌগাছায় অবৈধভাবে বালু উত্তলন করায় ৫০ হাজার টাক জরিমানা

    চৌগাছায় অবৈধভাবে বালু উত্তলন করায় ৫০ হাজার টাক জরিমানা

    চৌগাছা প্রতিনিধি
    যশোরের চৌগাছার নিয়ামতপুর গ্রামের খালের পাড় থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে নিয়ামতপুর গ্রামের মৃত চকম আলীর ছেলে দুলাল হোসেন (৩৯) কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    (২২ এপ্রিল) বুধবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম এ সাজা দেন।

    জানাযায়, নিয়ামতপুর গ্রামের মাঠের ফসলি জমি থেকে একটি চক্র অবৈধভাবে বালু উত্তলন করে বিক্রি করে আসছিল। স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম অভিযান চালায়। এসময় অবৈধভাবে বালু উত্তলন করারা অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বালু ব্যবসায়ী দুলাল হোসেনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে আদায় করেন। একইসাথে উত্তলন করা বালু জব্দ করা হয়।

    ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম ঘটনার সত্যত্যা নিশ্চিত করে বলেন, প্রশাসনের এধরণের অবযান অব্যহত থাকবে।

    বি / এ