ক্যাটাগরি যশোর

Jashore district

  • জুলাই অভ্যাত্থান স্মরনে চৌগাছায় জামায়াতের গণসমাবেশ

    জুলাই অভ্যাত্থান স্মরনে চৌগাছায় জামায়াতের গণসমাবেশ

    চৌগাছা প্রতিনিধি
    যশোরের চৌগাছায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সোমবার বিকেলে শহরের প্রেসক্লাব চত্ত¡রে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
    সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাও. গোলাম মোরশেদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াত মনোনীত চৌগাছা-ঝিকরগাছা আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ।
    উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাও. নুরুজ্জামানের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাও নুরুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা আমীর হাফেজ আমিন উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলনের উপজেলা আমির মুফতি আনিছুর রহমান, সেক্রেটারি মুফতি শিহাব উদ্দিন, পৌর জামায়াতের আমির মাও আব্দুল খালেক, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাষ্টার কামাল আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন, রহিদুল ইসলাম খান, জগদিসপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাও. আব্দুর রহমান, ফুলসারা ইউনিয়নের সভাপতি মাও. শরিফুল ইসলাম, সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল আলিম, পাশাপোল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাও. আব্দুল কাদের, হাকিমপুর ইউনিয়নের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, স্বরুপদাহ ইউনিয়নের সভাপতি মাও. আবু বক্কর সিদ্দিক, ইসলামী ছাত্র শিবিরের উপজেলা সভাপতি হাফেজ আবু সাঈদ প্রমুখ।
    প্রধান অতিথি ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ বলেন, শহীদ হওয়া ব্যক্তিদের ৭০ শতাংশই ছিলেন নিম্ন আয়ের মানুষ। তবু জাতির জন্য জীবন দিতে তাঁরা দ্বিধাবোধ করেননি। এখন তাঁদের পরিবারের দায়িত্ব দেশবাসীকে বিশেষ করে সরকারকে নিতে হবে। তিনি বলেন, শহীদ পরিবারের সদস্যরা কারও কাছে ভিক্ষা চান না। তাঁরা সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে চান।
    তিনি আরো বলেন, আমি একজন চিকিৎসক হিসেবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছি। চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির একশ শয্যা কার্যক্রম আগামি এক মাসের মধ্যে চালু হবে।
    রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশ্যে করে বলেন, কারো পিছনে না লেগে চৌগাছা- ঝিকরগাছা উন্নয়নে ভোটের আগে ও পরে সকলেই এক সাথে কাজ করতে হবে।
    সমাবেশ শেষে প্রেসক্লাব চত্ত¡র থেকে একটি মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

     

  • পালাতক থেকেও চাকরিতে বহাল চৌগাছা হাসপাতালের চিকিৎসক মৃদুল কান্তি !

    পালাতক থেকেও চাকরিতে বহাল চৌগাছা হাসপাতালের চিকিৎসক মৃদুল কান্তি !

     

    চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি :
    যশোরের চৌগাছা উপজেলা হাসপাতালের চিকিৎসক মৃদুল কান্তি দশ বছর পালাতক থাকলেও খাতা-কলমে বহাল তবিয়তে আছেন। এছাড়া আরো দুই চিকিৎসক দীর্ঘদিন যাবৎ কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। পদ শুণ্য না হওয়ায় চিকিৎসক পদায়ন করছেনা কর্তৃপক্ষ। যারফলে চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে ।

    সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাযায়, উপজেলা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার মৃদুল কান্তি কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে ২০১৪ সালের পর আর কর্মস্থলে উপস্থিত হননি। একইভাবে মেডিকেল অফিসার সাইমা নাহিদ শান্তা ২০২১ সাল থেকে এবং মেডিকেল অফিসার গোলাম রসুল ২০১৯ সাল থেকে অনুপস্থিত রয়েছেন।

    এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বার বার অবহিত করলেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। যে কারনে পদও শুণ্য হয়নি। অপরদিকে চিকিৎসক পদায়ন না করায় ব্যহত হচ্ছে চিকিৎসা কার্যক্রম। তিনজন চিকিৎসক না থাকায় রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন কর্মরত চিকিৎসকরা।
    হাসপাতালের প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট চিকিৎসকের পদ রয়েছে ৩২টি। খাতাকলমে কর্মরত দেখানো হচ্ছে ১৭ জন চিকিৎসককে। কিন্তু এই ১৭ জনের ৩ জন দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে সংযুক্তিতে রয়েছেন আরও চার জন চিকিৎসক। এছাড়া মেডিকেল ছুটি ও ট্রেনিংএ আছেন আরো দুই জন। বাকি ৮ জনের ২ জন প্রশাসনিক পদে কর্মরত। বর্তমানে মাত্র ৬ জন চিকিৎসক দিয়ে চলছে দেশ সেরা এই মডেল হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম।
    একটি সুত্র জানিয়েছে যে সকল চিকিৎসকরা চৌগাছা হাসপাতালে কর্মরত রয়েছেন। রোগীর অতিরিক্ত চাপের কারনে তারাও বদলি নিতে চেষ্টা করছেন।
    বুধবার হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় বর্হির বিভাগের সামনে রোগীদের দীর্ঘ লাইন রয়েছে। এব্যাপারে জানতে চাইলে, বর্হির বিভাগের চিকিৎসক সাইদুর রহমান ইমন বলেন,এ হাসপাতালে রোগীর ভিড় নিত্তনৈমিত্তিক ব্যাপার। প্রতিদিনই এখানে ২৪ ঘন্টা রোগীর ভিড় থাকে। সে তুলনায় চিকিৎসক সংখ্যা কম রয়েছে।
    একটি বিশ্বস্ত সুত্র জানিয়েছে অনুপস্থিত চিকিৎসকরা বিদেশে অবস্থান করছেন। তারা আর কর্মস্থলে ফিরে আসবেননা।
    জানতে চাইলে চৌগাছা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানুল মিজান রুমি বলেন, ‘আমি অল্প কিছুদিন আগে এই হাসপাতালে যোগদান করেছি। অল্প সময়ের মধ্যে অনুপস্থিত তিনজনের বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আশা করা যায় সমস্যার সমাধান হবে।

  • যশোরে জুলাই বিপ্লবের প্রথম বার্ষিকী, তরুণ্যের চোখে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়

    যশোরে জুলাই বিপ্লবের প্রথম বার্ষিকী, তরুণ্যের চোখে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়

    যশোর প্রতিনিধি
    যশোর সংস্কৃতি কেন্দ্রের আয়োজনে স্থানীয় শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে রক্তাক্ত জুলাই বিপ্লবের প্রথমবার্ষিকী।

    রবিবার (২৭ জুলাই) বিকাল শুরু হয়ে গভীর রাত পর্যন্ত চলে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আয়োজনে ছিল ইতিহাসের পুনর্পাঠ, শহীদদের স্মরণ এবং ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠনের ডাক।

    ‘জুলাই বিপ্লব: তরুণ্যের ভাবনা ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন যশোরের জেলা প্রশাসক মো. আজাহারুল ইসলাম। তিনি বলেন, চব্বিশের জুলাইয়ের রক্তাক্ত
    ইতিহাস আমাদের জন্য শুধুমাত্র শোক নয়, এটি একটি শক্তিশালী বার্তা বহন করে স্বৈরাচার পতনের বার্তা। এই দিনে যারা শহীদ হয়েছেন, তারা স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও ন্যায়ের জন্য জীবন দিয়েছেন। তাদের আত্মত্যাগের আলোকে আমাদের আগামীর পথ রচনা করতে হবে।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক গোলাম রসুল। তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লব ছিল ছাত্র জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদের ফল। সেই ঐক্যই পতিত স্বৈরাচার সরকারকে চরম চাপে ফেলে দিয়েছিল। কিন্তু আবারও দেশে সেই ফ্যাসিবাদের দোসরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে ঘাপটি মেরে থেকে একই চিত্র ফিরে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। এদের থেকে সাবধান হতে হবে। আওয়ামী লীগের স্বৈরাচারী শাসনামলে বিরোধীদল তথা জামায়াত-শিবির ও বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একের পর এক হয়রানিমূলক মামলা, রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, গুম ও মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হয়েছিলÑযা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য লজ্জাকর অধ্যায়। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি ছাত্র জনতা ঐক্যবদ্ধ না থাকে, তাহলে ফের সেই অন্ধকার যুগ ফিরে আসতে পারে। আজ যারা সমাজে বিভেদ সৃষ্টি করছে, ধর্ম-বর্ণ-পেশা-রাজনীতির নামে সংঘাত ছড়াচ্ছে, তাদের চিহ্নিত করতে হবে। ঘাপটি মেরে বসে থাকা স্বৈরাচারীদের ভুলে গেলে চলবে না। যারা শহীদ হয়েছেন, যারা রক্ত দিয়ে আন্দোলনকে রাঙিয়ে দিয়েছেন তাদের আত্মত্যাগকে মনে না রাখলে জাতি অকৃতজ্ঞের কাতারে পড়বে।
    অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন শহীদ আব্দুল্লাহর গর্বিত পিতা আব্দুল জব্বার। তিনি কণ্ঠ ভার করে বলেন, আমার ছেলে জীবনের বিনিময়ে জাতিকে কিছু দিতে চেয়েছিল। আজ আমি গর্বিত যে তার সেই আত্মদান বৃথা যায়নি। কিন্তু আমি চাই, শহীদদের নাম যেন শুধু ব্যানারে না থাকে, তাদের আদর্শ যেন বাস্তবে রূপ নেয়।
    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আছাদুজ্জামান, ন্যাশনাল ডক্টরস ফ্রন্ট-এর সভাপতি ডা. শরফুজ্জামান রঞ্জ, ছাত্র প্রতিনিধি সামিউল আলম শিমুল প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন যশোর সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সভাপতি অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক এবং সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক আবুল হাশিম রেজা।
    আলোচনার পরপরই এক আবেগঘন সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় শহীদদের স্মরণে গান, আবৃত্তি ও নাট্যাংশ পরিবেশিত হয়। পুরো মিলনায়তন উপস্থিতি সকলে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

    ডিবি/ এআর

  • চৌগাছায় জামায়াতের মেয়র ও চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা

    চৌগাছায় জামায়াতের মেয়র ও চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা

    চৌগাছা প্রতিনিধি :

    যশোরের চৌগাছা উপজেলার চৌগাছা পৌরসভা ও দশটি ইউনিয়ন পরিষদের জামায়াত মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে । কেন্দ্র ও জেলা সংগঠনের অনুমোদনের পর বুধবার প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা গোলাম মোরশেদ।

    যাদেরকে প্রার্থী করা হয়েছে তারা হলেন, চৌগাছা পৌরসভার মেয়র পদে সাবেক প্যানেল মেয়র ও উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাষ্টার কামাল আহমেদ। ফুলসারা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী করা হয়েছে ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা শরিফুল ইসলাম কে। পাশাপোল ইউনিয়নে প্রার্থী করা হয়েছে ঐ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল কাদেরকে। সিংহঝুলি ইউনিয়নে প্রার্থী করা হয়েছে উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী সাংবাদিক রহিদুল ইসলাম খান কে। ধুলিয়ানী ইউনিয়নে প্রার্থী করা হয়েছে ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি রোকনুজ্জামানকে। জগদীশপুর ইউনিয়নে প্রার্থী করা হয়েছে ঐ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুর রহমানকে। পাতিবিলা ইউনিয়নে প্রার্থী করা হয়েছে উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা নুরুল ইসলাম কে। হাকিমপুর ইউনিয়নের প্রার্থী করা হয়েছে ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হাফেজ মাওলানা আমিন উদ্দিন খানকে। স্বরুপদাহ ইউনিয়নের প্রার্থী করা হয়েছে উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা গিয়াস উদ্দিনকে। নারায়ণপুর ইউনিয়নের প্রার্থী করা হয়েছে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপজেলা সভাপতি তুহিনুর রহমানকে এবং সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের প্রার্থী করা হয়েছে ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি আব্দুল আলিম কে।

    কেবলমাত্র চৌগাছা ইউনিয়নে প্রার্থী হিসেবে কারো নাম ঘোষণা করা হয়নি।

    প্রার্থী ঘোষণার ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা গোলাম মোরশেদ বলেন, আগামী স্থানীয় নির্বাচনে আমরা সকল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ও মেম্বার পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাই। একটা ইউনিয়ন বাদে বাকি ১০ টা ইউনিয়ন ও চৌগাছা পৌরসভার মেয়র পদে আমরা প্রার্থী ঘোষণা করেছি। পরবর্তীতে চৌগাছা ইউনিয়নসহ সকল ইউনিয়নের মেম্মার প্রার্থীদের নাম আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করা হবে।

    এদিকে প্রার্থীদের নাম ঘোষণার সাথে সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন করে উদ্দীপনা জেগে উঠেছে বলে জামায়াতের একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।

    বিডি/বিএ

  • জনবল সংকটে ১৬ বারের দেশসেরা চৌগাছা মডেল হাসপাতাল

    জনবল সংকটে ১৬ বারের দেশসেরা চৌগাছা মডেল হাসপাতাল

    নিউজ ডেস্ক:
    চিকিৎসাসেবায় ১৬ বার দেশসেরা পুরস্কার পাওয়া যশোরের চৌগাছা মডেল হাসপাতালে জনবল সংকটে ধুকছে সেবা কার্যক্রম। বর্তমানে ২’শ ১০ টি পদের বিপরীতে শূণ্য রয়েছে প্রায় ১’শ টি পদ। চৌগাছা হাসপাতালে নারী, পুরুষ ও শিশু দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৫’শ থেকে ৬’শ রোগী উপস্থিত হয়। জনবল সংকটে ব্যহত হচ্ছে রোগীদের সেবা কার্যক্রম। যার ফলে মানসম্মত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে রোগীরা।
    হাসপাতালের প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট পদের সংখ্যা রয়েছে ২’শ ১০ টি। এর মধ্যে শূণ্য রয়েছে ১’শ টি পদ।

    এর মধ্যে চিকিৎসকের পদ রয়েছে ৩২টি। খাতা কলমে কর্মরত দেখানো হচ্ছে ১২ জন চিকিৎসককে। কিন্তু এই ১২ জনের ৩ জন দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছে। সংযুক্তিতে রয়েছেন আরও ২ জন চিকিৎসক। প্রশিক্ষণে রয়েছে ১ জন। বাকি ৬ জনের ২ জন প্রশাসনিক পদে কর্মরত। বাকি ৪ জন মেডিকেল অফিসারের মধ্যে ১ জন নাইট ডিউটি করতে হয়। নাইট ডিউটি করলে পরের দিন সেই চিকিৎসকের ডে অফ থাকে। বর্হিঃ বিভাগে রোগী দেখেন মাত্র ৩ জন চিকিৎসক। বর্তমানে মাত্র ৩ জন মেডিকেল অফিসার দিয়ে চলছে দেশসেরা এই মডেল হাসপাতালের বর্হিঃ বিভাগের চিকিৎসা সেবা।
    উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহসানুল মিজান রুমি বলেন, মেডিকেল অফিসার মৃদুল কান্তি ২০১৪ সাল থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। এছাড়া ২০২২ সাল থেকে মেডিকেল অফিসার সায়মা নাহিদ শান্তা এবং (অর্থপেডিক) গোলাম রসুল কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তিনি বলেন, তারা কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলেও তাদেরকে বছরের পর বছর চৌগাছায় পদায়ন দেখানো হচ্ছে। তাদের নাম কর্তন না পর্যন্ত এই পদে নতুন চিকিৎসক পদায়ন করা সম্ভব না। স্বাস্থ্য বিভাগের উচ্চ পর্যায়ে বার বার চিঠি দিয়েও অনুপস্থিত থাকা চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছেনা।
    মেডিকেল অফিসার ফারিয়া ইয়াসমিন ও শিশু কনসাল্টটেন্ট আব্দুস সামাদ যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে প্রেষনে রয়েছেন।

    শিশু বিশেষজ্ঞ ডা.আব্দুস সামাদ, মেডিকেল অফিসার রবিউল ইসলাম, ফারিয়া ইয়াসমিন আগে থেকেই যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে প্রেষনে রয়েছেন।
    পক্ষান্তরে হাসপাতালে খাতা-কলমে অত্যন্ত জরুরি অ্যানেসথেসিয়া শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার থাকলেও বাস্তবে তারা নেই। এছাড়া ২০ জন চিকিৎসকের পদ শূন্য রয়েছে।
    এদিকে হাসপাতালটিতে কয়েক কোটি টাকা খরচ করে ১’শ শয্যার কার্যক্রমের জন্য বিল্ডিং নির্মান কাজ শেষ হলেও সেবার জন্য হস্তান্তর করা হচ্ছে না।
    প্রধান সহকারী, ক্যাশিয়ার, অফিস সহকারী, এমএলএসএস, ওয়ার্ড বয় এবং আয়াসহ এসব তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির পদগুলোর মধ্যে ৬৩টি রয়েছে শূন্য। যেকারনে বর্তমানে জোড়াতালি দিয়ে চলছে হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম।

    হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, বিগত দিনে চৌগাছা মডেল হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সাবেক চিকিৎসক ইমদাদুল হকের চেষ্টায় অন্তঃসত্তাদের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করেন। মা ও প্রসূতিসেবায় অবদান রাখার ফলে ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত এটি উপজেলা পর্যায়ে একটানা দেশসেরা হাসপাতাল হিসেবে স্বীকৃতি পায়। ২০১৮ সালেও হাসপাতালটি অর্জন করে জাতীয় পুরস্কার। ২০২০ সালে স্বাস্থ্যসেবায় সারাদেশে প্রথম স্থান অর্জন করে পায় ‘হেল্থ মিনিস্টার ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড’। সর্বশেষ চৌগাছা মডেল হাসপাতাল ২০২২-২৩ অর্থ বছরে দেশ সেরার প্রথম পুরস্কার পায়।
    চৌগাছা উপজেলার কয়ারপাড়া আবু কালাম বুড়িন্দিয়া এলাকার সখি খাতুন সহ অনেকেই জানান, এখানে জরুরি মুহূর্তে সেবা পাওয়া কষ্টের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুপুর আড়াইটার পর অনেককেই খুঁজে পাওয়া যায় না। ফলে সামান্য সমস্যায় রোগীদের ছুটতে হচ্ছে যশোর জেনারেল হাসপাতালসহ বেসরকারি বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। দেশসেরা হাসপাতালে আগের মতো চিকিৎসাসেবা নেই বলে তারা মন্তব্য করেন।
    হাসপাতালের স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহসানুল মিজান রুমি বলেন ‘লোকবলের শূণ্যতা পুরনের জন্য অনলাইনে সফট কপি এবং হার্ডকপি উভয় প্রক্রিয়ায় আবেদন করা হয়েছে। তিনি বলেন, মোট লোকবল ২১০ জন। এরমধ্যে কর্মরত রয়েছেন ১২০ জন, ফাঁকা রয়েছে ৯০ জন।’

    জানতে চাইলে যশোরের সিভিল সার্জন বলেন, চৌগাছার বিষয়টি আমার নজরে আছে। চেষ্টা চলছে লোকবল বাড়ানোর জন্য।

  • চৌগাছা প্রেসক্লাবের উন্নয়নে  জামায়াতের অনুদান 

    চৌগাছা প্রেসক্লাবের উন্নয়নে  জামায়াতের অনুদান 

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছা প্রেসক্লাবের সংস্কার ও  উন্নয়নের জন্য নগদ অর্থ  প্রদান করেছে উপজেলা জামায়াত। এ উপলক্ষে ক্লাবের অস্থায়ী অফিসে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

    সভায় প্রেসক্লাব চৌগাছার সভাপতি অধ্যক্ষ আবু জাফরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাও গোলাম মোরশেদ।

    প্রেসক্লাব চৌগাছার সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান এর পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন,  উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাও নুরুজ্জামান,  সহকারী সেক্রেটারি মাষ্টার কামাল আহমেদ, বায়তুল মাল সম্পাদক মাষ্টার ইমদাদুল হক, উপজেলা জামায়াতের শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য সামছুর রহমান, প্রেসক্লাব চৌগাছার সিনিয়র সহ সভাপতি রহিদুল ইসলাম খান প্রমুখ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক এম এ রহিম, আসাদুজ্জামান মুক্ত, বাবুল আক্তার,  শফিকুল ইসলাম,  রায়হান হোসেন,  কালিমুল্লাহ সিদ্দিকী,  শ্যামল কুমার দত্ত, আবু হানিফ, আব্দুল মান্নান, আজম আশরাফুল,  ফয়সাল হোসেন মাও : ফখরুল ইসলামসহ প্রেসক্লাব চৌগাছার সদস্যরা। আলোচনা শেষে জামায়াত নেতৃবৃন্দ প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের হাতে চৌগাছার নেতৃবৃন্দের হাতে নগদ ২০ হাজার টাকা তুলে দেন।

  • গ্রামবাংলা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে লাল পদ্ম ফুল

    গ্রামবাংলা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে লাল পদ্ম ফুল

    গ্রামবাংলা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে লাল পদ্ম ফুল। তবে এ সময়ে আশার আলো দেখাচ্ছে যশোরের চৌগাছা উপজেলার সিংহঝুলি ইউনিয়নের গরীবপুর নিউমার্কেটের পাশের পুকুরে ফোটা লাল পদ্মফুল।

  • চৌগাছায় জুলাই শহীদ আল আমিনের পরিবারকে আরও এক লাখ টাকা দিলো জামায়াত

    চৌগাছায় জুলাই শহীদ আল আমিনের পরিবারকে আরও এক লাখ টাকা দিলো জামায়াত

    চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি
    ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবে চৌগাছার একমাত্র শ’হিদ আল্ আমিনের পরিবারকে ঘর নির্মাণে আরও এক লাখ টাকা দিলো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
    বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় আল আমিনের বাড়িতে এই টাকা প্রদান করা হয়।
    যশোর জেলা জামায়াতের আমিরের পক্ষে আল আমিনের বাবা আনোয়ার হোসেন বাবুর হাতে তাদের ঘর নির্মাণের জন্য আরও এক লক্ষ টাকা তুলে দেন যশোর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ আবু জাফর সিদ্দিকী। এর আগে যশোরে এক অনুষ্ঠানে জামায়াতের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরোয়ার আল আমিনের বাবা আনোয়ার হোসেনের হাতে নগদ দুই লাখ টাকা তুলে দেন। পরে বিভিন্ন সময়ে উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে আরও কিছু টাকা দেয়া হয়।
    টাকা প্রদানের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জেলা জামায়াতের এই সেক্রেটারি বলেন আমরা সব সময় আল আমিনের পরিবারের পাশে আছি। আল আমিন যেন শাহাতদের মর্যাদা পান সেই দোয়া করে তিনি বলেন, আল আমিনের পরিবারের ক্ষতিপূরণ দেয়ার কোন ক্ষমতা আমাদের নেই। আমারা শুধুমাত্র সামাজিক কাজের অংশ হিসেবে এই পরিবারের পাশে আছি, থাকবো ইনশাআল্লাহ।
    উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী মাস্টার কামাল আহমেদের পরিচালনায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়তের আমির মাওলানা গোলাম মোর্শেদ। এসময় অন্যান্যের মধ্যে পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল খালেক, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাস্টার রহিদুল ইসলাম খান, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা গিয়াস উদ্দিন, ফুলসারা ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি শরিফুল ইসলাম, সেক্রেটারি মাস্টার এনামুল হক, শ্রমিক নেতা আহসান হাবিব, সিংহঝুলী ইউনিয়ন যুব জামায়াতের সভাপতি জিকো খান, সিংহঝুলী ইউনিয়ন শ্রমিক বিভাগের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিকসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
  • চৌগাছায় পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান; ৩’শ কেজি পলিথিন ও ৫ টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ

    চৌগাছায় পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান; ৩’শ কেজি পলিথিন ও ৫ টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ

    চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় দূষণের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তর অভিযান পরিচালনা করেছেন। অভিযানে ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সাথে ৩’শ কেজি পলিথিন ও ৫ টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়।

    পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২১ জুলাই সোমবার বিকেলে চৌগাছা শহরের চুড়িপট্রি ও প্রেক্লাব মোড়ে আদালত পরিচালনা করেন উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) তাসমিন জাহান।

    অভিযানের সময় পরিবেশ দূষণকারি পলিথিন বিক্রির অভিযোগে শহরের চুড়িপট্রি এলাকার দিসার স্টোরের মালিককে ২০ হাজার টাকা এবং নয়ন স্টোরের মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে আদায় করে আদালত। এসময় দুটি দোকন থেকে প্রায় ৩’শ কেজি পলিথিন জ¦ব্দ করে ধ্বংশ করা হয়।

    অন্যদিকে, শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ এর ১৮ ধারায় তিনটি যাত্রীবাহি বাসে ক্ষতিকর হাইড্রোলিক হর্ণ থাকার কারনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে জরিমানা ১ হাজার টাকা করে মোট ৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। এবং এসব পরিবহন থেকে ৫টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।

    ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাসমিন জাহান বলেন, ‘যেথনেই দূষণ সেখানেই মিশন’ এই শ্লোগান সামনে রেখে পরিবেশ দূষণকারিদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যহত থাকবে।

    ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় পরিবেশ অধিদপ্তর যশোরের উপ-পরিচালক ইমদাদুল হক, পরিদর্শক জিহাদ হোসেনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।

  • জাতীয় সমাবেশ সফল করতে চৌগাছায় জামায়াতের মিছিল

    জাতীয় সমাবেশ সফল করতে চৌগাছায় জামায়াতের মিছিল

    চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

    ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১৯ জুলাই মহাসমাবেশকে সফল করার লক্ষ্যে মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যশোরের চৌগাছা উপজেলা শাখা।

    ৬ জুলাই বুধবার বিকেলে শহরের কামিল মাদ্রাসা মাঠ থেকে থেকে মিছিল বের হয়। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কামিল মাদরাসা মাঠে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    চৌগাছা উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা গোলাম মোরশেদের নেতৃত্বে মিছিলে অংশগ্রহণ করেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা নুরুজ্জামান আল মামুন, বায়তুলমাল সম্পাদক মাষ্টার ইমদাদুল হক, সহকারী সেক্রেটারী ও সাবেক প্যানেল মেয়র মাষ্টার কামাল আহমেদ, মাওলানা গিয়াস উদ্দীন, সাবেক চেয়ারম্যান চৌগাছা কামিল মাদ্রাসার অধ্যাক্ষ মাওলানা আব্দুল লতিফ, পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল খালেক, সাবেক কাউন্সিলর মহিউদ্দীন, আব্দুর রহমান, হাসানুজ্জামানসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

    মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা আগামী জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠ, নিরপেক্ষসহ ৭ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ঐতিহাসিক সোহরাওয়াার্দী উদ্যানে সমাবেশে যোগ দিয়ে সমাবেশকে সফল করার আহ্বান জানান। সেই সাথে আগামী জাতীয় নির্বাচনে ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা মার্কা জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করেন।