ক্যাটাগরি খুলনা বিভাগ

  • মনোনয়ন নিয়ে দ্বন্দ্বে মেহেরপুরে বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা

    মনোনয়ন নিয়ে দ্বন্দ্বে মেহেরপুরে বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা

    মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে মনোনয়নপ্রাপ্ত সাবেক এমপি আমজাদ হোসেন ও জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টন সমর্থকদের মধ্যে এ হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আমজাদ হোসেনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে মিল্টন পক্ষের বিরুদ্ধে। পরে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে বিএনপির দুই কার্যালয় ঘিরে। ইটপাটকেল নিক্ষেপ, অফিস ভাঙচুরের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভেঙে ফেলা হয়। এ সময় দুই পক্ষ অফিসের ভেতরের আসবাবপত্র বের করে আগুন দেয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী। ভাঙচুর করা হয়েছে অন্তত ১২টি মোটরসাইকেল।

    মেহেরপুর-২ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত সাবেক এমপি আমজাদ হোসেন বলেছেন, মনোনয়ন বঞ্চিত মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টনের সমর্থক গাংনী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আউয়ালসহ তার ক্যাডার বাহিনী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। হামলায় বিএনপির অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

    সাবেক সাবেক এমপি আমজাদ হোসেনের বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুরের পর হামলার পাল্টা জবাবে বিএনপির সভাপতি জাবেদ মাসুদ মিল্টনের অফিস ভাঙচুর করেন আমজাদ হোসেনের  সমর্থকরা। তবে ্দুই গ্রুপের সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা ছিল নিষ্ক্রিয়।

    আমজাদ হোসেনের সমর্থকরা দাবি করেছেন প্রথমে মিল্টনের সমর্থকরা একতরফাভাবে হামলা করে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে।

    এদিকে মিল্টনের সমর্থক গাংনী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলফাজ উদ্দিন কালু জানিয়েছেন আমজাদ হোসেনের লোকজন তাদের অফিস ভাঙচুর করেছে।

    গাংনী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল জানান, উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার পর গাংনীতে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

    উল্লেখ্য, গতকাল রাতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মেহেরপুর-২ আসনে এমপি প্রার্থী ঘোষণা করার পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে স্থানীয় রাজনীতি। প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে মিল্টনের সমর্থকরা সোমবার রাতেই শহরে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন।

  • মনিরামপুর সড়ক দূর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী নিহত

    মনিরামপুর সড়ক দূর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী নিহত

    ডেস্ক নিউজ:

     

    যশোরের মনিরামপুর সড়ক দূর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী নিহত হয়েছে। আজ বুধবার উপজেলার ঝিকরগাছা-মনিরামপুর সড়কের বাকোশপোল বাজার এলাকায়  মোটর সাইকেল – ইঞ্জিনচালিত পাওয়ার টিলারের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত ব্যক্তিরা হলেন মনিরামপুর উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের রণজিত কুমার দাস (৪৯) ও তাঁর স্ত্রী পাপিয়া দাস (৪০)। রণজিত মনিরামপুর উপজেলার বাজিতপুর শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা এ আর মহিলা কলেজের প্রভাষক ও তাঁর স্ত্রী পাপিয়া দাস একই উপজেলার জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশল দপ্তরে মেকানিক পদে কাজ করতেন।

    রণজিতের ভাই জীবন কুমার দাস জানান, স্ত্রী পাপিয়াকে নিয়ে নিজ গ্রাম থেকে মনিরামপুর উপজেলার কাশিমনগর ইউনিয়নের একটি গ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন রণজিত। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা পাওয়ার টিলারের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে তাঁরা উভয়ই সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাঁদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে উভয়কে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

    মনিরামপুর থানার ওসি বাবলুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চত করে বলেন, পাওয়ার টিলারের চালক পালিয়েছেন। পাওয়ার টিলারটি আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

    বি/এ

     

     

  • উচ্চ মূল্যেও লোকসানের চাপে ঈশ্বরদীর শিম চাষীরা

    উচ্চ মূল্যেও লোকসানের চাপে ঈশ্বরদীর শিম চাষীরা

    বিডিনিউজ ডেক্স : পাইকারি বাজারে শিমের কেজি ৪০ টাকা হলেও খুচরা বাজারে সেই শিমের দাম দাঁড়িয়েছে ৬০ টাকায়। মৌসুমের এই সময়েও শিমের এমন উচ্চ মূল্যে সাধারণ জনগণ দিশেহারা। তবে চলমান এই উচ্চ মূল্য সত্ত্বেও লোকসানের চিন্তায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন ঈশ্বরদীর শিম চাষীরা।

    ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ঈশ্বরদীতে শিম চাষের মোট লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ১২৯০ হেক্টর জমিতে এর মধ্যে আগাম শিম হিসেবে ইতোমধ্যে ৯১০ হেক্টর জমিতে চাষ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ৩৮০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন শিম চাষ হবে। কৃষি অফিসের তথ্যমতে, এ অঞ্চলের কৃষকরা এবছর আগাম জাতের শিম চাষ করে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার মুনাফা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

    উপজেলার শিম প্রধান এলাকাগুলো ঘুরে দেখা যায়, শিম ও শিমের ফুল শূন্য মাচানে কাজ করছেন কৃষক ও কৃষাণীরা। শিম চাষীরা জানান, নিয়মিত রুটিন করে লতা ছাড়ানো, শুকিয়ে যাওয়া ফুল পরিষ্কার করা এবং ছত্রাকনাশক, ভিটামিন ও পচন রোধে স্প্রে করতে হয়। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় খরচের চেয়ে ফলন কম থাকায় লোকসানে পড়তে হবে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

    ঢুলটি এলাকার শিম চাষী সাইদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, স্থানীয় কীটনাশক ব্যবসায়ীদের মানহীন কীটনাশক বিক্রির ফলে তাঁরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। কারণ এসব নিম্নমানের বালাইনাশক ফসলের কোনো উপকারে আসছে না। রেজওয়ান নগর এলাকার চাষী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, এবার ভরা মৌসুমেও দাম কমার সাথে সাথে উৎপাদন না বাড়ায় লোকসানের চিন্তায় কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। রামনাথপুরের চাষী ইমরান হোসেন জানান, কিছু বালাইনাশক ব্যবহার করে তাদের গাছের ফুল ও শিমের কড়ি ঝরে পড়ছে, এতে ফলন কমার শতভাগ সম্ভাবনা রয়েছে।

    ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মমিন বলেন, বর্তমানে দেশে প্রায় ৭ থেকে ৮ শত বৈধ কীটনাশক কোম্পানি রয়েছে। কোম্পানিগুলো যেন মানহীন পণ্য উৎপাদন না করে, সে জন্য নিয়মিত তাদের পণ্যের গুণগত মান যাচাই করতে ল্যাবে প্রেরণ করা হয়। তিনি কৃষকদের ভালো কোম্পানি খুঁজে সেই পণ্যগুলো ব্যবহার করার নির্দেশ দেন।

    তিনি আরও বলেন, এবছর আগাম শিম উৎপাদনকারীরা বিঘা প্রতি প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকার মুনাফা অর্জন করেছে। তবে ক্ষতি এড়াতে কৃষকদের শিমের ভালো ফলন পেতে নিয়মিত গুণগত মানসম্পন্ন বালাইনাশক স্প্রে করতে হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

  • পান তোলা ও পরিবহন খরচই উঠছে না

    পান তোলা ও পরিবহন খরচই উঠছে না

    ডেস্ক নিউজঃ

    কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পানের দাম কম হওয়ায় পানচাষিরা হতাশ। দাম অত্যন্ত কম ও খরচ অত্যধিক বেশির কারণে পান চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন প্রান্তিক কৃষক। ভেঙে ফেলছেন পানের বরজ। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ভেড়ামারা উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে প্রায় ৬৪৫ হেক্টর জমিতে পান চাষ হয়। যেখানে প্রতি বছরে ৭ হাজার মেট্রিক টন পান উৎপাদন হয়। তা ছাড়াও ব্রিটিশ আমল থেকে এই অঞ্চল পান চাষের জন্য প্রসিদ্ধ।

    উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন জুনিয়াদহ, ধরমপুর ও বাহাদুরপুরের প্রান্তিক পান চাষিদের দুঃখ দুর্দশার চিত্র ফুটে ওঠে। বিঘা প্রতি নতুন পান বরজে খরচ হয় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা। যেখানে পান বিক্রি করে আসছে ১ লাখেরও কম। পান বরজের সরঞ্জামের দাম বেড়েছে পূর্বের চেয়ে তিনগুণ। পূর্বে যে শ্রমিকের দাম ছিল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, বর্তমানে তা হয়েছে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা। তাই অনেকেই পান বরজ মেরামত না করে রেখে দিয়েছেন। দাম কম হওয়ায় কেউ আবার বরজের পান ভাঙছেন না। ঋণের দায়ে জর্জরিত কেউ কেউ বরজ ভেঙে অন্য চাষাবাদ করার মনস্থির করেছেন। বরজের ওপর ঋণ নিয়ে পরিশোধ করতে না পেরে অনেকে হয়েছেন এলাকা ছাড়া।

    উপজেলার বৃহত্তম হাট জগশ্বর পান হাটে গিয়ে দেখা যায়, ৫০ থেকে ২০০ টাকা বিড়ার পান বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ৩০ টাকায়। খুব ভালো মানের পান বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা বিড়া। পান বিক্রি করতে আসা পানচাষি মো. রফি জানান, প্রতি বিড়া ৭ টাকায় বিক্রি করলাম, যা গত বছর করেছি ৯০ থেকে ১০০ টাকায়। পান ভাঙা আর যাতায়াত খরচই উঠল না। এ ব্যবসা আর হবে না। (এক বিড়া সমান ৮০টি)।

    বাহাদুরপুরের পানচাষি ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধা জমেলা খাতুন কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘৪০ বছরের পুরোনো পান বরজ আমার। না পারছি ভাঙতে, না পারছি রাখতে। পান বাজারে নিলে খরচের টাকাও ফিরে পাচ্ছি না।’

    জগশ্বর পানহাটের সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন জানান, উৎপাদন বেশি ও রপ্তানি না থাকায় এ বছর অন্যান্য বছরের তুলনায় পানের দাম অনেক কম। কিন্তু শ্রমিক ও পান বরজের সরঞ্জামের দাম পূর্বের থেকে দুই থেকে তিনগুণ বেশি। সরকারি কোনো প্রণোদনা না থাকায় প্রান্তিক পানচাষিদের মধ্যে হাহাকার লক্ষ করছি। ভেড়ামারা উপজেলার (ভারপ্রাপ্ত) কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আশফাকুর রহমান কালবেলাকে জানান, দাম কম হওয়ায় পানচাষিদের বেহাল দশার বিষয়টি আমরা শুনেছি। পূর্বে মধ্যপ্রাচ্যসহ বেশ কিছু দেশে পান রপ্তানি হলেও এখন সেটা হচ্ছে না বললেই চলে। আপাতত পানচাষিদের সরকারের তরফ থেকে কোনো প্রণোদনার ব্যবস্থা নেই।

     

  • যশোরে পাঁচটি আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা, নতুন মুখ শ্রাবণ

    যশোরে পাঁচটি আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা, নতুন মুখ শ্রাবণ

    ডেস্ক নিউজ:

     

    যশোরের ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৫টিতে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। অপর আসনটি শরীক দলের জন্য ছাড় দেয়া হতে পারে বলে মনে করছেন জেলা বিএনপির নেতারা। নতুন মুখ হিসেবে প্রার্থী তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ। সোমবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, যেসব আসনে প্রার্থী দেয়া হয়নি সেগুলো পরে ঘোষণা করা হবে। এর বাইরে কিছু আসন শরিকদের ছাড়া হবে।

    ঘোষণা অনুযায়ী, যশোরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যশোর-৩ সদর আসনে প্রার্থী হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নাম ঘোষণা করা হয়। তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য, সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগমের সন্তান। অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এর আগে ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। যেহেতু যশোরের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করেন প্রয়াত তরিকুল ইসলামের স্ত্রী নার্গিস বেগম ও তার ছেলে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। ফলে আসনটিতে দলের অন্য কেউ প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেয়নি। ফলে অনেক আগে থেকেই অমিত মনোনয়ন পাবেন সেটা নেতাকর্মীরা অনুমান করেছিলেন।

    এছাড়া যশোর-১ (শার্শা) আসনে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে বিএনপির সাবেক দফতর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তির নাম। তিনি এ আসন থেকে আগেও বিএনপির হয়ে মনোনয়ন পেয়েছিলেন। সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তৃপ্তি। এই আসনে তৃপ্তি ছাড়া মনোনয়ন দৌঁড়ে ছিলেন উপজেলা বিএনপি সভাপতি হাসান জহির।

    যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে প্রার্থী হিসেবে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবিরা নাজমুলের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তার স্বামী প্রয়াত নাজমুল ইসলাম যশোর জেলা বিএনপির অর্থবিষয়ক সম্পাদক ও ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। বিগত আওয়ামী লীগ সময়কালে গুমের পর হত্যা করা হয় তার স্বামীকে। স্বামীর মৃত্যুর পর গৃহিনী থেকে একেবারে নতুন মুখ হিসাবে রাজনীতিতে নামেন। ২০১৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদে জয়লাভ করেন। যদিও চেয়ারম্যান দায়িত্বপালনকালে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় তাকে ছয় বছর কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত। রায়ে মুন্নির এক কোটি ৭৮ হাজার ১৩৫ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করেন আদালত। ফলে সাবিরা নাজমুলকে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রাণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ। মনোনয়ন দৌড়ে ছিলেন জেলা বিএনপি সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও যশোর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মিজানুর রহমান খান। যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনে প্রার্থী ঘোষণা হয়েছে ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ুবকে। তিনি কৃষক দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। তিনি এর আগেও বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন। যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি। বিএনপির সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো মতে, এ আসনটি শরীক দলের প্রার্থীকে ছেড়ে দেয়া হতে পারে। যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে নতুন মুখ হিসেবে প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ। তিনি বর্তমানে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণের দীর্ঘ রাজনৈতিক পটভূমি থাকলেও তার পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে। তিনি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর তার পরিবার তাকে তাজ্য ঘোষণা করেছিলেন। এখনও পরিবারের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ নেই। তবে যশোর-৬ আসনে তার জনপ্রিয়তা রয়েছে।

    যশোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন বলেন, ‘ছয়টি আসনে প্রায় ৩৫ জন নেতাকর্মী দলীয় মনোনয়ন পাবার জন্য তৃণমূলে কাজ করেছে। সম্ভাব্য মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। মনোনয়ন নেয়ার দৌঁড়ে প্রার্থীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব প্রতিযোগিতা ছিলো। তবে দল যাকে মনোনয়ন দিয়েছে; তার পক্ষে সবাই কাজ করবেন। দ্বন্দ্ব গ্রুপিং থাকলেও আস্তে আস্তে সেটা সমাধান হবে শুধুমাত্র দলের জন্য।’

  • কোনো উল্লাস নয়, ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করেত হবে- শরীফুজ্জামান 

    কোনো উল্লাস নয়, ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করেত হবে- শরীফুজ্জামান 

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধ
    চুয়াডাঙ্গা-১  আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফের নাম ঘোষণার পরেই চুয়াডাঙ্গার রাজনীতিতে এক নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়।
    চূড়ান্ত মনোনয়নের খবর পেয়ে শরীফুজ্জামান শরীফ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনেতা তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এরপরই তিনি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেত নফল নামাজ আদায়ের পর দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তাঁর প্রয়াত পিতা-মাতার কবর জিয়ারত করেন।
    সেখান থেকে তিনি চুয়াডাঙ্গা শহরের নিজ বাড়িতে ফিরে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তিনি সকলের উদ্দেশ্যে বলেন যে, তিনি শহীদ জিয়া আদর্শে ও তারেক রহমানের নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করার প্রতিশ্রুতিতে অবিচল। এখন থেকে তাঁর একমাত্র লক্ষ্য—বিভেদ ভুলে সকলকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করা। এসময় তিনি উপিস্থত নেত-কর্মীদের বলেন, ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে সকলকেই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
  • চৌগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তরুণের মৃত্যু

    চৌগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তরুণের মৃত্যু

    1.  যশোরের চৌগাছায় গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেল ধাক্কা লেগে সাগর (১৭) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) চৌগাছা-যশোর সড়কের তারিনিবাস মাঝের পাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সাগর উপজেলার মাশিলা গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে।

     

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এদিন সকালে সাগর হেলমেট পরিহিত অবস্থায় নিজ বাড়ি থেকে  মোটরসাইকেলে যশোরে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তারিনিবাস মাঝের পাড়া এলাকায় পৌঁছালে এপাচি আরটিআর মোটরসাইকেলটি (নম্বর: যশোর-ল-১২-২৮০৮) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি কাঁঠাল গাছে ধাক্কা খায়। এতে সাগর গুরুতর আহত হন।

     

    স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চৌগাছা উপজেলা সরকারি মডেল হাসপাতালে  নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে নেওয়ার পর জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

     

     

  • লাখো মানুষের ভিড়ে জমজমাট লালন উৎসব

    লাখো মানুষের ভিড়ে জমজমাট লালন উৎসব

    ডেস্ক নিউজ:

     

    লাখো মানুষের উপস্থিতি আর বাউল সাধুদের মিলন মেলায় মুখর ছেঁউড়িয়ায় লালন সাঁইজির আখড়াবাড়ি। দেশ-বিদেশ থেকে ছুটে এসেছেন লালন অনুসারী সাধু-গুরুরা। তারা গাইছেন, সত্য বল দু-পথে চল ওরে আমার মন।

    লালন সাঁইজির ১৩৫তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে এবার জাতীয়ভাবে পালিত হচ্ছে লালন স্মরণ উৎসব। তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী দিনে শুক্রবার লালন সাঁইজির ওপর আলোচনায় অংশ নেন দেশ-বিদেশের সাহিত্য সমালোচক ও তাত্ত্বিকরা।

    অনুষ্ঠানের মুখ্য আলোচক ছিলেন গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক। গায়ত্রী চক্রবর্তী তার বক্তব্যে লালনকে বহুমাত্রিকভাবে উপস্থাপন করেন তার গানে গানে।

    অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজার ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার প্রমুখ।

    সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী উপস্থিত না হতে পারলেও পাঠান ভিডিও বক্তব্য। আলোচনা সভা শেষে প্রয়াত লালন সংগীত শিল্পী ফরিদা পারভিনের স্মরণে একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

    তিন দিনের অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং লালন সংগীতের আসর। প্রতিদিন গভীর রাত পর্যন্ত চলবে লালন গান।

    তিন দিনব্যাপী এ আয়োজনে আগেভাগেই ছেঁউড়িয়ায় জড়ো হয়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের লাখো মানুষ। এমন জনস্রোত আগে কখনো হয়নি বলে জানান বাউল-সাধুরা।

    কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক ও লালন একাডেমির সভাপতি আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন জানান, উৎসবকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় প্রশাসন সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

  • চিতলমারীতে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

    চিতলমারীতে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

    ডেস্ক নিউজ

    জেলার চিতলমারী উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে রবি মৌসুমে গম, মুগ, সরিষা, সূর্যমুখী (ওপি ও হাইব্রিড) এবং খেসারি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

    উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে আয়োজনে আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমানসহ উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরে কর্মকর্তাবৃন্দ।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ মো. সিফাত আল মারুফ জানান, উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ৮৭০ জন কৃষকদের মধ্যে গম ২০জনকে, সরিষা ৩৫০ জন, সূর্যমুখী (ওপি) ৩০জন, সূর্যমুখী হাইব্রিড ২০০জন, খেসারি ৭০ জন এবং মুগ ২০০জনকে দেয়া হয়েছে।

  • ‘দুর্যোগ প্রস্তুতি ও মাল্টি-হ্যাজার্ড ম্যানেজমেন্ট’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ

    ‘দুর্যোগ প্রস্তুতি ও মাল্টি-হ্যাজার্ড ম্যানেজমেন্ট’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ

    ডেস্ক নিউজ:

     

    যে কোনো দুর্যোগে শিল্প কারখানার উৎপাদন অব্যাহত রাখা এবং ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনার লক্ষ্যে মোংলা ইপিজেডে শুরু হয়েছে ‘দুর্যোগ প্রস্তুতি, ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা এবং বহু-বিপদ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি । প্রশিক্ষণে মোংলা ইপিজেডের শিল্প-কারখানা হতে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ অংশগ্রহণ করেন।

    সোমবার (৩ নভেম্বর, ২০২৫) সকালে প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন মোংলা ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক কালাম মো. আবুল বাশার।

    দেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এর সেইফটি কাউন্সিল এবং মোংলা ইপিজেডের যৌথ উদ্যোগে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
     
    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আবুল বাশার বলেন, দুর্যোগের প্রস্তুতি ও দুর্যোগকালে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে শিল্পকারখানার ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব। পাশাপাশি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে শিল্পের উৎপাদনশীলতা অব্যাহত রাখা সম্ভব।
     
    এ সময়, ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ উন্নয়ন ও ঝুঁকি হ্রাসের লক্ষ্যে এফবিসিসিআইয়ের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন তিনি।
    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মোংলা ইপিজেডের অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক ওয়াহেদুজ্জামান।
     
    তিনি জানান বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ প্রিপেয়ার্ডনেস পার্টনারশিপ (বিপিপি) প্রকল্পের আওতায় এফবিসিসিআই দেশের শিল্প ও বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে।
     

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোংলা ইপিজেডের পরিচালক (প্রশাসন) মো. কাউসার হোসেন, ইপিজেড জোন অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং এফবিসিসিআই সেইফটি কাউন্সিলের কর্মকর্তাগণ।