ক্যাটাগরি জাতীয় সংবাদ

  • কর্ণফুলীতে অস্ত্রসহ যুবক গ্রেপ্তার

    কর্ণফুলীতে অস্ত্রসহ যুবক গ্রেপ্তার

    ডেস্ক নিউজ

    চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে অস্ত্র ও কার্তুজসহ রাশেদ নুর প্রকাশ রাশু (৩৮) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার ভোর চারটার দিকে বৈরাগ ইউনিয়নের উত্তর বন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃত যুবক একই এলাকার রাজ্জাক নুর প্রকাশ রজ্জক নুরের ছেলে। এসময় তার কাছ থেকে দেশীয় তৈরি ১টি এলজি এবং ৩ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করে পুলিশ।
    বিষয়টি নিশ্চিত করে কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল ইসলাম বলেন, ‘অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারকৃত বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে থানায়। পুলিশ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে’।

  • চট্টগ্রামে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একজনের মৃত্যু

    চট্টগ্রামে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একজনের মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজ

    চট্টগ্রামের চন্দনাইশে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় মাহবুবুর রহমান (৪৫) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রবিবার দিবাগত রাতে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার। এ নিয়ে এই ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যু হলো।

    মাহবুবুর রহমান চট্টগ্রামের চন্দনাইশ দক্ষিণ বলতলী গ্রামের কবির আহামেদ ভূঁইয়ার ছেলে। তার আগে এ ঘটনায় মো. ইদ্রিস (২৭) ও মো. ইউসুফ (৩০) নামে দুজন মারা গেছেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, মাহবুবুর রহমানের শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার দিবাগত রাত ২টা ৪০ মিনিটে মারা যান তিনি। একই ঘটনায় দগ্ধ রিয়াজ নামে আরো একজন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    প্রসঙ্গত, গত বুধবার ভোরে চট্টগ্রামে চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী সৈয়দাবাদ এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডারের একটি গুদামে বিস্ফোরণ হয়। এতে ওই গুদামের মালিক মাহাবুবুল আলমসহ ১০ জন আহত হন। বিস্ফোরণের পর আগুন ছড়িয়ে পড়ায় গুদামটিও পুড়ে যায়।

    সেখানে অবৈধভাবে বড় সিলিন্ডার থেকে ছোট সিলিন্ডারে গ্যাস ভরা (রিফিল) হতো বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

  • শিরোনামহীন পোস্ট 1305

    ডেস্ক নিউজ

     

    ‘হাতি আপনাদের মেহমান। মেহমান এসে ফসল খেয়ে ফেললেও তাদের কোনো ক্ষতি করবেন না। সরকার আপনাদের ফসলের ক্ষতিপূরণ দেবে। কেউ যেন হাতির ক্ষতি না করে।’

    চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বন্য হাতি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে সরকারি ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেছেন বন বিভাগের বাঁশখালীর জলদি রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান শেখ।

    আজ বুধবার সকালে আনোয়ারা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে চেক বিতরণ উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আনোয়ারা বন বিভাগের দায়িত্বে থাকা বাঁশখালীর জলদির রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান শেখ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আনোয়ারা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার। উপস্থিত ছিলেন রেঞ্জ অফিসার মাজহারুল ইসলাম ও মো. ফোরকান মিয়াসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

    অনুষ্ঠানে ১১ জন ক্ষতিগ্রস্তকে ৪ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। পরে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য আইন ও বিধিমালা–সম্পর্কিত দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

    ক্ষতিপূরণ নিতে আসা আনোয়ারার বৈরাগ ইউনিয়নের উত্তর গুয়াপঞ্চক এলাকার আবু বক্কর প্রথম আলোকে বলেন, তিনি হাতির আক্রমণে আহত হন। এ জন্য এক লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। তাঁর এলাকায় প্রায় হাতি হানা দেয়। এক রাতে ঘর থেকে বের হয়েই হাতির সামনে পড়েন তিনি। তখন হাতির আক্রমণে আমি আহত হন।

    দক্ষিণ চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় নিয়মিত হানা দেয় হাতি। ২০১৮ সালের সালের ১৩ জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত ছয় বছরে এই দুই উপজেলায় হাতির আক্রমণে ১৯ জন নিহত হয়েছেন। সর্বশেষ এ বছরের ২২ মার্চ মো. আরমান জাওয়াদ নামের এক শিশু নিহত হয়।

    বন বিভাগ বলছে, হাতির আবাসস্থল ধ্বংস, চলাচলের পথ নষ্ট, বনভূমি উজাড় ও খাদ্যসংকটের কারণে হাতিরা বাধ্য হয়ে লোকালয়ে আসছে। এর আগে বন বিভাগের উদ্যোগে হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনের একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে হাতির লোকালয়ে হানা দেওয়া বন্ধ হয়নি। হাতির আক্রমণে মানুষ যেমন প্রাণ হারিয়েছে, তেমনি মানুষের পাতা বৈদ্যুতিক ফাঁদেও হাতির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

  • গাছের ডাল ভেঙে পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু

    গাছের ডাল ভেঙে পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজ:

    চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে মাথায় গাছের শুকনো ডাল পড়ে উত্তম দাস (৪২) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার  দুপুর একটার দিকে পৌরসভার ৩ নাম্বার ওয়ার্ডের পূর্ব গোমদণ্ডী কৈবর্ত্যপাড়ায় এ ঘটনা ঘটেছে।

    উত্তম একুশে পদকপ্রাপ্ত ঢোলবাদক বিনয় বাঁশি জলদাসের বাড়ির গোপাল দাসের ছেলে। উত্তম ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। তিনি মঙ্গলবার বাড়িতে এসেছিলেন।

    স্থানীয় বাসিন্দা ব্রজেন্দ্র লাল দাস জানান, উত্তম দুপুরে গোসল করার জন্য ছন্দারিয়া খালে গিয়েছিলেন। এসময় খাল পাড়ের একটি বড় শুকনো আম গাছের ডাল বাতাসে তার মাথায় পড়ে। এতে উত্তম গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেছেন।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রাজর্ষি নাগ বলেন, দুপুর দেড়টার দিকে স্থানীয় লোকজন উত্তম নামের এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে।

  • ঝুঁকি নিয়ে আগাম টমেটো চাষ করে লাভবান

    ঝুঁকি নিয়ে আগাম টমেটো চাষ করে লাভবান

    কৃষি ডেস্ক

    কেউ খেতে জীবাণুনাশক ছিটাচ্ছেন, কেউ পরিচর্যায় ব্যস্ত। আবার কোথাও তোলা হচ্ছে কাঁচা-পাকা টমেটো। চাষিরাও এসব টমেটো বাছাই করে খেতের পাশেই স্তূপ করছেন। সব মিলিয়ে যেন উৎসবের আমেজ। চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার গন্ডামারা ও সরল ইউনিয়নের গ্রামগুলোর বর্তমান চিত্র এটি। এই এলাকায় ঝুঁকি নিয়ে আগাম টমেটো চাষ করে লাভবান হয়েছেন চাষিরা।

    অন্য বছর অক্টোবরে টমেটো চাষ শুরু হতো। কারণ, এ সময়টাতে সাধারণত বৃষ্টি হয় না। তবে এবার আগস্টেই শুরু হয়েছে টমেটো চাষ। বৃষ্টির পানিতে ক্ষতি রোধে চাষিরা রেখেছেন বিশেষ ব্যবস্থাও। পানি জমে যেন টমেটোগাছের ক্ষতি না হয় এ জন্য খেতজুড়ে কেটেছেন সেচের নালা। আর এটিই সাফল্য এনে দিয়েছে।

    উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্র জানায়, গন্ডামারা, সরল, বাহারছড়া, বৈলছড়ী, খানখানাবাদ, কাথরিয়া, শীলকূপ, চাম্বল ও পুইছুড়ি ইউনিয়নে এবার ৪১৫ হেক্টর জমিতে টমেটো চাষ হয়েছে। এর মধ্যে গন্ডামারা ও সরল ইউনিয়নেই চাষ হয়েছে ৩৫০ হেক্টর জমিতে। এসব জমিতে ‘প্রফিট আর্লি’, ‘দুর্জয়’ ও ‘বাহুবলী’ জাতের উচ্চফলনশীল টমেটো চাষ করছেন কৃষকেরা। অন্য বছরের তুলনায় ভালো ফলন আর বাজারদর বেশি থাকায় কৃষকের প্রত্যাশাও বেড়েছে।

    খেত থেকে সংগ্রহ করা টমেটো বিক্রির জন্য বাছাই করা হচ্ছে। সম্প্রতি বাঁশখালীর গন্ডামারা ইউনিয়নের পাওয়ার প্ল্যান্ট এলাকায়ছবি: উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সৌজন্যে

    গন্ডামারা, সরল, বাহারছড়া, বৈলছড়ী, খানখানাবাদ, কাথরিয়া, শীলকূপ, চাম্বল ও পুইছুড়ি ইউনিয়নে এবার ৪১৫ হেক্টর জমিতে টমেটো চাষ হয়েছে। এর মধ্যে গন্ডামারা ও সরল ইউনিয়নেই চাষ হয়েছে ৩৫০ হেক্টর জমিতে। এসব জমিতে ‘প্রফিট আর্লি’, ‘দুর্জয়’ ও ‘বাহুবলী’ জাতের উচ্চফলনশীল টমেটো চাষ করছেন কৃষকেরা।

    উপজেলার যে এলাকাটিতে আগাম টমেটো চাষ হয়েছে এটি উপকূলীয় অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্ষা পুরোপুরি শেষ হওয়ার আগেই আগস্টের শুরুতে বিশেষ পদ্ধতিতে টমেটো রোপণ শুরু করেন তাঁরা। এর মধ্যে ভারী বৃষ্টিও হয়েছে। তবে চাষিরা বৃষ্টিতে জমা পানি সেচে খেত থেকে বের করেছেন। কারণ, জমিতে পানি জমে থাকলে টমেটোর ফল ভালো হয় না। চার মাস পর এখন ফল পাচ্ছেন তাঁরা। অন্য বছর ছোট আকারে চাষাবাদ হলেও এ বছর হয়েছে বাণিজ্যিকভাবে।

    উপজেলার যে এলাকাটিতে আগাম টমেটো চাষ হয়েছে এটি উপকূলীয় অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্ষা পুরোপুরি শেষ হওয়ার আগেই আগস্টের শুরুতে বিশেষ পদ্ধতিতে টমেটো রোপণ শুরু করেন তাঁরা। এর মধ্যে ভারী বৃষ্টিও হয়েছে। তবে চাষিরা বৃষ্টিতে জমা পানি সেচে খেত থেকে বের করেছেন। কারণ, জমিতে পানি জমে থাকলে টমেটোর ফল ভালো হয় না। চার মাস পর এখন ফল পাচ্ছেন তাঁরা। অন্য বছর ছোট আকারে চাষাবাদ হলেও এ বছর হয়েছে বাণিজ্যিকভাবে।সরেজমিন দেখা যায়, সারি সারি লাগানো গাছে ঝুলছে কাঁচা-পাকা টমেটো। প্রতিটি খেতের মধ্যেই নালা করেছেন চাষিরা। এ নালা যেমন বর্ষায় পানিনিষ্কাশনের কাজে আসে তেমনটি শুষ্ক মৌসুমে নালা থেকে গাছের গোড়ায় পানিও দেওয়া হয়। অনেকের খেতের টমেটো তোলা শেষ হয়েছে। তাঁরা নতুন করে আবার টমেটো চাষের জন্য জমি প্রস্তুত করছেন।সম্প্রতি গন্ডামারা ইউনিয়নের কেজি স্কুল এলাকায় কথা হয় চাষি আবদুর রশিদের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমি পাঁচ কানি (৪০ শতাংশে ১ কানি) জমিতে টমেটো চাষ করেছি। ফলন ভালো হওয়ায় অন্তত চার লাখ টাকা লাভ হয়েছে। আগে এ জমিতে ধান চাষ করতাম। তবে তেমন লাভ হতো না। ভবিষ্যতে এ এলাকায় টমেটো চাষ আরও বাড়বে।’

    ছবিতে একটি টমেটৌ ক্ষেত

    একই এলাকার আরেক চাষি আজগর আলী ৮ কানি জমিতে টমেটো চাষ করেছেন। জানতে চাইলে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। চার মাস আগে এসব টমেটো চাষ করা হয়। এ এলাকার জমিতে লবণাক্ততা রয়েছে। এখানে এত টমেটো ফলন হবে ধারণা করতে পারিনি।’

    উপজেলার চরপাড়া এলাকায় গিয়ে কথা হয় দশম শ্রেণির ছাত্র সিফাতুল ইসলামের সঙ্গে। সে বাবার সঙ্গে টমেটো চাষ করেছে। জানতে চাইলে সে বলে, ‘আমরা এক কানি জমিতে টমেটো চাষ করেছি। এতে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বিক্রি করে পেয়েছি ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।’

    জানতে চাইলে বাঁশখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র সরকার বলেন, ‘বাঁশখালী উপকূলে টমেটো চাষে বিপ্লব ঘটিয়েছেন চাষিরা। গ্রামের পর গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে টমেটো চাষ হচ্ছে । প্রতিবছরই চাষাবাদের পরিমাণ বাড়ছে। আমরা নিয়মিত চাষিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছি।’

  • পটিয়া পৌরসভায় ময়লার বেড়িবাঁধ!

    পটিয়া পৌরসভায় ময়লার বেড়িবাঁধ!

    ডেস্ক নিউজ:

    ৩৫ বছরের পৌরসভা, কিন্তু নেই একটি ডাম্পিং স্টেশন। ফলে মহাসড়কের পাশেই ফেলে রাখা হয় বর্জ্য, দেখে মনে হবে যেন ময়লার বেড়িবাঁধ। এভাবেই পচা গন্ধ আর বিষাক্ত জীবনের সঙ্গে বসবাস পটিয়াবাসীর। একদিকে পরিবেশ ধ্বংস, অন্যদিকে জনস্বাস্থ্যের চরম ঝুঁকি।

    জানা গেছে, চট্টগ্রামের অন্যতম প্রাচীন পৌরসভা পটিয়া প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯০ সালের ৯ এপ্রিল। প্রতিষ্ঠার মাত্র এক বছরের মাথায় প্রথম শ্রেণির পৌরসভার মর্যাদা পেলেও ৩৫ বছরে এখানকার জন্য একটি স্থায়ী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র বা ডাম্পিং স্টেশন গড়ে ওঠেনি। ফলে ৪ বর্গমাইল এলাকার লক্ষাধিক বাসিন্দাকে প্রতিদিনের গৃহস্থালি ও অন্যান্য বর্জ্য নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

    চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বাহুলী এলাকার একটি খোলা জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে জমে আছে হাজার টন বর্জ্য। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ড থেকে প্রতিদিন কয়েক শ টন ময়লা এনে সেখানে ফেলা হয়। এলাকায় পৌঁছালে তীব্র দুর্গন্ধে দাঁড়ানো দায় হয়ে পড়ে। চারদিকে উড়ছে অসংখ্য মশা-মাছি। এতে রোগজীবাণুর দ্রুত বিস্তার ঘটছে।

    স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। বৃষ্টির পানিতে ময়লার স্তূপ ভেঙে আবর্জনা নেমে আসে মহাসড়কে। এতে পথচারীসহ বাস ও ট্রেনের যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ে। এ ছাড়া খোলা জায়গায় আবর্জনা পুড়িয়ে ফেলায় নির্গত বিষাক্ত ধোঁয়া আশপাশের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করছে।

    এ বিষয়ে পটিয়া পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক অরজিত কুমার দাশ বলেন, ‘১৪ জন নারী ও ৩২ জন পুরুষ শ্রমিক নিয়মিত বর্জ্য পরিষ্কারের কাজে নিয়োজিত। কিন্তু আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিনিয়ত সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।’

    পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) নেজামুল হক বলেন, ‘ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের জন্য পটিয়া সদরের ইন্দ্রপুল এলাকায় জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে মামলা জটিলতার কারণে কাজ আটকে আছে।’

    পটিয়া পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমান বলেন, ‘একটি ডাম্পিং স্টেশন পটিয়া পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য এটি অত্যন্ত জরুরি। আশা করছি, দ্রুত কাজ শুরু করতে পারব।’

    বি/এ

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বাংলাদেশিকে হত্যা করল বিএসএফ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বাংলাদেশিকে হত্যা করল বিএসএফ

    ডেস্ক নিউজ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাখেরআলী সীমান্তে তসির আলী (২৮) নামের এক বাংলাদেশি যুবককে হত্যা করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

    বুধবার ভোররাতে জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার বাখেরআলী সীমান্তের ওপারে বাহুড়া ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা গুলি চালিয়ে ওই যুবককে হত্যা করে বলে জানা গেছে।

    জানা যায়, ঘটনাস্থলেই ওই যুবকের মৃত্যু হয়। পরে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। ভারতের জঙ্গিপুর থানার পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

    নিহত তসির আলী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের বাখেরআলী পশ্চিমপাড়ার ইব্রাহিমের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তসির আলী গরু চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মোস্তাফিজুর রহমান পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, তসির আলী তিনদিন ধরে নিখোঁজ ছিল। ওপারে নদীতে লাশ ভাসতে দেখে পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে গেছে। তবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে সেটি নিশ্চিত নই। ঘটনাটি বিএসএফকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে লাশ ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলছে।

    বি/এ

  • পাথর মেরে হত্যার রাজনীতি আর চলবে না: শিবির সভাপতি

    পাথর মেরে হত্যার রাজনীতি আর চলবে না: শিবির সভাপতি

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশে পাথর মেরে হত্যার রাজনীতি আর চলবে না। ফ্যাসিস্ট হাসিনা পালিয়ে যাওয়া ও গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের বড় পরিবর্তন হয়েছে। শুধু তাই নয়, একটি জেনারেশনের আমূল পরিবর্তন হয়েছে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা পুরোনো ধাপের রাজনীতিকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রত্যাখ্যান করে গঠনমূলক শ্রদ্ধাবোধ রাজনীতির দিকে ধাবিত হয়েছে। দেশের ছাত্র-জনতা পাথর মেরে মানুষ হত্যা করার রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করেছে।

    তিনি বলেন, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর ভেবেছিলাম দেশের রাজনীতি সংস্কৃতির কিছুটা আমূল পরিবর্তন হবে। তবে দেশের কিছু কিছু ব্যক্তি, দল, গোষ্ঠীর মাঝে সেই পরিবর্তনটি লক্ষণীয় না, বরং খুনি হাসিনা যে কাজগুলো করে যেতে পারেনি- সেসব গোষ্ঠী দল-ব্যক্তিরা সেই কাজগুলো নিজেরা হাতে তুলে নিয়েছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে খুন, ঘুম, পাথর মেরে মানুষ হত্যার রাজনীতি আর রাজনীতি চলবে না। দেশে কোনো প্রকার হামলা, দুর্নীতির রাজনীতি চলবে না। দেশে গঠনমূলক সহনশীলতার রাজনীতি চলবে। যারা আবু সাঈদ হয়ে নিজের জীবনের রক্তের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদকে বিতাড়িত করেছে তারাই এ বাংলাদেশ গড়বে।

    ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরের পক্ষে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনি প্রচারণা মিছিলের নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক আব্দুস সাত্তার, মহানগরীর সেক্রেটারি মাওলানা মাহবুবুর রহমান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন, সাবেক উপজেলা আমির ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কুমিল্লা মহানগরীর সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান, সাবেক উপজেলা আমির ভিপি শাহাব উদ্দিন, উজিরপুর ইউনিয়ন আমির মাওলানা আবুল হাশেমসহ অন্যরা।

    এআর/নিই

  • লালমাইয়ে ১৯ বছর ধরে এক সেতুর অপেক্ষায় ২০ হাজার মানুষ

    লালমাইয়ে ১৯ বছর ধরে এক সেতুর অপেক্ষায় ২০ হাজার মানুষ

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুমিল্লার লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ও বাকই উত্তর ইউনিয়নের অন্তত সাত গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে ঝুঁকি নিয়ে একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছেন। বর্ষা এলে এ সাঁকোই হয়ে ওঠে ডাকাতিয়া নদী পারাপারের একমাত্র ভরসা।

    জানা গেছে, আলীশ্বর ও ভাবকপাড়া নামক স্থানে নদীর ওপর কোনো সেতু না থাকায় আলীশ্বর, নুরপুর, কসরাইশ, ভাবকপাড়া, শিকারিপাড়া, গছকড়া ও পাড়া ভাবকপাড়া গ্রামের মানুষ বাধ্য হয়ে নিজেরাই প্রতিবছর বাঁশ সংগ্রহ করে সাঁকোটি সংস্কার করে আসছেন।

    স্থানীয়রা জানান, নদীর পূর্ব পাশে রয়েছে আলীশ্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আলীশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়, দ্বীনিয়া মাদ্রাসা ও আলীশ্বর বাজার। প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ এই সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করেন। বিশেষ করে বয়স্ক, নারী ও গর্ভবতী মহিলাদের জন্য এই পথচলা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। প্রায়ই ঘটে দুর্ঘটনা।

    স্থানীয় কৃষক মকবুল মিয়া বলেন, গত বছর মাঠ থেকে খড় নিয়ে ফেরার পথে বাঁশের ফাঁকে পা আটকে পড়ে যাই, পরে লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন জানান, বছরের পর বছর ধরে ব্রিজ হবে শুনছি, কিন্তু বাস্তবে কিছুই হয়নি।

    বাকই উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বলেন, এই গ্রামের হাজারো মানুষ প্রতিদিন ভোগান্তিতে পড়ে। আমরা সরকারের কাছে অনুরোধ জানাই— একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের মাধ্যমে এই জনদুর্ভোগ দূর করা হোক।

    লালমাই প্রেস ক্লাবের সভাপতি ড. শাহজাহান মজুমদার বলেন, একটি ব্রিজ নির্মাণ হলে শুধু মানুষের দুর্ভোগই কমবে না, এলাকার শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সার্বিক উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে।

    লালমাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিমাদ্রী খীসা বলেন, জনসাধারণের যাতায়াত সহজ করতে সংশ্লিষ্ট স্থানে সেতু নির্মাণের বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে পাঠানো হবে। সূত্রঃ কালবেলা

    এআর/নিই

  • ১২৫ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল এনসিপি

    ১২৫ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল এনসিপি

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রথম ধাপে ১২৫ আসনে দলের প্রাথমিক মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

    তিনি বলেন, আমরা মনোনয়ন পত্র বিতরণের কাজ শেষ করেছি। আজকে প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করব। আজ যাদের নাম প্রকাশ করবো তাদের বিরুদ্ধে যদি অভিযোগ থাকে, সেটা তদন্ত করে প্রার্থিতা বাতিল করব।

    কোন আসনে এনসিপি প্রার্থী কে-

    পঞ্চগড়-১ আসনে মো. সারজিস আলম, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে মো. রবিউল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে, মো. গোলাম মর্তুজা সেলিম, দিনাজপুর-৩ আসনে আ হ ম শামসুল মুকতাদির, দিনাজপুর-৫ আসনে ডা. মো. আব্দুল আহাদ, নীলফামারী-২ আসনে ডা. মো. কামরুল ইসলাম দর্পন, নীলফামারী-৩ আসনে মো. আবু সায়েদ লিয়ন, লালমনিরহাট-২ আসনে রাসেল আহমেদ ও লালমনিরহাট-৩ আসনে মো. রকিবুল হাসান জাতীয় নাগরিক পার্টির হয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    রংপুর-১ আসনে মো. আল মামুন, রংপুর-৪ আসনে আখতার হোসেন, কুড়িগ্রাম-১ আসনে মো. মাহফুজুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-২ আসনে ড. আতিক মুজাহিদ, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে ইঞ্জিনিয়ার মো. আবু সাঈদ জনি, গাইবান্ধা-৩ আসনে মো. নাজমুল হাসান সোহাগ, গাইবান্ধা-৫ আসনে ডা. আ. খ. ম. আসাদুজ্জামান, জয়পুরহাট-১ আসনে গোলাম কিবরিয়া, জয়পুরহাট-২ আসনে আবদুল ওয়াহাব দেওয়ান কাজল, বগুড়া-৬ আসনে আব্দুল্লাহ-আল-ওয়াকি ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে মু. নাজমুল হুদা খান (রুবেল খান) এনসিপির হয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    এছাড়া নওগাঁ-১ আসনে কৈলাশ চন্দ্র রবিদাস, নওগাঁ-২ আসনে মো. মাহফুজার রহমান চৌধুরী, নওগাঁ-৩ আসনে পরিমল চন্দ্র (উরাও), নওগাঁ-৪ আসনে মো. আব্দুল হামিদ, নওগাঁ-৫ আসনে মনিরা শারমিন, নাটোর-২ আসনে আব্দুল মান্নাফ, নাটোর-৩ আসনে অধ্যাপক এস. এম. জার্জিস কাদির, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে দিলশানা পারুল, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী (প্রীতি), সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে মনজুর কাদের ও সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে এস এম সাইফ মোস্তাফিজ জাতীয় নাগরিক পার্টির হয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

     

    এআর/এনই