ক্যাটাগরি জাতীয় সংবাদ

  • লংগদুতে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবসে মানববন্ধন

    লংগদুতে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবসে মানববন্ধন

    ডেস্ক নিউজ

    আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস-২০২৫ উপলক্ষে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির যৌথ উদ্যোগে, লংগদুতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদে জাতীয় সংগীত ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের একতা” গড়বে আগামী শুদ্ধতা”‘ এই স্লোগানকে সামনে রেখে দিবসটি পালিত হয়। মানববন্ধনে সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক -শিক্ষার্থীরা ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ,অংশ নেন এবং দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

    এসময় জনসাধারণের মাঝে দুর্নীতির ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে উদ্বুদ্ধ করা হয।

     

  • রাঙ্গামাটির দুর্গম পাহাড়ি স্কুলে বিজির শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ

    রাঙ্গামাটির দুর্গম পাহাড়ি স্কুলে বিজির শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ

    ডেস্ক নিউজ

    পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির বিলাইছড়িতে দুর্গম প্রংজাং পাড়ার একটি প্রাইমারি স্কুলে বেঞ্চ, চেয়ার ও টেবিলসহ শিক্ষাসামগ্রী দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) বিজিবির রুমা ব্যাটালিয়নের (৯ বিজিবি) অধীনস্থ রাইক্ষ্যংপুকুরপাড়া লগ বেস ক্যাম্প কমান্ডার বিলাইছড়ি উপজেলার বড়থলি ইউনিয়নের প্রংজাং পাড়ার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এসব সামগ্রী হস্তান্তর করেন।

  • রাঙ্গামাটিতে দুই ভারতীয় নাগরিকসহ আটক ৬

    রাঙ্গামাটিতে দুই ভারতীয় নাগরিকসহ আটক ৬

    ডেস্ক নিউজ

    রাঙ্গামাটিতে অবৈধভাবে নদী পথে বাংলাদেশে প্রবেশের দায়ে দুই ভারতীয় নাগরিকসহ ছয়জনকে আটক করেছে বিজিবি। দুই ভারতীয় নাগরিক হলেন— সুরেশ চাকমা (৩৯) ও অরংখান চাকমা (৩০)। তাদের দুজনের বাড়ি ভারতের লুংলে জেলার দিমাগরী থানার ত্রিপুরাঘাটে। তবে তাদের সহায়তাকারী চার বাংলাদেশি নাগরিকের নাম জানা যায়নি।

    শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাঙ্গামাটির বরকলে তাদেরকে আটক করা হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙ্গামাটি বরকলের ৪৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাসুদ আল ফেরদৌস। তিনি ঢাকা মেইলকে জানান, বিকেলে সাড়ে পাঁচটার দিকে ভারতের মিজোরাম রাজ্যের টিপরাঘাট থেকে দুজন ভারতীয় নাগরিক অবৈধভাবে বাংলাদেশ সীমান্তের ছোট হরিণা দিয়ে অনুপ্রবেশ করে। পরে চারজন বাংলাদেশি নাগরিকের সহযোগিতায় একটি স্পীড বোট ভাড়া করেন তারা। স্পীড বোট ৮০০ টাকায় ভাড়া করে নদী পথে রাঙামাটির দিকে আসছিল।

  • বাঘাইছড়িতে ২৭ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় সিগারেট ও মিনি ট্রাক জব্দ

    বাঘাইছড়িতে ২৭ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় সিগারেট ও মিনি ট্রাক জব্দ

    ডেস্ক নিউজ

    রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলাধীন খেদারমারা ইউনিয়নের নলবনিয়া এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় সিগারেটসহ একটি মিনি ট্রাক জব্দ করেছে ২৭ বিজিবি (মারিশ্যা জোন)।

    শনিবার (২১ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মো. জাহিদুল ইসলাম জাহিদের নির্দেশনায় ২৭ বিজিবি মারিশ্যা জোনের সহকারী পরিচালক (এডি) মো. হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে টহল দলটি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ১৪৫ কার্টন (১,৪৫০ প্যাকেট) ভারতীয় সিগারেট এবং ঢাকা মেট্রো-ন-১৫৯৩৮২ নাম্বারের একটি মিনি ট্রাক পরিত্যক্ত অবস্থায় জব্দ করা হয়। অভিযানের উপস্থিতি টের পেয়ে ট্রাকচালক সিগারেট ফেলে পালিয়ে যায়।

    বিজিবি জানায়, আটককৃত সিগারেট ও ট্রাকের আনুমানিক মোট বাজারমূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা

    জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মো. জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, “মারিশ্যা জোন সীমান্ত এলাকায় অবৈধ চোরাচালান রোধে সর্বদা সচেষ্ট। চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

  • রাঙ্গামাটিতে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

    রাঙ্গামাটিতে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

    ডেস্ক নিউজ

    হরতালের কারণে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের পর কোটাবিরোধী ঐক্য জোট তাদের ডাকা ৩৬ ঘণ্টার হরতাল প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দুপুর ২টার পর জোট এই ঘোষণা দেয়।

    সংগঠনের অন্যতম নেতা নুরুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। আমাদের ছয় দফা দাবির বিষয়ে জেলা পরিষদ শনিবারের মধ্যে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত জানাবে বলে আমরা আশা করছি। তাই দুপুর ২টা থেকে হরতাল প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছি।

    জানা গেছে, হরতালকে কেন্দ্র করে পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আগামীকালের (শুক্রবার) নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় জেলা পরিষদ। এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো একই পরীক্ষা স্থগিত হলো। এর আগে ২০২২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ সালের ২১ মে এবং ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল।

    বুধবার দুপুরে কোটাবিরোধী ঐক্যজোট বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ৩৬ ঘণ্টার হরতালের ডাক দিলে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই হরতালের সমর্থনে শহরের বিভিন্ন স্থানে পিকেটিং করে সংগঠনের নেতাকর্মীরা। দুপুর ১টায় পরিস্থিতি পর্যালোচনা শেষে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার নিরাপত্তা বিবেচনায় পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেন।

    কাজল তালুকদার বলেন, পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে আসা-যাওয়া ও সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই আগামীকালের পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    অপরদিকে কোটাবিরোধী ঐক্যজোটের নেতারা অভিযোগ করেন, সরকারি নিয়োগে ৯৩ শতাংশ মেধা ও ৭ শতাংশ কোটা নীতিমালা অনুসরণ করার পরিবর্তে জেলা পরিষদ ৭০ শতাংশ পাহাড়ি ও ৩০ শতাংশ বাঙালি কোটা মেনে নিয়োগ দিতে চাইছে, যা তারা ‘চরম বৈষম্য’ বলে দাবি করেন। পরীক্ষা স্থগিতের পর আলোচনার ভিত্তিতে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানায় সংগঠনটি।
  • ফ্যাসিবাদি সরকার পালিয়ে গেলেও দেশ ফাসিবাদমুক্ত হয়নি : শফিকুর রহমান

    ফ্যাসিবাদি সরকার পালিয়ে গেলেও দেশ ফাসিবাদমুক্ত হয়নি : শফিকুর রহমান

    ডেস্ক নিউজঃ

    শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বেলা পৌনে ২টায় ৮ দলের উদ্যোগে আয়োজিত চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘গাড়ি দিয়ে পালানোর সাহস বিগত ফ্যাসিবাদি সরকার হারিয়ে ফেলেছিল। এজন্য তারা আকাশপথে পালিয়েছে। দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবিকেও এই অপকর্মে ব্যবহারের অপচেষ্টা করেছিল। দেশের সবকিছু তারা ধ্বংস করেছে। ফ্যাসিবাদ বিদায় নিলেও দেশ এখনো ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়নি। ফ্যাসিবাদকে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে দেয়া হবে না।’ ৫ আগস্ট বিপ্লবের পরদিন থেকে একটি গোষ্ঠী প্রভাব বিস্তারের জন্য জনগণের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে জানিয়ে ডা: শফিকুর রহমান বলেন, ‘চাঁদাবাজি, দুর্নীতি অব্যাহত আছে। ক্ষমতায় না গিয়েও অনেকে ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছে। প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার করছে।’

    প্রয়োজনে আবারো ৫ আগস্ট সংঘটিত হবে বলেও হুঁশিয়ার করেন তিনি।

    শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বেলা পৌনে ২টায় ৮ দলের উদ্যোগে আয়োজিত চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ডা: শফিকুর রহমান আরো বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার নিজেদের উন্নয়ন করেছিল। রাস্তাঘাট তৈরি করেছিল রডের বদলে বাঁশ দিয়ে। বাংলাদেশের টাকা লুট করে সিঙ্গাপুরে গিয়ে তারা ব্যবসা শুরু করে দিয়েছে। শাপলা চত্বরে অসংখ্য আলেমকে হত্যা করা হয়েছিল। এরপর কুখ্যাত প্রধানমন্ত্রী বলেছিল রঙ দিয়ে শুয়েছিল। তারা রক্তাক্ত হাতে ক্ষমতায় এসেছিল রক্তাক্ত হাতেই বিদায় নিয়েছে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘আমরা ৮ দলের বিজয় চাই না, ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই। সেই আকাঙ্ক্ষার বিজয় হবে কোরআনের মাধ্যমে। চট্টগ্রাম থেকে ইসলামের বিজয়ের বাঁশি বাজানো হবে। আগামীর বাংলাদেশ হবে কোরআনের বাংলাদেশ।’

    ৫ আগস্ট বিপ্লবের পরদিন থেকে একটি গোষ্ঠী প্রভাব বিস্তারের জন্য জনগণের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে মন্তব্য করে ডা: শফিকুর রহমান বলেন, ‘চাঁদাবাজি, দুর্নীতি অব্যাহত আছে। ক্ষমতায় না গিয়েও অনেকে ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছে। প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার করছে।’

    আন্দোলনরত ৮ দলের ৫ দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের লড়াই অব্যাহত থাকবে ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘ইসলামী দলগুলোর মধ্যে যে ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই ঐক্য আমাদেরকে জাতীয় সংসদ পর্যন্ত নিয়ে যাবে।’

    ‘প্রয়োজনে আবারো ৫ আগস্ট সংঘটিত হবে,’ হুঁশিয়ার করেন তিনি।

    সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশ গরীব-দুঃখী-মেহনতি মানুষের রক্তে গড়া। বনেদিদের বাংলাদেশ আর থাকবে না। অনেক দল থেকে আসন সমঝোতার অফার দেয়া হয়েছিল। আমরা বাংলাদেশের অধিকার মালিকানা কায়েম করতে চাই। ইসলামের বার্তা পৌঁছে দিতে চাই। পুঁজিবাদি অর্থব্যবস্থার কবর রচনা করে আল্লাহর আইনের ব্যবস্থা রচনা করা হবে।’

    তিনি বলেন, ‘এবার ইসলামী দলগুলো ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলার মাটিতে জেগে উঠেছে। সকল চক্রান্ত, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্যদিয়ে জনতার বিজয় হবে।’

    বাংলার মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ উল্লেখ করে মামুনুল হক বলেন, “দলীয় প্রতীকে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি ‘হ্যাঁ’ ভোটের বাক্স ভরতে হবে। নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা দেখা দিলে সরকারকে তার দায় নিতে হবে।”

    তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।

    সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, ‘ব্রিটিশ এই দেশ থেকে চলে গেলেও ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধেও বৈষম্য দূর হয়নি। সেই থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত যারা শাসক ছিল তারা বৈষম্য থেকে মুক্তি দিতে পারেনি। তাই ৫ আগস্টের আন্দোলনে হাজার হাজার জীবনের বিনিময়েও মানুষ মুক্তি পায়নি। আগামীতে আবারো চাঁদাবাজ, জালেমদের বিরুদ্ধে আন্দোলন হবে। ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলে বৈষম্য থাকবে না। কেউ দশ তলায় কেউ নিচতলায় থাকবে সেটা আর হবে না।’

    তিনি বলেন, ‘আমরা ইসলামের পক্ষে, বাংলাদেশের পক্ষে থাকতে চাই। ইসলামকে বিজয় করার জন্য চেষ্টা করতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থাকলে ইসলাম আগামীতে ক্ষমতায় যাবে ইনশাআল্লাহ। যথাসময়ে নির্বাচন দিতে হবে। কোনো ষড়যন্ত্র দেশের মানুষ মানবে না। হুমকি-ধমকি চলবে না। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে।’

    জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘আসুন আমরা ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে চট্টগ্রামকে ইসলামের ঘাঁটি বানাই। চট্টগ্রামের মাটি ইসলামের ঘাঁটি। ৮ দলের এই শক্তি ক্ষমতায় গেলে আপনারাই দেশ শাসন করবেন। কারো দাদার শক্তিতে এ দেশ আর চলবে না।’

    তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদশ এমন পর্যায়ে দাঁড়াবে বিদেশীরা এখানে পড়ালেখা করতে আসবে, আমাদের দেশে কাজ করতে আসবে। আসুন আমরা সবাই মিলে সেই দেশ গড়ি।’

    ৮ দলের প্রধানদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির অধ্যক্ষ মাওলানা সরওয়ার কামাল আজিজী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন।

    সমাবেশে ৮ দলের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুর রহমান চৌধুরী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান মুন্সি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব আলাউল্লাহ আমিন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব আল্লামা মুফতি মুসা বিন ইজহার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আলী উসমান, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান, খেলাফত মজসিলের যুগ্ম মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক আহসানুল্লাহ ভূঁইয়া, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, ইসলামী

    আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মুফতি রেজাউল করিম আববার, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মহিউদ্দিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগরী আমির মুহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চট্টগ্রাম মহানগরী সহ-সভাপতি এডভোকেট আব্দুল মোতালেব, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি আবু মুজাফফর মোহাম্মদ আনাছ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগর আমির মাওলানা এমদাদ উল্লাহ সোহাইল, খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগরী সভাপতি অধ্যাপক খুরশিদ আলম ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি চট্টগ্রাম মহানগর আমির মাওলানা জিয়াউল হোসাইন।

    আরো বক্তব্য রাখেন- জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আমির মুহাম্মদ আলাউদ্দীন সিকদার, দক্ষিণ জেলা আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা আমির অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহম্মদ আনোয়ারী, চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার, মোহাম্মদ উল্লাহ ও মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোবায়ের মাহমুদ প্রমুখ।

    সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন- চট্টগ্রাম জামায়াতের অঞ্চল টিম সদস্য মুহাম্মদ জাফর সাদেক, অধ্যক্ষ আমিরুজ্জামান, মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, অধ্যাপক মুহাম্মদ নুরুল আমিন চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামী বান্দরবান জেলা আমির মাওলানা আবদুস সালাম আজাদ, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা আমির অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল আলিম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি আল মুহাম্মদ ইকবাল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা রিদোয়ানুল ওয়াহেদ, খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা জালাল উদ্দীন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা আনোয়ার হোসেন রব্বানী, জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সেক্রেটারি মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার, দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হক, কক্সবাজার জেলা সেক্রেটারি জাহেদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবু সাঈদ নোমান ও মাওলানা মোহাম্মদ ফয়সাল, নগর জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা: এ কে এম ফজলুল হক, ডা: ছিদ্দিকুর রহমান, এস এম লুৎফর রহমান, শ্রমিক নেতা মুহাম্মদ ইসহাক, হামেদ হাসান ইলাহী, আমির হোসাইন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহসভাপতি নুর উদ্দিন, জামায়াত নেতা আবদুল্লাহ আল ফারুক ও অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান প্রমুখ।

    ওইদিন সকাল থেকে নগরীর ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে মিছিলে মিছিলে জড়ো হতে থাকেন ৮ দলের নেতাকর্মী ও নগরবাসী। দুপুর পৌনে ২টা থেকে শুরু হয় সমাবেশের মূল কার্যক্রম। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।

    বক্তাদের বক্তব্যের সময় নেতাকর্মীরা পাঁচদফা দাবি নিয়ে স্লোগান দেন।

  • একটি সড়কের অপেক্ষায়

    একটি সড়কের অপেক্ষায়

    ডেস্ক নিউজঃ

     

    গ্রামের নাম কাঠালিয়া। চাঁদপুরের কচুয়া ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় গ্রামটির অবস্থান। কচুয়া উপজেলার ৫ নম্বর পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এ গ্রামে প্রায় এক হাজার ২শ জনসংখ্যা। অধিকাংশ মানুষ মৎস্যজীবী ও কৃষি শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।

    কাঠালিয়া গ্রামের বাসিন্দা মৎস্য ব্যবসায়ী মাধব সরকার বলেন, আমার বয়স ৫৮। সেই শৈশব কাল থেকে দেখে আসা যাতায়াতের কষ্ট যেন শেষ হয়নি আজও। শেষ বয়সে এসেও আধুনিক যুগে এমন দুর্বিষহ কষ্ট আমাদের গ্রামের মানুষের নিত্যদিনের সঙ্গী।

    দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও যাতায়াতের জন্য একটি রাস্তা পায়নি কাঠালিয়া গ্রামের মানুষজন। গ্রামটিতে রাস্তা না থাকার কারণে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদেরকে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও রোগীদের যাতায়াতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট ভোগ করতে হচ্ছে। গ্রামবাসী বর্ষা মৌসুমে কখনও নৌকায়, আবার কখনও হাঁটু বা কোমর পানিতে এবং গ্রীষ্ম মৌসুমে ইরি ক্ষেতের কর্দমাক্ত আইল দিয়ে যাতায়াত করছে।

    ওই গ্রামের কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের গ্রামে যাতায়াতের জন্য কোনও রাস্তা না থাকায় সময়মতো স্কুল-কলেজে যেতে পারছি না। এতে পড়ালেখায় আমরা অনেক পিছিয়ে যাচ্ছি। বর্ষা মৌসুমে নৌকা দিয়ে পারাপার হতে হয়।
    দ্রুত রাস্তা নির্মাণের দাবি জানান তারা।

    কাঠালিয়া গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, আমাদের গ্রামটি দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী হওয়ায় আমরা অবহেলিত। দুই উপজেলার মধ্য দিয়ে চলাচলে পথ। একটি পক্ষ আদালতে মামলা করলে সেখানে রাস্তার নির্মাণ কাজ থমকে যায়। আধুনিক যুগেও একরকম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন জনপদের নাম কাঠালিয়া গ্রাম। অনেকেই জনপ্রতিনিধি হয়ে আসেন কিন্তু আমাদের দুঃখ ও দুর্ভোগ দেখার কেউ নেই।

    স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন বলেন, অনেক বছর ধরে ওই গ্রামে রাস্তা নেই। কিছুদিন আগে আমি ওই গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে যাতায়াতের রাস্তা নির্মাণের জন্য পরিদর্শন করি। কিন্তু যে স্থানে রাস্তা নির্মাণ করা হবে তার দু পাশে কৃষকের মালিকানা জমি থাকায় এবং মামলা থাকায় রাস্তা নির্মাণে সমস্যা হচ্ছে। তবে মতলব ও কচুয়া জনপ্রতিনিধির সমন্বয়ে দ্রুত রাস্তাটি নির্মাণে চেষ্টা চলছে।

    উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল আলিম লিটন বলেন, সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্ন স্থানের রাস্তা নির্মাণ কাজের বরাদ্দের বিষয়ে যাবতীয় তথ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। কাঠালিয়া গ্রামের রাস্তাটি বরাদ্দের আওতায় বাদ পড়লে তালিকা তৈরি করে পুনরায় পাঠানো হবে।

    উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাজাহান শিশির বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পরে আমি দুবার কাঠালিয়া গ্রাম পরিদর্শন করি। রাস্তা না থাকায় আমি ও আমার সঙ্গের লোকজনকে ওই গ্রামে যেতে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়। রাতে গ্রামবাসীর চলাচলের সুবিধার জন্য আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ৪টি সৌর বিদ্যুতের ব্যবস্থা করেছি। কাঠালিয়া গ্রামের মানুষ অনেক কষ্টে যাতায়াত করেন এবং দুর্ভোগ নিরসনের জন্য আমরা জোরালো চেষ্টা করছি।

  • বাংলাদেশ থেকে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট যাবে পাকিস্তানে

    বাংলাদেশ থেকে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট যাবে পাকিস্তানে

    ডেস্ক নিউজঃ

    বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানের করাচিতে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট পরিচালনার জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।গতকাল বুধবার পাকিস্তানের ফরেন সার্ভিসেস একাডেমিতে বক্তব্য দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। ইকবাল হোসেন খান বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট শুরু করছি। আমাদের জাতীয় বিমান সংস্থা করাচিতে তিনটি সাপ্তাহিক ফ্লাইট পরিচালনা করবে।’ফ্লাইটের রুট ভারতের আকাশসীমা ব্যবহার করবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ভারতীয় উড়োজাহাজ যেমন বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহার করতে পারে, তেমনি বিমানের ফ্লাইটও ভারতীয় আকাশসীমা ব্যবহার করে চলবে।’ভারতের আকাশসীমা ব্যবহারে পাকিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার কারণে পাকিস্তানি বিমান সংস্থাগুলোর ঢাকা রুটে শিগগির ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা কম।পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয়ে হাইকমিশনার বলেন, ‘পাকিস্তান ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ব্যাপকভাবে বাড়ানোর সুযোগ আছে। কিন্তু সরাসরি প্রবেশাধিকার না থাকায় বাণিজ্য সীমিত। অতীতে রেলপথে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বাণিজ্য হতো। কিন্তু বর্তমানে পাকিস্তানের খেজুর দুবাই হয়ে আঞ্চলিক বাজারে পৌঁছায়।

    এম কে

  • আজ থেকে সেন্টমার্টিনে রাতযাপনের অনুমতি পাচ্ছেন পর্যটকরা

    আজ থেকে সেন্টমার্টিনে রাতযাপনের অনুমতি পাচ্ছেন পর্যটকরা

    ডেস্ক নিউজঃ

    পর্যটন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞার ১০ মাস পর দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে অবশেষে রাতযাপনের সুযোগ পাচ্ছেন পর্যটকরা। আজ সোমবার চারটি জাহাজ কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে যাত্রার অনুমতি পেয়েছে। আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত এই অনুমতি বহাল থাকবে।

    সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জেলা প্রশাসনের অনুমোদনক্রমে প্রতিদিন সকাল ৭টায় উত্তর নুনিয়াছড়া জেটিঘাট থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে জাহাজগুলো ছেড়ে যাবে। তবে, পর্যটকদের রাতযাপনের অনুমতি থাকলেও পর্যটকবাহী জাহাজগুলো একই দিন বেলা ৩টায় সেন্টমার্টিন থেকে ফিরতি যাত্রা করবে। সেক্ষেত্রে পর্যটকরা পরেরদিন বেলা ৩টায় ফিরতে পারবেন।কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুই হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিনে ভ্রমণ ও রাতযাপন করতে পারবেন। তবে, দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পর্যটকদের সরকার প্রদত্ত বিধিনিষেধ ও নির্দেশনা কঠোরভাবে মানতে হবে।জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, প্রথম দিনের যাত্রার জন্য এরই মধ্যে দেড় হাজারের বেশি অগ্রিম টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে।এর আগে, দীর্ঘ ৯ মাসের নিষেধাজ্ঞার পর গত ১ নভেম্বর সীমিত পরিসরে সেন্টমার্টিন ভ্রমণের অনুমতি দেয় সরকার। কিন্তু, রাতযাপনের অনুমতি না থাকায় গত এক মাসে কোনো পর্যটকবাহী জাহাজ দ্বীপটিতে যাত্রা করেনি। এছাড়া কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন রুটের পাশাপাশি টেকনাফ-সেন্টমার্টিন সমুদ্রপথও বছর খানেক সময় ধরে বন্ধ ছিল।কক্সবাজার জেলা প্রশাসক আ. মান্নান বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপ আমাদের জাতীয় সম্পদ। এই সম্পদ রক্ষায় দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও টেকসই পর্যটনে সহায়তার জন্য পর্যটকদের সহযোগিতা করতে হবে।জেলা প্রশাসন কর্তৃপক্ষ জানায়, ভ্রমণকারীদের বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড অনুমোদিত পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে টিকিট কিনতে হবে। এছাড়া সেন্টমার্টিনে রাতযাপন করতে হলে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকার ঘোষিত ১২ দফা নির্দেশনা পর্যটকদের কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। দ্বীপের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করতে পর্যটকের সংখ্যা ও ভ্রমণ সময় নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে বলেও জানানো হয়।

    এম কে

  • জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশে বেকার থাকবেনা – এটিএম আজহার

    জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশে বেকার থাকবেনা – এটিএম আজহার

    চৌগাছা প্রতিনিধি
    জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, জামায়াত দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে তার সরকার সর্বপ্রথম দেশ থেকে দুর্নীতি মুক্ত করার চেষ্টা করবে। তিনি বলেন,  এ দেশটা গরীব দেশ না, সম্পদশালী দেশ। এ দেশে চরিত্রবান নেতাদের অভাব। সে কারনে দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে।
    রোববার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে যশোরের চৌগাছা উপজেলা জামায়াতের আয়োজনে বিশাল জনসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
    চৌগাছা সরকারি শাহাদৎ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় উপজেলা জামায়াতের আমীর মাও.গোলাম মোরশেদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি আরো বলেন,  আমি ফ্যাসিষ্ট সরকারের মিথ্যা মামালায় ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত ছিলাম। একটি না তিনটি মিথ্যা মামলায় আমাকে ফাঁসি রায় দেওয়া হয়। ২৪শের আন্দোলনে, অনেকে বলেন ২য় স্বাধীনতা। সেই আন্দোলনের পরে আমি মুক্ত হয়েছি। তিনি বলেন, অনেকেই বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে আপনারা দুর্নীতি করবে না তার প্রমাণ কি? আমাদের দুই মন্ত্রী তিনটি মন্ত্রণালয় চালিয়েছে সেখানে সবাই খুঁজে কোন দুর্নীতির প্রমাণ করতে পারে নাই। তিনি বলেন আমরা ক্ষমতায় গেলে ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে বেকারত্ব দূর করবো। দেশে বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকা যাকাত আদায় করা সম্ভব। যাকাত ভিত্তিক অর্থনীতির মাধ্যমে সেই টাকা দিয়ে দেশের উন্নয়ন করা হবে।
    তিনি বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়, আমরা অমুসলিমদের মুসলমান বানাবো। আপনারা দেখেছেন আওয়ামীলীগের আমলে মন্দিরে হামলা করে জামায়াত শিবিরকে দায়ী করা হয়েছে। অথচ গত দুই বছরে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা মন্দির পাহারা দিয়েছে। নিরাপদে সনাতনী ভাইয়েরা তাদের পূজা সম্পন্ন করেছেন।

    এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, অনেক নেতা বিদেশে আছেন। তারা দেশে আসার সাহস পাচ্ছেন না। কারন তারা ইংল্যান্ডের নাগরিকত্ব লাভ করেছেন। নাগরিকত্ব ছেড়ে দিয়ে দেশে আসতে হবে। ভয় পাচ্ছেন, নাগরিকত্ব ছেড়ে দিলাম। দেশে এসে নিরাপদ প্রধানমন্ত্রী হইতে না পারলাম। আমার একূল-ওকূল দুই কূলই গেলো। আসার সাহস পাচ্ছে না। কিন্তু আমাদের এই ভাই (যশোর-২ আসনের প্রার্থী মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ) অবিশ্বাস্য হলেও সত্য ত্রিশ বছর ধরে এত সুন্দর জীবন-যাপন করছিলেন। তার  আরও উপার্জন করার সুযোগ ছিলো। আন্ত র্জাতিকভাবে উঁচু যায়গায় যাওয়ার সুযোগ ছিলো। কিন্তু আমীরে জামায়াতের কথা শুনে আনুগত্য করে দুনিয়ার সমস্ত সুখ শান্তি ছেড়ে দিয়ে আপনাদের পাশে এসে দাড়িয়েছেন। আপনারা কি তার পাশে দাড়াতে পারেন না?

    তিনি বলেন, সারাদেশে দাড়িপাল্লার জোয়ার উঠেছে। এটা জোয়ারে ভীত হয়ে আমাদের উপর হামলা করার চেষ্টা করছে। আমরা পরিস্কার বলতে চাই আমরা কারও উপর হামলা করবো না। তবে কেউ হামলা করতে আসলে আমাদের কর্মীরাও তাদের ছেড়ে দেবেনা।
    জনসভায় যশোর-২, (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ঢাকা মেডিকেল কলেজ ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি শিশুহৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ প্রধান বক্তার বক্তৃতা করেন।
    উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সহকারী অধ্যাপক নূরজ্জামান আল মামুন, সহকারী সেক্রেটারী মাস্টার কামাল আহমেদ বিশ্বাস ও মাওলানা গিয়াস উদ্দীনের যৌথ সঞ্চালনায় জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক মোবারক হুসাইন। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
    বক্তৃতায় মোবারক হোসেন বলেন, ইসলামই পারে এদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে।
    ড. শফিুল ইসলাম মাসুদ বলেন, যে দলের কর্মীরা নামাজ চলমান অবস্থায় নিজ দলের কর্মীকে হত্যা করে। তাদের তো রাজনীতিই করার যোগ্যতা নেই। স্বাধীনতার পর ৫৪ বছর পার হয়েছে। ৫৪ বছরে দলের পর দল, প্রতীকের পর প্রতীক দেখতে দেখতে আমরা ক্লান্ত। এবার আওয়াজ তুলতে হবে জমিন যার, আইন তার। সব দল দেখা শেষ, ইসলামের বাংলাদেশ। সব দেখেছি বারবার, ইসলাম এইবার। ডা. মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারীদের ৫ঘন্টা কাজ করে ৮ঘন্টার বেতন দেবে। সরকার ভূর্তকী দেবে। তিনি বলেন আমরা চাঁদাবাজ মুক্ত দেশ গড়বো।

    জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যশোর আদ্ দ্বীন হাসপাতালের পরিচালক ডা. ইমদাদুল হক, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও যশের-কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক যশোর-১ (শার্শা) আসনের এমপি প্রার্থী মাওলানা আজিজুর রহমান, যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনের এমপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক, যশোর জেলা আমীর ও যশোর-৪ (অভয়নগর-বাঘারপাড়া) আসনের এমপি প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রসুল, জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, ডাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেন, যশোর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী অধ্যক্ষ আবু জাফর সিদ্দিকী, ঝিনাইদহ-৩ (মহেশপুর-কোটচাঁদপুর) আসনে জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী অধ্যাপক মতিয়ার রহমান, ঝিনাইদ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী মাওলানা আবু তালেব, শার্শা উপজেলা আমীর উপাধ্যক্ষ ফারুক হাসান, ঝিকরগাছা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুল আলীম, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিশে শূরা সদস্য মাওলানা হাফিজুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা নূরুল ইসলাম, চৌগাছা কামিল মাদরাসা মসজিদের খতিব মাওলানা আলী আকবার, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী মাস্টার রহিদুল ইসলাম খান, চৌগাছা পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুল খালেক, চৌগাছা আদর্শ সাথী শাখা ছাত্র শিবিরের সভাপতি মো. আবু সাঈদ প্রমুখ।