ক্যাটাগরি জাতীয় সংবাদ

  • রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ ও গ্রেপ্তার করতে হবে: নাহিদ

    রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ ও গ্রেপ্তার করতে হবে: নাহিদ

    ডেস্ক নিউজ :

    বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর অপসারণ এবং তাঁকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এই রাষ্ট্রপতির বঙ্গভবনে থাকার বা সংসদে বক্তব্য দেওয়ার কোনো নৈতিক অধিকার নেই।’

    বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় সংসদে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব‌্যারিস্টার কায়সার কামাল।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির বক্তব্য আমি শুনিও নাই, পড়িও নাই। সেই বক্তব্য এবং বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়াকে আমরা প্রত্যাখ্যান জানিয়েছিলাম। আমরা খুব স্পষ্টভাবে বলেছিলাম যে, এই রাষ্ট্রপতির অপসারণ প্রয়োজন। তাঁকে গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন। এই রাষ্ট্রপতির আর কোনো অধিকার নেই বঙ্গভবনে থাকার, এখানে এসে বক্তব্য দেওয়ার।’

    তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিন চুপ্পু, তাঁর কিছু কুকীর্তির কথা হাউজের সামনে তুলে ধরছি। তিনি দুদকের কমিশনার ছিলেন। তাকে দুদকের কমিশনার করা হয়েছিল তিনটি অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে। এক নম্বর হচ্ছে, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের শাস্তি নিশ্চিত করা। দুই নম্বর, পদ্মা সেতুর দুর্নীতির অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগকে ক্লিনচিট দেওয়া এবং তিন নম্বর ফখরুদ্দিন-মঈনউদ্দিন সরকারের সময় শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে হওয়া দুর্নীতির মামলাগুলোকে বাতিল করে দেওয়া। এমন একজন ব্যক্তিকে বিএনপি সরকার রাষ্ট্রপতি হিসেবে এখনও মেনে নিচ্ছে।’

    তিনি বলেন, ২০০৯ সালে শেখ হাসিনার ‘ক্যাঙ্গারু আদালতের’ নির্দেশে এই সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর নেতৃত্বে তিন সদস্যের জুডিশিয়াল ইনকোয়ারি কমিশন অন মাইনরিটি টর্চার ইন ২০০১ হয়েছিল। এই প্রতিবেদন অনুসারে, ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পর কয়েক হাজার হিন্দুকে হত্যার জন্য বিএনপির ২৬ হাজার নেতাকর্মীকে দায়ী করা হয়েছিল। আওয়ামী লীগ এই রিপোর্ট দেশে-বিদেশে ফেরি করে নিজেদের ক্ষমতায় থাকাকে পাকাপোক্ত করেছিল। এই রাষ্ট্রপতি ইসলামী ব্যাংকের দুই কোটি আমানতকারীকে পথে বসিয়েছেন। জুলাই গণহত্যার সময় তাঁর ভূমিকা, ফ্যাসিবাদের সাথে তাঁর সংশ্লিষ্টতা সবকিছু আমরা জানি। আমাদের দুর্ভাগ্য, এই দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ, মিথ্যুক, গণহত্যার দোসর এখনও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিন চুপ্পু দুদকের কমিশনার থাকাকালীন ফরমায়েশি রায় দিয়েছেন। তিনি ইসলামী ব্যাংক লুণ্ঠনের কারিগর এবং জুলাই গণহত্যার দোসর। এই রাষ্ট্রপতিকে আমরা প্রত্যাখ্যান করছি।

    তিনি বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ছাত্ররা রাষ্ট্রপতির অপসারণ চেয়েছিল। কিন্তু বিএনপি তখন সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার দোহাই দিয়ে তাঁর পক্ষে দাঁড়িয়েছিল। এখন তো নির্বাচিত সরকার, এখন কেন তাঁকে পরিবর্তন করা হচ্ছে না?

    বি /এ

     

  • কতটুকু সম্পদ থাকলে কোরবানি ওয়াজিব হবে

    কতটুকু সম্পদ থাকলে কোরবানি ওয়াজিব হবে

    ইসলামী ডেস্ক:

    ত্যাগ, আনুগত্য ও তাকওয়ার মহিমান্বিত উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদুল আজহার অন্যতম প্রধান ইবাদত কোরবানি। কোরবানি শুধু পশু জবাইয়ের নাম নয়; বরং কোরবানির সঙ্গে মিশে আছে আল্লাহর প্রতি নিঃশর্ত ভালোবাসা, আত্মত্যাগের চেতনা এবং হজরত ইব্রাহিম (আ.) ও তার পুত্র ইসমাইল (আ.)-এর অনুপম ত্যাগ ও আনুগত্যের স্মৃতি।

    পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ ঘোষণা করেন, অতএব তুমি তোমার রবের উদ্দেশ্যে নামাজ আদায় করো এবং কোরবানি করো। (সুরা কাওসার, আয়াত : ২)

    এ থেকে বোঝা যায়, কোরবানির মূল উদ্দেশ্য হলো ইখলাস ও আল্লাহভীতি অর্জন।

    হাদিস শরীফেও কোরবানির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। সাহাবি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও সে কোরবানি করে না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের কাছেও না আসে। (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২১২৩)

    অন্য হাদিসে এসেছে , আদম সন্তানের জন্য কোরবানির দিনের আমলসমূহের মধ্যে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় হলো কোরবানি করা। (তিরমিজি)

    ইসলামের দৃষ্টিতে কোরবানি একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ইবাদত, যা নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে সামর্থ্যবান মুসলিম নর-নারীর ওপর ওয়াজিব। এখানে সামর্থ্যবান বলতে সেই ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে, যার কাছে নিসাব পরিমাণ সম্পদ রয়েছে।

    কোরবানির জন্য নিসাব পরিমাণ সম্পদ কতটুকু

    ১০ জিলহজ সুবহে সাদিক থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত যেই প্রাপ্তবয়ষ্ক, সুস্থ মস্তিষ্ক মুকিম মুসলিম নারী ও পুরুষের কাছে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকবে তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব হবে।
    নেসাব হল,  স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি। রুপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি। অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপার সমমূল্যের সম্পদ।

    স্বর্ণ বা রুপার কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না হয় তবে স্বর্ণ-রুপা উভয়টি মিলে কিংবা এর সাথে প্রয়োজন-অতিরিক্ত অন্য বস্তুর মূল্য মিলে সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপার সমমূল্যের হয়ে যায়, তাহলে কোরবানী ওয়াজিব হবে।

    স্বর্ণ-রুপার অলঙ্কার, নগদ অর্থ, বাৎসরিক খোরাকীর জন্য প্রয়োজন হয় না এমন জমি এবং প্রয়োজন অতিরিক্ত আসবাবপত্র—সবই কোবানির নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য। ফিকহের নির্ভরযোগ্য কিতাব আল মুহিতুল বুরহানিতেও এই মাসআলা উল্লেখ রয়েছে।

    সহজভাবে বলা যায়, যার ওপর যাকাত ফরজ হয়, তার ওপর কোরবানিও ওয়াজিব। তবে যাকাতের মতো এখানে এক বছর অতিক্রান্ত হওয়া (হাওল) শর্ত নয়; বরং কোরবানির দিনগুলোতে নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হলেই কোরবানি ওয়াজিব হয়ে যায়।

    বি/ এ

  • গণভোট বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের নতুন কর্মসূচি

    গণভোট বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের নতুন কর্মসূচি

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    বৃহস্পতিবার রাজধানীর মগবাজারস্থ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হয়। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন এবং জনদুর্ভোগ নিরসন, শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস বন্ধ করে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা হয় বিভিন্ন দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় জোট।

    বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বেলা ১১টায় রাজধানীর মগবাজারস্থ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, সাবেক এমপি ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ।

    বৈঠক শেষে নেতৃবৃন্দ যৌথভাবে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

    ব্রিফিংয়ে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘নতুন কর্মসূচি অনুযায়ী সাতটি বিভাগীয় শহরে পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোকে নিয়ে বিভাগীয় পর্যায়ের সমাবেশ করবে ১১ দলীয় ঐক্য। আমাদের মূল দাবি গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন এবং জনদুর্ভোগ নিরসন, জ্বালানি সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ। এছাড়াও দাবির মধ্যে রয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, দখলদারিত্ব, স্বাস্থ্যখাতের সমস্যা সমাধান, স্বাস্থ্য-শিক্ষায় দুর্নীতি ও শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস বন্ধ করে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করে দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনা- যা গণতন্ত্রের বিকাশের জন্য অপরিহার্য।’

    তিনি বলেন, ‘সরকার দলীয়করণ এত বেশি করছে যে, নিয়োগবাণিজ্য, বদলি, পদোন্নতির ক্ষেত্রে একচেটিয়া নিজেদের দলের লোকদের নিয়োগ করছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন না দিয়ে দলীয় লোকদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এসব কিছুর বিরুদ্ধে আমরা জনমত গঠনের কর্মসূচি নিয়েছি এবং রাজপথে বিক্ষোভ, সমাবেশ ও মিছিল করবো।’

    হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘সরকার গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে শুরুতেই ন্যাক্কারজনক কাজ করেছে। ৭০ শতাংশ মানুষের প্রদত্ত রায়কে উপেক্ষা ও অবজ্ঞা করেছে। তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে ১৮০ দিনের মধ্যে সকল সংস্কার প্রস্তাব, বিশেষ করে সাংবিধানিক সংস্কারের বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করার কথা। সরকারি দল সেই প্রতিশ্রুতি দিলেও জনগণের মতকে উপেক্ষা করে তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেয়নি। এখন তারা সংসদে ছলচাতুরী করে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। আমরা এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং দেশবাসীকে সজাগ করছি। এটার বিরুদ্ধে আরো জনমত তৈরি করতে হবে। আন্দোলনকে আরো বেগবান ও শক্তিশালী করতে হবে। এজন্য জনগণের সমস্যাগুলো সমাধানে জনগণকে সম্পৃক্ত করে আমরা ১১ দল রাজপথে আন্দোলন আরো জোরদার করতে চাই। সে লক্ষ্যে সাতটি বিভাগে ভিন্ন ভিন্ন তারিখে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।

    পরে তিনি নতুন কর্মসূচিগুলো তুলে ধরেন। নতুন কর্মসূচিগুলো হলো :

    ১৬ মে রাজশাহীতে বিভাগীয় সমাবেশ

    ১৩ জুন চট্টগ্রামে বিভাগীয় সমাবেশ

    ২০ জুন খুলনায় বিভাগীয় সমাবেশ

    ২৭ জুন ময়মনসিংহে বিভাগীয় সমাবেশ

    ১১ জুলাই রংপুরে বিভাগীয় সমাবেশ

    ১৮ জুলাই বরিশালে বিভাগীয় সমাবেশ

    ২৫ জুলাই সিলেটে বিভাগীয় সমাবেশ

    সবশেষ অক্টোবরে মহাসমাবেশ করা হবে।

    নতুন কর্মসূচির বিষয়ে হামিদুর আযাদ বলেন, ‘আমাদের বিভিন্ন মহানগরীতে সেমিনার কর্মসূচি চলমান আছে যা পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য আমরা প্রতিমাসেই কর্মসূচি রেখেছি। ঈদের আগে একটি কর্মসূচি পালিত হবে। এসব সমাবেশে সিটি করপোরেশন ও আশপাশের জেলাগুলোকে সম্পৃক্ত করে ব্যাপক লোক সমাগম করা হবে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘আমরা আরো কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এর মধ্যে জেলা পর্যায়ে লিয়াজোঁ কমিটি গঠন করা হবে এবং বিভাগীয় পর্যায়ে শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও লিয়াজোঁ কমিটির সদস্যরা যাবেন। নির্বাচনী কার্যক্রমকে আরো কার্যকরী করার জন্য জেলাভিত্তিক একটি সফর কর্মসূচিও রাখা হয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ প্রত্যেকটি মহানগরী ও বিভিন্ন জেলায় পেশাজীবী, সিভিল সোসাইটির সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী ও নাগরিক প্রতিনিধির সাথে মতবিনিময় করা হবে। ঢাকায় বাজেট প্রতিক্রিয়ার কর্মসূচি পালন করা হবে। এছাড়া ঢাকায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় করবে ১১ দলীয় ঐক্য।’

    ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবারো দখলদারিত্ব ও নৈরাজ্য হচ্ছে, অশুভ পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ক্যাম্পাসগুলো থেকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে ছাত্ররা ৫ আগস্টে এসব মুক্ত করেছিল। এখন ছাত্রলীগের শূন্যতা পূরণ করতে ছাত্রদলকে প্রতিস্থাপিত করার জন্য সরকারি উপায়-উপকরণ, বিভিন্ন অ্যাজেন্সি ও পক্ষকে ব্যবহার করা হচ্ছে। অশুভ পাঁয়তারা রুখে দিতে হলে ছাত্রসমাজকে সজাগ থাকতে হবে- এজন্য ছাত্রদের সাথে একটি মতবিনিময় অনুষ্ঠান করা হবে। পাশাপাশি দলীয় ব্যানারে প্রত্যেক দল গোলটেবিল বৈঠক, সমাবেশ, বিক্ষোভ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।’

    এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালউদ্দিন, নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির আবদুল মাজেদ আতহারী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা: মোস্তাফিজার রহমান ইরান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির মুখপাত্র ও সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, এবি পার্টির যুগ্ম মহাসচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা, এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল মিয়াজী, খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব আব্দুল জলিল, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব মোবারক হোসাইন প্রমুখ।

    এ, আর

  • একসপ্তাহের মধ্যে সব শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    একসপ্তাহের মধ্যে সব শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

    আগামী এক সপ্তাহে দেশের শতভাগ শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর শ্যামলীতে টিবি হাসপাতালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই আশা প্রকাশ করেন।

    আমরা ইতোমধ্যে লক্ষ্যমাত্রার ৬১ শতাংশ কাভার করেছি উল্লেখ করে মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আগামী এক সপ্তাহে শতভাগ শিশু হামের টিকার আওতায় চলে আসবে। ইতোমধ্যে অনেক জায়গায় শতভাগ টিকাদানও শেষ হয়েছে।

    টিকা হাতে পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে দ্রুত কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী ৫ মে সারাদেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও আমরা তা ১৪ দিন এগিয়ে এনে ২০ এপ্রিল থেকেই শুরু করেছি।

    হাম প্রতিরোধে গত ছয়টা বছর শিশুদের কোনো টিকা দেওয়া হয়নি উল্লেখ করে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমরা জরুরি ভিত্তিতে হামের টিকাদান শুরু করেছি। ইউনিসেফ, গ্যাভি, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক এবং আমেরিকা যৌথভাবে যদি সাহায্য না করত, তাহলে দেশের এই চিত্র আজ ভিন্নরকম হতে পারত। হয়তো আরও অনেক বেশি ক্ষতি হতো।

    ওষুধ হস্তান্তরের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ৬ লাখ জিনএক্সপার্ট কার্টিজ ও ১১ হাজার শিশুর জন্য যক্ষ্মা প্রতিরোধী ওষুধ হস্তান্তর করা হয়েছে। যা যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখবে।

    এর আগে, এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির জন্য জিনএক্সপার্ট কার্টিজ ও শিশুদের যক্ষ্মা প্রতিরোধের ওষুধ হস্তান্তর করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে এ সময় সারাদেশে হামের টিকাদান কর্মসূচির অগ্রগতিও তুলে ধরেন তিনি।

    বি/ এ

  • সৌদিতে নিহতের ২০ দিন পর প্রবাসী যুবকের লাশ পেল পরিবার

    সৌদিতে নিহতের ২০ দিন পর প্রবাসী যুবকের লাশ পেল পরিবার

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    ‘দীর্ঘদিন ধরে মাদারীপুর শহরের হরিকুমারিয়া এলাকায় একটি বাসায় ভাড়া থেকে পাঁচ ছেলে-মেয়ে নিয়ে বসবাস করছি। ধারদেনা করে আমার স্বামী বিদেশে পাড়ি জমায়। কিন্তু এভাবে মৃত্যু হবে তা বুঝতে পারিনি। সরকার যদি সহযোগিতা না করে তাহলে পাঁচ ছেলে-মেয়ে নিয়ে বেঁচে থাকাটাই কঠিন হয়ে পড়বে।’সৌদি আরবে নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে পড়ে নিহত বাংলাদেশী যুবক সোবাহান খাঁর (২৯) লাশ ২০ দিন পর দেশে পৌঁছেছে।

    বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার পশ্চিম মাইজপাড়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন করা হয়। নিহত সোবাহান পশ্চিম মাইজপাড়া গ্রামের ইউসুফ খাঁর ছেলে।

    এর আগে, একইদিন ভোরে নিহতের লাশ রাজধানী ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ নেয়া হয় গ্রামের বাড়ি। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজন ও পাড়াপ্রতিবেশী।

    স্বজন ও এলাকাবাসী জানায়, ঋণ করে প্রায় ছয় লাখ টাকা খরচ করে ডাসার উপজেলার দালাল নান্নুর মাধ্যমে সৌদি আরব পাড়ি জমান সোবাহান। ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর তিনি সৌদি যান। এরপর গত ৭ এপ্রিল রাজধানী রিয়াদের একটি নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করছিলেন সোবাহান। কাজ চলাকালীন সময় অসাবধানবশত নির্মাণাধীন লিফটের মধ্যে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান তিনি।

    এ সময় অন্য শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে রিয়াদের নাছিম ব্র্যাঞ্চ আল-জাজিরা হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১ এপ্রিল বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টার দিকে তার মৃত্যু হয়। তবে, সোবাহানের পরিবার তার মৃত্যুর খবর পায় পরদিন ১২ এপ্রিল রাতে। তার মৃত্যুর খবর শোনার পর পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া।

    নিহতের স্ত্রী মরিয়ম বেগম বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে মাদারীপুর শহরের হরিকুমারিয়া এলাকায় একটি বাসায় ভাড়া থেকে পাঁচ ছেলে-মেয়ে নিয়ে বসবাস করছি। ধারদেনা করে আমার স্বামী বিদেশে পাড়ি জমায়। কিন্তু এভাবে মৃত্যু হবে তা বুঝতে পারিনি। সরকার যদি সহযোগিতা না করে তাহলে পাঁচ ছেলে-মেয়ে নিয়ে বেঁচে থাকাটাই কঠিন হয়ে পড়বে।’

    মাদারীপুরের ডাসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকিয়া সুলতানা বলেন, ‘সৌদি আরবে এভাবে শ্রমিকের মৃত্যুর বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। নিহতের পরিবারের পাশে থাকার চেষ্টা করবে উপজেলা প্রশাসন।’

    এ,আর

  • লেবাননে ইসরাইলি বিমান হামলায় নিহত ৯, আহত ১৩

    লেবাননে ইসরাইলি বিমান হামলায় নিহত ৯, আহত ১৩

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি বিমান হামলায় কমপক্ষে নয়জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরো ১৩ জন। যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দক্ষিণ লেবাননের বেশ কয়েকটি শহরে ইসরাইলি বিমান হামলায় কমপক্ষে নয়জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরো ১৩ জন। দেশটির গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ অ্যাজেন্সি জানিয়েছে, জিবচিত শহরে এক হামলায় তিনজন নিহত ও সাতজন আহত হয়েছেন এবং একটি আবাসিক ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে ।

    তুল শহরে চারজন নিহত ও ছয়জন আহত হয়েছেন এবং আরো একটি আবাসিক ভবন ধ্বংস হয়েছে।

    সংবাদ সংস্থাটি জানিয়েছে, হারুফ শহরে ইসরাইলি বিমান হামলায় একটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হলে আরো দু’জন নিহত হন।

    ইসরাইলি যুদ্ধবিমান সুলতানিয়েহ শহরেও হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে জাওতার আল-শারকিয়া ও মিফাদৌনের উপকণ্ঠে কামানের গোলাবর্ষণ করা হয়েছে।

    সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২ মার্চ থেকে ইসরাইল লেবাননের ওপর আক্রমণ চালিয়েছে, এতে কমপক্ষে দুই হাজার ৫৩৪ জন নিহত হয়েছেন এবং সাত হাজার ৮৬৩ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ১৬ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, যা দেশটির জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ।

    গত ১৭ এপ্রিল শুরু হওয়া ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ানো হলেও ইসরাইল প্রতিদিন তা লঙ্ঘন করছে।

    এ,আর

  • অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ১২ কর্মকর্তাকে বদলি

    অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ১২ কর্মকর্তাকে বদলি

    ডেস্ক নিউজ:

    বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি ও এসপি পদমর্যাদার ১২ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ বদলির আদেশ দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

    প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সাতক্ষীরার ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার) মকবুল হোসেনকে একই পদে কুষ্টিয়ায় বদলি করা হয়েছে। ঢাকা এপিবিএন-১২’র অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. ইকবালকে ঢাকা এপিবিএন-৫’র অধিনায়ক করা হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. এনামুল কবিরকে ঢাকা এপিবিএন-১২’র অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়া ঢাকা এপিবিএন-১৩’র অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ সিহাব কায়সার খানকে পিবিআইয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি পদে বদলি করা হয়েছে। র‌্যাবের পরিচালক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এবং মো. খালিদুল হক হাওলাদারকে ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ভূইয়াকে নৌ পুলিশের পুলিশ সুপার করা হয়েছে। এপিবিএন’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুপারনিউমারারি পুলিশ সুপার) নুসরাত জাহান মুক্তাকে এসবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে বদলি করা হয়েছে।

    আরেক প্রজ্ঞাপনে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানকে পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার করা হয়েছে। পুলিশ অধিদফতরের পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনকে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরীকে চট্টগ্রাম রেঞ্জে এবং ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদারকে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

    বি/ এ

  • চৌগাছায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

    চৌগাছায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

    চৌগাছা প্রতিনিধি
    যশোরের চৌগাছা উপজেলা পর্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক ও বালিকা) ২০২৬-এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার চৌগাছা সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এই খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
    উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের যৌথ উদ্যোগে এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। টুর্নামেন্টে উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (বালক-বালিকা) ফুটবল টিম অংশগ্রহণ করে। খেলা শেষে বিজয়ী ও রানারআপ দলের মাঝে ট্রফি ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
    টুর্নামেন্টে বালিকা দলে সলুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ১-০ গোলে হারিয়ে পুড়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়। বালক দলে পাতিবিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ১-০ গোলে হারিয়ে ইছাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়।
    বালিকা দলের মধ্যে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পেয়েছে পুড়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বালিকা ফুটবল টিমের লাইমা খাতুন। বালক দলের মধ্যে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পেয়েছে ইছাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বালক ফুটবল টিমের দলের রাফিন হাসান।
    পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্তে¡ প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম বলেন, প্রাথমিক পর্যায় থেকেই শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এতে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি নেতৃত্বগুণাবলী বৃদ্ধি পায়।
    অন্যান্যেদর মধ্যে বক্তৃতা করেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম, সহ-সভাপতি ও পাতিবিলা ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান লাল, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী অধ্যাপক নুরুজ্জামান, সহকারি সেক্রেটারী কামাল আহমেদ, পৌর বিএনপির সভাপতি সেলিম রেজা আওলিয়র, উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার আজাহারুল ইসলাম প্রমুখ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

    বি/ এ

  • ইসলামী ব্যাংক থেকে পাচারকৃত টাকা ফেরত আনার দাবিতে মানববন্ধন

    ইসলামী ব্যাংক থেকে পাচারকৃত টাকা ফেরত আনার দাবিতে মানববন্ধন

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    ইসলামী ব্যাংক সমূহ থেকে পাচারকৃত টাকা ফেরত আনার দাবিতে ভুক্তভোগী গ্রাহক সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে ব্যাংকের গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডাররা।ইসলামী ব্যাংক সমূহ থেকে পাচারকৃত টাকা ফেরত আনার দাবিতে ভুক্তভোগী গ্রাহক সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে ব্যাংকের গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডাররা।বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সহস্রাধিক শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহক অংশগ্রহণ করেন।

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী গ্রাহক যথাক্রমে অধ্যাপক নুর নবী মানিক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আব্দুর রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোতাছিম বিল্লাহ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আনিসুর রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবু ইউসুফ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান পলাশ প্রমুখ।

    বক্তরা বলেন, ব্যাংক লুটেরাদের পুনরায় ফিরে আসার সুযোগ দিতে যে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন ২০২৬’ করা হয়েছে, তা বাতিল করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই ব্যাংক লুটেরা এস আলমের হাতে ইসলামী তুলে দেয়া যাবে না। ব্যাংক লুটেরা এস আলম ও সকল শীর্ষ লুটেরাকে গ্রেফতার এবং দেশীয় সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে একই সাথে বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনতে বক্তরা সরকারের কাছে দাবি জানান।

    এ সময় উপস্থিত শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকেরা ‘ইসলামী ব্যাংক দখলের পায়তারা বন্ধ করো’, ‘ব্যাংক দখলের কালো আইন বাতিল করো’, ‘এস আলম নো মোর’ – সহ বিভিন্ন ব্যানার প্রদর্শন করেন।

    মানববন্ধন শেষে, ভুক্তভোগী শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকদের পক্ষে এক প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর এবং ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের চেয়ারম্যানের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে।স্মারকলিপিতে ‘এস আলম ও তার সহযোগী অপরাধী গোষ্ঠীর পুনঃপ্রবেশ প্রতিরোধ’, ‘পাচারকৃত ও আত্মসাৎকৃত অর্থ পুনরুদ্ধার’, ‘ব্যাংক লুটেরাদের দৃষ্টাস্তমূলক ও দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণ’, ‘ন্যায্য ও বৈধ মালিকানা পুনঃপ্রতিষ্ঠা’, এবং বিতর্কিত আইনগত সুবিধা বাতিল’- করার ৫ দফা দাবি জানানো হয়।

    এ,আর

  • আজ ভয়াল ২৯ এপ্রিল ভয়াবহ সেই জলোচ্ছ্বাসে উপকূলবাসীর স্বজন হারানোর স্মৃতি এখনো মুছে যায়নি

    আজ ভয়াল ২৯ এপ্রিল ভয়াবহ সেই জলোচ্ছ্বাসে উপকূলবাসীর স্বজন হারানোর স্মৃতি এখনো মুছে যায়নি

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    আজ থেকে ৩৫ বছর পূর্বে ‘৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ইতিহাসের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের তাণ্ডবে কক্সবাজার জেলা সহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের উপকূলীয় এলাকা লাণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।আজ থেকে ৩৫ বছর পূর্বে ‘৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ইতিহাসের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের তাণ্ডবে কক্সবাজার জেলা সহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের উপকূলীয় এলাকা লাণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। সে সময় হাজার হাজার ঘরবাড়ি, গবাদি পশু সহ কয়েক লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। আজও সে দুঃসহ স্মৃতি ও স্বজন হারানোর বেদনা এখনো উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের মন থেকে মুছে যায়নি।বুধবার (২৯ এপ্রিল) কক্সবাজারসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের উপকূলবাসী তাদের স্মরণে মসজিদে দোয়া মাহফিল, খতমে কোরআন সহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে তাদের স্মরণ করছে স্বজনেরা।

    ইতিহাসের এ ভয়াবহ প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছিল কক্সবাজার জেলা সহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের উপকূলীয় অঞ্চল। সে সময়ে নর-নারী, শিশুসহ অসংখ্য গবাদী পশু এ দুর্যোগে প্রাণ হারান। মানুষের লাশের সাথে পশুর মৃতদেহ একাকার হয়ে সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাসে ভেসে যায়। এ সময় উপকূলীয় বেড়ীবাঁধ, চিংড়ীঘের সহ বসতবাড়ি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছিল।

    ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল প্রয়লঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস মধ্যে রাতে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে আঘাত আনে। সে সময়ে সর্বোচ্চ বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৫০ কিলোমিটারেরও উপরে এবং ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে প্রায় ২০ ফুট উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাসের ঢেউ উঠেছিল।

    আজ তিন দশক পেরিয়ে গেলেও সেই বিভীষিকার স্মৃতি কক্সবাজার জেলা সহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের উপকূলীয় মানুষের মন থেকে মুছে যায়নি। সে দিনকে স্মরণ করে প্রতি বছর স্বজন হারানোর কান্নার আওয়াজে এখনো ভারী হয়ে উঠে চারদিকের পরিবেশ ।

    কক্সবাজার জেলার উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে চট্টগ্রামের বাঁশখালী, আনোয়ারা, পতেঙ্গা, সন্দ্বীপ, সীতাকুণ্ড, মিরসরাই, হাতিয়া ও কক্সবাজার জেলার সদর, চকরিয়া, মহেশখালী, পেকুয়া, কুতুবদিয়া, রামুসহ পুরো উপূলজুড়ে নির্মিত হয়নি টেকসই বেড়ীবাঁধ গুলো। এ সময় অধিকাংশ বেড়ীবাঁধ ভেঙে গিয়েছিল। এ উপকূলীয় এলাকা বেড়ীবাঁধগুলো স্থানীয়ভাবে নির্মাণ না করায় এখনো অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে। যার ফলে সমন্বয় ঘূর্ণিঝড় জলোচ্ছ্বাস হলে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    এ,আর