ক্যাটাগরি জাতীয় সংবাদ

  • হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ মৃত্যু

    হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ মৃত্যু

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

    কমছেই না হাম এবং হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যু। আজও ৮ শিশু মারা গেছেন। স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম রোগের লক্ষণ নিয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হামের লক্ষণে মারা গেছেন ২১৬ জন।

    রবিবার  (২৬ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘন্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৪১২, যা গতকাল ছিল ১ হাজার ৫৮ জন। একই সময়ে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২১৬, যা গতকাল ছিল ২২৯ জন।

    এদিকে এ পর্যন্ত হাসপাতালে সন্দেহজনক হামে ভর্তি হয়েছে ২১ হাজার ৪৩৪ জন, যা গতকাল ছিল ২০ হাজার ৩৭৫ জন। আর সব মিলিয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ১৭ হাজার ৯৫৫ জন, যা গতকাল ছিল ১৭ হাজার ৯১ জন।

    বি/ এ

  • রাত ৯টার মধ্যে ১৬ জেলায় কালবৈশাখীর আভাস

    রাত ৯টার মধ্যে ১৬ জেলায় কালবৈশাখীর আভাস

    আবহাওয়া ডেস্ক:

    দেশের ১৬ জেলায় রোববার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর থেকে রাত ৯টার মধ্যে কালবৈশাখী হতে পারে। একই সঙ্গে এসব এলাকায় বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়, রোববার রাত ৯টার মধ্যে মৌলভীবাজার, সিলেট, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, মাগুরা, ঝিনাইদহ, যশোর, নড়াইল, গোপালগঞ্জ, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, ফেনী, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার কিছু স্থানে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি/বৃষ্টি হতে পারে। এসময় ঘরের বাইরে না যেতে বলা হয়েছে।

    এর আগে এক বার্তায় জানানো হয়, এই মুহূর্তে দেশের কেন্দ্রীয় অঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বজ্রপাত সংঘটিত হচ্ছে। যা পরবর্তীতে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে।

    বি/ এ

  • সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকার ১৪ প্রকল্প অনুমোদন

    সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকার ১৪ প্রকল্প অনুমোদন

    ডেস্ক নিউজ:

    জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় মোট ১৩ হাজার ৪৪৫ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৪টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে নতুন ৫টি, সংশোধিত ৫টি এবং মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে ৪টি প্রকল্পের। তবে বড় অঙ্কের এই অনুমোদনের আড়ালে প্রকল্পে একাধিকবার মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। এ নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    রোববার (২৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে চলতি অর্থবছরের দশম এবং বিএনপি সরকারের দ্বিতীয় একনেক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান। ওই সভায় প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। একনেক সভা শেষে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। একনেক সূত্রে জানা গেছে, অনুমোদনের জন্য তালিকায় ছিল মোট ১৭টি প্রকল্প। কিন্তু সভায় ১৪টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট খরচ ধরা হয়েছে ১৩ হাজার ৪৪৫ কোটি ৪১ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৮ হাজার ৮৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, বৈদেশিক ঋণ ৫ হাজার ৩৪০ কোটি ২৬ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।

    এছাড়া, একনেক সভায় বিভিন্ন খাতের প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হলেও প্রশ্ন উঠছে ব্যয় ও বাস্তবায়ন দক্ষতা নিয়ে। বিশেষ করে সড়ক খাতের কয়েকটি প্রকল্পে একাধিকবার সময় বাড়ানো হলেও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি। বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলের সড়ক উন্নয়ন এবং সেতু নির্মাণসংক্রান্ত তিনটি প্রকল্পে পাঁচবার পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। কেন এই দীর্ঘসূত্রতা— তা খতিয়ে দেখতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আহ্বায়ক করে তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের, ‘নগর জনগোষ্ঠীর জন্য সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণ’ প্রকল্প। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ‘কাস্টমস আধুনিকায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধন)’ প্রকল্প। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে ‘পিপিআর রোগ নির্মূল এবং ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণ (৩য় সংশোধন)’ প্রকল্প। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ০৪টি প্রকল্প, (১) ‘অভিযোজন ও ঝুঁকি হ্রাসে সহনশীল অবকাঠামো (রিভার) প্রকল্প (১ম সংশোধন)’, ‘চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের আওতাধীন পরিচ্ছন্ন কর্মীদের আবাসন নির্মাণ (১ম সংশোধন)’ , ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন (২য় সংশোধন)’ ‘ঢাকা শহরে জরুরি পানি সরবরাহ’ প্রকল্প।

    সড়ক (রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা) নির্মাণ প্রকল্প (২য় পর্যায়)’, ‘বৈরাগীরপুল (বরিশাল)-টুংচর-বাউফল (পটুয়াখালী) জেলা মহাসড়ক (জেড-৮৯১০) যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ (১ম সংশোধন)’, ‘বরিশাল-ভোলা-লক্ষ্মীপুর জাতীয় মহাসড়ক (এন-৮০৯) বরিশাল (চর কাউয়া) হতে ভোলা (ইলিশা ফেরিঘাট) হয়ে লক্ষ্মীপুর পর্যন্ত যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ (১ম সংশোধন)’, এবং ‘বরিশাল (দিনারেরপুল)-লক্ষীপাশা-দুমকি জেলা মহাসড়কের ১৪তম কিলোমিটারে রাঙামাটি নদীর উপর গোমা সেতু নির্মাণ (১ম সংশোধন)’ প্রকল্প। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ‘বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের রেলপথ রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন (১ম পর্যায়)’ এবং ‘মধুখালী হতে কামারখালী হয়ে মাগুরা শহর পর্যন্ত ব্রডগেজ রেলপথ নির্মাণ (১ম সংশোধন)’ প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।

  • খেলাধুলাকে সম্মানজনক পেশায় প্রতিষ্ঠিত করা হবে: ত্রাণমন্ত্রী

    খেলাধুলাকে সম্মানজনক পেশায় প্রতিষ্ঠিত করা হবে: ত্রাণমন্ত্রী

    ডেস্ক নিউজঃ

    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, অন্যান্য পেশার মতো খেলাধুলা ও সংস্কৃতিকেও একটি সম্মানজনক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সে লক্ষ্যেয় সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

    শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে লালমনিরহাট জেলার সদর উপজেলার বড়বাড়ীতে শহীদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত বৈশাখী মেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    ত্রাণমন্ত্রী বলেন, নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড় তৈরিতে সরকার ‘নতুন কুঁড়ি’ খেলোয়াড় সংগ্রহের একটি কর্মসূচি সারাদেশে চালু করেছে। এর মাধ্যমে প্রতিভাবান তরুণদের খুঁজে বের করে তাদের প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নের সুযোগ দেওয়া হবে।

    তিনি বলেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে তরুণরা খেলাকেই জীবিকার মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করতে পারে।

    আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, বিদেশি আগ্রাসনে সংস্কৃতির মতো গ্রামীণ খেলাধুলাও হারিয়ে যেতে বসেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলাকে মাঠে ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। সে লক্ষে শুধু খেলাধুলা নয়, গ্রামবাংলার সংস্কৃতিও পুনরুজ্জীবিত করতে প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে সরকার।

    এদিন বড়বাড়ি শহিদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে দুই দিনব্যাপী বৈশাখী উৎসবের প্রথম দিনে বিলুপ্তির পথে হারাতে বসা বিভিন্ন ধরনে গ্রামীণ খেলাধুলার প্রতিযোগিতাসহ ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা ও সংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হকসহ আরও অনেকেই।

    এম কে

  • দেশের অন্যতম বৃহৎ তুলা খামারে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি

    দেশের অন্যতম বৃহৎ তুলা খামারে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি

    চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছা উপজেলার জগদীশপুরে অবস্থিত দেশের অন্যতম বৃহৎ তুলা গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও বীজ বর্ধন খামারটি একসময় ছিল সম্ভাবনার প্রতীক। তবে বর্তমানে জনবল সংকট, অব্যবস্থাপনা ও দীর্ঘদিনের অবহেলায় খামারটির কার্যক্রম অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে। বিশাল এই খামারের অব্যবহৃত জায়গা কাজে লাগিয়ে এখানে একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি উঠেছে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে।
    এ বিষয়ে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে দাবি তুলেছেন সংসদ সদস্য ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ। তিনি খামারটির বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে বলেন, এখানে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করলে অব্যবহৃত সম্পদ কাজে লাগানো সম্ভব হবে এবং দেশের কৃষি শিক্ষায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
    ১৯৮০ সালের ১৯ নভেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান র খামারটির উদ্বোধন করেন। বাংলাদেশ সরকার ও তৎকালীন ইউরোপীয় অর্থনৈতিক স¤প্রদায়ের (ইইসি) আর্থিক সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত এই খামারটির মোট আয়তন ৬৩ দশমিক ৭০ হেক্টর (প্রায় ১৫৭ একর)। এর মধ্যে গবেষণা, বীজ উৎপাদন, বিভিন্ন ফসল চাষ, বাগান, পুকুর, রাস্তা ও অবকাঠামোসহ নানা কাজে জমি ব্যবহার করা হলেও প্রায় ১৪ দশমিক ৭২ হেক্টর জমি বর্তমানে অব্যবহৃত পড়ে রয়েছে।
    খামারটিতে প্রজনন, কৃষিত্বত্ত¡, কীটতত্ব, মৃত্তিকা ও রোগতত্ব এই পাঁচটি ডিসিপ্লিনের আওতায় গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। পাশাপাশি রয়েছে আবাসিক সুবিধাসহ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যেখানে একসঙ্গে প্রায় ১২০ জনকে থাকা-খাওয়া ও প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করেই সহজেই একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা সম্ভব।
    খামারের পাশেই অবস্থিত চৌগাছার মর্জেদ বাওড়, যা মৎস্য গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এছাড়া খামারের পতিত জমিতে গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগি বিষয়ক গবেষণাও চালানো যেতে পারে বলে মত সংশ্লিষ্টদের।
    চৌগাছার সিনিয়র সাংবাদিক রহিদুল খান বলেন, যশোর একটি উন্মুক্ত কৃষি উৎপাদন এলাকা, যেখানে সারা বছর বিভিন্ন প্রজাতির ফসল উৎপাদন সম্ভব। প্রাকৃতিক দুর্যোগ তুলনামূলক কম হওয়ায় কৃষি গবেষণা ও শিক্ষার জন্য এটি একটি আদর্শ স্থান। তার মতে, জগদীশপুর তুলা খামারেই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন হলে সরকারের ব্যয় কম হবে এবং বিদ্যমান অবকাঠামো সর্বোত্তমভাবে ব্যবহার করা যাবে।
    খামারের ব্যবস্থাপক কর্টন এগ্রোনোমিস্ট যোবায়ের ইসলাম তালকদার বলেন, এখানে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ হবে।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোসাব্বিন হুসাইনও একই মত পোষণ করে জানান, যশোর অঞ্চলের মাটি সব ধরনের ফসল উৎপাদনের উপযোগী হওয়ায় এই এলাকায় কৃষি শিক্ষা ও গবেষণার বিস্তর সম্ভাবনা রয়েছে।

  • একদিনে ১৫ দপ্তরে নতুন চেয়ারম্যান-ডিজি নিয়োগ

    একদিনে ১৫ দপ্তরে নতুন চেয়ারম্যান-ডিজি নিয়োগ

    ডেস্ক নিউজ:

    প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে বড় ধরনের রদবদল এনেছে সরকার। একদিনেই ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও মহাপরিচালক (ডিজি) পদে নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    রোববার (২৭ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. নুর-এ আলম স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে এসব নিয়োগের তথ্য জানানো হয়।

    প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, যেসব প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্বে পরিবর্তন আনা হয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ, খাদ্য অধিদপ্তর, জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগ, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা), পরিবেশ অধিদপ্তর, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিট, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর, জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট, রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় (জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন), ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড এবং পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর।

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রাজা মো. আব্দুল হাইকে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার চাকরি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হয়েছেন অতিরিক্ত সচিব মো. শফিকুল ইসলাম। শফিকুল ইসলাম বর্তমানে গ্রামীণ রাস্তায় ১৫ মিটার দৈর্ঘ্য পর্যন্ত সেতু/কালভার্ট নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক। তার চাকরি খাদ্য মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ হাবীবুর রহমানকে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়ে তার চাকরি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মু. জসীম উদ্দিন খানকে খাদ্য অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাকে এই নিয়োগ দিয়ে তার চাকরি খাদ্য মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    পরিবেশ অধিদপ্তরে নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. লুৎফর রহমান। তার চাকরি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    কৃষি বিপণন অধিদপ্তরে মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এম এম আরিফ পাশা। তার চাকরি কৃষি মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব দিল আফরোজকে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক করা হয়েছে। তার চাকরি স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    পেটেন্ট, শিল্প নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হয়েছেন বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক এ এস এম মুস্তাফিজুর রহমান। তার চাকরি শিল্প মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটে নতুন মহাপরিচালক হয়েছেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের পরিচালক খোন্দকার আনোয়ার হোসেন। তার চাকরি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) মহাপরিচালক হয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুন। এজন্য তার চাকরি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক হিসেবে বদলি করা হয়েছে। তার চাকরি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক মো. আসাদুজ্জামানকে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক করে তার চাকরি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগের নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন পরিকল্পনা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবুল হাসনাত মুহম্মদ আনোয়ার পাশা।

    আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব দেলোয়ার হোসেনকে গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিটের (জিআইইউ) মহাপরিচালক নিয়োগ দিয়ে তার চাকরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    এছাড়া জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের রেজিস্ট্রার জেনারেল হয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাসান মাহমুদ। তার চাকরি স্থানীয় সরকার বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    এম কে

  • ভাইয়ের লাশ নিতে লন্ডন থেকে বাংলাদেশে মীর ওয়াসী

    ভাইয়ের লাশ নিতে লন্ডন থেকে বাংলাদেশে মীর ওয়াসী

     

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার পলিয়ানপুর সীমান্তের ইছামতি নদী থেকে উদ্ধার হওয়া লাশটি আফগানিন্তানের নাগরিক হাশমত মোহাম্মাদির। লাশের ছবি দেখে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার আমেরিকা প্রবাসী ভাই মোহাম্মাদ ইরি। এবং ভাইয়েল লাশ নিতে লন্ডন প্রবাসি আর এক ভাই মীর ওয়াসী বাংলাশে এসেছেন।
    সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাযায়, গত ১৩ এপ্রিল মহেশপুর উপজেলার পলিয়ানপুর সীমান্তের ইছামতি নদীতে একটি লাশ ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয়রা বিজিবি ক্যাম্প ও মহেশপুর থানায় খবর দেয়।
    পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। পুলিশ ও পিবিআই লাশের পরিচয় সনাক্তের জন্য আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র খোঁজার চেষ্টা করে কিন্তু কোথাও ম্যাচ না করায় শেষ পর্যন্ত লাশটি বেওয়ারিশ হয়ে যায়।
    বেওয়ারিশ লাশটি দাফনের জন্য ঝিনাইদহ আন্জুমানে মফিদুল ইসলামের নিকট হস্তান্তর করে। সংস্থাটি ১৪ এপ্রিল লাশটি দাফন করে ফেলে।
    এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাওয়া লাশের ছবি দেখে নিহত হাশমত মোহাম্মাদীর ভাই আমেরিকা প্রবাসি মোহাম্মাদ ইরা লাশটি তার ভাইয়ের বলে শনাক্ত করে। এসময় তিনি আমেরিকায় তার পরিচিত বাংলাদেশের বগুড়ার সন্তান আহসান এর সাথে যোগাযোগ করে। আহসান লাশটির অবস্থান সঠিকভাবে শনাক্ত না করতে পারলেও এটি যশোরের চৌগাছা সীমান্ত হতে পারে বলে অনুমান করেন। সেই হিসেবে তিনি ইন্টারনেট ব্যবহার করে চৌগাছা হাসপাতালের ডাক্তার সাইদুর রহমান ইমনের সাথে যোগাযোগ করেন। ডা. ইমন তাকে সাংবাদিক রহিদুল ইসলাম খানের মোবাইল নম্বর দিয়ে যোগাযোগ করতে বলেন। নিহতের ভাই জানান, তার ভাই হাশমত সর্বশেষ ইটালিতে বসবাস করতো। সে ইটালির পার্সপোর্ট নিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আংটির পাথরের ব্যবসা করতো।
    সর্বশেষ ১০ এপ্রিল (০১৭৯০৮৫১৭৮৫ / +৯১৯৩৩০০৮৫৮৫৩) মোবাইল নম্বরে তার ভাইয়ের সাথে কথা হয় বাংলাদেশের দালাল কথিত মাসুদ নামের একজনের মাধ্যমে। সে জানায় তার ভাই বাংলাদেশের ভারত সীমন্তে আছে। ১১ তারিখে হাসমত তার আমেরিকা প্রবাসি ভাইকে জানায় সে বাংলাদেশ সীমন্তে ইছামতির নদীর পাশে অবস্থান করছে।
    মোহাম্মদ ইরা আরো জানান এরপর থেকে তাদের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তারা এসময় মাসুদের ফোনও বন্ধ পায়। কয়েকদিন পর মাসুদের সাথে তার একবার কথা হয় মাসুদ তাকে জানায় আপনার ভাই মারা গেছে বাংলাদেশে পুলিশের সাথে যোগাযোগ করেন। এসময় মাসুদ তার মোবাইল ফোন থেকে মৃতদেহের দুটি ছবিও পাঠায়। এরপর থেকে তার সাথে আর যোগাযোগ করা যায়নি।
    পরবর্তীতে ২২ এপ্রিল আমেরিকা প্রবাশি বাংলাদেশী আহসানের মাধ্যমে হাশমত মোহাম্মাদির ভাইয়ের সাথে এব্যাপারে কথা হয়। আহাসন ইন্টারনেটের মাধ্যমে চৌগাছা সরকারি হাসপাতালে যোগাযোগ করেন। হাসপাতালের ডা. ইমন সাংবাদিক রহিদুল খানের মোবাইল নম্বর দিয়ে যোগাযোগ করতে বলেন। পরে নিহতের ভাই রহিদুল খানের সহযোগিতায় মহেশপুর থানার এসআই টিপু সুলতানের সাথে কথা বলে লাশটি তার ভাইয়ের বলে প্রাথমিক ভাবে নিশ্চিত করেন।
    এর পরে তিনি ২৪ এপ্রিল শুক্রবার লন্ডন থেকে ভাইয়ের লাশ নিতে বাংলাদেশে পৌছান লন্ডন প্রবাসি মির ওয়াসি। মির ওয়াসির সাথে তার স্ত্রী জহুরা হাসমিও বাংলাদেশে এসেছেন।
    এদিকে বৃহস্পতিবার উদ্ধার হওয়া লাশ নিয়ে পত্রিকায় নিউজ প্রকাশ হয়। নউজ প্রকাশ হওয়ার পরে প্রশাসনের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা গুরুত্বের সাথে তদন্ত শুরু করে।
    মীর ওয়াসী ঢাকা এসেই সাংবাদিক রহিদুল ইসলাম খান এর সাথে যোগাযোগ করে। রহিদুল খানের দেওয়া দিক নির্দেশনা অনুযায়ি তারা পরবর্তীতে মহেশপুর থানায় গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করেন।
    এসময় ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সায়েম ইউসুফসহ সাংবাদিক বাবুল আক্তার, আসুদুজ্জামান, আজিজুর রহমান, ডিজিএফআইরে সদস্য ও ডিএসবির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ সুপার সায়েম ইউসুফ তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন এবং তাদেরকে লাশ নেওয়ার প্রক্রিয়াগুলো বলেন।
    এবং তাদেরকে আফগান দূতাবাসের মাধ্যমে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিলে তারা শুক্রবার বিকেলে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন।

     

     

  • জাতীয় সংসদে নিজের নিরাপত্তা চাইলেন এমপি

    জাতীয় সংসদে নিজের নিরাপত্তা চাইলেন এমপি

    নিউজ ডেস্ক:

    জাতীয় সংসদে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তা চাইলেন নেত্রকোনা-৫ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাসুদ মোস্তফা। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে সংসদ অধিবেশন শুরু হলে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ নিরাপত্তা চান।

     মাসুদ মোস্তফা বলেন, ‘গত ২৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনের আতকাপাড়া পেট্রোল পাম্পের সামনে দীর্ঘ লাইন দেখে সেখানে খোঁজ-খবর নিতে গেলে বিএনপির নামধারী কিছু সন্ত্রাসী তার ওপর হামলা চালায় এবং গাড়ি ভাংচুর করে। এ সময় তারা পাশের মসজিদে গেলে সেখানেও ঘেরাও করে তিনি ও তার নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করা হয়। মসজিদের দরজা ভাঙ্গার চেষ্টা করা হয়। সেখানে পেশাদার সন্ত্রাসী নিয়ে আসা হয় এবং আমাদের হত্যার চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় মামলায় নয়জনকে আটক করলেও তাদের একজন মাত্র তালিকাভুক্ত আসামি। বাকিরা নিরীহ লোক।’

    মাসুদ মোস্তফা এ সময় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা, সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও তাদের উপযুক্ত বিচার দাবি করেন।

    এ সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংসদে দাঁড়িয়ে বলেন, ‘এ ঘটনায় আমরা সবাই দুঃখিত। এ ঘটনায় ইতোমধ্যেই নয়জন গ্রেফতার হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দাষীদের উপযুক্ত বিচারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।’ এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম বলেন, ‘একজন সংসদ সদস্যের ওপর হামলা অত্যন্ত দুঃখজনক। পুরো সংসদই এ ব্যাপারে একমত। আপনি ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করুন।’

  • কৃষি কার্ড বিতরণে কোনো দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি দেখা হবে না : প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ

    কৃষি কার্ড বিতরণে কোনো দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি দেখা হবে না : প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ

    ডেস্ক নিউজঃ

    পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, কৃষি কার্ড বিতরণে কোনো দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি দেখা হবে না, কোনো ধর্ম-বর্ণ দেখা হবে না। যারা পাওয়ার যোগ্য, তারাই এই কার্ড পাবেন। দেশের চার কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে।

    মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার পাঁচপীর ইউনিয়নের বৈরাতী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজ দেশের অন্যান্য এলাকার মতো পাইলট প্রকল্প হিসেবে পঞ্চগড়ের পাঁচপীর এলাকায় দুই হাজার কৃষককে কৃষি কার্ড প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। তবে আমি নিজেও জানি না, কারা এই কার্ড পেয়েছেন। আমাদের কৃষি মন্ত্রণালয় ও উপজেলা প্রশাসন তিন স্তরে যাচাই-বাছাই করে নির্ধারণ করেছেন কারা কোন ক্যাটাগরিতে এই কার্ড পাবেন।

    তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড ইতিপূর্বে উদ্বোধন হয়েছে। ইনশাল্লাহ সামনের দুই-তিন মাসের মধ্যে সারা বাংলাদেশে আরও ৫০ লাখ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করতে সক্ষম হব।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে রক্ষা করতে শুধু প্রশাসন নয়, দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল সচেতন মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সরকার ও প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে হবে। তাহলেই দেশ আরও এগিয়ে যাবে।

    তিনি আরও বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সাহায্য-সহায়তায় আমরা কোনো দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে কাউকে বিচার করব না। যারা প্রকৃতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং পাওয়ার যোগ্য, তাদেরকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভীন। পরে প্রতিমন্ত্রী ১৫ জন কৃষক-কৃষাণীর হাতে কৃষক কার্ড এবং দুইটি করে ফলজ গাছের চারা বিতরণ করেন।

    এম কে
  • বিএনপি প্রত্যেকটি বিষয়ে ফ্যাসিবাদী পথ অনুসরণ করছে : জামায়াত আমির

    বিএনপি প্রত্যেকটি বিষয়ে ফ্যাসিবাদী পথ অনুসরণ করছে : জামায়াত আমির

    বিডি ডেস্ক নিউজ

    বিএনপিকে তিনি সতর্ক করে বলেন, দেশে জুলাই না হলে এই রাজনীতি থাকতো না। আমাদের ভাই বোনদের স্বামী-সন্তানরা জীবন না দিলে ক্ষমতায় বসতে পারতেন না আপনারা। শহীদ পরিবাররা যখন কান্না করছিলেন, তখন শহীদ পরিবারের পাশে যাওয়ার সময় ছিল না বিএনপির। তখন তারা নির্বাচন চেয়েছিল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য। বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিএনপি প্রত্যেকটি বিষয়ে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী পথ অনুসরণ করে যাচ্ছে, যে আওয়ামী লীগ জাতি ও বিরোধীদলকে নিয়ে ব্যঙ্গ করত এবং লাঠিয়াল দিয়ে কর্তৃত্ববাদ কায়েম করেছিল। আর বর্তমানে আফসোসের ব্যাপার হলো রাষ্ট্রের যেখানে যেখানে সংস্কার দরকার তার প্রত্যেকটি বিষয়ে বিরোধিতা করছে বিএনপি। এটি জাতির সাথে সুস্পষ্ট প্রতারণা। তিনি শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধা জাতীয় সমাবেশে এসব কথা বলেন।

    বিএনপিকে তিনি সতর্ক করে বলেন, দেশে জুলাই না হলে এই রাজনীতি থাকতো না। আমাদের ভাই বোনদের স্বামী-সন্তানরা জীবন না দিলে ক্ষমতায় বসতে পারতেন না আপনারা। শহীদ পরিবাররা যখন কান্না করছিলেন, তখন শহীদ পরিবারের পাশে যাওয়ার সময় ছিল না বিএনপির। তখন তারা নির্বাচন চেয়েছিল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য।

    জামায়াত আমির বলেন, মহান জাতীয় সংসদে সরকারি দল মুখে ঠিকই জুলাইয়ের কথা বলেন, শহীদ হাদির কথাও বলে; কিন্তু কার্যত আমরা সরকারি দলের কাছ থেকে তার উল্টোটা দেখতে পাই। তারা দুটি ভোটের একটা ৫১% মানেন-যা তাদের নিজেদের স্বার্থের অনুকূলে, কিন্তু আরেকটি গণভোটের ৭০% মানেন না- যা শাসকগোষ্ঠীকে স্বৈরতন্ত্র হওয়া থেকে রক্ষা করবে, জাতিকে বৈষম্যমুক্ত করবে, সুশাসন কায়েম করবে এবং সত্যিকারের স্বাধীনতার স্বাদ জনগণকে দেওয়ার জন্য। তাদের এই দ্বিচারিতা জাতির জন্য লজ্জার, দুঃখের। তিনি বলেন, যেদিন ৭০ শতাংশ ভোটের রায় মানবে, সেদিন বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হবে।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সেদিন আপামর ছাত্রসমাজ রাস্তায় নেমে এসেছিল। সবাই মাস্টারমাইন্ড। প্রত্যেক ব্যক্তি ও পরিবারের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা আছে। আমরা কি পারছি আর পারিনি তার জবাবদিহিতিা আছে।

    তিনি আরোও বলেন, যে আইন বাস্তবায়ন হলে, অধ্যাদেশ পাস করলে রাষ্ট্র সংস্কার হবে- সেগুলো বিএনপি বাতিল করে দিচ্ছে। তারা গণভোটের রায় অস্বীকার করার মধ্যদিয়ে ফ্যাসিবাদের পথে যাত্রা শুরু করেছে।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এমপি মাসুম মোস্তফার উপর হামলা করা হয়েছে। শাহবাগ থানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর হামলা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসীদের ক্রিস প্রদর্শনী এমন বাংলাদেশ জুলাইযোদ্ধারা চায়নি। এমন বাংলাদেশ আমরা চাই না। আমরা পরিবর্তনের বাংলাদেশ চাই। মা বোনেরা নিরাপত্তার সাথে বের হবে এবং কাজ শেষে নিরাত্তার সাথে ফিরবে।

    বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, জুলাই আবার ফিরে আসবে। তখন চূড়ান্তভাবে ফ্যাসিবাদ বিদায় হবে। সেই লড়াইয়ে জনগণের বিজয় হবে। আমরা সামনের সারিতে থেকে যুদ্ধ চালিয়ে যাবো। জনতার বিজয় হবে। আমরা আশাবাদী এ বাংলাদেশ পাল্টাবে। আমাদের এই যুদ্ধ সংসদে ও রাজপথে চলমান থাকবে। আমরা দেশবাসীকে মাঠে চাই। ব্যক্তিগত কোনো দাবি দাওয়া আমাদের নেই। সব দাবি দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে।

    জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিল দেশবাসী। ফলে সংস্কার কমিশন গঠিত হয়। কিন্তু প্রতিটি পদক্ষেপে বাধা দিয়েছে বিএনপি। সবশেষে গণভোটে রাজি হলেও নির্বাচনের পর পরই গণভোটের রায়কে অস্বীকার করছে। প্রকৃতপক্ষে বিএনপি তার অস্তিত্বকে অস্বীকার করছে। মাত্র দুই মাস বয়সে আর কোনো সরকার এত অজনপ্রিয় হয়নি, যা হয়েছে বিএনপি সরকার। আমরা জুলাইযোদ্ধাদের সম্মান আদায়ে রাজপথ ও সংসদে আছি। আমরা জনতার দাবি আদায় করে ছাড়বো।

    এলডিপির চেয়াম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, জুলাই আন্দোলনের সময় দেশের প্রকৃত অবস্থা তারেক রহমান জানতেন না। তাকে যা বলা হচ্ছে, তাই শুনছেন। জনগণ কৃষক কার্ড চায় না, ফ্যামিলি কার্ড চায় না। তিনি বলেন, সামনে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা রয়েছে, অর্থনীতিকে সামাল দেয়া যাবে না। যার প্রভাব জনগণের ওপর পড়বে। চাঁদাবাজিতে লিপ্ত বিএনপির লোকেরা। তিনি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, আপনাকে ঘিরে রেখেছে, বেষ্টনী থেকে বের হন। বিরোধীদলীয় নেতার সাথে বসে জাতিকে মুক্তি দিতে সেই পলিসি নির্ধারণেরও পরামর্শ দেন তিনি।

    বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, জনগণের ৭০% গণভোটে ‘হ্যাঁ’ তে রায় দিয়েছে। কিন্তু তলে তলে বিএনপি না এর পক্ষে ক্যাম্পেইন করেছে। বিএনপি মোনাফিকি করে দ্বিচারিতা করে একবার পার পেয়েছে। ভবিষ্যতে জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে তাদের। সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশনের মাধ্যমে জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করতে হবে।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি বলেন, জুলাই আন্দোলন হয়েছিল নতুন বাংলাদেশ গড়তে, আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত করতে। আজ সেই আন্দোলনকে অস্বীকার করা হচ্ছে। আজকে দুমাসের মাথায় রাজপথে নামতে হচ্ছে। এটি কারো জন্য সুখকর হবে না। জুলাইয়ে দেশ আবার স্বাধীন হয়েছে। আজকে আবার এক ব্যক্তির শাসনের দিকে নিতে চায় বিএনপি, কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ তা মেনে নেবে না। সরকার যদি গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে, তাহলে ১১ দল আন্দোলনের ডাক দিলে প্রথম কাতারে থেকে প্রথম শহীদ হওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। আমরা গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য জনগণকে সাথে নিয়ে আবার দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবো। যেসব সাংবিধানিক কাঠামো ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠার জন্য দায়ী, তার প্রত্যেকটি সংস্কারের জন্য যে প্রস্তাবনা, তাতে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে বিএনপি।

    জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি বলেন, বর্তমান সরকার মানবাধিকার কমিশন, গুম সংক্রান্ত কমিশন, পুলিশ সংস্কার কমিশন, বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় অধ্যাদেশ ও গণভোট মানেন না। গায়ের জোরে তারা এসব বাতিল করে দিয়েছে। বাংলাদেশে কোনো ফ্যাসিবাদী সরকার টিকতে পারেনি। জুলাই শহীদ পরিবার, জুলাই আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারী ও জুলাইযোদ্ধারা আজ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে।

    জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, গণভোটের পর জুলাই সনদ বাস্তবায়ের দাবি নিয়ে আবার সমাবেশ করতে হবে, তা জুলাইযোদ্ধারা চিন্তা করেনি। সংসদের প্রথম অধিবেশনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করার কথা ছিল। জুলাই শহীদ পরিবার জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বক্তব্য শুনতে চায় না, বরং সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন কবে ডাকবেন- তা শুনতে চায়। আমরা ১১ দল ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন করে জুলাই সনদের বাস্তবায়নের দাবি আদায় করেই ছাড়বো।

    ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, যারা ফ্যাসিবাদকে পুনর্বাসন করছেন তাদের পরিণতি পলাতক আওয়ামী লীগের মতোই হবে। সরকার যে মসনদে বসে আছে- সেই মসনদ জুলাইযোদ্ধাদের রক্তের মসনদ। জুলাইযোদ্ধাদের সাথে গাদ্দারি করে তাদের পা ভাঙতে আসলে আপনাদের পা ভেঙে যাবে। জুলাইযোদ্ধারা আজ শাহবাগে একত্রিত হয়ে যে আওয়াজ তুলেছে, সেই আওয়াজকে বোঝার চেষ্টা করুন। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করুন।

    এছাড়াও বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, জাগপা সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান, বিডিপির চেয়ারম্যান অ্যা্ডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চান, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির মুখলেসুর রহমান কাসেমি, খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের আমির সেলিম উদ্দিন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়াম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বাংলাদেশ লইয়ার্স কাউন্সিলের সভাপতি অ্যাডভোকেট জসিম, জুলাইয়ের শিশু শহীদ জাবির ইবরাহিমের মা রোকেয়া বেগম, জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম ও জাকসুর জিএস মাজহরুল ইসলাম।

    সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, জামায়াতের নায়েবে আমিরবৃন্দ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলবৃন্দ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্যবৃন্দ, ঢাকা মহানগরী জামায়াতের নেতৃবৃন্দ, জামায়াতের মহিলা বিভাগের কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর দায়িত্বশীলবৃন্দ, জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলের মাননীয় এমপিবৃন্দ এবং ডাকসু, জাকসু, চাকসু, জকসু, রাকসু নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে সারা দেশ থেকে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যরা যোগ দেন। এছাড়াও জুলাই আন্দোলনে আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারী দুই সহস্রাধিক জুলাইযোদ্ধাসহ কয়েক হাজার জুলাইযোদ্ধা সমাবেশে যোগ দেন।

    সমাবেশের উদ্বোধনীতে বক্তব্য দেন জুলাইযোদ্ধা কামরুল হাসান। সমাবেশে জুলাই শহীদ পরিবার, আহত পঙ্গুত্ববরণকারী এবং জুলাইযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন, জুলাই শহীদ যুবায়ের খানের পিতা অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম খান, শহীদ আনাস ফারহান ফাইয়াজের বাবা শহিদুল ইসলাম খান, হাত হারানো জুলাইযোদ্ধা তৌহিদ ফারাজী, জুলাই শহীদের পিতা জাকির হোসেন, শহীদের পিতা শেখ জামাল হোসাইন, শহীদের পিতা গাজিউর রহমান ও হাত হারানো জুলাইযোদ্ধা আতিউর ইসলাম প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের ও নির্বাহী পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ইয়াছিন আরাফাত। সকাল ১০টায় ক্বারী এনায়েত উল্লাহ সাইফি পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সমাবেশ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। কোরআন তেলয়াওয়াতের অনুবাদ করেন শরীফ বায়জীদ মাহমুদ। ইসলামী সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী মশিউর রহমান।

    এ,আর