ক্যাটাগরি জাতীয় সংবাদ

  • ফ্যামিলি কার্ডের কারণে বাজেটের ওপর চাপ পড়ার আশঙ্কা নেই : প্রধানমন্ত্রী

    ফ্যামিলি কার্ডের কারণে বাজেটের ওপর চাপ পড়ার আশঙ্কা নেই : প্রধানমন্ত্রী

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    সরকার পর্যাক্রমিকভাবে চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেবে। পৃথিবীর কোনো সরকারের পক্ষেই একবারে এটি করা সম্ভব না। এর জন্য প্রত্যেকটা ফ্যামিলির ডাটা কালেক্ট করতে হবে। প্রথম স্টেজে প্রান্তিক পরিবারকে আমরা এই কার্ডগুলো দেবো। কাজেই আমরা বাজেটটি তৈরি করব এবং কার্ড দেয়ার সংখ্যাটা ধীরে ধীরে বাড়াব। সেজন্যই আমরা এ ব্যাপারে যেসব হিসাব নিকাশ করেছি, তাতে বাজেটের ওপর চাপ পড়ার কোনো কারণ নেই।

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ডের কারণে বাজেটের ওপর চাপ পড়ার কোনো আশঙ্কা নেই। অন্য সেবার সাথেও সাংঘর্ষিক হবে না।ফ্যামিলি কার্ডকে রাষ্ট্রের বিনিয়োগ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডে মূল্যস্ফীতি বাড়বে না। এতে বরং মূল্যস্ফীতি কমবে। স্থানীয় শিল্প গড়ে উঠবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

    সরকার পর্যাক্রমিকভাবে চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেবে। পৃথিবীর কোনো সরকারের পক্ষেই একবারে এটি করা সম্ভব না। এর জন্য প্রত্যেকটা ফ্যামিলির ডাটা কালেক্ট করতে হবে। প্রথম স্টেজে প্রান্তিক পরিবারকে আমরা এই কার্ডগুলো দেবো। কাজেই আমরা বাজেটটি তৈরি করব এবং কার্ড দেয়ার সংখ্যাটা ধীরে ধীরে বাড়াব। সেজন্যই আমরা এ ব্যাপারে যেসব হিসাব নিকাশ করেছি, তাতে বাজেটের ওপর চাপ পড়ার কোনো কারণ নেই।

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ডের কারণে বাজেটের ওপর চাপ পড়ার কোনো আশঙ্কা নেই। অন্য সেবার সাথেও সাংঘর্ষিক হবে না।

    ফ্যামিলি কার্ডকে রাষ্ট্রের বিনিয়োগ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডে মূল্যস্ফীতি বাড়বে না। এতে বরং মূল্যস্ফীতি কমবে। স্থানীয় শিল্প গড়ে উঠবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

    আজ বুধবার সকালে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    দেশের চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনতে এক লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। সবমিলিয়ে এক লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা বার্ষিক খরচ হবে। কৃষক কার্ডে সাত হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। এটা অর্থনীতিকে কতটা সমৃদ্ধ করবে আর মূল্যস্ফীতি ঘটার সম্ভাবনা আছে কি না হাসনাত আবদুল্লাহর এ প্রশ্নেরউত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রথমেই হাসনাতের উদ্দেশে হাসির ছলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনি নিজেও সাক্ষী। আপনার নির্বাচনী এলাকায় নারীরা ঘিরে ধরেছিল ফ্যামিলি কার্ড দেয়ার জন্য। আপনি উত্তরে বলেছেন, চেষ্টা করবেন তাদের ফ্যামিলি কার্ড দিতে।’

    প্রধানমন্ত্রীর এমন কথায় পরক্ষণেই হেসে ফেলেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

    পরে ফ্যামিলি কার্ডের কারণে বাজেটের ওপর চাপ পড়ার আশঙ্কা নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার পর্যাক্রমিকভাবে চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেবে। পৃথিবীর কোনো সরকারের পক্ষেই একবারে এটি করা সম্ভব না। এর জন্য প্রত্যেকটা ফ্যামিলির ডাটা কালেক্ট করতে হবে। প্রথম স্টেজে প্রান্তিক পরিবারকে আমরা এই কার্ডগুলো দেবো। কাজেই আমরা বাজেটটি তৈরি করব এবং কার্ড দেয়ার সংখ্যাটা ধীরে ধীরে বাড়াব। সেজন্যই আমরা এ ব্যাপারে যেসব হিসাব নিকাশ করেছি, তাতে বাজেটের ওপর চাপ পড়ার কোনো কারণ নেই।’

    তিনি বলেন, ‘বর্তমানে যতগুলো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালু আছে, তার মধ্যে অর্থের পরিমাণে ফ্যামিলি কার্ডে টাকার পরিমাণ বেশি। আমরা গবেষণা করে দেখেছি কয়েকটি সুবিধা একই ব্যক্তি পাচ্ছেন। সেগুলোকে আমরা কাটডাউন করব। সবগুলোকে কাটডাউন করব না। যেগুলোতে রিপিটেশন আছে সেটা কেবল কাটডাউন করব। এভাবে করে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাব।’ এসব সুবিধার কারণে দেশে মূল্যস্ফীতি হবে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা টাকা ছাপিয়ে দেবো না। বরং এতে মূল্যস্ফীতি কমে আসবে। ফ্যামিলি কার্ড পাওয়া ব্যক্তিদের কেউ বলছেন জামা-কাপড় কিনবে, কেউ বলছে বাচ্চাদের জন্য বই কিনবে। যে মানুষগুলো পাচ্ছে তারা ব্র্যান্ডের জিনিস ব্যবহার করে না। তারা প্রয়োজনীয় জিনিস ব্যবহার করে। তাদের ব্যবহার করা জিনিসপত্র দেশে উৎপাদিত হয়। ফলে ফ্যামিলি কার্ডের টাকাটা গ্রামীণ অর্থনীতিতে ব্যবহার হবে। স্থানীয় শিল্পায়নে যাবে।

    তারেক রহমান বলেন, ফ্যামিলি কার্ড রাষ্ট্রের একটা বিনিয়োগ। যার মাধ্যমে ধীরে ধীরে স্থানীয় শিল্প গড়ে উঠবে, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। তাই আমাদের হিসাব বলছে মূল্যস্ফীতি বাড়বে না, বরং কমবে। এর আগে বেলা ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিনআহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়।

    এ,আর

  • সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৩৭৭৯২ বাংলাদেশী হজযাত্রী

    সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৩৭৭৯২ বাংলাদেশী হজযাত্রী

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার পাঁচ শ’ জনকে হজ পালনের অনুমতি দেয়া হয়েছে। চলতি বছর পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশে আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত ৯৪টি ফ্লাইটে মোট ৩৭ হাজার ৭৯২ জন বাংলাদেশী হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন।বাংলাদেশ হজ অফিসের পরিচালক মো: লোকমান হোসেন জানান, আজ সকাল ১০টা পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে জেদ্দায় ৯৪টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে।

    তিনি বলেন, এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার পাঁচ শ’ জনকে হজ পালনের অনুমতি দেয়া হয়েছে। হজ কার্যক্রম ব্যবস্থাপনায় ৩০টি প্রধান অ্যাজেন্সি এবং ৬৩০টি সমন্বয়কারীসহ মোট ৬৬০টি অ্যাজেন্সি কাজ করছে।

    এয়ারলাইনভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৪১টি ফ্লাইটে ১৬ হাজার ৮৬৯ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ৩৫টি ফ্লাইটে ১৩ হাজার ৬৮১ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের ১৮টি ফ্লাইটে ৭ হাজার ১৪২ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন।

    বাংলাদেশী বাকি ৪০ হাজার ৫০৫ জন হজযাত্রী নির্ধারিত এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ধাপে ধাপে সৌদি আরবে পৌঁছাবেন বলে জানান পরিচালক।

    হজ অফিস জানায়, এ বছর দেশ থেকে চার হাজার ৫৬৫ জন হজযাত্রী সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করবেন।

    ঢাকায় সৌদি দূতাবাস গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ৭৮ হাজার ২৯৭ জনের ভিসা ইস্যু করেছে। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি ব্যবস্থাপনায় চার হাজার ৪১৯টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৮৭৮টি। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    এ, আর

  • বিরোধীদলীয় নেতার সাথে ইইউ ইলেকশন অবজারভেশন মিশন প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

    বিরোধীদলীয় নেতার সাথে ইইউ ইলেকশন অবজারভেশন মিশন প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

     

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমানের সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমানের সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে সংসদ ভবনে বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের প্রধান ইভারস আইজবস’র নেতৃত্বে এই প্রতিনিধি দলে তার সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি হেড অব ডেলিগেশন মিস বাইবা জারিনা, ডেপুটি চিফ অবজারভার মিস ইন্টা লেইস, লিগাল এনালিস্ট মিস ইরিনি মারিয়া গোওনারি ও রায়ান ইসলাম।

    বিরোধীদলীয় নেতার সাথে এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আহমদ বিন কাসেম আরমান ও বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা টিমের সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।

    বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিকতা ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের শুরুতেই ইভারস আইজবস বিরোধীদলীয় নেতাকে তার সার্বিক ইতিবাচক ভূমিকার জন্য ধন্যবাদ জানান।

    এ সময় বাংলাদেশের সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের একটি পর্যবেক্ষণ রিপোর্ট বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা: শফিকুর রহমানকে হস্তান্তর করা হয়।

    সফররত ইইউ মিশন জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কেও বিরোধীদলীয় নেতার কাছে সর্বশেষ তথ্য জানতে চান।

    বিরোধীদলীয় নেতা জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপট, গণভোটসহ বিভিন্ন ইস্যুতে তাদের অবস্থান তুলে ধরে জানান, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে বিএনপি বিভিন্ন সংস্কারের বিষয়ে একমত হলেও পরবর্তীতে এগুলোর বাস্তবায়ন নিয়ে টালবাহানা করছে। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে রাজনৈতিক নেতাদের ব্যাপারে জনগণ আস্থা হারিয়ে ফেলতে পারে।

    বিরোধীদলীয় নেতা তার আলোচনায় দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকার দলীয় নেতা-কর্মীদের সহিংসতা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নৈরাজ্য এবং একাধিক স্থানে জামায়াতের সংসদ সদস্য আক্রমণের শিকার হওয়ার ঘটনা তুলে ধরে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

    অন্যদিকে সফররত ইইউ ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের সদস্যরা বাংলাদেশের গণতন্ত্র শক্তিশালী করা, রাজনৈতিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একইসাথে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য বেশ কিছু সুপারিশমালা সম্পর্কেও বিরোধীদলীয় নেতাকে অবহিত করেন।

    এ,আর

  • সাংবাদিক ইমরানকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন জামায়াত নেতা

    সাংবাদিক ইমরানকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন জামায়াত নেতা

    নিউজ ডেস্ক: সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে বেশ কিছুদিন ধরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আমার দেশের রিপোর্টার ইমরান হোসেন।

    তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে সোমবার দুপুরে হাসপাতালটিতে যান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। এ সময় তিনি সাংবাদিক ইমরান হোসেনের চিকিৎসার সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া ও মোনাজাত করেন।

    আর আই খান

  • শাহজালাল বিমান বন্দরের নিরাপত্তা জোরদার

    শাহজালাল বিমান বন্দরের নিরাপত্তা জোরদার

    নিউজ ডেস্ক : দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সম্ভাব্য জঙ্গি হামলার গোয়েন্দা সতর্কতার পর রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে শাহজালাল বিমানবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সোমবার বিমানবন্দর-সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জারি করা সতর্কবার্তার পরিপ্রেক্ষিতে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি করে। এরই অংশ হিসেবে বিমানবন্দরে কর্মরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সব ইউনিটকে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে ও বাইরে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি। পোশাকধারী ও সাদাপোশাকের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। আগমন (অ্যারাইভাল) ও প্রস্থান (ডিপারচার) উভয় ক্ষেত্রেই যাত্রী ও মালামালের তল্লাশি বাড়ানো হয়েছে।

    বেবিচকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট নিরাপত্তা হুমকি শনাক্ত না হলেও আগাম সতর্কতা হিসেবে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিয়মিতভাবেই এমন ব্যবস্থা নিয়ে থাকি। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তা আরও জোরদার করা হয়েছে।’

    সংসদ ভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা, নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশসংসদ ভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা, নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

    কর্মকর্তা আরও জানান, যেসব বিমানবন্দরে রাতে ফ্লাইট পরিচালনা হয় না, সেসব স্থানেও রাতের নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দরের বিভিন্ন প্রবেশপথে তল্লাশি ব্যবস্থায় যেন কোনো ঘাটতি না থাকে, সে বিষয়েও কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    সরকারের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা: সিটিটিসি জানাল, ইন্টেলিজেন্স টিম কাজ করছেসরকারের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা: সিটিটিসি জানাল, ইন্টেলিজেন্স টিম কাজ করছে।

    প্রসঙ্গত, দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় সম্প্রতি গোয়েন্দা সতর্কতা জারি করে বাংলাদেশ পুলিশ। পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (কনফিডেনশিয়াল) স্বাক্ষরিত একটি দাপ্তরিক চিঠির মাধ্যমে গত ২৩ এপ্রিল এ সতর্কতা জারি করা হয়।

    আর আই খান

  • আপিলেও বাতিল মনিরা শারমিনের মনোনয়ন

    বিডি ডেস্ক নিউজ

    আইনগত কারণে আপিল আবেদনটি নামঞ্জুর করা হয়েছে এবং তার মনোনয়ন বাতিলের বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তই বহাল থাকছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র আপিলেও বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এ সময় সেখানে আরো চার নির্বাচন কমিশনার উপস্থিত ছিলেন।

    শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাসুদ বলেন, আইনগত কারণে আপিল আবেদনটি নামঞ্জুর করা হয়েছে এবং তার মনোনয়ন বাতিলের বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তই বহাল থাকছে।

    নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, মনিরা শারমিন ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন এবং ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে চাকরি ত্যাগ করেন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, সরকারি চাকরি ছাড়ার পর তিন বছর পূর্ণ না হলে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই।

    চাকরি ছাড়ার পর মাত্র সাড়ে চার মাস অতিবাহিত হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়ন বাতিল করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব মো: মঈন উদ্দীন খান।

    সোমবার ইসির আপিলেও সেই একই সিদ্ধান্ত বহাল থাকায় প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে রিট করবেন বলে সাংবাদিকদের জানান মনিরা শারমিন।

    এদিকে ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই বাতিলের ফলে আনুপাতিক হারে পাওয়া জামায়াত জোটের ১৩টি আসনের মধ্যে একটি আসন আপাতত শূন্য থাকছে এবং তাদের বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ১২টিতে দাঁড়িয়েছে। শূন্য হওয়া এ আসনটি উন্মুক্ত হিসেবে পরবর্তীতে নতুন তফসিলে ভোট হবে।

    উল্লেখ্য, সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি জোটের ৩৬ জন, জামায়াত জোটের ১২ জন এবং স্বতন্ত্র জোটের একজনসহ মোট ৪৯ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি।

    ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৯ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং ১২ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

    এ,আর

  • জুলাই সনদ ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

    জুলাই সনদ ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    দেশের অগ্রগতি যেন কেউ বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে জনগণকেই দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ ধাপে ধাপে এবং সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।তিনি বলেছেন, কিছু ব্যক্তি ও রাজনৈতিক দল এখন গণভোটকে ভিন্ন পথে পরিচালিত এবং দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

    আজ সোমবার দুপুরে যশোরের শার্শা উপজেলার ঐতিহাসিক উলসী খালের পাড়ে পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা গণভোটের রায়কে ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টা করছে এবং নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে জুলাই সনদকে ভুলভাবে উপস্থাপন করছে, তাদের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’

    তিনি বলেন, যারা নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়, যদি তারা এটা করতে না পারে, তবে জনগণের জন্য নেয়া সমস্ত কর্মসূচি যেমন- নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য বন্ধ মিল কারখানা চালুর যে কর্মসূচি, স্বাস্থ্য সেবা গ্রামে গ্রামে পৌঁছে দেয়ার কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণের যে কর্মসূচিগুলো রয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে তারা ব্যাঘাত সৃষ্টি করবে।

    তারেক রহমান বলেন, দেশের অগ্রগতি যেন কেউ বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে জনগণকেই দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

    প্রধানমন্ত্রী ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘জনগণ ইতোমধ্যেই প্রমাণ করেছে- তারা তাদের ইচ্ছাকে উপেক্ষা করার চেষ্টা মেনে নেয় না। যেভাবে জনগণ ৫ আগস্ট উপযুক্ত জবাব দিয়েছে, ভবিষ্যতেও কেউ তাদের ভাগ্য নিয়ে খেলতে চাইলে তারা একইভাবে জবাব দেবে।’

    সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এসব কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ আমাদেরকে শপথ নিতে হবে। ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত আজ বসে থাকলে চলবে না। ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে দেশ গঠনের কাজে লাগাতে হবে, ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত আজকে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের কাজে লাগাতে হবে, তাহলেই এই দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।’

    তিনি বলেন, ‘আমাদের চোখের সামনে দিয়ে গত ৫০ বছর পৃথিবীর অনেক দেশ তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন করেছে, পৃথিবীর অনেক দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে, যেই সিঙ্গাপুরকে নিয়ে আমরা মাঝে মাঝে গল্প করি, সেই সিঙ্গাপুরের অবস্থা ১৯৭১ সালে আমাদের চেয়েও খারাপ ছিল। আজ ৫০ বছরে তারা কোথায় চলে গিয়েছে! তারা যদি পারে আমরা কেন পারব না? ইনশা আল্লাহ আমরাও পারব। এই দেশের মানুষ পারবে।’

    বিএনপি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের রাজনীতি করে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেখেছি, বিগত স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময় তারা দেশে অশান্তির চেষ্টা করেছে, বিভ্রান্তির চেষ্টা করেছে, বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করেছে।’

    তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি আন্দোলনের নামে কিভাবে ১৭৩ দিন হরতাল করা হয়েছিল। মনে আছে আপনাদের ১৭৩ দিন কিভাবে দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। এখনো আবার সেই ভূত আরেকজনের কাঁধে গিয়ে আছর করেছে, আপনাদের এই ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যদি সতর্ক থাকি এবং আমাদের কর্মসূচি বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকি, তাহলে বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেলতে পারবে না।’

    তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে কেউ যদি ছিনিমিনি খেলতে চায়, ইনশা আল্লাহ চব্বিশের আগস্টের ৫ তারিখে যেভাবে বাংলাদেশের মানুষ জবাব দিয়েছে, ভবিষ্যতেও এ দেশের মানুষ সেভাবেই জবাব দেবে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘আমরা যারা শহীদ জিয়ার দল করি, আমরা যারা দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সৈনিক, আমরা বিশ্বাস করি, এই দেশই হচ্ছে আমাদের প্রথম, এই দেশই হচ্ছে আমাদের শেষ ঠিকানা। সেজন্যই আমরা বলি, প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ।’

    উলসী খাল দেখিয়ে দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘এই খালে পানি নাই। কারণ, এই খালগুলো আজকে রুদ্ধ হয়ে গেছে, ভরাট হয়ে গেছে। বিভিন্ন জায়গায় খাল দখলও হয়ে গেছে। এই যে খাল ভরাট হয়ে গেছে, খাল বন্ধ হয়ে গেছে, খাল দখল হয়ে গেছে, তাতে কি সাধারণ মানুষ বা কৃষকদের কোনো উপকার হয়েছে? কোনো উপকার হয়নি।’

    তিনি বলেন, ‘এখন আজকে আমরা এসেছি এ খালটি আবার পুনঃখনন করতে। গত প্রায় ৫০ বছর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই খালটিকে খনন করেছিলেন। প্রায় চার কিলোমিটারের এই খাল আমরা যদি পুনঃখনন করতে পারি, তাহলে এই এলাকার মানুষ পানি পাবে। পানি পেলে কী হবে? আমরা দেখেছি প্রায় ২০ হাজারের মতো কৃষক সরাসরি উপকৃত হবে, প্রায় ১৪ শ’ টন বাড়তি খাদ্যশস্য উৎপাদন হবে। প্রায় ৭২ হাজার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে।’

    তিনি বলেন, ‘এই খালে পানি থাকলে উপকারটা কাদের হবে ভাই? এই এলাকার মানুষের হবে। শুধু তাই নয়, এই খাল পুনঃখনন যখন শেষ হয়ে যাবে আমরা এর দু’পাশ দিয়ে প্রায় তিন হাজার বৃক্ষরোপণ করব।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই এলাকার মা-বোনরা যারা ঘরে হাঁস পালতেন আগে, খালে পানি না থাকার কারণে অনেকের পক্ষে সেটা আর সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু খালে পানি এলে মা-বোনদের জন্য বাড়তি রোজগারের সুবিধা হবে, হাঁস পালনের মাধ্যমে। আমরা যদি সবাই মিলে পরিশ্রম করি তাহলে অবশ্যই ভাগ্যের পরিবর্তন করা সম্ভব। অবশ্যই দেশের অবস্থার পরিবর্তন করা সম্ভব। আর তাহলেই দেশের মানুষ ভালো থাকতে পারবে।

    তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রায় ২০ কোটি জনসংখ্যার অর্ধেক হচ্ছে নারী। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই নারীদের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থাকে ফ্রি করে দিয়েছেন ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত। প্রথমবার করেছেন স্কুল পর্যায় পর্যন্ত, দ্বিতীয়বার করেছেন ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত। খালেদা জিয়ার সেই কর্মসূচিকে আমরা আরো সামনে নিয়ে যেতে চাই।’

    তিনি আরো বলেন, ‘এজন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি- মেয়েদের পড়ালেখার ব্যবস্থা ডিগ্রী পর্যন্ত বিনামূল্যে করব। শুধু মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা আমরা ডিগ্রী পর্যন্ত ফ্রি করব না। একই সাথে আমাদের যে মেয়েরা ভালো রেজাল্ট করবে, তাদের জন্য আমরা উপবৃত্তিরও ব্যবস্থা করব।’

    প্রধানমন্ত্রী এর আগে বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে শার্শায় বাবার স্মৃতি বিজড়িত উলসী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মাটি কাটেন। পরে খালের পাড়ে বৃক্ষ রোপণও করেন।

    বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সভাপতিত্বে সমাবেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

    প্রধানমন্ত্রী এর আগে বেলা ১১ টা ৪২ মিনিটে খাল খনন স্থলে আসেন। এসেই খালের উপরের অংশে নির্মিত ফলক উন্মোচন করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী আল্লাহর দরবারে দোয়া ও মোনাজাত করেন।

    উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর যশোরের শার্শার উলসী থেকে যদুনাথপুর পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার দীর্ঘ খালটি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বেচ্ছাশ্রমে খনন করেছিলেন, যা ‘জিয়ার খাল’ নামে পরিচিত। খালটি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে পুনঃখনন করা হচ্ছে।

    এ,আর

  • সৈয়দপুরে বিহারি ক্যাম্পে ৬৬ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া

    সৈয়দপুরে বিহারি ক্যাম্পে ৬৬ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া

    ডেস্ক নিউজঃ

    নীলফামারীর সৈয়দপুরে বিহারি ক্যাম্পগুলোতে কয়েক বছর ধরে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করায় বকেয়া দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৬ কোটি টাকা। বকেয়া বিল তুলতে হিমশিম খাচ্ছে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো)। 

    মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে সৈয়দপুর নেসকোর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আলিমুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    নেসকো সূত্রে জানা যায়, সৈয়দপুরে বিভিন্ন ক্যাম্পে স্থাপিত ২৪টি বিদ্যুতের মিটার থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৫০ লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া হচ্ছে। তবে নিয়মিত বিল পরিশোধ না হওয়ায় চলতি বছরের এপ্রিল মাস পর্যন্ত বকেয়া বিল দাঁড়িয়েছি প্রায় ৬৬ কোটি টাকা ৷

    ২০০৮ সালে হাইকোর্টের রায়ের মাধ্যমে বিহারিরা বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার লাভ করেন। ২০১৬ সালের ২৮ মার্চ পর্যন্ত বিহারি ক্যাম্পগুলোর বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। পরে ক্যাম্পবাসী নিজ নিজ বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সিদ্ধান্তের পর থেকে কোনো বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেনি ক্যাম্পবাসী।

    আরও জানা যায়, নেসকো কর্তৃপক্ষের বিদ্যুৎ সংযোগ থাকলেও ক্যাম্পবাসী নিজস্বভাবে বিভিন্ন জায়গায় বৈদ্যুতিক তার ব্যবহার করে কয়েকশত সংযোগ দিয়ে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন। বিভিন্ন সময়ে বকেয়া বিল নিতে গিয়ে হামলা ও তোপের মুখে পড়ে ফিরে এসেছে নেসকো কর্তৃপক্ষ।

    বিহারি ক্যাম্পের বাসিন্দা মনোয়ার হোসেন বলেন, দীর্ঘদিনের কোটি টাকা বিদ্যুৎ বিল দেওয়া আমাদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব না। আমরা যারা এখানে বসবাস করছি তারা সবাই নিম্নআয়ের মানুষ। কীভাবে এত টাকা পরিশোধ করবো। আমাদের এত টাকা পরিশোধ করার উপায় নেই।

    আরেক বাসিন্দা রাজিব হাসান বলেন, আমরা ক্যাম্পে মানবেতর জীবনযাপন করি। আমাদের বিদ্যুৎ কেটে দিলে কীভাবে চলবো এজন্য আমরা সংযোগ বন্ধ করতে দেই না।

    উর্দুভাষী ক্যাম্প উন্নয়ন কমিটির সভাপতি মাজেদ ইকবাল বলেন, আমাদের বিভিন্ন ধরনের দাবি রয়েছে। আমরা হাইকোর্টে আপিল করেছিলাম। সে সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল আমাদের সকল বকেয়া বিল সরকার পরিশোধ করবে, কিন্তু করেনি। আমরা ক্যাম্পে খুবই মানবেতর জীবনযাপন করছি, এখানে আমাদের কষ্টের শেষ নাই। এখন যদি হঠাৎ করে বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয় আমাদের অনেকে অসুস্থ হয়ে গরমে মারা যাবে, ঠিকমতো পানি পাবে না। ক্যাম্পে অনেক গরিব মানুষ বসবাস করে, আমরা হুট করে এতগুলো টাকা কীভাবে পরিশোধ করব। আমি এ বিষয়ে সরকারকে অনুরোধ করছি আমাদের দিকে বিবেচনা করতে এবং আমাদের দাবি মেনে নিতে।

    এ বিষয়ে সৈয়দপুর নেসকোর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আলিমুল ইসলাম বলেন, বিহারি ক্যাম্পে দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ৬৬ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে। আমরা সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন কিংবা বিল চাইতে গেলে হামলা ও তোপের মুখে পড়ি। অনেক সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাহায্য নিয়ে ফিরে এসেছি। আমরা বিষয়টি সিনিয়র কর্মকর্তাকে জানিয়েছি, তারা আসবেন এসে যা ভালো হয় সে সিদ্ধান্ত নেবেন।

    এম কে

  • বুড়িমারী সীমান্তে পরিত্যক্ত মর্টার শেল উদ্ধার

    বুড়িমারী সীমান্তে পরিত্যক্ত মর্টার শেল উদ্ধার

    ডেস্ক নিউজঃ

    লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী সীমান্ত থেকে একটি পরিত্যক্ত মর্টার শেল উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার  বিকেলে বুড়িমারী ইউনিয়নের বামনদল এলাকার ৮৩৭/১ এস সীমান্ত পিলারের নিকটবর্তী একটি ফসলি জমি থেকে এটি উদ্ধার করা হয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বামনদল গ্রামের মৃত করিমের ছেলে সাজু বাড়ির পাশের ফসলি জমিতে কাজ করতে যান। এ সময় তিনি মাটির নিচে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি পুরাতন মর্টার শেল দেখতে পান। বিষয়টি জানাজানি হলে তিস্তা ব্যাটালিয়নের (৬১ বিজিবি)  বুড়িমারী বিওপির সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পাটগ্রাম থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পাটগ্রাম থানা পুলিশে মর্টার শেলটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

    পাটগ্রাম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মর্টার শেলটি উদ্ধার করা হয়েছে। এটি বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া অবলম্বন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় এটি ধ্বংস করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এম কে

  • ছাগলের সাথে শত্রুতা!

    ছাগলের সাথে শত্রুতা!

    চৌগাছা প্রতিনিধি

     

    যশোরের চৌগাছায় ঘাস খাওয়ায় অপরাধে একটি বকরীর চোখ তুলে নিয়েছে আরজ আলী মন্ডল নামে এক পাষন্ড।
    সে উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের চাঁদপাড়া গ্রামের উসমান মন্ডলের ছেলে। রবিবার বিকেলে এঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ছাগলের মালিক চৌগাছা থানায় একটি লিখিত আভিযোগ দায়ের করেছেন।

    অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, এদিন বিকেলে গ্রামের রিংকু খানের একটি ছাগল আরজ আলীর ড্রাগন ক্ষেতের ভিতরে ঢুকে ঘাস খায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আরজ আলী ছাগলটির ডান চোখ তুলে ফেলে। খবর পেয়ে ছাগলের মালিক স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় ছাগলটি উদ্ধার করে চৌগাছা পশু হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। চিকিৎসা শেষে চৌগাছা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তকারী এসআই গোলাম কিবরিয়া বলেন, অভিযোগ সত্য হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    চৌগাছা থানার ওসি মামুনুর রশিদ বলেন, বিষয়টি অমানবিক অপরাধী কোন ছাড় পাবেনা