ক্যাটাগরি ছবি

  • বাউফলে পুকুরে ডুবে খিচুনিতে আক্রান্ত গৃহবধুর মৃত্যু

    বাউফলে পুকুরে ডুবে খিচুনিতে আক্রান্ত গৃহবধুর মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজঃ

    পটুয়াখালীর বাউফলে পুকুরের পানিতে ডুবে মোসা. মরিয়ম বেগম (৩০) নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে তাকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
    নিহত মরিয়ম বেগম উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়নের বাসস্ট্যান্ড এলাকার বাসিন্দা সুজন শিকদারের স্ত্রী। পরিবার ও শাশুড়ির সূত্রে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে খিচুনি রোগে ভুগছিলেন।
    শনিবার বিকেল ৫টার দিকে খেলাধুলা শেষে দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে পুকুরঘাটে যান মরিয়ম। পরে সন্তানদের ঘরে পাঠিয়ে থালা-বাসন ধোয়ার সময় হঠাৎ খিচুনি উঠে তিনি পুকুরের পানিতে পড়ে যান বলে ধারণা করা হচ্ছে।
    দীর্ঘ সময় তাকে না দেখে সন্তানরা বিষয়টি শাশুড়িকে জানালে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পুকুরে নেমে ডুবন্ত অবস্থায় মরিয়মকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
    এ বিষয়ে বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান জানান, হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

    এম কে

  • বিষ প্রয়োগে ৬ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ

    বিষ প্রয়োগে ৬ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ

    পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মনোয়ারা বেগম (৫০) নামের এক নারী কৃষকের মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ৬ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি কলাপাড়া থানায় অজ্ঞাতনামা দুই থেকে তিনজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
    শনিবার  সকালে কলাপাড়া উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের কাংকুনি পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে ওই এলাকার ‘শিশু পল্লী একাডেমি’ নামের একটি বিদ্যালয় থেকে ঘের লিজ নিয়ে মাছ চাষ শুরু করেন মনোয়ারা বেগম। শুক্রবার রাত ১২টা থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত কোনো এক সময় পূর্বশত্রুতার জেরে দুর্বৃত্তরা তার মাছের ঘেরে অনধিকার প্রবেশ করে বিষ প্রয়োগ করে।
    ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, বিষ প্রয়োগের ফলে প্রায় ৪ লাখ টাকার রুই, কাতল, গ্রাসকার্প ও মৃগেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ তুলে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এছাড়া আরও প্রায় ২ লাখ টাকার মাছ ঘেরে মরে ভেসে ওঠে। এতে তিনি চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
    মনোয়ারা বেগম বলেন, “আমার স্বামী পাঁচ বছর আগে মারা গেছেন। স্বামীর রেখে যাওয়া কিছু জমি ও এই মাছের ঘের পরিচালনা করেই সংসার চালাতাম। দুর্বৃত্তরা এমন বড় ক্ষতি করবে কখনো ভাবিনি। এখন আমি প্রায় নিঃস্ব। দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।”
    কলাপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন বলেন, “মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে নিধনের অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

    এম কে

  • ঝালকাঠিতে শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বীর জামায়াতে যোগদান

    ঝালকাঠিতে শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বীর জামায়াতে যোগদান

    ডেস্ক নিউজঃ

    ঝালকাঠির কীর্ত্তিপাশা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে সুজিত ঘরামীর নেতৃত্বে শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।

    ঝালকাঠি জেলা বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এক ক্রিকেট টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদেরকে স্বাগত জানানো হয়।অনুষ্ঠানে নবাগত সদস্যদের ফুল ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন ঝালকাঠি জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি সদর-নলছিটি আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী শেখ নেয়ামুল করিমসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

    ঝালকাঠি জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের বিপুল সংখ্যক মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে যোগদান প্রমাণ করে জামায়াতে ইসলামী একটি গণমানুষের রাজনৈতিক সংগঠন। ন্যায়, সততা ও সুশাসনের রাজনীতির প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ছে। জামায়াতে যোগদানকারী কীর্ত্তিপাশা ইউনিয়নের বাসিন্দা সুজিত ঘরামী বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আদর্শ, শৃঙ্খলা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আমাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। দেশের কল্যাণ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে অবদান রাখতেই আমি জামায়াতে যোগ দিয়েছি।

    এম কে

  • সরকার আসে সরকার যায়, নদী ভাঙন রোধে নেওয়া হয়নি কোনো পদক্ষেপ’

    সরকার আসে সরকার যায়, নদী ভাঙন রোধে নেওয়া হয়নি কোনো পদক্ষেপ’

    সরকার আসে, সরকার যায় কিন্তু নদী ভাঙন রোধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমন অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দারা।

    শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কুলকাঠি ইউনিয়নে সরই সুগন্ধা নদী তীরে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন সরই ও বারইকরনের স্থানীয় বাসিন্দারা।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বছরের পর বছর ধরে নদী ভাঙনের কারণে শত শত পরিবার ঘরবাড়ি, জমিজমা ও জীবিকা হারাচ্ছে সাধারন মানুষ। অনেকেই একাধিকবার বসতভিটা হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অথচ এখন পর্যন্ত কোনো স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দ্রুত নদীভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।এসময় বক্তব্য রাখেন, বারইকরন ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য খোকন হাওলাদার, সরই এলাকার বাসিন্দা শাহিন তালুকদার, আব্দুল কুদ্দুস, শাহজাহান তালুকদার, সোহরাব হোসেন, আব্দুল রশিদ মোল্লা, জালাল উদ্দীন খান শাহিন প্রমুখ।

    এম কে

  • ঝালকাঠিতে পাঁচ ইটভাটাকে ১১ লাখ টাকা জরিমানা

    ঝালকাঠিতে পাঁচ ইটভাটাকে ১১ লাখ টাকা জরিমানা

    ডেস্ক নিউজঃ

    ঝালকাঠির নলছিটিতে পরিবেশ দূষণ ও অবৈধ কার্যক্রমের অভিযোগে দিনব্যাপী অভিযান চালিয়েছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    অভিযানে পাঁচটি ইটভাটাকে ১১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে পরিবেশবিধি লঙ্ঘন করে গড়ে তোলা দুটি ইটভাটার স-মিল ভেঙে দেওয়া হয় এবং বিপুল পরিমাণ কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়।বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলা এ অভিযানে ইটভাটাগুলোর চুল্লিতে জ্বালানো আগুন ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় পানি ঢেলে নিভিয়ে দেওয়া হয়।

    পরিবেশ অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাভলী ইয়াসমিনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় পরিচালক মুজাহিদুল ইসলাম এবং ঝালকাঠি জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আনজুমান নেছা।

    অভিযানকালে তিলক ব্রিকসকে এক লাখ, রিয়াজ-১ ব্রিকসকে পাঁচ লাখ, এমএমআর ব্রিকসকে তিন লাখ, এসআরবি ব্রিকসকে এক লাখ এবং রিয়াজ-২ ব্রিকসকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘পরিবেশ সুরক্ষা ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় অবৈধ ইটভাটা এবং দূষণ সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

    এম কে

  • ঝালকাঠি-১ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন লেবার পার্টির চেয়ারম্যান

    ঝালকাঠি-১ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন লেবার পার্টির চেয়ারম্যান

    ডেস্ক নিউজঃ

    ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান।

    বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানিতে তার প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    এর আগে গত ৩ জানুয়ারি মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর না থাকায় ঝালকাঠি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মমিন উদ্দিন মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। পরে ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন তার পক্ষে রায় দেয়।এদিকে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় ঝালকাঠি-১ আসনের নির্বাচনি প্রতিযোগিতা আরও জমে উঠেছে। এ আসনে বর্তমানে বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন- বিএনপির প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামাল, জামায়াতের ড. ফয়জুল হক, ইসলামী আন্দোলনের ইব্রাহীম আল হাদী, এনসিপির ডা. মাহামুদা মিতু, জাতীয় পার্টির এনামুল ইসলাম রুবেল ও মাহিবুল ইসলাম মাহিম।এছাড়া জেএসডির সোহরাব হোসেন, জনতা দলের জসিম উদ্দিন তালুকদার, বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম আজম সৈকত ও সাব্বির আহমেদ, গণঅধিকার পরিষদের শাহাদাত হোসেন এবং লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান।

    এম কে

  • ঝালকাঠিতে ওলামা লীগ-যুবলীগের সাবেক ২ নেতা আটক

    ঝালকাঠিতে ওলামা লীগ-যুবলীগের সাবেক ২ নেতা আটক

    ডেস্ক নিউজঃ

    ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ওলামা লীগ ও যুবলীগের সাবেক দুই নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার পৃথক দুটি স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইনচার্জ আবু নাছের মোহাম্মদ রায়হান।

    আটকৃতরা হলেন- কাঁঠালিয়া উপজেলা ওলামা লীগের সাবেক সভাপতি মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন (৫৬) এবং পাটিখালঘাটা ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মহারাজ মল্লিক (৪৪)।

    পুলিশ জানায়, উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে মাওলানা দেলোয়ার হোসাইনকে এবং ঝোড়খালী বাজার এলাকা থেকে মহারাজ মল্লিককে আটক করা হয়।মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন উপজেলার মশাবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি চিংড়াখালী সিনিয়র মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক হিসেবেও কর্মরত রয়েছেন। অপরদিকে মহারাজ মল্লিক পাটিখালঘাটা ইউনিয়নের বাসিন্দা।কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাছের মোহাম্মদ রায়হান জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

    এম কে

  • বরিশালে জামায়াতের গুরুত্বপূর্ণ আসন ছেড়ে দিতে হচ্ছে জোটকে

    বরিশালে জামায়াতের গুরুত্বপূর্ণ আসন ছেড়ে দিতে হচ্ছে জোটকে

    ডেস্ক নিউজঃ

    ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বরিশালে জামায়াতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলো ছেড়ে দিতে হচ্ছে জোটকে। এমনকি দলটির ঘাঁটি হিসেবে বিবেচিত বরিশাল-৫ (সদর) আসনটিও ছাড়তে হচ্ছে। বিজয়ের ক্ষেত্রে দলটির এ গ্রেডের তালিকায় ছিল আসনটি। পাশাপাশি বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনটিও জামায়াতের এ গ্রেডের তালিকায় ছিল। এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে আসনটি আগেই ছেড়ে দিয়েছিল দলটি, যে কারণে এ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী বরিশাল মহানগর দলের আমির জহির উদ্দীন বাবর প্রার্থী হিসেবে তার মনোনয়নপত্র জমা দেননি।

    এদিকে বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) এবং বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনটিও জামায়াতের এ গ্রেডের তালিকায় রয়েছে। এ দুটি আসনে কে প্রার্থী হচ্ছেন তা এখনো নিশ্চিত করে জানা যায়নি।এদিকে বরিশাল-৫ ও ৬ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তবে বরিশাল-৫ আসন নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে তার দেনদরবার চলছে। এ আসনে তার মনোনয়ন নিশ্চিত হলে জামায়াতকে ৬ আসনটি ছেড়ে দিতে পারেন বলে নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানিয়েছে।

    সূত্র জানায়, সদর আসনটিতে প্রার্থী হয়েছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুয়াযয্ম হোসাইন হেলাল। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এখানে নির্বাচনি প্রচার চালিয়ে আসছেন।

    জামায়াতে ইসলামীর একটি সূত্র জানায়, বরিশাল নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে পাড়ায়-মহল্লায় তাদের হাজার হাজার সক্রিয় কর্মী-সমর্থক রয়েছে। ইতোমধ্যেই দলের নির্বাচনি কেন্দ্র পাহারা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তবে জোটের কারণে এ আসনটি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে ছেড়ে দিতে হবে বলে শোনা যাচ্ছে।

    এদিকে সদর আসনটি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে গত রোববার সকাল থেকেই নগরীতে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সদর আসনটি নিয়ে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে সমঝোতার আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় আগামী ২০ জানুয়ারির আগেই জামায়াত তাদের প্রার্থী প্রত্যাহার করতে পারে এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

    জানা যায়, সমঝোতার অংশ হিসেবেই জামায়াত সম্প্রতি তাদের সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটি পুনর্গঠন করেছে। এতে সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুমকে আহ্বায়ক এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিমকে সদস্যসচিব করে কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যতম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে অ্যাডভোকেট মুয়াযয্ম হোসাইন হেলালকে।

     সদর আসনটিতে প্রার্থী হয়েছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুয়াযয্ম হোসাইন হেলাল। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এখানে নির্বাচনি প্রচার চালিয়ে আসছেন।

    জামায়াতে ইসলামীর একটি সূত্র জানায়, বরিশাল নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে পাড়ায়-মহল্লায় তাদের হাজার হাজার সক্রিয় কর্মী-সমর্থক রয়েছে। ইতোমধ্যেই দলের নির্বাচনি কেন্দ্র পাহারা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তবে জোটের কারণে এ আসনটি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে ছেড়ে দিতে হবে বলে শোনা যাচ্ছে।

    এদিকে সদর আসনটি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে গত রোববার সকাল থেকেই নগরীতে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সদর আসনটি নিয়ে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে সমঝোতার আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় আগামী ২০ জানুয়ারির আগেই জামায়াত তাদের প্রার্থী প্রত্যাহার করতে পারে এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

    জানা যায়, সমঝোতার অংশ হিসেবেই জামায়াত সম্প্রতি তাদের সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটি পুনর্গঠন করেছে। এতে সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুমকে আহ্বায়ক এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিমকে সদস্যসচিব করে কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যতম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে অ্যাডভোকেট মুয়াযয্ম হোসাইন হেলালকে।

    দলীয় সূত্র জানায়, সাধারণত সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যরা নির্বাচনে প্রার্থী থাকেন না। সে বিবেচনায় বরিশাল-৫ আসনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের পক্ষে জায়গা ছেড়ে দিয়ে জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রার্থী প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

    এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর জামায়াতের আমির জহির উদ্দীন মুহাম্মদ বাবর আমার দেশকে বলেন, জোটের স্বার্থে অনেক কিছুই ছাড় দিতে হয়। শুনেছি এ বিষয়ে দলীয় ঘোষণা আসতে পারে। তবে এখনও নিশ্চিত কিছু বলতে পারছি না।

    প্রসঙ্গত, গত ৮ জানুয়ারি গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটি পুনর্গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি হওয়ায় শিগগিরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে জানা গেছে।

    এম কে

     

  • জামায়াতের রূপকল্পে অগ্রাধিকার তরুণ ও নারীদের প্রত্যাশা

    জামায়াতের রূপকল্পে অগ্রাধিকার তরুণ ও নারীদের প্রত্যাশা

    ডেস্ক নিউজঃ

    আসন্ন সংসদ নির্বাচনের জন্য দলীয় ইশতেহার প্রস্তুত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ‘জনতার ইশতেহার’ শিরোনামে এ ইশতেহারে থাকছে জনগুরুত্বপূর্ণ ২৫ বিষয়ে সুস্পষ্ট অঙ্গীকার। এতে শিক্ষার উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার ও দুর্নীতিবিরোধী পরিকল্পনার পাশাপাশি তরুণ ও নারীসমাজের আকাঙ্ক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। গতানুগতিকতার বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে প্রস্তুত করা ইশতেহারটি ম্যানুয়ালি এবং ডিজিটাল মাধ্যমে তুলে ধরা হবে। এটি ভোটারদের মাঝে চমকপ্রদভাবে উপস্থাপনের জন্য অত্যাধুনিক ডিজাইনের কাজ চলছে। নির্বাচন কমিশন নির্দেশিত সময়ে অথবা দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০ জানুয়ারির পর এটি প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।

    দলীয় সূত্রমতে, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের নির্দেশনা এবং সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের তত্ত্বাবধানে গঠিত দলীয় কমিটির মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী এরই মধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে নির্বাচনি ইশতেহার। একই সঙ্গে ‘জনতার ইশতেহার’ অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মতামত গ্রহণ করা হয়। এসব মাধ্যমে অডিও-ভিডিওসহ প্রায় সাড়ে চার হাজার মতামত আসে। এসব মতামতের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ইশতেহারে তুলে ধরা হচ্ছে। অন্যান্য মতামত সংশ্লিষ্ট আর্কাইভে সংরক্ষিত থাকবে। যে কেউ সেটা দেখতে পারবেন।

    নির্বাচনি ইশতেহার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, সর্বশেষ ২০০৮ সালের নির্বাচনে ইশতেহার ঘোষণা করেছিল জামায়াত। এরপর দীর্ঘ সময় পার হয়েছে। তাই এবারের ইশতেহার হবে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে। বিভিন্ন চমকে ভরা ইশতেহারে তরুণ ও নারীদের চাওয়া-পাওয়াকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে

    তিনি বলেন, তিনভাবে প্রস্তুত করা হচ্ছে ‘জনতার ইশতেহার’। জনসাধারণের সহজে বোঝার সুবিধার্থে প্রথম পর্যায়ে থাকবে বুলেট পয়েন্ট। দ্বিতীয় পর্যায়ে ৪০-৫০ পৃষ্ঠার বই থাকবে। বিস্তারিত তথ্য থাকবে ডিজিটাল আর্কাইভে। পরে যে কেউ সেসব তথ্য দেখতে পারবেন। ইশতেহারে উপস্থাপন করা অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়নের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট টাইমলাইন দেওয়া হবে। এতে প্রথম ১০০ দিনের কর্মসূচি, ছয় মাস, এক বছর—ইত্যাদি পর্যায় উল্লেখ করা হবে।

    এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আরো বলেন, আমরা ইশতেহারটি ঘোষণার প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি। সব দলের ইশতেহার একই দিনে ঘোষণার জন্য সরকারকে প্রস্তাব দেওয়া আছে। তাদের সিদ্ধান্ত পেলে সেভাবে ঘোষণা দেওয়া হবে। অন্যথায় নিজেদের মতো করে তা প্রকাশ করা হবে।

    সূত্রমতে, নির্বাচনি ইশতেহার তৈরি করতে দলীয় গণ্ডির বাইরে দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ইঞ্জিনিয়ার, সাংবাদিক, চিকিৎসক, অর্থনীতিবিদসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের কাজে লাগানো হয়েছে। তাদের দেওয়া মতামতের ভিত্তিতেই এটি প্রস্তুত করা হয়েছে। অতীতের যেকোনো ইশতেহারের চেয়ে এটি ভিন্ন প্যাটার্নের। সব মতের লোকদের নিয়ে বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় জানানো হবে ইশতেহারে।

    দলীয় সূত্র জানায়, কেন্দ্রীয়ভাবে নির্বাচনি ইশতেহার প্রকাশ করা হলেও এর সঙ্গে সব আসনের প্রার্থীর পক্ষ থেকে আলাদাভাবে আঞ্চলিক ও তৃণমূলের পরিকল্পনাও তুলে ধরা হবে। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের মতামতের ভিত্তিতে পরিকল্পনাগুলো চূড়ান্ত করেছেন প্রার্থীরা।

    এ বিষয়ে কুমিল্লা-১০ আসনের প্রার্থী ইয়াসিন আরাফাত বলেন, আমার নির্বাচনি এলাকার বিভিন্ন সমস্যার আলোকে উন্নয়নমূলক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। যেমন আমার এলাকায় ফায়ার সার্ভিস নেই। উপজেলা পর্যায়ে ১০টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা করা হবে। রাস্তাঘাটের উন্নয়নে যেসব বরাদ্দ হবে, তার সব হিসাবের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। এভাবে শিক্ষা-স্বাস্থ্যের উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলছি।

    তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় বিষয় হলো—এ এলাকা থেকে সবচেয়ে বেশি মানুষ কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে যান। তাই প্রবাসে কর্মসংস্থানে আগ্রহীদের যথাযথ প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া সামাজিক বিচারব্যবস্থা এবং মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করব।

    ইশতেহারের বিষয়বস্তু সম্পর্কে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, এতে মৌলিক কিছু বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এর মধ্যে শিক্ষার উন্নয়নের ক্ষেত্রে নৈতিক ও কর্মমুখী শিক্ষার কথা বলা হবে। সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিতের বিষয় তুলে ধরা হবে। নারীদের সম্মান ও মর্যাদার অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। জুলাই বিপ্লবের পরিপ্রেক্ষিতে তরুণদের আকাঙ্ক্ষাকে প্রাধান্য দেওয়া হবে ইশতেহারে। সর্বোপরি এতে বিভাজনের রাজনীতিমুক্ত হয়ে সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার অঙ্গীকার থাকবে।

    সুত্রঃ আমারদেশ

  • দখলদারদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়-মিয়া গোলাম পরওয়ার

    দখলদারদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়-মিয়া গোলাম পরওয়ার

    ডেস্ক নিউজঃ

    শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে খুলনা-৫ আসনের ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, জেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লা, ডুমুরিয়া উপজেলা আমীর মাওলানা মোক্তার হোসেন, উপজেলা নায়েবে আমীর গাজী সাইফুল্লাহ ও মাওলানা হাবিবুর রহমান, জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম আল ফয়সাল, সরদার আবদুল ওয়াদুদ, উপজেলা হিন্দু কমিটির সেক্রেটারি অধ্যক্ষ দেব প্রসাদ মণ্ডল, আটলিয়া ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা মতিয়ার রহমান, ইউনিয়ন সেক্রেটারি হাফেজ মঈন উদ্দিন, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী গবেষণা সম্পাদক ওবায়দুর রহমান, ডুমুরিয়া পশ্চিম ছাত্রশিবিরের সভাপতি হামিদুল হাসান লিমন, শোভনা ইউনিয়ন সভাপতি মোসলেম উদ্দিন, মাগুরখালী ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা আব্দুস সোবাহান, মাগুরখালী ইউনিয়ন সেক্রেটারি সোহরাব হোসেন, মাগুরখালী হিন্দু কমিটির সেক্রেটারি বিকানন্দ বৈরাগী, ইউনিয়ন আমীর শেখ আবুল হোসেন, ইউনিয়ন সেক্রেটারি মাওলানা মজিবুর রহমান, আটলিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আলাউদ্দিন আলা, মাওলানা বাহারুল ইসলাম, মাওলানা বেলাল হোসেন, হাফেজ বেলাল হোসেন প্রমুখ।

    তিনি বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটের কারণে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া খর্ণিয়া ইউনিয়নের আঙ্গারদহা গ্রামের কৃষ্ণ কুন্ডু, রাজু কুন্ডু ও গপি কুন্ডুর বসতবাড়িতে যান। এ সময় তিনি তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং সান্ত্বনা দেন।

    সেক্রেটারি জেনারেল আরও বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাস টেনে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, লাঙ্গল, নৌকা, ধানের শীষ—সব প্রতীকের দলই রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে, এমনকি সামরিক শাসনও এসেছে। কিন্তু কোনো দলের কোনো নেতা বা সরকার প্রধান বুক চিতিয়ে বলতে পারেননি যে, তারা দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও জুলুমমুক্ত শাসন দিয়েছেন। প্রত্যেক আমলেই এ দেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে—কঠোর মন্তব্য করেন তিনি।

    নিজের সংসদ সদস্য থাকার সময়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি এমপি নির্বাচিত হওয়ার সময় ডুমুরিয়াকে ভয়াবহ সন্ত্রাসকবলিত এলাকা হিসেবে পেয়েছিলাম। সন্ধ্যার আগে মানুষ ঘরে ঢুকে পড়ত। প্রতিদিন লাশ, গুম, হাত-পা কাটার আতঙ্কে মানুষ রাত কাটাত। আল-হামদুলিল্লাহ আমার ৫ বছরে সন্ত্রাসকবলিত সেই ডুমুরিয়াকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে পেরেছিলাম। নির্বাচনের আগে দেওয়া দুটি অঙ্গীকারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, একটি ছিল সন্ত্রাস দমন, অন্যটি ছিল শতভাগ স্বচ্ছ উন্নয়ন।

    তিনি দাবি করেন, এমপি থাকাকালে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করেছেন এবং কোনো কাজের বিনিময়ে কারও কাছ থেকে এক টাকাও নেননি। এক কাপ চাও নয়—এ দাবি করে তিনি বলেন, উন্নয়নকাজের পূর্ণ হিসাব ইউনিয়ন ও খাতভিত্তিকভাবে বই আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মন্দির, রাস্তা, বিদ্যুৎ, টিউবওয়েল, শ্মশান—সব কাজেই স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    বর্তমান নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে তিনি অভিযোগ করেন, আবারও দুর্নীতিবাজদের ক্ষমতায় ফেরানোর ষড়যন্ত্র চলছে। এমপি বানানো হবে একজনকে, কিন্তু তিনি থাকবেন ঢাকা বা লন্ডনে। আর এলাকায় তার সাগরেদরা চাঁদাবাজি, মাস্তানি ও ঘের দখল চালাবে—বলেন তিনি। এক প্রার্থীর বিরুদ্ধে হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ, আদালতে ১৩ বছরের সাজা এবং হাওয়া ভবনের সংশ্লিষ্টতার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

    সন্ত্রাস দমনে নিজের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, যৌথ বাহিনী গঠন করে বহু সন্ত্রাসীকে জেলে পাঠানো হয়েছে; কেউ পালিয়েছে, কেউ এলাকা ছেড়েছে। এ সময় কিছু নিরীহ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাদের রক্ষায় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করার কথাও তিনি জানান।

    তিনি বলেন, সাড়ে সাত বছর কারাবন্দি থাকার কারণে তিনি একাধিক নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি, এমনকি ভোট দেওয়ার সুযোগও পাননি। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে আসন্ন নির্বাচন নিরপেক্ষ হলে জনগণ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    শেষে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “বিবেক দিয়ে বিচার করুন—কে দুর্নীতিমুক্ত, কে মানুষের ক্ষতি করেনি, কে সন্ত্রাস দমন করেছে। চাঁদাবাজ ও দখলদারদের হাতে আর ক্ষমতা দেওয়া যাবে না। ভোটের আমানত সৎ মানুষের হাতেই তুলে দিন।