ক্যাটাগরি রাজশাহী বিভাগ

  • সোনাতলায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

    সোনাতলায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

    বিডিনিউজ ডেক্স : “শিক্ষা, চরিত্র ও দেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে আজকের তরুণ প্রজন্ম”এই মূল প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির উদ্যোগে সরকারি নাজির আকতার কলেজ শাখার বুধবার দুপুর ১২টায় কলেজ মিলনায়তনে এক বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠান।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও বগুড়া-১ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন। তিনি বলেন, “আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক। নৈতিক মূল্যবোধ, আদর্শিক চেতনা ও যোগ্যতার সমন্বয় ঘটাতে পারলেই তারা সমাজ ও দেশের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।”।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সোনাতলা উপজেলা শিবিরের সভাপতি লাবিবুল হাসান।
    প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক ডা. রেজওয়ানুল ইসলাম। তিনি বলেন, “সঠিক ক্যারিয়ার বেছে নিতে হলে নিজের আগ্রহ, দক্ষতা ও সামাজিক প্রয়োজনের সমন্বয় ঘটাতে হবে। প্রযুক্তি, চিকিৎসা, কৃষি, উদ্যোক্তা উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে তরুণদের ভূমিকা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করবে।”অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা বায়তুলমাল সম্পাদক হাফেজ মেহেদী হাসান।এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা পূর্ব শিবিরের সভাপতি জোবায়ের আহম্মেদ, শহীদ সৈকতের পিতা নজরুল ইসলাম, কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও সমাজসেবক সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়। শেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

    • অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা বলেন, এই আয়োজন শুধু সংবর্ধনা নয় বরং শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা ও দিকনির্দেশনার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
  • সরকারের প্রশাসন থেকেই দোসরদের প্রশ্রয় দেয়া হচ্ছে: রিজভী

    সরকারের প্রশাসন থেকেই দোসরদের প্রশ্রয় দেয়া হচ্ছে: রিজভী

    ডেস্ক নিউজ’ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ড. ইউনুসের প্রশাসন থেকেই দোসরদের প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। শেখ হাসিনা ভারত থেকে অডিও রেকর্ড পাঠাচ্ছেন, আর দেশে চলছে নাশকতার প্রস্তুতি।

    মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল আয়োজিত জাতীয় সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    রিজভী বলেন, ‘শেখ হাসিনা গণতন্ত্রকে আঁচলের নিচে লুকিয়ে রেখেছিলেন। বেগম খালেদা জিয়াকে ভালো চিকিৎসার সুযোগ দেওয়া হয়নি। এখন আবার শোনা যাচ্ছে, ১৩ তারিখে তারা কিছু করবে—এই সাহস তারা কীভাবে পায়? সরকারকে দোসরদের বিষয়ে কঠোর হতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা, পদ্মা সেতুর টাকা, ফ্লাই ওভারের টাকা, সবকিছুর টাকা আছে আওয়ামী লীগের কাছে। যা দিয়ে নাশকতা তৈরি করে একটা চোরা রাস্তা তৈরি করছে আওয়ামী লীগ। তা দিয়ে নাশকতা তৈরিতে ভারত থেকে অডিও বার্তা দিচ্ছে শেখ হাসিনা।’

    তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে কেউ কেউ বলছে ২০২৯ সালে নির্বাচন হবে। এ তো ফ্যসিবাদী কণ্ঠস্বর।

    বিএনপির এই শীর্ষ নেতা আরও বলেন, ‘৭ই নভেম্বর আমরা সত্যিকারের স্বাধীনতা পেয়েছি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সেই সময় সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন। শেখ মুজিবুর রহমান আত্মপরিচয়ের সংকটে ভুগেছিলেন, আর জিয়াউর রহমান আমাদের সেই সংকট থেকে মুক্তি দিয়েছেন।’

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের বিষাক্ত ছোবলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও আক্রান্ত হয়েছিল। ক্যাম্পাসে তখন কোনো সহাবস্থান ছিল না। এখন কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। ছাত্রদল সেই মূল্যবোধকে সামনে রেখে রাজনীতি করবে।’

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

    সভায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, ‘রাকসু নির্বাচনে অনেক অনিয়ম ও ষড়যন্ত্র ছিল। প্রশাসন লেভেল প্লেইং ফিল্ড নিশ্চিত করতে পারেনি। তারপরও আমাদের আরও ভালো ফল করা উচিত ছিল। তবে আমরা হতাশ নই, আমাদের লড়াই চলবে। ইনশা আল্লাহ, ভবিষ্যতের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রদল ভালো ফলাফল করবে

    এ/ আর

  • খুনি হাসিনার দোসরদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে: সাদিক কায়েম

    খুনি হাসিনার দোসরদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে: সাদিক কায়েম

    ডেস্ক নিউজ:

    ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, সমগ্র দেশের মুক্তিকামী ছাত্র-জনতাকে খুনি হাসিনা ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

    মঙ্গলবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে আয়োজিত ‘রান উইথ জবি শিবির’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

    সাদিক কায়েম বলেন, খুনি হাসিনা ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে আমাদের সর্বদা সজাগ থাকতে হবে। জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের দোসররা বাংলাদেশ থেকে পালিয়েছে। আগামীর বাংলাদেশ খুনি হাসিনা ও তার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ঠিকানা হবে না। ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনো গুপ্ত অবস্থায় আছে, সবাইকে শনাক্ত করে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করাতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, আমরা তাদের ধরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করব। খুনি হাসিনাসহ তার দোসরদের বাংলাদেশ থেকে সমূলে উৎপাটন করতে হবে। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ একটি জঙ্গি সংগঠন—এদের প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

    জকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জকসুর তারিখ পেছানোর জন্য ওপর থেকে কারও ‘ওহী নাজিল’ হয়েছে বলে মনে হয়। কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানাই—আপনারা পক্ষপাতিত্ব করবেন না। আমরা চাই না শিক্ষক বনাম ছাত্র পরিস্থিতি তৈরি হোক।

    শরীরচর্চা প্রসঙ্গে কায়েম বলেন, আজকের ‘রান উইথ শিবির’ কর্মসূচিতে আমি শিক্ষার্থীদের উৎসবমুখর পরিবেশ দেখেছি। তরুণ প্রজন্ম যদি দেশের জন্য কিছু করতে চায়, তবে তাদের শারীরিকভাবে ফিট থাকতে হবে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ছাত্রশিবির এমন সৃজনশীল ও ইতিবাচক কার্যক্রম চালিয়ে আসছে, যা ফ্যাসিস্ট আমলে বাধাগ্রস্ত হয়েছিল।

    দৌড় কর্মসূচিতে অংশ নেয় দুই হাজারের বেশি শিক্ষার্থী

    ‘চলো একসাথে হাঁটি, একসাথে দেশ গড়ি’ স্লোগানকে ধারণ করে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে দুই হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়ে কোর্ট এলাকা, রায় সাহেববাজার মোড়, ধোলাইখাল ঘুরে ধূপখোলা মাঠে গিয়ে এটি শেষ হয়।

    শাখা সূত্রে জানা গেছে, অনলাইনে প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থী নিবন্ধন করে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করে।

    শিবিরের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক সিগবাতুল্লাহ সিগবা বলেন, বাংলাদেশ এখন এক গভীর সংকটের মধ্যে আছে। এই সময়ে তরুণ প্রজন্মই পারে দেশকে রক্ষা করতে। আমাদের তরুণরা যদি সচেতন ও ফিট থাকে, তবে কোনো ফ্যাসিবাদী বা বিদেশি আধিপত্যবাদী শক্তি বাংলাদেশে মাথা তুলতে পারবে না।

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, আমাদের এ কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ‘চলো একসাথে হাঁটি, একসাথে দেশ গড়ি’। শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ না থাকলে দেশগঠন সম্ভব নয়। শিক্ষার্থীদের আগ্রহ দেখে আমরা অনুপ্রাণিত হয়েছি।

    কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সিফাত বলেন, সকাল সকাল ক্যাম্পাসে গিয়ে এমন পরিবেশ পাব ভাবিনি। অসাধারণ লেগেছে! ধন্যবাদ ছাত্রশিবির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে।

    শিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক মোহতাসিম বিল্লাহ শাহিদী বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শরীরচর্চার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। আজকের কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখে বোঝা যায়, তারা শারীরিকভাবে ফিট থাকতে চায়। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই—শরীরচর্চার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো দ্রুত গড়ে তোলা হোক।

    সাদিক কায়েম বলেন, খুনি হাসিনা ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে আমাদের সর্বদা সজাগ থাকতে হবে। জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের দোসররা বাংলাদেশ থেকে পালিয়েছে। আগামীর বাংলাদেশ খুনি হাসিনা ও তার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ঠিকানা হবে না। ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনো গুপ্ত অবস্থায় আছে, সবাইকে শনাক্ত করে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করাতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, আমরা তাদের ধরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করব। খুনি হাসিনাসহ তার দোসরদের বাংলাদেশ থেকে সমূলে উৎপাটন করতে হবে। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ একটি জঙ্গি সংগঠন—এদের প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

    জকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জকসুর তারিখ পেছানোর জন্য ওপর থেকে কারও ‘ওহী নাজিল’ হয়েছে বলে মনে হয়। কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানাই—আপনারা পক্ষপাতিত্ব করবেন না। আমরা চাই না শিক্ষক বনাম ছাত্র পরিস্থিতি তৈরি হোক।

    শরীরচর্চা প্রসঙ্গে কায়েম বলেন, আজকের ‘রান উইথ শিবির’ কর্মসূচিতে আমি শিক্ষার্থীদের উৎসবমুখর পরিবেশ দেখেছি। তরুণ প্রজন্ম যদি দেশের জন্য কিছু করতে চায়, তবে তাদের শারীরিকভাবে ফিট থাকতে হবে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ছাত্রশিবির এমন সৃজনশীল ও ইতিবাচক কার্যক্রম চালিয়ে আসছে, যা ফ্যাসিস্ট আমলে বাধাগ্রস্ত হয়েছিল।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জবি শিবিরের সাবেক সভাপতি মাকসুদুর রহমান, আসাদুল ইসলাম, শাখা সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল আলিম আরিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ জাহেদ, ও অফিস সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল প্রমুখ।

    বি/এ

  • ক্ষেতলালে শীতের সবজি মিলছে বাড়তি দামে

    বিডিনিউজ ডেক্স :

    জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে উঠতে শুরু করেছে আগাম শীতকালীন শাকসবজি। শীতের সবজির দাম তুলনামূলক বেশি থাকলেও এর প্রভাবে অন্যান্য সবজির দাম কিছুটা কমতে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সামনে শীতকাল, দুই এক সপ্তাহ পর কমে যাবে সবজির দাম। সোমবার (২৭ অক্টোবর) পৌর এলাকায় বটতলী হাটে ঘুরে দেখা গেছে, বেশির ভাগ সবজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কোনো কোনো সবজির দাম আরও বেশি।বিক্রেতারা বলছেন, মোটামুটি দুই মাসের বেশি সময় ধরে চড়া দামে সবজি বিক্রি হচ্ছে। শীতের সবজির সরবরাহ শুরু হলে দাম কমতে পারে।আজকের বাজারে দাম বেশি থাকা পণ্যের মধ্যে রয়েছে কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ১৬০ থেকে ২০০ টাকা, টমেটো প্রতি কেজি ১২০ টাকা, গাজর ও শিম প্রতি কেজি ১৬০ টাকা

    এ ছাড়া করলার কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ৮০ টাকা ও বেগুন (গোল) প্রতি কেজি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর ঢ্যাঁড়শ প্রতি কেজি ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৪০ টাকা, ঝিঙে প্রতি কেজি ৬০ টাকা, ধন্দুল প্রতি কেজি ৫০ টাকা ও লাউ প্রতি পিস ৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। আর পেঁয়াজের কেজি ৭৫ থেকে ৮০ টাকা। এ ছাড়া, প্রতি কেজি পটোল বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, ফুলকপি কেজি প্রতি ৬০ থেকে ৭০টাকা, বাঁধাকপি প্রতি পিস (ছোট) ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কচু প্রতি কেজি ৫০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ২০ থেকে ৩০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ২০ থেকে ২৫ টাকা ও আলু প্রকারভেদে ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

    বাজারে ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। প্রতি ডজন লাল ডিম ১৩০ টাকা ও প্রতি ডজন সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। এদিকে, নিষেধাজ্ঞার কারণে বাজারে নেই ইলিশ মাছ। তবে চাষের রুই ও কাতলার দাম স্থিতিশীল থাকলেও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে টেংরা, পাবদাসহ অন্যান্য মাছ। মুরগির বাজার আগের মতো আছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়, আর সোনালি মুরগির কেজি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায়। এছাড়া লাল লেয়ার কেজি প্রতি ৩২০ টাকা ও দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫৫০-৬০০ টাকায়। গরু ও খাসির মাংসের দামও অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৬৫০-৭০০ টাকা, খাসির মাংস ১ হাজার  একশত টাকা কেজি বিক্রি করতে দেখা যায়।বাজারে আসা ক্রেতারা বলছেন,সব কিছুর দাম বেশি হওয়ায় মাসের খরচ কঠিন হয়ে পড়েছে। আর বিক্রেতারা বলছেন, কমতে পারে আগামী সপ্তাহ থেকে কিছুটা দাম।

  • ফসলি জমির মাটি কাটা বন্ধ করুন

    ফসলি জমির মাটি কাটা বন্ধ করুন

    অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটি কাটা একটি দেশের জন্য চরম ক্ষতিকর। জমির মাটি কাটার ফলে একদিকে যেমন গভীর খাদ ও গর্তের সৃষ্টি করে, তেমনি অপরদিকে চাষযোগ্য জমিগুলোর হ্রাস ঘটে। দিনদিন চাষযোগ্য জমি হ্রাস পেতে থাকলে খাদ্যের সংকট বেড়ে যাবে। চাষাবাদের জন্য মাটির উপরিভাগ হল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা ‘টপ সয়েল’ নামে পরিচিত। এটা নষ্ট হয় কেবল মাটি খননের ফলে। এই স্তরটি পুনরায় গঠিত হতে প্রায় ২০-২৫ বছর সময় লাগে। সুতরাং মাটি খনন অত্যন্ত ক্ষতিকর। অপরদিকে মাটির স্তরের ভারসাম্যও দূর্বল হতে শুরু করে। এভাবে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সৃষ্টি হতে থাকে। অবৈধ মাটি খননকারীরা দেশের গঠন-কাঠামোর ক্ষতিসাধনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে, যা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তাছাড়া এ কাজে বাধা দিতে আসলে স্থানীয়দের পড়তে হয় হুমকির মুখে। অতএব, অবৈধ মাটি কাটা সিন্ডিকেট প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

    এ/র

  • নূরুল ইসলাম বুলবুল আওয়ামী লীগের পাতানো নির্বাচনের বিজয়ীদের প্রশাসন নির্বাচিত করেছিল

    নূরুল ইসলাম বুলবুল আওয়ামী লীগের পাতানো নির্বাচনের বিজয়ীদের প্রশাসন নির্বাচিত করেছিল

    নূরুল ইসলাম বুলবুল

    আওয়ামী লীগের পাতানো নির্বাচনের বিজয়ীদের প্রশাসন নির্বাচিত করেছিল

    logo

    Search

    নূরুল ইসলাম বুলবুল

    আওয়ামী লীগের পাতানো নির্বাচনের বিজয়ীদের প্রশাসন নির্বাচিত করেছিল

    ‘আওয়ামী লীগের পাতানো নির্বাচনে জনগণ নয়, বিজয়ীদের প্রশাসন নির্বাচিত করেছিল। প্রশাসনের রাতের ভোটের ওই বিজয়, বিজয় নয়। জনগণ তাদের নির্বাচন বর্জন করেছিল।’

    নয়া দিগন্ত অনলাইন
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে নূরুল ইসলাম বুলবুল
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে নূরুল ইসলাম বুলবুল |নয়া দিগন্ত

    সংবাদপত্র সাবস্ক্রিপশন

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী) মো: নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের পাতানো নির্বাচনে জনগণ নয়, বিজয়ীদের প্রশাসন নির্বাচিত করেছিল। প্রশাসনের রাতের ভোটের ওই বিজয়, বিজয় নয়। জনগণ তাদের নির্বাচন বর্জন করেছিল।’

    page-top-ad

    শনিবার রাতে নিজ নির্বাচনী এলাকা চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের রেহাইচর ভোট সেন্টারে অনুষ্ঠিত যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘২০১৪ সালের একতরফা নির্বাচন, ২০১৮ সালের রাতের ভোট, ২০২৪ সালের আমি-ডামি নির্বাচন ছিল প্রহসনের নির্বাচন। ভোটের আগে প্রশাসনের (ডিসি-এসপির) সাথে কোথায়, কখন, কারা গোপন বৈঠক করেছে তার তথ্য আমাদের জানা আছে। গোপন বৈঠক থেকেই নির্ধারণ করা হয়েছে ‘কে’ নির্বাচিত হবে, ‘কাকে’-‘কিভাবে’ বিজয়ী ঘোষণা করা হবে! প্রহসনের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আজকে কাউকে কাউকে অহংকার আর দাম্ভিকতার সাথে কথা বলতে শুনা যায়। কিন্তু এরা কখনোই জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি, হবেও না ইনশাআল্লাহ। কারণ জনগণ জানে কারা দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, দখলবাজ, চাঁদাবাজ। জনগণ কখনোই দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, দখলবাজ, চাঁদাবাজের ভোট দেয় না, দেবে না।’

    এসময় তিনি আরো বলেন, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জের যুব সমাজকে ধ্বংস করতে যারা যুব সমাজের হাতে মাদক ও অস্ত্র তুলে দিচ্ছে তাদেরকে সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করতে হবে। যারা যুব সমাজকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে তাদেরকে ব্যালটের মাধ্যমে তাদেরকে বয়কট করতে হবে।’

    তিনি উপস্থিত যুবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীতে মাদক, সন্ত্রাসের স্থান নাই। জামায়াতে ইসলামী যুব সমাজকে আদর্শিক ও নৈতিক মূল্যবোধের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে।’

    নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে বেকারত্ব দূরীকরণে যুব সমাজকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। যুব নারী-পুরুষকে কর্মমূখী প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে প্রত্যেককে জাতীয় সম্পদে রূপান্তরিত করা হবে। তিনি নির্বাচিত হলে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় ভিলেজ পলিটিক্স বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। ঘরে বসেই উর্পাজনের সুযোগ পাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রতিটি মানুষ। জনগণের কল্যাণে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শহর ও গ্রামকে সমানভাবে গড়ে তোলা হবে। কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের কল্যাণে সকল বৈষম্যের শিকল ভেঙে দিয়ে দলমত, ধর্ম-বর্ণ, জাতি-গোষ্ঠী নির্বিশেষে সমান সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। বিদেশগামীদের প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা করতে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় পদক্ষেপ নেয়া হবে। যেই পদক্ষেপের ফলে কেউ বিদেশে যাওয়ার জন্য অগ্রিম টাকা দিয়ে প্রতারিত হবে না। বিদেশে যেতে না পারলে বিদেশগামীর টাকা অটোমেটিকভাবে সে ফেরত পাবে। মহানন্দা ও পদ্মা নদী ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। বিশুদ্ধ পানির অভাব দূর করা হবে। ছাত্র ও তরুণ যুব সমাজের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশের রোল মডেল হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জকে গড়ে তোলা হবে।‘ এজন্য যুব সমাজকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এগিয়ে আসতে তিনি আহ্বান জানান।

    এর আগে বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের রেহাইচর ভোট সেন্টারে অনুষ্ঠিত নারী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় নারী সমাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নারীদের ভোটের মাধ্যমেই সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, দখলবাজ, অস্ত্রবাজ, দুর্নীতিবাজদের পরাজিত করতে হবে।’

    তিনি উপস্থিত নারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘যারা রাজনীতির নামে আপনার সন্তানের হাতে অস্ত্র তুলে দেয়, মাদক তুলে দেয়, আপনার সন্তানের রক্ত ও লাশ নিয়ে রাজনীতি করে আপনি তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার এখনই সময়। সন্তানের ভবিষ্যৎ ও আগামীর নিরাপদ বাংলাদেশের জন্য নিরাপদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ গড়তে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের মা-বোনদের ইসলামের পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ইসলামী সমাজ বিনির্মাণ হলে সমাজের প্রতিটি মানুষ নিরাপদ ও স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার সুযোগ পাবে। ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠা হলে সামাজিক কলহ দূর হবে। সমাজে শান্তি ফিরে আসবে। মানুষের মৌলিক অধিকার ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হবে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘বিগত ১৭ বছর আওয়ামী সরকারের জুলুম নির্যাতনের পরেও তাকে একদিনের জন্যও জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায়নি। সবসময় নিজে জনগণের সামনে হাজির হতে না পারলেও জনগণের যেকোনো প্রয়োজনে তিনি নিজেকে ভিন্নভাবে, ভিন্ন কায়দায়, ভিন্ন কৌশলে জনগণের সামনে হাজির করেছে, জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছি। জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন মেডিক্যাল ক্যাম্প পরিচালনা করে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা এবং ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগীদের হাসপাতালে নিতে নিজস্ব ১০টি অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে সার্ভিস দেয়া হচ্ছে। বেকারত্ব দূরীকরণে যুবকদের কর্মমূখী প্রশিক্ষণ প্রদান এবং নারীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন বিতরণ, গবাদি পশু বিতরণ করাসহ ব্যাপক ভিত্তিক কর্মসূচি চলমান রয়েছে। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা মানুষের মৌলিক অধিকার। এই মৌলিক অধিকার রাষ্ট্র কর্তৃক নিশ্চিত করার কথা থাকলেও স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হয়নি।’

  • প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে আবেদন শুরু

    প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে আবেদন শুরু

    শিক্ষা ডেস্ক:
    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। প্রথম ধাপে যাদের ছয় বিভাগ থেকে বেছে নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগের জন্য ১০ হাজার ২১৯টি সহকারী শিক্ষক পদে আবেদন আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

    আজ শনিবার (৮ নভেম্বর) থেকে আগ্রহীরা আবেদন করতে পারবেন, যা চলবে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এজন্য ফরম পূরণের নির্দেশনা পাওয়া যাবে টেলিটকের ওয়েবসাইটে (http://dpe.teletalk.com.bd)। সেখানে থাকা নির্দেশনা অনুসরণ করে প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

    সহকারী শিক্ষকের এসব পদে বেতন হবে ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেলের ত্রয়োদশ গ্রেডে। এসব পদে নিয়োগের জন্য প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা হবে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ (৪ স্কেলে ন্যূনতম ২ দশমিক ২৫ ও ৫ স্কেলে ন্যূনতম ২ দশমিক ৮) স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি।

    তবে শিক্ষা জীবনে কোনো স্তরে তৃতীয় বিভাগ অথবা সমমানের জিপিএ অথবা তৃতীয় শ্রেণি অথবা সমমানের সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য হবে না।

  • ভোটারদের কাছে টানতে জামায়াতের নতুনত্ব

    ভোটারদের কাছে টানতে জামায়াতের নতুনত্ব

    ডেস্ক নিউজ:

     

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সংস্কার কার্যক্রমসহ বিভিন্ন ইস্যুতে সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর মাঝে বেশ অস্বস্তি বিরাজ করছে। তবে সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের বিষয়টি মাথায় রেখে প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামীও। দলীয় নিয়মিত সব কর্মসূচিতেই এখন প্রাধান্য পাচ্ছে নির্বাচনি ইস্যু।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন দলের সঙ্গে আসন সমঝোতা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রার্থী করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। তার আগে সব আসনে প্রাথমিকভাবে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করে সর্বোচ্চ প্রচারকাজ চালাচ্ছে দলটি। প্রার্থিতার ক্ষেত্রে দলের তরুণ, শিক্ষিত, সৎ ও যোগ্যদেরই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এসব প্রার্থীর গণসংযোগে গতানুগতিক বিভিন্ন কর্মসূচির পাশাপাশি বৈচিত্র্যপূর্ণ কর্মসূচিও দেখা যাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ার যথাযথ ব্যবহার ও সমাজসেবামূলক কাজকে প্রাধান্য দিচ্ছেন তারা।

    এরই মধ্যে রাজধানীসহ সারা দেশে সাধারণ ভোটারদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছেন জামায়াত প্রার্থীরা। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম ও নারী ভোটারদের কাছে দাঁড়িপাল্লার বার্তা পৌঁছে দিতে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছেন প্রার্থী ও নেতাকর্মীরা। ভোটারদের কাছাকাছি গিয়ে তাদের প্রত্যাশা ও পরামর্শ শোনার পাশাপাশি নিজেদের উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরছেন। ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকদের সঙ্গে মতবিনিময়, অসহায় মানুষকে সহায়তা প্রভৃতি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকায় সরব জামায়াত প্রার্থীরা। তাদের পক্ষে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চেয়ে সর্বত্রই ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন টানানো হয়েছে।

    নির্বাচনি প্রচারকাজে সক্রিয় করা হয়েছে জামায়াতের নারী জনশক্তিকেও। হিন্দুসহ অন্য ধর্মাবলম্বীদেরও গুরুত্ব দিচ্ছে জামায়াত। এছাড়া ছাত্রশিবির ও ছাত্রী সংস্থাও জামায়াতের পক্ষে জনসমর্থন আদায়ে নিজস্ব নানা কর্মসূচি পালন করছে। সব মিলিয়ে নির্বাচনি এলাকাগুলোতে বেশ ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন দলটির প্রার্থীরা। তবে প্রাথমিকভাবে ঘোষিত এসব প্রার্থীর মধ্য থেকে বেশ কিছু আসনে পরিবর্তন আসতে পারে বলেও জানা গেছে।

    এদিকে নির্বাচনি প্রচারে ভিন্ন মাত্রা দেখা গেছে খুলনা-৫ আসনের প্রার্থী ও জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারের এলাকায়। গত ৩১ অক্টোবর তাকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হিন্দু সমাবেশ ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনা চলছে। ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাধীনতা চত্বরে আয়োজিত ওই সমাবেশে ১৪টি ইউনিয়ন থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ও বাদ্যযন্ত্রসহ বর্ণিল মিছিল নিয়ে জমায়েত হন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

    মিয়া গোলাম পরওয়ার ওই সমাবেশে বলেন, স্বাধীনতার পর যারাই দেশ পরিচালনা করেছে, তারা সবাই হিন্দু সম্প্রদায়কে ব্যবহার করে শুধু নিজেদের ভাগ্যোন্নয়ন করেছে। এবার হিন্দুদের ভাগ্যোন্নয়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন ইসলামি সরকার। এবার হিন্দুদের স্লোগান হলোÑ‘সব মার্কা দেখা শেষ, দাঁড়িপাল্লার বাংলাদেশ’।

    এর আগের দিন ঢাকাসহ সারা দেশে ‘ব্রেস্ট ক্যানসার সচেতনতামূলক ক্যাম্প’আয়োজন করে বেশ সাড়া ফেলে জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগ। সেখানে গোলাম পরওয়ার বলেন, ক্ষমতায় গেলে জামায়াত শাসক নয়, সেবকের ভূমিকা পালন করবে।

    ঢাকার আসনগুলোতেও রাত-দিন ব্যাপক প্রচারকাজ চালাচ্ছেন দলটির প্রার্থীরা। এলাকাভিত্তিক গণসংযোগ, প্রচারপত্র বিলি, ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়, বিভিন্ন পেশাজীবীকে নিয়ে আলাদা মতবিনিময়-সমাবেশসহ নানা কৌশলে তৎপরতা চালাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী ও দলীয় নেতাকর্মীরা। গত শুক্রবার ঢাকার বিভিন্ন আসনের প্রার্থীদের মোটর শোভাযাত্রা, বুড়িগঙ্গা দূষণমুক্ত করার দাবি, প্রীতি ম্যারাথন ইত্যাদি কর্মসূচি বেশ আলোচিত হয়ে ওঠে। যথাসম্ভব জনভোগান্তি এড়িয়ে এসব গণসংযোগ করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয় দলটির পক্ষ থেকে।

    নির্বাচনি প্রচারের নানা দিক তুলে ধরে ঢাকা-৬ আসনের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ড. আব্দুল মান্নান বলেন, আমরা ভোটারের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি। নারী ও পুরুষ আলাদা গ্রুপ করে গণসংযোগ করছে। প্রতি জুমায় মসজিদ-সংশ্লিষ্টদের অনুমতি নিয়ে কথা বলছি। বিভিন্ন মার্কেটে ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে প্রচার চলছে। তিনি বলেন, এলাকাভিত্তিক খণ্ড খণ্ড সমাবেশের মাধ্যমে আমাদের উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরছি। এ সময় জনগণের কথাও শুনছি। তারা কী চান, কেমন এমপি প্রত্যাশা করেনÑসেই মতামত শুনে নানা আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। শ্রমিক, ছাত্র-শিক্ষকসহ নানা পেশার লোকদের নিয়ে আলাদা প্রোগ্রাম হচ্ছে।

    তিনি আরো বলেন, ভোটারদের কাছে সন্ত্রাস, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান তুলে ধরা হচ্ছে। অনলাইনেও ব্যাপক প্রচার চলছে। ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসসহ নানা সেবামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। আধুনিক ঢাকা গড়ার যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে, তাতে ভোটাররাও বেশ আশাবাদী হচ্ছেন। তবে সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়ে কেন্দ্র পাহারাসহ নিরাপত্তা নিশ্চিতের পরামর্শ দিচ্ছেন অনেকে।

    ঢাকা-১৬ আসনে প্রচারকাজে নিয়োজিত জামায়াত নেতা হাসানুল বান্না চপল জানান, তরুণ প্রজন্মের বেশিরভাগই সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় থাকেন। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে এ মাধ্যমকে নির্বাচনি প্রচারকাজে লাগানো হচ্ছে। তরুণদের কাছে যেতে যত ধরনের কার্যক্রম সম্ভব, তা করা হচ্ছে। ভোটারদের মাঝে জামায়াতের সব ম্যানিফেস্টো তুলে ধরা হচ্ছে। চলছে সামাজিক ও সেবামূলক নানা কর্মসূচিও। অসহায় মানুষদের নানা ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন প্রার্থীরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় নেতা নূরুল ইসলাম বুলবুল সম্প্রতি নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজে ছাত্রশিবির আয়োজিত নবীনবরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বলেন, নতুন প্রজন্মই ভবিষ্যৎ পরিবর্তনের নেতৃত্ব দেবে।

    সব মিলিয়ে মাঠ পর্যায়ে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে জামায়াতের নির্বাচনি প্রচার। তরুণ, নারী ও সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সংযোগ জোরদারে দলটির প্রার্থীরা চেষ্টা করছেন প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে এক নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে।

    সুত্র: আমার দেশ

    বি/এ

  • চৌহালীতে ৮০পিস ইয়াবাসহ আটক ১ জন

    চৌহালীতে ৮০পিস ইয়াবাসহ আটক ১ জন

     

    বিডিনিউজ ডেক্স :  রবিবার (২ নভেম্বর) দিবাগত রাতে কোদালিয়া বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত বেল্লাল( ৩৫) সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী থানার মধ্য খাষকাউলিয়া গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে।

    এ বিষয়ে চৌহালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বারিক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার দিবাগত রাতে উপজেলার কোদালিয়া বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮০ পিস ইয়াবাসহ বেল্লাল হোসেনকে আটক করা হয়।

    এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলার পর আজ সকালে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • কুষ্টিয়ার দৌলতপুর: পদ্মার দুর্গম চরে সক্রিয় ডজনখানেক বাহিনী

    কুষ্টিয়ার দৌলতপুর: পদ্মার দুর্গম চরে সক্রিয় ডজনখানেক বাহিনী

    • চরে সক্রিয় কাকন, মণ্ডল, টুকু, সাইদ, লালচাঁদ, রাখি, কাইগি, রাজ্জাক ও বাহান্ন বাহিনী
    • জমি দখল, ফসল কেটে নেওয়া, চাঁদাবাজি, বালু উত্তোলন, মাদক ও অস্ত্র পাচারে জড়িত এসব বাহিনী
    • অনেকে বংশপরম্পরায় ধরেছেন বাহিনীর হাল। পুলিশের অভিযান শুরু। প্রথম দিনে গ্রেপ্তার নেই

    ডেস্ক নিউজ

    কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পদ্মা নদীর দুর্গম চরাঞ্চল এবং ভারত সীমান্তঘেঁষা অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি পদ্মার চরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ এবং ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলিতে তিনজন নিহতের ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। খোঁজ নিয়ে জানা যাচ্ছে, শুধু কাকন কিংবা মণ্ডল বাহিনী নয়; টুকু, সাইদ, লালচাঁদ, রাখি, কাইগি, রাজ্জাক ও বাহান্ন বাহিনীও সক্রিয় এই চরাঞ্চলে।

    রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এসব বাহিনী জমি দখল, ফসল কেটে নেওয়া, চাঁদাবাজি, বালু উত্তোলন, মাদক, অস্ত্র পাচারসহ নানা অপরাধে জড়িত। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব বাহিনী পদ্মার এমন দুর্গম চরে ‘সাম্রাজ্য’ গড়ে তুলেছে, যেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রবেশ সীমিত। রাজশাহী, নাটোর ও পাবনা জেলার দুর্গম চরাঞ্চলজুড়ে তাদের বিস্তার।

    সম্প্রতি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পদ্মা নদীর দুর্গম চরে কাকন বাহিনী ও মণ্ডল গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের তিনজন নিহত হন। এরপর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। এ ঘটনায় করা মামলায় ‘কাকন বাহিনীর’ প্রধান কাকনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এরপর গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলা পুলিশের একাধিক ইউনিট শতাধিক সদস্য নিয়ে পদ্মার চরে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে। তবে প্রথম দিনের অভিযানে কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। প্রশাসন জানিয়েছে, অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দৌলতপুরের পদ্মা চরাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে ডজনখানেক সন্ত্রাসী গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। তবে ২০ বছর আগে দুটি সন্ত্রাসী বাহিনীর উত্থান ঘটেছিল বিস্তৃত পদ্মার দুর্গম এই চরাঞ্চলে। তাদের ভাগ না দিয়ে কেউ চরের ফসল ঘরে তুলতে পারত না। এ নিয়ে দ্বন্দ্বে তাদের হাতে ওই সময় ৪১ জন খুন হয় বলে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। তখন চরের মাটিতে পা দিতে গা ছমছম করত। দুই বাহিনীর নাম ছিল ‘পান্না বাহিনী’ ও ‘লালচাঁদ বাহিনী’। পান্নার ওস্তাদ ছিলেন এই কাকন। সূত্র জানায়, এ বছরের জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ‘কাকন বাহিনী’র বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী, বাঘা, লালপুর ও দৌলতপুর থানায় মোট ছয়টি মামলা হয়েছে। বাহিনীর প্রধান কাকন পাবনার ঈশ্বরদী কলেজ রোডের বাসিন্দা হলেও তাঁর পৈতৃক নিবাস কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়াড় গ্রামে।

    ১৯৯৪ সালে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি চাকরি করলেও ২০০৫ সালে পান্না নিহত হওয়ার পর ২০০৭ সালে সৌদি আরব থেকে ফিরে এসে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের ছত্রচ্ছায়ায় বালুমহাল দখল ও নিয়ন্ত্রণ শুরু করেন। এর পর থেকে তিনি নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করেন। বর্তমানে তাঁর বাহিনীতে প্রায় ৪০ জন সদস্য রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

    গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নইম উদ্দিন সেন্টুকে নিজ কার্যালয়ে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আলোচনায় আসে টুকু বাহিনী। বাহিনীর প্রধান তরিকুল ইসলাম ওরফে টুকু ফিলিপনগর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর দলের সদস্য ২০ জনের বেশি। হত্যাকাণ্ডের পর টুকুসহ বেশ কয়েকজন সহযোগীর নামে মামলা হয়, যদিও আটকের পরে তাঁরা জামিনে মুক্তি পান।

    চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে মরিচা ইউনিয়নের বৈরাগীরচর মণ্ডলপাড়া এলাকায় রাজু আহমেদ (১৮) নামের এক যুবককে গুলি চালিয়ে হত্যা করে সাইদ বাহিনী। বাহিনীর প্রধান আবু সাঈদ মণ্ডল (৩৫) মরিচা ইউনিয়নের বৈরাগীরচর দক্ষিণ ভাঙ্গাপাড়া এলাকার ভাদু মণ্ডলের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় ৯টির বেশি মামলা রয়েছে।

    ২০০৯ সালে লালচাঁদ বাহিনীর প্রধান লালচাঁদ নিহত হওয়ার পর তাঁর ভাই সুখচাঁদ দায়িত্ব নেন। তাঁরা ফিলিপনগর এলাকার বাসিন্দা।

    বাহিনীতে লালচাঁদের ছেলে রুবেলসহ একাধিক সদস্য সক্রিয় রয়েছেন। এ বাহিনীর বিরুদ্ধে মাদক, অস্ত্র ও ডাকাতির অভিযোগ রয়েছে।

    দৌলতপুর থানায় আলোচনায় থাকা আরেক বাহিনী ‘রাখি বাহিনী’র প্রধান রাকিবুল ইসলাম রাখি। তাঁর বিরুদ্ধে সাতটি মামলা রয়েছে। তাঁর বাড়ি ফিলিপনগর ইউনিয়নের দারোগার মোড়ে। এ ছাড়া রয়েছে কাইগি বাহিনী, রাজ্জাক বাহিনী ও বাহান্ন বাহিনী।

    একাধিক গোয়েন্দা সূত্র বলছে, ৫ আগস্টের পর দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে বিপুল অস্ত্র দেশে ঢোকার তথ্য রয়েছে। জানা গেছে, তিন চালানে মোট প্রায় ২ হাজার আগ্নেয়াস্ত্র এসেছে দেশে।

    দুর্গম চরে অভিযান

    গত বৃহস্পতিবার কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ ১২০ জন সদস্য নিয়ে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ৭টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। তবে পুলিশ এই অভিযানে চরবাসী খুবই খুশি। এতে জনমনে স্বস্তি ফিরবে বলে তাঁরা আশা করছেন সেখানকার বাসিন্দারা।

    গতকাল শুক্রবার সকালে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ফয়সাল মাহমুদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এই অভিযান রাতেও চলবে। অভিযান শেষ হবে না। এটা যে শুধু আসামি ধরা, তা নয়। মানুষকে আশ্বস্ত করা হচ্ছে, সন্ত্রাসীদের আশ্রয় এই চরগুলোতে আর হবে না।’ সূত্রঃ আজকের পত্রিকা

    বিডিটাইমস/এআর/নিই/