ক্যাটাগরি রংপুর বিভাগ

  • গাইবান্ধায় দেশীয় অস্ত্রসহ বিএনপি নেতা আটক

    গাইবান্ধায় দেশীয় অস্ত্রসহ বিএনপি নেতা আটক

    ডেস্ক নিউজঃ

    গাইবান্ধার ফুলছড়িতে যৌথ অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ বিএনপির এক নেতাকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে ফুলছড়ি উপজেলার বালাশীঘাট এলাকার রসুলপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    আটক ব্যক্তি হলেন, মিলন মিয়া (৪৪)। তিনি কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি। তিনি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ রসুলপুর গ্রামের মৃত মেছের উদ্দিন সরকারের ছেলে।

    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে যৌথবাহিনীর সদস্যরা মিলন মিয়ার নিজ বসতবাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তাকে আটক করা হয় এবং তার হেফাজত থেকে চারটি রাম দা, একটি চাইনিজ কুড়াল ও একটি বড় ছুরি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো জব্দ করা হয়েছে।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সহিংসতা, ভয়ভীতি ও নাশকতা ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচনি এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে যৌথ বাহিনী নিয়মিত তল্লাশি ও অভিযান পরিচালনা করছে।

    ফুলছড়ি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওহিদুল ইসলাম জয় বলেছেন, আটক মিলন মিয়া কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি। তার বিরুদ্ধে আমরা দলীয় সিদ্ধান্ত নেবো।

    ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হোদা বলেন, যৌথ অভিযানে উদ্ধারকৃত দেশীয় অস্ত্রগুলো ইতোমধ্যে জব্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা হবে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।

    এম কে

  • গাইবান্ধায় বাড়িতে লুকানো ৭২ বস্তা ভিজিএফের চাল জব্দ

    গাইবান্ধায় বাড়িতে লুকানো ৭২ বস্তা ভিজিএফের চাল জব্দ

    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে মজুত করে রাখা ভিজিএফের প্রায় চার টন চাল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    ডেস্ক নিউজঃ

    সোমবার  রাতে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে মজুত করে রাখা ভিজিএফের প্রায় চার টন চাল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইফফাত জাহান তুলি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। একই দিন দুপুরে কমিটি গঠন করা হয়।

    প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত হলদিয়া গ্রামের মো. আবদুল মজিদ মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। এ সময় বাড়ির একটি ঘর থেকে অবৈধভাবে মজুত রাখা ভিজিএফের ৭২ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। পরে উদ্ধার করা চাল স্থানীয় সংরক্ষিত নারী সদস্য মোছা. বিলকিস বেগমের জিম্মায় রাখা হয়।

    ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন। কমিটির প্রধান করা হয়েছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমানকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক স্বপন কুমার দে এবং উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম। কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    এ বিষয়ে জানতে তদন্ত কমিটির প্রধান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমানের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফফাত জাহান তুলি বলেন, উদ্ধার হওয়া চালের উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এম কে

  • গাইবান্ধায় ঝড়ে ৩ শতাধিক বাড়িঘর লণ্ডভণ্ড

    গাইবান্ধায় ঝড়ে ৩ শতাধিক বাড়িঘর লণ্ডভণ্ড

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নে ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়েছে তিন শতাধিক বাড়িঘর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ভেঙে গেছে বিদ্যুতের খুঁটি, হেলে পড়েছে আরও কয়েকটি। এতে তিন থেকে চার শতাধিক পরিবার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। অনেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার আশ্রয় নিয়েছে স্থানীয় বিদ্যালয়ে।

    ডেস্ক নিউজঃ

    সোমবার  সন্ধ্যায় গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নে ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়েছে তিন শতাধিক বাড়িঘর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম। এর আগে রোববার রাত ১০টার দিকে শুরু হওয়া ঝড়ে ইউনিয়নের ৩ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েকটি গ্রামে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঝড়ের সময় প্রবল বাতাসে অন্তত তিন শতাধিক বাড়িঘর ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। অনেক বাড়ির টিনের চালা উড়ে গিয়ে দূরের আবাদি জমিতে পড়ে। ঝড়ে গাছপালা ভেঙে পড়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও। কোথাও বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে গেছে, কোথাও আবার হেলে পড়েছে। ফলে রোববার রাত থেকেই ওই এলাকার কয়েকশ পরিবার বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে।

    রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, রাতের ঝড়ে ইউনিয়নের ৩ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রায় তিন থেকে চার শতাধিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক পরিবারের থাকার ঘর না থাকায় তারা অস্থায়ীভাবে বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছে।

    ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ঝড়ে তার ওয়ার্ডে অন্তত তিন শতাধিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মানুষের বসতঘর, রান্নাঘর ও গোয়ালঘর ভেঙে গেছে। বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ায় পুরো এলাকা বিদ্যুৎবিহীন হয়ে আছে।

    তিনি আরও জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছেন। যাদের থাকার জায়গা নেই। তাদের জন্য দুটি বিদ্যালয়কে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করার কথা বলা হয়েছে।

    ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য বুলু মিয়া বলেন, ঝড়ের সময় তার ওয়ার্ডের শতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা স্কুল টেকনিক্যাল অ্যান্ড কলেজের নির্মাণাধীন ইটের দেয়ালও ভেঙে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে প্রতিষ্ঠানটির চালা, কাঠ ও বাঁশ ছিটকে পড়ে আছে জমিতে।

    গোবিন্দগঞ্জ জোনের পল্লী বিদ্যুতের জেনারেল ম্যানেজার রাশেদ আব্দুল্লাহ জানান, ঝড়ে রাজাহার ইউনিয়ন এলাকায় আমাদের দুটি বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে গেছে এবং সাত থেকে আটটি খুঁটি হেলে পড়েছে। এতে গতকাল ঝড়ের সময় হতে তিন থেকে চার শতাধিক পরিবার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

    তিনি বলের, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ লাইনের দ্রুত মেরামতের কাজ চলছে এবং যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি আমরা।

    এ বিষয়ে একাধিকবার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাওয়া গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানাকে।

    গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা মোবাইল ফোনে বলেন, গতকাল রাতের ঝড়ে গোবিন্দগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন সংশ্লিষ্ট ইউএনও। ক্ষতিগ্রস্ত ১৪২টি পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে ৪. ২৬০ মেট্রিকটন চাল এবং ৪ লাখ ২৬ হাজার সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া তাদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হচ্ছে, পরবর্তীতে তাদেরকে কৃষিসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা করা হবে।

    এম কে

  • গাইবান্ধায় আগুনে গরুসহ গোয়ালঘর পুড়ে ছাই

    গাইবান্ধায় আগুনে গরুসহ গোয়ালঘর পুড়ে ছাই

    গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি গোয়ালঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে দুটি উন্নত জাতের বিদেশি গরু দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। আগুনে গরুসহ গোয়ালঘরের বিভিন্ন মালামাল পুড়ে প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার।

    ডেস্ক নিউজঃ

    বৃহস্পতিবার  দিবাগত রাতে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের পবনতাইড় গ্রামে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পবনতাইড় গ্রামের সিনতউল্লার ছেলে আসাদুল ইসলাম প্রতিদিনের মতো রাতের খাবার শেষে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। গভীর রাতে হঠাৎ তার গোয়ালঘর থেকে আগুনের শিখা দেখতে পেয়ে প্রতিবেশীরা চিৎকার শুরু করেন। পরে ঘর থেকে বের হয়ে আসাদুল ইসলাম দেখেন, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে গোয়ালঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

    স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা পুরো গোয়ালঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ঘরের ভেতরে থাকা দুটি বিদেশি জাতের গরু দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পাশাপাশি গোয়ালঘরে থাকা আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

    ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আসাদুল ইসলাম বলেন, এই গরু দুটিই ছিল আমার পরিবারের আয়ের প্রধান সম্বল। আগুনে সবকিছু হারিয়ে আমি এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছি। প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

    এদিকে শুক্রবার সকালে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঘুড়িদহ ইউনিয়ন সেক্রেটারি ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামাল পাশা মণ্ডলসহ স্থানীয় নেতারা। তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং দ্রুত সহায়তার আশ্বাস দেন।

    এ সময় কামাল পাশা মণ্ডল ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের জন্য সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

    এম কে

  • গাইবান্ধায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার

    গাইবান্ধায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার

    গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে ভাড়া বাসা থেকে ববিতা খাতুন (৩০) নামের এক নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী হারুন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    ডেস্ক নিউজঃ

    রোববার (২৯ মার্চ) ভোররাত ৪টার দিকে তাকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ারে আলম খান।

    গতকাল শনিবার (২৮ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলার ঢোলভাঙ্গা এলাকার আমালাগছি এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ববিতা বেগমের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এসময় ঘটনাস্থল থেকে কেটে ফেলা একটি পুরুষাঙ্গ পায় পুলিশ ।

    পুলিশ জানায়, পুরুষাঙ্গটি ববিতার স্বামী হারুন মিয়ার। একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে তারা জানতে পেরেছে , স্বামী স্ত্রীর ঝগড়াঝাটির এক পর্যায়ে ববিতা তার স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলে। পরে হারুন তার স্ত্রীকে হত্যা করে আহত অবস্থায় পালিয়ে যান। পরে আজ ভোররাতে রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হারুনকে গ্রেপ্তার করেন তারা।

    এ ঘটনায় আজ রোববার হত্যার শিকার ববিতা বেগমের মা হাসনা বেগম বাদি হয়ে হারুনকে প্রধান আসামি করে ৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৩ থেকে ৪ জনের বিরুদ্ধে পলাশবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামালা দায়ের করেন।

    পলাশবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  (ওসি) সারোয়ারে আলম খান বলেন, গলা কেটে হত্যার ঘটনায় ববিতা বেগমের পলাতক স্বামী হারুন মিয়াকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়া রুমে পাওয়া পুরুষাঙ্গটি হারুন মিয়ার।

    ওসি আরও জানান, হারুন মিয়া শঙ্কামুক্ত হলেও রক্তস্বল্পতা জনিত কারণে তার শরীরে রক্ত দেওয়া হচ্ছে। তিনি কোনো কথাই বলছেন না। সুস্থ হলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

    এসময় তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত ও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনসহ সার্বিক বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

    এম কে

  • এসিল্যান্ডের অভিযানে পালাতে গিয়ে ট্রাক্টর উল্টে ধানখেতে

    গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে পুকুর খননের মাটি বহনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক অভিযানের সময় পালাতে গিয়ে একটি ট্রাক্টর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধানখেতে উল্টে পড়েছে। এ সময় ট্রাক্টরের ধাক্কায় একটি মুরগির ঘর (খোয়ার) ভেঙে যায় এবং চালকসহ আশপাশের কয়েকজন অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান।

    ডেস্ক নিউজঃ

    শনিবার (৭ মার্চ) বিকেলে উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের উত্তর দামোদরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকায় সঞ্জয় কুমার নামে এক ব্যক্তি পুকুর খনন করছিলেন। খননকৃত মাটি ট্রাক্টর দিয়ে বহনের কারণে স্থানীয় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসীম উদ্দিন ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করেন।

    এ সময় প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে ট্রাক্টরচালক জাহাঙ্গীর আলম দ্রুত গাড়ি চালিয়ে এলাকা ছাড়ার চেষ্টা করেন। পালানোর সময় ট্রাক্টরটি রাস্তার পাশে আব্দুল মজিদ আকন্দের একটি মুরগির ঘরে (খোয়ার) ধাক্কা দিলে ঘরটি ভেঙে যায়। এ সময় খোয়ারের আশপাশে থাকা শিশুসহ কয়েকজন ব্যক্তি অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান।

    পরে ট্রাক্টরটি স্থানীয় এমদাদুল হকের বাড়ির সামনে পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের ভুট্রু মিয়ার ধানখেতে নামিয়ে দেন। এতে ট্রাক্টরটি উল্টে যায় এবং গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে চালক জাহাঙ্গীর আলম দ্রুত নেমে দৌড়ে পালিয়ে গিয়ে প্রাণে রক্ষা পান।

    এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসীম উদ্দিন বলেন, অভিযানের সময় ট্রাক্টরটি থামানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চালক নির্দেশ না মেনে দ্রুত গতিতে পালানোর চেষ্টা করলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় পড়েন।

    ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, পুকুর খনন ও মাটি বহনের কারণে গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অসন্তোষ ছিল।

    এম কে

  • গাইবান্ধার ব্র্যান্ডিং পণ্য ভুট্টায় বদলে যাচ্ছে চরাঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি

    গাইবান্ধার ব্র্যান্ডিং পণ্য ভুট্টায় বদলে যাচ্ছে চরাঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি

    উত্তরের নদীবিধৌত জেলা গাইবান্ধার চরাঞ্চলে সোনালি ভুট্টা চাষে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিতে। চরবাসীর কঠোর পরিশ্রম ও উর্বর পলিমাটির কারণে ভুট্টা এখন জেলার অন্যতম লাভজনক ফসলে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে বদলে যাচ্ছে কৃষকদের জীবনমান।

    ডেস্ক নিউজঃ

    জেলার সাতটি উপজেলাতেই ভুট্টা চাষ হলেও সদর, সাঘাটা, সুন্দরগঞ্জ ও ফুলছড়ি উপজেলার ১৬৫টি ছোট-বড় চরে সবচেয়ে বেশি আবাদ হচ্ছে। বর্তমানে হাজারো কৃষকের প্রধান জীবিকা হয়ে উঠেছে এই ফসল।

    কৃষি সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উর্বর পলিমাটি ও বিস্তীর্ণ জমি ভুট্টা চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় গত এক দশকে এ অঞ্চলে ভুট্টার আবাদ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। অন্যান্য ফসলের তুলনায় উৎপাদন খরচ কম এবং ফলন বেশি হওয়ায় কৃষকরা ভুট্টা চাষে ঝুঁকছেন। পাশাপাশি পোল্ট্রি ও মৎস্য খাদ্য শিল্পে চাহিদা থাকায় বাজারেও ভালো দাম পাওয়া যাচ্ছে।

    গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে জেলায় ১৭ হাজার ৮২৫ হেক্টর (১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৭ বিঘা) জমিতে ভুট্টা চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ২৩৬ হেক্টর বেশি এবং নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬৮৩ হেক্টর বেশি।

    উপজেলাভিত্তিক হিসাবে সদরে ১,১৯০ হেক্টর, সাদুল্লাপুরে ১,১০০, পলাশবাড়ীতে ১,০০০, গোবিন্দগঞ্জে ১,৩৮৫, সাঘাটায় ২,০০৫, সুন্দরগঞ্জে ৪,৪০৫ এবং ফুলছড়িতে ৫,৯৪০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৬৮২ মেট্রিক টন।

    সম্প্রতি ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের চর রসুলপুর, গুপ্তমনি, উরিয়া ইউনিয়নের রতনপুর ও কাবিলপুর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সবুজে ভরা ভুট্টাক্ষেত। অধিকাংশ জমিতে গাছে কলা এসেছে, যা ভালো ফলনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। কৃষকরা সেচ ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

    স্থানীয় কৃষকদের মতে, এক বিঘা জমিতে ভুট্টা চাষে খরচ হয় প্রায় ১৫ থেকে ১৮ হাজার টাকা। আর উৎপাদন হয় ৩৫ থেকে ৪০ মণ। গত বছর প্রতি মণ ভুট্টা বিক্রি হয়েছে প্রায় ১,১৫০ টাকায়। ফলে খরচ বাদ দিয়েও উল্লেখযোগ্য লাভ করা সম্ভব।

    চরের কৃষক মাজের আলী বলেন, চার বিঘা জমিতে ভুট্টা লাগিয়েছি। সবই বর্গা নেওয়া। এই ফসলই আমাদের পরিবারের একমাত্র ভরসা।

    আরেক কৃষক ফুল মিয়া জানান, ভুট্টা লাভজনক ফসল। গাছ কাঁচা অবস্থায় গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে এবং শুকনা অবস্থায় জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।

    কৃষকদের দাবি, চরাঞ্চলে আধুনিক সংরক্ষণাগার ও গুদাম নির্মাণ করা হলে ফসল দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি চরভিত্তিক বাজার বা সংগ্রহ কেন্দ্র গড়ে তোলারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

    গাইবান্ধার কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক সাদেকুল ইসলাম বলেন, উন্নত জাতের বীজ, প্রশিক্ষণ ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে ভুট্টার উৎপাদন বাড়ছে। এটি লাভজনক হওয়ায় চরাঞ্চলে এর আবাদ প্রতিবছরই বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

    তিনি আরও জানান, উৎপাদিত ভুট্টা দেশের বিভিন্ন ফিড মিল ও খাদ্য শিল্পে সরবরাহ হওয়ায় এর চাহিদাও বাড়ছে।

    অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) যাদব সরকার বলেন, কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। গাইবান্ধার চরাঞ্চলের কৃষকরা জেলার অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। ভুট্টা ও মরিচ এই জেলার ব্র্যান্ডিং পণ্য। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো উচ্চ পর্যায়ে জানানো হবে।

    এম কে

  • ভালোবাসায় বিদায়

    ভালোবাসায় বিদায়

    ডেস্ক নিউজঃ

    ভালোবাসা দিবসে প্রিয় শিক্ষককে জাঁকজমক আয়োজনে বিদায় জানিয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। ফুল দিয়ে সাজানো ছাদখোলা মাইক্রোবাসে করে তাঁকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়। পেছনে ছিল শতাধিক মোটরসাইকেলের বহর—যা চোখে পড়ার মতো দৃশ্য। গতকাল শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নের কাশুয়া খাদেমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ আয়োজন করা হয়।

    সম্প্রতি অবসর নেওয়া বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ইউসুফ আলীকে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজনে বিদায় জানান প্রায় ৫০০ প্রাক্তন শিক্ষার্থী।

    দুপুরে বিদ্যালয় মাঠে বিদায়ী সংবর্ধনা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদিন। বক্তব্য দেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, কাদিহাট উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুলতান আলী মানিক, বালিয়াহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জিল্লুর রহমানসহ আশপাশের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা।

    বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ইউসুফ আলী।

    তিনি বলেন, ‘জীবনের শেষ সময়ে এত ভালোবাসায় বিদায় পাব, তা স্বপ্নেও ভাবিনি। শিক্ষার্থীদের জন্য জীবনের সর্বোচ্চ দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’

    এম কে

  • আসামি ধরতে গিয়ে হার্ট অ্যাটাকে এএসআইয়ের মৃত্যু

    আসামি ধরতে গিয়ে হার্ট অ্যাটাকে এএসআইয়ের মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজঃ

    ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি ধরতে গিয়ে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে শহিদুল ইসলাম শহীদ (৪০) নামে এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মারা গেছেন। গতকাল রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার ভোমরাদহ ইউনিয়নের সেনুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    মৃত শহিদুল ইসলাম পীরগঞ্জ থানায় কর্মরত ছিলেন।

    থানা-পুলিশ সূত্র জানায়, রোববার গভীর রাতে পীরগঞ্জ থানার পুলিশের একটি দল ওয়ারেন্টের আসামি ধরতে উপজেলার সেনুয়া গ্রামে অভিযানে যান। সেখানে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের গাড়িতে তোলার সময় এএসআই শহিদুল ইসলাম হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন। পরে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, আসামি ধরার পর গাড়িতে ওঠার সময় এএসআই শহিদুল অসুস্থবোধ করেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তানজিনা এএসআই শহিদুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

    এম কে

  • ঠাকুরগাঁওয়ে নিয়োগ পরীক্ষার খাতা ছিনতাই, বিএনপির ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    ঠাকুরগাঁওয়ে নিয়োগ পরীক্ষার খাতা ছিনতাই, বিএনপির ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার মেদনিসাগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ পরীক্ষার খাতা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দীনসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ৩০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

    ডেস্ক নিউজঃ

    শুক্রবার  রাতে কলেজটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদ বাদী হয়ে হরিপুর থানায় মামলাটি করেন। শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হরিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হাকিম আজাদ।

    আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- হরিপুর উপজেলার বশলগাঁও এলাকার মৃত শামসুল হকের ছেলে ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিন, ভবান্দপুর এলাকার মতিউর রহমানের ছেলে বিএনপি নেতা মোকলেসুর রহমান, তোররা এলাকার গোলাম মোস্তফার ছেলে বিএনপি নেতা এরফান আলী, ভবান্দপুর এলাকার মতিউর রহমানের ছেলে বিএনপি নেতা মো. ফারুক, ভটা মোহাম্মদের ছেলে মাসুদ রানা এবং মশানগাঁও এলাকার কুদ্দুস আলীর ছেলে মো. উজ্জ্বলসহ আরও কয়েকজন।

    এর আগে শুক্রবার বিকেলে হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে মেদনিসাগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা শেষে উত্তরপত্র যাচাইয়ের সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দীনসহ কয়েকজন নেতাকর্মী ইউএনও’র কক্ষে প্রবেশ করে হট্টগোল শুরু করেন পরীক্ষার খাতা নিয়ে যায়।

    হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম জানান, সব কার্যক্রম নিয়ম অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছিল। হঠাৎ করে কয়েকজন এসে তার কক্ষে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন এবং একপর্যায়ে মব সৃষ্টি করে নিরীক্ষকদের কাছ থেকে পরীক্ষার কাগজপত্র ছিনিয়ে নিয়ে যান।

    অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দীন বলেন, নিয়োগ পরীক্ষায় টাকা লেনদেনের একটা বিষয় নিয়ে ইউএনও সাহেবকে অবগত করতে গিয়েছিলাম। এ সময় ইউএনও আমাদের কথা আমলে না নিলে আমাদের ছেলেরা কাগজপত্র নিয়ে চলে আসেন। পরবর্তীতে আবারো সেগুলো দিয়ে আসা হয়েছে।

    মেদনিসাগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের অধ্যক্ষ হারুনুর রশিদ বলেন, আয়া ও পরিছন্নতাকর্মী পদে আটজন লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। পরীক্ষা শেষে আমরা ইউএনও স্যারের রুমে বসেছিলাম। সেখান থেকে আমাদের সব কাগজপত্র ছিনিয়ে নিয়ে গেছেন। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য থানায় যাচ্ছি।

    এ বিষয়ে হরিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হাকিম আজাদ বলেন, মেদনিসাগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদ রাতে ওই ঘটনায় হরিপুর থানায় মামলা করেছেন। মামলার তদন্ত অব্যাহত আছে। যারা প্রকৃতপক্ষে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    এম কে