ক্যাটাগরি রংপুর বিভাগ

  • আত্মগোপনে চেয়ারম্যান অদৃশ্যভাবে চলছে ইউপি, জনদুর্ভোগ চরমে

    আত্মগোপনে চেয়ারম্যান অদৃশ্যভাবে চলছে ইউপি, জনদুর্ভোগ চরমে

    • ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আত্মগোপনে থেকে চালাচ্ছেন পরিষদের কার্যক্রম। ট্রেড লাইসেন্স, জন্মনিবন্ধন সনদ, নাগরিক সেবাসহ পরিষদের কাগজপত্র গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিয়ে স্বাক্ষর নিয়ে কোনো রকমে চলছে পরিষদের কার্যক্রম। অন্যদিকে কাগজে-কলমে গ্রাম আদালত পরিচালনা হলেও বাস্তবে পরিষদ থাকে বন্ধ। জনগণের সেবায় পরিষদের চেয়ারম্যানের উপস্থিতি থাকা বাধ্যতামূলক হলেও দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থেকে অদৃশ্যভাবে চালানো হচ্ছে পরিষদ। ফলে কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। চিত্রটি নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়ন পরিষদের।গত বৃহস্পতিবার দুপুরে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সচিব, ইউপি সদস্য, গ্রাম আদালত পরিচালনার রুম তালাবদ্ধ। দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত সেখানে অবস্থানকালে পরিষদের রুমগুলো বন্ধ পাওয়া যায়। এসময় শুধু অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরের রুম খোলা পাওয়া যায়।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চাঁদখানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান যাদু মিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ফ্যাসিস্ট সরকার পালিয়ে গেলে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম অদৃশ্য স্থান থেকে পরিচালনা করছেন। তিনি এক বছর ধরে পরিষদে আসেন না। তবে পরিষদের কাগজপত্র একজন গ্রাম পুলিশকে দিয়ে তার কাছে পাঠিয়ে দিয়ে স্বাক্ষর নেয়া হয়।গ্রাম আদালত পরিচালনা নেই বললে চলে। ট্রেড লাইসেন্স, জন্মনিবন্ধনসহ নাগরিক সেবার কাগজপত্রে জনগণকে বুড়িরহাটে গিয়ে স্বাক্ষর নিয়ে আসতে হয়। ফলে কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়াসহ জনগণের দুর্ভোগ বেড়েছে। চেয়ারম্যান মাঝে মধ্যে পরিষদের এলেও পাঁচ থেকে দশ মিনিটের বেশি থাকেন না বলে জানা গেছে। এছাড়া তিনি উপজেলা পরিষদের মাসিক সভা, আইনশৃঙ্খলা সভাসহ অন্যান্য সভায় রয়েছেন প্রায় ৮ মাস ধরে অনুপস্থিত। তবু তিনি রয়েছেন বহালতবিয়তে।ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকাবাসী একরামুল জানান, চেয়ারম্যান অনেক দিন ধরে অফিসে আসে না। ফলে জনগণের ভোগান্তি বেড়েছে। জনগণ যেখান থেকে সেবা পাওয়ার কথা, সেখান থেকে পাচ্ছে ভোগান্তি। দূরদূরান্ত থেকে লোকজন এসে যখন দেখছেন পরিষদে চেয়ারম্যান নেই, তখন তাদের বুড়িরহাটে চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়।গ্রাম পুলিশ আব্দুল ওহাবকে কাগজপত্রে স্বাক্ষর নিয়ে আসার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি স্বীকার করে বলেন, আমি কাগজপত্র চেয়ারম্যান সাহেবে যেখানে থাকে, সেখানে গিয়ে স্বাক্ষর নিয়ে আসি। আমাকে সচিব কাগজ দেন, আমি স্বাক্ষর নিয়ে আসি।হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মোর্শেদুল হক বলেন, আমরা জনগণকে সেবা দিচ্ছি। প্রথমে চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতির বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে তিনি তা স্বীকার করেন। অফিসের সব রুমে তালাবদ্ধ, কেউ কি অফিসে আসেন না, জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, সচিব ম্যাডাম কিছুক্ষণ আগে চলে গেছেন। গ্রাম আদালতের সব মামলা মীমাংসার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। তাই আজ গ্রাম আদালত বসেনি। নাগরিক সনদে স্বাক্ষর নেয়া রয়েছে, জনগণ এলে দেয়া হয়। ট্রেড লাইসেন্স, জন্মনিবন্ধনসহ অন্যান্য নাগরিক সেবার জন্য চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়। চেয়ারম্যান না আসায় ট্রেড লাইসেন্সসহ নাগরিক সেবায় একটু হলেও ভোগান্তি হচ্ছে।ইউপি সচিব আনোয়ারা বেগম জানান, চেয়ারম্যান মাঝে মধ্যে আসেন। জনগণের অতি প্রয়োজন হলে বুড়িরহাটে তার নিজস্ব অফিসে পাঠানো হয়। নাগরিক সেবা দেয়া হচ্ছে। আমি অফিস থেকে কিছুক্ষণ আগে বাড়ি এসেছি।উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রীতম সাহা জানান, নাগরিক সেবা বঞ্চিত হচ্ছে, ভোগান্তি হচ্ছে এ রকম অভিযোগ আমাকে এখন পর্যন্ত কেউ দেয়নি। উপজেলা পরিষদের সভায় তিনি প্রতিনিধি পাঠান। ওই চেয়ারম্যানের সাথে এখন পর্যন্ত আমার দেখা হয়েছে বলে মনে পড়ে না। অফিস সময়ে ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান-ইউপি সদস্যদের উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। কেন অফিস বন্ধ থাকে, কেন তিনি উপস্থিত থাকছেন না, এ ব্যাপারে খোঁজ-খবর নেয়া হচ্ছে।

  • চৌগাছা সীমান্ত দিয়ে নারী-শিশুসহ ৯ বাংলাদেশি পুশব্যাক

    চৌগাছা সীমান্ত দিয়ে নারী-শিশুসহ ৯ বাংলাদেশি পুশব্যাক

     

    চৌগাছা  প্রতিনিধি:

    যশোরের চৌগাছা উপজেলার মাশিলা সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ নয় বাংলাদেশিকে পুশব্যাক করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। রবিবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে ভারতের বয়রা বিএসএফ ও বাংলাদেশের মাশিলা বিজিবি ক্যাম্পের মধ্যে পতাকা বৈঠকের পর তাদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পাঠানো হয়।

    পুশব্যাক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ফুড়িয়াখালি গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক খান (৪৭), তার স্ত্রী খাজিদা আক্তার (৩৫) ও ছেলে মাস্টার আব্দুল্লাহ খান (৮), সিলেট সদর উপজেলার ইয়াসমিন খাতুন (৩০), গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার রাজিয়া বেগম (৩০), ময়মনসিংহ সদর উপজেলার কাজল লিপি (৪৫), দিনাজপুরের বিরল উপজেলার লিটন খান (২৪), বোচাগঞ্জ উপজেলার সুনিল টুডু (২৬) ও জাহাঙ্গীর হোসেন (২২)।

    ৪৯ মাশিলা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার ফরিদ উদ্দিন বলেন, ভারতের বহেরা সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফ বিকেলে নয়জন বাংলাদেশিকে হস্তান্তর করে। পরে তাদের চৌগাছা থানা হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।

    পুশব্যাক হওয়া আব্দুর রাজ্জাক খান জানান, তারা কেউ ভারতের গোয়ায়, কেউ হরিয়ানায় ও কেউ উত্তরখণ্ডে কাজ করতেন। সেখান থেকে বিএসএফ তাদের আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যায় এবং পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়।

    চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, সন্ধ্যায় নয়জন বাংলাদেশিকে পুশব্যাকের মাধ্যমে থানায় আনা হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশের আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

  • বীরগঞ্জে হত্যা মামলায় ৬ আ.লীগ নেতা কারাগারে

    বীরগঞ্জে হত্যা মামলায় ৬ আ.লীগ নেতা কারাগারে

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

    দিনাজপুরের বীরগঞ্জে শিবির কর্মী সালাউদ্দীন ও আসাদুল ইসলাম হত্যা মামলায় আ.লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুর ইসলাম নূর (৫৪), সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এমএ খালেক (৫৬) ও রেজাউল করিম শেখ (৫২)সহ ৬ নেতাকে কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত

    গ্রেপ্তারকৃত অন্যরা হলেন শতগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি অব. প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা (৬২), মো. আমিনুল ইসলাম (৫৫) ও যুবলীগ মরিচা ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক শফিউল আজম (৪৫)। বিকেলে তাদেরকে দিনাজপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. আমিনুল ইসলাম।

    সূত্র মতে জানা যায়, গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর বীরগঞ্জ উপজেলার ভগিরপাড়া গ্রামের আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী জহুরা বেগম বাদী হয়ে বীরগঞ্জ থানায় তার দুইপুত্রের হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য মনোরঞ্জনশীল গোপালসহ ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও প্রায় শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।

    এজাহারে বলা হয়, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন বীরগঞ্জের ভেলাপুকুর এলাকায় আসামিদের হামলায় শিবির কর্মী সালাউদ্দিন (১৬) ও আসাদুল হক (১৫) গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনই মারা যায়। তৎকালীন সময়ে পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায় কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছর মামলাটি দায়ের করা হয়।

    বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল গফুর জানান, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং ইতোমধ্যে বেশ  কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • গ্রামীণ ঐতিহ্য; বড়শিতে মাছ ধরা

    গ্রামীণ ঐতিহ্য; বড়শিতে মাছ ধরা

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে একসময় বর্ষার পানি নামতে শুরু করলেই গ্রামের জলাশয়ে সারি সারি বাঁশের কঞ্চি আর পাটখড়িতে বাঁধা বড়শি পুঁতে রাখতেন জেলে ও কৃষকেরা। নল বড়শি নামে পরিচিত মাছ ধরার এই চিরায়ত পদ্ধতি এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। আধুনিক জাল-ফাঁদের প্রসার আর জলাশয় হারানোর ফলে গ্রামীণ জীবনের এই পরিচিত দৃশ্য আর চোখে পড়ে না।

    স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্ষা কিংবা শরৎকালে শুকনো পাটখড়ি বা চিকন বাঁশের কঞ্চিতে সুতা ও বড়শি বেঁধে জলাশয়ে গেঁথে রাখা হতো। বাড়তি খরচ ছিল না, জটিল কোনো সরঞ্জামেরও প্রয়োজন পড়ত না। এই সহজ পদ্ধতিতে শোল, বোয়াল, টাকি, আইড়সহ নানা দেশি মাছ ধরা যেত।

    ফুলবাড়ীর পশ্চিম ফুলমতি বারোমাসিয়া নদীর মাছ ব্যবসায়ী আজিবর রহমান জানান, তিনি প্রতিদিন সন্ধ্যায় কয়েক ডজন নল বড়শি বসান। ভোরে তুলে দেখেন কোনদিন একটা মাছ পান, কোনদিন একটাও না। নল বড়শি আর নেট জাল দিয়ে কোনোরকমে সংসার চলে তার।

    সীমান্তঘেঁষা কুরুষাফেরুষা এলাকার কৃষক ধীরেন্দ্র নাথ রায় বলেন, কমপক্ষে বিশ বছর পর নল বড়শির কথা শুনলেন। আগে দোলায় করে নিয়ে গিয়ে মাছ তুলতেন। এখন খাল-ডোবা নেই, মাছ নেই — নল বড়শি এখন ইতিহাস।

    আরেক কৃষক দেলোয়ার হোসেন জানান, ছোটবেলায় শত শত নল বড়শি নিয়ে বের হতেন। চ্যাং, চ্যাংটি, শোল, মাগুর — কত দেশি মাছ ধরতেন। এখন সেসব নেই বললেই চলে।

    ফুলবাড়ী উপজেলার ধরলা, বারোমাসিয়া ও নীলকমল নদী এবং শিমুলবাড়ী ও ভাঙ্গামোড় অঞ্চলের বিল-খালে একসময় নল বড়শির ব্যাপক ব্যবহার থাকলেও মাছের সংকটে এখন তা অনেকটাই সীমিত হয়ে এসেছে। নতুন প্রজন্মের অনেকে এই নামই শোনেনি।

  • চৌগাছায় জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা

    চৌগাছায় জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা

    চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বুধবার উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য করেন উপজেলা কৃষি অফিসার মুসাব্বির হোসেন। উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মেহেদী হাসানের পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রকৌশলী তাসমিন জাহান, চৌগাছা  উপজেলা জামায়াতের আমীর  মাওলানা গোলাম মোরশেদ, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের উপজেলা আমীর মাওলানা আনিছুর রহমান, চৌগাছা উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও সাবেক প্যানেল মেয়র মাষ্টার কামাল আহমেদ, পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুল খালেক, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র নেতা বি এম রাশেদুল ইসলাম রিতম, এ বি পার্টির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক রিপন মাহমুদ, প্রেসক্লাব চৌগাছার সেক্রেটারি আজিজুর রহমান প্রমুখ।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী শিক্ষক মন্ডলী,উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও সুধীমন্ডলী। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবস টি পালন করা হয়। ২০২৪ সালে ১৬ জুলাই তারিখে জুলাই বিপ্লবের অন্যতম শহীদ রংপুর রোকেয়া বিশ্বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।