ক্যাটাগরি রংপুর বিভাগ

  • নবাবগঞ্জে ৭০০ মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

    নবাবগঞ্জে ৭০০ মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

    ডেস্ক নিউজঃ

    দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে শীতার্ত মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে উপজেলা জামায়াতে ইসলামী যুব বিভাগ। রিনাইসেন্স ডিজাইন লিমিটেডের সহযোগিতায় শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ৯টায় হালুয়াঘাট মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার মোট ৭০০ শিক্ষার্থীর হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেওয়া হয়, যা পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের ঝলক ফুটে ওঠেশীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি সেলিম রেজা, বিনোদনগর ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি আরিফুল ইসলাম, এবং রিনাইসেন্স ডিজাইন লিমিটেডের প্রতিনিধিরা।

    আর আই খান

  • বাস-ইজিবাইকের সংঘর্ষে  ৪ জন নিহত

    বাস-ইজিবাইকের সংঘর্ষে ৪ জন নিহত

    বিডিনিউজ ডেক্স : দিনাজপুরে মিনিবাসের সঙ্গে ইজিবাইকের সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আরও ৪ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

    শনিবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে দিনাজপুর–দশমাইল হাইওয়ের নদিনাজপুরে বাস-ইজিবাইক সংঘর্ষে একই পরিবারের ৪ জন নিহত। হাইওয়ের নশিপুরে গণগবেষণা কেন্দ্র সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি কোতয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান জানান, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে দিনাজপুর–দশমাইল মহাসড়কের নশিপুর গবেষণা ইনস্টিটিউটের সামনে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী মিনিবাস ইজিবাইকটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই চার যাত্রীর মৃত্যু হয়। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে।

  • বিচারকের ছেলের হত্যাকারী আটক

    বিচারকের ছেলের হত্যাকারী আটক

    ডেস্ক নিউজ :

    রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ (জেলা জজ) আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবদুর রহমানের ভাড়া বাসায় ঢুকে তার স্কুল পড়ুয়া ছেলে তাওসিফ রহমান সুমনকে (১৮) ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে লিমন মিয়া নামে এক যুবক।

    বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে এ হামলায় বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসী গুরুতর আহত হয়েছেন। অজ্ঞান অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    এর আগে ওই যুবক বাড়ির ফটকে নিরাপত্তাকর্মীদের জজের স্ত্রীর ভাই পরিচয় দিয়ে প্রবেশ করে। হত্যার ঘটনার পর জ্ঞান হারিয়ে পড়ে ছিলেন হত্যাকারী লিমন। পরে তাকে আটক করেছে পুলিশ। আটক লিমন মিয়ার (৩৫) বাড়ি গাইবান্ধার ফুলছড়ি এলাকায়।

    রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) কমিশনার আবু সুফিয়ান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, হামলাকারী যুবকও বিচারক পরিবারের পূর্বপরিচতি বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে লিমন বিচারকের বাসায় প্রবেশ করে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। ধারাল অস্ত্রের কোপে তাওসিফ রহমান সুমন গুরুতর আহত হন। আহত অবস্থায় বিচারকের ছেলে ও স্ত্রী তাসমিন নাহারকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে সুমনকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। ঘটনা সময় বিচারক আবদুর রহমান বাসায় ছিলেন না। খবর পেয়ে তিনি হাসপাতালে ছুটে যান।

    এদিকে হামলাকারী যুবক লিমন মিয়াও আহত অবস্থায় এখন রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। আরএমপির মুখপাত্র ও উপকমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, সেখানে দুপক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে লিমনও আহত হন।’

    রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার আবু সুফিয়ান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে তদন্তকারী দল কাজ করছে। হত্যার কারণ এখনো স্পষ্ট নয়, তবে প্রাথমিকভাবে পারিবারিক বা ব্যক্তিগত শত্রুতার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, হামলাকারী লিমন মিয়া যেহেতু অজ্ঞান অবস্থায় আছে, তাই এখনই কী কারণে এটি ঘটেছে—সেটি বলা যাচ্ছে না। আমরা তদন্ত করছি।’

    গত ৬ নভেম্বর সিলেটের সুরমা থানায় একটি জিডি করেছিলেন বিচারকের স্ত্রী লুসি। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, লিমন মিয়ার সঙ্গে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনে তার পরিচয় হয়। এরপর তার দারিদ্রতার কারণে লিমনকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করতেন লুসি। একপর্যায়ে সহযোগিতা করা বন্ধ করে দিলে লিমন আরও টাকা দাবি করেন। কিন্তু টাকা দিতে অস্বীকার করলে লিমন গত ৩ নভেম্বর তাকে সপরিবারে হত্যার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় তিনি সিলেটের সুরমা থানায় নিরাপত্তা শঙ্কার কথা জানিয়ে লিমনের বিরুদ্ধে জিডি করেছিলেন।

    বি/এ

  • ভোটকে এত ভয় কেন? জামায়াতকে মির্জা ফখরুলের প্রশ্ন

    ভোটকে এত ভয় কেন? জামায়াতকে মির্জা ফখরুলের প্রশ্ন

    ডেস্ক নিউজ :

    ভোটকে ভয় পাচ্ছে বলেই আনুপাতিক ভোট বা পিআরসহ নানা দাবিতে জামায়াতে ইসলামী নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    মঙ্গলবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও কিশমত কেশুর বাড়ি লক্ষীরহাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিএনপি আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

    ভোটকে ভয় পাচ্ছে বলেই আনুপাতিক ভোট বা পিআরসহ নানা দাবিতে জামায়াতে ইসলামী নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    মঙ্গলবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও কিশমত কেশুর বাড়ি লক্ষীরহাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিএনপি আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

    নির্বাচন পেছানোর কোনো সুযোগ নেই উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ভাই, ভোটকে এত ভয় পাচ্ছ কেন? নিজেদের অস্তিত্ব থাকবে না, এটা জানে বলেই অযৌক্তিক কর্মসূচি দিচ্ছে জামায়াত।

    ​বিএনপি মহাসচিব বলেন, নির্বাচন যদি আর পিছিয়ে দেওয়া হয়, তবে বাংলাদেশ ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হবে। সংস্কারের বিষয়ে যে বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি, তার বাইরে কিছু জোর করে চাপিয়ে দিলে এর সমস্ত দায় সরকারকেই নিতে হবে। একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে নারীদের কাছে ধর্মের অপব্যাখ্যা দিচ্ছে। যারা মুনাফেকি করে, তাদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।

    ক্ষমতায় এলে ১৫ মাসে এক কোটি বেকারের কর্মসংস্থান ​তিনি প্রতিশ্রুতি দেন। পাশাপাশি ‘আমরা বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ স্বাধীন করতে চাই’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    এছাড়া, জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর একমত হওয়া বিষয়গুলোর বাইরে, কোনো কিছু চাপিয়ে না দিতে সরকারকে আহ্বান জানান তিনি। ফখরুল ইসলাম আরো বলেন, দীর্ঘ নয় মাস আপনি যে সংস্কারের নাম করে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথাবার্তা বললেন এবং একটা একমত হলেন অনেকগুলো বিষয়ে। সেই একমত হওয়া বিষয়গুলোর বাইরে আপনি কোনো কিছু যদি চাপায় দিতে চান এদেশের মানুষের ওপর, তাহলে সব দায়দায়িত্ব আপনার।
    বি/এ

  • আসন কমলো সরকারি মেডিকেল কলেজে

    আসন কমলো সরকারি মেডিকেল কলেজে

    ডেস্ক নিউজ :

    দেশের ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ৩৫৫টি আসন কমানো হয়েছে। তবে তিনটি কলেজে ৭৫টি আসন বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে চূড়ান্তভাবে আসন কমেছে ২৮০ এবং সরকারি মেডিকেল কলেজে মোট আসন নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ১০০টি।

    সোমবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের (চিকিৎসা শিক্ষা-১) সিনিয়র সহকারী সচিব সঞ্জীব দাশ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর আসন পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। এই পরিবর্তনের পর মোট আসন সংখ্যা নির্ধারণ হয়েছে ৫ হাজার ১০০টি। আসন কমানোর সঙ্গে সঙ্গে তিনটি কলেজে কিছুটা আসন বৃদ্ধি করা হয়েছে, ফলে মোট আসন কমেছে ২৮০টি।

    পুনর্বিন্যাসে ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, সিলেট এমএজি ওসমানী, বরিশাল শের-ই-বাংলা, ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে ২৫টি করে আসন কমানো হয়েছে। এছাড়া শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে ২৩০ থেকে কমিয়ে ২২৫টি আসন নির্ধারণ করা হয়েছে।

    হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের আসন কমিয়ে ৫০ করা হয়েছে। নেত্রকোনা, নীলফামারী, নওগাঁ, মাগুরা ও চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের আসনও ২৫ করে কমিয়ে ৫০ করা হয়েছে। অন্যদিকে তিনটি কলেজে আসন বৃদ্ধি করা হয়েছে। শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ এবং টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজে ২৫ করে বাড়িয়ে ১২৫ এবং পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে ২৫ বাড়িয়ে ১০০ আসন নির্ধারণ করা হয়েছে।

    অন্যান্য সরকারি মেডিকেল কলেজের আসন অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। কুমিল্লা, খুলনা, বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান, ফরিদপুর ও দিনাজপুর মেডিকেল কলেজে ২০০টি করে আসন রয়েছে। পাবনা, নোয়াখালী, কক্সবাজার, যশোর, সাতক্ষীরা, কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম, কুষ্টিয়া, জামালপুর এবং মুগদা মেডিকেল কলেজে ১০০টি করে আসন। গোপালগঞ্জ ও মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজে ১২৫টি করে এবং সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজে ৭৫টি আসন নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বি/এ

  • চলনবিলের শুটকি যাচ্ছে দেশ-বিদেশে, ব্যস্ত সময় পার করছেন ব্যবসায়ীরা

    চলনবিলের শুটকি যাচ্ছে দেশ-বিদেশে, ব্যস্ত সময় পার করছেন ব্যবসায়ীরা

    বন্যার পানি কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মৎস্যভাণ্ডারখ্যাত চলনবিল এলাকার তাড়াশ ও উল্লাপাড়ায় শুটকি তৈরির ধুম পড়ে গেছে। শুটকি উৎপাদনের লক্ষ্যে এ অঞ্চলের তিন শতাধিক চাতালে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রতি বছরের মতো এবারও শুরু হয়েছে দেশীয় প্রজাতির মাছ দিয়ে শুটকি তৈরির প্রক্রিয়া। সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলতি মৌসুমে প্রায় ২৭৫.৮০ মেট্রিক টন শুটকি উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    শুটকি ব্যবসায়ী সূত্রে জানা গেছে, প্রতিমণ কাঁচা মাছ ৪ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকায় কেনা হয়। তাড়াশের ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ৩ কেজি কাঁচা মাছ থেকে প্রায় ১ কেজি শুটকি তৈরি হয়। উৎপাদিত শুটকি মাছ প্রকারভেদে ১২ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা মণ দরে পাইকারি বিক্রি করা হয়।

    ব্যবসায়ীরা জানান, বর্ষা মৌসুমে চলনবিলে প্রচুর মাছ ধরা পড়ে। সকাল বা বিকেলে স্থানীয় আড়ত থেকে এসব মাছ কিনে এনে চাতালে শুকিয়ে শুটকি তৈরি করা হয়। চলতি বছর অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে শুটকি উৎপাদন শুরু হয়েছে। এ অঞ্চলের প্রতিটি চাতালে ১০ থেকে ১৫ জন নারী-পুরুষ শ্রমিক কাজ করছেন, যার মধ্যে নারীরাই বেশি দক্ষ বলে জানা গেছে।

    চলনবিলে শুটকি তৈরির কাজ শুরু হলেও বাজারজাত হতে আরও মাসখানেক সময় লাগবে। শুকনো মৌসুমে এসব শুটকি দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হয়। স্থানীয় পাইকাররা জানান, এখানকার উৎপাদিত শুটকির বেশিরভাগই সৈয়দপুর আড়তে যায়।

    তাড়াশ এলাকার শুটকি ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম ও মোফাজ্জল হোসেন জানান, এবার শুটকি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। চলনবিলে যত্রতত্র পুকুর খনন এবং বন্যা কম হওয়ায় পর্যাপ্ত মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। তারা বলেন, গত বছর ৩০ থেকে ৩২ মেট্রিক টন শুটকি তৈরি হলেও এবার ১০ থেকে ১২ মেট্রিক টনের বেশি উৎপাদন সম্ভব নয়।

    চাতালের নারী শ্রমিকদের অভিযোগ, তারা চরম মজুরি বৈষম্যের শিকার। একজন নারী শ্রমিক দিনে ২৫০ টাকা পান, যেখানে পুরুষ শ্রমিকদের মজুরি ৫০০ টাকা এবং তিন বেলা খাবার দেওয়া হয়। কিন্তু নারী শ্রমিকদের কোনো খাবার দেওয়া হয় না।

    উল্লাপাড়া উপজেলার বড়পাঙ্গাসীর হাছেন আলী বলেন, বর্ষাকালে মাছের আমদানি বেশি হয়। এলাকার হাট-বাজার থেকে মাছ কিনে এনে তারা শুটকি তৈরি করেন। এখানকার শুটকি মাছ সৈয়দপুর, জয়পুরহাট, রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন মোকাম বাজারে পাইকারি বিক্রি হয়।

    চাতালের নারী শ্রমিক হাফিজা ও শাহিনুর জানান, সংসারের বাড়তি আয়ের জন্য তারা মাছ বাছাইয়ের কাজ করেন। দিনে ছয় থেকে সাত ঘণ্টা কাজের বিনিময়ে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা মজুরি পান।

    তাড়াশ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মোকারম হোসেন বলেন, ইতিমধ্যেই শুটকি উৎপাদন শুরু হয়েছে। তবে এ বছর মাছের সরবরাহ আগের তুলনায় কিছুটা কম। তিনি জানান, চলতি মৌসুমে ৭০ থেকে ৮০ মেট্রিক টন শুটকি উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে।

    উল্লাপাড়া উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান জানান, বর্তমানে এখানে ৩০–৩৫টি চাতালে শুটকি উৎপাদন চলছে। প্রতিবছর এ উপজেলায় প্রায় ৮০ থেকে ১০০ মেট্রিক টন শুটকি উৎপাদিত হয়। এখানকার শুটকির চাহিদা দেশের বিভিন্ন মোকাম বাজারে রয়েছে। উৎপাদিত শুটকি ঢাকা ও নীলফামারীতেও পাঠানো হয়।

    সিরাজগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান জানান, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত শুটকি উৎপাদনের জন্য ব্যবসায়ীদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে এবং নিয়মিত মনিটরিং চলছে। সিরাজগঞ্জের শুটকির চাহিদা শুধু দেশেই নয়, বিদেশেও রয়েছে। এখানকার শুটকি নীলফামারী আড়ত হয়ে ভারতসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়।

  • পনেরো বছরের জঞ্জাল ১৫ মাসে পরিষ্কার করা যায় না: ধর্ম উপদেষ্টা

    পনেরো বছরের জঞ্জাল ১৫ মাসে পরিষ্কার করা যায় না: ধর্ম উপদেষ্টা

    অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকালে ১৫ মাসে যথেষ্ট সফলতা আছে, তবে ১৫ বছরের জঞ্জাল ১৫ মাসে পরিষ্কার করা সম্ভব নয়। তারপরও আমি একটি ‌‌‘ট্রা‌ন্সপারেন্ট গভর্নমেন্ট প্রশাসন’ স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছি।

    শুক্রবার ( ৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পঞ্চগড়ের জালাসী এলাকায় পঞ্চগড় দারুল উলুম মদিনাতুল ইসলাম মাদরাসা মাঠে জেলার তৌহিদী জনতার উদ্যোগে আজিমুশ্বান শানে রিসালাত সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন

    তিনি বলেন, আমাদের সরকারের বয়স ১৫ মাস। আমরা বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছি। হজ্জ ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন এনেছি। মডেল মসজিদ রযেগুলো নির্মাণে দুর্নীতি অথবা অনিয়ম আছে, এগুলোর জন্য আমরা পাওয়ার ফুল কমিটি গঠন করেছি। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বেশ কিছু অনিয়ম ছিল। আমরা একজন সাবেক বিচারপতির নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করেছিলাম। কালকে আমাকে রিপোর্ট দিয়েছেন এবং ওনার েতদন্ত অনুযায়ী আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নিবো।

    তিনি আরও বলেন, হজে টাকা ফেরত দিয়েছি ৩৯ কোটি টাকা। যেগুলো এজেন্সির টাকা সৌদি আরবে ছিল। আমার মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতির কোনো স্কোপ নেই। আমি নিজেও দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নই। আমার অফিসারাও যাতে দুর্নীতিমুক্ত হয়ে থাকে, আমি যথেষ্ট সোচ্চার আছি।সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মাওলানা আব্দুল হান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল আলম, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ইকবাল হোসাইন, সেক্রেটারি মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সভাপতি আব্দুল হাই, সহসভাপতি ক্বারী মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সুলতান মাহমুদ, খেলাফত মজলিসের সভাপতি হাফেজ মীর মোর্শেদ তুহিন প্রমুখ।

    এর আগে, ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেনকে ক্রেস্ট ও ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে পঞ্চগড় তৌহিদী জনতার পক্ষ থেকে ১২ দাবি সংবলিত একটি স্মারকলিপি তুলে দেন স্থানীয় আলেমরা।

  • ভুলভাবে রায় বাস্তবায়ন, খোলা আকাশের নিচে ৩ পরিবার

    ভুলভাবে রায় বাস্তবায়ন, খোলা আকাশের নিচে ৩ পরিবার

    নীলফামারীতে সহায়-সম্বল হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে ৩ সপ্তাহ ধরে মানবেতর জীবন-যাপন করছে ৩টি পরিবার।

    এ অমানবিক ঘটনাটি ঘটেছে ১১ অক্টোবর জেলা সদর উপজেলার চাপড়া সরমজানী ইউনিয়নের বাবরীঝাড় এলাকায়।

    দেন আদালত। এরই প্রেক্ষিতে ডিক্রিদার পক্ষে সিভিল কোর্ট কমিশনার অ্যাডভোকেট সাইদুল ইসলাম শাহের উপস্থিতিতে সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত নাজির মেহেদী পারভেজকে দখল প্রদানের নির্দেশ দেন আদালত।

    আদালতের নির্দেশে ওই উচ্ছেদ অভিযানে দায়িত্বরত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নালিশী জমির পাশাপাশি নালিশীর বাইরের ভূমির গাছপালাসহ স্থাপনা উচ্ছেদের অভিযোগ তুলছেন ভুক্তভোগীরা।

    বিবাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট বাবুল হোসেন জানান, বাদী পক্ষ লুৎফর রহমান গং নীলফামারী সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে অন্য ১৬/১৫ নম্বর মামলা করেন। উক্ত মামলায় নালিশী জমি ছিল চার শতাংশ এবং বাদী পক্ষের মোকদ্দমায় বিবাদীর তিনটি টিনের চালাঘর উচ্ছেদের নিমিত্তেই এই মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত বাদীপক্ষকে চার শতাংশের মধ্যে টিনের চালাঘর অপসারণের রায় ডিক্রি প্রদান করেন। এতে বিবাদীপক্ষ সংক্ষুব্ধ হয়ে জেলা জজ আদালতে অন্য আপীল ৯৫/২৪ দায়ের করেন। বর্তমানে মামলাটি অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত-১ এ বিচারাধীন রয়েছে।

    বাদীপক্ষ অন্য ডিং ১৬/১৫ নম্বর মামলার রায় ডিক্রি প্রাপ্ত হয়ে সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে অন্য ডিং-০৫/২৪ মামলা করেন। যা বিবাদীপক্ষ অবগত ছিল না এবং অন্য ডিং-০৫/২৪ মামলা পরিচালনা সংক্রান্তে বিবাদী পক্ষ আদালত থেকে কোনো প্রকার নোটিশ প্রাপ্ত হননি। বিবাদী পক্ষ অন্য ডিং-০৫/২৪ মামলার দখলি পরোয়ানার বিষয়বস্তু জানতে পেরে মামলার কার্যক্রম স্থগিতের নিমিত্তে অন্য ৯৫/২৪ নম্বর মামলায় দরখাস্ত আনয়ন করলে, আদালত ২৩ সেপ্টেম্বর/২৫ শুনানির জন্য ধার্য করেন। কিন্তু বাদীপক্ষ স্থগিতের দরখাস্তের বিষয় জানতে পেরে নালিশী ভূমি দখলে নেয়ার পাঁয়তারা করে। এরই প্রেক্ষিতে গত ১১ সেপ্টম্বর/২৫ আদালত হতে দেনদার পক্ষের নালিশীয় চার শতাংশ জমির উপর চারটি টিনের চালাঘর উচ্ছেদের নির্দেশ থাকলেও, নালিশীয় চার শতাংশের অভ্যন্তরে ওই ৩টি টিনের চালাঘরসহ আরও বেনালিশীয় আটটি টিনের চালাঘর ভেঙ্গে ফেলা হয় এবং নালিশের বাইরের ভূমির গাছপালাও কেটে ফেলা হয়। এতে বিবাদীপক্ষের প্রায় ২৫ লাখ টাকা ক্ষতি হয়। আদালতের নির্দেশে ডিক্রিদার পক্ষে চার শতাংশ জমির উপর স্থাপনা উচ্ছেদের সময় জমি পরিমাপ করে বাদীপক্ষকে বুঝিয়ে দেয়া উচিত ছিল। কিন্তু বলাই বাহুল্য, যারা অপসারণের দায়িত্বে ছিল আদালতের আদেশ আইনানুগভাবে পালন না করায় চরমভাবে আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বিবাদীপক্ষ। তারা বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।

    সরেজমিনে দেখা যায়, আদালতের আদেশ ভুলভাবে বাস্তবায়নে সহায়-সম্বল হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে পলিথিনের ছাউনি দিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করলেও, আদালতের প্রতি ন্যায় বিচারে যথেষ্ট আশাবাদী তারা।

  • নবাবগঞ্জে জামায়াতের নতুন আমির নির্বাচিত

    নবাবগঞ্জে জামায়াতের নতুন আমির নির্বাচিত

    দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হয়েছে। মাওলানা আবুল কাসেমকে নবাবগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের নতুন আমির হিসেবে নির্বাচিত করা হয়

    মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টায় নবাবগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আনিসুর রহমান নতুন আমির মাওলানা আবুল কাসেমকে শপথ পাঠ করান। এসময় জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মুহাদ্দিস এনামুল হক, সহকারী সেক্রেটারি সাইদুল ইসলাম সৈকত, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল ইসলাম, পেশাজীবী সেক্রেটারি আ. রহিমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, নবাবগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের পূর্ববর্তী আমির অধ্যাপক নজরুল ইসলাম ২৭ অক্টোবর ভোরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তার মৃত্যুতে পদটি শূন্য ছিল।

  • বীরগঞ্জে দেড় শ বছরের ঐতিহ্যের ঘোড়া-মহিষের মেলা শুরু

    বীরগঞ্জে দেড় শ বছরের ঐতিহ্যের ঘোড়া-মহিষের মেলা শুরু

    বিডি নিউজ ডেস্কঃ

    দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলা সংবাদ

    দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের বৈরবাড়ী, চাপাপাড়া ও হিরামণি মৌজাজুড়ে শুরু হয়েছে উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী ও দেড়শ বছরের পুরোনো ঢেমঢেমিয়া কালিমেলা। বাংলা কার্তিক মাসের শ্যামাপূজার অমাবস্যা উপলক্ষে আয়োজন করা এই মেলা। শুধু পূজাকেন্দ্রিক নয়, এটি আজ গ্রামীণ সমাজ, লোকজ সংস্কৃতি ও বাণিজ্যের মহামিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। সাত দিনের পূজার আনুষ্ঠানিকতার পরও মেলার রেশ থাকে পুরো মাসজুড়ে।

    মেলায় সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ ঘোড়ার হাট। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী ও রংপুর থেকে আগত বিক্রেতারা এনেছেন তাজি, ভুটানি, মনিপুরী, পঙ্খীরাজ ও রাজা বাহাদুরসহ বিরল জাতের ঘোড়া।

    চিরিরবন্দর থেকে আসা বিক্রেতা ইউসুফ আলী জানান, তিনি চারটি ঘোড়া মেলায় নিয়ে এসেছেন। এর মধ্যে একটি তাজি জাতের ঘোড়ার দাম চেয়েছেন ৩ লাখ টাকা, তবে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত প্রস্তাব পাওয়া গেছে।ঘোড়ার পাশাপাশি মহিষের হাটেও চলছে পাল্টাপাল্টি দর-কষাকষি। সারি সারি পাড়া মহিষ, গয়াল ও দেশি জাতের মহিষ নিয়ে উপস্থিত হয়েছেন বিক্রেতারা। আকার ও ওজনভেদে প্রতি জোড়া মহিষের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার থেকে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত।

    ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরের আলম হোসেন বলেন, তিনি তিন জোড়া পাড়া জাতের মহিষ এনেছিলেন, যার মধ্যে দুই জোড়া তিনি বিক্রি করেছেন।এক জোড়া ৫ লাখ ৫০ হাজার ও আরেক জোড়া ৫ লাখ টাকা।

    মেলা প্রাঙ্গণে শুধু পশু বেচাকেনা নয়, রয়েছে গ্রামীণ উৎসবের পুরো আবহ। শিশুদের খেলনা, মিঠাই-মিষ্টি, নাগরদোলা, গৃহস্থালির সামগ্রী, হস্তশল্প ও লোকজ পণ্যের অসংখ্য দোকানে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। পুরোনো দিনের মেলার রঙ, তাল আর উচ্ছ্বাস এখনো অক্ষুণ্ন রেখেছে ঢেমঢেমিয়া কালিমেলা।

    মেলার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর আহমেদ বলেন, মেলা ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

    ক্রেতা-বিক্রেতা ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ঐতিহ্য ও স্বকীয়তা রক্ষায় স্থানীয় মেলা কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    উত্তরবঙ্গের গ্রামীণ ঐতিহ্য, সামাজিক সম্প্রীতি ও লোকসংস্কৃতির অমূল্য নিদর্শন হিসেবে ঢেমঢেমিয়া কালিমেলা প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধরে শুধু একটি মেলা নয়, বরং গ্রামবাংলার মানুষের মিলনমেলা ও স্মৃতির উৎসব হয়ে আছে।