ক্যাটাগরি রংপুর বিভাগ

  • সাবেক নৌ প্রতিমন্ত্রী ও মেয়রের বাড়িতে আগুন

    সাবেক নৌ প্রতিমন্ত্রী ও মেয়রের বাড়িতে আগুন

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলায় ধনতলা এলাকায় সাবেক নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর বাসায় অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে সেতাবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র আসলাম হোসেনের বাড়িতেও আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধরা।

    শুক্রবার  রাত ৮টার দিকে তাদের বাড়িতে এ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দুটি বাড়িরই আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে গেছে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

    খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে অগ্নিসংযোগের সময় বাড়িতে কেউ ছিল না বলে জানা গেছে।

    জানা গেছে, সম্প্রতি সাবেক নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওতে খালিদ মাহমুদকে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে জঙ্গি আখ্যায়িত করতে দেখা যায়।

    বোচাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সাব অফিসার শরিফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, রাত সোয়া ৮টার দিকে সাবেক মেয়র আসলামের বাড়িতে আগুন লাগার খবর পেয়ে আমরা সেখানে পৌঁছাই। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বাড়িতে থাকা মালামাল পুড়ে গিয়েছে, তবে এখনো কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    এ/আর

  • বোনের বাসায় সেমাই নেওয়া হলো না নুরের

    বোনের বাসায় সেমাই নেওয়া হলো না নুরের

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    ঈদ উপলক্ষে বোনের বাসায় সেমাই নিয়ে যাওয়ার পথে দিনাজপুরের বীরগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মো. নুর ইসলাম (৩২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন মো. রয়েল ইসলাম (৩৫) নামে আরেকজন।

    শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে দিনাজপুর–ঠাকুরগাঁও মহাসড়কের বীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত নুর ইসলাম জেলার বিরল উপজেলার দক্ষিণ জগতপুর গ্রামের ঠাঠাড়িপাড়া এলাকার মো. রজব আলীর ছেলে। আহত মো. রয়েল ইসলাম একই এলাকার মির্জাপুর গ্রামের মো. মোমিনুল ইসলামের ছেলে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে মোটরসাইকেল যোগে বিরল থেকে ডোমার বোনের বাড়িতে ঈদের সেমাই ও চিনি দিতে যাচ্ছিলেন নুর ইসলাম ও তার বন্ধু মো. রয়েল ইসলাম। বীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নুর ইসলামের মৃত্যু হয় এবং রয়েল ইসলাম আহত হন।

    বীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা হারুনর রশীদ জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে এবং আহতকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. ফারহানা জানান, রয়েল ইসলামকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তার আঘাত গুরুতর নয়।

    এ/আর

  • স্ত্রীর পিঁড়ির আঘাতে প্রাণ গেল স্বামীর

    স্ত্রীর পিঁড়ির আঘাতে প্রাণ গেল স্বামীর

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    দিনাজপুরের বিরামপুরে স্ত্রীর পিঁড়ির এক আঘাতেই স্বামীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার  এ ঘটনা ঘটে।

    নিহতের নাম হাফিজুল ইসলাম (৬৫)। তিনি ৪নং দিওড় ইউনিয়নের কুচিয়ামোড় গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে। তিনি মিষ্টি বিক্রেতা ছিলেন।

    জানা গেছে, নবান্ন উৎসবের জন্য স্ত্রী রেহেনা বেগম তার স্বামী হাফিজুলের কাছে শাড়ি কিনে চেয়েছিলেন। এ নিয়ে মঙ্গলবার সকালে উভয়ের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এ সময় স্ত্রী রেহেনা তার বসার কাঠের পিঁড়ি দিয়ে স্বামী হাফিজুলের মাথায় আঘাত করেন। এতে হাফিজুল লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হাফিজুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

    বিরামপুর থানার ওসি মমতাজুল হক জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত নারী রেহেনাকে আটক করা হয়েছে।

    এ/আর

  • তরুণীর প্রেমের টানে দিনাজপুরে চীনা যুবক, চলছে বিয়ের প্রস্তুতি

    তরুণীর প্রেমের টানে দিনাজপুরে চীনা যুবক, চলছে বিয়ের প্রস্তুতি

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    প্রেম মানে না জাতি-কুল বা কোনো বাধা। এমনই আরও একটি ইতিহাস সৃষ্টি করে বাংলাদেশি প্রেমিকা তরুণীর সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন সুদূর চীন থেকে আসা প্রেমিক যুবক ইয়ং সং সং (২৬)।

    চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটেছে দিনাজপুরের বিরল উপজেলার রাণীপুকুর ইউপির কাজিপাড়া শিমুলতলা গ্রামে।

    খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর প্রেমিক চীনা যুবককে এক নজর দেখার জন্য প্রেমিকার বাড়িতে শত শত উৎসুক জনতা ভিড় করছেন।

    জানা গেছে, প্রেমিক যুবক ইয়ং সং সং (২৬) পেশায় একজন ইঞ্জিনিয়ার (নির্মাণ)। তার বাড়ি চীনের জিয়াংসু প্রদেশে। তার বাবা মৃত ইউয়ান সিকি এবং মা লিউ ফেনহং।

    প্রায় ১ বছর আগে ভার্চুয়াল হ্যালো ট্যাক অ্যাপসের মাধ্যমে বাংলাদেশি তরুণী প্রেমিকা সুরভী আক্তারের (১৯) সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সুরভী আক্তার বিরল উপজেলার রাণীপুকুর ইউপির কাজিপাড়া শিমুলতলা গ্রামের অটোচালক নুর হোসেন বাবু ও গৃহিণী সাথী আক্তারের মেয়ে। সুরভীরা দুই বোন।

    সুরভী আক্তার ও চীনা যুবক ইয়ং সং সং জানান, তাদের দুজনের পরিচয় হবার পর ভার্চুয়াল যোগাযোগের মাধ্যমে ফ্রেন্ডশিপ থেকে রিলেশনশিপ গড়ে উঠে। একপর্যায়ে প্রেমিক যুবক ইয়ং সং সং প্রেমিকা সুরভী আক্তারের টানে গত ৪ আগস্ট সুদূর চীন থেকে বাংলাদেশে ছুটে আসেন। ১০ আগস্ট রোববার সন্ধ্যায় সুরভী আক্তারের বাড়িতে পৌঁছান ইয়ং সং সং ।

    সুরভীর পরিবারের লোকজন এবং স্থানীয়রা জানান, চীন থেকে আসা যুবকের পরিচয় ও কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সব কিছু ঠিক থাকলে সুরভীর সঙ্গে তার বিয়ে দেওয়া হবে।

    এ/আর

  • জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় নিয়োগ পরীক্ষায় সকল প্রার্থীই বাদ

    জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় নিয়োগ পরীক্ষায় সকল প্রার্থীই বাদ

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় গ্রাম পুলিশ নিয়োগের বাছাই পরীক্ষায় শুদ্ধভাবে জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় ৩৮ জন প্রার্থীর একজনও উত্তীর্ণ হতে না পারায় সবাইকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই নিয়োগ ও বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

    উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, তেঁতুলিয়া উপজেলার তিরনইহাট, তেঁতুলিয়া, শালবাহান ও দেবনগর ইউনিয়ন পরিষদের পাঁচটি মহল্লাদার পদে গ্রাম পুলিশ নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়। এতে মোট ৩৮ জন প্রার্থী আবেদন করেন। পরীক্ষার শুরুতে প্রার্থীদের শারীরিক যোগ্যতা যাচাই করা হয়। এরপর নিয়োগ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মেধা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে সকল প্রার্থীদের জাতীয় সংগীত লিখতে দেয়া হয়। এ জন্য সময় নির্ধারণ করা হয় ১৫ মিনিট। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থীই সম্পূর্ণ ও শুদ্ধভাবে জাতীয় সংগীত লিখতে পারেনি। ফলে অংশ নেয়া প্রার্থীরা উত্তীর্ণ না হওয়ায় নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেনি নিয়োগ বাছাই কমিটি। প্রার্থীরা উত্তীর্ণ না হওয়ায় পরবর্তীতে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলে জানা যায়।

    নিয়োগ বাছাই কমিটিতে উপস্থিত ছিলেন তেঁতুলিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস.এম আকাশ, তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম, এলজিইডি’র উপজেলা প্রকৌশলী ইদ্রিস আলী খান এবং উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা।

    এ বিষয়ে তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নিয়োগ কমিটির সভাপতি আফরোজ শাহীন খসরু বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, শারীরিক যোগ্যতা যাচাই শেষে নিয়োগ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রার্থীদের মেধা যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায়, অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে কোনো প্রার্থীই আমাদের জাতীয় সংগীতটি সঠিকভাবে লিখতে পারেননি। চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণ জ্ঞান ও দেশপ্রেমের প্রাথমিক ধারণা থাকা আবশ্যক।

    এ/আর

  • আটোয়ারীর শাহী জামে মসজিদ শিল্প সৌন্দর্যের অপূর্ব নিদর্শন

    আটোয়ারীর শাহী জামে মসজিদ শিল্প সৌন্দর্যের অপূর্ব নিদর্শন

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    শিল্প সৌন্দর্যের অপূর্ব নিদর্শন পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর গ্রামে অবস্থিত প্রায় আড়াই শ বছরের পুরোনো মির্জাপুর শাহী মসজিদ। মির্জাপুর শাহী মসজিদের সর্বত্র ইসলামি টেরাকাটা ফুল ও লতাপাতার নকশায় পরিপূর্ণ। মসজিদে ব্যবহৃত ইটগুলো চিকন, রক্তবর্ণ ও অলংকৃত।

    তিন গম্বুজবিশিষ্ট এ মসজিদের দৈর্ঘ্য ৪০ ফুট এবং প্রস্থ ২৫ ফুট। আয়তাকার এক সারিতে তিন গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ সাধারণত মোগল স্থাপত্যরীতির বৈশিষ্ট্য। গম্বুজের শীর্ষবিন্দু ক্রমহ্রাসমান বেল্টযুক্ত। চার কোণে রয়েছে স্তরযুক্ত ও নকশাখচিত বেল্ট করা চারটি সুচিকন মিনার।

    এছাড়া সম্মুখবর্তী দেওয়ালের মধ্য দরজার দুই পাশে মধ্য গম্বুজের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নির্মিত হয়েছে আরও দুটি ক্ষুদ্র মিনার। এই মিনারের দেওয়াল সংযুক্ত অংশ বর্গাকার। অনুরূপ সমমানের ক্ষুদ্রাকৃতির দুটি মিনার রয়েছে পশ্চিম দেওয়ালেও।

    এ মসজিদে সামনের দেওয়ালে রয়েছে সুশোভন লতাপাতা ও ইসলামি টেরাকাটা নকশাখচিত মাঝারি আকৃতির তিনটি দরজা। দরজার কিছুটা দূরবর্তী উভয় পাশে রয়েছে অন্তঃপ্রবিষ্ট প্যানেল। তিনটি দরজায়ই ছাদ ও দরজার উপরিভাগের মাঝামাঝি স্থানে বাইরের দিকে উভয় পাশে ঢালু তোরণ আকৃতির একটি স্ফীত অংশ সংযুক্ত হওয়ায় অলংকরণ বিন্যাসে সৃষ্টি হয়েছে নতুনত্ব।

    সামনের তিনটি দরজার অনুরূপ আরও তিনটি দরজার নকশা ও অন্তঃপ্রবিষ্ট প্যানেল স্থাপিত হয়েছে পশ্চিম দিকের দেওয়ালেও। তবে এই দরজা সম্ভবত স্থাপত্যকৌশল হিসাবেই নির্মিত পশ্চিমের মাঝের দরজা। সুস্পষ্ট কোনো মেহরাব নেই। উত্তর ও দক্ষিণ দেওয়ালও নকশাখচিত। তবে এই দরজা দুটির উপরিভাগের স্ফীত অংশটি সমান্তরাল নয়। গ্রামবাংলার চিরায়ত রীতি অনুযায়ী দোচালা আকৃতির। কথিত আছে, সামনের ইটগুলো নাকি ঘিয়ে ভেজে তৈরি করা হয়েছে।

    দেওয়ালের অলংকরণে ফুল ও পাতার পাশাপাশি পাখি ও অন্যান্য প্রাণীর চিত্র রয়েছে। সম্ভবত নির্মাণকারী কারিগরদের মধ্যে হিন্দু স্থপতিও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। অথবা এমনও হতে পারে যে প্রতিবেশী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য খচিত হয়েছে জীবজন্তুর চিত্র। অবশ্য বর্তমানে জীবজন্তুর চিত্রগুলো অপসৃত হয়েছে।

    মধ্যবর্তী দরজার উপরিভাগে ফারসিলিপিখচিত একটি ক্ষুদ্র কালো ফলকের ভাষা ও লিপি অনুযায়ী এই মসজিদটি মোগল সম্রাট শাহ আলমের রাজত্বকালে নির্মিত হয় বলে জানা যায়। উল্লিখিত লিপি ফলকটিতে মুদ্রিত সন পারস্য বছর।

    লক্ষণীয় বিষয়, সমসাময়িককালে বাংলাদেশের অন্যান্য মসজিদ বা ইমারতের সন তারিখ হিজরি অথবা খ্রিষ্টাব্দ অনুযায়ী লেখা ছিল। কিন্তু এই মসজিদে পারস্য বছরের উল্লেখ থাকায় অনুমিত হয় যে, যেসব কারিগর ও স্থপতি এই মসজিদের নির্মাণ মেরামত ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজে নিযুক্ত ছিলেন, তারা ছিলেন পারস্য অথবা ইরানের অধিবাসী। বিশেষজ্ঞদের অভিমত, এ ধরনের কারুকার্য সমসাময়িককালে ইরানের মসজিদ ও অন্যান্য অট্টালিকায় বিদ্যমান ছিল।

    মির্জাপুর মসজিদের মূল ভবনের সামনে রয়েছে একটি আয়তকার পাকা অঙ্গন। অঙ্গনের উপরিভাগ উন্মুক্ত। অঙ্গনের বাইরে রয়েছে একটি সুদৃশ্য তোরণ। তোরণটির নির্মাণশৈলী অপূর্ব। এতে রয়েছে খিলান করা অন্তঃপ্রবিষ্ট দরজা। উভয় পাশে খাঁজ করা স্তম্ভ এবং ঢাল ও অর্ধ বৃত্তাকার, চ্যাপ্টা নাতিদীর্ঘ একটি গম্বুজ। গম্বুজের উপরিভাগে রয়েছে কোরক আকৃতির একটি ক্ষুদ্র চূড়া

    মির্জাপুর মসজিদের নির্মাণ সম্পর্কে সুস্পষ্ট তথ্য পাওয়া না গেলেও এই গ্রামের মির্জা বংশীয় উত্তরসূরিদের অভিমত অনুযায়ী মির্জাপুর গ্রামের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা পূর্ব পুরুষরা মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু করেন। অতঃপর ফুল মোহাম্মদের ভাই দোস্ত মোহাম্মদ সম্ভবত এর নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করেন। এটি ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্রায় দুই শ বছর আগে মুলুকউদ্দীন বা মালেকউদ্দীন মির্জাপুর মসজিদের মেরামত বা সৌন্দর্যের কাজ শেষ করেন। তিনি হুগলি মসজিদের ইমামের মাধ্যমে ইরান থেকে কারিগর এনেছিলেন।

    মির্জাপুর মসজিদের স্থাপত্য নিদর্শনের সঙ্গে ঢাকার হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে নির্মিত মসজিদের সঙ্গে সাদৃশ্য থাকায় অনুমিত হয় যে উভয় মসজিদ সমসাময়িককালে নির্মিত হয়। হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে স্থাপিত মসজিদের নির্মাণকাল ১৬৭৯ খ্রি.। সেদিক থেকে মির্জাপুর মসজিদের বয়স আড়াই শ বছরের কম নয়। বস্তুত বৃহত্তর দিনাজপুর জেলার মধ্যে একমাত্র মির্জাপুর শাহী মসজিদটিই প্রাপ্ত মোগল আমলে নির্মিত অন্যান্য মসজিদের তুলনায় সবচেয়ে সুষমমণ্ডিত, উৎকৃষ্ট শিল্পনিদর্শন ও সর্বাপেক্ষা মজবুত অবস্থায় বিদ্যমান রয়েছে। বর্তমানে এটি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ সংরক্ষণ করছে।

    এ/আর

  • সংখ্যালঘুরা জুলুমের শিকার হলে পাশে থাকবে এনসিপি: সারজিস

    সংখ্যালঘুরা জুলুমের শিকার হলে পাশে থাকবে এনসিপি: সারজিস

     

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    পঞ্চগড়ে জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, যারা সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যায় কম তারা যদি অন্য যে কোনো ব্যক্তি, নেতা বা রাজনৈতিক দল, কারো দ্বারা বিন্দুমাত্র হুমকি, হয়রানি কিংবা জুলুমের শিকার হন, আপনারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। আমরা পাশে থাকবো।

    শনিবার  পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় কমিটি প্রকাশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    এ সময় তিনি তার নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা কোনোদিন কারো পায়ে লাগতে যাবো না। কেউ যদি পায়ে পা দিয়ে লাগতে আসে আমরা তাদের ছাড়ও দেবো না। অন্য যে কোনো দলের যারা ভালো কাজ করবে, সে যেই দলই হোক না কেন, আপনারা তাদেরকে সমর্থন করবেন, সহযোগিতা করবেন। ভালোটাকে ভালো না বললে ভালো কাজে মানুষ উৎসাহ পাবে না।

    এ/আর

  • দিনে কোটি টাকার জলপাই বিক্রি, যাচ্ছে বিদেশেও

    দিনে কোটি টাকার জলপাই বিক্রি, যাচ্ছে বিদেশেও

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    জলপাইয়ের নাম শুনলে জিহ্বায় জল আসে না-এমন মানুষ বোধ হয় খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। তাছাড়া জলপাইয়ের কথা উঠলেই কবি সুকুমার রায়ের সেই বিখ্যাত নাটক অবাক জলপান এর কথাও স্মৃতিতে ভেসে উঠে। ছোটবেলায় জলপাই নিয়ে এমন হাসির নাটক পড়ে আমরা প্রায় সবাই কমবেশি হেসেছিও সমানতালে। আর এই জলপাই এখন পঞ্চগড় তথা দেশের অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। প্রতিদিন জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলা শহরের দেবদারু তলায় বসছে জলপাইয়ের হাট। এটি দেশে জলপাইয়ের সর্ববৃহৎ হাট। এই হাটে প্রতিদিন গড়ে অন্তত ১০০ টন জলপাই বিক্রি হচ্ছে। যার বাজার মূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা।

    ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই দেবীগঞ্জের দেবদারু তলায় শুরু হয় জলপাই কেনাবেচা। বিভিন্ন স্থান থেকে ভ্যান, রিকশা, মোটরসাইকেল ও পিকআপ ভর্তি করে বস্তা বোঝাই জলপাই আসে বাজারে। রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা এসে জলপাই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। মানভেদে প্রতি কেজি জলপাইয়ের দাম পড়ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা। প্রতি বছর অক্টোবর মাস থেকে শুরু হয় জলপাই আহরণ। মৌসুমের ৩ মাস ধরে বেচাকেনা চলে জলপাই।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাঈম মোর্শেদ জানান, জলপাইয়ের এই হাটটি প্রতিদিনই সম্প্রসারিত হচ্ছে। একই সঙ্গে পঞ্চগড়ে জলপাইয়ের আবাদও বাড়ছে। আমরা চাষিদের ব্যাপারে খোঁজখবর নিচ্ছি। জলপাই চাষ করে চাষিরা লাভবান হচ্ছেন। পঞ্চগড়ে উৎপাদিত জলাপাই শুধু দেশের বাজারেই নয়। রপ্তানি হচ্ছে বিদেশেও। অনলাইনের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় জলপাই পাঠাচ্ছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। ফলে জেলার অর্থনীতিতে যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা। জলপাই ব্যবসাকে ঘিরে পঞ্চগড় জেলার কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক ধারায় নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, পঞ্চগড়ে বড় পরিসরে বাগান না থাকলেও জেলায় ছোট ছোট খামার, বাড়ির উঠান, রাস্তার ধার ও জমির আইলে সব মিলিয়ে জলপাই চাষ হচ্ছে ১৩ দশমিক ৮ হেক্টর জমিতে। গত মৌসুমে পঞ্চগড়ে জলপাই উৎপাদন হয়েছে ৩ হাজার টন। এবার তা আরও বাড়বে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ।

    এ/আর

  • জুলাই সনদ ভঙ্গের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ শুরু করেছে বিএনপি: সারজিস আলম

    জুলাই সনদ ভঙ্গের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ শুরু করেছে বিএনপি: সারজিস আলম

    বিডি নিউজ ডেস্কঃ-

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, জুলাই সনদ ভঙ্গের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ শুরু করেছে বিএনপি।

    তিনি বলেন, জুলাই সনদকে উপেক্ষা করে বিএনপি যদি মনে করে, তারা জনগণের বিপক্ষে গিয়ে রাজনীতি করে টিকে থাকতে পারবে এবং সংসদ স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করবে- তা সম্ভব নয়। কোনো একটা দল যদি তাদের দলীয় স্বার্থ বাস্তবায়ন করতে চায়, স্বৈরাচারের পথে হাঁটতে চায়, তাহলে জনগণ এবং আমরা বিরোধী দল একসঙ্গে প্রতিরোধ করব।

    তিনি আরও বলেন, আমরা সংসদের প্রথম অধিবেশনে এই রাষ্ট্রপতির অভিশংসন চেয়েছি, কারণ এ রাষ্ট্রপতির হাত ধরে নতুন সরকার চলতে পারে না।

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে পঞ্চগড় সরকারি অডিটোরিয়াম চত্বরের মুক্তমঞ্চে কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সারজিস আলম এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, আগামীতে বাংলাদেশের মানুষকে বিএনপি ভালো বার্তা দিল না। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন অনুযায়ী সংসদে স্পিকার সরকারি দল থেকে হলেও ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দল থেকে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ডেপুটি স্পিকার দেওয়া হয়েছে বিএনপি সমর্থিত এমপি ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে।

    এ/আর

     

  • কাউনিয়ার চর ঢুষমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পূর্বের স্থানেই রাখার দাবীতে মানববন্ধন

    কাউনিয়ার চর ঢুষমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পূর্বের স্থানেই রাখার দাবীতে মানববন্ধন

    ডেস্ক নিউজঃ

    কাউনিয়া উপজেলার সবার চর ঢুষমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পূর্বের স্থানে রাখার দাবি জানিয়েছে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসী।

    মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যালয়ের সামনে অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও এলাকা বাসী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। সেই সাথে বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে তারা।

    এলাকাবাসী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন কালে বলেন  চর  ঢুষমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি পাঠদান কার্যক্রম প্রায় এক বছর  ধরে স্থগিত রয়েছে। স্কুলে তালা ঝুলছে, ছাত্র-ছাত্রীরা অনুপস্থিত, ৩  বছর থেকে স্কুলের পরিচালনা কমিটি নেই। বিষয়টি নিয়ে ইতোপূর্বে লিখিত এবং মৌখিক ভাবে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হলেও কোন ফল পাওয়া যায়নি। বর্তমানে শোনা যাচ্ছে  স্কুলটি অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। ১৯৬০ সালে সরকারি হওয়া স্কুলটি কাউনিয়া থানার ৪০ নম্বর স্কুল নামে পরিচিত । বর্তমানে স্কুলের আশে-পাশের প্রায় ২০০ পরিবার বসবাস করে এবং স্কুলে ১০৫ জন ছাত্র-ছাত্রী থাকার পরেও স্কুলে ১ (এক) বছর ধরে তালা ঝুলে আছে। অন্যত্র সরিয়ে নিলে এলাকার কোমলমতি শিশুদের নদী পাড়ি দিয়ে অন্য গ্রামে গিয়ে লেখাপড়া করা প্রায় অসম্ভব। স্কুলটি নিয়ে বর্তমানে দুর্নীতি ও অনিয়ম সহ ছিনিমিনি খেলা  চলছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ  গত ১৯ ফেব্রুয়ার  অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোঃ আসাদুজ্জামান তোতা ও মোঃ মুকুল ইসলাম সহ বহিরাগত কিছু কু-চক্রী মহল যোগসাজস করে উক্ত বিদ্যালয়টি অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার পায়তারা চালাচ্ছে। এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ তাদের বাধা দিলে তারা উক্ত বিদ্যালয়টি সরিয়ে নেওয়ার অনুমতি পত্র দেখিয়ে বলে আপনারা আমাদের বাঁধা দিয়ে কোন লাভ নেই। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা উক্ত বিদ্যালয়টি সরিয়ে নিচ্ছি।
    এলাকার মহৎ ব্যক্তিবর্গ ও ছাত্র-ছাত্রী এবং অভিভাবকবৃন্দ বিষয়টি জানতে পেরে স্কুল টি সরিয়ে নিতে  নিষেধ করে। বর্তমানে উক্ত বিদ্যালয়টি পূর্বের স্থানেই বিদ্যমান আছে। অভিযোগ কারী নজরুল ইসলাম মানববন্ধন কর্মসূচি পালন কালে  বলেন  বিদ্যালয়টি যদি কখনো স্থানান্তর করার প্রয়োজন হয় আমরা এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উক্ত বিদ্যালয়ের জমি জায়গা দিতে প্রস্তুত আছি। স্কুলটি সরেজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে পূর্বের স্থানেই কার্যক্রম চলমান রাখা ও পরিচালনার সু-ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য দাবী জানাচ্ছি।
    উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আঞ্জুমানআরা বেগম বলেন স্কুলটি পূর্বের স্থানে রাখার দাবীতে একটি অভিযোগ পেয়েছি বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানার কাছে একটি স্মারক লিপি প্রদান করা হয়। এ সময় পাপিয়া সুলতানা বলেন।স্কুলটি বন্ধ আছে কিনা এ বিষয়ে আমি ভালো জানিনা সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করে  বিষয়টি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে অবগত করবো।

    এম কে