ক্যাটাগরি Uncategorized

  • বাঁচানো গেল না ট্রেনের ধাক্কায় ডোবায় পড়া হাতিটিকে

    বাঁচানো গেল না ট্রেনের ধাক্কায় ডোবায় পড়া হাতিটিকে

    সিলেটের দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ি এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় ডোবায় পড়া আহত পোষা হাতিটিকে বাঁচানো গেল না। চিকিৎসাচেষ্টার মধ্যে আজ সোমবার দুপুরে হাতিটির মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থলে থাকা হাতিটির মালিকপক্ষের প্রতিনিধি ও প্রাণীসেবা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    পোষা হাতিটির নাম সুন্দরমালা। বয়স হয়েছিল ৪২ বছর। মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা এলাকার বাসিন্দা কামরুল ইসলাম হাতিটির মালিক।

    ঢাকার প্রাণীসেবা প্রতিষ্ঠান পিপল ফর অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান রাকিবুল হক আজ বেলা একটার দিকে মুঠোফোনে বলেন, সকাল থেকেই হাতিটি নিস্তেজ অবস্থায় পড়ে ছিল। দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে এটি মারা যায়। এ সময় হাতিটির মালিকপক্ষের প্রতিনিধি আবদুস সবুর ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

    উদ্ধার করার পর আহত হাতিটি ঘটনাস্থলের কাছেই পড়ে ছিল জানিয়ে রাকিবুল হক বলেন, প্রাণীটির দাঁড়ানোর শক্তি ছিল না। পেট ফোলা ছিল এবং পেছনের ডান পা নাড়াতে পারছিল না। পিঠে মেরুদণ্ডের মাঝবরাবর ক্ষত দেখা গেছে। এসব কারণে রক্তচাপ বেড়ে হাতিটির হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁরা ধারণা করছেন।

    সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার কালীগঞ্জ এলাকায় পৌষসংক্রান্তি উপলক্ষে রথযাত্রা ও মেলা অনুষ্ঠানে হাতিটিকে ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। এর সঙ্গে ইমন ও রাকিব নামের দুজন মাহুত ছিলেন। ফেরার পথে গত শনিবার রাতে দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ি এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় হাতিটি রেললাইন-সংলগ্ন একটি ডোবায় পড়ে যায়।

    এরপর গতকাল রোববার দুপুরে স্থানীয় প্রশাসন, বন বিভাগ, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের চিকিৎসক ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক দলের যৌথ প্রচেষ্টায় পেলোডার যন্ত্রের সঙ্গে রশি বেঁধে হাতিটিকে ডোবা থেকে টেনে ডাঙায় তোলা হয়। দীর্ঘ সময় ডোবায় পড়ে থাকায় হাতিটি দুর্বল হয়ে পড়েছিল। এ জন্য এটিকে স্যালাইন দেওয়া হয়। এর আগে স্টেরয়েড ও অ্যান্টিহিস্টামিন প্রয়োগ করা হয়েছিল।

  • মৌলভীবাজারে তারেক রহমানের জনসভায় ব্যাপক লোকসমাগমের প্রস্তুতি

    মৌলভীবাজারে তারেক রহমানের জনসভায় ব্যাপক লোকসমাগমের প্রস্তুতি

    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী বৃহস্পতিবার মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুরে আসছেন। এদিন তিনি শেরপুরের আইনপুর মাঠে এক জনসমাবেশে বক্তব্য দেবেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এ জনসভা হচ্ছে।

    দীর্ঘদিন পর তারেক রহমান এই অঞ্চলে আসছেন। এই সমাবেশকে সফল করতে মৌলভীবাজার জেলা, উপজেলাসহ তৃণমূল পর্যায়ের বিএনপি ও সহযোগী সংগঠন এবং নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও কর্মযজ্ঞ চলছে। বিএনপি আশা করছে, এ জনসভায় সারা জেলা থেকে লক্ষাধিক মানুষের সমাবেশ ঘটবে।

    জেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী বৃহস্পতিবার হজরত শাহজালাল (র.) ও হজরত শাহপরান (র.)–এর মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের আনুষ্ঠানিক প্রচার কার্যক্রম শুরু করবেন। এ জন্য বুধবার রাতে আকাশপথে তিনি সিলেটে পৌঁছাবেন।

    তারেক রহমান পরের দিন বৃহস্পতিবার সকালে হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন। এরপর এদিন বেলা ১১টায় সিলেটের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত প্রথম জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন তিনি।

    সিলেটের জনসভা শেষে তারেক রহমান ঢাকা-সিলেট সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন। এ সময় মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুর এলাকায় আইনপুর খেলার মাঠে দিনের দ্বিতীয় জনসভায় যোগ দেবেন তিনি। বেলা একটা থেকে দুইটার মধ্যে জনসভায় তাঁর উপস্থিতি আশা করা হচ্ছে। পরে

    তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে সমাবেশকে সফল করতে মৌলভীবাজার জেলা, জেলার সাতটি উপজেলা বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের নেতা ও স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। জনসভা সফল করতে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ চলছে। মৌলভীবাজার জেলা ছাড়াও শেরপুরের কাছাকাছি হওয়ায় হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার একাংশ এবং সিলেটের ওসমানীনগর ও বালাগঞ্জ উপজেলার একাংশের মানুষ এ জনসভায় অংশ নেবেন।

    জেলা বিএনপির নেতাদের সূত্রে জানা গেছে, সমাবেশের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। মাঠে মঞ্চ নির্মাণের কাজ চলছে। আশা করা হচ্ছে, সমাবেশের আগের দিন বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে মাঠের কাজ শেষ হয়ে যাবে। প্রায় দিনই কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতারা মাঠ ঘুরে দেখছেন

    জেলা বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন পর মৌলভীবাজারে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে এ জনসভা হচ্ছে। এ নিয়ে জেলাজুড়ে সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে। অতীতে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মৌলভীবাজারের এই শেরপুর এলাকা সফর করেছেন।

    মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম আজ সোমবার  বলেন, ‘শেরপুরের আইনপুর মাঠে জনসভার আয়োজন করা হচ্ছে। এই জনসভায় আমরা লক্ষাধিক লোকসমাবেশ আশা করছি। এটা একটা বড় প্রোগ্রাম। আমাদের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। এখন মাঠে কাজ চলছে। আমরা রেগুলার মাঠে যাচ্ছি, মিটিং করছি। জেলা ছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতারা মাঠ পরিদর্শন করেছেন।’

  • পতিত জমিতে আপেল ও বলসুন্দরী কুল চাষে সফল জুড়ীর কৃষক পাখি মিয়া

    পতিত জমিতে আপেল ও বলসুন্দরী কুল চাষে সফল জুড়ীর কৃষক পাখি মিয়া

    কৃষক পাখি মিয়া (৫৫) দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জাতের শাকসবজির আবাদ করছেন। এবার তিনি এক বিঘা পতিত জমি বর্গা নিয়ে আপেল ও বলসুন্দরী কুলের বাগান করেন, যা থেকে ব্যাপক ফলন এসেছে এবং বাড়তি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনিই এলাকার প্রথম ব্যক্তি হিসেবে এ ফলের আবাদ করেন।

    কুলগাছের সারির ফাঁকে ফাঁকে ডাঁটাশাকের আবাদ করেছেন পাখি মিয়া। তাঁর এই সফলতায় আশপাশের অনেকেই এখন পতিত জমিতে কুলবাগান তৈরিতে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। সম্প্রতি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও তাঁর বাগান পরিদর্শন করে মুগ্ধ হন।

    পাখি মিয়ার বাড়ি মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার জায়ফরনগর ইউনিয়নের হাসনাবাদ গ্রামে। তিনি বাড়ির পাশে এক আত্মীয়ের পতিত জমি বর্গা নিয়ে কুলবাগান করেন।

    গত রোববার বিকেলে সরেজমিন দেখা যায়, বাঁশের বেড়ায় ঘেরা ১ বিঘা জমিতে ২৩০টি আপেল ও বলসুন্দরী কুলগাছ, যেগুলোর সব গাছে কমবেশি ফলন এসেছে এবং ফলের ভারে গাছগুলো নুয়ে পড়েছে। কুলগাছের প্রতিটি সারির মাঝখানে ফাঁকা স্থানে ডাঁটাশাক লাগানো হয়েছে।

    পাখি মিয়া বলেন, ছয় মাস আগে যশোর থেকে আপেল ও বলসুন্দরী কুলের কলমচারা কিনে এনে জমিতে লাগান এবং নিয়মিত বাগান পরিচর্যা করেন, এরপর ফলন আসে। সপ্তাহখানেক আগে পাইকারি বিক্রি শুরু করেন এবং এ পর্যন্ত প্রায় ৭০০ কেজি বরই বিক্রি করেছেন। প্রতি কেজি দাম ৮০ টাকা। তাঁর আশা, অন্তত চার লাখ টাকার ফল বিক্রি হবে, ফল আবাদে তাঁর খরচ পড়েছে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ফলে তিনি লাখ টাকার বেশি লাভ করতে পারেন।

    পাখি মিয়া বলেন, ‘আমার কিছু জমি আছে, কোনোটাই খালি ফালাই রাখছি না। লাউ, টমেটো, বেগুন ও শিমের চাষ করছি। এখন পর্যন্ত ১ লাখ টাকার লাউ আর বেগুন বিক্রি করছি, খরচ হয়ছে ২০ হাজার টাকা। কয়েক দিন পর টমেটো আর শিম বিক্রি শুরু করব। মৌসুমি শাকসবজি বিক্রি করে আল্লাহর রহমতে ভালোই সংসার চলছে।’

    কৃষি বিভাগের স্থানীয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রতন পাল বলেন, জুড়ীতে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আগে কেউ আপেল ও বলসুন্দরী কুলের চাষ করেননি। পাখি মিয়া সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন এবং এ কাজে তাঁকে অনেক শ্রমও দিতে হয়েছে। হাসনাবাদ ও পাশের বাহাদুরপুর এলাকায় অনেক পতিত টিলাভূমি আছে। পাখি মিয়ার সফলতা দেখে অনেকেই পতিত টিলাভূমিতে বরইগাছ চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এ ব্যাপারে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

    রোববার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুর রহিমসহ কৃষি বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা পাখি মিয়ার কুলবাগান পরিদর্শন করেন।

  • হবিগঞ্জ-১  মনোনয়ন প্রত্যাহার  জামায়াতের:  ড. রেজা ও শেখ সুজাতের মাঝে সমঝোতা

    হবিগঞ্জ-১ মনোনয়ন প্রত্যাহার জামায়াতের: ড. রেজা ও শেখ সুজাতের মাঝে সমঝোতা

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ গতকাল মঙ্গলবার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থীতা প্রত্যাহার না করায় শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে প্রতিন্দ্বন্দ্বিতা করছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য সাবেক এমপি শেখ সুজাত মিয়া। এনিয়ে বিএনপির মধ্যে ভাঙ্গনের সুর বাজতে শুরু করেছে। এ ব্যাপারে শেখ সুজাত মিয়া বিএনপির মনোনিত প্রার্থী ড. রেজা কিবরিয়া’কে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান ড. রেজা কিবরিয়া’কে নির্দেশ দিয়েছিলেন দলের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে দলের কার্যালয়ে আমার সাথে সমঝোতায় বসবেন। কিন্তু সকাল থেকে অপেক্ষা করার পরও তিনি বা তার কোন প্রতিনিধি নির্ধারিত সময়ে না আসায় প্রার্থীতা প্রত্যাহার করা সম্ভব হয়নি। তিনি সন্ধ্যা ৬ টায় দলীয় কার্যালয় গোল্ডেন প্লাজায় আসেন এবং উনার কথা বার্তায় উপস্থিত দলীয় ত্যাগী নেতাকর্মীরা সন্তুষ্ট হতে পারেনি। ফলে কোন সমঝোতা হয়নি।
    এদিকে বিএনপি মনোনিত প্রার্থী বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়া দলীয় নেতাকর্মীসহ সন্ধ্যায় বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ সুজাত মিয়ার সাথে স্বাক্ষাত করতে দলীয় কার্যালয়ে যান। সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মীদের’কে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার জন্য আহ্বান জানিয়ে বিদায় নেন। এর আগে বিকাল ৫ টার দিকে উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সরফরাজ চৌধুরী, নবনির্বাচিত সিনিয়র সহ-সভাপতি বয়েত উল্লা, সাধারণ সম্পাদক মজিদুর রহমান মজিদ ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অলিউর রহমান অলি শেখ সুজাত মিয়ার মিটিংয়ে উপস্থিত হন। তবে ওই মিটিংয়ে তাদেরকে কোন কথা বলার সুযোগ দেয়া হয়নি। বরং ভুয়া ভুয়া শ্লোগান দেয়ায় তারা বের হয়ে আসেন। ফলে হবিগঞ্জ-১ নির্বাচনী এলাকায় ভোটের মাঠে নতুন সমিকরণ দেখা দিয়েছে। লড়াই হচ্ছে দ্বিমূখী। এদিকে হবিগঞ্জ-১ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে খেলাফত মজলিশের মাওলানা সিরাজুল ইসলাম মীরপুরীকে দলীয় প্রার্থী চুড়ান্ত করায় দলের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোঃ শাহাজাহান আলী তার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন। হবিগঞ্জ-১ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসাবে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী তাদের প্রার্থী মোঃ শাহাজাহান আলী’কে প্রার্থী হিসেবে বহাল রাখার দাবিতে প্রায় দুই ঘন্টা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক আউশকান্দি এলাকায় অবরোধ ও প্রার্থীকে মহাসড়কে আটকে রাখেন জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা। বিকাল ৪টার দিকে অবরোধ থেকে প্রার্থী মোঃ শাহজাহান আলীকে মুক্ত করে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্য্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বিকাল ৫টার ১ মিনিট পূর্বে হবিগঞ্জ রিটানিং অফিসারের কার্য্যালয়ে প্রস্তাবকারী ও সর্মথনকারীসহ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মোঃ শাহজাহান আলী মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করেন। নবীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আশরাফ আলী জানান, প্রার্থীতা বহাল রাখার দাবীতে কিছু নেতাকর্মী ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে জামায়াতের প্রার্থীকে আটকে রাখে, পরে আমরা তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হলে তাকে অবরোধ মুক্ত করা হয়। এরপর তিনি দ্রুত হবিগঞ্জ জেলা রির্টানিং অফিসারের কার্য্যালয়ে পৌছে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। হবিগঞ্জ-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মোঃ শাহজাহান আলী বলেন, আমি দলের প্রতি অনুগত্য স্বীকার করে বড় ধরনে ত্যাগ শিকার করেছি। কারন সব ধরনের জনমত জরিপে আমি এগিয়ে ছিলাম তবুও দলের নির্দেশ মেনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি। উল্লেখ্য যে হবিগঞ্জ-১ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিশের মাওলানা সিরাজুল ইসলাম মীরপুরীকে জোট প্রার্থী হিসেবে চুড়ান্ত করা হয়েছে।

  • জামায়াত আমিরের গাড়িবহরে হামলা

    জামায়াত আমিরের গাড়িবহরে হামলা

    সিলেটের হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমির ও হবিগঞ্জ-৪ আসনের প্রার্থী কাজী মাওলানা মুখলিছুর রহমানের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে।সোমবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার কাসিমনগর বাজারের কাছে দুর্বৃত্তরা তার গাড়িবহরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে গাড়ির সামনের কাচ ভেঙে যায়। তবে এতে কেউ আহত হননি।

    মাওলানা মুখলিছুর রহমান বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে গণসংযোগ শেষে ফিরছিলাম। হঠাৎ গাড়ির দিকে ইট ছোড়া হয়। আমরা তখন গাড়িতে ছিলাম না। হামলাকারীদের পরিচয় জানি না। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।”

    হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এএনএম সাজিদুর রহমান জানান, “ঘটনাটি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    এদিকে এই হামলার প্রতিবাদে স্থানীয়ভাবে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। সংগঠনের নেতারা বলেন, “পরিকল্পিত এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় প্রশাসনকে এর দায় নিতে হবে।”

  • কোটিপতি তাহেরীর আয়ের উৎস ব্যাংক আমানতের সুদ

    কোটিপতি তাহেরীর আয়ের উৎস ব্যাংক আমানতের সুদ

    হবিগঞ্জ-৪ আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী, আলোচিত ইসলামি বক্তা মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, তার আয়ের প্রধান উৎস ব্যবসা, কৃষি এবং ব্যাংক আমানতের সুদ।

    হলফনামায় তাহেরী উল্লেখ করেছেন, তার ওপর নির্ভরশীলদের নামে কোনো ধরনের সম্পদ নেই। এমনকি তার স্ত্রীর নামে কোনো স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ বা ব্যাংক জমার অস্তিত্বও দেখানো হয়নি। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী এবং তার স্ত্রী গৃহিণী—তবে স্ত্রীর নামে কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পদ নেই বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।

    হলফনামা অনুযায়ী, অস্থাবর সম্পদের হিসাবে কৃষি খাত থেকে তাহেরীর বার্ষিক আয় ২৬ হাজার ৪০০ টাকা। ব্যবসা থেকে আয় হয় ৭ লাখ ৯১ হাজার টাকা এবং ব্যাংক আমানতের সুদ থেকে তিনি পান ২২ হাজার ৮৯২ টাকা। তার কাছে নগদ অর্থ রয়েছে ৪১ হাজার ২৮৬ টাকা এবং ব্যাংকে জমা রয়েছে ৭ লাখ ৬৩ হাজার ৬০৬ টাকা। এছাড়া নিজের নামে ৩১ ভরি স্বর্ণ রয়েছে, যার মূল্য দেখানো হয়েছে ৬ লাখ টাকা। আসবাবপত্রের মূল্য ধরা হয়েছে ৫ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে তার অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৯ লাখ ৪ হাজার ৮৯২

    স্থাবর সম্পদের মধ্যে তাহেরীর নামে কৃষিজমি রয়েছে, যার ক্রয়মূল্য দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৩২ লাখ ৩৯ হাজার টাকা এবং বর্তমান বাজারমূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ ৩৯ হাজার টাকা। স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭৯ লাখ ৪৩ হাজার ৮৯২ টাকা।

    হলফনামায় আরও বলা হয়, তাহেরীর স্ত্রী বা তার ওপর নির্ভরশীল অন্য কোনো ব্যক্তির নামে কোনো সম্পদ, স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্র কিংবা নগদ অর্থ নেই।

    ব্যক্তিগত তথ্যের অংশে গিয়াস উদ্দিন তাহেরী উল্লেখ করেন, তার স্থায়ী ঠিকানা কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার ভাজরা গ্রামে। তবে হবিগঞ্জের মাধবপুরে তার শ্বশুরবাড়ি

    থাকায় সেখানকার আসন থেকেই তিনি প্রার্থী হয়েছেন।

    আইনি বিষয়ে হলফনামায় তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে বর্তমানে তিনটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তাহেরীর দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরই এসব মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • চরহামুয়া গ্রামে গৃহকর্তাকে মারধোর করে ঘরে আগুণ, ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি

    চরহামুয়া গ্রামে গৃহকর্তাকে মারধোর করে ঘরে আগুণ, ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ১০নং লস্করপুর ইউনিয়নের চরহামুয়া গ্রামে গৃহকর্তা আব্দুস শহীদ (৭০)কে মুখোশধারী দুবৃত্তরা পিটিয়ে আহত করেছে। এছাড়াও তার ঘরে আগুন দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন করা হয়েছে। গুরতর আহত অবস্তায় তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত সোমবার দিবাগত গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। এনিয়ে এলাকা জুড়ে আতংক বিরাজ করছে।
    স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই গ্রামের মোঃ আব্দুস শহীদ প্রতিদিনের ন্যায় রাতের খাওয়া শেষ করে পরিবারের লোকজন নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। গভীর রাতে একদল মুখোশধারী দুবৃত্ত দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। এসময় গৃহকর্তা জাগ্রত হলে তাকে বেধরক মারপিট করে অন্যন্যদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। যাওয়ার সময় মুখোশধারী দুবৃত্তরা হুমকি ধামকি দিয়ে বলে তর ছেলে মোঃ শাহমীর মিয়া দেশে আসলে হত্যা করে লাশ ঘুম করে ফেলে দিব। শুধু তাই নয়, ঘর থেকে বের হয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। ঘরে থাকা লোকজনের শোর চিৎকার শুণে স্থানীয়রা এগিয়ে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে গুরতর আহত অবস্তায় আব্দুস শহীদকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়।

  • নিলাম চলাকালে বন কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে

    নিলাম চলাকালে বন কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে

    হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় বিএনপির স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে বন কর্মকর্তাকে মারধর করে চোরাই গাছ ও কাঠ বিক্রির নিলাম বন্ধের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বন কর্মকর্তা আজ বুধবার চুনারুঘাট থানায় মামলা করেছেন।

    মামলায় আসামি করা হয়েছে, চুনারুঘাট উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মো. জাহাঙ্গীর আলম খান (৪৫) ও আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মো. সাইফুল ইসলামকে। সাইফুল হবিগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সহসম্পাদক শাম্মি আক্তারের ছোট ভাই।

    অভিযোগের বিষয়ে শাম্মি আক্তার  বলেন, ‘ঘটনাটি ঘটিয়েছেন চুনারুঘাট পৌরসভার সাবেক এক মেয়রের ভাই। বন কর্মকর্তা তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে আমার ভাইকে এ ঘটনায়

    মামলার এজাহারে বলা হয়, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ, কালেঙ্গা ও রঘুনন্দন বন রেঞ্জের জব্দ করা ২৯টি লট গাছ ও কাঠ বিক্রির জন্য নিলাম ডাকা হয়। চুনারুঘাটের সহকারী বন সংরক্ষকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে নিলাম শুরু হয়। এ সময় শ্রমিক দলের নেতা মো. জাহাঙ্গীর আলম খান ও বিএনপি নেতা মো. সাইফুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তাঁরা নিলামের দায়িত্বে থাকা ডেপুটি রেঞ্জার সৈয়দ আশিক আহমেদকে নিলাম বন্ধ করে তাঁদের নির্দেশনা অনুযায়ী নিলাম চালাতে বলেন। এ নিয়ে বন কর্মকর্তার সঙ্গে তাঁদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সাইফুল ও জাহাঙ্গীর বন কর্মকর্তা সৈয়দ আশিককে মারধর শুরু করেন। তাঁরা বন কর্মকর্তাকে বলেন, ‘তুই কে এ নিলাম ডাকার? লাথি মেরে তোর সব দাঁত ভে

    দিব।’ এ সময় আশপাশে থাকা অন্য বন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ঘটনাস্থলে এসে সৈয়দ আশিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।মামলার এজাহারে আরও বলা হয়, হামলার এক পর্যায়ে জাহাঙ্গীর আলম ডেপুটি রেঞ্জারের প্যান্টের পকেটে থাকা ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন। তাঁরা ঘটনাস্থল থেকে যাওয়ার আগে নিলাম কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন এবং মামলা করলে খুন করে ফেলার হুমকিও দেন।

  • নিলাম চলাকালে বন কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে

    নিলাম চলাকালে বন কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে

    হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় বিএনপির স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে বন কর্মকর্তাকে মারধর করে চোরাই গাছ ও কাঠ বিক্রির নিলাম বন্ধের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বন কর্মকর্তা আজ বুধবার চুনারুঘাট থানায় মামলা করেছেন।মামলায়

    আসামি করা হয়েছে, চুনারুঘাট উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মো. জাহাঙ্গীর আলম খান (৪৫) ও আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মো. সাইফুল ইসলামকে। সাইফুল হবিগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সহসম্পাদক শাম্মি আক্তারের ছোট ভাই।

    অভিযোগের বিষয়ে শাম্মি আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঘটনাটি ঘটিয়েছেন চুনারুঘাট পৌরসভার সাবেক এক মেয়রের ভাই। বন কর্মকর্তা তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে আমার ভাইকে এ ঘটনায় জড়িয়েছেন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে। চুনারুঘাটে আমি বা আমার পরিবারের কেউ কোনো অন্যায় কাজে জড়িত নই।’

  • গুলি ছুড়ে প্রহরীদের ভয় দেখিয়ে বনের গাছ কেটে নিল দুর্বৃত্তরা

    গুলি ছুড়ে প্রহরীদের ভয় দেখিয়ে বনের গাছ কেটে নিল দুর্বৃত্তরা

    গুলি ছুড়ে প্রহরীদের ভয় দেখিয়ে বনের গাছ কেটে নিল দুর্বৃত্তরা

    হবিগঞ্জে বনে ঢুকে ফাঁকা গুলি ছুড়ে ও বনপ্রহরীদের ভয় দেখিয়ে ২০ থেকে ২৫টি গাছ কেটে নিয়ে গেছে একদল দুর্বৃত্ত। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটায় জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় অবস্থিত দেশের অন্যতম বনাঞ্চল রেমা–কালেঙ্গায় এ ঘটনাটি ঘটে।

    বন বিভাগের হবিগঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. জয়নাল আবেদীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের জনবল কম। যে কারণে ৫০ থেকে ৬০ জনের বনদস্যু দল বনের ভেতরে ঢুকে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে ফাঁকা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক তৈরি করে এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।’

    ১ হাজার ৮০০ একর আয়তনের এই সংরক্ষিত বনের ভেতরে সেগুনগাছসহ নানা প্রজাতির গাছগাছালি রয়েছে। সম্প্রতি এ বনের গাছ কেটে নেওয়াসহ নানা অপরাধের ঘটনা ঘটছে।

    বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে বনের হিমানিয়া বাজারসংলগ্ন এলাকা দিয়ে ৫০ থেকে ৬০ দুর্বৃত্ত প্রবেশ করে। তারা বনে ঢুকে প্রথমে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। গুলির আওয়াজ শুনে বনপ্রহরীরা এগিয়ে গেলে তাঁদের লক্ষ্য করেও গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় প্রহরীরা পাল্টা গুলি চালান। একপর্যায়ে বনদুস্যদের তাড়া খেয়ে বনপ্রহরীরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। এ সময় দুর্বৃত্তরা বনের ভেতর থেকে একে একে ২০ থেকে ২২টি সেগুনগাছ কেটে ট্রাক্টরে নিয়ে পালিয়ে যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে আজ শুক্রবার সকালে বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

    রেমা–কালেঙ্গা বন কর্মকর্তা (রেঞ্জার) আবদুল খালেক বলেন, প্রহরীদের লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা গুলি ছুড়লে তাঁরা পিছু হটেন। কারণ, এ সময় মাত্র তিন প্রহরী দায়িত্বরত ছিলেন। এর বিপরীতে দুর্বৃত্তরা ছিল বেশ সংঘবদ্ধ। বন কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘বনদস্যুরা বেশি গাছ নিতে পারেনি। সেগুন ও আকাশমণি জাতের ২০ থেকে ২২টি গাছ নিয়ে গেছে। আমরা কিছু উদ্ধার করতে পেরেছি। দুর্বৃত্তরা আধুনিক করাত ব্যবহার করে। এই করাত দিয়ে তিন থেকে চার মিনিটে একটি কাছ কাটা যায়।’

    হবিগঞ্জ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মো. জয়নাল আবেদীন জানান, এত বড় বন কমসংখ্যক জনবল দিয়ে সংরক্ষণ করা কঠিন। এ ছাড়া বনের কর্মকর্তা ও বনপ্রহরী সবাই এ বনে নতুন যোগদান করেছেন। যে কারণে তাঁরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই এ ঘটনাটি ঘটে। তিনি বলেন, কী পরিমাণ গাছ কেটে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা, তা নির্ণয় ও তদন্তকাজ চলছে। পাশাপাশি এ বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।