ক্যাটাগরি Uncategorized

  • পদ্মা সেতুর টোল থেকে তিন হাজার কোটি টাকা আয়

    পদ্মা সেতুর টোল থেকে তিন হাজার কোটি টাকা আয়

    ৩০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পদ্মা সেতু থেকে ৪৩ মাসে টোল বাবদ আয় ৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

    বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, ২০২২ সালের ২৫ জুন উদ্বোধনের পর থেকে আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত এই টাকা আয় হয়েছে।

    সব ধরনের যানবাহনের পদ্মা সেতু পারাপার করতে হলে টোল দিতে হয়। মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি, বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের জন্য ভিন্ন ভিন্ন টোল হার নির্ধারিত আছে।

    সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২২ হাজারের মতো যানবাহন চলাচল করে। প্রতিদিন গড়ে টোল আদায় হয় আড়াই কোটি টাকা। গত ডিসেম্বর মাসে প্রায় ৮২ কোটি টাকা টোল আদায় হয়েছে।

    মুন্সিগঞ্জ ও শরীয়তপুর সংযোগকারী দেশের দীর্ঘতম পদ্মা সেতু দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলকে রাজধানীর সঙ্গে যুক্ত করেছে। ওই অঞ্চলের ২১টি জেলার মানুষ এই সেতুর সুবিধা পাচ্ছেন।

    প্রায় চার বছর আগে চালুর পর থেকে সেতুটি দিয়ে যানবাহন পারাপারের সংখ্যা এবং আয় ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে সেতু কর্তৃপক্ষ।

    তারা বলছে, সেতুটি চালু হওয়ার ফলে যাতায়াতের সময় সাশ্রয় হওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং শিল্পজাত পণ্য পরিবহনে এসেছে বিশাল পরিবর্তন।

    পদ্মা সেতুর দুই প্রান্তে (মাওয়া ও জাজিরা) টোল প্লাজায় ইলেকট্রনিক টোল আদায় (ইটিসি) ব্যবস্থা চালু আছে। এই পদ্ধতিতে যানবাহন দাঁড় না করিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল পরিশোধ করা যায়। এর ফলে যানবাহনকে টোল প্লাজায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেনটিফিকেশন (আরএফআইডি) কার্ডের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল আদায়ের ফলে যাতায়াত আরও দ্রুত ও সহজতর হয়েছে।

    সেতু কর্তৃপক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে পদ্মা সেতুর টোল আদায়ের ‘মাইলফলক’ অর্জনের জন্য যানবাহনের মালিক, চালক, শ্রমিক, সেতুর দুই পারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, সেতুর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসহ সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।

    পদ্মা সেতু প্রকল্পে মোট ব্যয় হয় ৩০ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা। ২০০৭ সালে যখন পদ্মা সেতু

  • ঘন কুয়াশায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ, ৭ ঘণ্টা পর চালু

    ঘন কুয়াশায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ, ৭ ঘণ্টা পর চালু

    ঘন কুয়াশায় রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া এবং মানিকগঞ্জের আরিচা-পাবনার কাজিরহাট নৌপথে নৌযান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে গতকাল রোববার মধ্যরাতে ফেরি চলাচল বন্ধ করা হয়। প্রায় সাত ঘণ্টা পর আজ সোমবার সকাল সোয়া সাতটা থেকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়।

    অন্যদিকে প্রায় ১০ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর সকাল সোয়া নয়টা থেকে আরিচা-কাজিরহাট রুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়।

    এ ছাড়া প্রায় ১৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর আজ সকাল ৯টা থেকে এই দুই নৌপথে লঞ্চ চলাচলও শুরু হয়েছে। দীর্ঘ সময় নৌযান চলাচল বন্ধ থাকায় যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

    বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, কুয়াশার কারণে আগের দিন রাত থেকে প্রায় সাড়ে ১২ ঘণ্টা ফেরি বন্ধ ছিল। এরপর গতকাল মধ্যরাত থেকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে আবারও কুয়াশা পড়তে শুরু করে। একপর্যায়ে ফেরি চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। পাটুরিয়া থেকে ছেড়ে যাওয়া রো-রো (বড়) ফেরি খানজাহান আলী রাত ১২টার দিকে মাঝনদীতে কুয়াশায় আটকা পড়ে। পরে ফেরিটি মাঝনদীতে নোঙর করতে বাধ্য হয়। এ অবস্থায় রাত সোয়া ১২টার দিকে কর্তৃপক্ষ এই নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয়।

    এ সময় পাটুরিয়া প্রান্তিক এলাকার ৩ নম্বর ঘাটে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান, বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ও হাসনাহেনা, ৪ নম্বর ঘাটে ঢাকা এবং ৫ নম্বর ঘাটে বাইগার নামের পাঁচটি ফেরি নোঙর করে কুয়াশা কমার অপেক্ষায় থাকে।

    একইভাবে দৌলতদিয়া এলাকায় ৪ নম্বর ঘাটে এনায়েতপুরী এবং ৫ নম্বর ঘাটে ভাষাসৈনিক গোলাম মাওলা ও শাহ মখদুম নামের তিনটি ফেরি নোঙর করে রাখা হয়। প্রায় সাত ঘণ্টা পর সোমবার সকাল সোয়া সাতটার দিকে কুয়াশা কমলে উভয় ঘাট থেকে নদী পারাপারের অপেক্ষায় থাকা যানবাহন নিয়ে

    এদিকে আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে রাত সাড়ে ১১টা থেকে এই নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক আবু আবদুল্লাহ রনি বলেন, কুয়াশার কারণে দুই সপ্তাহ ধরে রাতে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। আগের দিন প্রায় ১৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর রোববার রাত সাড়ে ১১টা থেকে আবারও ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। ফেরিগুলো ঘাটের কাছেই নোঙর করে রাখা হয়। প্রায় ১০ ঘণ্টা পর সোমবার সকাল সোয়া নয়টা থেকে এই রুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়।

    কুয়াশার কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া এবং আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে লঞ্চ চলাচলও ব্যাহত হয়েছে। রোববার রাত আটটার পর থেকে দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হয়। প্রায় ১৩ ঘণ্টা পর সোমবার সকাল ৯টা থেকে লঞ্চ চলাচল শুরু হয়।

    বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) আরিচা কার্যালয়ের ট্রাফিক সুপারভাইজার মো. শিমুল ইসলাম বলেন, কুয়াশার কারণে প্রায় প্রতি রাতেই লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখতে হচ্ছে। এতে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রায় ১৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর সোমবার সকাল থেকে এই দুই নৌপথে লঞ্চ চলাচল আবার স্বাভাবিক হয়েছে।

  • রাজবাড়ীতে পদ্মায় কুমির দেখতে মানুষের ভিড়, বন বিভাগের সতর্কতা

    রাজবাড়ীতে পদ্মায় কুমির দেখতে মানুষের ভিড়, বন বিভাগের সতর্কতা

    রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের উড়াকান্দা এলাকায় পদ্মা নদীতে কুমির দেখার পর থেকে প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে মানুষ ভিড় করছেন। নানা বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে এলাকায় কৌতূহল যেমন বেড়েছে, তেমনি বাড়ছে আতঙ্কও।

    এ পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীর সচেতনতায় উড়াকান্দা পদ্মা নদীর পাড়ে রাজবাড়ী সামাজিক বনায়ন নার্সারি ও প্রশিক্ষণকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পক্ষ থেকে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড টানানো হয়েছে। পাশাপাশি বন বিভাগের কর্মচারীরাও সেখানে অবস্থান করছেন।

    আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সরেজমিন দেখা যায়, পদ্মা নদীর পাড়ে অবস্থিত ২৮ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নদীমুখী অংশ বাঁশ ও প্লাস্টিকের নেট দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। বিদ্যালয়ের পাশে বড় করে টানানো সতর্কীকরণ সাইনবোর্ডে সাম্প্রতিক সময়ে পদ্মা নদীতে কুমির দেখার তথ্য জানানো হয়েছে। পাশাপাশি নদীতে গোসল, সাঁতার কাটা, মাছ ধরা, গরু গোসল করানোসহ সব ধরনের আনুষঙ্গিক কাজ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

    রাজবাড়ী বন বিভাগ থেকে আসা দেলোয়ার হোসেন নামের এক কর্মচারী লোকজনের ভিড় লক্ষ্য করে মাঝেমধ্যেই সবাইকে সতর্ক করছেন, যাতে কেউ নদীতে গোসল করতে না নামেন বা নদীর পাড়ে বসে কাপড়চোপড় ধোয়ার কাজ না করেন।

    প্রত্যক্ষদর্শী উড়াকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন,

    ‘মঙ্গলবার বেলা তিনটার দিকে শিক্ষার্থীরা কুমির দেখতে পেয়ে চিৎকার করতে থাকে। চিৎকার শুনে দৌড়ে নদীর পাড়ে গিয়ে কুমির দেখতে পাই। আমাদের ধারণা, কুমিরটি বড় হবে। গায়ে শেওলা পড়েছে। এ সময় আমি নিজে মুঠোফোনে কুমিরের ছবি এবং ভিডিও ধারণ করি।’

    স্থানীয় মুদিদোকানি মমিন মোল্লা বলেন, ‘মঙ্গলবার দুপুরের দিকে স্কুলের ছেলেপেলেদের চিৎকারে নদীর পাড়ে গিয়ে একটা খাইটার মতো কুমির দেখতে পাই। এরপর গতকাল বুধবার ও আজ এখন পর্যন্ত কুমিরটি আর দেখিনি। তবে ভয়ে দুই দিন ধরে নদীতে গোসল করিনি। আমার মতো এলাকার অনেকে ভয়ে নদীতে নামছেন না।’

    নদীর পাড়ে কুমির দেখতে রাজবাড়ী শহর থেকে আসা হেলাল সরদার বলেন, ‘পদ্মা নদীতে কুমির দেখা গেছে—এই খবর পেয়ে দেখতে এসেছি। অনেকক্ষণ হলো এখনো কুমিরের দেখা পাইনি।’

    রাজবাড়ী সামাজিক বনায়ন নার্সারি ও প্রশিক্ষণকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী বন সংরক্ষক সানজিদা সুলতানা বলেন, ‘শুষ্ক মৌসুমে খাবারের সন্ধানে কুমির এখানে আসতে পারে। পদ্মা নদী প্রবাহমান হওয়ায় আমরা বিশেষ কোনো ব্যবস্থাও নিতে পারছি না। এলাকাবাসীর সতর্কতার জন্য নদীর পাড়ে

  • টাকা চাওয়ায় ফিলিং স্টেশনের কর্মীকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা, গাড়িমালিক সাবেক বিএনপি নেতা ও চালক আটক

    টাকা চাওয়ায় ফিলিং স্টেশনের কর্মীকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা, গাড়িমালিক সাবেক বিএনপি নেতা ও চালক আটক

    রাজবাড়ী সদর উপজেলার গোয়ালন্দ মোড়ে করিম ফিলিং স্টেশনে তেলের টাকা চাইতে যাওয়া শ্রমিককে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ভোররাত সাড়ে চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত রিপন সাহা (৩০) রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর ইউনিয়নের সাহাপাড়ার পবিত্র সাহার ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ শুক্রবার বিকেলের দিকে সদর উপজেলার বড় মুরারীপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে গাড়ি জব্দসহ মালিক আবুল হাসেমকে (সুজন) (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে। এ ছাড়া পুলিশ গাড়িচালক কামাল হোসেনকেও (৪৩) সদর উপজেলার বানিবহ নিজপাড়া গ্রাম থেকে আটক করেছে।

    আবুল হাসেম সদর উপজেলার বড় মুরারীপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রাজবাড়ী জেলা বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি। পেশায় একজন প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার।

    স্টেশনের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখে যায়, ভোররাত সাড়ে চারটার দিকে কালো রঙের ল্যান্ড ক্রুজার জিপ গাড়ি (ঢাকা মেট্রো ঘ-১৩-৩৪৭৬) পাম্পে এসে তেল নেয়। গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে আছেন শ্রমিক রিপন সাহা ও গাড়িমালিক আবুল হাসেম। কিছুক্ষণ অবস্থানের পর আবুল হাসেম গাড়িতে উঠে বসেন। এরপর গাড়িটি টান দিলে সঙ্গে সঙ্গে রিপনও দৌড় দেন। এ সময় তাঁকে চাপা দিয়েই গাড়িটি চলে যায়।

    রাজবাড়ীর আহ্লাদিপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ভোররাতের দিকে গোয়ালন্দ মোড় করিম ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নিয়ে টাকা না দিয়ে কালো রঙের গাড়িটি চলে যাচ্ছিল। টাকার জন্য রিপনও পিছু নিয়ে দৌড় দিয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক পর্যন্ত যান। পাম্পের আরেক শ্রমিক জাকির হোসেন তাঁদের পেছনে দৌড় দেন। তিনি ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক পর্যন্ত গিয়ে দেখেন, রিপনের মাথা ও মুখ থেতলানো মরদেহ মহাসড়কে পড়ে আছে। লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

  • ‘ভোট হবে, কোনো সন্দেহ নেই এবং সংস্কার প্রশ্নে সবাইকে “হ্যাঁ” ভোট দিতে হবে’

    ‘ভোট হবে, কোনো সন্দেহ নেই এবং সংস্কার প্রশ্নে সবাইকে “হ্যাঁ” ভোট দিতে হবে’

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট অনুষ্ঠিত হবে—এ নিয়ে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। সরকার, নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল, ভোটার—সবাই এ নির্বাচনের জন্য সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত। এ ছাড়া সংস্কার প্রশ্নে সবাইকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে বলে জানান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, পানিসম্পদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। ২০ জানুয়ারি রাজবাড়ী শহরের শহীদ খুশি রেলওয়ে আযাদী মাঠে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ র‌্যালির উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন তিনি। বিস্তারিত দেখুন ভিডিও প্রতিবেদনে—

  • জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলা ও বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

    জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলা ও বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

    বিডিনিউজ ডেক্স  : টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের নঠুরচর এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক পরিবারের ওপর হামলা ও বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

    ভুক্তভোগী মো. আ. রাজ্জাক জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী নাজিম উদ্দীনের পরিবারের সঙ্গে তাদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে রবিবার সন্ধ্যায় পাশ্ববর্তী বাড়ির মৃত অভিশেখের ছেলে নাজিম উদ্দীন ও তার অনুসারীরা তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলার সময় ঘরবাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি ঘরে থাকা বিভিন্ন মালামাল লুটপাট করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    রাজ্জাক আরও জানান, হামলা প্রতিরোধ করতে গেলে নারী ও শিশুসহ অন্তত পাঁচজনকে মারধর করা হয়। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    1. এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আ. রাজ্জাক গোপালপুর থানায় ৯ জনকে আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন— মৃত অভিশেখের ছেলে নাজিম উদ্দীন, মৃত আজালী শেখের ছেলে আ. হামিদ, হামিদের ছেলে মো. হাফিজুল ইসলাম, মো. কবির হোসেন, হারুন, নাজিমের ছেলে কামরুল হোসেন, হাফিজুলের ছেলে শাহীন ও হারুনের ছেলে পারভেজ।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজ্জাকের পরিবারের সঙ্গে নাজিমের পরিবারের দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় সেই বিরোধের জের ধরেই নাজিম উদ্দীনের অনুসারীরা রাজ্জাকের বাড়িতে হামলা চালিয়ে মারধর ও ভাঙচুর করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

    তবে অভিযুক্ত পক্ষের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, রাজ্জাকের পরিবার নিজেরাই ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে নাটক সাজিয়েছে এবং তারাই উল্টো তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

    এ বিষয়ে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, “লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    M

  • টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্জ্য যুক্ত পানি, দুর্গন্ধ ও আবর্জনার স্তূপ|| চরম স্বাস্থ্যঝুঁকি

    টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্জ্য যুক্ত পানি, দুর্গন্ধ ও আবর্জনার স্তূপ|| চরম স্বাস্থ্যঝুঁকি

    বিডিনিউজ ডেক্স : টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল জেলার সর্ববৃহৎ সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্র হলেও বর্তমানে চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পরিণত হয়েছে। হাসপাতালের ভেতর ও বাইরে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা বর্জ্য যুক্ত পানি, ময়লা-আবর্জনা ও দুর্গন্ধ। অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় রোগী ও স্বজনদের মধ্যে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। টাঙ্গাইলের নবাগত পৌর প্রশাসক (ডিডিএলজি) মাহফুজুল আলম মাসুম ও পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোঃ আনিসুর রহমান শহরে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে গতকাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান।

    এ সময় টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. আব্দুল কুদ্দুছকে সাথে নিয়ে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা  ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা দেখতে হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে পরিদর্শন করেন। এসময় দেখা যায়, টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অভ্যন্তরীণ সিঁড়ি, ভেতরে ও বাইরে বর্জ্য অব্যবস্থাপনা, আঙিনা, ওয়ার্ডের আশপাশে খোলা অবস্থায় আবর্জনা পড়ে আছে। কোথাও কোথাও মেডিকেল বর্জ্যও সঠিকভাবে অপসারণ না করায় মশা-মাছির উপদ্রব বেড়েছে। এতে ডেঙ্গু, ডায়রিয়া ও অন্যান্য সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, “হাসপাতালে এসে রোগ সেরে ওঠার কথা, কিন্তু এই নোংরা পরিবেশে উল্টো নতুন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ভয় থাকে।” অনেক রোগী জানান, দুর্গন্ধের কারণে ওয়ার্ডে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় এমন পরিবেশ মারাত্মক সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষ করে মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অবহেলা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি।

    এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত তদারকির দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। তাদের মতে, একটি হাসপাতাল কখনোই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের প্রতীক হতে পারে না, বরং পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপদ চিকিৎসার আদর্শ হওয়া উচিত। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবে হাসপাতালের পরিবেশ নোংরা-আবর্জনায় ভরে থাকে। স্যালাইন, ন্যাকিন, সূঁচ সহ সিরিঞ্জ, গজ-ব্যান্ডেজ হাসপাতালের পরিত্যক্তস্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। হাসপাতালে ঢুকলেই উৎকট গন্ধে অবস্থান করা দূরূহ হয়ে পড়ে।

    টাঙ্গাইলের নবাগত পৌর প্রশাসক (ডিডিএলজি) মাহফুজুল আলম মাসুম বলেন, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের এই কাজটা জেলা প্রশাসকেরও ইচ্ছা। যেগুলো ময়লা বাইরে আছে, পৌরসভার পক্ষ থেকে আমরা সেগুলো পরিস্কারের ব্যবস্থা করবো। কিন্তু ভেতরের অবস্থা খুবই অস্বাস্থ্যকর। মেডিকেল বর্জ্যগুলোকে অপসারণের জন্য আলাদাভাবে রাখতে বলেন। যাতে পৌরসভা সেগুলো আলাদাভাবে সরিয়ে নিতে পারেন। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য কোন সমস্যা হলে, তিনি হাসপাতালের পরিচালককে তাকে সাথে নিয়ে জেলা প্রশাসন ও গণপূর্ত বিভাগের সাথে কথা বলতে বলেন।

    টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজের পরিচালক ডা. আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, আপনারা যেমন চান আমিও চাই, এই হাসপাতাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা মুক্ত হোক। যাতে রোগীরা সুন্দরভাবে চিকিৎসা নিতে পারে। আমি মনে করি এটা আমাদের সমন্বিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন। জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলে, একটা প্লান করে কিভাবে ধীরে ধীরে  এ সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা যায়, সেই চেষ্টা করবো। এ সময় তিনি পৌর প্রশাসককে হাসপাতাল পরিদর্শনের জন্য ধন্যবাদ জানান।

    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোঃ আনিসুর রহমান, নাগরিক অধিকার সুরক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার নূর মোহাম্মদ রাজ্য, যুগ্ম সম্পাদক মেহেদী সাজু, মানবাধিকার সংস্থা ‘হিউম্যান রাইটস্ রিভিউ সোসাইটি’ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি মোঃ রাশেদ খান মেনন (রাসেল), বিডি ক্লিনের সদস্যগণ, পৌরসভার স্টাফগণ ও সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের সুধীজন।

    M

  • ওরসের দোহাই দিয়ে ৫ দিন স্কুল বন্ধ রাখে প্রধান শিক্ষক

    ওরসের দোহাই দিয়ে ৫ দিন স্কুল বন্ধ রাখে প্রধান শিক্ষক

    বিডিনিউজ ডেক্স : ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় টানা ৫ দিন ধরে বন্ধ থাকায় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা সদর ইউনিয়নের সাতের রশি গ্রামে অবস্থিত সতেররশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি গত ৫ দিন ধরে বন্ধ পড়ে আছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

    বৃস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়টির সব শ্রেণিকক্ষের দরজায় তালা ঝুলছে। স্কুল প্রাঙ্গণ ছিল সম্পূর্ণ নীরব ও শিক্ষার্থীশূন্য। গত কয়েকদিন পাঠদান বন্ধ থাকায় শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।

    স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই গত পাঁচদিন ধরে স্কুলটি বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে করে শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে, যা তাদের নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

    এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মাদ শহীদুর রহমান জানান, পার্শ্ববর্তী বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে অনুষ্ঠিত ওরস উপলক্ষে বিদ্যালয়টি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। তার দাবি, ওরসকে কেন্দ্র করে এলাকায় অতিরিক্ত ভিড় ও নিরাপত্তাজনিত কারণ বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    তবে বিদ্যালয় বন্ধ রাখার বিষয়ে শিক্ষা বিভাগের পূর্বানুমতি নেওয়া হয়েছে কি না- এ বিষয়ে তিনি কোনো স্পষ্ট তথ্য দিতে পারেননি।

    এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার হাফিজুর রহমান বলেন, ওই বিদ্যালয়ে ১৪৮ জন শিক্ষার্থী। স্কুল বন্ধ রাখার বিষয়ে আমরা কাউকে অনুমতি দেইনি। বিষয়টি জানার পর আমি প্রধান শিক্ষককে ডেকে এনেছি। কেন স্কুল বন্ধ ছিল, সে বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

    এদিকে সচেতন মহল মনে করছেন, ধর্মীয় বা সামাজিক অনুষ্ঠানের অজুহাতে দীর্ঘ সময় ধরে একটি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা নিয়মবহির্ভূত। এতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

    M

  • ফরিদপুর-৪ আসনে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়পত্র বৈধ, বাতিল ৫

    ফরিদপুর-৪ আসনে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়পত্র বৈধ, বাতিল ৫

    • বিডিনিউজ ডেক্স : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনের মনোনয়পত্র যাচাই-বাছাই শেষ করেছেন জেলা রিটানিং কর্মকতা মো. কামরুল হাসান মোল্লা। এসময় এ আসনে দাখিলকৃত মোট ১০ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীসহ ৫ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে, বাতিল করা হয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থীসহ পাঁচ জনের।

    শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার সময় ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সম্মেলন কক্ষে এ যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। এসময় আসনটির সকল প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা কর্মকর্তা তারেক আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রামানন্দ পাল, মিন্টু বিশ্বাস, সোহরাব হোসেন প্রমুখ।

    জেলা রিটানিং কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মোল্লা জানান, দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে পাঁচ প্রার্থীর কাগজপত্রে ক্রটি থাকায় তা বাতিল ঘোষণা করা হয়। এছাড়া অন্য ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

    মনোনয়পত্র বৈধ ঘোষণার পর সন্তোষ প্রকাশ করেন বিএনপির প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুল। তিনি বলেন, দলের ও ভোটারদের কাছে কৃতজ্ঞতা। ভোটাররা দীর্ঘদিন ভোট দিতে পারেননি, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নতুন ও পুরাতন ভোটার আনন্দের সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে যাবে।

    M

  • আলফাডাঙ্গার ভিপি হলফনামায় কেন ‘স্বশিক্ষিত’ লিখেছেন

    আলফাডাঙ্গার ভিপি হলফনামায় কেন ‘স্বশিক্ষিত’ লিখেছেন

    বিডিনিউজ ডেক্স : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা ও মধুখালী) আসনে এবার জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী হয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর। সাতবার দল পরিবর্তন করে তিনি একাদশবারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এর আগে তিনি চারবার সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছেন।

    শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ ছাত্র সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) ছিলেন। ১৯৭১ সালের উত্তাল সময়ে রাজেন্দ্র কলেজের ভিপি হিসেবে তিনি ফরিদপুরে ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন এবং পরবর্তী সময়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।

    তবে গত ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় শাহ জাফর নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা উল্লেখ করেছেন ‘স্বশিক্ষিত’ হিসেবে। অথচ রাজেন্দ্র কলেজের একজন ডাকসাইটে ভিপি কীভাবে ‘স্বশিক্ষিত’ হলেন—এ নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন।

    শাহ জাফর প্রথমবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেন ১৯৭৯ সালে। এরপর ২০২৬ সাল পর্যন্ত ২০১৪ সাল বাদে সব জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হয়েছেন। ২০০৮ সাল থেকেই প্রার্থীদের হলফনামা দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়। এসব হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০০৮ ও ২০১৮ সালের হলফনামায় তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল এইচএসসি, ২০২৪ সালের নির্বাচনে তা উল্লেখ করা হয় এসএসসি আর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে দাখিল করা হলফনামায় লেখা হয় স্বশিক্ষিত।

    বিভিন্ন সময়ে শিক্ষাগত যোগ্যতা ভিন্নভাবে উল্লেখ করার কারণ জানতে চাইলে শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর প্রথম আলোকে বলেন, রাজধানীর কলাবাগানের বাসায় আগুন লাগার ঘটনায় তাঁর শিক্ষাসনদের কাগজপত্র পুড়ে যায়। নতুন করে সনদ সংগ্রহ করা জটিল হওয়ায় তিনি সর্বশেষ হলফনামায় ‘স্বশিক্ষিত’ লিখেছেন।

    ২০২৪ সালে এসএসসি লেখার বিষয়ে শাহ জাফর বলেন, ওই সময় তাড়াহুড়োর মধ্যে এসএসসি সনদটিই হাতের কাছে পাওয়া গিয়েছিল।নিজের শিক্ষাজীবনের বর্ণনা দিতে গিয়ে শাহ জাফর বলেন, ১৯৬৮ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়ে তিনি ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজে ভর্তি হন। কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি বৃহত্তর ফরিদপুর ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক হন এবং উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর ডিগ্রি প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত অবস্থায় রাজেন্দ্র কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। তবে পরবর্তী সময়ে ডিগ্রি পরীক্ষা দেওয়া তাঁর পক্ষে আর সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি।

    M