Blog

  • পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারণা শেষ, প্রথম দফার ভোট কাল

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারণা শেষ, প্রথম দফার ভোট কাল

    নিউজ ডেস্ক:

     

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বৃহস্পতিবার। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত বিধি অনুযায়ী মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় এই দফার নির্বাচনী প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে।

    প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গ মিলিয়ে রাজ্যের মোট ১৬ জেলার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে ভোট চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

    তবে প্রচারণার শেষ দিনে বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটেছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতনে বিজেপি প্রার্থী অজিত কুমার জানার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে তার একটি হাত ভেঙে গেছে বলে জানা গেছে। তাকে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় তার গাড়ি ও একাধিক মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয় এবং কয়েকজন কর্মী-সমর্থক আহত হন। এ ঘটনায় তৃণমূল-সমর্থিত দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

    এদিকে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগে নন্দীগ্রামে তৃণমূলের এক নেতা হাবিবুল রহমান ওরফে নান্টুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি নন্দীগ্রামের মোহাম্মদপুর পঞ্চায়েতের প্রধান।

    প্রথম দফায় প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার প্রায় ১ কোটি ৮৪ লাখ, নারী ভোটার প্রায় ১ কোটি ৭৫ লাখ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৪৬৫ জন।

    এই নির্বাচনে মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস যেমন লড়াইয়ে রয়েছে, তেমনি বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিআই(এম), ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ), আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (এজেইউপি)সহ অন্যান্য দলও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। তবে অধিকাংশ আসনেই মূল লড়াই তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন ভোটাররা।

    প্রথম দফায় মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে। তৃণমূল কংগ্রেসের উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদায়ন গুহ (দিনহাটা), সেচমন্ত্রী মানষ ভূঁইয়া (সবং), শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক (আসানসোল উত্তর), এশিয়ান গেমসে স্বর্ণজয়ী অ্যাথলেট স্বপ্না বর্মন (রাজগঞ্জ) এবং সাবেক মন্ত্রী গৌতম দেব (শিলিগুড়ি)।

    বিজেপির হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (নন্দীগ্রাম), দিলীপ ঘোষ (খড়গপুর সদর), সাবেক কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (মাথাভাঙ্গা), সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার অশোক দিন্দা (ময়না) এবং ফ্যাশন ডিজাইনার অগ্নিমিত্রা পাল (আসানসোল দক্ষিণ)।

    কংগ্রেসের প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী (বহরমপুর), মৌসম বেনজির নুর (মালতিপুর) এবং আলী ইমরান রামজ (চাকুলিয়া)। এছাড়া আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর রেজিনগর ও নওদা আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

    নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে নির্বাচন কমিশন একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রায় ২,৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার সদস্য) মোতায়েন করা হয়েছে, যা রাজ্যের নির্বাচনের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

    প্রথম দফায় ১৫২টি আসনের জন্য মোট ৪৪ হাজার ৩৭৮টি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ভেতরে ও বাইরে অন্তত দুটি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং ওয়েবকাস্টিংয়ের মাধ্যমে সরাসরি পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কন্ট্রোল রুম থেকে কর্মকর্তারা সরাসরি ভোটকেন্দ্রের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা দেওয়া হবে।

    এছাড়া ২,১৯৩টি কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অশান্তির খবর পাওয়া মাত্র দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৮৮টি কিউআরটি মোতায়েন করা হয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলায়।

    নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভুয়া ভিডিও বা গুজব ছড়ালে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার কঠোর বার্তা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২৯ এপ্রিল এবং ভোট গণনা হবে আগামী ৪ মে।

  • যুদ্ধে ১৩০০ স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত, তবুও থেমে থাকেনি ইরানের শিক্ষা কার্যক্রম

    যুদ্ধে ১৩০০ স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত, তবুও থেমে থাকেনি ইরানের শিক্ষা কার্যক্রম

     

    যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক যুদ্ধে ইরানের প্রায় ১,৩০০ স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরান জানিয়েছে, ইতোমধ্যেই এর অর্ধেকেরও বেশি স্কুল মেরামত করা হয়েছে।

    বুধবার (২২ এপ্রিল) আল জাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    ইরানের শিক্ষামন্ত্রী আলিরেজা কাজেমি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএকে জানান, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলগুলোর মধ্যে ৭৭৫টির সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

    তিনি বলেন, ‘প্রায় ২০ স্কুল সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তেহরান, কেরমানশাহ, ইসফাহান ও হরমোজগান প্রদেশে।’

    কাজেমি আরও জানান, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলগুলোর সংস্কার কাজ আগামী অক্টোবরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

    তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার মধ্যেও ইরানের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়নি। যুদ্ধকালীন সময়ে সরাসরি শ্রেণিকক্ষে অথবা অন্যান্য মাধ্যমে, এমনকি ‘ইরানিয়ান টেলিভিশন স্কুলের’ মাধ্যমেও পাঠদান চালিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    এছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মিনাবের শাজারে তাইয়্যেবে বালিকা বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রায় ১৭০ জন নিহত হন। নিহতদের স্মরণে বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে শোকানুষ্ঠানও আয়োজন করা হয়েছে।

  • একাধিক শহরে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করল ইরান

    একাধিক শহরে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করল ইরান

     

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের একাধিক শহরে বিভিন্ন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়েছে।

    বুধবার (২২ এপ্রিল) বিবিসির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের রাজধানী তেহরানের একটি প্রধান চত্বরে ‘ঘদর’ নামক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়। এ সমাবেশে উপস্থিত জনতা ‘আমেরিকার মৃত্যু হোক’ স্লোগান দেয়। পাশাপাশি ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর একজন কমান্ডার মজিদ মৌসাভিকে তেলআবিবে হামলার আহ্বান জানায়।

    একই সময়ে তেহরানের আরেকটি বড় চত্বরে সমাবেশে ‘খোররামশাহর-৪’ নামের আরেকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়। ওই ক্ষেপণাস্ত্রটির সঙ্গে লক্ষ্য হিসেবে কাতারের একটি গ্যাস কোম্পানির ছবি লাগানো ছিল।

    শুধু তেহরানেই নয় ইরানের দক্ষিণের সিরাজ, উত্তর-পশ্চিমের তাবরিজ এবং মধ্যাঞ্চলের যানযান শহরেও একই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়েছে।

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রতিদিনই ইরানের বিভিন্ন চত্বরে এসব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ ধরনের সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা জাতীয় পতাকা নিয়ে ইরানের প্রতি সমর্থন প্রদর্শন করেন। দেশটির সরকারি ও রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সাধারণ মানুষকে এসব কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।

  • যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির আড়ালে ভয়াবহ যুদ্ধের প্রস্তুতি

    যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির আড়ালে ভয়াবহ যুদ্ধের প্রস্তুতি

     

     

    নানা নাটকীয়তা ও হুঙ্কারের পর অনির্দিষ্টকালের জন্য যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তবে ট্রাম্পের এই যুদ্ধবিরতি ঘোষণাকে কোনোভাবেই বিশ্বাস করতে পারছেন না ইরানি কর্তৃপক্ষ। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির আড়ালে নতুন করে ইরানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
    অন্যদিকে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি করলেও ইরানের বিরুদ্ধে নৌ-অবরোধ অব্যাহত থাকবে বলে জানান ট্রাম্প। ইরান যুক্তরাষ্ট্রের এই নৌ-অবরোধকে যুদ্ধের শামিল হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটি স্পষ্ট জানিয়েছে, তারাও হরমুজ প্রণালি থেকে অবরোধ তুলে নিচ্ছে না।

    এই প্রণালি বন্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে।
    এর আগে মঙ্গলবার ট্রাম্প কড়া হুঁশিয়ার বার্তা দিয়ে জানান, ইরান চুক্তি না করলে যেকোনো সময় ইরানের ওপর হামলা হবে। সিএনবিসি নিউজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ফের যুদ্ধে যাওয়ার জন্য আমাদের সেনারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।

    অন্যদিকে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদসংস্থা তাসনিম এক প্রতিবেদনে জানায়, তেহরান ফের যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। সেই সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের জন্য ইরানি বাহিনী নতুন অনেকগুলো চমকের আয়োজন করেছে। তবে ইরানি বাহিনী নতুন সম্ভাব্য যুদ্ধের জন্য তাদের চমকে কী রেখেছে- তা নিয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়নি।
    তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সম্ভাব্য যেকোনো নতুন যুদ্ধের শুরুতেই আমেরিকান ও ইসরাইলিদের জীবন আবার নারকীয় করতে ইরান প্রস্তুত।

    তথ্যের বরাতে তাসনিম নিউজ বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত দাবি এবং নৌ অবরোধের কারণে ইরানের নতুন করে আলোচনায় যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। তাই ফের যুদ্ধের জন্য ইরান পুরোপুরি প্রস্তুত।
    এদিকে ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির ঘোষণার পর হরমুজ প্রণালিতে ফের উত্তেজনা বেড়েছে। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা হরমুজে অন্তত তিনটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে। এ ছাড়া দুইটি জাহাজকে জব্দ করারও দাবি করেছে আইআরজিসি।

    যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) বুধবার হরমুজে জাহাজে হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে।
    ইউকেএমটিও বলেছে, প্রথম হামলাটি ওমানের ১৫ নটিক্যাল মাইল উত্তর-পূর্বে ঘটেছে। প্রথমে আইআরজিসির গান বোট জাহাজটির কাছে আসে এবং গুলি ছুড়ে। এতে জাহাজটির কমান্ড ডেকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে জাহাজের সকল ক্রু নিরাপদে আছেন।

    আরেক জাহাজে হামলা হয়েছে ইরানের ৮ নটিক্যাল মাইল পশ্চিমে। সেখানে একটি কার্গো জাহাজে গুলি ছোড়া হয়। জাহাজটি এখন জলসীমায় আটকে আছে বলে জানিয়েছে ইউকেএমটিও।
    ইউকেএমটিও নিশ্চিত করেছে, দ্বিতীয় এই জাহাজে হামলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি এবং ক্রুরাও নিরাপদে আছেন।
    বিবিসির বিশ্লেষণী রিপোর্ট বলছে, হরমুজ প্রণালিতে একই দিনে তিন জাহাজে হামলা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলবে।

    এসব হামলার কারণে যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যেতে পারে এবং উভয় দেশের মধ্যে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হতে পারে।
    সর্বশেষ ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসমাইল বাঘেই বলেন, যুদ্ধবিরতি নিয়ে পাকিস্তানের অনুরোধ বিবেচনা করছে তেহরান। বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যম টেলিগ্রামে দেয়া পোটে তিনি লিখেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় ইরান সঠিক এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

  • উজানের পানিতে পীরগঞ্জে ডুবছে বোরো ধান, স্লুইসগেট খোলার দাবি কৃষকদের

    উজানের পানিতে পীরগঞ্জে ডুবছে বোরো ধান, স্লুইসগেট খোলার দাবি কৃষকদের

    ডেস্ক নিউজঃ

    হঠাৎ বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানির চাপে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে। এতে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকেরা। বিশেষ করে মদনখালী ও কুমেদপুর ইউনিয়নের বারুদহ এলাকায় কয়েক হাজার বিঘা জমির ধান পানিতে ডুবে গেছে।

    সরেজমিন দেখা গেছে, কয়েক দিন ধরে পানি ক্রমাগত বাড়তে থাকায় পাকা ও আধা পাকা ধান দ্রুত কেটে ঘরে তুলতে হিমশিম খাচ্ছেন কৃষকেরা। অনেকেই বাধ্য হয়ে কাঁচা ধান কেটে নিচ্ছেন, যাতে সম্পূর্ণ ক্ষতির হাত থেকে অন্তত কিছুটা রক্ষা পাওয়া যায়।

    উপজেলার বগের বাড়ি গ্রামের কৃষক আবুল খায়ের বলেন, ‘দিন দিন পানি বাড়তেই আছে। আমরা বাধ্য হয়ে কাঁচা ধান কাটছি, না হলে সব পানির নিচে চলে যাবে।’

    একই এলাকার খয়ের বাড়ি গ্রামের তাজুল ইসলাম বলেন, ‘এভাবে পানি বাড়তে থাকলে বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যাবে। আমরা দিশেহারা হয়ে পড়েছি।’

    খয়ের বাড়ি গ্রামের আতিয়ার রহমান বলেন, ‘পীরগঞ্জের স্লুইসগেটের জলকপাট বন্ধ থাকায় পানি নামতে পারছে না। আমাদের ধান পুরো পানির নিচে চলে গেছে। দ্রুত গেট খুলে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’

    এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সুমন আহমেদ বলেন, উজানের পানি বৃদ্ধি ও বৃষ্টির কারণে কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ চলছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এম কে

  • রংপুরে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ২ জনের

    রংপুরে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ২ জনের

    রংপুরে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৯ জন।  শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে মিঠাপুকুর উপজেলার বড় হযরতপুর ইউনিয়নের সখিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    মৃতরা হলেন- ওই এলাকার মৎসজীবী মিলন মিয়া (৩৫) ও কৃষক তালেব উদ্দিন (৪৫)।

    স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন জানান, সকালে ওই এলাকায় বৃষ্টি হয়। এ সময় ওই এলাকার ছোট শালমারা বিলে মাছ ধরছিলেন মৎসজীবীরা। তা দেখতে সেখানে ভিড় করেন স্থানীয় শিশুসহ ১৫-২০ জন।  একজন আরেকটি পুকুরে পানা তোলার কাজ করছিলেন। এর মধ্যে বৃষ্টির সময় বজ্রপাত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিন শিশুসহ অন্তত ১১ জন আহত হন।

    তাদেরকে মিঠাপুকুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মৎসজীবী মিলন মিয়া ও কৃষক তালেব উদ্দিন। কৃষক তালেব ঘটনার সময় আরেকটি পুকুরে পানা তোলার কাজ করছিলেন।

    মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. মিজানুর রহমান জানান, হাসপাতালে যখন আনা হয় তখনই আমরা দুইজনকে মৃত অবস্থায় পাই। আহতদের মধ্যে তিনজন শিশু আছেন। যাদের বয়স ৭ থেকে ১২ বছরের মধ্যে। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

    মিঠাপুকুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুজ্জামান জানান, খবর পাওয়ার সাথে সাথেই আমরা ঘটনাস্থলে যাই। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরাও যায়। এ ঘটনায় দুইজন মারা গেছে। আহতদের মিঠাপুকুর ও রংপুরে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। ওই এলাকার সব মানুষ শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছে।

    এম কে

  • তেলের অজুহাতে বেরোবিতে অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

    তেলের অজুহাতে বেরোবিতে অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

    জীবনের চেয়ে কি তেলের দাম বেশি? বুকভরা হতাশা আর ক্ষোভ নিয়ে এভাবেই বলছিলেন ‎বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হাফিজুর রহমান সিয়াম। দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের অজুহাতে গত তিনদিন থেকে বন্ধ রয়েছে বেরোবির জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবা।

    ডেস্ক নিউজঃ

    বেরোবি পরিবহন পুলের চরম অব্যবস্থাপনায় ক্ষুব্ধ সাধারণ শিক্ষার্থীরা। কেউ অসুস্থ হলে জরুরি অবস্থায় অ্যাম্বুলেন্স সেবা না পাওয়া, নির্ধারিত স্টপেজে বা নির্ধারিত স্থানে বাস না থামা, এমনকি টাকার বিনিময়ে যাত্রী তোলা নামায় শিক্ষার্থীদের সময় নষ্ট করার ঘটনাসহ বিভিন্ন অভিযোগ করছে শিক্ষার্থীরা।

    মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) রাতে ওই শিক্ষার্থী বলেন, বেরোবি প্রশাসনের চরম অব্যবস্থাপনা আর অমানবিকতার এক নগ্ন বহিঃপ্রকাশ ঘটছে। একজন মুমূর্ষু শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কল দিলে জানানো হয়, অ্যাম্বুলেন্সে তেল নেই। একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সেবার এই যদি হয় অবস্থা, তবে প্রশাসনের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা কি অন্যায্য। শিক্ষার্থীদের জীবনের চেয়ে কি তেলের দাম বেশি।

    ‎অ্যাম্বুলেন্স সেবা না পাওয়া মার্কেটিং বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী শাফায়েত শুভ বলেন, এটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের চরম উদাসীনতা। অ্যাম্বুলেন্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ গাড়িতে যদি তেল না থাকে, এর চেয়ে দুঃখজনক আর কিছু হতে পারে না। বাসগুলো ঠিকই চলছে, প্রশাসনের অন্যান্য গাড়িও চলছে, তাহলে অ্যাম্বুলেন্সের ক্ষেত্রে এই অজুহাত কেন? এটা প্রশাসনের কাছে প্রশ্ন থেকে যাবে।

    ‎বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শামসুর রহমান সুমন বলেন, আমিও এর আগে একদিন জরুরি সেবা অ্যাম্বুলেন্স এর জন্য কল দিয়েছিলাম। কিন্তু ঠিক একই (তেল না থাকা) অজুহাত পেয়েছিলাম।

    এ বিষয়ে বেরোবি ‎মেডিকেল সেন্টারের পরিচালক ডাক্তার এ.এম.এম শাহরিয়ার কবির বলেন, গাড়িকে চলন্ত রাখার সম্পূর্ণ দায়িত্ব পরিবহন পুলের। আমাদের দায়িত্ব পরিচালনা করা। আমার কাছে ফোন আসছে তো আমার কাজ গাড়িটা তাদের দেয়া। অনেক সময় আমরা অ্যাম্বুলেন্স ছাড়াও সার্ভিস দিয়েছি। তেলের জন্য তারা তিনদিন থেকে চেষ্টা করেছে। যে পাম্প থেকে তেল নেওয়া হয়। সেখানেও তিনদিন যাবৎ তেল নেই।

    পরিবহন পুলের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক মাসুদ রানা বলেন, অ্যাম্বুলেন্স কে ব্যবহার করবে, না করবে তা সম্পূর্ণভাবে মেডিকেল সেন্টারের দায়িত্ব। আমাদের নীতিমালায় অ্যাম্বুলেন্স সেবা মেডিকেল সেন্টারের অধীনেই রয়েছে। বাইরের যাত্রী তোলার বিষয়ে একটি ভিডিও আমার নজরে এসেছে। এ বিষয়ে আমি ডিপো ম্যানেজারকে চিঠি দিয়েছি। তিনি জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট চালককে আজই সাময়িক বরখাস্ত করা হবে। এছাড়া গাড়িগুলো নির্ধারিত স্থানেই থামে বলে জানান তিনি।

    এম কে

  • উপজেলা পরিষদে এমপিরা পাচ্ছেন অফিস কক্ষ

    উপজেলা পরিষদে এমপিরা পাচ্ছেন অফিস কক্ষ

    বিডি ডেস্ক নিউজ

    উপজেলা পরিষদগুলোতে এখন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্যদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত বিশেষ ‘পরিদর্শন কক্ষ’ প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

    মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের কাছে থেকে ফ্লোর নিয়ে এমপিদের সুসংবাদ দেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

    তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রীর পরামর্শক্রমে ইতোমধ্যে এই সংক্রান্ত সরকারি আদেশ বা জিও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) বরাবর জারি করা হয়েছে।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপজেলা পরিষদের নতুন বা পুরাতন ভবনে যেখানে যে অবস্থা আছে, সেখানেই এটাচ বাথরুম ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রসহ সংসদ সদস্যদের বসার জন্য একটি কক্ষ রেডি করে দেওয়া হবে। বিধিমালা অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের নামে সরাসরি কক্ষ বরাদ্দের সুযোগ না থাকায় এই কক্ষটির নাম হবে ‘পরিদর্শন কক্ষ’। এখানে বসে এমপিরা তাদের প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি দেখা-সাক্ষাৎ ও সময় ব্যয় করার সুযোগ পাবেন।

    তিনি আরও বলেন, কোনো সংসদ সদস্যের নির্বাচনী এলাকায় যদি একাধিক উপজেলা থাকে, তবে প্রতিটি উপজেলাতেই তার জন্য এমন অফিস বা পরিদর্শন কক্ষের ব্যবস্থা থাকবে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়ার জন্য প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সব সংসদ সদস্যদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানান।

    আজ থেকেই জিও জারি হওয়ায় সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকার ইউএনওদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কক্ষটি প্রস্তুত করে নেওয়ার জন্য জানান

    এ/আর

  • জিও জারি  উপজেলা পরিষদে এমপিরা পাচ্ছেন অফিস কক্ষ আমার দেশ অনলাইন

    জিও জারি উপজেলা পরিষদে এমপিরা পাচ্ছেন অফিস কক্ষ আমার দেশ অনলাইন

    উপজেলা পরিষদগুলোতে এখন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্যদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত বিশেষ ‘পরিদর্শন কক্ষ’ প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

    মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের কাছে থেকে ফ্লোর নিয়ে এমপিদের সুসংবাদ দেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

    > জাতীয়

    জিও জারি

    উপজেলা পরিষদে এমপিরা পাচ্ছেন অফিস কক্ষ

    আমার দেশ অনলাইন

    উপজেলা পরিষদে এমপিরা পাচ্ছেন অফিস কক্ষ
    ছবি: সংগৃহীত

    উপজেলা পরিষদগুলোতে এখন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্যদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত বিশেষ ‘পরিদর্শন কক্ষ’ প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

    মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের কাছে থেকে ফ্লোর নিয়ে এমপিদের সুসংবাদ দেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

    বিজ্ঞাপন

    তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রীর পরামর্শক্রমে ইতোমধ্যে এই সংক্রান্ত সরকারি আদেশ বা জিও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) বরাবর জারি করা হয়েছে।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপজেলা পরিষদের নতুন বা পুরাতন ভবনে যেখানে যে অবস্থা আছে, সেখানেই এটাচ বাথরুম ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রসহ সংসদ সদস্যদের বসার জন্য একটি কক্ষ রেডি করে দেওয়া হবে। বিধিমালা অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের নামে সরাসরি কক্ষ বরাদ্দের সুযোগ না থাকায় এই কক্ষটির নাম হবে ‘পরিদর্শন কক্ষ’। এখানে বসে এমপিরা তাদের প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি দেখা-সাক্ষাৎ ও সময় ব্যয় করার সুযোগ পাবেন।

    তিনি আরও বলেন, কোনো সংসদ সদস্যের নির্বাচনী এলাকায় যদি একাধিক উপজেলা থাকে, তবে প্রতিটি উপজেলাতেই তার জন্য এমন অফিস বা পরিদর্শন কক্ষের ব্যবস্থা থাকবে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়ার জন্য প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সব সংসদ সদস্যদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানান।

    আজ থেকেই জিও জারি হওয়ায় সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকার ইউএনওদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কক্ষটি প্রস্তুত করে নেওয়ার জন্য জানান

  • চৌগাছায় ২০০ লিটার ডিজেল জব্দ, ১০ হাজার টাকা জরিমানা

    চৌগাছায় ২০০ লিটার ডিজেল জব্দ, ১০ হাজার টাকা জরিমানা

    ডেস্ক নিউজ

    জব্দকৃত তেল চৌগাছার বিশ্বাস ফিলিং স্টেশনে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    যশোরের চৌগাছায় অবৈধ ২০০ লিটার ডিজেল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় বিশ্বাস ফিলিং স্টেশনের মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার পৌর শহরের চানপুর মোড় থেকে এ তেল জব্দ করা হয়।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা ইসলাম।

    আদালত সূত্রে জানা যায়, একটি ভ্যান চৌগাছা থেকে শার্শা উপজেলার সাড়াতলা বাজারের একটি মুদি দোকানে অবৈধভাবে ২০০ লিটার ডিজেল নিয়ে যাচ্ছিল। স্থানীয়রা বুঝতে পেরে পৌর শহরের চানপুর মোড়ে ভ্যানটি আটকে দেয়। খবর পেয়ে চৌগাছার ইউএনও ফারজানা ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে তিনি এজেন্টকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জব্দকৃত তেল চৌগাছার বিশ্বাস ফিলিং স্টেশনে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ার সিদ্ধান্ত দেন তিনি।

    এসময় চৌগাছা উপজেলা কৃষি অফিসার মোশাব্বির হুসাইন ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।

    উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘এজেন্টকে জরিমানা করা হয়েছে। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা ও স্বচ্ছ ডিজেল ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জব্দ ডিজেল চৌগাছার বিশ্বাস ফিলিং স্টেশনে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে জমা করা হবে।’

    এ/ আর