Blog

  • কুষ্টিয়ায় কথিত পীরের আস্তানায়  জনতার হামলা নিহত -১

    কুষ্টিয়ায় কথিত পীরের আস্তানায় জনতার হামলা নিহত -১

    নিউজ ডেস্ক : কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে শামিম নামের এক ‘পীরের’ আস্তানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে আস্তানাটির প্রধান আব্দুর রহমান ওরফে শামিম (৬৫) নিহত হন। আহত তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের দারোগার মোড় এলাকায় ‘শামিম বাবার দরবার শরিফ’ নামে পরিচিত ওই পাকা স্থাপনায় হামলা-ভাঙচুর চালানো হয়। ধর্ম নিয়ে কটূক্তির জেরে এই ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন।

    খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পাশাপাশি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আব্দুর রহমান ওরফে শামিমের একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তিনি ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করেছেন, এমন অভিযোগে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তাঁর আস্তানায় হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এতে শামিমসহ কয়েকজন আহত হন।

    পরে পুলিশ আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক জানান, শামিম মারা গেছেন। তিনি ফিলিপনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ ফিলিপনগর গ্রামের মৃত জেসের মাস্টারের ছেলে।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তৌহিদুল হাসান তুহিন বলেন, আহত অবস্থায় চারজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাঁদের মধ্যে একজন মারা গেছেন এবং অন্যদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

    এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান মোবাইল ফোনে বলেন, ‘আমি ছুটিতে আছি। তবে বিষয়টি সম্পর্কে জেনেছি।’

    পরে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ মোহাম্মদ আলী মর্তুজা জানান, তাঁরা ঘটনাস্থলে রয়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানাতে পারবেন।

    আর আই খান

     

  • অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ, ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

    ডেক্স নিউজ : বরিশালে বানারীপাড়ায় অবৈধভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে এক স্থানীয় ডিলারকে জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে আলম কমিশনারের বাড়িতে পরিচালিত অভিযানে ডিলার মো. শামসুল আলম শিমুকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ৩ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

    জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), বরিশাল জেলার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. বায়েজিদুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় এনএসআইয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ ও বানারীপাড়া থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    অনুসন্ধানে জানা যায়, শামসুল আলম শিমুর সর্বোচ্চ ৪০টি গ্যাস সিলিন্ডার মজুদের অনুমতি থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ২,০০০ থেকে ২,৫০০টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার নিজ বাড়িতে মজুদ করে রেখেছিলেন। পরবর্তীতে এসব সিলিন্ডার তিনি উপজেলার বন্দর বাজারের ফেরিঘাট সংলগ্ন তার দোকান ‘বৈশাখী প্লাস’ থেকে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    এনএসআইয়ের দীর্ঘদিনের নজরদারিতে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে উপজেলা প্রশাসন তার বাড়ি ও দোকানে অভিযান চালিয়ে এই জরিমানা আরোপ করে। অভিযান শেষে মজুদকৃত সিলিন্ডার দ্রুত বাজারে সরবরাহ এবং অনুমতিপত্র অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়। বরিশাল জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. বায়েজিদুর রহমান জানান, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

    m

  • যশোরে জামায়াতে ইসলামীর শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত

    যশোরে জামায়াতে ইসলামীর শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত
    বক্তব্য রাখছেন প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মোবারক হুসাইন

    যশোর প্রতিনিধি: যশোরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে একটি শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টায় যশোর জেলা জামায়াতের কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে এ শিবির আয়োজন করা হয়। শিবিরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মোবারক হুসাইন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যশোর জেলা জামায়াতের আমির ও যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম রসুল। এতে বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আজিজুর রহমান, যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ, জেলা নায়েবে আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, জেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ আবু জাফর সিদ্দিকী, সহকারী সেক্রেটারি গোলাম কুদ্দুস ও বেলাল হুসাইন।

    এছাড়াও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক শামসুজ্জামান, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক আবুল হাশিম রেজা, অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম, আহসান কবীর, জেলা প্রচার সম্পাদক শাহাবুদ্দিন বিশ্বাস ও শিহাব উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোবারক হুসাইন বলেন, জামায়াতে ইসলামী সংসদে এবং সংসদের বাইরে ইনসাফভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার লড়াই অব্যাহত রাখবে। তিনি বলেন, দেশ ও জাতির কল্যাণে জামায়াত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, দলের নেতৃবৃন্দ অতীতে জীবন দিয়ে শহীদ হয়েছেন, তবুও তারা কখনো দেশবিরোধী শক্তির কাছে মাথা নত করেননি।

    শিক্ষা শিবিরে যশোর জেলার ১১টি সাংগঠনিক শাখা থেকে দেড় শতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।

    আর আই খান
  • ইসলামাবাদে আলোচনার মধ্যেই সুখবর পেল ইরান

    ইসলামাবাদে আলোচনার মধ্যেই সুখবর পেল ইরান

    আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

    ইসলামাবাদে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।   এক জ্যেষ্ঠ ইরানি সূত্রের দাবি, কাতারসহ বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকে জব্দ করে রাখা ইরানের অর্থ ছাড়তে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের এমন সিদ্ধান্তকে ‘সমঝোতায় পৌঁছানোর আন্তরিকতার লক্ষণ’ হিসেবে দেখছে তেহরান। খবর রয়টার্স

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ইরানি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, এই সম্পদ মুক্ত করার বিষয়টি সরাসরি হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার সঙ্গে সম্পর্কিত।

    তিনি আরও জানান, ইসলামাবাদে চলমান আলোচনায় হরমুজ প্রণালি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে সামনে এসেছে এবং এই পদক্ষেপ সেই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

    তবে কত অর্থ ছাড়তে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, সে বিষয়ে প্রথম সূত্রটি নির্দিষ্ট কিছু জানায়নি। তবে আরেকটি ইরানি সূত্র দাবি করেছে, কাতারে রাখা প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলারের ইরানি তহবিল ছাড়তে রাজি হয়েছে ওয়াশিংটন।

    এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। একইভাবে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

    আট বছর ধরে জব্দ অর্থ

    উল্লেখিত ৬ বিলিয়ন ডলার ২০১৮ সালে জব্দ করা হয়েছিল। ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের বন্দি বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে অর্থ ছাড়ার কথা ছিল। তবে ওই বছরের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের ওপর হামলার পর হামাসের সঙ্গে ইরানের সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন আবারও এই অর্থ স্থগিত করে।

    সে সময় যুক্তরাষ্ট্র জানায়, অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য ইরান এই অর্থ ব্যবহার করতে পারবে না এবং প্রয়োজনে সম্পূর্ণভাবে তা আটকে রাখার অধিকার ওয়াশিংটনের রয়েছে।

    এই অর্থের উৎস মূলত দক্ষিণ কোরিয়ায় ইরানের তেল বিক্রির আয়, যা দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যাংকগুলোতে আটকে ছিল। ২০১৮ সালে তার প্রথম মেয়াদে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে এই অর্থ জব্দ হয়ে যায় এবং তেহরানের সঙ্গে বিশ্ব শক্তিগুলোর পারমাণবিক চুক্তিও বাতিল করা হয়।

    বন্দি বিনিময় ও শর্তযুক্ত ব্যবহার

    ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দোহা’র মধ্যস্থতায় হওয়া বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় এই অর্থ কাতারের ব্যাংকে স্থানান্তর করা হয়। ওই চুক্তিতে ইরানে আটক পাঁচ মার্কিন নাগরিক মুক্তির বিনিময়ে অর্থ ছাড় এবং যুক্তরাষ্ট্রে আটক পাঁচ ইরানিকেও মুক্তি দেওয়া হয়।

    তখন যুক্তরাষ্ট্র জানায়, এই অর্থ শুধুমাত্র মানবিক খাতে—খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও কৃষিপণ্যের জন্য ব্যবহার করা যাবে এবং তা যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের তত্ত্বাবধানে অনুমোদিত সরবরাহকারীদের মাধ্যমে ব্যয় করতে হবে।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইসলামাবাদের আলোচনায় এই অর্থ ছাড়ার বিষয়টি যদি চূড়ান্ত হয়, তবে তা হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা কমাতে এবং বৃহত্তর সমঝোতার পথ খুলে দিতে পারে।

    বি /এ

  • যেভাবে নিরর্বাচিত হয় সংরক্ষিত নারী আসনে

    যেভাবে নিরর্বাচিত হয় সংরক্ষিত নারী আসনে

    ডেস্ক নিউজ:

    বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনের ভোট অনুষ্ঠিত হয় গত ১২ ফেব্রুয়ারি। একজন প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত হয় ভোটের কয়েক দিন আগে। বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে, এবারের নির্বাচনে ২৯৯টি আসনে নারী প্রার্থী ছিলেন ৮৬ জন।

    এর মধ্যে নির্বাচিত হয়েছেন মাত্র সাত জন, যার ছয়জনই বিএনপির এবং একজন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী।

    বাংলাদেশের সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থীরাই এগিয়ে থাকেন আর এর বিপরীতে নির্বাচিত হতেন; কখনো কখনো বিরোধী দলের নারী প্রার্থীরা কয়েকটা আসনে।

    সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে থাকেন ৩০০ আসনের মধ্যে আসনভিত্তিক আনুপাতিক হারে।

    জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচন আইন ২০০৪ অনুসারে, অর্থাৎ একটি রাজনৈতিক দলের ছয় জন যদি নির্বাচিত সাংসদ হন, তাহলে ওই দল থেকে একজন প্রার্থী সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ হবেন।

    তখন ওই সংরক্ষিত আসনের নির্বাচনে ওই বিশেষ রাজনৈতিক দল থেকে একাধিক নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন এবং সেই দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভোটে বিজয়ী হয়ে সংরক্ষিত আসনের এমপি হতে পারবেন ওই প্রার্থী। এই নির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণা করে থাকে নির্বাচন কমিশন। ভোটের জন্য একটি দিনও নির্ধারিত রাখা হয়।

    বিগত কয়েকটি নির্বাচনে দেখা গেছে, নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করলেও দলগুলো আসন সংখ্যা অনুযায়ী নির্দিষ্ট প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়ে থাকে। ফলে মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার দিনই তাদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হতো।

    এবার কোন দল কতটি আসন পাবে

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। দলটি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয় পায়। এর বাইরে বিএনপি জোটের শরিক দল গণঅধিকার পরিষদ একটি, গণসংহতি আন্দোলন একটি এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি একটি আসনে জয় পায়।

    সেই হিসাবে বিএনপি জোট এই ২৯৭টি আসনের মধ্যে ২১২টি আসনে জয় পেয়েছে। আইন অনুযায়ী আসনসংখ্যার ভিত্তিতে মহিলা আসন বণ্টন হবে এবারও।

    প্রতি ছয়টি আসনের জন্য একটি করে সংরক্ষিত নারী আসন নির্ধারিত থাকায় অন্তত ৩৫টি সংরক্ষিত আসন পাবে বিএনপি জোট। বাকি তিনটি আসনের ভোট ও ফলাফল চূড়ান্ত হলে বাড়তি আরো একটি আসন পেতে পারে।

    এর বিপরীতে জামায়াতে ইসলামীও জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। দলটি এককভাবে ৬৮টি আসন, এনসিপি ছয়টি, বাংলাদেশ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং খেলাফত মজলিস পেয়েছে একটি আসন।

    সেই হিসাবে জামায়াতে ইসলামী জোট ৭৭টি আসনের বিপরীতে ১২ থেকে ১৩টি আসন পেতে পারে বলে জানাচ্ছেন নির্বাচন বিশ্লেষকেরা।

    এই নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি আসনে জয় পেয়েছে। আর স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয় পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা একত্রে জোটবদ্ধ হলে তারা অন্তত একটি আসন পেতে পারেন।

    যেভাবে সংরক্ষিত আসন চালু

    এ পর্যন্ত বাংলাদেশের ১৩টি জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত ছিল। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে সংসদে নারী আসনের সংখ্যা বাড়ানো হয়। ১৯৭৯ সালে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় এবং ৮৬ সালে অনুষ্ঠিত তৃতীয় সংসদে ৩০টি সংরক্ষিত আসন ছিল। তবে ১৯৮৮-৯০ মেয়াদে চতুর্থ সংসদে সংরক্ষিত আসন ছিল না।

    ’৯০-এর গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ গণতান্ত্রিকভাবে যাত্রা শুরু করে। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। ওই সংসদেও ৩০টি সংরক্ষিত আসন ছিল।

    ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিএনপির একতরফা ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও ৩০টি সংরক্ষিত আসন ছিল। ওই নির্বাচনটি বাতিল হলে ওই বছরের জুন মাসে সপ্তম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তখনও ৩০টি আসন সংরক্ষিত ছিল নারীদের জন্য।

    অষ্টম জাতীয় নির্বাচনে সরক্ষিত নারী আসন বাড়িয়ে ৪৫টি করা হয়। পরবর্তীতে নবম জাতীয় সংসদে নারী আসন বাড়িয়ে ৫০টি করা হয়।

    ধাপে ধাপে জাতীয় সংসদ সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানো হলেও এই নির্বাচন পরোক্ষভাবে হওয়ায় নারী ক্ষমতায়ণ কতখানি নিশ্চিত করা যায় তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, সংরক্ষিত আসনে নির্দিষ্ট এলাকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এলেই প্রকৃতভাবে নারীর ক্ষমতায়ণ নিশ্চিত করা সম্ভব। না হলে এই নারী আসন শুধু অলংকারিকভাবেই ক্ষমতায়িত হবে।

    যেভাবে বন্টন হয় সংরক্ষিত আসন

    আসনবণ্টন বিদ্যমান আইন অনুযায়ী সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্যদের জন্য কোনও নির্ধারিত নির্বাচনি এলাকা নেই। তারা কেবল দলীয় বা জোটের সদস্য হিসেবে পরিচিত হবে। এক্ষেত্রে দল বা জোটের প্রাপ্ত আসনের ভিত্তিতে মহিলা আসন বণ্টিত হবে। নির্বাচনে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও জোটবদ্ধ হয়ে তাদের অংশ হিসেবে মহিলা আসন বন্টনের সুবিধা নিতে পারবে।

    বর্তমানে সংরক্ষিত মহিলা আসন সংখ্যা ৫০। এই ৫০ সংখ্যাকে ৩০০ (দেশের নির্বাচনি এলাকা) দিয়ে ভাগ করলে যে ভাগফল পাওয়া যাবে সেটাকে কোনও দল বা জোটের যে সংখ্যক সদস্য শপথ নিয়েছেন তা দিয়ে গুণ করলে যে ফল পাওয়া যাবে, সেই সংখ্যক মহিলা সদস্য হবে ওই দল বা জোটের। গুণফল ভগ্নাংশ হলে সেক্ষেত্রে শূন্য দশমিক ৫ (০.৫) বা তার থেকে বেশি সংখ্যকের জন্য একটি আসন পাওয়া যাবে। অর্থ্যাৎ ০.৫ এর বেশি হলে এক এবং কম হলে শূণ্য গণনা হবে। অবশ্য এক্ষেত্রে বণ্টিত আসন সংখ্যা মোট আসনের (৫০) থেকে বেড়ে গেলে ভগ্নাংশের হিসাবে হেরফের হতে পারে। আইনে কোনও কোনও ক্ষেত্রে লটারির বিধানও রয়েছে।

    উহাদরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, এবার জামায়াতে ইসলামী সংসদে ৬৮টি আসন পেয়েছে। এই হিসাবে এ দলটির ১১টি সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পাওয়ার কথা। [৫০÷৩০০ = ০.১৬৬৭। এরপর ২২x০.১৬৬৭= ১১.৩৩৬] এখানে .৩৩৬ এর জন্য শূণ্য গণনা হবে।

  • যেসব বিষয় প্রাধান্য পাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনায়

    যেসব বিষয় প্রাধান্য পাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনায়

    আর্ন্তজাদিক ডেস্ক:

    পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। হরমুজ প্রণালি, নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, পরমাণু কর্মসূচিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করবেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

    উভয় পক্ষ যেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো।

    তেহরান জোর দিয়ে বলছে, লেবাননে যুদ্ধবিরতি এবং ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়ে ওয়াশিংটন প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরেই কেবল আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হতে পারে।

    ইরান লেবাননে যুদ্ধবিরতি চায়, যেখানে মার্চ মাসে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরাইলি হামলায় প্রায় দুই হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, লেবানন এই যুদ্ধবিরতির অংশ নয়। তেহরান জোর দিয়ে বলছে যে এটি এর অংশ।

    ইরান চায় যুক্তরাষ্ট্র যেন ইরানের সম্পদ থেকে অবরোধ তুলে নেয় এবং বছরের পর বছর ধরে দেশটির অর্থনীতিকে পঙ্গু করে রাখা নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রত্যাহার করে নেয়। ওয়াশিংটন ইঙ্গিত দিয়েছে, তারা নিষেধাজ্ঞার উল্লেখযোগ্য শিথিলতার বিষয়ে আগ্রহী, তবে তা কেবল ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নের বিষয়ে ছাড় দেওয়ার বিনিময়েই।

    ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর তার কর্তৃত্বের স্বীকৃতি চায়, যেখানে তারা ট্রানজিট ফি আদায় এবং প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। যুক্তরাষ্ট্র চায়, এই প্রণালি তেলের ট্যাংকার এবং অন্যান্য জাহাজের জন্য কোনো রকম সীমাবদ্ধতা ছাড়াই খুলে দেওয়া হোক, যার মধ্যে জাহাজ চলাচলের ওপর টোলও অন্তর্ভুক্ত।

    ছয় সপ্তাহব্যাপী যুদ্ধের সময়ে হওয়া সমস্ত ক্ষয়ক্ষতির জন্য ইরান ক্ষতিপূরণ দাবি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ক্ষতিপূরণের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

    ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়েই চায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ব্যাপকভাবে হ্রাস করা হোক। তেহরান বলছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডার নিয়ে কোনো আপস চলবে না।

    ইরান চায় এই অঞ্চল থেকে মার্কিন যুদ্ধবাহিনীর প্রত্যাহার, সব রণাঙ্গনে যুদ্ধবিরতি এবং অনাক্রমণনীতির প্রতি অঙ্গীকার। ট্রাম্প একটি শান্তিচুক্তি না হওয়া পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক বাহিনী মোতায়েন রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেছেন যে, ইরান শর্ত মানতে ব্যর্থ হলে লড়াই ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দেওয়া হবে।

    বি/এ

  • রামুতে ইয়াবাসহ একজন আটক

    রামুতে ইয়াবাসহ একজন আটক

    নিউজ ডেস্ক: কক্সবাজারের রামু উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে রামু থানা পুলিশ। এ ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। থানা সূত্রে জানা যায় বৃহঃস্পতিবার দিবাগত রাতে রামু থানার এসআই অনুপ কুমার বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন।

    অভিযানের সময় রামু থানার চাকমারকুল ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীমুরা পূর্বপাড়া এলাকা থেকে জিয়াউর রহমান (৩৬) নামে একজনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিএনজি চালিত অটোরিকশার ড্রাইভিং সিটের নিচ থেকে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

    আটক জিয়াউর রহমান (৩৬) চাকমারকুল ইউনিয়নের শ্রীমুরার বাসিন্দা আবদুল হাসিমের ছেলে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া।

  • বয়স ৫০ পেরিয়েছে? সতর্ক না হলে দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হতে পারে, চোখ ভাল রাখতে কোন অভ্যাস জরুরি

    বয়স ৫০ পেরিয়েছে? সতর্ক না হলে দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হতে পারে, চোখ ভাল রাখতে কোন অভ্যাস জরুরি

    বিডি ডেস্ক নিউজ:

    সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়। কিন্তু দেখার ক্ষমতা ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে আসা ভয়াবহ ব্যাপার। বয়স ৫০ ছাড়ালে এমন সমস্যা স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। শুধু ছানি নয়, চোখের নিঃশব্দ ঘাতক হতে পারে গ্লকোমাও। ৫০-এর পরে দেখা যায় এজ রিলেটেড ম্যাকিউলার ডিজেনারেশন বা এএমডি। এই অসুখেও দেখতে সমস্যা হয়।

    সময়ে সতর্ক না হলে গ্লকোমা হানা দিতে পারে তারও আগে। কারণ, এই রোগে ক্ষতি হয় অপটিক নার্ভের। গ্লকোমা এমন একটি অবস্থা, যা চোখের ভিতরে চাপ বা ইন্ট্রাঅক্যুলার প্রেশার জমা হওয়ার কারণে অপটিক স্নায়ুর ক্ষতি করে। এই স্নায়ুই মস্তিষ্কে ছবি পাঠায়। ফলে এই স্নায়ুর কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে দৃষ্টিশক্তি কমতে থাকে। সমস্যা হল, গ্লকোমায় হারানো দৃষ্টি চিকিৎসা করেও ফেরানো যায় না। তাই জরুরি দ্রুত রোগ নির্ণয়।

    চক্ষুরোগ চিকিৎসক সুনন্দ হালদার এক সাক্ষাৎকারে জানাচ্ছেন, গ্লকোমার মতো অসুখের নেপথ্যে জিনগত কারণ থাকলেও, জীবনযাপনের প্রভাবও পড়ে। কোনও ব্যক্তি কী খাচ্ছেন, কত ক্ষণ ঘুমোচ্ছেন— এমন অনেক সাধারণ বিষয়ই চোখের সঙ্গে সম্পর্কিত।

    চোখের পরীক্ষা জরুরি: প্রাথমিক স্তরে গ্লকোমা বা এএমডি হয় উপসর্গহীন। প্রাথমিক ভাবে রোগী কিছুই বুঝতে পারেন না। যখন বোঝেন, দেখতে সমস্যা হচ্ছে, তখন হয়তো অনেকটাই দেরি হয়ে যায়। করার কিছুই থাকে না। নিয়ম করে চোখ পরীক্ষা করালে এই ঝুঁকি কমতে পারে। যত দ্রুত রোগ নির্ণয় হবে, ততই ক্ষতি আটকানো সহজ হবে।

    দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখে এমন খাবার: ভিটামিন এ, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট চোখের স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। তালিকায় রাখা দরকার ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে, যা চোখের ক্ষতি রুখতে পারে। তালিকায় রাখা দরকার মাছ, মাংস, ডিম, ফল, টাটকা সব্জি, বাদাম। পাশাপাশি, ধূমপান এএমডির ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগনি রশ্মি: সূর্যের অতিবেগনি রশ্মি ম্যাকিউলার ডিজেনারেশনের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই ইউভি রশ্মি রুখতে ভাল রোদচশমা পরা জরুরি। শরীরচর্চা: ডায়াবিটিস, উচ্চ রক্তচাপ নিঃশব্দে চোখেরও ক্ষতি করে। নিয়ম করে শরীরচর্চা করলে যেমন মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়, তেমনই চোখের জন্য ক্ষতিকর অসুখগুলি বশে রাখতে সাহায্য করে। চোখের ব্যায়াম: দিনরাত মোবাইল বা ল্যাপটপের কিংবা কম্পিউটারের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা ক্ষতিকর। স্ক্রিন টাইম কমানো দরকার। পাশাপাশি, চোখের জন্যও ব্যায়াম রয়েছে। সাধারণ কিছু ব্যায়াম চোখ ভাল রাখতে সাহায্য রাখে। চোখের ক্লান্তি কমায়। ঘুম: শরীর ভাল রাখার জন্য তো বটেই, চোখের স্বাস্থ্য বজায় রাখতেও পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। ঘুমের সময় চোখের বিশ্রাম হয়। ঘুম ঠিক হলে শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে।

  • সোনারগাঁয়ে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

    সোনারগাঁয়ে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

    নিউজ ডেস্ক : সোনারগাঁয়ে পুকুর থেকে ফুটবল তুলতে গিয়ে শুক্রবার দুপুরে পানিতে ডুবে আদনান ও আব্রাহাম নামে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলা কাচঁপুর ইউনিয়নের রায়েরটেক এলাকায়। এঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। এলাকাবাসী জানায়, আদনান (১০) ও আব্রাহাম (৭) দুই ভাই সকাল ১২টার দিকে বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ে বল নিয়ে খেলা করছিল। পরে তাদেরকে দেখতে নাপেয়ে খোঁজাখুজি করতে থাকে পরিবারের লোকজন। খোঁজাখুজির একপর্যায়ে পুকুর থেকে একে একে দুই ভাইয়ের লাশ উদ্ধার করে এলাকাবাসী।

    তাদেরকে হাসপাতালে নিলে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। স্থানীয়দের ধারণা, খেলতে গিয়ে পুকুর থেকে বল তুলতে গিয়েই দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। তারা কুষ্টিয়া জেলার পিরোজপুর গ্রামে জিয়াউর রহমানের ছেলে। কাঁচপুরের রায়েরটেক খাঁন বাড়ির নিজাম খাঁনের বাসার ভাড়াটিয়া। আদনান ও আব্রাহাম কাঁচপুর পুরান বাজার এলাকায় আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ।

    সোনারগাঁ থানার ওসি মো. মহিববুল্লাহ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ে মৃত্যুর খবর শুনেছেন।

    আর আই খান

  • বরিশালে হাম উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর  মৃত্যু

    বরিশালে হাম উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু

    নিউজ ডেস্ক : বরিশালে হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে গত দুই দিনে মোট চারজন এবং চলতি মৌসুমে বিভাগজুড়ে ১৪ শিশুর মৃত্যু হলো। শুক্রবার সকালে বরিশাল শেরে ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মুশিউল মুনির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মৃত শিশুরা হলো—সাদিয়া (২), বরিশালের মুলাদী উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের বাসিন্দা রাজীবের মেয়ে এবং রাকিব (৯ মাস), বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়নের বাসিন্দা হাবিবুর রহমানের ছেলে।

    হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ৮ এপ্রিল দুপুর ২টার দিকে হাম উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শুক্রবার ভোরে এক ঘণ্টার ব্যবধানে তাদের মৃত্যু হয়। সাদিয়ার মৃত্যু হয় ভোর পৌনে ৪টায় এবং রাকিবের মৃত্যু হয় ভোর পৌনে ৫টায়।

    হাসপাতাল পরিচালক জানান, এ নিয়ে শুধুমাত্র এই হাসপাতালেই হাম উপসর্গে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    বর্তমানে হাসপাতালে ৯২ জন রোগী হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩১ জন ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ২৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

    এ পর্যন্ত বরিশাল শেরে ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মোট ৩৪১ জন হাম উপসর্গের রোগী ভর্তি হয়েছেন বলে জানা গেছে।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করা এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

    আর আই খান