Blog

  • জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ফোর্স কমান্ডার হলেন লে. জেনারেল মিনহাজ

    জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ফোর্স কমান্ডার হলেন লে. জেনারেল মিনহাজ

    বিডি ডেস্ক নিউজ: সাইপ্রাসে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের (ইউএনএফআইসিওয়াইপি) নতুন ফোর্স কমান্ডার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম। তিনি এ পদে মঙ্গোলিয়ার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এরদেনেবাত বাতসুরির স্থলাভিষিক্ত হবেন।

    জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বুধবার (৮ এপ্রিল) এ নিয়োগের ঘোষণা দেন।

    মিনহাজুল আলম তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। ফোর্স কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে সর্বশেষ তিনি আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডে দায়িত্বে ছিলেন। এর আগে তিনি ১০ম পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং কক্সবাজারে বিভিন্ন অপারেশন তদারকি করেছেন।

    তার বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে সন্ত্রাস দমন, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে।

    জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাও এই প্রথম নয় লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিনহাজের। এর আগে তিনি সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পূর্ব তিমুরেও কাজ করেছেন সামরিক পর্যবেক্ষক হিসেবে।

    সামরিক দক্ষতার পাশাপাশি শিক্ষা ক্ষেত্রেও অসামান্য মেধার পরিচয় দিয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিনহাজুল আলম। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ওপর পিএইচডি ডিগ্রি ও যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি.সি.-র ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটি থেকে ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজিতে স্নাতকোত্তর করেছেন। পাশাপাশি ডিফেন্স স্টাডিজে মাস্টার্স এবং এমবিএ ডিগ্রিও অর্জন করেছেন তিনি।

  • শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর ভোট বর্জন

    শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর ভোট বর্জন

    বিডি ডেস্ক নিউজ:
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শেরপুর-৩ আসনে (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) চলমান নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ভোটগ্রহণ চলাকালে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

     শেরপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।তিনি বলেন, বিভিন্ন অনিয়ম ও পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রার্থী ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করা হবে। এর আগে, শেরপুর-৩ আসনে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এ আসনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনের ভোট হয়। আর তফসিল ঘোষণার পর জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের ভোট স্থগিত হয়েছিল।
  • আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় বৃহস্পতিবার

    আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় বৃহস্পতিবার

    চব্বিশের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ঘোষণা করা হবে। গত ৫ মার্চ বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ রায়ের এ দিন ধার্য করেন। এ মামলায় বেরোবির তৎকালীন ভিসি হাসিবুর রশীদসহ ৩০ জন আসামির বিরুদ্ধে গত ৩০ জুন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

    বিচারিক প্রক্রিয়ায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। মামলায় ৩০ জন আসামির মধ্যে ছয়জন গ্রেফতার রয়েছেন। তারা হলেন– সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক সাবেক কর্মচারী মো: আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের সাবেক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ।

    ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই দুপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদ। দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে বুক পেতে দেয়া সাঈদের সেই ভিডিওটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং একপর্যায়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ দেয়।

  • ঢামেকে চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাবি শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, জরুরি সেবা বন্ধ

    ঢামেকে চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাবি শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, জরুরি সেবা বন্ধ

     

    ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এর জেরে নিরাপত্তার কারণে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

    বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে ঢামেকের ইন্টার্ন চিকিৎসক ও ঢাবি শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা উত্তেজনা ছড়িয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

    এই ঘটনায় উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

    হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসকরা জানান, বিকেলে ঢাবির এক শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিতে জরুরি বিভাগে আসেন। দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপত্র (প্রেসক্রিপশন) লিখে দেন। তবে কাঙ্ক্ষিত ওষুধ সরকারিভাবে হাসপাতালে সরবারাহ না থাকায় ওই শিক্ষার্থীকে তা বাইরে থেকে কেনার পরামর্শ দেওয়া হয়।

    এর কিছুক্ষণ পর ওই শিক্ষার্থী তার কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে হাসপাতালে ফিরে আসেন এবং দায়িত্বরত চিকিৎসকদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু করেন। তাদের অভিযোগ ছিল, চিকিৎসকের লিখে দেওয়া ওষুধ বাইরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এই নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা চিকিৎসকদের ওপর চড়াও হলে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। মুহূর্তেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দফায় দফায় ধাওয়া পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতির ডাক দেন এবং নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে জরুরি বিভাগের সেবা বন্ধ করে দেন।

  • সালথায় ঘোড় দৌড় অনুষ্ঠিত ‍উল্লসিত এলাকাবাসি

    সালথায় ঘোড় দৌড় অনুষ্ঠিত ‍উল্লসিত এলাকাবাসি

    সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : গ্রামীণ জীবনের ঐতিহ্য ধরে রাখতে দীর্ঘ ১৫ বছর পর ফরিদপুরের সালথায় ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয়দের আয়োজনে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের চিতাইলার বিল থেকে নিশাতলা পর্যন্ত ২ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় ছোট-বড় মোট ৯টি ঘোড়া অংশ নেয়। প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার হিসেবে জসিম মোল্লার ঘোড়া ২৬ ইঞ্চি এলইডি টিভি, দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে নুরুল ইসলামের ঘোড়া ৮ হাজার টাকা, তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে বিলায়েত হোসেনের ঘোড়া নগদ ৬ হাজার টাকা পুরস্কার জিতে নেয়। প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বয়সের প্রায় লক্ষাধিক দর্শক উপস্থিত হয়ে আনন্দ উপভোগ করে।

    স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন পর এই প্রতিযোগিতা ফিরে আসায় এলাকায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। আয়োজকরাও ভবিষ্যতে নিয়মিত এ ধরনের আয়োজন চালিয়ে যাওয়ার আশাবাদ প্রকাশ করেছেন। ‎

    ১ম স্থান অর্জনকারী ঘোড়ার মালিক জসিম মোল্লা বলেন, দীর্ঘদিন পর অংশগ্রহণ করতে পেরে আনন্দিত। ভবিষ্যতেও নিয়মিত অংশগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। নুরুল ইসলাম মাতুব্বর বলেন, এ ধরনের আয়োজন গ্রামীণ সংস্কৃতি ও সামাজিক বন্ধনকে দৃঢ় করে।

    ‎এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ও ইউনিয়ন রাজনৈতিক নেতাকর্মী, ইউপি চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    আর আই খান

  • ইরান: নতুন পরাশক্তি ?

    ইরান: নতুন পরাশক্তি ?

    আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

    বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীকে মোকাবিলা করেছে, সবচেয়ে ধুরন্ধর গোয়েন্দা সংস্থার ষড়যন্ত্র সামাল দিয়েছে; রক্তাক্ত হয়েছে, হারিয়েছে বেশিরভাগ শীর্ষ নেতৃত্বকে- তবু ভেঙে পড়েনি। দিনের পর দিন বীরের মতো মাথা উচু করে লড়েছে, শেষ পর্যন্ত শত্রুপক্ষকে বাধ্য করেছে আলোচনার টেবিলে আসতে। ৪০ দিন আগেও যা পুরোপুরি অসম্ভব মনে হচ্ছিল, আজ সেটাই বাস্তব হয়ে ধরা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অহং মাটিতে মিশিয়ে কার্যত যুদ্ধজয়ী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে ইরান। ফলে চারদিকে আজ একটাই প্রশ্ন- বিশ্বের বুকে কি নতুন পরাশক্তির উত্থান ঘটেছে?

    রাজনীতি, জোট বা প্রোপাগান্ডা—সব কিছু সরিয়ে রেখে যদি কেবল বাস্তবতার দিকে তাকানো হয়, তবে একটি সত্য অস্বীকার করার উপায় নেই: ইরান এমন একটি দেশ যা মাথা নত করতে রাজি নয়। একে কেউ হয়তো কৌশল বলবেন, কেউ বলবেন টিকে থাকার লড়াই, কিংবা একরোখা জেদ—তবে একে উপেক্ষা করা অসম্ভব।

    ইরান কোনো ছোটোখাটো শক্তির বিরুদ্ধে লড়েনি, তারা সরাসরি টক্কর দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে, যারা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক শক্তি। সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে অন্য যে কোনো দেশ পিছিয়ে আসতো বা চুপচাপ আপস করে নিতো। কিন্তু ইরান তা করেনি। তারা সরাসরি সংঘাতের পথ বেছে নিয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত টিকে থেকেছে।

    এরপর আসে ইসরায়েলের কথা—যাদের কাছে রয়েছে বিশ্বের অন্যতম আধুনিক প্রযুক্তি এবং গোয়েন্দা ব্যবস্থা। কিন্তু ইরান অনবরত তাদের সঙ্গে লড়ে যাচ্ছে, চাপ সহ্য করছে এবং পাল্টা জবাব দিচ্ছে। এটি কেবল লোকদেখানো প্রতিরোধ নয়; এটি বিশ্বের অন্যতম অশান্ত একটি অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি সক্রিয় লড়াই।

    সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, ইরানের পেছনে শক্ত কোনো ‘নিরাপত্তা ঢাল’ নেই। এই মুহূর্তে চীন বা রাশিয়ার মতো বড় শক্তিগুলোর কাছ থেকে কোনো সরাসরি সামরিক সহায়তা বা গ্যারান্টি ছাড়াই তারা এগিয়েছে। এটি কেবল একটি সুচিন্তিত ঝুঁকি এবং সেই ঝুঁকি নেওয়ার অসীম সাহস মাত্র।

    হামলা, ক্ষয়ক্ষতি বা শীর্ষ নেতাদের হারানো—এসব ইরানের জন্য কোনো কল্পনা নয়, বরং বাস্তবতা। ইরান বড় বড় ধাক্কা খেয়েছে, তাদের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবুও দেশটির প্রশাসনিক বা সামরিক কাঠামো ভেঙে পড়েনি। তারা প্রতিবার নিজেকে সামলে নিয়েছে এবং লড়াই চালিয়ে গেছে। এই ধরনের ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা সহজে আসে না।

    রাজনীতি বা যুদ্ধের শেষ পরিণতি নিয়ে বিতর্ক হতেই পারে। কিন্তু কেউ যদি একটু দূর থেকে নিরপেক্ষভাবে দেখে, তবে একটি বিষয় পরিষ্কার: সাম্প্রতিক ইতিহাসে খুব কম দেশই এত চাপের মুখে এমন অটুট মনোবল দেখাতে পেরেছে। ফলে, ইরান এখনই পরাশক্তি—এমন দাবি নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যে দেশটির ভূমিকা দ্রুত বাড়ছে, এ বিষয়ে অনেকেই একমত।

  • সংসদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা আইন’ পাস

    সংসদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা আইন’ পাস

    ডেস্ক নিউজঃ     জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ বিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ। পরে তা সর্বসম্মত কণ্ঠভোটে পাস হয়। সংসদে পাস হওয়া ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ বিলের মাধ্যমে অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে করা সব ধরনের দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা এবং আইনি কার্যধারা প্রত্যাহারের পথ প্রশস্ত হলো। আইন অনুযায়ী, নির্ধারিত বিধান অনুসরণ করে এসব অভিযোগ বাতিল করা হবে। এ ছাড়া এই অভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িত কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে নতুন করে কোনো মামলা বা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ আইনত বাধা (বারিত) হিসেবে গণ্য হবে। এর আগে, জাতীয় সংসদে ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী অধ্যাদেশ বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে। এর ফলে ক্ষমতাচ্যুত দল আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার আইনি ভিত্তি নিশ্চিত হলো। এই সংশোধনী অনুযায়ী, এখন থেকে কোনো ব্যক্তি বা সত্তার পাশাপাশি কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনকেও সন্ত্রাসে জড়িত থাকার অভিযোগে নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা পাবে সরকার।

  • পাকিস্তানে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকছেন যারা

    পাকিস্তানে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকছেন যারা

    শান্তি প্রতিষ্ঠায় আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধি দলকে ইসলামাবাদে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। আগামী শুক্রবার এ আলোচনা হওয়ার কথা।

    পাকিস্তানের রাজধানীতে অনুষ্ঠিতব্য এ আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলে নেতৃত্ব দিতে পারেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। আর ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের ঘালিবাফের।

    ইরানের সংবাদমাধ্যম আইএসএনএ এই তথ্য জানিয়েছে।

  • হুমকির পর ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা ভয়াবহ পরাজয়: রাশিয়া

    হুমকির পর ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা ভয়াবহ পরাজয়: রাশিয়া

    আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির ঘোষণাকে যুক্তরাষ্ট্রের ভয়াবহ পরাজয় হিসেবে দেখছে রাশিয়া। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের মতে, ইরানের বিরুদ্ধে ‘একতরফা, আক্রমণাত্মক ও উসকানিমূলক’ হামলার কৌশল চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে।

    রাষ্ট্র মালিকানাধীন স্পুটনিক রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেন, কিছুদিন আগে ‘আরও আক্রমণাত্মক, আগ্রাসী এবং বিজয় খুব সন্নিকটের’ ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। সামাজিক মাধ্যমে এসব নিয়ে অনেক লেখালেখিও করেছিলেন। কিন্তু সেগুলোর সবই এখন ভয়াবহভাবে হেরে গেছে। একতরফা ও উসকানিমূলক হামলার কৌশলও ব্যর্থ হয়েছে।

    সাক্ষাৎকারে জাখারোভা বলেন, রাশিয়া শুরু থেকেই ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানিয়েছে। মস্কোর পক্ষ থেকে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির কোনো সামরিক সমাধান নেই বলেও সতর্ক করা হয়েছিল।

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধে ইরান তাদের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হারিয়েছে। এর জবাবে তেহরান ইসরায়েলসহ জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলও বন্ধ করে দেয়। ৩৯ দিনের যুদ্ধে কয়েক হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।
  • স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াত একাই লড়বে

    স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াত একাই লড়বে

    ডেস্ক নিউজ : জাতীয় সংসদের পর এবার রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় রয়েছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এ নির্বাচন ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। যদিও ১১ সিটি করপোরেশন ও ৪২ জেলা পরিষদে বর্তমান সরকারদলীয় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ায় ক্ষোভের পাশাপাশি এ নির্বাচন নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মাঝে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। তবে স্থানীয় নির্বাচনের দাবি জোরদারের পাশাপাশি প্রস্তুতিমূলক কাজ এগিয়ে নিচ্ছে জামায়াত।

    ১১ দলীয় ঐক্যের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিলেও এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে এককভাবে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে দলটি। জোটের আরো কয়েকটি দলের একই ধরনের প্রস্তুতির খবর পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারের প্রায় সব পদে জামায়াতের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের এলাকায় সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডসহ নানাভাবে গণসংযোগ চালাচ্ছেন। সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে এখনো প্রার্থী চূড়ান্ত না হলেও সম্ভাব্যরা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

    সূত্রমতে, চব্বিশের জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিশূন্যতা বিরাজ করছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে। তাই জাতীয় নির্বাচনের আগেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবি ছিল জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের। তবে বিএনপির বিরোধিতায় অন্তর্বর্তী সরকার সে দাবি আমলে নেয়নি। স্বাভাবিকভাবেই জাতীয় নির্বাচনের পর নতুন সরকার দ্রুত স্থানীয় নির্বাচন দেবে বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু বিভিন্ন পদে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ায় সে আশাও ভঙ্গ হয়ে যাচ্ছে। বিষয়টির কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকার গণতান্ত্রিক ধারা ব্যাহত করে দলীয়করণের মাধ্যমে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে। এটা সংবিধানবিরোধী বলে মন্তব্য করে দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে দলটি।

    স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। এখন একক দলগতভাবে প্রার্থী ঠিক করা হবে। পরে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত হলে সে অনুযায়ী পরিবর্তন করা হবে।

    তিনি আরো জানান, জুলাই বিপ্লব-পরবর্তীতে আমরা জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছিলাম। সেভাবে আমাদের প্রস্তুতিও নেওয়া শুরু হয়েছিল। সে প্রস্তুতির সঙ্গে যোগ-বিয়োগ করে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।

    সূত্রমতে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্য করে অংশ নেয় জামায়াতে ইসলামী। এতে জামায়াতের ৬৮টি, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছয়টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দুটি এবং খেলাফত মজলিস একটি আসনে বিজয়ী হয়। নির্বাচন-পরবর্তী ৭৭টি আসন নিয়ে জোটগতভাবে সংসদে বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে জামায়াত।

    জামায়াতের মতো জোটের আরো কয়েকটি দল তাদের মতো করে স্থানীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে। ইতোমধ্যে এনসিপির পক্ষ থেকে পাঁচ মেয়রপ্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, স্থানীয় নির্বাচন জোটগতভাবে করার কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। তবে জামায়াতের পক্ষ থেকে এ নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

    স্থানীয় নির্বাচনকে দ্বিতীয় লড়াই হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ঈদের আগে সিলেটে দলীয় অনুষ্ঠানে নেতাকর্মীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, আমাদের প্রথম লড়াই ছিল জাতীয় নির্বাচন আর দ্বিতীয় লড়াই শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে। এ লড়াইয়ে একটি জায়গাও যেন আমাদের খালি না থাকে। গত ২৫ মার্চ জাতীয় প্রেস ক্লাবে আলোচনা সভায় তিনি সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগের তীব্র সমালোচনা করে নির্বাচনের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

    সূত্রমতে, স্থানীয় নির্বাচনের প্রস্তুতির ধারাবাহিকতায় গত ১ মার্চ অনুষ্ঠিত জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা হয়। তখন এ নির্বাচনের জন্য সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুতি নিতে দায়িত্বশীলদের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী কাজ চালাচ্ছেন তারা।

    জামায়াতের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, তৃণমূলের মতামত নিয়ে নির্ধারিত নিয়মানুযায়ী জনপ্রিয় প্রার্থীকে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন নির্বাচনে প্রার্থী করা হবে। এক্ষেত্রে মেয়র প্রার্থী ঠিক করবেন কেন্দ্রীয় নেতারা। উপজেলা পরিষদের জন্য প্রার্থী ঠিক করবেন দলের আঞ্চলিক দায়িত্বশীলরা। ইউনিয়ন পর্যায়ের জন্য জেলা শাখা থেকে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।

    ঢাকার দুই সিটিতে কাউন্সিলর প্রার্থী চূড়ান্ত

    ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে জামায়াত। ইতোমধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণের সংরক্ষিত মহিলাসহ প্রায় সব কাউন্সিলর প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে দলটি। তারা নিজ নিজ এলাকায় শুভেচ্ছা পোস্টারিংসহ বিভিন্ন তৎপরতাও চালাচ্ছেন। তবে মেয়র পদে এখনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি। তবে সম্ভাব্যরা তাদের মতো করে প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, নির্বাচন কবে হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য জামায়াত প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইতোমধ্যে ৭৫টির মধ্যে ৭০ জনের মতো কাউন্সিলর প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট এলাকায় কাজ চালাচ্ছেন। তবে মেয়র পদে কেন্দ্র থেকে এখনো কাউকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি। এই সিটি এলাকার সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে কেউ প্রার্থী হতে পারেন বলে কেউ কেউ মনে করছেন।

    একই ধরনের মন্তব্য করে ঢাকা উত্তর জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মুসা জানান, এই সিটির অধিকাংশ কাউন্সিলর প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। তারা ঈদের আগে পোস্টার ছাপিয়ে জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। মেয়র পদে এখনো প্রার্থী ঘোষণা না করা হলেও আগের প্রার্থী হিসেবে মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনকে মনোনয়ন দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ইতোমধ্যে তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকায় জনসেবামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এর আগে ২০১৮ সালেও উত্তর সিটির মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি।

    আর আই খান