Blog

  • যশোরে শপিংমলে থাকবে না আলোকসজ্জা রাত ৮টার পর দোকান বন্ধ

    যশোরে শপিংমলে থাকবে না আলোকসজ্জা রাত ৮টার পর দোকান বন্ধ

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানি সাশ্রয়ে যশোরের ব্যবসায়ীরা সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অতিরিক্ত বিদ্যুতের ব্যবহার করবেন না। শপিংমলগুলোতে থাকবে না আলোকসজ্জা। রাত ৮টার পর দোকান বন্ধ করে দেয়া হবে। তবে পোশাক ও জুতা ব্যবসায়ীরা ঈদের পর রাত ৮টার পর তাদের দোকান বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন।
    বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে যশোর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানি সাশ্রয়ে করণীয় শির্যক আলোচনা সভায় ব্যবসায়ীরা এই পরিস্থিতির গুরুত্বারোপ করেন।

     

  • ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

    ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

    ডেস্ক নিউজঃ

    দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তাকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

    তারেক রহমান শপথ অনুষ্ঠানে ৩টা ৫৫ মিনিটে প্রবেশ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান ও একমাত্র সন্তান ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

    প্রধানমন্ত্রীর পর পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ২৪ জন। তারা হলেন— মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, এজেড এম জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট), আবদুল আওয়াল মিন্টু, শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, আমিনুর রশিদ (টেকনোক্র্যাট) আফরোজা খানম রিতা, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবীব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের সুমন, দিপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ফকির মাহবুব আনাম, শেখ রবিউল আলম।

    অপরদিকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ২৪ জন। তারা হলেন— এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শরীফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, মো. আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ হাবিব, রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন পুতুল, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেন, এম এ মুহিত, আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ, আলী নেওয়াজ খৈয়াম।

    এম কে

  • টাঙ্গাইলে হত্যা মামলার সাড়ে ৩ বছর পর রহস্য উদঘাটন

    টাঙ্গাইলে হত্যা মামলার সাড়ে ৩ বছর পর রহস্য উদঘাটন

    বিডিনিউজ ডেক্স : টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার নাথের পাড়া এলাকায় ২০২২ সালের টাইলস মিস্ত্রি রফিকুল ইসলামের হত্যার রহস্য সাড়ে তিন বছর পর উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় রফিকুলের বোনের স্বামী মকবুলকে (৫৫) গ্রেফতার করা হয়েছে।টাঙ্গাইল পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন তালুকদার মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে তার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জানান, ২০২২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি মামুন মিয়া ধনবাড়ীর নাথেরপাড়া গ্রামে রফিকুল ইসলামের রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ দ্রুত সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে লাশ মর্গে পাঠায়।

    M

  • দেলদুয়ার আ.লীগের সম্পাদক শিবলী কারাগারে

    দেলদুয়ার আ.লীগের সম্পাদক শিবলী কারাগারে

    বিডিনিউজ ডেক্স : টাঙ্গাইলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিককে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

    মঙ্গলবার বিকালে সিনিয়র জুডিশিয়াল সদর থানা আমলি আদালতের বিচারক রুমেলিয়া সিরাজম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

    এর আগে সোমবার রাতে তাকে টাঙ্গাইল শহরের ঢাকা রোডের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার নামে একাধিক বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলা রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কোনো রিমান্ড আবেদন করা হয়নি। দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    M

  • আচরণবিধি লঙ্ঘনে টাঙ্গাইল-২ আসনের হাতপাখার প্রার্থীকে দণ্ড

    আচরণবিধি লঙ্ঘনে টাঙ্গাইল-২ আসনের হাতপাখার প্রার্থীকে দণ্ড

    বিডিনিউজ ডেক্স : টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের (হাতপাখা) এমপি প্রার্থী হাফেজ মাওলানা মনোয়ার হোসেন সাগরকে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে উপজেলা বাসস্ট্যান্ড চত্বরে হাতপাখা প্রতীকের নির্বাচনি সমাবেশ চলাকালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে এ জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাজিব হোসেন।

    এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাজিব হোসেন বলেন- নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে সরকারি স্থাপনায় হাতপাখা প্রতীকের নির্বাচনি প্রচারণার কার্যালয় স্থাপন করায় তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে কার্যালয়টিতে নির্বাচনি প্রচারণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কোনো প্রার্থী যদি নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    M

  • বিদ্যুৎস্পর্শে প্রাণ গেল এমপি প্রার্থীর

    বিদ্যুৎস্পর্শে প্রাণ গেল এমপি প্রার্থীর

    বিডিনিউজ ডেক্স : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে মনোনীত মুফতি মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বিদ্যুৎস্পর্শে মারা গেছেন।

    বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টের এই ঘটনা ঘটলেও বৃহস্পতিবার সকালে মৃত্যুর বিষয়টি জানা যায় বলে তার জামাতা ডা. হিমেল কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন।

    মুফতি মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কাকরাজান ইউনিয়নে। তিনি পরিবার সদস্যদের নিয়ে ঘাটাইল পৌরর কলেজ রোড এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন। বর্তমানে ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসায় সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। ইসলামী শিক্ষায় সুদক্ষ এই আলেম একাধারে একজন মুহাদ্দিস ও বিজ্ঞ ইসলামিক চিন্তাবিদ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

    ডা. হিমেল জানান, বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতের কোনো এক সময়ে বিদ্যুৎস্পর্শ হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে তার বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি ফসলি ক্ষেত থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে সারারাত তার ব্যবহৃত মোবাইলে কল করলেও সেটির সংযোগ বন্ধ পাওয়া যায় বলে তিনি জানান।

    কাকরাজান এলাকার স্থানীয়রা জানান, তার বসতবাড়ির পাশে নিজস্ব একটি ফসলি ক্ষেতে বিদ্যুৎচালিত সেচযন্ত্রে তড়িতায়িত হয়ে বুধবার রাতের কোনো এক সময়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে বাড়ির পাশের ক্ষেত থেকে বৃহস্পতিবার সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    মুফতি মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের আকস্মিক এই মৃত্যুতে ঘাটাইলের আলেম সমাজ ও সচেতন মহল, রাজনৈতিক অঙ্গন এবং তার ভক্ত ও অনুসারীদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। এদিকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, বিএনপিসহ বিভিন্ন ইসলামী ও রাজনৈতিক সংগঠন তার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সমবেদনা প্রকাশ করেন।

    পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার আসরের নামাজের পর কাকরাজান এলাকায় জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

    জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে সংগঠনটির প্রার্থী ছিলেন মুফতি মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন। পরবর্তী সময় সংগঠনটি বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হলে তিনি তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে সম্প্রতি এক সভায় আসনটিতে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ওবায়দুল হক নাসিরকে সমর্থন করেন।

    M

  • প্রতীক পাওয়ার ২ দিন পর মাঠ ছাড়লেন প্রার্থী, হতাশ কর্মী-সমর্থক

    প্রতীক পাওয়ার ২ দিন পর মাঠ ছাড়লেন প্রার্থী, হতাশ কর্মী-সমর্থক

    বিডিনিউজ ডেক্স : (মধুপুর-ধনবাড়ী) সংসদীয় আসনে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চলাকালেই নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাড. মোহাম্মদ আলী। তার এই সিদ্ধান্তে এলাকায় তার নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে ক্ষোভ ও চরম হতাশা বিরাজ করছে।

    জানা গেছে, বিএনপির দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে নামেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মোহাম্মদ আলী। স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক ও জিয়া পরিষদের ডিরেক্টর পদ থেকে সদ্য বহিষ্কৃত হয়েছেন। এ আসনে দলের মনোনয়ন পেয়েছেন বিগত সময় দুইবার নির্বাচন করা ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির আরেক সদস্য ফকির মাহবুব আনাম স্বপন।একাধিক সূত্র জানায়, দলীয় প্রার্থী ফকির মাহবুব আনাম স্বপনের সঙ্গে দফায়-দফায় বৈঠকের পরই মোহাম্মদ আলী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ঢাকাসহ টাঙ্গাইলের এলেঙ্গায় বৈঠকের পর শুক্রবার সকালে আনোয়ার হোসেনের বাসায় চুড়ান্ত আলোচনা হয়।

    গত দেড় বছর ধরে ঘর-সংসার, স্ত্রী-সন্তান ও আত্মীয়স্বজন ছেড়ে নিজের অর্থ ব্যয় করে মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে রাজনীতি করেছেন বলে জানান মধুপুর উপজেলার আউশনারা ইউনিয়নের লাল মিয়া। তিনি জানান, ‘স্থানীয় সন্তান ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে জনপ্রিয় হওয়ায় ভেবেছিলাম তিনি দলীয় মনোনয়ন পাবেন। মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার খবরে আমরা শকড হই। স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে প্রতীক পাওয়ার পর দ্বিতীয় দিন দুপুর পর্যন্ত প্রচার করেছি। হঠাৎ খবর এলো, নেতা নির্বাচন থেকে সরে যাচ্ছেন। মাথায় যেন বাজ পড়লো।’ কথা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

    মধুপুরের আলোকদিয়ার গাংগাইর এলাকার তোতা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘নেতা হয়ে এমন বেঈমানি করলেন কেন? কোথায় যাবো আমরা? টাকা দরকার হলে বলতেন। নির্বাচন শুরু না করেই মাঠ ছেড়ে দিলেন। আপনার নাম ইতিহাসে মীরজাফরের পাশে লেখা থাকবে।’

    ধনবাড়ী উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সভাপতি ও যদুনাথপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুল হাই জানান, শুক্রবার সকাল থেকেই লিফলেট বিতরণ ও ভোটের প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। নামাজের পর মধুপুরে এসে খবরটি শুনে হতবাক হয়ে যান। তিনি বলেন, ‘যদুনাথপুরসহ ধনবাড়ীতে মোহাম্মদ আলীর বড় অবস্থান তৈরি হয়েছিল। তার সঙ্গে দীর্ঘ পথচলা হঠাৎ থেমে গেল। নিজের রাজনীতি নিয়েও এখন অনিশ্চয়তায় পড়েছি।’

    এদিকে মধুপুর আদালত পাড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রধান সমন্বয়ক আনোয়ার হোসেনের বাসায় সকাল থেকেই নেতাকর্মীদের ভিড় জমে। বিকাল ৪টা পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করেন তারা। সেখানে অবস্থান করা অনেকে জানান, ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষ থেকে অনেক নেতা যোগাযোগ করেছিলেন, কিন্তু আদর্শের রাজনীতি করি বলে মোহাম্মদ আলীর সঙ্গেই ছিলাম। এখন কোনো দিকনির্দেশনা নেই—কি করবো বুঝতে পারছি না।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্বপন ফকির চলে যাওযার পর খবর ছড়িয়ে পড়লে আবেগে উত্তেজিত কর্মী-সমর্থকরা সেখানে জড়ো হন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বাইরে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে কর্মীরা মোহাম্মদ আলীকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন। পরবর্তীতে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে নিরাপত্তার জন্য কর্মীদের বেষ্টনীতে মোহাম্মদ আলীকে সেখান থেকে নামিয়ে গাড়িতে তুলে বাসায় পাঠানো হয়।

    এ বিষয়ে মধুপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন খান বাবলু কালবেলাকে বলেন, ‘নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মোহাম্মদ আলী। কিন্তু সে আমাদের সঙ্গে পূর্বে কোনো পরামর্শ না করেই নির্বাচন থেকে সরে গেলেন। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে পারে।’

    M

  • রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু দুর্নীতি : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু দুর্নীতি : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    ডেস্ক নিউজ

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত ) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, একটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু দুর্নীত। এটি শুধু অর্থনীতির ক্ষতিই করে না, এটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ভেতর হতে ক্ষয় করে দেয়। সেই সঙ্গে জনগণের বিশ্বাস ভেঙে দেয়। ঠিক তেমনভাবেই কোনো কারাসদস্য যদি নিজ স্বার্থ, লোভ বা রাজনৈতিক সুবিধার অংশ হিসেবে কাজ করে তবে শুধু আইন ভাঙে না। সে রাষ্ট্র ও আইনের ভিত্তি দুর্বল করে দেয়।

    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে কাশিমপুর কারাগারের প্যারেড গ্রাউন্ডে ৬৩তম ব্যাচ মহিলা কারারক্ষীদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান শেষে এসব বলেন তিনি।

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, কারা সদস্যরা কোনো স্বার্থান্বেষী রক্ষক নয়। তারা রাষ্ট্রের জনগণের টাকায় বেতনভুক্ত সরকারি কর্মচারী, জনগণের কল্যাণই তার একমাত্র বৃত। আপনারা কারও বেতনভুক্ত কর্মচারী নয়, আপনারা সরকারের বেতনভুক্ত কর্মচারী। জনকল্যাণ আপনাদের একমাত্র কাজ। ৬৩তম ব্যাচ মহিলা কারারক্ষীদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সম্পূর্ণকারী সবার ভবিষ্যত জীবনের সাফল্য কামনা করি৷

    এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মোতাহের হোসেন, অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল মোহাম্মদ মোস্তাফা কামাল, কর্নেল তানভীর হোসেন, কর্নেল মেছবাহল আলম সেলিম, জাহাঙ্গীর কবির এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কমান্ড্যান্ট টিপু সুলতান, গাজীপুরের পুলিশ কমিশনার, উপ-কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

    এর আগে সকালে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন তিনি। পরে প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রশিক্ষণার্থীদের সশস্ত্র সালাম ও অভিবাদন গ্রহণের মাধ্যমে সমাপনী কুচকাওয়াজের অনুষ্ঠান শুরু হয়। এসময় নবীন কারারক্ষীগণ সুসজ্জিত বাদক দলের বাদ্যের তালে তালে ঘীর ও দ্রুতলয়ে কুচকাওয়াজের মাধ্যমে মাঠ প্রদক্ষিণ এবং শারীরিক সক্ষমতা, মনোবল ও দলগত সমন্বয়ের দক্ষতায় বিভিন্ন শারীরিক কসরত, অস্ত্রবিহীন আত্মরক্ষা কৌশলের চমকপ্রদ পরিবেশনা ফুটিয়ে তোলেন। কুচকাওয়াজ শেষে প্রশিক্ষণে কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়। পিটি, ড্রিল, ফায়ারিং, অস্ত্রবিহীন যুদ্ধ, লিখিত পরীক্ষা ও সর্ববিষয়ে চৌকস এই ছয়টি ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন করা হয়।

  • অপহরণের ১৪ দিন পর কিশোরী উদ্ধার, আটক ৩

    অপহরণের ১৪ দিন পর কিশোরী উদ্ধার, আটক ৩

    ডেস্ক নিউজ :

    মাদারীপুরে অপহরণের ১৪ দিন পর কিশোরী তামান্না আক্তারকে (১৪) উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে অপহরণ মামলার প্রধান আসামি সুব্রত হালদারসহ ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। গত ২৮ নভেম্বর জেলার কালকিনি উপজেলার কালীগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে কিশোরীকে অপহরণ করা হয়। উদ্ধার হওয়া কিশোরী একই উপজেলার আলিনগর ইউনিয়নের মিরাকান্দি গ্রামের আলী আজগরের কন্যা।

    আটককৃতরা হলেন মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের দক্ষিণ চলবল গ্রামের সঞ্জিত হালদারের ছেলে সুব্রত হালদার, গোবিন্দ হালদারের ছেলে প্রশান্ত হালদার এবং লক্ষণ মধুর ছেলে নয়ন মধু। শুক্রবার রাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন কালকিনি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল হোসেন।

    মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ নভেম্বর কালীগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে জোরপূর্বক ১৪ বছর বয়সী তামান্না আক্তারকে অপহরণ করে সুব্রত হালদারসহ তিন যুবক। এ ঘটনায় কিশোরীর পরিবার বাদী হয়ে কালকিনি থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন। এরপর কালকিনি থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ১১ ডিসেম্বর ঢাকার সাভার থানা এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে। এ সময় মামলার মূল আসামি সুব্রত হালদারসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।

    কালকিনি থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল হোসেন বলেন, কিশোরীকে উদ্ধার করার পর মেডিকেল পরীক্ষার জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আটক ৩ আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • মাদারীপুরে ব্যাংক কর্মীর কাছ থেকে ২৪ লাখ টাকা ছিনতাই

    মাদারীপুরে ব্যাংক কর্মীর কাছ থেকে ২৪ লাখ টাকা ছিনতাই

    ডেস্ক নিউজ

    মাদারীপুরে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এজেন্ট শাখার সুস্ময় চক্রবর্তী (২৫) নামে এক কর্মীর কাছ থেকে নগদ ২৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। 

    বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের রাজৈর উপজেলার কামালদি ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী সুস্ময় বর্তমানে রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

    পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, সুস্ময় চক্রবর্তী টেকেরহাট ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের মাস্টার এজেন্ট শাখায় ডিএসআর হিসেবে কর্মরত। বৃহস্পতিবার (গতকাল) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন এজেন্ট শাখা থেকে মোট ২৪ লাখ টাকা সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে পাইকপাড়া ইউনিয়নের ফুলতলা শাখা থেকে ৭ লাখ, আমগ্রাম বাজার থেকে ৭ লাখ এবং টেকেরহাট মাস্টার এজেন্ট থেকে ১০ লাখ টাকা সংগ্রহ করে মোটরসাইকেলে করে মজুমদার বাজার এজেন্ট শাখার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন।

    পথিমধ্যে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের কামালদি ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তিনটি মোটরসাইকেলে আসা একদল দুর্বৃত্ত সুস্ময়ের গতিরোধ করে। অভিযোগ উঠেছে, দুর্বৃত্তরা তাকে একটি ভিজিটিং কার্ড দেখিয়ে তার কাছে থাকা ২৪ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল ইসলামসহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

    ডাচ্-বাংলা ব্যাংক টেকেরহাট শাখার ম্যানেজার মনতোশ সরকার জানান, ঘটনার পর থেকে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। বিষয়টি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে।

    রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল ইসলাম জানান, ‘তার নাকের সামনে শয়তানের নিঃশ্বাস ধরায় ছিনতাইকারীদের নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়ে টাকার ব্যাগটি তাদের হাতে দিয়ে দেয়। ছেলেটি ঘটনাস্থলেই দাঁড়িয়ে ছিল, কাউকে কিছু বলার মতো জ্ঞানও ছিল না তার।’

    তিনি আরও জানান, পরে একজনের ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুস্ময়কে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় এখনো কাউকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করছে এবং তদন্ত অব্যাহত রেখেছে। অভিযোগ পেলে ৩২৮ ধারায় মামলা নেওয়া হবে বলেও জানান ওসি।