Blog

  • শিবচরে ভারসাম্যহীন কিশোরীর রহস্যজনক মৃত্যু

    শিবচরে ভারসাম্যহীন কিশোরীর রহস্যজনক মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজ:

    মাদারীপুরে এক মানসিক ভারসাম্যহীন কিশোরীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।

    শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে শিবচর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

    নিহত কিশোরীর নাম হালিমা খাতুন (১২)। তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। হালিমা তার মা কাকলি বেগমের সঙ্গে শিবচর পৌর এলাকার লিটন মিয়ার বাড়িতে ভাড়াবাসায় বসবাস করতেন। তাদের গ্রামের বাড়ি শিবচর উপজেলার সাড়ে এগারো রশি এলাকায়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হালিমার বাবা হানিফ খান প্রায় পাঁচ বছর আগে জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এরপর থেকেই হালিমার মা কাকলি বেগম মানুষের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালাতেন। তিন বোনের মধ্যে হালিমা ছিল সবার বড়।

    স্থানীয়রা জানান, দুপুর ১২টার দিকে কয়েকজন শিশু হালিমা ঘরের বাইরে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলে থাকতে দেখে। পরে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান। ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে পুলিশ।এ বিষয়ে মাদারীপুরের শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনা রহস্য উদ্‌ঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।

  • মাদারীপুরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

    মাদারীপুরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

    ডেস্ক নিউজ

    মাদারীপুরের যাত্রীবাহী বাসে ধাক্কায় এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুইজন।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ডাসার উপজেলার পাথুরিয়ারপাড় এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত মো. রণি (২৫) ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের কর্ণপাড়া এলাকার মিজানুর রহমান তালুকদারের ছেলে।

    আহতরা হলেন, পান্তাপাড়া এলাকার সিদ্দিক ফকিরের ছেলে রফিকুল ফকির (২৪) ও ভাঙ্গাব্রীজ এলাকার মো. এনামুলের ছেলে মাহফুজ (২৭)। পেশায় হতাহতরা রাজমিস্ত্রি।

    হাইওয়ে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কালকিনি উপজেলার গোপালপুর থেকে রাজমিস্ত্রির কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন রনি ও তার দুই সহযোগী। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ডাসার উপজেলার পাথুরিয়াপাড় এলাকায় আসলে পেছন থেকে আসা সার্বিক পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল চালক রনির মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত রফিকুল ও মাহফুজকে উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে প্রেরণ করে চিকিৎসক।

    মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. অখিল সরকার জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন আরও দুজন। আহতদের অবস্থা শঙ্কামুক্ত নয়। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেলে প্রেরণ করা হয়েছে।

    মাদারীপুরের মোস্তফাপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন আল রশিদ জানান, নিয়তের লাশ পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে নেওয়া হবে আইনগত ব্যবস্থা।

  • টাঙ্গাইলে ঘর থেকে বৃদ্ধ দম্পতির মরদেহ উদ্ধার

    টাঙ্গাইলে ঘর থেকে বৃদ্ধ দম্পতির মরদেহ উদ্ধার

    বিডিনিউজ ডেক্স : টাঙ্গাইলের বাসাইলে বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে নিজ ঘর থেকে পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে।

    নিহতরা হলেন- বাসাইলের গোসাখালি গ্রামের ঠান্ডু মিয়া (৭৫) ও তার স্ত্রী রিজিয়া বেগম (৭০)।নিহতদের স্বজনরা জানান, দুই দিন আগে বোরো ধান আবাদে কাজ করার জন্য কয়েকজন দিনমজুর আনা হয়। তারা নিহত দম্পতির বাড়ির পাশের একটি কক্ষে অবস্থান করছিলেন। সোমবার রাতে দিনমজুরদের অস্বাভাবিক চলাফেরা দেখে নিহতদের নাতি শাকিল সিকদারের সন্দেহ হয়। পরদিন সকালে ঘরের দরজা খোলা দেখতে পেয়ে ভেতরে প্রবেশ করলে ঠান্ডু মিয়া ও রেজিয়া বেগমকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। এসময় ঘরের আলমারি ও আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় ছিল। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির বলেন, সোমবার রাতে তার বাড়িতে উত্তরাঞ্চল থেকে শ্রমিকরা এসেছিল। রাতে ঠান্ডু পেটে ব্যথা অনুভব করলে ওই শ্রমিকরা তাদের সঙ্গে থাকা ওষুধ খেতে দেয়। পরে মঙ্গলবার সকালে তারা ঘুম থেকে না ওঠায় আশপাশের লোক ডাকাডাকির এক পর্যায়ে ঘরে গিয়ে দেখে তারা পড়ে আছেন। ঘরের আসবাবপত্র এলোমেলো হয়েছিল। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

    M

  • যশোর-২ ধানের শীষের প্রার্থীকে শোকজ

    যশোর-২ ধানের শীষের প্রার্থীকে শোকজ

    চৌগাছা প্রতিনিধি
     যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির  সভাপতি সাবিরা সুলতানা মুন্নীকে পৃথক দুটি শোকজ করেছেন নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।
    মঙ্গলবার (২৭জানুয়ারী) কমিটির প্রধান গোলাম রসুল স্বাক্ষরিত শোকজে আগামী ২৯ জানুয়ারী স্বশরীরে অথবা উপযুক্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত জবাব দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
    চৌগাছা ও ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জকে প্রার্থীকে কারন দর্শানোর নোটিশ সত্বর জারিপূর্বক জারির প্রতিবেদন কমিটির কাছে জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
    নির্বাচনি অভিযোগ নং- ০১/২০২৬ এ বলা হয়েছে, যশোর-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ডা. মোঃ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ-এর প্রেস সেক্রেটারি জনাব তারিকুল ইসলাম তারেক কর্তৃক দাখিলকৃত লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. তারিখে দুপুরের দিকে ঝিকরগাছা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কীর্তিপুর গ্রামে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে সাধারণ নারী ভোটারদের নিকট ভোট প্রার্থনার সময় প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর কর্মীরা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনপূর্বক নারী ভোট কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা নারী কর্মীদের শরীরে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে, তাদের লাঞ্ছিত করে এবং হাতে থাকা মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ভাঙচুর করে। ভাঙচুরকৃত মোবাইল ফোনসমূহ হামলাকারীরা সঙ্গে করে নিয়ে যায়। এছাড়াও নারী কর্মীদের সাথে থাকা ভ্যানিটি ব্যাগ ছিনতাই করা হয়, যেখানে নগদ অর্থ, কাগজপত্র ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী ছিল। এ সময় তাদের অশ্লীল ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং পরবর্তীতে পুনরায় ভোট চাইতে এলে প্রাণনাশের হমকি প্রদান করা হয়। উক্ত ঘটনায় আহত নারী নেতা-কর্মীরা হলেন-রাফিজা, নাসিমা, কামরুন্নাহার, তুলি, বিলকিস, জোসনা প্রমুখসহ মোট ১০ (দশ) জন। তারা প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয় যে, হামলায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যুবদল নেতা আরাফাত রহমান কল্লোল, সবুজ, আহনাত, সোহাগসহ ১০-১৫ জনের একটি দল জড়িত ছিল। লিখিত অভিযোগে বর্ণিত উক্ত ঘটনাসমূহ “সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫” এর বিধি ১৫(গ) ও ১৫(ঘ) এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এমতাবস্থায়, উপরোক্ত লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জনাব মোছাঃ সাবিরা সুলতানা-এর বিরুদ্ধে কেন সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর বিধি ১৫(গ) ও ১৫(ঘ) লঙ্ঘনের দায়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন বরাবর প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ প্রতিবেদন প্রেরণ করা হবে না-সে বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। এ বিষয়ে আগামী ২৯/০১/২০২৬ খ্রি. তারিখ বিকাল ৩.০০ ঘটিকায় নিম্নস্বাক্ষরকারীর কার্যালয়ে (যশোর জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবনের ৩য় তলায় অবস্থিত অভয়নগর সিভিল জজ আদালত) স্বয়ং অথবা আপনার মনোনীত উপযুক্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। ব্যর্থতায় অত্র কমিটি আপনাকে শুনানী ব্যতিরেকে বিধি মোতাবেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। অত্র কারণ দর্শানোর নোটিশ সত্বর জারিপূর্বক জারির প্রতিবেদন নিম্নস্বাক্ষরকারীর কার্যালয়ে প্রেরণ করার জন্য অফিসার ইনচার্জ, ঝিকরগাছা থানা, যশোরকে নির্দেশ প্রদান করা হলো।

    নির্বাচনি অভিযোগ নং- ০২/২০২৬ এ বলা হয়েছে, আপনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর জেলাধীন নির্বাচনি এলাকা নং-৮৬, যশোর-২ থেকে রাজনৈতিক দল “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল” কর্তৃক মনোনীত একজন সংসদ সদস্য প্রার্থী। আমি সরজমিনে চৌগাছা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন কালে বহু স্থানে আপনার নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত রঙ্গিন ফেসটুন, ব্যানার ও পোস্টার দেয়ালে সাথে সাঁটানো অবস্থায় দেখতে পাই (নমুনা ছবি সংযুক্ত) যা সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫ এর ৭(গ) (ঙ) বিধির লঙ্ঘন।

    এমতাবস্থায়, উপরোক্ত আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের ভিত্তিতে আপনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জনাব মোছাঃ সাবিরা সুলতানা-এর বিরুদ্ধে কেন সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর বিধি ৭(গ) (ঙ) লঙ্ঘনের দায়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন বরাবর প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ প্রতিবেদন প্রেরণ করা হবে না-সে বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। এ বিষয়ে আগামী ২৯/০১/২০২৬ খ্রি. তারিখ বিকাল ৩.৩০ ঘটিকায় নিম্নস্বাক্ষরকারীর কার্যালয়ে (যশোর জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবনের ৩য় তলায় অবস্থিত অভয়নগর সিভিল জজ আদালত) স্বয়ং অথবা আপনার মনোনীত উপযুক্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। ব্যর্থতায় অত্র কমিটি আপনাকে শুনানী ব্যতিরেকে বিধি মোতাবেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। অত্র কারণ দর্শানোর নোটিশ সত্বর জারিপূর্বক জারির প্রতিবেদন নিম্নস্বাক্ষরকারীর কার্যালয়ে প্রেরণ করার জন্য অফিসার ইনচার্জ, চৌগাছা থানা, যশোরকে নির্দেশ প্রদান করা হলো।

  • সখীপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ৩টি নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর

    সখীপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ৩টি নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর

    বিডিনিউজ ডেক্স :  (বাসাইল-সখীপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শিল্পপতি সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের (হরিণ) প্রতীকের ৩টি নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর ও দুটি অফিসে তালা ঝুঁলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানের কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। রোববার (২৫ জানুয়ারি) এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন হরিণ প্রতীকের এজেন্ট ফজলুল হক বাচ্চু।
    হরিণ প্রতীকের এজেন্ট ফজলুল হক বাচ্চু অভিযোগ করেন, এ আসনের সখীপুর উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের কালমেঘা এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের হরিণ প্রতীকের তিনটি নির্বাচনী অফিস বিএনপি প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা ভাঙচুর করে। ভাঙচুর চালানো নির্বাচনী অফিসগুলো হচ্ছে- রাঙ্গামাটি কেন্দ্রের সলঙ্গা অফিস, ইলিমজান উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সোনাতলা মোড় অফিস ও দেওয়ানপুর কেন্দ্রের দেওয়ানপুর অফিস। এছাড়া বহেড়াতৈল ইউনিয়নের বহেড়াতৈল ও কালিয়া ইউনিয়নের বাসারচালা অফিস দুটিতে তালা ঝুঁলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    লিখিত অভিযোগে বলা হয়, বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী আহমেদ আযম খানের কর্মী-সমর্থকরা শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে ৩টি নির্বাচনী অফিসে ভাঙচুর চালায় এবং রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকালে দুটি নির্বাচনী অফিসে তালা ঝুঁলিয়ে দেয়। একই সঙ্গে তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের কর্মী-সমর্থকদের পিটিয়ে আহত করে। একই আসনের শোলাপ্রতিমা ও কালিয়া এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর হরিণ প্রতীকের দুটি বিলবোর্ডও ভাঙচুর করা হয়।

    হরিণ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী লাবিব গ্রুপের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর ও তালা ঝুঁলানোর তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, প্রতিপক্ষের কর্মী-সমর্থকরা পরাজয়ের ভয়ে এসব অপকর্ম করছে। হিংসা-প্রতিহিংসা কারো জন্যই মঙ্গলজনক নয়। নির্বাচনের পরিবেশ যেন শান্তিপূর্ণ থাকে এবং জনগণ যেন স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে- সেটি নিশ্চিত করা সবারই দায়িত্ব। নিজের কর্মী-সমর্থকদের ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার আহ্বান জানান তিনি।বিষয়ে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী আহমেদ আযম খান বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর নির্বাচনে ভোটের দেউলিয়াত্বে ভুগছেন। তাই নানা ধরণের কাল্পনিক, ভিত্তিহীন ও মিথ্যা অভিযোগ তুলে পরিস্থিতি ঘোলা করার চেষ্টা করছেন। বাসাইল-সখীপুরের মানুষ এগুলো বুঝে এবং তারা বুঝে-শুনেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন।
    এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, নির্বাচনে অনিয়ম প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশে গঠিত ইলেকশন অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি রয়েছে। তাদের কাছে অভিযোগ করা হয়ে থাকলে তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এছাড়া ওই অনুসন্ধান বা তদন্ত কমিটি অভিযোগের প্রমাণ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে বিচারের আওতায় এনে দোষীদের সাজার ব্যবস্থা করতে পারে।

    M

  • টাঙ্গাইল-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হালিমকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার

    টাঙ্গাইল-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হালিমকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার

    বিডিনিউজ ডেক্স : আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কালিহাতী উপজেলা বিএনপি’র উপদেষ্টা ও জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিমকে বিএনপির সকল পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারী) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী সাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিমকে দল থেকে বহিষ্কার করার কথা জানানো হয়েছে।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য টাঙ্গাইল জেলাধীন কালিহাতী উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা ইঞ্জি. আব্দুল হালিমকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। একইসাথে ইঞ্জি. আব্দুল হালিমকে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি পদসহ দলের সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিম কালিহাতী উপজেলা নিয়ে গঠিত টাঙ্গাইল-৪ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু বিএনপির হাই কমান্ড এ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য লুৎফর রহমান মতিনকে মনোনয়ন দেয়। দলের এ সিদ্ধান্ত অমান্য করে ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিম স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মোটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন এবং পুরো নির্বাচনী এলাকায় নিয়মিত প্রচারনা চালাচ্ছেন। দলের বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় নেতা-কর্মীরা বিভক্ত হয়ে পরেছেন।

    M

  • মির্জাপুরের তরফপুরে পাহাড়ের মাটি বিক্রির মহোৎসব

    মির্জাপুরের তরফপুরে পাহাড়ের মাটি বিক্রির মহোৎসব

    বিডিনিউজ ডেক্স :টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে চলছে পাহাড়ের টিলা কেটে লাল মাটি বিক্রির মহোৎসব। পাহাড় ধ্বংস করে মাটি বিক্রি করায় একদিকে হুমকির মুখে পড়ছে প্রাকৃতিক পরিবেশ। অন্যদিকে জীববৈচিত্র্য ও ফলজবৃক্ষসহ উজাড় হচ্ছে বনাঞ্চল। এই লাল মাটি বিক্রির উৎসব মাসব্যাপি ধরে চললেও প্রশাসন শক্ত হাতে দমনের ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন পাহাড়ি অঞ্চলের সাধারণ মানুষ। লালমাটি বহনকারি ড্রাম্প ট্রাকের চাকার দাপটে খানাখন্দক হচ্ছে গ্রামীণ রাস্তা।
    জানা গেছে, ১৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে মির্জাপুর উপজেলা গঠিত। এর মধ্যে আজগানা, বাঁশতৈল, তরফপুর, লতিফপুর ও গোড়াই ইউনিয়ন হলো পাহাড়বেষ্টিত। এই পাহাড়ের বিস্তৃর্ণ বনাঞ্চলে ছিল শত শত উঁচু টিলা। পাহাড়বেষ্টিত ইউনিয়নগুলোর বনে এক সময় বাঘসহ নানা জাতের পশু-পাখির বসবাস ছিল। এছাড়া এই বনাঞ্চল শাল ও গজারিসহ নানান জাতের ফলজ এবং ওষুধি গাছে ভরপুর ছিল।

    প্রতিবছর এই অঞ্চলে মাটি ব্যবসায়িরা অবৈধভাবে পাহাড়ের টিলা কেটে ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অন্য বছরের মতো টিলা কেটে মাটি বিক্রির মহোৎসব এবারও থেমে নেই। প্রতিবছর টিলা কেটে মাটি বিক্রি করায় পাহাড়ি অঞ্চলটির টিলার সংখ্যা দিনকে দিন কমে আসেছে। সরেজমিনে তরফপুর ইউনিয়নে গিয়ে দেখা গেছে, এক মাসের ব্যবধানে এই এলাকায় পাহাড়ের কমপক্ষে ১০টি বড় বড় টিলা কেটে মাটি বিক্রি করেছে। ইউনিয়নটির রাখেরচালায় গিয়ে দেখা গেছে, কয়েকটি বড় বড় টিলার মাটি ভেকু মেশিন দিয়ে কেটে মাটি বিক্রি করা হয়েছে। পাশের অন্য আরও একটি টিলার মাটি কাটার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। টিলাটির ওপরের আকাশমনি, কাঠাল ও আমসহ সকল গাছ-গাছালি কেটে ফেলছেন কয়েকজন শ্রমিক।

    তরফপুর গ্রামের হযরত আলী, মাসুম ও শহিদ জানান বাঁশতৈল এলাকার রোকন নামে এক ব্যক্তি মাটি কেটে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে টাকিয়া কদমা গ্রামের রাধারচালায় দুইটি টিলার মাটি একইভাবে কেটে নিচ্ছে অবৈধ এই লাল মাটিখেকোর দল। নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন বাঁশতৈল এলাকার শহিদুল নামে এক মাটি ব্যবসায়ি এই টিলার মাটি কেটে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
    এদিকে টিলার লালমাটি বহনকারি বড় বড় ড্রাম্প ট্রাক অনবরত চলাচল করায় ওই এলাকার গ্রামীণ রাস্তা খানাখন্দক হয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এলাকার সাধারণ মানুষ অভিযোগ করেছেন। মাটি ব্যবসায়িরা প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ টু শব্দ করতে পারেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। মাটি ব্যবসায়ি রোকনের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, আমি মাটি ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছি। এখন অন্যরা করছে বলে তিনি জানান।এ বিষয়ে তরফপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজ রেজার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পাহাড়ের টিলা কাটার বিষয়টি আমার জানা নেই।
    এ ব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া ইয়াসমিন স্থানীয় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি থামাতে একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করে জরিমানাসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আমরা রাতেও অভিযান পরিচালনা করেছি। কিন্তু ওরা নানা কৌশল অবলম্বন করছে। তবে আমাদের অভিযান থেমে থাকবে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    M

  • বাংলাদেশি যুবককে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ

    বাংলাদেশি যুবককে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ

    লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্ত থেকে রাশেদুল ইসলাম নামে এক বাংলাদেশি যুবককে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

    শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আটক রাশেদুল ইসলাম (২৫) পাটগ্রাম উপজেলা বাউড়া এলাকার বাসিন্দা।

    স্থানীয়রা জানায়, লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার ডাংগাটারী বিওপি ক্যাম্পের অধীন ৮০১/১১ নম্বর পিলারের কাছ দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে রাশেদুল ইসলাম। এ সময় ভারতীয় ৩০ বিএসএফের নিউ কুচলিবাড়ি ক্যাম্পের সদস্যরা তাকে আটক করে নিয়ে যায়।

    রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি) বর্ডার গার্ড অধিনায়ক সেলিম আল দীন বলেন, আটক বাংলাদেশিকে ফেরত আনার বিষয়ে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে।

    এম কে

  • ৫৩ কোটি টাকার সম্পদের মালিক দুলু, আয় বেশি কৃষি খাতে

    ৫৩ কোটি টাকার সম্পদের মালিক দুলু, আয় বেশি কৃষি খাতে

    ডেস্ক নিউজঃ

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রংপুর বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু। তার বার্ষিক আয়ের প্রধান উৎস কৃষি। তার মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৫৩ কোটি টাকা। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া তার হলফনামায় এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

    হলফনামা অনুযায়ী, এক সময়ের কলেজ অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু বর্তমানে তার পেশা হিসেবে ‘কৃষি ও ব্যবসা’ উল্লেখ করেছেন।  তার স্ত্রী লায়লা হাবিব পেশায় একজন ব্যবসায়ী, বিশেষ করে পরিবহন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। ​দুলুর দুই সন্তানের মধ্যে আহনাফ হাবিব ইনতেসার বর্তমানে বেসরকারি চাকরিতে নিয়োজিত এবং ছোট ছেলে আহমিক হাবিব ইয়ারদান ছাত্র। দুই ছেলের নামে কোনো সম্পদ বা ব্যাংক জমার তথ্য হলফনামায় উল্লেখ নেই।

    ​আসাদুল হাবিব দুলুর বার্ষিক আয়ের বড় অংশ আসে কৃষি খাত থেকে। ​কৃষি খাতে বাৎসরিক আয় ১ কোটি ১৪ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭০ টাকা। ​বাড়ি/অ্যাপার্টমেন্ট/দোকান ভাড়া থেকে ১৪ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। ​ব্যবসা থেকে ৫ লাখ ২৩ হাজার ৩৫৫ টাকা। ​অন্যান্য উৎস থেকে ৬ লাখ ৭২ হাজার ৭০২ টাকা। ​শেয়ার ও ব্যাংক আমানত রয়েছে ৪৬ হাজার ৪৩৪ টাকা।

    নির্বাচনী ব্যয়ের জন্য খোলা নতুন অ্যাকাউন্টে ১০ লাখ ৮২ হাজার ৮২০ টাকাসহ তার হাতে ও বিভিন্ন ব্যাংকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নগদ অর্থ রয়েছে ১৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে ​সোনালী ব্যাংকে ৮ লাখ ৫৫ হাজার ৬৮৬ টাকা এবং ৩৮ হাজার ৭৬৯ টাকা (দুটি পৃথক হিসাব)। ব্যাংক এশিয়ায় ২৬ হাজার ৬৭৭ টাকা, এবি ব্যাংকে ৪৭ হাজার ৬৭৭ টাকা, প্রাইম ব্যাংকে ৩৫ হাজার ৬০৬ টাকা , ডাচ-বাংলা ব্যাংক ৩৮ হাজার ৭৬৯ টাকা, সিটি ব্যাংকে ২ হাজার ১৫৬ টাকা এবং ইসলামী ব্যাংকে নামমাত্র স্থিতি ২৬ টাকা রয়েছে।

    বিনিয়োগ ও বাহন হিসেবে দুলুর রয়েছে তালিকাভুক্ত নয়- এমন কোল্ড স্টোরেজ ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার এবং  ব্যাংকের শেয়ার, যার ক্রয়মূল্য ৪ লাখ ৪৮ হাজার ৬৪০ টাকা।  ​যানবাহন হিসেবে তার মালিকানায় রয়েছে দুটি মাইক্রোবাস, দুটি বাস, একটি ট্রাক এবং একটি নতুন গাড়ি। এর মধ্যে মাইক্রোবাস দুটির বর্তমান বাজারমূল্য ৬২ লাখ ৩৭ হাজার টাকা এবং বাস দুটির বর্তমান মূল্য প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা। ​ইলেকট্রনিক্স পণ্য, আসবাবপত্র ও একটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ অন্যান্য অস্থাবর সম্পদের বর্তমান আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৪৬ লাখ ৯৯ হাজার ১২০ টাকা।

    আসাদুল হাবিব দুলুর স্থাবর সম্পদের মধ্যে জমির পরিমাণই সবচেয়ে বেশি। ​এর মধ্যে কৃষি জমি ৩৬.৫১২ একর (সরকারি গড় মূল্য ২২ কোটি ৮৭ লাখ ১২ হাজার ৮৫৯ টাকা)। ​অকৃষি জমি ৪.৫৮৫৭ একর (সরকারি গড় মূল্য ২২ কোটি ৯৫ লাখ ৭৫ হাজার ৫৯১ টাকা)। ​ঢাকার বনানীতে ৩ কোটি টাকা মূল্যের একটি ভবন, লালমনিরহাটে ২০ লাখ ৬৪ হাজার টাকার সম্পদ এবং চা বাগান, রাবার বাগান ও মৎস্য খামার বাবদ ৩ কোটি ৭২ লাখ ৬০ হাজার ৫০ টাকার সম্পদ রয়েছে। ​সব মিলিয়ে তার স্থাবর

    স্ত্রী লায়লা হাবিবের নামে পরিবহন ব্যবসা, টিনশেড বাড়ি ও ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে। তার মোট সম্পদের বর্তমান বাজারমূল্য দেখানো হয়েছে ৮৭ লাখ ৪১ হাজার ৭৮৭ টাকা।

    আসাদুল হাবিব দুলু ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে এই আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন। সংসদ সদস্য থাকাকালীন তিনি লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর বাঁধ নির্মাণ, আন্তঃনগর ট্রেন চালু, টিটিসি ও যুব উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন এবং ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণের মতো উল্লেখযোগ্য নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়।

    এম কে

  • ‘আপু’ সম্বোধন করায় আয়োজকের সঙ্গে ইউএনওর বাগবিতণ্ডার অভিযোগ

    ‘আপু’ সম্বোধন করায় আয়োজকের সঙ্গে ইউএনওর বাগবিতণ্ডার অভিযোগ

    ডেস্ক নিউজঃ

    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামিমা আক্তার জাহানকে ‘আপু’ সম্বোধন করাকে কেন্দ্র করে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজকের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

    জানা গেছে, কালীগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ‘রয়েল ফুটবল একাডেমি’র ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সম্প্রতি একটি চড়ুইভাতি (পিকনিক) অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটি শেষ হতে রাত প্রায় ১২টা বেজে গেলে ইউএনও শামিমা আক্তার জাহান একাডেমির সহসভাপতি মেহেরবান মিঠুকে ফোন করে অনুষ্ঠানের বিষয়ে জানতে চান।

    ফোনালাপে মেহেরবান মিঠু জানান, রয়েল ফুটবল একাডেমির একজন সদস্য বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) সুযোগ পাওয়ায় তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছিল, সে কারণেই অনুষ্ঠান শেষ হতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এখনি শেষ হয়ে যাবে, আপু।’ এ সময় ‘আপু’ সম্বোধন শুনে ইউএনও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান বলে অভিযোগ ওঠে।

    ফোনালাপের একটি অংশে ইউএনওকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি আপনার আপু নই—ফর ইউর কাইন্ড ইনফরমেশন। অনুমতি নেওয়ার সময় তো এত রাত হওয়ার কথা ছিল না। আপনি কি এই অনুষ্ঠানের অনুমতি নিতে এসেছিলেন?’ মিঠু জানান, এ সময় তিনি নিজে অনুমতি নিতে উপস্থিত ছিলেন না। পরে ইউএনওর কঠোর মনোভাবের কারণে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত অনুষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    ঘটনার পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

    অনেকেই মন্তব্য করেন, সরকারি কর্মকর্তাদের ‘স্যার’ বা ‘ম্যাম’ বলে সম্বোধনের কোনো সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নেই এবং ‘আপু’ একটি সম্মানসূচক সম্বোধন। আবার কেউ কেউ প্রশাসনিক শৃঙ্খলার বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

    এ বিষয়ে রয়েল ফুটবল একাডেমির সহসভাপতি মেহেরবান মিঠু বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরি হওয়ায় আমি বিনয়ের সঙ্গে দুঃখ প্রকাশ করে ‘আপু’ বলেছিলাম। কিন্তু এতে তিনি ক্ষুব্ধ হবেন, তা ভাবিনি। বিষয়টি আমাদের সবাইকে কষ্ট দিয়েছে।’

    তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইউএনও শামিমা আক্তার জাহান বলেন, ‘আপু বলার কারণে আমি রাগ করিনি। গভীর রাত পর্যন্ত অনুষ্ঠান চলছিল, তাই সেটি বন্ধ করতে বলেছি। বিষয়টি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।’

    এম কে