Blog

  • লালমনিরহাটে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ২০

    লালমনিরহাটে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ২০

    ডেস্ক নিউজঃ

    লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় নির্বাচনি প্রচারণা ও গণসংযোগককে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একে অপরকে দোষারোপ করেছে দুই দল।

    রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেডিকেল মোড়-সংলগ্ন কসাইটারী এলাকায় এ সংঘর্ষ ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান রাজীব প্রধান। একই আসনে রোববার বিকেলে ওই এলাকায় দুই প্রার্থীর সমর্থকদের পৃথক গণসংযোগ চলাকালে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হন।জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট আনোয়ারুল ইসলাম রাজু।

    এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম রাজু জানান, সংঘর্ষের কারণ এবং আহতদের সংখ্যা সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত জানেন না। তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের ঘটনাস্থল থেকে তথ্য সংগ্রহ করার অনুরোধ জানান।

    সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে বিএনপির প্রার্থী হাসান রাজীব প্রধানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

    জেলা পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, নির্বাচনি প্রচারণার সময় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিষয়টি নির্বাচনি আচরণবিধির আওতায় পড়ায় আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এম কে

  • শরীয়তপুরে ব্যবসায়ীকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলা, দুই আসামির বাড়িতে পুলিশের অভিযান

    শরীয়তপুরে ব্যবসায়ীকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলা, দুই আসামির বাড়িতে পুলিশের অভিযান

    শরীয়তপুরের ডামুড্যায় ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্র দাসকে কুপিয়ে ও শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন দিয়ে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর বাবা পরেশ চন্দ্র দাস বাদী হয়ে তিনজনের নামে মামলাটি করেন। এখন পর্যন্ত তাঁদের কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

    ভুক্তভোগী খোকন চন্দ্র দাস হামলায় অংশ নেওয়া দুজনের নাম বলেছেন। এ ছাড়া পুলিশের তদন্তে আরও একজনের নাম উঠে এসেছে। ওই তিনজনকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন ডামুড্যার কনেশ্বর এলাকার সোহাগ খান (২৭), রাব্বি মোল্যা (২১) ও পলাশ সরদার (২৫)। ঘটনার পর থেকে তাঁরা আত্মগোপনে আছেন। পুলিশ দুজনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের বাবাদের আটক করে থানায় আনলেও পরে ছেড়ে দেয়।

    ফেরার সময় সন্ত্রাসীরা তাঁকে প্রথমে কুপিয়ে আহত করে। পরে তাঁর শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে রাতে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সংকটাপন্ন অবস্থায় এখন তাঁকে বার্ন ইউনিটের আইসিইউয়ে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

    এদিকে আহত খোকন হামলাকারী হিসেবে কনেশ্বর এলাকার বাবুল খানের ছেলে সোহাগ খান ও সামছুদ্দিন মোল্যার ছেলে রাব্বি মোল্যার নাম বলেছেন। ঘটনার পর কেউরভাঙা বাজারের ব্যবসায়ী ও তিলই গ্রামের বাসিন্দারা অভিযুক্ত দুজনকে আটকের দাবি জানালে তাঁদের বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। কিন্তু অভিযুক্ত ব্যক্তিদের না পেয়ে তাঁদের বাবাদের থানায় নেওয়া হয়। এ ছাড়া পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে ঘটনায় অংশ নেওয়া পলাশ সরদার নামের আরেকজনের নাম জানতে পেরেছে। গতকাল গভীর রাতে থানায় তাঁদের তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন খোকনের বাবা পরেশ চন্দ্র দাস। এরপর সোহাগ ও রাব্বির বাবাকে থানা থেকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

    খোকনের বাবা পরেশ চন্দ্র দাস বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা তার (খোকন) কাছ থেকে ছয় লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার পর হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে আহত করার পর শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। ঈশ্বরের অশেষ কৃপায় সে প্রাণে বেঁচে গেছে। জানি না কত দিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবে। এ ঘটনায় আমি থানায় মামলা করেছি। আমরা চাই, পুলিশ দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনু

  • গোপালগঞ্জে ১০ লাখ টাকাসহ আটক প্রকৌশলীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

    গোপালগঞ্জে ১০ লাখ টাকাসহ আটক প্রকৌশলীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

    গোপালগঞ্জে ১০ লাখ টাকাসহ সড়ক বিভাগের এক উপসহকারী প্রকৌশলীসহ তিনজনকে আটকের ১৮ দিন পর তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত রোববার (৪ জানুয়ারি) দুদকের গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সোহরাব হোসেন মামলাটি করেন। তবে বিষয়টি আজ মঙ্গলবার জানাজানি হয়।

    মামলায় তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন শরীয়তপুর সড়ক বিভাগের পিয়ন মোশারফ হোসেন (৬০) ও চালক মনির হোসেন বেপারী (৪০) এবং গোপালগঞ্জ সড়ক বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদুল ইসলাম (৩৩)।

    গোপালগঞ্জে ১০ লাখ টাকাসহ সড়ক বিভাগের এক উপসহকারী প্রকৌশলীসহ তিনজনকে আটকের ১৮ দিন পর তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত রোববার (৪ জানুয়ারি) দুদকের গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সোহরাব হোসেন মামলাটি করেন। তবে বিষয়টি আজ মঙ্গলবার জানাজানি হয়।

    মামলায় তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন শরীয়তপুর সড়ক বিভাগের পিয়ন মোশারফ হোসেন (৬০) ও চালক মনির হোসেন বেপারী (৪০) এবং গোপালগঞ্জ সড়ক বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদুল ইসলাম (৩৩)।

  • শরীয়তপুরে একই অ্যাম্বুলেন্স চক্র, একই ‘কৌশলে’ জিম্মি, আবার রোগীর মৃত্যু

    শরীয়তপুরে একই অ্যাম্বুলেন্স চক্র, একই ‘কৌশলে’ জিম্মি, আবার রোগীর মৃত্যু

    শরীয়তপুরে একটি অ্যাম্বুলেন্স চক্রের কাছে জিম্মি রোগী ও তাঁদের স্বজনেরা। গত বছরের আগস্টে অ্যাম্বুলেন্স ‘আটকে’ রাখায় এক নবজাতকের মৃত্যু হয়েছিল। ওই ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়। পরে চক্রের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হলেও রোগী জিম্মি করার ঘটনা বন্ধ হয়নি।

    নবজাতক মৃত্যুর ওই ঘটনার পাঁচ মাসের মাথায় গত মঙ্গলবার সদর হাসপাতাল থেকে এক রোগীকে ঢাকায় নেওয়ার পথে দুই দফায় দেড় ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে। এতে ঢাকায় হাসপাতালে নেওয়ার আগেই ওই অ্যাম্বুলেন্সে থাকা রোগীর মৃত্যু হয় বলে পরিবারের অভিযোগ।

    গত বছরের ১৪ আগস্ট ওই নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় জেলা সিভিল সার্জনের গাড়িচালক আবু তাহের ও শরীয়তপুর স্বাস্থ্য বিভাগের সাবেক গাড়িচালক আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাঁরা অ্যাম্বুলেন্স চক্রের নেতৃত্বে রয়েছেন বলে অভিযোগ। এবার একই চক্রের সদস্য ও নবজাতক মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি সুমন খানের নেতৃত্বে অ্যাম্বুলেন্স আটকে রাখার ঘটনা ঘটল

    তৎপর অ্যাম্বুলেন্স চক্র

    শরীয়তপুরে ৫০ শয্যার ৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ২০ শয্যার ১টি থানা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ১০০ শয্যার ১টি জেলা সদর হাসপাতাল রয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জেলার হাসপাতালগুলো থেকে প্রতিদিন ৮০ থেকে ১০০ রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। জেলায় সরকারি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে মাত্র ৭টি।

    সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সরকারি অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে প্রতি মাসে ৫০ থেকে ৬০ জনের বেশি রোগী জেলার বাইরে বহন করা হয় না। অন্য রোগীদের বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ওপর নির্ভর করতে হয়।

    রোগীর স্বজন, চালক ও স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জেলার বিভিন্ন এলাকার ও হাসপাতালের রোগীদের ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় নেওয়ার কাজ করছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স চক্র। এ চক্রের ২৭টি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। চক্রটি নিয়ন্ত্রণ করছে শরীয়তপুর স্বাস্থ্য বিভাগের সাবেক গাড়িচালক আবদুল হাই মোল্যা ও সিভিল সার্জনের গাড়িচালক আবু তাহের দেওয়ান। আবু তাহেরের ছেলে রহিম দেওয়ান বাবার হয়ে কাজ করেন। এই তিনজনই নবজাতক মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি।

    চার হাজার টাকা ভাড়া দিতে হয়। আর ওই চক্রের অ্যাম্বুলেন্স নিলে ভাড়া দিতে হচ্ছে সাত–আট হাজার টাকা।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের একজন চালক প্রথম আলোকে বলেন, আগে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স চক্রের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্বাস্থ্য বিভাগের এক কর্মী ও আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক এক সংসদ সদস্যের চাচাতো ভাইয়ের হাতে। ২০২৫ সালের পর সেটি চলে যায় স্বাস্থ্য বিভাগের কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক গাড়িচালকের হাতে।

    ওই চালক আরও বলেন, শরীয়তপুর অ্যাম্বুলেন্স মালিক ও চালক কল্যাণ সমিতির নামে ওই চক্র অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া নিয়ন্ত্রণ করে। তারাই ঠিক করে দেয় কোন গাড়ি কখন রোগী তুলবে, কত ভাড়া নেওয়া হবে। এটার অন্যথা হলেই বিপত্তি।

    অভিযোগপত্রে পাঁচজনের নাম

    সিভিল সার্জনের গাড়িচালক তাহেরের একটি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। সেটি চালান তাঁর ছেলে রহিম।

    ঘটনায় তাহের, রহিমসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নবজাতকের বাবা নূর হোসেন সরদার। অন্য দুই আসামি হলেন স্বাস্থ্য বিভাগের সাবেক গাড়িচালক আবদুল হাই ও অ্যাম্বুলেন্সচালক বিল্লাল মুন্সি। পুলিশ তদন্ত শেষে গত ৩১ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। এতে ওই চার আসামি ছাড়াও চক্রের সদস্য সুমন খানের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    নূর হোসেন সরদার ঢাকায় থাকেন। তিনি  বলেন, ‘আমি ছোটখাটো কাজ করি। মামলা পরিচালনা করার মতো আর্থিক সঙ্গতিও নেই। যদি সরকার মামলাটি চালায়, তাহলে হয়তো অপরাধীরা শাস্তি পাবে। আমিও চাই আমার সন্তানের মৃত্যুর জন্য দায়ীদের শাস্তি হোক।’

    নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সিভিল সার্জন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিলেন। কমিটি তদন্ত প্রতিবেদনও দাখিল করেছে। তবে স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো কর্মীর সংশ্লিষ্টতা পায়নি কমিটি।

    সিভিল সার্জনের গাড়িচালক আবু তাহের বলেন, ‘গত বছর যে মামলা হয়েছিল, তাতে আমরা জামিনে আছি। আর ওই ঘটনায় আমার সম্পৃক্ততা নেই, তা স্বাস্থ্য বিভাগের তদন্ত কমিটির কাছে জানিয়েছিলাম।’ তিনি কোনো অ্যাম্বুলেন্স চক্রের সঙ্গে জড়িত নন বলে দাবি করেন।

  • পদ্মা সেতুর টোল থেকে তিন হাজার কোটি টাকা আয়

    পদ্মা সেতুর টোল থেকে তিন হাজার কোটি টাকা আয়

    ৩০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পদ্মা সেতু থেকে ৪৩ মাসে টোল বাবদ আয় ৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

    বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, ২০২২ সালের ২৫ জুন উদ্বোধনের পর থেকে আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত এই টাকা আয় হয়েছে।

    সব ধরনের যানবাহনের পদ্মা সেতু পারাপার করতে হলে টোল দিতে হয়। মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি, বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের জন্য ভিন্ন ভিন্ন টোল হার নির্ধারিত আছে।

    সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২২ হাজারের মতো যানবাহন চলাচল করে। প্রতিদিন গড়ে টোল আদায় হয় আড়াই কোটি টাকা। গত ডিসেম্বর মাসে প্রায় ৮২ কোটি টাকা টোল আদায় হয়েছে।

    মুন্সিগঞ্জ ও শরীয়তপুর সংযোগকারী দেশের দীর্ঘতম পদ্মা সেতু দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলকে রাজধানীর সঙ্গে যুক্ত করেছে। ওই অঞ্চলের ২১টি জেলার মানুষ এই সেতুর সুবিধা পাচ্ছেন।

    প্রায় চার বছর আগে চালুর পর থেকে সেতুটি দিয়ে যানবাহন পারাপারের সংখ্যা এবং আয় ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে সেতু কর্তৃপক্ষ।

    তারা বলছে, সেতুটি চালু হওয়ার ফলে যাতায়াতের সময় সাশ্রয় হওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং শিল্পজাত পণ্য পরিবহনে এসেছে বিশাল পরিবর্তন।

    পদ্মা সেতুর দুই প্রান্তে (মাওয়া ও জাজিরা) টোল প্লাজায় ইলেকট্রনিক টোল আদায় (ইটিসি) ব্যবস্থা চালু আছে। এই পদ্ধতিতে যানবাহন দাঁড় না করিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল পরিশোধ করা যায়। এর ফলে যানবাহনকে টোল প্লাজায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেনটিফিকেশন (আরএফআইডি) কার্ডের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল আদায়ের ফলে যাতায়াত আরও দ্রুত ও সহজতর হয়েছে।

    সেতু কর্তৃপক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে পদ্মা সেতুর টোল আদায়ের ‘মাইলফলক’ অর্জনের জন্য যানবাহনের মালিক, চালক, শ্রমিক, সেতুর দুই পারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, সেতুর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসহ সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।

    পদ্মা সেতু প্রকল্পে মোট ব্যয় হয় ৩০ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা। ২০০৭ সালে যখন পদ্মা সেতু

  • ঘন কুয়াশায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ, ৭ ঘণ্টা পর চালু

    ঘন কুয়াশায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ, ৭ ঘণ্টা পর চালু

    ঘন কুয়াশায় রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া এবং মানিকগঞ্জের আরিচা-পাবনার কাজিরহাট নৌপথে নৌযান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে গতকাল রোববার মধ্যরাতে ফেরি চলাচল বন্ধ করা হয়। প্রায় সাত ঘণ্টা পর আজ সোমবার সকাল সোয়া সাতটা থেকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়।

    অন্যদিকে প্রায় ১০ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর সকাল সোয়া নয়টা থেকে আরিচা-কাজিরহাট রুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়।

    এ ছাড়া প্রায় ১৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর আজ সকাল ৯টা থেকে এই দুই নৌপথে লঞ্চ চলাচলও শুরু হয়েছে। দীর্ঘ সময় নৌযান চলাচল বন্ধ থাকায় যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

    বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, কুয়াশার কারণে আগের দিন রাত থেকে প্রায় সাড়ে ১২ ঘণ্টা ফেরি বন্ধ ছিল। এরপর গতকাল মধ্যরাত থেকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে আবারও কুয়াশা পড়তে শুরু করে। একপর্যায়ে ফেরি চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। পাটুরিয়া থেকে ছেড়ে যাওয়া রো-রো (বড়) ফেরি খানজাহান আলী রাত ১২টার দিকে মাঝনদীতে কুয়াশায় আটকা পড়ে। পরে ফেরিটি মাঝনদীতে নোঙর করতে বাধ্য হয়। এ অবস্থায় রাত সোয়া ১২টার দিকে কর্তৃপক্ষ এই নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয়।

    এ সময় পাটুরিয়া প্রান্তিক এলাকার ৩ নম্বর ঘাটে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান, বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ও হাসনাহেনা, ৪ নম্বর ঘাটে ঢাকা এবং ৫ নম্বর ঘাটে বাইগার নামের পাঁচটি ফেরি নোঙর করে কুয়াশা কমার অপেক্ষায় থাকে।

    একইভাবে দৌলতদিয়া এলাকায় ৪ নম্বর ঘাটে এনায়েতপুরী এবং ৫ নম্বর ঘাটে ভাষাসৈনিক গোলাম মাওলা ও শাহ মখদুম নামের তিনটি ফেরি নোঙর করে রাখা হয়। প্রায় সাত ঘণ্টা পর সোমবার সকাল সোয়া সাতটার দিকে কুয়াশা কমলে উভয় ঘাট থেকে নদী পারাপারের অপেক্ষায় থাকা যানবাহন নিয়ে

    এদিকে আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে রাত সাড়ে ১১টা থেকে এই নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক আবু আবদুল্লাহ রনি বলেন, কুয়াশার কারণে দুই সপ্তাহ ধরে রাতে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। আগের দিন প্রায় ১৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর রোববার রাত সাড়ে ১১টা থেকে আবারও ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। ফেরিগুলো ঘাটের কাছেই নোঙর করে রাখা হয়। প্রায় ১০ ঘণ্টা পর সোমবার সকাল সোয়া নয়টা থেকে এই রুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়।

    কুয়াশার কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া এবং আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে লঞ্চ চলাচলও ব্যাহত হয়েছে। রোববার রাত আটটার পর থেকে দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হয়। প্রায় ১৩ ঘণ্টা পর সোমবার সকাল ৯টা থেকে লঞ্চ চলাচল শুরু হয়।

    বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) আরিচা কার্যালয়ের ট্রাফিক সুপারভাইজার মো. শিমুল ইসলাম বলেন, কুয়াশার কারণে প্রায় প্রতি রাতেই লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখতে হচ্ছে। এতে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রায় ১৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর সোমবার সকাল থেকে এই দুই নৌপথে লঞ্চ চলাচল আবার স্বাভাবিক হয়েছে।

  • রাজবাড়ীতে পদ্মায় কুমির দেখতে মানুষের ভিড়, বন বিভাগের সতর্কতা

    রাজবাড়ীতে পদ্মায় কুমির দেখতে মানুষের ভিড়, বন বিভাগের সতর্কতা

    রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের উড়াকান্দা এলাকায় পদ্মা নদীতে কুমির দেখার পর থেকে প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে মানুষ ভিড় করছেন। নানা বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে এলাকায় কৌতূহল যেমন বেড়েছে, তেমনি বাড়ছে আতঙ্কও।

    এ পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীর সচেতনতায় উড়াকান্দা পদ্মা নদীর পাড়ে রাজবাড়ী সামাজিক বনায়ন নার্সারি ও প্রশিক্ষণকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পক্ষ থেকে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড টানানো হয়েছে। পাশাপাশি বন বিভাগের কর্মচারীরাও সেখানে অবস্থান করছেন।

    আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সরেজমিন দেখা যায়, পদ্মা নদীর পাড়ে অবস্থিত ২৮ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নদীমুখী অংশ বাঁশ ও প্লাস্টিকের নেট দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। বিদ্যালয়ের পাশে বড় করে টানানো সতর্কীকরণ সাইনবোর্ডে সাম্প্রতিক সময়ে পদ্মা নদীতে কুমির দেখার তথ্য জানানো হয়েছে। পাশাপাশি নদীতে গোসল, সাঁতার কাটা, মাছ ধরা, গরু গোসল করানোসহ সব ধরনের আনুষঙ্গিক কাজ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

    রাজবাড়ী বন বিভাগ থেকে আসা দেলোয়ার হোসেন নামের এক কর্মচারী লোকজনের ভিড় লক্ষ্য করে মাঝেমধ্যেই সবাইকে সতর্ক করছেন, যাতে কেউ নদীতে গোসল করতে না নামেন বা নদীর পাড়ে বসে কাপড়চোপড় ধোয়ার কাজ না করেন।

    প্রত্যক্ষদর্শী উড়াকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন,

    ‘মঙ্গলবার বেলা তিনটার দিকে শিক্ষার্থীরা কুমির দেখতে পেয়ে চিৎকার করতে থাকে। চিৎকার শুনে দৌড়ে নদীর পাড়ে গিয়ে কুমির দেখতে পাই। আমাদের ধারণা, কুমিরটি বড় হবে। গায়ে শেওলা পড়েছে। এ সময় আমি নিজে মুঠোফোনে কুমিরের ছবি এবং ভিডিও ধারণ করি।’

    স্থানীয় মুদিদোকানি মমিন মোল্লা বলেন, ‘মঙ্গলবার দুপুরের দিকে স্কুলের ছেলেপেলেদের চিৎকারে নদীর পাড়ে গিয়ে একটা খাইটার মতো কুমির দেখতে পাই। এরপর গতকাল বুধবার ও আজ এখন পর্যন্ত কুমিরটি আর দেখিনি। তবে ভয়ে দুই দিন ধরে নদীতে গোসল করিনি। আমার মতো এলাকার অনেকে ভয়ে নদীতে নামছেন না।’

    নদীর পাড়ে কুমির দেখতে রাজবাড়ী শহর থেকে আসা হেলাল সরদার বলেন, ‘পদ্মা নদীতে কুমির দেখা গেছে—এই খবর পেয়ে দেখতে এসেছি। অনেকক্ষণ হলো এখনো কুমিরের দেখা পাইনি।’

    রাজবাড়ী সামাজিক বনায়ন নার্সারি ও প্রশিক্ষণকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী বন সংরক্ষক সানজিদা সুলতানা বলেন, ‘শুষ্ক মৌসুমে খাবারের সন্ধানে কুমির এখানে আসতে পারে। পদ্মা নদী প্রবাহমান হওয়ায় আমরা বিশেষ কোনো ব্যবস্থাও নিতে পারছি না। এলাকাবাসীর সতর্কতার জন্য নদীর পাড়ে

  • টাকা চাওয়ায় ফিলিং স্টেশনের কর্মীকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা, গাড়িমালিক সাবেক বিএনপি নেতা ও চালক আটক

    টাকা চাওয়ায় ফিলিং স্টেশনের কর্মীকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা, গাড়িমালিক সাবেক বিএনপি নেতা ও চালক আটক

    রাজবাড়ী সদর উপজেলার গোয়ালন্দ মোড়ে করিম ফিলিং স্টেশনে তেলের টাকা চাইতে যাওয়া শ্রমিককে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ভোররাত সাড়ে চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত রিপন সাহা (৩০) রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর ইউনিয়নের সাহাপাড়ার পবিত্র সাহার ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ শুক্রবার বিকেলের দিকে সদর উপজেলার বড় মুরারীপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে গাড়ি জব্দসহ মালিক আবুল হাসেমকে (সুজন) (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে। এ ছাড়া পুলিশ গাড়িচালক কামাল হোসেনকেও (৪৩) সদর উপজেলার বানিবহ নিজপাড়া গ্রাম থেকে আটক করেছে।

    আবুল হাসেম সদর উপজেলার বড় মুরারীপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রাজবাড়ী জেলা বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি। পেশায় একজন প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার।

    স্টেশনের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখে যায়, ভোররাত সাড়ে চারটার দিকে কালো রঙের ল্যান্ড ক্রুজার জিপ গাড়ি (ঢাকা মেট্রো ঘ-১৩-৩৪৭৬) পাম্পে এসে তেল নেয়। গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে আছেন শ্রমিক রিপন সাহা ও গাড়িমালিক আবুল হাসেম। কিছুক্ষণ অবস্থানের পর আবুল হাসেম গাড়িতে উঠে বসেন। এরপর গাড়িটি টান দিলে সঙ্গে সঙ্গে রিপনও দৌড় দেন। এ সময় তাঁকে চাপা দিয়েই গাড়িটি চলে যায়।

    রাজবাড়ীর আহ্লাদিপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ভোররাতের দিকে গোয়ালন্দ মোড় করিম ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নিয়ে টাকা না দিয়ে কালো রঙের গাড়িটি চলে যাচ্ছিল। টাকার জন্য রিপনও পিছু নিয়ে দৌড় দিয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক পর্যন্ত যান। পাম্পের আরেক শ্রমিক জাকির হোসেন তাঁদের পেছনে দৌড় দেন। তিনি ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক পর্যন্ত গিয়ে দেখেন, রিপনের মাথা ও মুখ থেতলানো মরদেহ মহাসড়কে পড়ে আছে। লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

  • ‘ভোট হবে, কোনো সন্দেহ নেই এবং সংস্কার প্রশ্নে সবাইকে “হ্যাঁ” ভোট দিতে হবে’

    ‘ভোট হবে, কোনো সন্দেহ নেই এবং সংস্কার প্রশ্নে সবাইকে “হ্যাঁ” ভোট দিতে হবে’

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট অনুষ্ঠিত হবে—এ নিয়ে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। সরকার, নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল, ভোটার—সবাই এ নির্বাচনের জন্য সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত। এ ছাড়া সংস্কার প্রশ্নে সবাইকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে বলে জানান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, পানিসম্পদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। ২০ জানুয়ারি রাজবাড়ী শহরের শহীদ খুশি রেলওয়ে আযাদী মাঠে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ র‌্যালির উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন তিনি। বিস্তারিত দেখুন ভিডিও প্রতিবেদনে—

  • জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলা ও বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

    জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলা ও বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

    বিডিনিউজ ডেক্স  : টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের নঠুরচর এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক পরিবারের ওপর হামলা ও বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

    ভুক্তভোগী মো. আ. রাজ্জাক জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী নাজিম উদ্দীনের পরিবারের সঙ্গে তাদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে রবিবার সন্ধ্যায় পাশ্ববর্তী বাড়ির মৃত অভিশেখের ছেলে নাজিম উদ্দীন ও তার অনুসারীরা তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলার সময় ঘরবাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি ঘরে থাকা বিভিন্ন মালামাল লুটপাট করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    রাজ্জাক আরও জানান, হামলা প্রতিরোধ করতে গেলে নারী ও শিশুসহ অন্তত পাঁচজনকে মারধর করা হয়। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    1. এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আ. রাজ্জাক গোপালপুর থানায় ৯ জনকে আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন— মৃত অভিশেখের ছেলে নাজিম উদ্দীন, মৃত আজালী শেখের ছেলে আ. হামিদ, হামিদের ছেলে মো. হাফিজুল ইসলাম, মো. কবির হোসেন, হারুন, নাজিমের ছেলে কামরুল হোসেন, হাফিজুলের ছেলে শাহীন ও হারুনের ছেলে পারভেজ।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজ্জাকের পরিবারের সঙ্গে নাজিমের পরিবারের দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় সেই বিরোধের জের ধরেই নাজিম উদ্দীনের অনুসারীরা রাজ্জাকের বাড়িতে হামলা চালিয়ে মারধর ও ভাঙচুর করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

    তবে অভিযুক্ত পক্ষের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, রাজ্জাকের পরিবার নিজেরাই ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে নাটক সাজিয়েছে এবং তারাই উল্টো তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

    এ বিষয়ে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, “লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    M