ক্যাটাগরি শিরোনাম

  • অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ নিষ্ক্রিয় করতে গিয়ে আইআরজিসির ১৪ সদস্য নিহত

    অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ নিষ্ক্রিয় করতে গিয়ে আইআরজিসির ১৪ সদস্য নিহত

    আর্ন্তজাতিক নিউজ যডস্ক:

    উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জানজান প্রদেশে অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ বিস্ফোরণে আইআরজিসির ১৪ সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দু’জন। বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে,, নিহতরা একটি বিশেষায়িত ইউনিটের সদস্য। তাদের দায়িত্ব ছিল ওই এলাকায় ছড়িয়ে থাকা অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ অপসারণ করা। সংস্থাটি জানায়, এসব অবিস্ফোরিত অস্ত্রের কারণে প্রায় ১২০০ হেক্টর কৃষিজমি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

  • আমতলীতে খাল খনন কাজের উদ্ধোধন করলেন এমপি অলি

    আমতলীতে খাল খনন কাজের উদ্ধোধন করলেন এমপি অলি

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    ‘অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খাল খনন প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দু’টি ইউনিয়নের কয়েক হাজার কৃষক উপকৃত হবেন।’

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খাল খনন কর্মসূচির আওতায় বরগুনার আমতলীতে দু’টি খান খনন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (২ মে) ওই খাল খনন কাজের উদ্বোধন করেন বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মো: মাহমুদুল হোসাইন অলি উল্লাহ।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুহাম্মাদ জাফর আরিফ চৌধুরী, আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো: হাসনাইন পারভেজ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: মাসুম, কুকুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: বোরহান উদ্দিন মাসুম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো: জালাল উদ্দিন ফকির, সদস্য সচিব তুহিন মৃধা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আমতলী শাখার সভাপতি মাওলানা ওমর ফারুক জেহাদী, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মো: কবির ফকির প্রমুখ।

    সংসদ সদস্য মাওলানা মো: মাহমুদুল হোসাইন অলি উল্লাহ বলেন, ‘অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খাল খনন প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দু’টি ইউনিয়নের কয়েক হাজার কৃষক উপকৃত হবেন। প্রান্তিক জনগোষ্ঠির উন্নয়নেই প্রধানমন্ত্রী কাজ করে যাচ্ছেন।’

    উল্লেখ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর ৪ এপ্রিল কুকুয়া ইউনিয়নের পশ্চিম কেওয়াবুনিয়া খালের তিন কিলোমিটার খননের জন্য ৭৭ লাখ ২৮ হাজার ৮৪২ টাকা এবং হলদিয়া ইউনিয়নের পশুরবুনিয়া খালের দুই কিলোমিটার খননের জন্য ৫১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৫ টাকা বরাদ্দ দেয়।

    খাল খননে ৩৯৭ জন হতদরিদ্র উপকারভোগী কাজ করবেন। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন উন্নয়ন বাস্তবায়ন কমিটি এ খাল খননে সহায়তা করবেন।

    এ,আর

  • সংরক্ষিত নারী আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ রোববার

    সংরক্ষিত নারী আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ রোববার

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    গত ৩০ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯ জন সংসদ সদস্যের নাম ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান রোববার (৩ মে) রাত ৯টায় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে (পূর্ব ব্লক, লেভেল-১) অনুষ্ঠিত হবে।

    আজ শনিবার জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এর আগে, গত ৩০ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯ জন সংসদ সদস্যের নাম ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনগুলোতে রাজনৈতিক দল ও জোটের অনুকূলে বণ্টনকৃত আসনের ভিত্তিতে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও তাদের জোট থেকে ৩৬ জন নির্বাচিত হয়েছেন।

    পাশাপাশি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট থেকে ১২ জন এবং ৬ জন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত জোট থেকে একজন নারী সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

    বিএনপি জোট থেকে নির্বাচিতরা হলেন- সেলিমা রহমান, শিরীন সুলতানা, রাশেদা বেগম হীরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আরলী, মোসা: ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, সাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলোফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জিবা আমিনা খান, মাহমুদা হাবীবা, মোসা: সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিনজ, সুবর্ণা সিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বীথিকা বিনতে হোসাইন, মোসা: সুরাইয়া জেরিন, মানসুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলো, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, মোসা: সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আরা আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।

    জামায়াত জোট থেকে নির্বাচিতরা হলেন- নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন্নাহার, মোসা: নাজমুন নাহার, মাহফুজা হান্নান, সাজেদা সামাদ, শামছুন্নাহার বেগম, মারদিয়া মমতাজ, রোকেয়া বেগম, মাহমুদা আলম মিতু, তাসমিয়া প্রধান ও মাহবুবা হাকিম।

    এ ছাড়া স্বতন্ত্র জোট থেকে সুলতানা জেসমিন নির্বাচিত হয়েছেন।

    অপর দিকে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতির মনোনয়নপত্র আজ বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    এ, আর

  • ‘কুমির কীভাবে বাংলাদেশি, ভারতীয়কে আলাদা করবে?’

    ‘কুমির কীভাবে বাংলাদেশি, ভারতীয়কে আলাদা করবে?’

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    সীমান্তের নদীবেষ্টিত এলাকাগুলো দিয়ে অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান ঠেকাতে এক বিতর্কিত পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। প্রস্তাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার যেখানে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সম্ভব নয়, সেখানে কুমির ও বিষধর সাপের মতো হিংস্র প্রাণী ছেড়ে দেওয়া হবে। যেটিকে ‘প্রাকৃতিক বাধা’ তৈরির পদক্ষেপ বলা হচ্ছে।

    শরণার্থী ও অভিবাসীদের ঠেকাতে ভারত সরকারের এমন পরিকল্পনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষক ও অধিকার কর্মীরা। উত্তর-পূর্ব এবং পূর্ব ভারতের সীমান্ত রাজ্যগুলো নিয়ে গবেষণা করছেন অংশুমান চৌধুরী। তিনি বলেন, এটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। ধরা যাক, বিষধর সাপ বা কুমির ছেড়ে দেওয়া হলো। কিন্তু কে বাংলাদেশি আর কে ভারতীয়- সে পার্থক্য এই প্রাণীগুলো কীভাবে করবে?

    অংশুমান চৌধুরীর মতে, নথিপত্রহীন অভিবাসীদের বিরুদ্ধে এটি চরম নিষ্ঠুরতা। এটি মূলত মানুষের বিরুদ্ধে প্রকৃতি ও প্রাণীকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার একটি নতুন পদ্ধতি। যেটিকে ‘বায়োপলিটিক্যাল’ সহিংসতা বলা যেতে পারে। আলজাজিরাকে অংশুমান চৌধুরী বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের দুর্বল জায়গা হলো নদী। মূলত নদীপথে স্থায়ী বেড়া দেওয়া প্রায় অসম্ভব। বিএসএফ-এর এই পুরনো উপলব্ধি থেকেই এমন পরিকল্পনা সামনে এসেছে।

    বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তের কিছু অংশ অত্যন্ত দুর্গম এলাকায়। নয়াদিল্লির দাবি, এই দীর্ঘ সীমান্তের বেশ কিছু এলাকায় স্থায়ী বেড়া নির্মাণ করা প্রায় অসম্ভব। গত ২৬ মার্চ ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) এক অভ্যন্তরীণ বার্তায় পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ফ্রন্টের সদর দপ্তরগুলোকে একটি নির্দেশ দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়েছে, সীমান্তের যেসব নদীপথ বেড়াহীন, সেখানে ‘সরীসৃপ মোতায়েনের সম্ভাব্যতা’ যাচাই করতে হবে।

    কিন্তু এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করলে সীমান্তের দুই পাশের স্থানীয় বাসিন্দারা চরম নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। নদী ওপর নির্ভরশীল সাধারণ মানুষের প্রাণহানির শঙ্কা আছে। এছাড়া কৃত্রিমভাবে একটি নির্দিষ্ট এলাকায় বড় শিকারি প্রাণী ছেড়ে দিলে তাতে বাস্তুসংস্থান ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ারও ঝুঁকি আছে।

     

    ‘কুমিরের মুখে ঠেলে দেওয়ার মানে নেই’
    ওয়াইল্ডলাইফ ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার কৌশল ও লিয়াজোঁ প্রধান রথীন বর্মন আলজাজিরাকে বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের নদীবেষ্টিত এলাকাগুলোতে কুমির বাস করে না। এই প্রাণীগুলোকে যদি সীমান্তে নিয়ে আসা হয়, তবে সেগুলো টিকে থাকতে পারবে না।

    রথীন বর্মন বলেন, ‘প্রথমত, এই প্রাণীগুলো দ্রুত মারা যাবে। তথাকথিত বিষধর সাপের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।’ সীমান্তের জলাভূমিগুলো প্রায়ই প্লাবিত হয়। ফলে এসব বিষধর সাপ লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়ারও শঙ্কা আছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দা, বিশেষ করে যারা মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন তারা প্রাণের ঝুঁকিতে পড়বেন।

    ভারতের মানবাধিকার কর্মী হর্ষ মান্দার বলছেন, এ ধরণের নীতি ভারতীয় রাষ্ট্রের নিষ্ঠুরতাকেই প্রতিফলিত করে। নদীতে থাকা একজন অভিবাসীকে কুমির, সাপ বা বন্দুকের মুখে ঠেলে দেওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ থাকতে পারে না।

    পরিকল্পনার নেপথ্যে কী?
    ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকাগুলো পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, আসাম, মেঘালয় ও মিজোরাম রাজ্যের পাশ দিয়ে গেছে। নয়াদিল্লি ইতোমধ্যে প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছে। বাকি অংশগুলো মূলত জলাভূমি ও নদীবেষ্টিত এলাকা। সেখানে সীমান্তের উভয় পাশে জনবসতি আছে।

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে, নথিপত্রহীন অভিবাসীরা ভারতের জন্য এক বড় হুমকি। তাদের দাবি, এই অভিবাসীদের কারণে ভারতের জনতাত্ত্বিক কাঠামো বদলে যাচ্ছে।

    মানবাধিকার পর্যবেক্ষকদের মতে, মোদি সরকার এই বয়ানকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ভারতের ধর্মীয় সংখ্যালঘু, বিশেষ করে দেশটির পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বাঙালি মুসলমানদের হয়রানি করছে। বিভিন্ন সময়ে বিএসএফ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বন্দুকের মুখে ভারতীয় মুসলমানদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার খবর প্রকাশ পেয়েছে।

    ভারতে বর্তমানে নথিপত্রহীন অভিবাসীর সংখ্যা কত, সেটির আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান নেই। মানবাধিকার কর্মী হর্ষ মান্দার বলছেন, নথিপত্রহীন অভিবাসীর সংখ্যা যদি বেড়েও থাকে, তবে ভারতের উচিত ছিল বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের হস্তান্তর করা। কিন্তু ভারত এখন তাদের মোকাবিলায় ‘বিচারবহির্ভূত পদ্ধতি’ বেছে নিয়েছে।

    অধিকারকর্মীদের অভিযোগ, ভারত সরকার সাধারণ সংখ্যালঘুদেরকে (বিশেষ করে মুসলিমদের) অভিবাসীর সঙ্গে গুলিয়ে ফেলে; তাদের ওপর অন্যায় আচরণ করার অজুহাত হিসেবে এই নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

    বিশ্বের কোথাও নজির আছে?
    আন্তর্জাতিক সীমানা পাহারা দেওয়ার জন্য প্রাকৃতিক শিকারি প্রাণী মোতায়েন করার কোনো আধুনিক নজির বিশ্বে নেই। যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম দফায় প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প এ জাতীয় ধারণা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন বলে জানা যায়।

    তখন বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ট্রাম্প সীমান্তে সাপ বা অ্যালিগেটর (কুমির সদৃশ প্রাণী) ভর্তি পরিখা খননের মতো পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছিলেন। তবে ট্রাম্প এসব প্রতিবেদন অস্বীকার করে বিষয়টিকে ‘ভুয়া খবর’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি তখন বলেছিলেন, ‘আমি সীমান্ত সুরক্ষার বিষয়ে কঠোর হতে পারি, কিন্তু এতটা কঠোর নই।’

  • অং সান সু চি আবার গৃহবন্দী

    অং সান সু চি আবার গৃহবন্দী

    আর্ন্তজাাতিক নিউজ ডেস্ক:

    মিয়ানমারের সাবেক নেত্রী অং সান সু চিকে কারাগার থেকে গৃহবন্দী হিসেবে স্থানান্তর করা হয়েছে।  শুক্রবার সু চির আইনজীবী বলেছিলেন, মিয়ানমার সরকার তার মক্কেলের সাজার মেয়াদ ছয় ভাগের এক ভাগ কমিয়েছে। তবে সু চি তার বাকি সাজা গৃহবন্দী অবস্থায় ভোগ করতে পারবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ২০২১ সালে মিন অং হ্লাইং এক সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। ৮০ বছর বয়সী এই নেত্রী রাজধানী নেপিডোর একটি সামরিক কারাগারে বন্দী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছিল। ওই সময় থেকে জান্তা সরকারকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন মিন অং হ্লাইং। ৩ এপ্রিল তিনি মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।মিন অং হ্লাইং এক বিবৃতিতে বলেন, সু চির অবশিষ্ট সাজা ‘নির্ধারিত বাসস্থানে’ কাটানোর অনুমতি দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দুজন সামরিক কর্মকর্তার সঙ্গে তার একটি ছবি প্রকাশিত হয়েছে। তবে এই ঘোষণায় আশ্বস্ত হতে পারছেন না সু চির ছেলে কিম অ্যারিস। তিনি বলেন, মা বেঁচে আছেন কি না, তারও কোনো প্রমাণ তার কাছে নেই। প্রকাশিত ছবিটিকে তিনি ‘অর্থহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। কারণ, এটি ২০২২ সালে তোলা।

  • ১১ দেশকে নিয়ে বিশাল সামরিক মহড়ার ঘোষণা ভারতের

    ১১ দেশকে নিয়ে বিশাল সামরিক মহড়ার ঘোষণা ভারতের

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    প্রতিবেশী ১১ দেশকে নিয়ে বিশাল সামরিক মহড়ার ঘোষণা দিয়েছে ভারত। চলতি মাসে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে এ মহড়া চালাবে দেশগুলো।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় সেনাবাহিনী মেঘালয়ের উমরোইতে অবস্থিত ফরেন ট্রেনিং নোডে প্রথমবারের মতো বহুজাতিক সামরিক মহড়া ‘প্রগতি’ আয়োজন করতে যাচ্ছে। আগামী ১৮ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত এ মহড়া চলবে। এতে ১১টি বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের সামরিক প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। এই মহড়ার লক্ষ্য হলো প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করা, পারস্পরিক সমন্বয় বৃদ্ধি করা এবং অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে আস্থা গড়ে তোলা।

    ভারতীয় সেনাবাহিনী জানিয়েছে, এই উদ্যোগ যৌথ নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার প্রতি সবার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে অতিরিক্ত মহাপরিচালক (জনসংযোগ) বিভাগ জানিয়েছে, এই মহড়া আঞ্চলিক বাহিনীগুলোর মধ্যে সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে।

    টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, এই মহড়ায় লাওস, মিয়ানমার, সিশেলস, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, নেপাল, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও ভুটান অংশ নিচ্ছে। মহড়ার মূল লক্ষ্য বিদ্রোহ দমন এবং সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম। এতে যৌথ প্রশিক্ষণ ও প্রতিরক্ষা কূটনীতির ওপর জোর দেওয়া হবে। এটি প্রতিবেশী দেশ ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধির অংশ, যেখানে সক্ষমতা উন্নয়ন ও যৌথ কার্যক্রম পরিচালনার দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই মহড়ার মাধ্যমে ভারতীয় সেনাবাহিনী দ্বিপাক্ষিক প্রশিক্ষণ থেকে সরে এসে বহুপাক্ষিক বা কনসোর্টিয়ামভিত্তিক অংশগ্রহণের দিকে এগোচ্ছে। ওয়ারগেমের পাশাপাশি এই আয়োজনে দুই দিনের শিল্প প্রদর্শনী করা হবে। এতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সক্ষমতা তুলে ধরা হবে এবং আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে শিল্প খাতে অংশীদারিত্ব বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে।

  • ইরানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয়, আইনি জটিলতার মুখে ট্রাম্প

    ইরানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয়, আইনি জটিলতার মুখে ট্রাম্প

    আর্ন্তজাতিকনিউজ যডস্ক:

    ইরানে হামলা শুরুর দুই মাস পেরিয়ে গেছে। অস্ত্রবিরতি চললেও যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়নি। এ অবস্থায় যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া সংক্রান্ত সাংবিধানিক নিয়মের মুখোমুখি হতে হচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনকে।

    যুদ্ধের উদ্দেশে একজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাঁর নির্বাহী ক্ষমতায় সর্বোচ্চ ৬০ দিন সেনা মোতায়েন রাখতে পারেন। এই সময় শেষ হলে সংঘাত চালিয়ে যাওয়ার জন্য কংগ্রেসের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে এই সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা। তবে এখনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি।

    কংগ্রেসের বেঁধে দেওয়া এই সময়সীমার তোয়াক্কা না করার ইঙ্গিত দিয়েছে হোয়াইট হাউস। ফলে নতুন করে হামলার শঙ্কায় বৃহস্পতিবার শেষ রাতের দিকে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করেছিল ইরান।

    আইআরজিসি ঘনিষ্ঠ বার্তা সংস্থা তাসনিম ও ফার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানী তেহরানের কিছু এলাকায় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার শব্দ শোনা গেছে। প্রায় ২০ মিনিট ধরে ‘ছোট বিমান ও নজরদারি ড্রোন’ লক্ষ্য করে এই ব্যবস্থা সক্রিয় রাখা হয়েছিল। এরপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

    ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক কিছু পদক্ষেপে ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সময়ে প্রতিনিধি পরিষদে যুদ্ধের মেয়াদ বৃদ্ধির অনুমোদন নেওয়ার সময়সীমা শেষ হওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসন এবং কংগ্রেসের মধ্যে এক ধরনের সাংবিধানিক বিরোধের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

    গত মার্চের শুরুতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর হামলার বিষয়টি কংগ্রেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছিলেন। তখন থেকেই আইন অনুযায়ী ৬০ দিনের সময়সীমা গণনা শুরু হয়। নিয়ম অনুযায়ী, আইনপ্রণেতারা অতিরিক্ত সময়ের অনুমোদন না দিলে প্রশাসনকে হামলা বা যুদ্ধ বন্ধ করতে হয়।

    ডেমোক্র্যাটদের দাবি, প্রেসিডেন্ট ইতোমধ্যে নড়বড়ে আইনি অবস্থানের ওপর দাঁড়িয়ে আছেন। এই সময়সীমা পার হয়ে গেলে তিনি আইনত অপরাধী সাব্যস্ত হবেন। সিনেটে ডেমোক্র্যাটিক দলের নেতা চাক শুমার রিপাবলিকানদের প্রতি যুদ্ধ বন্ধে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ৬০ দিনের এই সময়সীমা পার হওয়ার পর ট্রাম্প ‘ওয়ার পাওয়ারস অ্যাক্ট’ লঙ্ঘন করছেন বলে গণ্য করা হবে।

    তবে ট্রাম্প প্রশাসন এই ব্যাখ্যা মানতে নারাজ। তাদের যুক্তি, যেহেতু গত ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে এবং কোনো হামলাও হয়নি, সুতরাং ওইদিনই ৬০ দিনের সময়সীমা গণনা বন্ধ হয়ে গেছে। এএফপিকে প্রশাসনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘ওয়ার পাওয়ার রেজোলিউশন’ অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাত যুদ্ধবিরতি কার্যকরের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়েছে। গত ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আর কোনো গোলাগুলি বা হামলা হয়নি।

  • পেন্টাগন মিথ্যা বলছে, যুদ্ধ ব্যয় ১০০ বিলিয়ন ডলার: ইরান

    পেন্টাগন মিথ্যা বলছে, যুদ্ধ ব্যয় ১০০ বিলিয়ন ডলার: ইরান

    আর্ন্তজাকতক নিউজ যেস্ক:

    ইরানের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের ব্যয় নিয়ে পেন্টাগন মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে বলে দাবি করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ২৮ ফেব্রুয়ারি নেতানিয়াহুর সঙ্গে মিলে ডোনাল্ড ট্রাম্প যে যুদ্ধ শুরু করেছেন, তার প্রকৃত অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি যুক্তরাষ্ট্র আড়াল করছে বলে অভিযোগ তার।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে আরাগচি লিখেছেন, ‘নেতানিয়াহুর এই জুয়ায় এখন পর্যন্ত আমেরিকার সরাসরি ১০০ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে। অথচ যুক্তরাষ্ট্র যা দাবি করছে, প্রকৃত খরচ তার চার গুণ বেশি।’

    আরাগচি আরো দাবি করেন, মার্কিন করদাতাদের জন্য এই যুদ্ধের পরোক্ষ খরচ আরো অনেক বেশি।

    তিনি বলেন, ‘প্রতিটি আমেরিকান পরিবারের মাসিক খরচ বর্তমানে ৫০০ ডলার এবং এটি দ্রুত বাড়ছে।’

    ‘ইসরাইল ফার্স্ট’ নীতি সবসময় ‘আমেরিকা লাস্ট’ হিসেবেই প্রমাণিত হয়।’ মূলত যুদ্ধের বিশাল আর্থিক বোঝা সাধারণ আমেরিকানদের ওপর পড়ছে উল্লেখ করে আরাগচি ওয়াশিংটনের বর্তমান নীতিকে কটাক্ষ

  • মার্কিন সংসদীয় শুনানিতে ট্রাম্পের মানসিক সুস্থতা নিয়ে তুমুল বিতর্ক

    মার্কিন সংসদীয় শুনানিতে ট্রাম্পের মানসিক সুস্থতা নিয়ে তুমুল বিতর্ক

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আয়োজিত এক সংসদীয় শুনানিতে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ও ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি সারা জ্যাকসের মধ্যে তুমুল তর্কবিতর্ক হয়েছে। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সারা। পাশাপাশি হেগসেথের সুস্থতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা উচিত কি না তা জানতে চান।

    সারা জ্যাকবস কংগ্রেসে ক্যালিফোর্নিয়ার স্যান ডিয়েগোর প্রতিনিধি। নিজের ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্ট ও ইউটিউব চ্যানেলে শুনানির প্রশ্নোত্তর পর্বের ৫ মিনিটের একটি ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটল হিলে প্রতিনিধি পরিষদের সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক কমিটির এক বাজেট প্রস্তাবের ওপর এই শুনানি হয়।

    শুনানিতে পিট হেগসেথকে উদ্দেশ্য করে সারা বলেন, এই মুহূর্তে স্যান ডিয়েগোর আড়াই হাজার মেরিন সেনা ইরানের উপকূলে অবস্থান করছে। বহু সেনার পরিবারের পক্ষ থেকে নিয়মিত উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। তারা প্রেসিডেন্টের মানসিক সুস্থতা এবং কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।

    প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, নিজের বক্তব্যের সময় সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া ডোনাল্ড ট্রাম্পের কয়েকটি পোস্টের উদ্ধৃতি দিচ্ছেন সারা। এর মধ্যে ছিল অপ্রকাশযোগ্য শব্দ ব্যবহার করে ইরানকে দেওয়া হুমকি। এ ছাড়া, সভ্যতা ধ্বংসের হুমকির কথাও উল্লেখ করেন সারা। এরপর পিট হেগসেথকে তিনি প্রশ্ন করেন, ‘মিস্টার সেক্রেটারি, আপনি বেশিরভাগ সময় প্রেসিডেন্টের সঙ্গে থাকেন। আমার ভোটারদের জীবন এখন ঝুঁকিতে। আপনি কি মনে করেন, কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রেসিডেন্ট মানসিকভাবে যথেষ্ট স্থিতিশীল?’

    জবাব দেওয়ার সময় প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ রাগান্বিত স্বরে পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘আপনি কি গত চার বছরে জো বাইডেনের ক্ষেত্রেও একই প্রশ্ন করেছিলেন?’ সারা জবাব দেন, ‘মিস্টার সেক্রেটারি, জো বাইডেন এখন প্রেসিডেন্ট নন। মিস্টার ট্রাম্প দেড় বছর ধরে ক্ষমতায় আছেন, আমি আপনাকে প্রশ্ন করছি।’

    এরপর হেগসেথ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘কয়েক প্রজন্মের মধ্যে পাওয়া সবচেয়ে বুদ্ধিমান ও দূরদর্শী কমান্ডার-ইন-চিফ হলেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট।’

    বিতর্কের এক পর্যায়ে সারা জ্যাকবস ইরান যুদ্ধে কতজন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন তা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, বর্তমান যুদ্ধে ইতোমধ্যে ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং ৩৮০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। এরপর তিনি বলেন, এক সময় উন্মুক্ত থাকা হরমুজ প্রণালি এখন প্রায় বন্ধ। ইরানের শাসকরা এখনো ক্ষমতায় আছেন এবং তাদের কাছে পারমাণবিক সরঞ্জামও আছে।

    পিট হেগসেথকে উদ্দেশ্য করে সারা বলেন, ‘আপনি যদি মনে করেন এটাই জয়ের নমুনা, তবে আপনার মানসিক স্থিতিশীলতা নিয়েও আমাদের প্রশ্ন তোলা উচিত।’ সারা আরও বলেন, ‘হয়তো আপনিই (হেগসেথ) এই ব্যর্থতার জন্য দায়ী এবং প্রেসিডেন্টের উচিত আপনাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবা।’##

    স/এ/ন

  • দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা

    দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা ২০২৬ (NHSPC)  নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে নির্দেশনা দিয়েছে। এই প্রতিযোগিতায় আঞ্চলিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রচার-প্রচারণা ও নিবন্ধন কার্যক্রম শনিবার (০২ মে) রাত ১২টার মধ্যে শেষ করতে বলা হয়েছে।

    আগামী ১৬ মে দেশব্যাপী আঞ্চলিক প্রোগ্রামিং ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে পারবে।

    বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে পাঠানো মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    চিঠিতে বলা হয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)- এর আয়োজনে হাইস্কুল, মাদরাসা, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিষয়টি জানাতে চিঠিটির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন শেষ করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।