ক্যাটাগরি স্বাস্থ্য

  • হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ মৃত্যু

    হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ মৃত্যু

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

    কমছেই না হাম এবং হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যু। আজও ৮ শিশু মারা গেছেন। স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম রোগের লক্ষণ নিয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হামের লক্ষণে মারা গেছেন ২১৬ জন।

    রবিবার  (২৬ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘন্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৪১২, যা গতকাল ছিল ১ হাজার ৫৮ জন। একই সময়ে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২১৬, যা গতকাল ছিল ২২৯ জন।

    এদিকে এ পর্যন্ত হাসপাতালে সন্দেহজনক হামে ভর্তি হয়েছে ২১ হাজার ৪৩৪ জন, যা গতকাল ছিল ২০ হাজার ৩৭৫ জন। আর সব মিলিয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ১৭ হাজার ৯৫৫ জন, যা গতকাল ছিল ১৭ হাজার ৯১ জন।

    বি/ এ

  • প্রত্যেক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ জন করে আনসার নিয়োগ হচ্ছে

    প্রত্যেক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ জন করে আনসার নিয়োগ হচ্ছে

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    দেশের ৪৯৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ হাজার ৯৫০ জন আনসার সদস্য নিয়োগে সম্মতি দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

    বুধবার (২২ এপ্রিল) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের প্রশাসন-১ অধিশাখার উপসচিব সুজিৎ দেবনাথ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে পাঠানো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এ সম্মতিপত্রে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের আওতাধীন ৪৯৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মূল্যবান চিকিৎসা যন্ত্রপাতির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং রোগীদের অ্যাটেনডেন্টসহ অযাচিত লোকজনের অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করতে তিন শিফটে নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করার লক্ষ্যে প্রতি উপজেলায় ১০ জন করে আনসার সদস্য নিয়োজিত করা প্রয়োজন।

    তদপ্রেক্ষিতে মোট ৪ হাজার ৯৫০ জন আনসার সদস্য নিয়োজিতকরণের বিপরীতে তাদের বেতন, উৎসব ভাতা, বৈশাখী ভাতা, রেশন, যাতায়াত, চিকিৎসা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বাবদ বাৎসরিক সম্ভাব্য মোট-১৫০ (একশত পঞ্চাশ) কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।

    এমতাবস্থায়, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের আওতাধীন ৪৯৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জন্য মোট ৪ হাজার ৯৫০ জন আনসার সদস্য নিয়োজিতকরণের বিষয়ে সম্মতি প্রদানের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

    এআর/এনআর

  • ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরো পাঁচজনের মৃত্যু

    ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরো পাঁচজনের মৃত্যু

    বিডি টাইমস ডেস্কঃ

    গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরো পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এ সময় নতুন করে আরো ১ হাজার ১৭০ জন শিশুর মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে।

    বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত এক দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে দুজন ছাড়াও চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে একজন করে মোট দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে ঢাকা বিভাগে হামে আক্রান্ত হয়ে আরো এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১২৫ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরো ১ হাজার ১৭০ শিশুর মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ২৮ হাজার ৩৩৪ জন শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ৪ হাজার ৫৯ জন শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১৮ হাজার ৮৪৫ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১৫ হাজার ৭২৮ জন শিশু।

    এআরি/এনআর

  • চৌগাছায় বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত

    ডেস্ক নিউজঃ

    চৌগাছা(যশোর) প্রতিনিধিঃ যশোরের চৌগাছায় আন্তর্জাতিক বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস/২০২৬ পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে এ উপলক্ষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে ‘স্বাস্থ্য সেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সকল প্রাণ’–এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিবসটি পালিত হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মুঃ আহসানুল মিজান রুমি। আয়োজিত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন আর এম ও ডাঃ সুরাইয়া পারভিন, শিশু কনসাল্টটেন্ট ডাঃ সুমাইয়া জেসমিন, ডেন্টাল কনসাল্টটেন্ট ডাঃ তানজিম সাবিহা, পরিসংখ্যানবিদ শহিদুল ইসলাম, নাসিং সুপারভাইজার ঝুমুর হালদার, মফিজুর রহমান, শহিদুল ইসলাম, চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ,প্রেসক্লাব চৌগাছার সাংবাদিক বৃন্দ।

    ১৯৪৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সম্মেলন ডাকার সিদ্ধান্ত নেয় জাতিসংঘ অর্থনীতি ও সমাজ পরিষদ। একই বছরের জুন ও জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সম্মেলন। সেই সঙ্গে গৃহীত হয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাংগঠনিক আইন। ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয় এই আইন। একই সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস হিসাবে নির্ধারিত হয় দিনটি।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৪৮ সালের ৭ই এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়, আর সেই দিনটিকেই স্মরণীয় করে রাখতে প্রতি বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালন করা হয়।দিবসটি ঘিরে প্রতিবছর সংস্থাটি এমন একটি স্বাস্থ্য ইস্যু বেছে নেয়, যা বিশেষ করে সারা পৃথিবীর জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। এ দিন স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে পালিত হয় দিবসটি।

    এম কে

    ০১৭১৩৯১৮৬৫৯

  • বয়স ৫০ পেরিয়েছে? সতর্ক না হলে দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হতে পারে, চোখ ভাল রাখতে কোন অভ্যাস জরুরি

    বয়স ৫০ পেরিয়েছে? সতর্ক না হলে দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হতে পারে, চোখ ভাল রাখতে কোন অভ্যাস জরুরি

    বিডি ডেস্ক নিউজ:

    সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়। কিন্তু দেখার ক্ষমতা ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে আসা ভয়াবহ ব্যাপার। বয়স ৫০ ছাড়ালে এমন সমস্যা স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। শুধু ছানি নয়, চোখের নিঃশব্দ ঘাতক হতে পারে গ্লকোমাও। ৫০-এর পরে দেখা যায় এজ রিলেটেড ম্যাকিউলার ডিজেনারেশন বা এএমডি। এই অসুখেও দেখতে সমস্যা হয়।

    সময়ে সতর্ক না হলে গ্লকোমা হানা দিতে পারে তারও আগে। কারণ, এই রোগে ক্ষতি হয় অপটিক নার্ভের। গ্লকোমা এমন একটি অবস্থা, যা চোখের ভিতরে চাপ বা ইন্ট্রাঅক্যুলার প্রেশার জমা হওয়ার কারণে অপটিক স্নায়ুর ক্ষতি করে। এই স্নায়ুই মস্তিষ্কে ছবি পাঠায়। ফলে এই স্নায়ুর কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে দৃষ্টিশক্তি কমতে থাকে। সমস্যা হল, গ্লকোমায় হারানো দৃষ্টি চিকিৎসা করেও ফেরানো যায় না। তাই জরুরি দ্রুত রোগ নির্ণয়।

    চক্ষুরোগ চিকিৎসক সুনন্দ হালদার এক সাক্ষাৎকারে জানাচ্ছেন, গ্লকোমার মতো অসুখের নেপথ্যে জিনগত কারণ থাকলেও, জীবনযাপনের প্রভাবও পড়ে। কোনও ব্যক্তি কী খাচ্ছেন, কত ক্ষণ ঘুমোচ্ছেন— এমন অনেক সাধারণ বিষয়ই চোখের সঙ্গে সম্পর্কিত।

    চোখের পরীক্ষা জরুরি: প্রাথমিক স্তরে গ্লকোমা বা এএমডি হয় উপসর্গহীন। প্রাথমিক ভাবে রোগী কিছুই বুঝতে পারেন না। যখন বোঝেন, দেখতে সমস্যা হচ্ছে, তখন হয়তো অনেকটাই দেরি হয়ে যায়। করার কিছুই থাকে না। নিয়ম করে চোখ পরীক্ষা করালে এই ঝুঁকি কমতে পারে। যত দ্রুত রোগ নির্ণয় হবে, ততই ক্ষতি আটকানো সহজ হবে।

    দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখে এমন খাবার: ভিটামিন এ, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট চোখের স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। তালিকায় রাখা দরকার ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে, যা চোখের ক্ষতি রুখতে পারে। তালিকায় রাখা দরকার মাছ, মাংস, ডিম, ফল, টাটকা সব্জি, বাদাম। পাশাপাশি, ধূমপান এএমডির ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগনি রশ্মি: সূর্যের অতিবেগনি রশ্মি ম্যাকিউলার ডিজেনারেশনের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই ইউভি রশ্মি রুখতে ভাল রোদচশমা পরা জরুরি। শরীরচর্চা: ডায়াবিটিস, উচ্চ রক্তচাপ নিঃশব্দে চোখেরও ক্ষতি করে। নিয়ম করে শরীরচর্চা করলে যেমন মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়, তেমনই চোখের জন্য ক্ষতিকর অসুখগুলি বশে রাখতে সাহায্য করে। চোখের ব্যায়াম: দিনরাত মোবাইল বা ল্যাপটপের কিংবা কম্পিউটারের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা ক্ষতিকর। স্ক্রিন টাইম কমানো দরকার। পাশাপাশি, চোখের জন্যও ব্যায়াম রয়েছে। সাধারণ কিছু ব্যায়াম চোখ ভাল রাখতে সাহায্য রাখে। চোখের ক্লান্তি কমায়। ঘুম: শরীর ভাল রাখার জন্য তো বটেই, চোখের স্বাস্থ্য বজায় রাখতেও পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। ঘুমের সময় চোখের বিশ্রাম হয়। ঘুম ঠিক হলে শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে।

  • বরিশালে হাম উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর  মৃত্যু

    বরিশালে হাম উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু

    নিউজ ডেস্ক : বরিশালে হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে গত দুই দিনে মোট চারজন এবং চলতি মৌসুমে বিভাগজুড়ে ১৪ শিশুর মৃত্যু হলো। শুক্রবার সকালে বরিশাল শেরে ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মুশিউল মুনির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মৃত শিশুরা হলো—সাদিয়া (২), বরিশালের মুলাদী উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের বাসিন্দা রাজীবের মেয়ে এবং রাকিব (৯ মাস), বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়নের বাসিন্দা হাবিবুর রহমানের ছেলে।

    হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ৮ এপ্রিল দুপুর ২টার দিকে হাম উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শুক্রবার ভোরে এক ঘণ্টার ব্যবধানে তাদের মৃত্যু হয়। সাদিয়ার মৃত্যু হয় ভোর পৌনে ৪টায় এবং রাকিবের মৃত্যু হয় ভোর পৌনে ৫টায়।

    হাসপাতাল পরিচালক জানান, এ নিয়ে শুধুমাত্র এই হাসপাতালেই হাম উপসর্গে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    বর্তমানে হাসপাতালে ৯২ জন রোগী হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩১ জন ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ২৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

    এ পর্যন্ত বরিশাল শেরে ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মোট ৩৪১ জন হাম উপসর্গের রোগী ভর্তি হয়েছেন বলে জানা গেছে।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করা এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

    আর আই খান

  • ২০ জেলার ৩০ স্থানকে হামের ‘হটস্পট‘ ঘোষণা

    ২০ জেলার ৩০ স্থানকে হামের ‘হটস্পট‘ ঘোষণা

    বিডিটাইমস ডেস্ক

    দেশে হামের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় ২০টি জেলার ৩০টি স্থানকে ‘হটস্পট’ হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। এসব উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় আগামীকাল রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে জরুরিভিত্তিতে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। আগামী ২১ মে তথা পবিত্র ঈদুল আজহার আগেই এ কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    শনিবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশের সব শিশুকে সুরক্ষার আওতায় আনতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, প্রথম ধাপে দেশের ৩০টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হটস্পট এলাকায় টিকা দান কার্যক্রম শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এ উদ্যোগ সম্প্রসারণ করা হবে। আগামী ২১ মে ২০২৬-এর মধ্যে, পবিত্র ঈদুল আজহার আগেই এ কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    হামের হটস্পটগুলোর মধ্যে রয়েছে- বরগুনা জেলা পৌরসভা ও সদর, পাবনা পৌরসভা ও সদর, ঈশ্বরদী, আটঘরিয়া ও বেড়া উপজেলা, চাঁদপুর পৌরসভা ও সদর ও হাইমচর। কক্সবাজার জেলার মহেশখালী ও রামু উপজেলা। গাজীপুর সদর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা ও সদর, শিবগঞ্জ ও ভোলাহাট উপজেলা। এ ছাড়াও রয়েছে, নেত্রকোণা জেলার আটপাড়া, ময়মনসিংহ সদর, ত্রিশাল ও তারাকান্দা, রাজশাহীর গোদাগাড়ী, বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ উপজেলা, নওগাঁর পোরশা। যশোর পৌরসভা ও সদর, নাটোর পৌরসভা ও সদর, মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা ও সদর, লৌহজং ও শ্রীনগর উপজেলা, মাদারীপুর পৌরসভা ও সদর, ঢাকার নবাবগঞ্জ, ঝালকাঠির নলছিটি, শরীয়তপুরের জাজিরায় টিকা দান কার্যক্রম শুরু করা হবে।

    স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যেসব শিশুর জ্বর রয়েছে বা বর্তমানে অসুস্থ, তাদের এই সময়ে টিকা না দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর টিকা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া হাম আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হবে, যা রোগের জটিলতা কমাতে সহায়ক।

  • নাগপুরে ৫০ শয্যার হাসপাতাল, চলছে ৩১ শয্যার জনবল নিয়ে!

    নাগপুরে ৫০ শয্যার হাসপাতাল, চলছে ৩১ শয্যার জনবল নিয়ে!

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও জনবল সংকটে কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন নাগরপুর উপজেলার হাজারো রোগী। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও দীর্ঘদিন ধরে ৩১ শয্যার জনবল দিয়েই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ফলে স্বাভাবিক চিকিৎসা কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসক ও কর্মচারী সংকট চরমে। এছাড়া উপজেলায় স্থাপিত উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতেও একই অবস্থা।

    হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২১ এপ্রিল নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যা চালুর প্রশাসনিক অনুমোদন দেয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। ৫০ শয্যা বিশিষ্ট এই হাসপাতালে ১৮ জন মেডিকেল অফিসার থাকার কথা, সেখানে রয়েছে ১১ জন। এদের মধ্যে ৫ জন অন্যত্র প্রেষণে (ডেপুটেশন) কর্মরত। কাজেই মাত্র ৬ জন মেডিকেল অফিসার দিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে স্বাস্থ্য সেবা। এ ছাড়া ১০ জন কনসালটেন্টের মধ্যে কর্মরত রয়েছেন ৪ জন। অপর দিকে অ্যানেসথেশিয়া (অজ্ঞান-কারক), সার্জারি, কার্ডিও, চক্ষু, চর্ম ও যৌন, নাক, কান ও গলা জুনিয়র কনসালটেন্ট একজনও কর্মরত নেই।

    গুরুতর রোগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে এলে শুধু চিকিৎসক না থাকার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং বাধ্য হয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদরসহ অন্য জায়গায় পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

    সূত্রটি আরও জানায়, প্রশাসনিক শাখায় ক্যাশিয়ার, হিসাবরক্ষক, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর দুটি পদের মধ্যে দুটিই শূন্য রয়েছে। অফিস সহায়ক (এমএলএসএস) চারটি পদের মধ্যে মাত্র একজন কর্মরত আছে, বাকি তিনটি পদ শূন্য । শূন্য রয়েছে দুই নার্স (সেবিকা) ও পরিছন্নতা কর্মীর পদ। আধুনিক প্রযুক্তির যুগে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেই আগের আমলের এনালগ এক্স-রে মেশিন দিয়ে চালানো হচ্ছে পরীক্ষা নিরীক্ষা।

    স্থানীয়রা জানান, চিকিৎসক, ক্যাশিয়ার, হিসাব রক্ষক, নার্সসহ গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকায় এই হাসপাতাল যেন নিজেই রোগীতে পরিণত হয়েছে। চিকিৎসক সংকট থাকায় রোগীরা বাধ্য হয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে অতিরিক্ত খরচ করে কখনও কখনও অপচিকিৎসার শিকার হচ্ছেন। সরেজমিন হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় রোগীদের উপচেপড়া ভিড়। বহির্বিভাগে রোগীদের দীর্ঘ লাইন। শত শত রোগীদের মাত্র ৫ জন চিকিৎসক সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকতা ডা. মো. হাফিজুর রহমান যুগান্তরকে জানান, সীমাবদ্ধতার মাঝেও আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাচ্ছি। তবে প্রয়োজনীয় জনবল ও ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন নিশ্চিত হলে মানসম্মত চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে। এছাড়া আমি গত এপ্রিলে আমি যোগদান করার পর গত মার্চ মাসে হাসপাতালের ইউজার ফি ছিল ৯৯ হাজার ৯৭০ টাকা; যা বর্তমান জুলাই মাসে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৪ শত ১৫ টাকা।

  • মারা যাওয়ার ২৯ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়নি

    মারা যাওয়ার ২৯ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়নি

    নিউজ ডেস্ক

    রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সাহিদা ইয়াসমিন বলেছেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চলতি বছরে হামের উপসর্গ নিয়ে ৩০ শিশু মারা গেছে। এদের মধ্যে একজনের পরীক্ষার পর হাম শনাক্ত করা গেছে। বাকি ২৯ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়নি।

    সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে অধ্যাপক ডা. সাহিদা ইয়াসমিন সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমানে হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২৭০ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। এদের মধ্যে ৩৫ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ বছর হামের উপসর্গ নিয়ে ৩০ শিশু মারা গেছে। এদের মধ্যে পজিটিভ আছে একজন। বাকি ২৯ জনের নমুনা টেস্ট করে হাম পজিটিভ পাওয়া যায়নি।

    অধ্যাপক ডা. সাহিদা ইয়াসমিন বলেন, আক্রান্তদের জন্য নির্ধারিত কর্নার এবং সাধারণ শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দুটি ওয়ার্ডের কর্নারে আলাদা করে আইসোলেশন করে রাখা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে রোগী বাড়লে আমার সেটি দেখব।

    আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে প্রায় ৬৫ শতাংশের বয়স ছয় মাসের নিচে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এটি চিকিৎসকদের জন্য উদ্বেগজনক। তবে এক বছরের ওপরে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা খুবই কম।

    রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পিকেএম মাসুদ-উল-ইসলাম জানান, ১ হাজার ২শ শয্যার বিপরীতে প্রতিদিন আড়াই হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার রোগী ভর্তি থাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে। সীমিত জনবল ও অবকাঠামোর মধ্যেও চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

  • ‘মানুষকে ডাক্তারের পেছনে ঘুরতে হবে না, ডাক্তার মানুষের পেছনে ঘুরবে’

    ‘মানুষকে ডাক্তারের পেছনে ঘুরতে হবে না, ডাক্তার মানুষের পেছনে ঘুরবে’

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে সম্পূর্ণরুপে দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটমুক্ত একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হবে। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হবে যেন মানুষকে আর ডাক্তারের পেছনে ঘুরতে না হয়, বরং ডাক্তারই সেবার প্রয়োজনে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে।

    তিনি ফেব্রুয়ারি দুপুরে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার হাফিজপুর গ্রামে নিজ বাসভবনে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা চিকিৎসা সেবাকে সাধারণ মানুষের জন্য সহজলভ্য ও সার্বজনীন করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে স্বাস্থ্যখাতের আমূল পরিবর্তন ঘটিয়ে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করা হবে।

    তিনি জানান, নরসিংদীতে একটি নতুন মেডিকেল কলেজ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া জেলার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালসহ যেসব স্বাস্থ্যকেন্দ্র এখনও পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি, সেগুলো দ্রুত সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিশেষ করে নরসিংদীতে জরুরি চিকিৎসার সুবিধার্থে দ্রুততম সময়ের মধ্যে দুটি আইসিইউ ইউনিট স্থাপনের ঘোষণা দেন তিনি।

    রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, যারা আমাদের ভোট দিয়েছেন এবং যারা দেননি- সবার প্রতিই আমাদের সমান দায়িত্ব রয়েছে। সব প্রতিহিংসা ও বিদ্বেষ ভুলে আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই।

    এর আগে সকালে মন্ত্রী নিজ এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. কলিমুল্লাহ, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিএনপি নেতারা।