ক্যাটাগরি স্বাস্থ্য

  • বড় ভূমিকম্পের আগাম বার্তা

    বড় ভূমিকম্পের আগাম বার্তা

    ডেস্ক নিউজ

    বড় ভূমিকম্পের আগাম বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পূরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও ভূমিকম্প গবেষক মেহেদি আহমেদ আনসারী। তিনি বলেছেন, ‘বড় ভূমিকম্প আসার আগে ছোট ছোট ভূমিকম্প হয়। এটি তার আগাম বার্তা।’

    শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বিবিসি বাংলাকে তিনি এসব কথা বলেন

    মেহেদি আহমেদ আনসারী বলেন, ‘সাধারণত একশ থেকে দেড়শ বছর পরপর একটি অঞ্চলে বড় মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার শঙ্কা থাকে। বাংলাদেশ ও এর আশপাশের কাছাকাছি এলাকায় গত দেড়শ বছরে একটি বড় ও প্রায় পাঁচটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে।’

    তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের আশপাশে সবশেষ বড় ভূমিকম্প সংগঠিত হয়েছিল প্রায় একশ বছর আগে। তাই আরেকটি বড় ভূমিকম্প কাছাকাছি সময়ে হতে পারে এমন শঙ্কা রয়েছে।’

    সচেতনার বিষয়ে তুলে ধরে মেহেদি আহমেদ আনসারী বলছেন, ‘বিল্ডিং কোড না মেনে ভবন তৈরি করলে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হবে, এটিই স্বাভাবিক। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বড় শহরগুলোতে অপরিকল্পিতভাবে যে ভবনগুলো গড়ে তোলা হচ্ছে, তাতে ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা বেড়েই চলেছে।’

    এদিকে রাজধানীতে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার আকস্মিক একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনায় দুর্ঘটনা সম্পর্কিত তথ্য আদান-প্রদান ও যোগাযোগের জন্য ঢাকা জেলা প্রশাসন থেকে জরুরি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করা হয়েছে।

    শুক্রবার সকালে এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৭ জন নিহত এবং ২ শতাধিক আহত হওয়ার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া নগরীর বেশ কিছু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরপরই দুর্ঘটনা সম্পর্কিত সার্বিক তথ্য আদান-প্রদানের জন্য জরুরি এ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছে ঢাকা জেলা প্রশাসন।

    জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখা থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের পরপরই ক্ষয়ক্ষতির সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনার জন্য ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জরুরি ভিত্তিতে একটি ‘নিয়ন্ত্রণ কক্ষ’ বা কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

    ঢাকার জেলা প্রশাসক মো. রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে, দুর্ঘটনা সম্পর্কিত যে কোনো তথ্য আদান-প্রদান ও জরুরি প্রয়োজনে নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য সর্বসাধারণকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

    নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নম্বরগুলো

    মোবাইল : ০১৭০০-৭১৬৬৭৮
    ফোন : ০২-৪১০৫১০৬৫

    বি/এ

  • ভূমিকম্প : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ শিক্ষার্থী আহত

    ভূমিকম্প : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ শিক্ষার্থী আহত

    ডেস্কে নিউজ

    দেশে আজ সকালে ভূমিকম্পের সময় সারাদেশের মতো আতঙ্ক দেখা দেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও। বিভিন্ন হল থেকে লাফ দিয়ে ও হুড়োহুড়িতে অন্তত ১০ শিক্ষার্থী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

    আহতদের মধ্যে চারজনের পা ভেঙে গেছে বলে জানা গেছে।

    বিবিসি বাংলার খবরে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পে সূর্যসেন হল, সুফিয়া কামাল হল ও শামসুন্নাহার হলে দেয়ালে ফাটল দেখা দেয়। হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল থেকে একদল শিক্ষার্থী বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ তলা বিশিষ্ট স্বাধীনতা টাওয়ার ভবনের সামনে গিয়ে নিরাপদ হলের দাবিতে স্লোগান দেন। ভিসি, প্রক্টর ও কোষাধ্যক্ষ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

    উল্লেখ্য, আজ শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যার উৎপত্তিস্থল নরসিংদীতে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর ও আন্তর্জাতিক ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থাগুলো।
    বি/এ

  • কম্বোডিয়ায় নদীতে বাস পড়ে নিহত ১৬

    কম্বোডিয়ায় নদীতে বাস পড়ে নিহত ১৬

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক

    কম্বোডিয়ায় বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতু থেকে নদীতে পড়ে ১৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২৪ জনের বেশি মানুষ। বৃহস্পতিবার রাত ৩ টার দিকে কাম্পং থম প্রদেশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বাসটি যাত্রী নিয়ে উত্তর ওদ্দার মিঞ্চে প্রদেশ থেকে রাজধানী নমপেনে যাচ্ছিল। দুর্ঘটনার সময় বাসটির চালক ঘুমিয়ে ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর আল জাজিরার।

    কাম্পং থম প্রদেশের ডেপুটি পুলিশ প্রধান সিভ সোভান্না ফোনে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে জানান, বাসে থাকা সকলেই কম্বোডিয়ার নাগরিক। বাসটিতে প্রায় ৪০ জন যাত্রী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
    সিয়েম রিপ থেকে রাতের বেলায় রওনা হওয়ার পর চালক ঘুমিয়ে পড়েছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। তবে নিহতদের মধ্যে চালক আছেন কিনা তা স্পষ্ট নয়।

    দেশটির গণপূর্ত ও পরিবহন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে কম্বোডিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক হাজার ৫০৯ জন নিহত হয়েছেন। আর ২০২৫ সালের প্রথম নয় মাসে নিহত হয়েছের এক হাজার ৬২ জন।

    বি/এ

  • ভূমিকম্পে প্রাণ গেল মেডিকেল শিক্ষার্থী রাফিউলের

    ভূমিকম্পে প্রাণ গেল মেডিকেল শিক্ষার্থী রাফিউলের

    ডেস্ক নিউজ :

    মায়ের সঙ্গে বাজারে গিয়ে ভূমিকম্পে প্রাণ গেল মেডিকেল শিক্ষার্থী রাফিউলের
    রাজধানীতে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ভবন ধসে রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের ৫২তম ব্যাচের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী রাফিউল ইসলাম মারা গেছেন। তার মা আহত অবস্থায় মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

    শুক্রবার রাজধানীর পুরান ঢাকার কসাইটুলিতে সকালে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

    জানা গেছে, রাফিউল ইসলাম মেডিকেল কলেজের পাশে কসাইটুলীতে পরিবারসহ বসবাস করতেন। ভূমিকম্পের সময় হঠাৎ পাঁচতলা একটি ভবনের রেলিং ধসে পড়ে। এ সময় মায়ের সঙ্গে বাজার করছিলেন রাফিউল। ভবনের একটি ইট তার মাথায় পড়লে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। দুর্ঘটনায় এই মেডিকেল শিক্ষার্থীসহ মোট তিনজন মারা গেছেন। তবে বাকি দুইজনের পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি।

    স্থানীয়রা জানান, ভূমিকম্পের সময় হঠাৎ করে ৫ তলা বিল্ডিংয়ের রেলিং ধ্বসে পরে ৩ জন পথচারী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। নিহতরা সড়ক দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল। ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত হয়েছে।

    এর আগে শুক্রবার সকালে ১০টা ৩৮ মিনিটে ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠে রাজধানীসহ সারাদেশ। চলে কয়েক সেকেন্ড পর্যন্ত।

    মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিস) তথ্য মতে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৫। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল নরসিংদী।

    বি/এ

  • ভূমিকম্পে ৬ জনের মৃত্যু, আহত দুই শতাধিক

    ভূমিকম্পে ৬ জনের মৃত্যু, আহত দুই শতাধিক

    ডেস্ক নিউজ :

    ভূমিকম্পে দেশের বিভিন্ন জেলায় এখন পর্যন্ত ছয়জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তিনজন রাজধানীর বংশালে ভবনের রেলিং ধসে নিহত হয়েছেন। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে দেয়াল ধসে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া নরসিংদীতে দুজনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মোহাম্মদ মঈনুল আহসান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ভয়াবহ ভূমিকম্পে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দুই শতাধিক মানুষ আহত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। আহত চিকিৎসাধীনদের মধ্যে অনেকের অবস্থা গুরুতর। হতাহতদের চিকিৎসায় দেশের সব হাসপাতালে জরুরি মেডিকেল টিম কাজ করছে।

    নারায়ণগঞ্জে শিশুর মৃত্যু

    নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভূমিকম্পে দেয়াল ধসে ফাতেমা (১) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় শিশুটির মা কুলসুম বেগম ও প্রতিবেশী জেসমিন বেগম আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

    ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মোখলেসুর রহমান বলেন, ভূমিকম্পে দেয়াল ধসে ফাতেমা নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আহত অবস্থায় তার মা কুলসুম বেগম ও প্রতিবেশী জেসমিন বেগমকে স্থানীয় প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    নরসিংদীতে শিশু ও বৃদ্ধ নিহত

    নরসিংদীতে ভয়াবহ ভূমিকম্পে মাটির ঘরের দেয়াল চাপায় কাজম আলী (৭৫) নামে বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন।
    নিহত কাজম আলী নরসিংদীর পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়নের মালিতা পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। এ ছাড়া নরসিংদীর গাবতলীতে বাসার দেয়াল চাপা পড়ে ওমর (১০) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    প্রধান উপদেষ্টার শোক

    ভূমিকম্পে দেশের বিভিন্ন জেলায় ঘরবাড়ি ধসে এবং অন্যান্য দুর্ঘটনায় হতাহতের খবরে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

    শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশ দেন।
    বি/এ

  • মুজিবনগরে  বিশেষ স্বাস্থ্য ও পুষ্টি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

    মুজিবনগরে বিশেষ স্বাস্থ্য ও পুষ্টি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

    ডেস্ক নিউজঃ

    মেহেরপুরের মুজিবনগরে গুডনেইবারস বাংলাদেশ মেহেরপুর সিডিপির উদ্যোগে মেহেরপুর সিডিপি বল্লভপুর প্রজেক্ট অফিস প্রাঙ্গণে বিশেষ স্বাস্থ্য ও পুষ্টি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠানের সিডিপি ম্যানেজার বিপুল রেমার সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গাইনাকোলজিস্ট ডা: সিনথিয়া আফরিন সিমি এবং খাদ্য ও পুষ্টিবিদ ফজলে রাব্বি।হেলথ অফিসার আহসানুল হক সঞ্চালনায় ক্যাম্পেইনে আরও উপস্থিত ছিলেন, সিডিপির সিনিয়র এডমিন অফিসার উত্তম কুমার রায় এবং মেডিকেল অফিসার মেহেদী হাসান (সুইট)।ক্যাম্পেইনের মূল কার্যক্রম মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য বিষয়ে আলোচনা, পুষ্টিকর খাবারের উপকারিতা ও সুষম খাদ্যাভ্যাস বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।ক্যাম্পেইনে স্বল্পমূল্যে গাইনি রোগী দেখা এবং অপুষ্ট শিশুদের জন্য ডায়েট চার্ট প্রদান করা হয়ে।এছাড়াও কমিউনিটির জন্য ৩০% ছাড়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পুষ্টি প্যাকেজ সরবরাহ করা হয়ে।গুডনেইবারস বাংলাদেশ জানায়, এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে কমিউনিটির মধ্যে সুলভ সেবা, স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পুষ্টি জ্ঞান সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।

    এম কে

  • বাংলাদেশে হাসপাতাল বানাচ্ছে তুরস্ক

    বাংলাদেশে হাসপাতাল বানাচ্ছে তুরস্ক

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

     

    বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায় দেশে সরকারিভাবে বিশেষায়িত কোনো হাসপাতাল নেই। গত কয়েক বছরে ঢাকাসহ দেশের একাধিক শহরে ২৫টি সহায়ক প্রজনন প্রযুক্তি আইভিএফ (ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন) সেন্টার গড়ে উঠেছে, এতে সফলতাও মিলছে। তারপরও বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায় অধিকাংশ ভুক্তভোগী পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে চলে যান। সম্প্রতি বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায় ভুক্তভোগীরা যাচ্ছেন তুরস্কে। অত্যন্ত ব্যয়বহুল এ চিকিৎসাসেবা নিতে প্রতি বছর বিপুল অর্থ দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় বাংলাদেশে বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায় আইভিএফ হাসপাতাল করতে চায় তুরস্কের ওকান ইউনিভার্সিটি হাসপাতাল।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আমেরিকা-জার্মানিসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে তুরস্কের বিশ্ববিদ্যালয়টির হাসপাতাল রয়েছে। তারা বাংলাদেশেও এ ধরনের হাসপাতাল করতে চায়। বাংলাদেশে তুরস্ক সরকারের অনুমোদিত একমাত্র মেডিকেল ট্যুরিজম কোম্পানি টার্কিশডক এটি বাস্তবায়ন ও পরিচালনা করবে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের শেষের দিকে হাসপাতালটি তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে কোম্পানিটির।

    টার্কিশডক সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালটি নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ১০০ কোটি টাকা। চালুর অন্তত প্রথম দুই বছর তুরস্কের চিকিৎসকরা বাংলাদেশি চিকিৎসকদের নিয়ে কাজ করবেন। টেকনোলজি ও অভিজ্ঞতা হাতেকলমে শিক্ষা দেবেন তারা। এরপর পুরোটাই চলবে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের দ্বারা।

    বাংলাদেশে বন্ধ্যত্বের সমস্যায় ভুগছেন এমন দম্পতির সংখ্যার সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই। একই সঙ্গে ঠিক কত সংখ্যক বাংলাদেশি এ সমস্যার সমাধান পেতে দেশের বাইরে যাচ্ছেন, সেই তথ্যও জানাতে পারেননি প্রজনন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

    তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৩ সালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন বলছে, বিশ্বে প্রায় ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ দম্পতি বন্ধ্যত্বের সমস্যায় ভুগছেন। উন্নত দেশগুলোতে এই হার সর্বোচ্চ ১৭ দশমিক ৮ শতাংশ। আর বাংলাদেশের মতো নিম্ন ও মধ্যআয়ের দেশগুলোতে ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ।

    ইনফার্টিলিটি কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা এবং ফার্টিলিটি অ্যান্ড স্টারিলিটি সোসাইটি অব বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক ডা. রাশিদা বেগম বলেন, নিম্ন মধ্যআয়ের দেশে যারা বন্ধ্যত্বের সমস্যায় ভোগেন তাদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশই দেশের বাইরে যায় চিকিৎসার জন্য।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতি বছর ১০ লাখের বেশি বাংলাদেশি রোগী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যাচ্ছে। বিদেশগামী এসব রোগীর বড় একটি অংশ যাচ্ছেন বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায়। যাদের মূল গন্তব্য ভারত ও সিঙ্গাপুর। যেখানে খরচ হয় ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা। বর্তমানে বন্ধ্যত্বের সমস্যার সমাধান পেতে বাংলাদেশিরা তুরস্কমুখী হচ্ছেন। সরকার অনুমোদিত চ্যানেল ছাড়াও ভ্রমণ ও বিজনেস ভিসায়ও অনেকেই গিয়ে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন।

    টার্কিশডকের মাধ্যমে গত বছর থেকে এখন পর্যন্ত দেড় শতাধিক ব্যক্তি দেশটিতে লিভার, কিডনি ও বন্ধ্যত্বের চিকিৎসা নিতে গেছেন। এর মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশই গেছেন বন্ধ্যত্বের সমাধান পেতে। টার্কিশডক বলছে, বাংলাদেশিরা এ চিকিৎসা সিঙ্গাপুরে নিলে যে খরচ হয়, তার ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কমে

    সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা দিচ্ছে তুরস্ক। যেখানে থাকা-খাওয়া ও যাতায়াত মিলে খরচ ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা।

    টার্কিশডকের কান্ট্রি হেড এম নুরুজ্জামান রাজু আমার দেশকে বলেন, বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি আইভিএফ সেন্টার ও হাসপাতাল হয়েছে। অনেকে ভালো সেবা দিচ্ছে। তাদের সেবায় দীর্ঘদিনের সমস্যা নিয়ে থাকা অনেক দম্পতির মুখে হাসি ফুটছে, কিন্তু তা যথেষ্ট নয়। ফলে বড় অংশই দেশের বাইরে চলে যাচ্ছেন। সম্প্রতি তুরস্কেও যাচ্ছেন অনেক বাংলাদেশি। টার্কিশডকের মাধ্যমে যেসব বাংলাদেশি তুরস্কে চিকিৎসার উদ্দেশে যাচ্ছেন, তাদের ৩০ ভাগই এ জটিলতার সমাধান পেতে যান। এতে বিপুল অর্থ দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে। দেশের টাকা যাতে দেশেই থাকে তাই এমন চিন্তা।

    তিনি আরো বলেন, তুরস্কের দুটি বেসরকারি কোম্পানি হাসপাতালটি করতে আগ্রহী। ইতোমধ্যে তারা নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগামী বছরের শেষদিকে হাসপাতালটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বোনম্যারো ও লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টসহ জটিল রোগের চিকিৎসা চালুরও পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। যেহেতু আমরা মেডিকেল ট্যুরিজম শুরু করেছি, কী পরিমাণ বাংলাদেশি তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশে যাচ্ছে তার তথ্য-উপাত্ত আমাদের কাছে রয়েছে। তাই বিনিয়োগ সহজ হবে। এ বিনিয়োগে বাংলাদেশি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে আগ্রহী হলেও সেটিকেও আমরা স্বাগত জানাব। তাছাড়া সরকারি পর্যায়েও বাংলাদেশে তুরস্কের নানা কার্যক্রম রয়েছে। বাংলাদেশের রোগীদের উন্নত ও মানসম্মত চিকিৎসা দেওয়া আমাদের চাওয়া।

    নুরুজ্জামান রাজু বলেন, বাংলাদেশ সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে এখনো কিছুটা পিছিয়ে। এ হাসপাতাল হলে সেখানকার অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা বাংলাদেশে আসবেন। তাদের জ্ঞান-অভিজ্ঞতা শেয়ার করবেন। চিকিৎসকরা আরো বেশি প্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ হবেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের কোনো চিকিৎসক তুরস্কে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিতে চাইলে আমরা সেটিও করতে প্রস্তুত।

    বাংলাদেশে স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ নিয়ে টার্কিশডকের প্রধান নির্বাহী ফাইক গকসুর সঙ্গে কথা হয়েছে আমার দেশের। তিনি বলেন, ‘গত দুই দশকে তুরস্ক বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবার দিক থেকে অন্যতম শীর্ষ দেশ হয়ে উঠেছে। আজকের দিনে তুরস্কের অনেক হাসপাতাল উন্নত প্রযুক্তি, ইনফেকশন কন্ট্রোল, নৈতিক চিকিৎসা পদ্ধতি এবং ক্লিনিক্যাল দক্ষতার দিক থেকে ইউরোপের অনেক প্রতিষ্ঠানকেও ছাড়িয়ে গেছে। আমাদের লক্ষ্য, এ অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া। তুরস্ক ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশ একটি দ্রুত উন্নয়নশীল দেশ, যার তরুণ জনসংখ্যা অনেক, কিন্তু স্বাস্থ্যব্যবস্থা এখনো সম্পূর্ণভাবে জনগণের চাহিদা পূরণ করতে পারছে না।’

    ফাইক গকসু বলেন, ‘বাংলাদেশে বন্ধ্যত্ব একটি গভীর মানসিক ও সামাজিক বিষয়, যেখানে বিশ্বস্ত চিকিৎসাসেবার চাহিদা দিনদিন বাড়ছে। টার্কিশডক এমন একটি মডেল দেয়, যা নৈতিক, ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে গ্রহণযোগ্য এবং বৈজ্ঞানিকভাবে উন্নত। তুরস্কে আমাদের আইভিএফ প্রোটোকলে সফলতার হার ৭০ শতাংশের বেশি এবং সব চিকিৎসা শুধু দম্পতির নিজস্ব জেনেটিক ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করেই করা হয়, যা ইসলামি চিকিৎসা নীতির সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাংলাদেশে আমাদের নতুন প্রকল্পটি শুধু একটি ক্লিনিক নয়, বরং একটি যৌথ রেফারেন্স সেন্টার। যেখানে তুর্কি ও বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞরা একসঙ্গে কাজ করবেন। প্রথম ধাপে আইভিএফ, জেনেটিক স্ক্রিনিং ও নারীদের স্বাস্থ্যসেবা শুরু হবে। দ্বিতীয় ধাপে আমরা লিভার, কিডনি ও বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট সমন্বয় প্রোগ্রাম চালু করব। এর ফলে বাংলাদেশের রোগীরা দেশেই উন্নত চিকিৎসা পাবেন, আবার প্রয়োজনে তুরস্কের সঙ্গেও সংযুক্ত থেকে পূর্ণাঙ্গ সেবা নিতে পারবেন।’

    তিনি বলেন, তুরস্ক শুধু চিকিৎসা প্রদানকারী হিসেবেই নয়, বরং একটি কৌশলগত অংশীদার হিসেবে কাজ করতে চায়—যারা জ্ঞান, প্রযুক্তি ও নৈতিক মানদণ্ড স্থানান্তর করবে। টার্কিশডকের লক্ষ্য শুধু রোগী স্থানান্তরে সীমাবদ্ধ নয়, আমরা বাংলাদেশে ডাক্তার প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম, যৌথ মেডিকেল সেন্টার, ডিজিটাল কনসালটেশন সিস্টেম এবং উন্নত সার্জিক্যাল প্রযুক্তি স্থানান্তরের উদ্যোগ নিচ্ছি।

    বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ দেখছেন?- এমন প্রশ্নের জবাবে টার্কিশডকের প্রধান নির্বাহী বলেন, ‘বাংলাদেশের বড় একটি সমস্যা পর্যাপ্ত অবকাঠামো থাকা সত্ত্বেও ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা, প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা এবং বিশেষজ্ঞ জনবলের ঘাটতি। হাসপাতালগুলোর ভবন ও কাঠামো ভালো, কিন্তু ইনফেকশন রেট বেশি, উন্নত ডায়াগনস্টিক ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা এবং সার্জারিতে নিরাপত্তা প্রটোকলের অভাবের কারণে সাধারণ মানুষের আস্থা কমে গেছে। এখানেই আমরা পরিবর্তন আনতে চাই। বিশেষ করে তুর্কি মেডিকেল প্রযুক্তিকে বাংলাদেশের হাসপাতালে একীভূত করা, রিমোট ডায়াগনোসিস ও সেকেন্ড ওপিনিয়ন সিস্টেম চালু করা এবং তুর্কি ও বাংলাদেশি চিকিৎসকদের যৌথ সার্জারি ও প্রশিক্ষণ মডেল তৈরি করা। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, তুরস্কের বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত জিরো ইনফেকশন সার্জিক্যাল মডেল বাংলাদেশে প্রয়োগ করা হবে। এতে রোগীরা নিরাপদ, দ্রুত ও সাশ্রয়ী চিকিৎসা পাবেন।

    সু্ত্র: আমার দেশ

    বি/এ

  • ডেঙ্গুতে একদিনে ১০ মৃত্যু!

    ডেঙ্গুতে একদিনে ১০ মৃত্যু!

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

    সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৬৯ জন রোগী।

    বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি, অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

    অধিদপ্তর জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় পাঁচজন, উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় তিনজন এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগে একজন করে মারা গেছেন।

    এতে বলা হয়েছে, গত একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১০৬৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১২৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৯৯ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ২১৯ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ২৫১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১৫২ জন, খুলনা বিভাগে ৬৮ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে), ময়মনসিংহ বিভাগে ৭০ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে), রাজশাহী বিভাগে ৩৪ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে), রংপুর বিভাগে ৪৩ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) এবং সিলেট বিভাগে ৫ জন (সিটি করপোরেশনের বাইরে) নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

    এদিকে গত একদিনে সারা দেশে ৯৫৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭১ হাজার ৪৮৭ জন।

    এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সবমিলিয়ে ৭৫ হাজার ৯৯২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৩০২ জনের।

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুবরণ করেছেন ৫৭৫ জন। এর আগে ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয় এবং ওই বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।

    বি/এ

  • দামুড়হুদায় তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    দামুড়হুদায় তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    ডেস্ক নিউজ

    ডিমের ক্রয় বিক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ না করা, পণ্যের মুল্য তালিকা প্রদর্শন না করা, মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রয়সহ নানা অপরাধে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ৯ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন জেলা টাস্কফোর্স কমিটি ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

    রোববার দুপুরে দামুড়হুদা উপজেলার ডুগডুগি বাজার ও দামুড়হুদা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডিম, পেয়াজ, মাছ-মাংশ, সবজি ও মুদিদোকানসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের প্রতিষ্ঠানে তদারকি করার সময় এ জরিমানা করা হয়।

    অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মোহা. সজল আহম্মেদ জানান, অভিযানে ডুগডুগি বাজারে মেসার্স রাজিব স্টোর নামক প্রতিষ্ঠানে ডিমের ক্রয় বিক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ না করা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মুল্য তালিকা প্রদর্শন না করার অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির মালিক রাজিব হোসেনকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩৮ ও ৫১ ধারায় ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এরপর মেসার্স শামিম ট্রেডার্স নামক একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক শামিম হোসেনকে মেয়াদ উত্তীর্ণ কীটনাশক বিক্রয়, সারের মুল্যতালিকা না থাকা, দাম বেশি নেওয়া ও ভাউচার প্রদান না করার অপরাধে একই ধারায় ৫ হাজার টাকা, এবং অপর একটি প্রতিষ্ঠান মেসার্স কৌশিক স্টোরের মালিক সুদেব হালদারকে একই ধারায় ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে ৩টি প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট ৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    অভিযানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন- জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা রাশেদুজ্জামান, ছাত্র প্রতিনিধি মুশফিকুর রহিম, বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ ও চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের একটি টিম।

  • রূপসায় স্বাস্থ্য বিষয়ক সমন্বয় সভা

    রূপসায় স্বাস্থ্য বিষয়ক সমন্বয় সভা

    বিডিইনউজ ডেস্ক

    রূপসায় স্বাস্থ্য বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্রাক স্বাস্থ্য কর্মসুচি জলবায়ু পরিবর্তন প্রকল্পের আওতায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    ব্রাকের আয়োজনে ২২ অক্টোবর বুধবার সকাল ১০ টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই সভা হয়।

    অনুষ্ঠানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মাজেদুল হক কাওসার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথীর বক্তৃতা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম শামিম। বিশেষ অতিথীর বক্তৃতা করেন ব্রাকের খুলনা জেলা ব্যাবস্থাপক মোঃ শফি কামাল, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ হিমেল, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি জিএম আসাদুজ্জামান, রূপসা থানার সেকেন্ড অফিসার সাব ইন্সেপেক্টর লাইজু।

    ব্রাক এর কর্মকর্তা  আকাস মাহামুদ হৃদয়ের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাকারিয়া, নার্স ইনচার্জ নুর নাহার, প্রধান স্বাস্থ্য সহকারি তপতি সরকার, উপ সহকারি মেডিকেল অফিসার হিরামুন নাহার, মেডিকেল টেকনোলোজিষ্ট ল্যাব রনি প্রমুখ।