ক্যাটাগরি আন্তর্জাতিক সংবাদ

  • তরুণীর প্রেমের টানে দিনাজপুরে চীনা যুবক, চলছে বিয়ের প্রস্তুতি

    তরুণীর প্রেমের টানে দিনাজপুরে চীনা যুবক, চলছে বিয়ের প্রস্তুতি

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    প্রেম মানে না জাতি-কুল বা কোনো বাধা। এমনই আরও একটি ইতিহাস সৃষ্টি করে বাংলাদেশি প্রেমিকা তরুণীর সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন সুদূর চীন থেকে আসা প্রেমিক যুবক ইয়ং সং সং (২৬)।

    চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটেছে দিনাজপুরের বিরল উপজেলার রাণীপুকুর ইউপির কাজিপাড়া শিমুলতলা গ্রামে।

    খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর প্রেমিক চীনা যুবককে এক নজর দেখার জন্য প্রেমিকার বাড়িতে শত শত উৎসুক জনতা ভিড় করছেন।

    জানা গেছে, প্রেমিক যুবক ইয়ং সং সং (২৬) পেশায় একজন ইঞ্জিনিয়ার (নির্মাণ)। তার বাড়ি চীনের জিয়াংসু প্রদেশে। তার বাবা মৃত ইউয়ান সিকি এবং মা লিউ ফেনহং।

    প্রায় ১ বছর আগে ভার্চুয়াল হ্যালো ট্যাক অ্যাপসের মাধ্যমে বাংলাদেশি তরুণী প্রেমিকা সুরভী আক্তারের (১৯) সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সুরভী আক্তার বিরল উপজেলার রাণীপুকুর ইউপির কাজিপাড়া শিমুলতলা গ্রামের অটোচালক নুর হোসেন বাবু ও গৃহিণী সাথী আক্তারের মেয়ে। সুরভীরা দুই বোন।

    সুরভী আক্তার ও চীনা যুবক ইয়ং সং সং জানান, তাদের দুজনের পরিচয় হবার পর ভার্চুয়াল যোগাযোগের মাধ্যমে ফ্রেন্ডশিপ থেকে রিলেশনশিপ গড়ে উঠে। একপর্যায়ে প্রেমিক যুবক ইয়ং সং সং প্রেমিকা সুরভী আক্তারের টানে গত ৪ আগস্ট সুদূর চীন থেকে বাংলাদেশে ছুটে আসেন। ১০ আগস্ট রোববার সন্ধ্যায় সুরভী আক্তারের বাড়িতে পৌঁছান ইয়ং সং সং ।

    সুরভীর পরিবারের লোকজন এবং স্থানীয়রা জানান, চীন থেকে আসা যুবকের পরিচয় ও কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সব কিছু ঠিক থাকলে সুরভীর সঙ্গে তার বিয়ে দেওয়া হবে।

    এ/আর

  • ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

    ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

    ডেস্ক নিউজঃ

    দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তাকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

    তারেক রহমান শপথ অনুষ্ঠানে ৩টা ৫৫ মিনিটে প্রবেশ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান ও একমাত্র সন্তান ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

    প্রধানমন্ত্রীর পর পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ২৪ জন। তারা হলেন— মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, এজেড এম জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট), আবদুল আওয়াল মিন্টু, শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, আমিনুর রশিদ (টেকনোক্র্যাট) আফরোজা খানম রিতা, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবীব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের সুমন, দিপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ফকির মাহবুব আনাম, শেখ রবিউল আলম।

    অপরদিকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ২৪ জন। তারা হলেন— এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শরীফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, মো. আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ হাবিব, রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন পুতুল, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেন, এম এ মুহিত, আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ, আলী নেওয়াজ খৈয়াম।

    এম কে

  • ‘হিজাবি নারীই একদিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী হবে’, ওয়াইসির বক্তব্যে বিতর্ক

    ‘হিজাবি নারীই একদিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী হবে’, ওয়াইসির বক্তব্যে বিতর্ক

    ডেস্ক নিউজঃ

    ভবিষ্যতে কোনো একদিন হিজাব পরা এক মেয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হবে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (এআইএমআইএম) প্রধান ও সংসদ সদস্য আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। তার এই বক্তব্যের সমালোচনা করেছে বিজেপি।

    ওয়াইসি মনে করেন, মুসলিমদের ওপর দমন নিপীড়ন চালাচ্ছে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। কট্টর হিন্দুত্ববাদী দলটি মুসলিম নারীদের হিজাব পরতে বাধা দিচ্ছে বলেও হায়দ্রাবাদের সাংসদের অভিযোগ। এরপ্রেক্ষিতে শুক্রবার ওয়াইসি এসব কথা বলেন।

    মহারাষ্ট্রের সোলাপুরে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় ভোটপ্রচারে গিয়ে ওয়াইসি বলেন, এটা পাকিস্তান নয়, এখানে ঘৃণার কোনও জায়গা নেই। তার আশা, বিজেপির এই ঘৃণার রাজনীতি বেশিদিন টিকবে না।

    ওয়াইসি অভিযোগ করে বলেছেন, বিজেপির বর্তমান সরকার মুসলিম মহিলাদের হিজাব পরতে দেয় না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মহিলাদের ক্ষমতায়নের কথা বলেন। বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও-এর প্রচার করেন। তিন তালাক নিষিদ্ধ করেন। অথচ মুসলিম মহিলাদের সম্ভ্রম রক্ষার বিরোধী।

    ওয়াইসি বলেন, যে হিজাবকে বিজেপি ঘৃণা করে সেই হিজাব পরা মহিলাই একদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন। ভারতের সংবিধান সেটার অনুমোদন দেয়। এ দেশে বাবাসাহেবের (ভীমরাও রামজি আম্বেদকর)  সংবিধান একজন হিজাব পরা মহিলাকে মেয়র, মুখ্যমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অনুমতি দেয়। আমার আশা একদিন হিজাব পরা মহিলাই দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন। ভবিষ্যতে সেই দিন আসবে।’

    তবে ওয়াইসির এই কথাগুলো নিয়ে সতর্ক অবস্থানে বিজেপি। যদিও দলটির একাংশের দাবি এটি স্রেফ ভোট টানার জন্য বলছেন ওয়াইসি। তবে এটিকে ‘গাজাওয়াতুল হিন্দ’ এর অঙ্কুর রূপ হিসেবে দেখছে বিজেপি।

    সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া 

  • বাংলাদেশ জাতীয় page-top-ad ড. ইউনূসকে সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোন ওসমান হাদির অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটাপন্ন

    বাংলাদেশ জাতীয় page-top-ad ড. ইউনূসকে সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোন ওসমান হাদির অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটাপন্ন

    ডেস্ক নিউজ

    প্রধান উপদেষ্টা দেশবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে হাদির জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করার অনুরোধ করেছেন।সিঙ্গাপুরের চিকিৎসাধীন শরিফ ওসমান হাদির অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটাপন্ন বলে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসকে ফোনে জানিয়েছেন সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান।বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) ড. ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান দেশটিতে চিকিৎসাধীন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখভাগের অকুতোভয় যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে দেখতে গিয়েছিলেন।

    এরপর আজ রাত ৯টা ৪০ মিনিটে ড. ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে ফোন করেন এবং হাদির চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন। তিনি জানান, হাদির অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটাপন্ন।

    প্রধান উপদেষ্টা দেশবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে হাদির জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করার অনুরোধ করেছেন।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে আজ রাত সোয়া ১০টায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এ/ আর ১৮/১২/২০২৫

  • নতুন শহরের জন্ম হবে মহেশখালী ও মাতারবাড়ীতে

    নতুন শহরের জন্ম হবে মহেশখালী ও মাতারবাড়ীতে

    প্রধান উপদেষ্টাকে মিডা

    নতুন শহরের জন্ম হবে মহেশখালী ও মাতারবাড়ীতে

    সিঙ্গাপুর ও সাংহাইয়ের মতো বন্দরকেন্দ্রিক টাউনশিপে রূপান্তরের পরিকল্পনা।

    প্রকল্প সম্পন্ন হবে তিন ধাপে, ২০২৫ থেকে ২০৫৫ সালের মধ্যে।

    প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান হবে প্রায় ২৫ লাখ মানুষের।

    বিডিটাইম ডেস্কঃ

    কক্সবাজারের মহেশখালী-মাতারবাড়ীকে সিঙ্গাপুর ও সাংহাইয়ের মতো উন্নত আধুনিক বন্দরকেন্দ্রিক টাউনশিপে রূপান্তরের পরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (মিডা) নামে আলাদা একটি কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত মিডা মহেশখালী-মাতারবাড়ীর সমন্বিত উন্নয়ন নিয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করতে যাচ্ছে।

    বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন (আশিক চৌধুরী) মিডার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মহেশখালী- মাতারবাড়ী প্রকল্পের ওপর একটি প্রেজেন্টেশন দেন। প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠক আরও উপস্থিত ছিলেন মিডার সদস্য কমোডর তানজিম ফারুক ও মো. সারোয়ার আলম এবং প্রধান উপদেষ্টার এসডিজি-বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ ও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব মো. সাইফুল্লাহ পান্না।

    আশিক চৌধুরী তাঁর প্রেজেন্টেশনে মিডার চার মাসের কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, প্রকল্পটি তিন ধাপে সম্পন্ন হবে—প্রথম ধাপ ২০২৫ থেকে ২০৩০, দ্বিতীয় ধাপ ২০৩০ থেকে ২০৪৫ এবং তৃতীয় ধাপ ২০৪৫ থেকে ২০৫৫ পর্যন্ত। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রায় ২৫ লাখ লোকের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান হবে এবং জিডিপিতে ১৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যুক্ত হবে বলে জানান তিনি।

    এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘শুধু গভীর সমুদ্রবন্দর নয়, আমাদের একটা ব্লু ইকোনমি গড়ে তোলার ভিশন নিয়ে কাজ করতে হবে। ওই এলাকা শুধু একটা ফ্যাসিলেটিং জোন হিসেবে না, বরং সেখানে একটা নতুন শহরের জন্ম হবে। সেখান থেকে আমাদের আন্তর্জাতিকভাবে কানেক্টিভিটি তৈরি হবে। সমুদ্রই হবে বিশ্বের পথে আমাদের মহাসড়ক।’

    গভীর সমুদ্র নিয়ে গবেষণার ওপর বিশেষভাবে জোর দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। মহেশখালী অঞ্চলে একটি আন্তর্জাতিক মানের ট্রেনিং ফ্যাসিলিটি গড়ে তোলার ওপরেও জোর দেন তিনি। এ ক্ষেত্রে বিশ্বে যাঁরা বিশেষজ্ঞ আছেন, প্রয়োজনে তাঁদের কাছ থেকে সহযোগিতা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

    ড. ইউনূস বলেন, ‘আমরা সমুদ্র জগতে কখনো প্রবেশ করিনি। ওটা নিয়ে চিন্তাও করিনি। এ বিষয়ে গবেষণা, ফাইন্ডিংস নেই। এ সম্পর্কিত কী কী গবেষণা রয়েছে, অন্য দেশের গবেষণাপত্র, যেটা আমাদের সাথেও মিলবে ভালো, সেগুলো খুঁজে বের করতে হবে এবং নিজস্বভাবে গবেষণা করতে হবে। এ জন্য প্রতিষ্ঠান দরকার। একাডেমিয়া গড়ে তুলতে হবে, ওশান ইকোনমি নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স আয়োজন করতে হবে।’

    এর পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণের ওপরও জোর দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। বৈঠকে ইকো ট্যুরিজম পার্ক করার বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সেখানের বনভূমি এখন কী অবস্থায় আছে, ভবিষ্যতে আমরা বনভূমিগুলোকে কী অবস্থায় দেখতে চাই, সেই পরিকল্পনাও করতে হবে।’

    সম্প্রতি আশিক চৌধুরী রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মাতারবাড়ী ও মহেশখালীকে নিয়ে মিডার পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

    আশিক চৌধুরী বলেন, ‘আমরা এটাকে টাউনশিপ হিসেবে দেখতে চাই। পৃথিবীর সবচেয়ে সাকসেসফুল ডিপ সি পোর্টসহ টাউনশিপ হচ্ছে সিঙ্গাপুর। আরেকটা পোর্টের কথা প্রায়ই উঠে আসে, সেটা হচ্ছে সাংহাই। মনে করেন, আমরা বাংলাদেশের একটা সিঙ্গাপুর করতে চাই বা বাংলাদেশের ভেতরে একটা সাংহাই পোর্ট করতে চাই।’

    মিডার চেয়ারম্যান বলেন, ‘৩০ বছর পরে আমরা এই মহেশখালী-মাতারবাড়ী এলাকাটাকে সিঙ্গাপুর বা সাংহাইয়ের মতো করে দেখতে চাই। এটা কোনো নৌযানের শহর না, এটা একটা স্যাটেলাইট শহর না। এটা হবে শহরতলি, চট্টগ্রামের মতো আরেকটা সম্প্রসারিত শহর; যেটা সংস্কারকৃত এবং নতুন ধরনের।’

    চারটি পিলারের ওপর ভিত্তি করে প্রকল্প পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে বলে জানান আশিক চৌধুরী। পিলারগুলো হলো—গভীর সমুদ্রবন্দর ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা; সুবিধা প্রদান কেন্দ্র, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং সামুদ্রিক মাছ ধরার কেন্দ্র। এ প্রকল্প ৩টি ধাপে ২০২৫ থেকে ২০৫৫ সাল পর্যন্ত কাজ করবে বলে জানান তিনি।

    আশিক চৌধুরী বলেন, ‘তিনটা পিরিয়ডে এই প্রকল্পকে ২০২৫ থেকে ২০৫৫ সাল পর্যন্ত সাজাতে পারেন। প্রথম পাঁচ বছরকে আমরা বলছি বিকাশকাল; এই সময়ে ফাউন্ডেশনের কাজ, সড়ক সংযোগের কাজ করা হবে। এরপরের সময়টা হচ্ছে পরিবেশ উন্নয়নকাল; সেখানে আমরা বন্দর উন্নয়নের কাজগুলো শেষ করব। সঙ্গে সঙ্গে কিছু শিল্পকারখানা দাঁড়িয়ে যাবে। এটা ২০৪৩-৪৪ সাল পর্যন্ত হবে বলে আমরা আশা করছি। চূড়ান্ত পর্যায়ে আমরা শেষ ১০ বছর একটি পর্যটনের কথা চিন্তা করতে পারি।’

    আশিক চৌধুরী উল্লেখ করেন, মাতারবাড়ী-মহেশখালী অঞ্চলকে এমন বহুমাত্রিক প্রকল্পের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে কয়েকটি প্রতিযোগিতামূলক কারণে। এর মধ্যে রয়েছে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় খসড়া (ড্রাফট); বিদ্যুৎ, জ্বালানি, উৎপাদন ও ভারী শিল্প এবং সামুদ্রিক ও মৎস্যশিল্পের জন্য সমন্বিত একটি পরিবেশ গড়ে তোলার উপযোগী নিকটবর্তী ভূমি।

    আশিক চৌধুরী বলেন, এই পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। জাইকার এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, আগামী ২০ থেকে ৩০ বছরে এ প্রকল্পে ৬০ থেকে ৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ হতে পারে। সূত্রঃ দৈনিক আজকের পত্রিকা

    এআর/নিই

  • কক্সবাজারে ডেঙ্গু আক্রান্তের ৭৪ শতাংশের বেশি রোহিঙ্গা

    কক্সবাজারে ডেঙ্গু আক্রান্তের ৭৪ শতাংশের বেশি রোহিঙ্গা

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কক্সবাজার জেলায় ডেঙ্গু রোগে মোট আক্রান্তের ৭৪ শতাংশের বেশি রোহিঙ্গা বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিভাগ। একই সঙ্গে মোট মৃত্যুর ৯০ শতাংশের বেশি রোহিঙ্গা নাগরিক বলেও উল্লেখ করা হয়। কক্সবাজার জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত পরিসংখ্যানে এমন তথ্য উঠেছে।

    প্রাপ্ত তথ্য মতে, চলতি বছর কক্সবাজার জেলায় ৭ হাজার ৭১৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ৭২০ জন রোহিঙ্গা নাগরিক। আক্রান্তের হার ৭৪ দশমিক ১২ শতাংশ। এ সময়ের মধ্যে জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। যেখানে ১০ জন রোহিঙ্গা ও একজন স্থানীয় বাংলাদেশি। ফলে মৃত্যু হারে রোহিঙ্গার হার ৯০ দশমিক ৯০ শতাংশ।

    কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদুল হক জানান, ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ফিল্ড হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়েছে। চিকিৎসক ও নার্সদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে কক্সবাজার শহর, রোহিঙ্গা শিবির ও আশপাশের এলাকায় এডিস মশার প্রজনন ঠেকাতে ময়লা-আবর্জনা, প্লাস্টিক পণ্য, নালা-নর্দমা, খাল-বিল পরিষ্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি আগের চেয়ে উন্নতি হয়েছে বলে জানান তিনি।

    তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় ঘনবসতি, বর্জ্য, জমে থাকা আবর্জনা এবং বিভিন্ন নালায় পানি জমে থাকায় মশার উপদ্রব বাড়াতে সাহায্য করছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উষ্ণ তাপমাত্রা মশা এবং অন্যান্য রোগ বহনকারী জীবের প্রজনন ও বেঁচে থাকার জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে, যা মশার উপদ্রব বাড়াতে ভূমিকা রাখছে। ফলে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর হার উভয়ই বেশি। সূত্রঃকালবেলা

    এআর/এনই

  • বাংলাদেশ থেকে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট যাবে পাকিস্তানে

    বাংলাদেশ থেকে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট যাবে পাকিস্তানে

    ডেস্ক নিউজঃ

    বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানের করাচিতে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট পরিচালনার জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।গতকাল বুধবার পাকিস্তানের ফরেন সার্ভিসেস একাডেমিতে বক্তব্য দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। ইকবাল হোসেন খান বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট শুরু করছি। আমাদের জাতীয় বিমান সংস্থা করাচিতে তিনটি সাপ্তাহিক ফ্লাইট পরিচালনা করবে।’ফ্লাইটের রুট ভারতের আকাশসীমা ব্যবহার করবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ভারতীয় উড়োজাহাজ যেমন বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহার করতে পারে, তেমনি বিমানের ফ্লাইটও ভারতীয় আকাশসীমা ব্যবহার করে চলবে।’ভারতের আকাশসীমা ব্যবহারে পাকিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার কারণে পাকিস্তানি বিমান সংস্থাগুলোর ঢাকা রুটে শিগগির ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা কম।পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয়ে হাইকমিশনার বলেন, ‘পাকিস্তান ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ব্যাপকভাবে বাড়ানোর সুযোগ আছে। কিন্তু সরাসরি প্রবেশাধিকার না থাকায় বাণিজ্য সীমিত। অতীতে রেলপথে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বাণিজ্য হতো। কিন্তু বর্তমানে পাকিস্তানের খেজুর দুবাই হয়ে আঞ্চলিক বাজারে পৌঁছায়।

    এম কে

  • আজ থেকে সেন্টমার্টিনে রাতযাপনের অনুমতি পাচ্ছেন পর্যটকরা

    আজ থেকে সেন্টমার্টিনে রাতযাপনের অনুমতি পাচ্ছেন পর্যটকরা

    ডেস্ক নিউজঃ

    পর্যটন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞার ১০ মাস পর দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে অবশেষে রাতযাপনের সুযোগ পাচ্ছেন পর্যটকরা। আজ সোমবার চারটি জাহাজ কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে যাত্রার অনুমতি পেয়েছে। আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত এই অনুমতি বহাল থাকবে।

    সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জেলা প্রশাসনের অনুমোদনক্রমে প্রতিদিন সকাল ৭টায় উত্তর নুনিয়াছড়া জেটিঘাট থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে জাহাজগুলো ছেড়ে যাবে। তবে, পর্যটকদের রাতযাপনের অনুমতি থাকলেও পর্যটকবাহী জাহাজগুলো একই দিন বেলা ৩টায় সেন্টমার্টিন থেকে ফিরতি যাত্রা করবে। সেক্ষেত্রে পর্যটকরা পরেরদিন বেলা ৩টায় ফিরতে পারবেন।কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুই হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিনে ভ্রমণ ও রাতযাপন করতে পারবেন। তবে, দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পর্যটকদের সরকার প্রদত্ত বিধিনিষেধ ও নির্দেশনা কঠোরভাবে মানতে হবে।জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, প্রথম দিনের যাত্রার জন্য এরই মধ্যে দেড় হাজারের বেশি অগ্রিম টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে।এর আগে, দীর্ঘ ৯ মাসের নিষেধাজ্ঞার পর গত ১ নভেম্বর সীমিত পরিসরে সেন্টমার্টিন ভ্রমণের অনুমতি দেয় সরকার। কিন্তু, রাতযাপনের অনুমতি না থাকায় গত এক মাসে কোনো পর্যটকবাহী জাহাজ দ্বীপটিতে যাত্রা করেনি। এছাড়া কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন রুটের পাশাপাশি টেকনাফ-সেন্টমার্টিন সমুদ্রপথও বছর খানেক সময় ধরে বন্ধ ছিল।কক্সবাজার জেলা প্রশাসক আ. মান্নান বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপ আমাদের জাতীয় সম্পদ। এই সম্পদ রক্ষায় দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও টেকসই পর্যটনে সহায়তার জন্য পর্যটকদের সহযোগিতা করতে হবে।জেলা প্রশাসন কর্তৃপক্ষ জানায়, ভ্রমণকারীদের বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড অনুমোদিত পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে টিকিট কিনতে হবে। এছাড়া সেন্টমার্টিনে রাতযাপন করতে হলে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকার ঘোষিত ১২ দফা নির্দেশনা পর্যটকদের কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। দ্বীপের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করতে পর্যটকের সংখ্যা ও ভ্রমণ সময় নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে বলেও জানানো হয়।

    এম কে

  • দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয় : তারেক রহমান

    দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয় : তারেক রহমান

    ডেস্ক নিউজঃ

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বর্তমানে সিসিইউতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে আছেন। এমন পরিস্থিতিতে বর্তমান সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহস্পর্শ লাভের তীব্র আকাঙ্ক্ষার কথা জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তবে তিনি বলেছেন, তার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত তার একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে তিনি এ পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

    তারেক রহমান ফেসবুকে লেখেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ ও সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। তার রোগমুক্তির জন্য দল-মত নির্বিশেষে দেশের সকল স্তরের নাগরিক আন্তরিকভাবে দোয়া অব্যহত রেখেছেন। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা তার রোগমুক্তির জন্য দোয়ার সাথে সাথে চিকিৎসার সর্বত সহায়তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।তিনি বলেন, ‘দেশ-বিদেশের চিকিৎসক দল বরাবরের মতো তাদের উচ্চমানের পেশাদারিত্ব ছাড়াও সর্বোচ্চ আন্তরিকত সেবা প্রদান অব্যহত রেখেছেন। বন্ধু-প্রতীম একাধিক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সকল প্রকার সহযোগিতার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করা হয়েছে।তারেক রহমান উল্লেখ করে, সর্বজন শ্রদ্ধেয়া বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সকলের আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শন করায় জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। একই সাথে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির জন্য সকলের প্রতি দোয়া অব্যহত রাখার জন্য ঐকান্তিক অনুরোধ জানাচ্ছি।

    এম কে

  • হংকংয়ে ভয়াবহ আগুনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২৮

    হংকংয়ে ভয়াবহ আগুনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২৮

    ডেস্ক নিউজঃ

    হংকংয়ে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ আগুনে শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২৮ জনে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তাই পো জেলার একটি আবাসিক কমপ্লেক্সে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে একজন দমকলকর্মীও রয়েছেন। এছাড়াও ১১ জন দমকলকর্মীসহ ৭৯ জন আহত হয়েছেন। উদ্ধার অভিযান এখনো চলমান, যদিও ওয়াং ফুক কোর্ট অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সের সব ব্লকের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।

    নিরাপত্তা সচিব ক্রিস ট্যাং পিং-কেউং জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা এখন ১২৮ জনে পৌঁছেছে। আরো লাশ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কর্তৃপক্ষ ৪৬৭ জন ব্যক্তির নিখোঁজ হওয়ার রিপোর্ট পেয়েছে। এছাড়াও প্রায় ২০০ জন ‘অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে’ রয়েছেন। এর মধ্যে ৮০ জনের লাশ রয়েছে যাদের ‘শনাক্ত করা যাচ্ছে না’।বুধবার দুপুরের দিকে এক হাজার ৯০০টিরও বেশি অ্যাপার্টমেন্ট নিয়ে গঠিত এই কমপ্লেক্সে আগুন লাগে। ভবনগুলোর সংস্কার কাজের জন্য বাইরের দিকে বাঁশের ভারা লাগানোর কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।পুলিশ এ ঘটনায় প্রেস্টিজ কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানির দুই পরিচালক ও একজন পরামর্শদাতাকে আটক করেছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, সংস্কারের জন্য ব্যবহৃত বাঁশ ও ফোম প্লাস্টিকের উপকরণ দিয়ে জানালাগুলো ঢেকে রাখার কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

    এম কে