ক্যাটাগরি আন্তর্জাতিক সংবাদ

  • ইরানে সামরিক অভিযান সমাপ্ত, বলল হোয়াইট হাউস

    ইরানে সামরিক অভিযান সমাপ্ত, বলল হোয়াইট হাউস

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    ইরানে সামরিক অভিযান শেষ হওয়ার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামের যে সামরিক অভিযান শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র, তা শেষ হয়েছে।

    রুবিও বলেন, “ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শেষ করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী। যে লক্ষ্যে আমরা এ অভিযান শুরু করেছিলাম, তা অর্জিত হয়েছে। আমরা এখন ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নিয়ে কাজ করছি।”

    ইরানে নতুন কোনো সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের নেই উল্লেখ তিনি আরো বলেন, ‘(ইরান ইস্যুতে) নতুন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হোক তা আমরা চাইছি না। আমরা শান্তির পথই পছন্দ করি। আমাদের প্রেসিডেন্ট একটি চুক্তি চান। তিনি চান হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে খুলে দেওয়া হোক, যেন বিশ্ব ফের আগের অবস্থায় ফিরতে পারে।’

    রুবিও বলেন, ‘ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোর সমাধান আলোচনার মাধ্যমেই করা হবে।’

  • জার্মানিতে ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চালিয়ে হামলা, বহু হতাহত

    জার্মানিতে ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চালিয়ে হামলা, বহু হতাহত

    িআর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

     

    জার্মানির পূর্বাঞ্চলে লিপজিগ শহরে ভিড়ের মধ্যে গাড়িয়ে চালিয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত দুইজন নিহত হয়েছে। সেই সঙ্গে আহত হয়েছে বেশ কয়েকজন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বিবিসি অনলাইন এই তথ্য জানিয়েছে।

    শহরটির মেয়র বার্কহার্ড জাং বলেন, সন্দেহভাজন হামলাকারী ৩৩ বছর বয়সী জার্মান এক নাগরিক। তাকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে তার এই হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।

    দেশটির পুলিশ, কেন্দ্রীয় গ্রিমাইস স্টার্বে গাড়ি হামলায় তথ্য নিশ্চিত করেছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, হামলায় ২২ জন আহত হয়েছে। এতে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    স্যাক্সনি রাজ্যের প্রধান মাইকে ক্রিতস্মার বলেন, সন্দেহভাজন হামলাকারী অতীতে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন।

    লিপজিগের পুলিশের মুখপাত্র সুসেন লুবেক বলেন, স্থানীয় সময় সাড়ে ৫টা নাগাদ এক ব্যক্তি ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চালিয়ে হামলা করে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে এবং দুর্ভাগ্যবশত আমরা কয়েকজনকে হারিয়েছি বলে উল্লেখ করেছেন লুবেক।

    লিপজিগের পাবলিক প্রসিকিউটার অফিস নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। বলা হয়েছে, হামলায় ৬৩ বছর বয়সী এক নারী এবং ৭৭ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। দুইজনই জার্মানির নাগরিক।

  • স্যুটকেসে গাঁজা: তুরস্কের কারাগারে  ব্রিটিশ যুগলবন্দি

    স্যুটকেসে গাঁজা: তুরস্কের কারাগারে ব্রিটিশ যুগলবন্দি

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

     

    স্যুটকেসে গাঁজা ভরে যুক্তরাজ্যে পাচারের চেষ্টার অভিযোগে তুরস্কে গ্রেফতার হয়েছেন ২০ বছর বয়সী এক ব্রিটিশ যুগল। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সে দেশের আইন অনুযায়ী তাদের প্রায় ৩০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। বর্তমানে তারা তুরস্কের কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

    গ্রেফতার তরুণীর নাম হলি কুপার এবং তার প্রেমিকের নাম টেলর জনসন। দুজনেরই বয়স ২০ বছর। তারা ইংল্যান্ডের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডসের বাসিন্দা।

    পারিবারিক সূত্রের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য সান’ জানিয়েছে, এক মাস আগে এ যুগল থাইল্যান্ড ভ্রমণে যান। গত ২৬ এপ্রিল থাইল্যান্ড থেকে ইস্তাম্বুল হয়ে লন্ডনে ফেরার পথে বিমানবন্দরে ট্রানজিট নেওয়ার সময় কাস্টমস কর্মকর্তাদের সন্দেহের তালিকায় পড়েন তারা। তল্লাশিতে তাদের স্যুটকেস থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়। মুহূর্তের মধ্যেই তাদের গ্রেফতার করে বিমানবন্দরের একটি বিশেষ কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়।

    আদালতের নির্দেশে বর্তমানে তাদের কারাগারে রাখা হয়েছে। জনসনের পরিবারের দাবি, জনাকীর্ণ কারাকক্ষে তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। তুরস্কে মাদক চোরাচালান বিরোধী আইন অত্যন্ত কঠোর। বিচার প্রক্রিয়া শুরু হতে এক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। অপরাধ প্রমাণিত হলে ন্যূনতম ১০ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৩০ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে এ যুগলের।

    হলি ও জনসনের পরিবার তাদের নির্দোষ দাবি করে আইনি লড়াই চালানোর জন্য তহবিল সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে। তাদের দাবি, তারা ‘ভালো ছেলেমেয়ে’ হলেও বড় কোনো অপরাধী চক্রের প্রলোভন ও ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন।

    পরিবারের এক বন্ধু বলেন, হয়তো এবার তারা বোকামি করেছে, কিন্তু মানুষ মাত্রই ভুল করে। বড় কোনো অপরাধী চক্র তাদের মগজ ধোলাই করে এ কাজে ব্যবহার করেছে। তুরস্কে তারা একদম একা এবং অসহায়। পরিবারের সবাই ভেঙে পড়েছেন।

    এদিকে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, তারা তুরস্কে আটক দুই ব্রিটিশ নাগরিকের বিষয়ে অবগত আছে। তাদের পরিবারকে প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে।

    তুরস্কের মাদক আইন এবং এই প্রেমিক যুগলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন চরম উদ্বেগ ছড়িয়েছে তাদের নিজ শহর ওয়েস্ট মিডল্যান্ডসে।

  • পদত্যাগ না করার ঘোষণা মমতার

    পদত্যাগ না করার ঘোষণা মমতার

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর পদত্যাগের জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে কড়া অবস্থান জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, কেন পদত্যাগ করব? আমরা তো হারিনি! ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।

    মঙ্গলবার বিকেলে কালীঘাটে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দলের শীর্ষ নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ডেরেক ওব্রায়েন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

    নির্বাচনের ফল অনুযায়ী, ২৯৩টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে জয় পেয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি), আর মমতার তৃণমূল কংগ্রেস জিতেছে ৮০টি আসনে। এই ফলাফলের প্রেক্ষিতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় মমতার পদত্যাগের জল্পনা।

    তবে সেই জল্পনাকে একেবারে উড়িয়ে দিয়ে মমতা বলেন, এত দিন আমি চেয়ারে ছিলাম, অনেক কিছু সহ্য করেছি। কিন্তু এখন আমি মুক্ত বিহঙ্গ সাধারণ মানুষ। আর সহ্য করব না। সব অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করব। আমি রাস্তার লোক, রাস্তায় ছিলাম, রাস্তায় থাকব।

  • গুপ্তচরবৃত্তির সন্দেহে ৩ রুশ কূটনীতিক বহিষ্কার

    গুপ্তচরবৃত্তির সন্দেহে ৩ রুশ কূটনীতিক বহিষ্কার

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

     

    গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ভিয়েনায় নিযুক্ত রাশিয়ার দূতাবাসের তিন কর্মীকে বহিষ্কার করেছে অস্ট্রিয়া। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কূটনৈতিক স্থাপনাকে ব্যবহার করে গোয়েন্দা তৎপরতা চালানোর অভিযোগে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    অস্ট্রিয়ার রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের বরাতে আনাদোলু এজেন্সির সোমবারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিয়েনায় রুশ কূটনৈতিক ভবনের ছাদে স্থাপিত সন্দেহজনক নজরদারি সরঞ্জাম নিয়ে তদন্তের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এসব অবকাঠামো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর স্যাটেলাইট যোগাযোগে আড়িপাতার কাজে ব্যবহৃত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    কর্তৃপক্ষ জানায়, অভিযুক্ত তিনজন এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে কূটনৈতিক দায়মুক্তি প্রত্যাহারের অনুরোধ জানানো হলেও মস্কো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো সাড়া দেয়নি।পরে তাদের ‘পারসোনা নন গ্রাটা’ ঘোষণা করে অস্ট্রিয়া এবং তারা ইতোমধ্যে দেশ ছেড়ে চলে গেছেন।

    অস্ট্রিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিয়াটে মেইনল-রাইসিঙ্গার বলেন, গুপ্তচরবৃত্তির বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। কূটনৈতিক দায়মুক্তি ব্যবহার করে গুপ্তচরবৃত্তি চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ভিয়েনায় রুশ তৎপরতা নিয়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। ২০২২ সালের পর এ পর্যন্ত মোট ১৪ রুশ কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে অস্ট্রিয়া, যদিও এখনো প্রায় ২২০ কর্মী বিভিন্ন মিশনে দায়িত্বে রয়েছেন।

  • চীনে আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১

    চীনে আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

     

    চীনের হুনান প্রদেশে একটি আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ২১ জন নিহত এবং আরও ৬১ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।

    রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা শিনহুয়া জানায়, সোমবার বিকেলে চাংশা শহরে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর প্রায় ৫০০ উদ্ধারকর্মী ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, কারখানার দুটি ব্ল্যাক পাউডার গুদামের কারণে অতিরিক্ত ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। এ পরিস্থিতিতে উদ্ধারকাজে সহায়তার জন্য তিনটি রোবটও ব্যবহার করা হচ্ছে।বিস্ফোরণের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে, তবে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা স্পষ্ট করা হয়নি।

    চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এ ঘটনার পর দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পখাতে ঝুঁকি শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

  • আবার ট্রাম্পের হুমকি  ইরানকে ‘পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে’

    আবার ট্রাম্পের হুমকি ইরানকে ‘পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে’

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

     

    ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজে হামলা চালায় তবে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটিকে ‘পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে’ বলে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে সৃষ্ট উত্তেজনায় দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি খাদের কিনারায় এসে দাঁড়িয়েছে।

    পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে শত্রুতা শুরু হয়েছে। এদিন ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলা চালিয়েছে আর ট্রাম্প জানিয়েছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের সাতটি ছোট নৌকা গুলি করে ডুবিয়ে দিয়েছে।  ট্রাম্প ওয়াশিংটনের সামরিক শক্তির কথা তুলে ধরে ফের ইরানকে হুমকি দিয়েছেন।

    তিনি বলেছেন, ‘আগে যা ছিল তার তুলনায় আমাদের কাছে অনেক বেশি আর অনেক উন্নত মানের অস্ত্র ও গোলাবারুদ আছে। আমাদের কাছে সেরা সরঞ্জাম আছে। সারা বিশ্বজুড়ে আমাদের সামগ্রী রয়েছে। বিশ্বজুড়ে আমাদের ঘাঁটি আছে। সবগুলোতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম মজুদ করা আছে। আমরা ওই সব সামগ্রী ব্যবহার করতে পারবো আর যদি দরকার হয় করবো।’ এদিকে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ইরনার দেওয়া উদ্ধৃতিতে এক সামরিক সূত্র বলেছে, ‘বেশ কয়েকটি ইরানি যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার মার্কিন দাবি মিথ্যা

  • যুদ্ধের কারনে আত্মহত্যায় ঝুকছে ইসরাইলি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৩.৮ শতাংশ শিক্ষার্থী

    যুদ্ধের কারনে আত্মহত্যায় ঝুকছে ইসরাইলি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৩.৮ শতাংশ শিক্ষার্থী

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    ইসরাইলের ভেতরেই এখন ভয়াবহ অস্থিরতা শুরু হয়েছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, যুদ্ধের প্রভাবে দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানসিক অবস্থা ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সাত শতাধিক শিক্ষার্থীর ওপর চালানো এই গবেষণায় উঠে এসেছে যে এদের মধ্যে ৩৩ দশমিক ৮ শতাংশ শিক্ষার্থীই এখন আত্মহত্যার কথা ভাবছে। মূলত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের এই অবনতি লক্ষ্য করা গেছে। ইসরাইলি সংবাদপত্র ‘ইসরাইল হাইয়োম’ এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে।

    এই পরিস্থিতির পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে দায়ী করা হচ্ছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর রিজার্ভ ডিউটি বা সংরক্ষিত সেনাদের দীর্ঘকালীন দায়িত্ব পালনকে। শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশকে দীর্ঘ সময় ধরে পরিবার ও বন্ধুদের থেকে দূরে রেখে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠিয়েছে দেশটির সরকার। যুদ্ধের ময়দানে ভয়াবহ সব দৃশ্য দেখা, নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা এবং সরকার তাদের ‘ভুলে গেছে’- এমন বোধ থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র মানসিক যন্ত্রণা তৈরি হয়েছে। ফলে তারা বিষণ্ণতা ও একাকীত্বে ভুগছেন। অনেক শিক্ষার্থী মনে করছেন, তাদের স্বাভাবিক জীবন পুরোপুরি তছনছ হয়ে গেছে।

    ইসরাইলে আত্মহত্যার ওপর আয়োজিত বার্ষিক এক বিজ্ঞান সম্মেলনে এই গবেষণার তথ্যগুলো উপস্থাপনের কথা রয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ৩৯ দশমিক ৪ শতাংশ শিক্ষার্থী তীব্র বিষণ্ণতায় ভুগছেন। এই হার সারা বিশ্বের গড় হারের তুলনায় অনেক বেশি। সাধারণত বিশ্বের অন্যান্য দেশে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থীর মধ্যে বিষণ্ণতা এবং ১৮ থেকে ২৪ শতাংশের মধ্যে আত্মহত্যার চিন্তা দেখা যায়। কিন্তু ইসরাইলি শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাগুলো আশঙ্কাজনকভাবে বেশি।

    গবেষকরা বলছেন, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং নিরাপত্তাহীনতা শিক্ষার্থীদের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। এর সাথে যোগ হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্ধ সমর্থন ও উসকানি, যা যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করছে এবং পরোক্ষভাবে এই তরুণ প্রজন্মের জীবনকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ৭ অক্টোবরের আগে ও পরের পরিস্থিতি তুলনা করে দেখা গেছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা কয়েক গুণ বেড়েছে। সামরিক ও রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষের বলি হয়ে ইসরাইলের শিক্ষিত সমাজ এখন এক গভীর সঙ্কটের মুখোমুখি

  • পশ্চিমবঙ্গের পটপরিবর্তনে সীমান্তে বাড়ছে উদ্বেগ

    পশ্চিমবঙ্গের পটপরিবর্তনে সীমান্তে বাড়ছে উদ্বেগ

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনকে ঘিরে উদ্ভূত উত্তেজনা বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি করেছে। নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জয়ের নিশ্চিত আভাসে রাজ্যজুড়ে সহিংসতা, সঙ্ঘাত এবং বিশেষ করে মুসলিম সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের আশঙ্কা জোরালো হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ‘অনুপ্রবেশ’ বা জোরপূর্বক ‘পুশইন’-এর ঝুঁকি মাথায় রেখে বাংলাদেশের সীমান্তে সতর্কতা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, মালদহ ও উত্তর দিনাজপুর জেলার সাথে বাংলাদেশের দিনাজপুর, নওগাঁ, জয়পুরহাট ও রাজশাহী অঞ্চলের সরাসরি সীমান্ত সংযোগ থাকায় এসব এলাকায় ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। হিলি স্থলবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোতে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং টহল কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পশ্চিমবঙ্গ শুধু ভারতের একটি রাজ্য নয়; বরং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটি একটি কৌশলগত সংযোগস্থল। ভাষা, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতার কারণে এই অঞ্চলের রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রভাব সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশেও প্রতিফলিত হতে পারে। ফলে নির্বাচনের ফলাফল ঘিরে সৃষ্ট উত্তেজনা সীমান্ত পরিস্থিতিকে আরো স্পর্শকাতর করে তুলছে।

    নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে ‘অনুপ্রবেশ’ ইস্যু এবং ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক দেখা দেয়। অভিযোগ রয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় প্রায় ৯১ লাখ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, যাদের একটি বড় অংশ মুসলিম। এ বিষয়টি নির্বাচনপূর্ব সময় থেকেই সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে তোলে। বিজেপি তাদের নির্বাচনী প্রচারণায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা উল্লেখ করে অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর পদক্ষেপের অঙ্গীকার করেছে। এ প্রেক্ষাপটে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর বক্তব্য- নির্বাচনের পর ‘অনুপ্রবেশকারীদের’ খুঁজে বের করে বহিষ্কার করা হবে- সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরো বাড়িয়েছে।

    Politics

    নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর (অব:) আশরাফুজ্জামান খান বলেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ পড়া এবং তাদের অধিকাংশ মুসলিম হওয়ায় মানবিক ও নিরাপত্তাজনিত সঙ্কট তৈরি হতে পারে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, নতুন আইনি কাঠামোর মাধ্যমে এসব মানুষকে ‘পুশইন’ করে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেয়ার চেষ্টা হতে পারে, যা রোহিঙ্গা সঙ্কটের মতো আরেকটি জটিল পরিস্থিতির জন্ম দিতে পারে। এ অবস্থায় সীমান্তে বিজিবি, পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর সমন্বিত নজরদারি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। বিজিবি সূত্র জানায়, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি যাতে সীমান্তে উত্তেজনা সৃষ্টি না করে, সে জন্য আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সীমান্তে টহল জোরদার, গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

    সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া বিপুল সংখ্যক মানুষের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়লে সীমান্তবর্তী এলাকায় মানবিক সঙ্কট তৈরি হতে পারে। অতীতে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও কিছু মানুষকে জোরপূর্বক সীমান্তের দিকে ঠেলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর সমালোচনার জন্ম দেয়। নির্বাচনের ফল বিজেপির পক্ষে গেলে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।

    ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্ত রুটগুলো

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মুর্শিদাবাদ, মালদহ ও উত্তর দিনাজপুর থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রুট রয়েছে। এর মধ্যে মুর্শিদাবাদের লালগোলা হয়ে জলপথে রাজশাহীর সাথে সংযোগ, জলঙ্গী থেকে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সীমান্ত, মালদহের মহাদিপুর হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর এবং উত্তর দিনাজপুরের রাধিকাপুর ও হিলি সীমান্ত উল্লেখযোগ্য। এসব রুটে বৈধ যাতায়াতের পাশাপাশি অনিয়মিত পারাপারের ঝুঁকিও বিদ্যমান, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ বাড়াতে পারে।

    গোয়েন্দা সূত্র জানায়, পশ্চিমবঙ্গে ‘অবৈধ মুসলিম ভোটার’ বিষয়ে নির্দিষ্ট সরকারি পরিসংখ্যান না থাকলেও ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৯০ লাখের বেশি ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। বিভিন্ন বিশ্লেষণে দাবি করা হয়েছে, বাদ পড়াদের একটি বড় অংশ মুসলিম, যদিও এ বিষয়ে ভিন্নমতও রয়েছে।

    জনসংখ্যাগত প্রবণতা বিশ্লেষণে দেখা যায়, সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে মুসলিম জনসংখ্যার হার গত এক দশকে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। মুর্শিদাবাদ, মালদহ, উত্তর দিনাজপুরসহ কয়েকটি জেলায় মুসলিম জনসংখ্যা ৫০ শতাংশের বেশি, যা রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। এসব জেলায় ভোটার তালিকা পর্যালোচনার আওতায় থাকা কেসের সংখ্যাও বেশি।

    এ বিষয়ে মেজর জেনারেল (অব:) রোকন উদ্দিন বলেন, প্রায় চার হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য-নদী, জলাভূমি ও দুর্গম এলাকা-সীমান্ত ব্যবস্থাপনাকে জটিল করে তোলে। তাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গিয়ে মানবিক ও আন্তর্জাতিক নীতিমালা উপেক্ষা করা হলে তা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরও দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় থাকলে সীমান্তে শান্তিশৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা সম্ভব।

    সার্বিকভাবে, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন শুধু ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়; এটি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত নিরাপত্তা, মানবিক পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে।

  • কোন কোন মুসলিম প্রার্থী জিতল পশ্চিমবঙ্গে

    কোন কোন মুসলিম প্রার্থী জিতল পশ্চিমবঙ্গে

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে একাধিক মুসলিম প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। বিশেষ করে কলকাতা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগণা, মালদা ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন আসনে মুসলিম প্রার্থীদের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীরাই বেশি সংখ্যক বিজয়ী হয়েছেন। পাশাপাশি আইএসএফ, কংগ্রেস, সিপিএম এবং এজেইউপির কয়েকজন প্রার্থীও জয় পেয়েছেন।

    রাজধানী কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র কসবা বিধানসভা আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী, বিদায়ী বিধায়ক ও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী জাভেদ খান আবারও জয় ধরে রেখেছেন। তিনি ২০ হাজার ৯৭৪ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন। কলকাতার আরেক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের ফিরহাদ হাকিম ৫৬ হাজার ৪৯০ ভোটে জয়লাভ করেন। মেটিয়াব্রুজ কেন্দ্রেও বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী আবদুল খালেক মোল্লা; তিনি ৮৭ হাজার ৮৭৯ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন।

    মুর্শিদাবাদ জেলায় মুসলিম প্রার্থীদের মধ্যে তৃণমূলের শক্তিশালী উপস্থিতি দেখা গেছে। জলঙ্গী কেন্দ্র থেকে বাবর আলি, হরিহরপাড়া থেকে নিয়ামত সেখ, শামশেরগঞ্জ থেকে মুহাম্মদ নূর আলম, ভরতপুর থেকে মুস্তাফিজুর রহমান এবং সাগরদিঘি থেকে বায়রন বিশ্বাস জয়ী হয়েছেন। একই জেলার রেজিনগর ও নওদা কেন্দ্র থেকে এজেইউপি প্রার্থী হুমায়ুন কবীরও বিজয় অর্জন করেছেন।

    উত্তর ২৪ পরগণায় তৃণমূলের আনিসুর রহমান বিদেশ দেগঙ্গা কেন্দ্র থেকে জয় পেয়েছেন। হাড়োয়া থেকে আবদুল মাতিন এবং বসিরহাট উত্তর থেকে তৌসিফুর রহমানও তৃণমূলের হয়ে বিজয়ী হয়েছেন। বসিরহাট কেন্দ্র থেকে জয় পেয়েছেন বুরহানুল মুকাদ্দিম লিটন।

    দক্ষিণ ২৪ পরগণার ভাঙড় কেন্দ্র থেকে আইএসএফের নওসাদ সিদ্দিকী জয়লাভ করে আলোচনায় রয়েছেন। ক্যানিং পূর্বে বাহারুল ইসলাম এবং মগরাহাট পশ্চিমে শামীম আহমেদ তৃণমূলের হয়ে জয় পেয়েছেন।

    মালদার সুজাপুর কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের সাবিনা ইয়াসমিন এবং বীরভূমের হাসন কেন্দ্র থেকে কাজল শেখ বিজয়ী হয়েছেন।

    অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলোর মধ্যেও কয়েকজন মুসলিম প্রার্থী সাফল্য পেয়েছেন। মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা কেন্দ্র থেকে কংগ্রেসের মাহাতাব শেখ, রাণীনগর থেকে কংগ্রেসের জুলফিকার আলি এবং ডোমকল কেন্দ্র থেকে সিপিএমের মোস্তাফিজুর রহমান রানা জয়লাভ করেছেন। এছাড়াও রেয়াত হোসেন সরকার (তৃণমূল, ভগবানগোলা), ডা. আবদুল আজিজ (তৃণমূল, লালগোলা), ঈমানি বিশ্বাস (তৃণমূল, সুতি), আখরুজ্জামান (তৃণমূল) এবং নজরুল ইসলাম তৃণমূল-মোথাবাড়ি থেকে জয়লাভ করেছেন।

    সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচনে মুসলিম অধ্যুষিত ও সংখ্যালঘু ভোটপ্রবণ আসনগুলোতে তৃণমূল কংগ্রেস বড় ধরনের প্রভাব বজায় রাখলেও, কিছু গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে আইএসএফ, কংগ্রেস, সিপিএম ও এজেইউপির উপস্থিতিও চোখে পড়েছে।